

রাঘব-পরিণীতির প্রেম ছিল অনেকটাই ওপেন সিক্রেট। দুজন দুজনের প্রেমে মজলেও তা একটিবারও মুখ ফুটে স্বীকার করেননি। অবশেষে আংটি বদল হতেই প্রকাশ্যে আসে তাদের সম্পর্কটি। বাগদানের পর তাদের প্রেম নিয়ে মুখ খুললেন পরিণীতি।
সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে পরিণীতি লেখেন, আমাদের সম্পর্ক ও বাগদান নিয়ে যেভাবে ইতিবাচক মনোভাব ছিল সবার, তা দেখে সত্য়িই আপ্লুত আমি ও রাধব। আপনাদের এরকম সঙ্গে থাকা আমাদের শক্তি দিয়েছে। অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
‘আমাদের দুজনের পৃথিবীটা সম্পূর্ণ আলাদা। একেবারে বিপরীতধর্মী কর্মক্ষেত্র থেকে এসেছি। তবে আমাদের সম্পর্ক খুব অটুট। আর এই কারণেই খুব বড় পরিবারকে পেয়েছি আমরা। যা কিনা আমাদের সম্পর্কের ভিত।’
পোস্টে আত্মীয়-পরিজন, সহকর্মী ও বিশেষ করে সংবাদমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানান অভিনেত্রী।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
লায়লা আক্তার ফারহাদের করা ধর্ষণ মামলায় আলোচিত টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের রিমান্ড ও জামিন দুটোই নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আজ প্রিন্স মামুনকে আদালতে হাজির করে তার সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ক্যান্টনমেন্ট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুহাম্মদ শাহাজাহান। অপরদিকে প্রিন্সের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। উভয়পক্ষে শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে ৯ জুন প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় ধর্ষণ মামলা করেন লায়লা আক্তার। মামলার পর গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুমিল্লা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার অভিযোগে লায়লা বলেন, ‘প্রিন্স মামুনের সঙ্গে গত তিন বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে আমার পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে মামুন আমাকে বিয়ে করবে মর্মে প্রলোভন দেখিয়ে আমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করেন। তিনি আমাকে জানান, তার ঢাকায় থাকার মতো নিজস্ব কোনো বাসা নেই। যেহেতু প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হয় এবং মামুন আমাকে বিয়ে করবে বলে জানান, তাই তার কথা সরল মনে বিশ্বাস করে তাকে আমার বাসায় থাকার অনুমতি দেই।’
মামলার অভিযোগে আরও লায়লা আরও বলেন, ‘২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি মামুন তার মাকে সঙ্গে নিয়ে আমার বাসায় এসে বসবাস করতে থাকেন। ওইদিন থেকে তিনি আমার বাসায় আমার সঙ্গে একই রুমে থাকতে শুরু করেন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন। মামুন আমার বাসায় থাকাকালে তার বাবা-মা মাঝেমধ্যেই সেখানে এসে অবস্থান করতেন। আমি মামুনকে একাধিকবার বিয়ের বিষয় বললে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৪ মার্চ মামুন আবার আমাকে ধর্ষণ করেন। পরে তাকে বিয়ের বিষয়ে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। সেইসঙ্গে আমাকে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।’
মন্তব্য করুন


ভারতীয় ক্রিকেটার যুজবেন্দ্র চাহাল ও তার স্ত্রী ধনশ্রী বর্মার বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে এবার সেই গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুলেছেন ধনশ্রী।
