

বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুকের মরদেহ ঢাকায় আনা হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৬ মে) সিঙ্গাপুরের স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট তার মরদেহ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয় বলে এয়ারলাইন্সটির জনসংযোগ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ইউএস-বাংলার বিএস-৩০৮ ফ্লাইটটি নায়ক ফারুকের মরদেহ নিয়ে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।
সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন চিত্রনায়ক ফারুক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন।
তার ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান জানান, গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ইউএস বাংলার ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ আসবে। পরে সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
বেলা ১১টায় জাতীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য নেওয়া হবে। বাদ জোহর এফডিসিতে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন এবং সেখানে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষ সন্ধ্যা ৭টায় গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমুলিয়া দক্ষিণ সোম গ্রামের বাড়িতে চতুর্থ জানাজা সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
মন্তব্য করুন


১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন সদ্য প্রয়াত অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। তখন তার নামে ৩৬টি মামলায় হয়। ছাত্র রাজনীতিতে তিনি তখন বেশ সক্রিয়, সিনেমা অভিনয় নিয়ে কোনো ভাবনাই ছিল না তার।
তবে একের পর এক যখন মামলা হতে থাকল তখন তার বন্ধুরাই বলল, ‘সিনেমায় ঢুকে যাও।’ সেই ঘটনার বিবরণ দিয়ে ফারুক বিবিসি বাংলাকে বলেছিলেন, ‘আমার নামে হয়রানিমূলক ৩৬টি মামলা হয়। এগুলো থেকে বাঁচার জন্য আমার কিছু বন্ধুবান্ধব বলে, চলচ্চিত্রে ঢুকে যাও। এরপরই চলচ্চিত্রে আসি।’
ফারুকের প্রথম সিনেমা ‘জলছবি’। ছবিটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘১৯৬৮ সালে ছবিটির শুটিং শুরু হয় কিন্তু মুক্তি পায় ১৯৭১-এ। মুক্তির তারিখ ২৫-এ মার্চ বা এর দুই কী তিন দিন আগে, ঠিক মনে নেই। ছবিতে আমার সহকর্মী ছিলেন কবরী। বলা যায়, আমার সিনেমাজীবন শুরুই হয় কবরীর সঙ্গে।’
সাক্ষাৎকারে চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পীদের পারিশ্রমিক নিয়েও আক্ষেপ করতে শোনা যায় অভিনেতাকে। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই তিনি জানান প্রথম সিনেমা ‘জলছবি’র পারিশ্রমিক কত ছিল। ফারুক বলেন, ‘আমাকে যথাযথ সম্মান ও সম্মানী দেওয়া হয়নি। আমাকে প্রথম ছবিতে পাঁচ শ টাকা দেওয়া হয়েছিল।’
বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি অভিনয় করেছেন ‘আবার তোরা মানুষ হ’, ‘আলোর মিছিল’, ‘সুজন সখী’, ‘লাঠিয়াল’, ‘সূর্যগ্রহণ’, ‘মাটির মায়া’, ‘নয়নমনি’, ‘সারেং বৌ’, ‘গোলাপি এখন ট্রেনে’, ‘নাগরদোলা’, ‘দিন যায় কথা থাকে’, ‘কথা দিলাম’, ‘মাটির পুতুল’, ‘সাহেব’, ‘ছোট মা’, ‘এতিম’, ‘ঘরজামাই’, ‘মিয়া ভাই’র মতো অসংখ্য সিনেমায়।
ফারুক তার অভিনয়ের জন্য ১৯বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে মনোনীত হয়েছিলেন। কিন্তু তার হাতে পুরস্কার উঠেছিল কেবলই একবার। অবশ্য ২০১৬ সালে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। অভিনয়ের বাইরে তিনি ঢাকা ১৭ আসনের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুকের মরদেহ ঢাকায় আনা হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৬ মে) সিঙ্গাপুরের স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট তার মরদেহ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয় বলে এয়ারলাইন্সটির জনসংযোগ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ইউএস-বাংলার বিএস-৩০৮ ফ্লাইটটি নায়ক ফারুকের মরদেহ নিয়ে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।
সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন চিত্রনায়ক ফারুক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন।
তার ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান জানান, গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ইউএস বাংলার ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ আসবে। পরে সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
বেলা ১১টায় জাতীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য নেওয়া হবে। বাদ জোহর এফডিসিতে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন এবং সেখানে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষ সন্ধ্যা ৭টায় গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমুলিয়া দক্ষিণ সোম গ্রামের বাড়িতে চতুর্থ জানাজা সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
মন্তব্য করুন


পবিত্র মাহে রমজান শুরু হয়েছে। রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে এই মাস মুমিনের দরজায় এসে হাজির হয়েছে। রমজান মাস আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে অসীম রহমত ও বরকত নিয়ে আসে। এটি আত্মার পরিশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের মাস। বিশ্বজুড়ে মুসলিমরা এই মাসটি ইবাদত-বন্দেগিতে কাটান— শেষ রাতে সেহরি খাওয়া, সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও অন্যান্য নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকা, সূর্যাস্তের পর ইফতার করা এবং রাতে তারাবিহ নামাজ পড়া।
রমজান মাসের অন্যতম প্রধান ইবাদত হলো রোজা রাখা। বিনোদন জগতের কিংবদন্তি বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানও রমজানে রোজা রাখার চেষ্টা করেন। এর আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেই এ কথা জানিয়েছিলেন। ২০১৩ সালে ঈদে তার চলচ্চিত্র "চেন্নাই এক্সপ্রেস" মুক্তির পর ভক্তদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এ বিষয়টি উল্লেখ করেন।
সেই সময় এক ভক্ত তাকে প্রশ্ন করেন— রমজান মাসে তিনি রোজা রাখেন কিনা? উত্তরে শাহরুখ খান বলেন, "হ্যাঁ, রোজা রাখা হয়। তবে দুই-চারটি রোজা ছুটে যায়। কারণ আমাকে ব্যথার ওষুধ নিতে হয়।" তিনি আরও বলেন, "যখন পিঠে ব্যথা শুরু হয়, তখন ওষুধ নিতে হয়। সে কারণে দুই-চারটি রোজা ছুটে যায়। তবে মাশাআল্লাহ, অধিকাংশ রোজাই রাখা হয়।"
বিভিন্ন সময় ধর্ম নিয়ে বিতর্ক ও কটাক্ষের মুখে পড়লেও শাহরুখ খান সবসময়ই নিজের অবস্থান ঠিক রাখেন। তিনি কোনো ধরনের ঝামেলা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন। রমজান মাসে বিভিন্ন ইফতার পার্টিতেও তাকে দেখা যায়। এছাড়া, ঈদের দিনে ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে দেখা যায় এই বলিউড সুপারস্টারকে।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
বিশ্বজুড়ে শিশুদের উপর হামলা কেনো? এমন প্রশ্ন করে সোশ্যাল মিডিয়ায় সিনের মতামত জানিয়ে লিখেছেন ইউনিসেফের শুভেচ্ছা-দূত ও জনপ্রিয় বলিউড-হলিউড নায়িকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।
রিয়াসির জঙ্গি হামলার ঘটনায় ভীণষ মর্মাহত এ নায়িকা। প্রিয়াঙ্কা প্রশ্ন তুলছেন কেন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ঘৃণার ঘটনায় বার বার বলি হতে হবে সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের?
বোববার জম্মু-কাশ্মীরে আবারও একবার ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে। ওই দিন রিয়াসির দিক থেকে জম্মুর কাটরায় বৈষ্ণো দেবী মন্দিরের দিকে যাচ্ছিল পুণ্যার্থীদের একটি বাস। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সেই বাসেই হামলা চালায় জঙ্গিরা। এতে মৃত্যু হয় ১০ জনের, ৩০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে।
এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ। প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে পাকিস্তানি মদতপুষ্ট জঙ্গি গোষ্ঠীই এ হামলার পিছনে রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে প্রিয়াঙ্কা ইনস্টাগ্রামে একটি স্টোরি শেয়ার করে করেছেন। এতে তিনি লিখেছেন, ‘বিধ্বস্ত আমি। নিরপরাধ তীর্থযাত্রীদের উপর জঘন্য হামলা চালানো হয়েছে। কেনো সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের উপর এই হামলা? সারাবিশ্বে যেভাবে ঘৃণা ছড়াচ্ছে, তা আমার বোধগম্যতার বাইরে।’
তবে এ প্রথম নয়। বিশ্বজুড়ে চলা সন্ত্রাসের বিপক্ষে বার বার নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। এরই মধ্যে প্রিয়াঙ্কা ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
রাফায় ইসরায়েলি হামলার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি নিজের মত প্রকাশ করেছিলেন। এর আগে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘর্ষের সময়ও প্রিয়াঙ্কাকে দেখা গেঠে পোল্যান্ডে গিয়ে উদ্বাস্তু পরিবারের শিশুদের সঙ্গে সময় কাটাতে।
সেবারও শিশুদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন এ নায়িকা। সাবেক বিশ্বসুন্দরী এবং অভিনেত্রী দীর্ঘ দিন ধরেই ইউনিসেফের সঙ্গে যুক্ত। ২০১৬ সাল থেকে তিনি শুভেচ্ছা-দূত হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কাজ করছেন।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
ভারতের হিন্দি সিনেমা ও ছোটপর্দার অন্যতম জনপ্রিয় মুখ হিনা খান ক্যানসারে আক্রান্ত। সম্প্রতি তার ব্রেস্ট ক্যানসার শনাক্ত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার অভিনেত্রী নিজেই জানিয়েছেন ক্যানসারোর কথা।
হিনা খান অফিসিয়াল ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘চলমান গুঞ্জন আমার নজরে পড়েছে। যারা আমার ভক্ত, যারা আমাকে ভালোবাসেন, সবার সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ খবর ভাগ করে নিচ্ছি। আমার ব্রেস্ট ক্যানসার শনাক্ত হয়েছে, এখন স্টেজ থ্রিতে রয়েছে। চ্যালেঞ্জিং একটি রোগ শনাক্ত হওয়ার পরও বলছি, আমি ভালো আছি। ক্যানসারমুক্ত হওয়ার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী আমি। এরই মধ্যে আমার চিকিৎসা শুরু হয়েছে। ক্যানসারমুক্ত হওয়ার জন্য যা যা করণীয়, তা করার জন্যও প্রস্তুত আমি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলছি, এ সময়ে আমার প্রাইভেসি রক্ষায় সহযোগিতা করুন। আমার জন্য দোয়া করবেন।’
২০০৮ সালে ‘ইয়ে রিশতা কেয়া কেহলতা হ্যায়’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে অভিনয়ে নাম লেখান হিনা খান। পরবর্তীকালে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। তবে ছোট পর্দায় তার পরিচিতি ব্যাপক।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
বলিউডের জনপ্রিয় দম্পতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের সম্পর্ক নিয়ে চলছে নানা ধরনের গুঞ্জন। বলা চলে প্রতিদিনই তাদের সম্পর্কের নতুন নতুন খবর সামনে আসছে। এতদিন বিভিন্ন ধরনের গুঞ্জন শোনা গেলেও অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া এই বিষয়ে কখনোই কিছু বলেননি। তবে এবার সেই গুঞ্জনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে একটি ভিডিও। ভিডিওটি দেখে সমালোচকরা মন্তব্য করেছেন, ঐশ্বরিয়ার বিচ্ছেদ হতে চলেছে!