বুধবার ধনশ্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করেন। তিনি লেখেন, “গত কয়েকদিন আমার এবং আমার পরিবারের জন্য খুবই কঠিন সময় কেটেছে। সবচেয়ে হতাশাজনক বিষয় হলো, কিছু মানুষ যাচাই-বাছাই ছাড়াই ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে আমার বিরুদ্ধে ভুল মন্তব্য ও ঘৃণা ছড়াচ্ছেন।”
তিনি আরও লেখেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে পরিশ্রম করে নিজের পরিচিতি তৈরি করেছি। আমার নীরবতা কোনো দুর্বলতার পরিচয় নয়, বরং এটি আমার শক্তি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচকতা খুব সহজে ছড়িয়ে পড়ে। তবে অন্যদের উন্নতির জন্য সহানুভূতি ও সাহসের প্রয়োজন হয়।”
ধনশ্রী আরও বলেন, “আমি সততা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী। এগিয়ে যেতে চাই নিজের আদর্শ মেনে। সত্য একদিন না একদিন প্রকাশ পাবেই। তখন কোনো ব্যাখ্যার প্রয়োজন হবে না।”
এর আগেও চাহাল একটি রহস্যজনক পোস্ট করেছিলেন। তিনি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের একটি উক্তি শেয়ার করেন। উক্তিটিতে লেখা ছিল, “নিস্তব্ধতারও সুর আছে। যারা বিকট শব্দের মধ্যেও তা শুনতে পারে, তারাই সেই সুর উপলব্ধি করতে পারে।”
এরপর থেকে চাহাল ও ধনশ্রীর সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন আরও তীব্র হয়। চাহাল তার ইনস্টাগ্রাম থেকে স্ত্রীর সঙ্গে তোলা সব ছবি মুছে ফেলেছেন। যদিও ধনশ্রীর প্রোফাইলে এখনো তাদের একসঙ্গে তোলা ছবি রয়েছে।
চাহালের আরেকটি পোস্টও এই জল্পনাকে উসকে দিয়েছে। পোস্টটিতে তিনি লেখেন, “কঠোর পরিশ্রম মানুষের চরিত্রকে উজ্জ্বল করে। আপনি জানেন নিজের যাত্রাপথ কেমন ছিল, কীভাবে এই পর্যায়ে পৌঁছেছেন। সেই যাত্রায় যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন তা আপনিই ভালোভাবে জানেন। নিজের বাবা-মাকে গর্বিত করার জন্য মাথা উঁচু করে সোজা দাঁড়ান।”
এই পোস্টে চাহাল বাবা-মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেও স্ত্রী ধনশ্রীর নাম উল্লেখ করেননি। যা তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
উল্লেখ্য, যুজবেন্দ্র চাহাল ও ধনশ্রী বর্মার বিয়ে হয়েছিল ২০২০ সালের ২২ ডিসেম্বর। গুরুগ্রামের একটি অনুষ্ঠানে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ধনশ্রী ছিলেন চাহালের নাচের শিক্ষক। করোনার সময় অনলাইনে নাচের ক্লাস করার মাধ্যমে তাদের পরিচয়। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা নিয়মিত একসঙ্গে ছবি শেয়ার করতেন। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলী দেখে অনুমান করা যাচ্ছে, তাদের সম্পর্ক এখন আর আগের মতো নেই।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
ভারতের টলিউডের তিন কন্যা বেরিয়ে পড়েছিলেন রাতের শিকাগো দেখতে। ৪৪তম নর্থ আমেরিকা বেঙ্গলি কনফারেন্সে যোগ দিতে গিয়েছিলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, সোহিনী সরকার ও শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। এর ফাঁকেই যুক্তরাষ্ট্রের ওই শহরটির নাইটক্লাবে চুটিয়ে পার্টি করেছেন তারা। সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল এখন সেই ভিডিও।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, শিকাগোর নাইটক্লাবে চুটিয়ে পার্টি করেছেন স্বস্তিকা, সোহিনী, শ্রাবন্তীরা। সেলফি মুডে ভিডিও নিজদের ভিডিওবন্দি করেছেন শ্রাবন্তী। তার পেছনে দাঁড়িয়েছিলেন স্বস্তিকা। আর স্বস্তিকার পেছনে সোহিনী।
ক্লাবে তখন মায়াবী আলো আধারির খেলা। তাল মিলিয়ে চলছে মিউজিক। টলিপাড়ার তিন কন্যা উপভোগ করছিলেন এই মুহূর্ত। মেতেছিলেন উদ্দাম উন্মাদনায়। এক পর্যায়ে শ্রাবন্তীকে জড়িয়ে ধরে চুমুও খান স্বস্তিকা। মুহূর্তেই ভাইরাল হয়েছে ভিডিওটি।