কিছুদিন আগে দুবাইয়ে নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ক একটি আলোচনাসভায় অংশ নিয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। ওই মঞ্চে ওঠার পর পর্দায় তার নাম দেখা যায়, যেখানে ‘ঐশ্বরিয়া রাই’ লেখা ছিল, কিন্তু ‘বচ্চন’ পদবি সেখানে ছিল না। এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর ডিভোর্সের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়ে ওঠে।
তবে আসলে ঐশ্বরিয়া এখনও অফিশিয়ালি ‘রাই বচ্চন’ নামেই পরিচিত। তার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলেও এটা স্পষ্টভাবে দেখা যায়। জানা গেছে, দুবাইয়ের ওই অনুষ্ঠানে নারীর স্বাধীনতা ও নারী শক্তির ওপর আলোচনা হচ্ছিল, আর এজন্য আয়োজকরা ঐশ্বরিয়ার নামের পাশে তার জন্মনাম ‘রাই’ ব্যবহার করেছেন, যেখানে স্বামীর পদবি ‘বচ্চন’ ব্যবহার করেননি।
এটি ছিল আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন বিরোধী দিবস উপলক্ষে একটি ভিডিও। ঐশ্বরিয়া এই ভিডিওটি একটি জনপ্রিয় প্রসাধনী সংস্থার হয়ে তৈরি করেছেন। সেখানে তিনি সব নারীদের মাথা উঁচু করে বাঁচার এবং নিজের মর্যাদা নিয়ে জীবনের পথে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলছেন, “নিজের মর্যাদার সঙ্গে কখনো আপস করবেন না।”
এদিকে, কখনো ডিভোর্সের গুঞ্জন, কখনো দূরত্ব বাড়ানোর খবর, আবার কখনো বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের কারণে তিক্ততার শোনা যাচ্ছে। এমনকি শোনা যাচ্ছে যে, ঐশ্বরিয়া এখন শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে তার মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে নিজের পিতৃবাড়িতে অবস্থান করছেন। তার শাশুড়ি জয়া বচ্চন ও ননদ শ্বেতা নন্দার সঙ্গে নাকি তার সম্পর্ক খুব একটা ভালো যাচ্ছে না।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
বরাবরের মতো এবারের কান উৎসবেও অংশ নিয়েছেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। তবে তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ নন। হাতে প্লাস্টার নিয়ে রূপের দ্যুতি ছড়ালেন এই তারকা।
বৃহস্পতিবার উৎসবের লাল গালিচায় হেঁটেছেন তিনি।
এ সময় ঐশ্বরিয়ার পরনে ছিল ফাল্গুনি-শেন পিককের কালো-সোনালি গাউন। বিশেষ করে তার গাউনের লম্বা টেইল নজর কাড়ে সবার। ইতোমধ্যে সেই ছবি ও ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল।
একজন লিখেছেন, ‘কে বলবে তার হাতে চোট লেগেছে। আপনার আত্মবিশ্বাস দেখে কুর্নিশ জানাতে হয়। আপনাকে ছাড়া লাল গালিচা অসম্পূর্ণ।’
এর আগে বুধবার মেয়ে আরাধ্যকে নিয়ে ৭৭তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে ভারত ছাড়েন ঐশ্বরিয়া। সে সময় প্লাস্টার জড়ানো হাতে তাকে মুম্বাই এয়ারপোর্টে দেখে চমকে গিয়েছিলেন অনেকেই। ভেবেছিলেন লাল গালিচায় হয়তো হাঁটতে দেখা যাবে না তাকে। কিন্তু সব দ্বন্দ্ব-শঙ্কা ফু দিয়ে উড়িয়ে লাল গালিচায় দ্যুতি ছড়ালেন এই অভিনেত্রী।
প্রসঙ্গত, কান চলচ্চিত্র উৎসবে ঐশ্বরিয়া আলো ছড়াচ্ছেন ২০০২ সাল থেকে। ওই বছর ভারী সোনার গয়না ও শাড়িতে প্রথম লালগালিচায় হাঁটেন তিনি। সেবার তার কান সফর শুরু হয় ‘দেবদাস’ সিনেমা নিয়ে। সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা শাহরুখ খান ও পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালি। এরপর থেকে প্রায় প্রতি বছরই উৎসবে হাজির থেকেছেন এই অভিনেত্রী।
মন্তব্য করুন


বিদায়ঘণ্টা বাজছে ২০২৪ সালের। আর কয়েকদিন পরেই চলতি বছরকে বিদায় জানানো হবে। নানা কারণে আলোচিত ছিল বছরটি। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে শুরু করে বিনোদন, সব ক্ষেত্রেই ছিল উত্তাপ। বিশেষ করে সারাবছর জুড়ে দর্শকরা বেশ কয়েকটি গানে মেতে ছিলেন।
সাধারণ মানুষের মুখে মুখে তো বটেই, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া যেমন টিকটক, ইনস্টাগ্রামে ভিডিওতেও রীতিমতো ঝড় তোলে গানগুলো।
চলুন এক নজরে দেখে নিই, ২০২৪ কাঁপানো সেরা ৮ গানের নাম-
তওবা তওবা: চলতি বছরের শুরুতেই গানের জগতে ঝড় তোলে বলিউডের ‘বেড নিউজ’ সিনেমার গান তওবা তওবা। অভিনেতা ভিকি কৌশল ও অভিনেত্রী তৃপ্তি দিমড়ির নাচের সঙ্গে সংগীত প্রেমীরাও লুফে নেন এ গানের মিউজিকের প্রতিটি বিট।
দুষ্টু কোকিল: শাকিব খান ও মিমি চক্রবর্তী অভিনীত ঈদে মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘তুফান’-এর গান দুষ্টু কোকিল। রায়হান রাফির পরিচালিত এ সিনেমায় সংগীত শিল্পী কণার গাওয়া এ গান রীতিমতো পাগল করে দেয় বাঙালি শ্রোতাদের। ইউটিউবে গানটির বর্তমান ভিউ সংখ্যা ২৩৮ মিলিয়ন। তবে অনেক নেটিজেনই এ গানটি শুনে দাবি করেন, ‘ড্রিম গার্ল টু’-র ‘দিলকা টেলিফোন’ গানের সঙ্গে মিল রয়েছে দুষ্টু কোকিল গানটির।
আচো আচো: ২০২৪ সালে রাতারাতি ভাইরাল হওয়া গান ছিল তামান্না ভাটিয়া অভিনীত ‘আরানমানাই ফোর’ সিনেমার আচো আচো গানটি। মুক্তির এক মাসের মধ্যেই ২৭২ মিলিয়ন ভিউ পার করে গানটি।
ইমি ইমি: শ্রেয়া ঘোষাল আর টাইকের গাওয়া ইমি ইমি গানটিও চলতি বছর কাপিয়েছিল নেটপাড়া। মিউজিক ভিডিওতে গানের সঙ্গে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের নাচও ছিল জনপ্রিয়তার শীর্ষে। এ বছরের ভাইরাল নাচগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল ইমি ইমি নাচ। গানটির জনপ্রিয়তায় বর্তমানে ইউটিউবে ২১৫ মিলিয়ন ভিউ ছাড়িয়েছে।
আশা কোডা: ভিনদেশি এ গানের অর্থ না বুঝলেও জাদুকরী সংগীতের সুরে বিশ্ববাসীকে মাতিয়েছে সাই অভিয়ানঙ্কর ও সাই স্মৃতির গাওয়া আশা কোডা গান। জাদুকরী সুরের গানটি আরও ভাইরাল করে তোলে টিকটকার ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীরা। ইউটিউবে গানটির বর্তমান ভিউ সংখ্যা ১৭৮ মিলিয়ন।
চুট্টামালে: শিল্পা রাও ও রাম জোগায়ের গান চুট্টামালে ঝড় তোলে বছরের শেষের দিকে। দেবারা সেকেন্ড সিঙ্গেল সিনেমার এ গানে জুনিয়র এনটিআর ও জাহ্নবী কাপুরের রসায়ন মুগ্ধ করে দর্শকদের। গানটি নেট দুনিয়ায় প্রকাশের পর এতটাই জনপ্রিয় হয় যে, এক মাসের মাথায় ৫০ মিলিয়ন ভিউ পার করে। বর্তমানে ২৬৭ মিলিয়ন ভিউ ছাড়িয়েছে গানটির।