আমেরিকার শিকাগোতে হয়ে গেল ৪৪তম নর্থ আমেরিকা বেঙ্গলি কনফারেন্স। তিন দিন (৪, ৫ ও ৬ জুলাই) ব্যাপী আয়োজিত এ কনফারেন্সে যোগ দিতে সেখানে গিয়েছিলেন স্বস্তিকারা। তারই এক ফাঁকে নাইট ক্লাবে গিয়েছিলেন সৌন্দর্যের আগুন উসকে দিতে।
কনফারেন্সে যোগ দিতে আরও উপস্থিত ছিলেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, অরিন্দম শীল, মমতা শঙ্কর থেকে অনির্বাণ ভট্টাচার্য, ইশা সাহা, অর্জুন চক্রবর্তী, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।
মন্তব্য করুন


পবিত্র মাহে রমজান শুরু হয়েছে। রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে এই মাস মুমিনের দরজায় এসে হাজির হয়েছে। রমজান মাস আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে অসীম রহমত ও বরকত নিয়ে আসে। এটি আত্মার পরিশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের মাস। বিশ্বজুড়ে মুসলিমরা এই মাসটি ইবাদত-বন্দেগিতে কাটান— শেষ রাতে সেহরি খাওয়া, সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও অন্যান্য নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকা, সূর্যাস্তের পর ইফতার করা এবং রাতে তারাবিহ নামাজ পড়া।
রমজান মাসের অন্যতম প্রধান ইবাদত হলো রোজা রাখা। বিনোদন জগতের কিংবদন্তি বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানও রমজানে রোজা রাখার চেষ্টা করেন। এর আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেই এ কথা জানিয়েছিলেন। ২০১৩ সালে ঈদে তার চলচ্চিত্র "চেন্নাই এক্সপ্রেস" মুক্তির পর ভক্তদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এ বিষয়টি উল্লেখ করেন।
সেই সময় এক ভক্ত তাকে প্রশ্ন করেন— রমজান মাসে তিনি রোজা রাখেন কিনা? উত্তরে শাহরুখ খান বলেন, "হ্যাঁ, রোজা রাখা হয়। তবে দুই-চারটি রোজা ছুটে যায়। কারণ আমাকে ব্যথার ওষুধ নিতে হয়।" তিনি আরও বলেন, "যখন পিঠে ব্যথা শুরু হয়, তখন ওষুধ নিতে হয়। সে কারণে দুই-চারটি রোজা ছুটে যায়। তবে মাশাআল্লাহ, অধিকাংশ রোজাই রাখা হয়।"
বিভিন্ন সময় ধর্ম নিয়ে বিতর্ক ও কটাক্ষের মুখে পড়লেও শাহরুখ খান সবসময়ই নিজের অবস্থান ঠিক রাখেন। তিনি কোনো ধরনের ঝামেলা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন। রমজান মাসে বিভিন্ন ইফতার পার্টিতেও তাকে দেখা যায়। এছাড়া, ঈদের দিনে ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে দেখা যায় এই বলিউড সুপারস্টারকে।
মন্তব্য করুন


শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনা সত্যি। মুম্বাইয়ের যানজট থেকে বাঁচতে অচেনা এক ব্যক্তির বাইকে চেপে বসেন বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। এবং সেটিতে করে সঠিক সময়ে শুটিংয়ে পৌঁছান। পুরো ঘটনায় বেশ কৃতজ্ঞ অভিনেতা। সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ছবি প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অচেনা বন্ধুটিকে।
ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে বিগ বি লিখলেন, ‘এই যাত্রার জন্য ধন্যবাদ বন্ধু। তোমায় চিনি না। কিন্তু তুমি যে দায়িত্ব নিয়ে আমায় পৌঁছে দিলে, প্রশংসনীয়। মুম্বাইয়ের জ্যাম থেকে বাঁচিয়ে তাড়াতাড়ি আমায় পৌঁছে দিলে, ধন্যবাদ! হলুদ জামা এবং সাদা টুপির মালিক।’
এই আপদকালীন যাত্রায় নামও জানেননি সেই আগন্তুকের। কিন্তু তারপরও ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি অমিতাভ।