আজ কি রাত: ‘স্ত্রী টু’ সিনেমার আইটেম সং আজ কি রাত। সিনেমার এ গানে কন্ঠ দিয়েছেন মধুবানতি বাগচী, ডিব্যা কুমার, শচীন জিগার। সিনেমা মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই প্রেক্ষাগৃহ কাঁপিয়েছে এ গান। শুধু গানের সুর নয়, অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার নাচের মুদ্রাও চলতি বছর কাঁপিয়েছে বিনোদন পাড়া। ইউটিউবে ৬৮৭ মিলিয়ন ভিউ সংখ্যা ছাড়িয়েছে গানটি।
মেরে মেহবুব: বছরের একেবারে শেষ দিকে বাজিমাত করে রাজকুমার রাও ও তৃপ্তি দিমড়ি অভিনীত ‘ভিকি বিদ্যা কা ওয়াও ওয়ালা ভিডিও’ সিনেমার গান মেরে মেহবুব। গানটি নেট দুনিয়ায় মুক্তির পরই ঝড় তোলে দর্শকমহলে। সেই সঙ্গে রাজকুমার ও তৃপ্তির নাচে পাগল হয়ে যায় সিনেমা ও সংগীতপ্রেমীরা। বর্তমানে এ গানের দর্শক ভিউর সংখ্যা ১২৮ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে।
চলতি বছর বিভিন্ন সামাজিক, পারিবারিক অনুষ্ঠান ও উৎসব মুখর পরিবেশে সেরা এ ৮ গানেরই বেশি রাজত্ব চোখে পড়ার মতো ছিল। সেরা এ ৮ গানের সুরে মন্ত্রমুগ্ধ ছিলেন দর্শক ও সিনেপ্রেমীরা।
মন্তব্য করুন


ছোটবেলায় যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ অভিনেত্রী জামিলা জামিল। এরপর থেকে তার ভেতর সব সময় একধরনের ট্রমা কাজ করে। এড়িয়ে চলেন রগরগে দৃশ্যে অভিনয়, এমনকী কোনো ছবিতে এমন দৃশ্য থাকলে তা দেখেনও না তিনি। আর এ কারণেই নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘ইউ’-এর অডিশন থেকে বেরিয়ে আসেন অভিনেত্রী।
সম্প্রতি ‘দ্য গুড প্লেস’ খ্যাত তারকা পডক্রাশড পডকাস্টে তার নিজের চিন্তাভাবনা তুলে ধরেন। জামিলা বলেন, “নেটফ্লিক্সের সিরিজ 'ইউ'-এর চতুর্থ সিজনের জন্য আমার অডিশন দেওয়ার কথা ছিল। তবে যখন জানতে পারি এই চরিত্রটি বেশ সেক্সি, তখনই আমি অডিশন থেকে সরে আসার কথা জানিয়ে দিই। কারণ, এ ধরনের যৌন দৃশ্যে আমি স্বচ্ছন্দ নই।’ যদিও ঠিক কোন দৃশ্যের জন্য তিনি অডিশন দিচ্ছিলেন, তা প্রকাশ্যে আনেননি জামিলা জামিল।
কেন যৌন দৃশ্যে তিনি স্বচ্ছন্দ নন, তার অন্যতম কারণ হিসাবে শৈশবের 'ট্রমা' (মানসিক আঘাত), শৈশবের যৌন নির্যাতনের কথা সামনে এনেছেন জামিলা জামিল। অভিনেত্রী জানান, তার শৈশব ভীষণই কঠিন, নোংরা ছিল। শৈশবে তার ওপর চলা যৌন নির্যতনের কথা তিনি ভুলতে পারেননি, সেগুলো থেকে বের হয়ে আসতে পারেননি। আর তারই ফলস্বরূপ তিনি নিজের জন্য এই নিয়ম তৈরি করেছেন। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কখনো কোনো যৌন দৃশ্যে তিনি অভিনয় করবেন না।
তার কথায়, ‘অন্য অভিনেতাদের কাছে যৌনদৃশ্য যেমন, আমার কাছে এটা ঠিক তেমন নয়। এমনকী ছবিতে কোনো যৌন দৃশ্য থাকলে সেটা আমি দেখি না, এড়িয়ে যাই।’