এমন একটি নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখে মুগ্ধতা ঝরে পড়েছে নেটাগরিকদের কণ্ঠে। পাশাপাশি সতর্ক করেছেন উভয়কেই। হেলমেট না পরতেই কেউ কেউ বলে বসলেন, ‘দুজনেই হেলমেট ব্যবহার করুন। কখন বিপদ আসে বলা যায় না।’
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্কঃ
জনপ্রিয় মার্কিন গায়িকা সেলেনা গোমেজ বাগদান সেরেছেন। এই তারকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অনেক আগে থেকেই ভক্ত-অনুরাগীদের কৌতূহল ছিল। বিশেষ করে কানাডিয়ান গায়ক জাস্টিন বিবারের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে বহুবার সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন এ গায়িকা। কিন্তু সেই সম্পর্কও টেকেনি। ২০১৮ সালে তাদের ৬ বছরের সম্পর্কে ভাঙন ধরতেই হেইলি বল্ডউইনের সঙ্গে বাগদান সেরে নেন জাস্টিন বিবার। এ বিষয়টি যখন সেলেনা জানতে পারেন, তখন বেশ আঘাত পেয়েছিলেন তিনি।
সেই থেকে নিজের কাজেই মন দেন সেলেনা গোমেজ। ২০১৯ সালে সংগীতশিল্পী বেনি ব্ল্যাঙ্কোর সঙ্গে একটি গানে কাজ করেন গায়িকা। এরপর কেটে যায় কয়েক বছর। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে নিজেদের প্রেমের কথা প্রকাশ্যে আনেন তারা। বেনির সঙ্গে ৫ বছরের সম্পর্কের মধ্য দিয়ে অবশেষে পূর্ণতা পেল সেলেনার প্রেম।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ ইনস্টাগ্রাম একটি পোস্টে চোখ আটকে যায় সেলেনার ভক্ত-অনুরাগীদের। গায়িকার সেই পোস্টে দেখা যায়, সেলেনার অনামিকা আঙুলে ঝলমলিয়ে উঠেছে একটি হীরের আংটি! শুধু তাই নয়, দ্বিতীয় ছবিতে নিজের আংটির দিকে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে আছেন গায়িকা। তৃতীয় ছবিতে হাসিতে ভরা মুখে বাগদানের আনন্দ উপভোগ করছেন তিনি। আর চতুর্থ ছবিতে বেনিকে পাশে নিয়ে গালে চুম্বনের মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করেছেন সেলেনা গোমেজ। সেই পোস্টের ক্যাপশনে এ গায়িকা লিখেছেন— এখন শুরুটা চিরকালের জন্য।
এদিকে অনুরাগীদেরও আর বুঝতে বাকি নেই যে, প্রেমিক বেনি ব্লাঙ্কোকে নিয়েই বাগদান সেরে নিয়েছেন তাদের প্রিয় গায়িকা। মন্তব্যের ঘর ভরে ওঠে তাদের শুভেচ্ছাবার্তায়। তাদের সঙ্গে মজা করে মন্তব্য করেছেন বেনিও। তিনি লিখেছেন— আরে অপেক্ষা করুন, এটা আমার বউ।
বেনি ব্ল্যাঙ্কো একজন খ্যাতনামা সংগীত প্রযোজক ও গায়ক। তিনি এড শিরান, চার্লি পুথ, উইজ খলিফা, বিটিএস, এমিনেম, জাস্টিন বিবার, হ্যালসি, ক্যাটি পেরি, রিহানাদের মতো শিল্পীদের সঙ্গে নিয়মিত কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে গোমেজের জনপ্রিয় ‘সেইম ওল্ড লাভ’ ও ‘আই কান্ট গেট এনাফ’ গান দুটিতে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন সেলেনা ও ব্ল্যাঙ্কো। ২০২৩ সালে সম্পর্কে থাকার বিষয়টি অফিসিয়ালি জানানোর আগে ভুলবশত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের প্রেমের খবর জানিয়ে দিয়েছিলেন সেলেনা। সেই মন্তব্যটি অবশ্য মুছেও ফেলেছিলেন তিনি।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
বলিউড অভিনেত্রী মালাইকা আরোরা। সম্প্রতি নিজের একটি ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়েছে অভিনেত্রী। কারণ হিসেবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, অর্থকষ্টে রয়েছেন তিনি।
মালাইকাকে সিনেমা থেকে এখন বেশিরভাগ সময় বিচারকের আসনেই দেখা যায়। আর সেখানে তিনি পারিশ্রমিক যে কম নেন তেমনটাও না। কিন্তু ধারণা করা হচ্ছে আর্থিকভাবে কিছুটা সমস্যায় আছেন অভিনেত্রী। এজন্যই নিজের পালি হিলস্-এর ফ্ল্যাটটি ভাড়া দিয়েছেন। যা ভাড়া নিয়েছেন মুম্বাইয়ের খ্যাতনামা পোশাকশিল্পী কশিশ হন্স।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে জানা যায়, মুম্বাইয়ে অভিজাত এলাকা, যেমন বান্দ্রা, পালি হিলসে, এমন বেশ কিছু জায়গায় ফ্ল্যাট রয়েছে অভিনেত্রীর। তারই একটি ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়েছেন তিনি। মাসিক দেড় লাখ টাকায় ফ্ল্যাটটি তিন বছরের জন্য ভাড়া দিয়েছেন মালাইকা। তবে প্রতি বছর ৫ শতাংশ করে বাড়বে ভাড়া। এ ছাড়া বান্দ্রায় যে ফ্ল্যাটটি রয়েছে অভিনেত্রীর, সেটিও না কি ভাড়া দেওয়া রয়েছে। যদিও মালাইকা নিজে যে বাড়িতে থাকেন বান্দ্রা এলাকাতেই, সেটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৬ কোটি টাকা।
সম্প্রতি অভিনেত্রী আরও একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন, যেটি তৈরি হয়ে হাতে পাওয়া নিয়ে বেশ কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছে।
উল্লেখ্য, আরবাজ খানের সঙ্গে মালাইকার বিবাহ বিচ্ছেদের বেশ কয়েক বছর হয়ে গেছে। বিবাহ বিচ্ছেদের পর থেকেই ‘খান’ পদবি নিজের নাম থেকে সরিয়ে দিয়েছেন মালাইকা।তবে ছেলে আরহাহের কারণে সৌজন্যমূলক একটা সম্পর্ক বজায় রেখেছেন তারা।
মন্তব্য করুন


দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হৃদয় খান সংগীতের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও মাঝে মধ্যেই আলোচনায় আসেন। বিশেষ করে বারবার বিয়ে ও বিচ্ছেদের কারণে তিনি একাধিকবার শিরোনাম হয়েছেন।
এই তারকা গায়ক ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ২০১০ সালে পূর্ণিমা আকতার নামের একজনকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু মাত্র ছয় মাস পরেই তাদের সংসার ভেঙে যায়। এর কয়েক বছর পর তিনি নিজের থেকে বয়সে বড় জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সুজানা জাফরকে বিয়ে করে আলোচনায় আসেন। ২০১৪ সালের ১ আগস্ট তিনি সুজানাকে বিয়ে করেন, কিন্তু এই বিয়েও বেশি দিন টিকে না। ২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।
সুজানার সঙ্গে বিচ্ছেদের কিছুদিন পরই ২০১৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর পারিবারিক আয়োজনে হুমায়রাকে বিয়ে করেন হৃদয় খান। কিন্তু এই বিয়েও টিকল না। এবার জানা গেল, হুমায়রার সঙ্গেও বিচ্ছেদ হয়েছে হৃদয় খানের।
বিয়ের পর কয়েক বছর সংসার করলেও হৃদয় খানের আচরণ ও জীবনযাপনে অতিষ্ঠ হয়ে হুমায়রা তাকে ডিভোর্স দিয়েছেন। হৃদয় খানের পারিবারিক সূত্র থেকে সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সূত্রটি জানিয়েছে, অনেক আগেই হুমায়রা ও হৃদয়ের বিচ্ছেদ হয়েছে। হৃদয়ের ওপর বিভিন্ন কারণে বিরক্ত হয়ে হুমায়রা ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন। তবে বিষয়টি হৃদয় ও তার পরিবার গোপন রেখেছিলেন।
এ ব্যাপারে জানতে সংবাদমাধ্যম হৃদয় খানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, "বিষয়টি খুবই সেনসেটিভ। এ জন্য আপাতত এ নিয়ে কোনো কথা বলতে চাই না। তবে অন্য কোনো কথা থাকলে বলুন।"
অন্যদিকে, হৃদয় খানের বাবা সংগীত পরিচালক রিপন খান এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, "এ ব্যাপারে কোনো কথা বলতে চাই না আমি। হৃদয়ের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আমার কোনো আলোচনা হয়নি। এ নিয়ে কথা বলতে ইচ্ছুক নই।"
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