জামিলা জামিল জানান, তিনি ‘ইউ’-এর নির্মাতাদের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যদি যৌন দৃশ্য ছাড়া সিরিজে অন্য কোনো চরিত্রে তাকে প্রয়োজন হয়, তাহলে তাকে তারা ডাকতে পারেন।
‘সি-হাল্ক’ অভিনেত্রী আরও স্পষ্ট করে বলেন, ‘এটা লজ্জার কিছু নয়। তবে আমি অনুভব করি যে এটির চারপাশে একটি বিশ্রীতা রয়েছে।’
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্কঃ
কলকাতার চলচ্চিত্র উৎসবে জায়গা হয়নি বাংলাদেশের। আগামী ৪ ডিসেম্বর শুরু হতে যাওয়া এই উৎসবে স্থান পেয়েছে ২৯টি দেশের ১৮০টি সিনেমা। আর এবারই প্রথম ‘কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (কেআইএফএফ)’-এ থাকছে না বাংলাদেশের নাম। রাজনৈতিক অবস্থা ও ভিসা জটিলতার কারণেই এমনটা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উৎসবের চেয়ারম্যান গৌতম ঘোষ।
কলকাতার উৎসবে বাংলাদেশের সিনেমার জায়গা না পেলেও ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এ ঠিকই থাকছে ভারতীয় সিনেমা। আগামী ১১ জানুয়ারি শুরু হবে উৎসবের ২৩তম আসর। ৯ দিনব্যাপী এই উৎসবে প্রদর্শিত হবে ৭৫টি দেশের প্রায় ২৫০টি সিনেমা। যদিও এখনো পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেনি আয়োজক কর্তৃপক্ষ। তবে তাদের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ‘এশিয়ান ফিল্ম কমপিটিশন’ বিভাগের তালিকা রয়েছে দুটি ভারতীয় সিনেমা। এগুলো হলো- জটলা সিদ্ধার্থের ‘ইন দ্য বেলি অব আ টাইগার’ ও সৌমিক রায় চৌধুরীর ‘বেলাইন’। এছাড়াও ‘সিনেমা অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ বিভাগে আছে সৃজিত মুখার্জির ‘পদাতিক’।
বিষয়টি নিয়ে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজক রেইনবো ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি আহমেদ মুজতবা জামাল বলেন, ‘সরকারি আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসব। সেখানে বাংলাদেশের সিনেমা কেন নেই- এর উত্তর দিতে পারবে উৎসব কর্তৃপক্ষ ও তাদের সরকার। ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত ইফিতে কিন্তু বাংলাদেশের সিনেমা প্রদর্শিত হয়েছে। আর ঢাকা চলচ্চিত্র উৎসব সরকারি কোনো আয়োজন হয় না। আমরা সিনেমাকে প্রাধান্য দিয়েছি। এখানে পাকিস্তানের সিনেমা যেমন আছে, তেমনি ভারত, চীনসহ ৭০টির বেশি দেশের সিনেমা আছে। আমরা কোনো দেশ বিবেচনায় সিনেমা নির্বাচন করছি না। এছাড়া সরকার থেকে আমাদের এমন কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি যে নির্দিষ্ট কোনো দেশের সিনেমা দেখানো যাবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘এবার চলচ্চিত্র উৎসবে ভারতের সিনেমার সংখ্যা কমে গেছে। অন্যান্যবার ২৫-৩০টি সিনেমা থাকে। এবার মাত্র ৫-৬টি সিনেমা আছে। তাছাড়া ভারতের কোনো ফিল্মমেকার, কলাকুশলী বা অতিথি কেউ আসছেন না ভিসা জটিলতার কারণে।’
গতবার ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এ আলো ছড়িয়েছিলেন ইরানের নির্মাতা মাজিদ মাজিদি, ভারতের শর্মিলা ঠাকুর, অঞ্জন দত্তরা।
মন্তব্য করুন