স্কুলজীবন থেকে পরিচিত সারা আলি খান এবং অনন্যা পাণ্ডে। বলিউডে তাদের বন্ধুত্ব নিয়ে বেশ আলোচনা হয়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই গল্প শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী। যদিও বন্ধুত্ব রয়েছে, অনন্যা নাকি সারাকে ভয় পেতেন, যেন যমের মতো। সারার নাম শুনলেই তিনি সতর্ক হয়ে থাকতেন।
অনন্যার থেকে তিন বছরের বড় সারা। ছোট থেকেই বেশ ডাকাবুকো স্বভাবের ছিলেন তিনি। মুখের ওপর কথা বলতেন। অনন্যা বলেছেন, "সারা খুব ঠোঁটকাটা স্বভাবের ছিল, এখনও তাই রয়েছে। তবে স্কুলে আরও সাংঘাতিক ছিল। মুখে যা আসত, তাই বলে দিত। আমি ভয়ে ভয়ে থাকতাম, ভাবতাম এই বুঝি আমার সম্পর্কে কিছু বলল।"
এই কারণে সারাকে কিছুটা এড়িয়েই চলতেন অনন্যা। অভিনেত্রীর কথায়, "আমি যদি দেখতাম, সারা কোনো একটা সিঁড়ি থেকে নেমে আসছে, ওই পথ দিয়ে আমি যেতাম না।"
প্রথম দিকে অনন্যার নাম জানতেন না সারা। তাকে 'এই' বলে ডাকতেন সাইফ আলি খানের কন্যা।
অনন্যা স্মৃতিচারণ করে বলেন, "আমার মনে আছে, একসঙ্গে স্কুলে একটা নাটক করেছিলাম। সারাই মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছিল। আমি বোধহয় ওর মাথায় ছাতা ধরেছিলাম, পেছনে ছিলাম সারার।"
এ সময় সারা নাকি অনন্যাকে 'এই এই' বলে ডাকতেন এবং খুব রূঢ় ব্যবহার করতেন। যদিও এখন নাকি অনন্যার কাছে সেই কথা স্বীকার করেন না সারা। সারার দাবি, অনন্যার সঙ্গে তিনি নাকি খুব ভালই ব্যবহার করতেন।
মন্তব্য করুন


দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা আল্লু অর্জুনের গ্রেফতারির ঘটনায় শুরু থেকেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অবশেষে তেলেঙ্গানা হাইকোর্ট তাকে অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছেন। তবে এই ঘটনায় বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। তিনি বলেছেন, “বড় মাপের মানুষ হলেই দায় এড়ানো যায় না। যা ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে এই ঘটনায় প্রত্যেকেরই দায়বদ্ধতা রয়েছে।”
আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আল্লু অর্জুনকে তার শয়নকক্ষ থেকে গ্রেফতার করা হয়। হায়দরাবাদের সন্ধ্যা প্রেক্ষাগৃহে ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’-এর প্রিমিয়ার চলাকালীন উপচে পড়া ভিড়ের কারণে পদপিষ্ট হয়ে একজন নারীর মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর অভিনেতাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। গতকাল, ১৩ ডিসেম্বর, পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। যদিও কিছুক্ষণের মধ্যেই হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তী জামিন পান তিনি।
কঙ্গনা রানাউত বলেছেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি নিজেও আল্লু অর্জুনজির বড় ভক্ত। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদের দৃষ্টান্ত তৈরি করা উচিত। তিনি জামিন পেয়েছেন, কিন্তু শুধু উচ্চস্তরের মানুষ বলেই যেন কোনো ফল ভোগ করতে না হয়— এটি ঠিক নয়। মানুষের জীবনের মূল্য অপরিসীম।”
তিনি আরও বলেন, “সমাজে যাদের প্রভাব রয়েছে, তাদের চলার পথে আরও সচেতন থাকা উচিত। ধূমপানের বিজ্ঞাপন হোক বা প্রেক্ষাগৃহে এমন অনিয়ন্ত্রিত ভিড়— কোনোভাবেই দায়িত্ব এড়ানো যায় না। প্রেক্ষাগৃহে তারা উপস্থিত ছিলেন, তাই প্রত্যেকেরই দায়িত্ববোধ থাকা উচিত।”
উল্লেখ্য, ১৩ ডিসেম্বর সকালে হায়দরাবাদ পুলিশ আল্লু অর্জুনকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। এই ঘটনায় সন্ধ্যা প্রেক্ষাগৃহের মালিকসহ আরও দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এফআইআরে নাম থাকা বাকি অভিযুক্তরাও অন্তর্বর্তী জামিন পেয়েছেন।
মন্তব্য করুন