

দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হৃদয় খান সংগীতের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও মাঝে মধ্যেই আলোচনায় আসেন। বিশেষ করে বারবার বিয়ে ও বিচ্ছেদের কারণে তিনি একাধিকবার শিরোনাম হয়েছেন।
এই তারকা গায়ক ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ২০১০ সালে পূর্ণিমা আকতার নামের একজনকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু মাত্র ছয় মাস পরেই তাদের সংসার ভেঙে যায়। এর কয়েক বছর পর তিনি নিজের থেকে বয়সে বড় জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সুজানা জাফরকে বিয়ে করে আলোচনায় আসেন। ২০১৪ সালের ১ আগস্ট তিনি সুজানাকে বিয়ে করেন, কিন্তু এই বিয়েও বেশি দিন টিকে না। ২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।
সুজানার সঙ্গে বিচ্ছেদের কিছুদিন পরই ২০১৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর পারিবারিক আয়োজনে হুমায়রাকে বিয়ে করেন হৃদয় খান। কিন্তু এই বিয়েও টিকল না। এবার জানা গেল, হুমায়রার সঙ্গেও বিচ্ছেদ হয়েছে হৃদয় খানের।
বিয়ের পর কয়েক বছর সংসার করলেও হৃদয় খানের আচরণ ও জীবনযাপনে অতিষ্ঠ হয়ে হুমায়রা তাকে ডিভোর্স দিয়েছেন। হৃদয় খানের পারিবারিক সূত্র থেকে সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সূত্রটি জানিয়েছে, অনেক আগেই হুমায়রা ও হৃদয়ের বিচ্ছেদ হয়েছে। হৃদয়ের ওপর বিভিন্ন কারণে বিরক্ত হয়ে হুমায়রা ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন। তবে বিষয়টি হৃদয় ও তার পরিবার গোপন রেখেছিলেন।
এ ব্যাপারে জানতে সংবাদমাধ্যম হৃদয় খানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, "বিষয়টি খুবই সেনসেটিভ। এ জন্য আপাতত এ নিয়ে কোনো কথা বলতে চাই না। তবে অন্য কোনো কথা থাকলে বলুন।"
অন্যদিকে, হৃদয় খানের বাবা সংগীত পরিচালক রিপন খান এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, "এ ব্যাপারে কোনো কথা বলতে চাই না আমি। হৃদয়ের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আমার কোনো আলোচনা হয়নি। এ নিয়ে কথা বলতে ইচ্ছুক নই।"
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
এবার একটি কনসার্টে ভারতের জনপ্রিয় গায়িকা সুনিধি চৌহানের দিকে ছুড়ে মারা হলো পানির বোতল। লাইভ কনসার্টে উন্মাদনার তুঙ্গে ঘটে গেল এ অনভিপ্রেত ঘটনা।
মঞ্চে পারফর্ম করার সময় গায়ক-অভিনেতাদের ওপর হামলা এর আগেও হয়েছে। গত বছর অরিজিৎ সিং-কে হাত ধরে এত জোরে টান দেওয়া হয়েছিল যে, গায়ককে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছিল।
গায়িকা ভারতের উত্তরাখন্ডের দেরাদুনের এসজিআরআর বিশ্ববিদ্যালয়ে পারফর্ম করেছিলেন। এদিন অনুষ্ঠানে ‘শিলা কি জওয়ানি’, ‘ধুম মচালে’, ‘ক্রেজি কিয়া রে’, ‘দেশি গার্ল’, ‘কমলি’, ‘শাকি শাকি’-র মতো গান তিনি উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। তিনি যখন শ্রোতাদের তার গানে মাতিয়ে রাখছিলেন, তখন মেতে উঠেছিল গোটা স্টেডিয়াম। ঠিক সেই সময়, সামনের সারিতে বসা এক ব্যক্তি তার দিকে পানির বোতল ছুড়ে মারেন।
এ ঘটনা রীতিমতো হতবাক করে দেয় সুনিধি চৌহানকে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে নিজেকে সামলে নেন তিনি। তারপর সেই ভক্তের দিকে তাকিয়ে ভর্ৎসনা করেন। যদিও সেই ভর্ৎসনার জন্য বেছে নেন সংগীতের পথ।
সুরে-সুরেই তিনি বলে ওঠেন- ‘আপনি আমার দিকে বোতল নিক্ষেপ করলে কী হবে? অনুষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হবে। আপনি কি এটি চান?’
সুনিধি চৌহান এই কনসার্ট থেকে কিছু ছবিও শেয়ার করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। গ্লিটারি টপ, কালো শর্টস গায়ে ছিল গায়িকার। টপে ছাপানো ছিল 'ঝঈ ০১'। খোলা চুল, পায়ে লং বুট। একেবারে রকস্টার লুক।
ক্যাপশনে তিনি লিখলেন- ‘তুমি কি কখনো ছিলে আমার পার্টিতে? দেখো সেটা কেমন হয়।
মন্তব্য করুন


দিন দুয়েক আগেই ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পরীমণি জানিয়েছিলেন তীব্র জ্বরে ভুগছেন তিনি। শরীরের তাপমাত্রা ১০৩ ডিগ্রি। এ খবর জানানোর ঠিক পরপরই ১৪ মে গভীর রাতে পরীমণির পোস্ট থেকে জানা যাচ্ছে, শরীর আরও বেশি খারাপ হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে।
নায়িকার ফেসবুক পোস্ট থেকে জানা যায়, রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি তিনি। হাসপাতালে পরীমণির সঙ্গেই রয়েছে তার ছেলে রাজ্য। নিজেই হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অনুরাগীদের জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ছবি পোস্ট করে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘মায়েদের জীবন সত্যিই কঠিন সুন্দর।’ সঙ্গে নিজেই নিজেকে মা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন সদ্য প্রয়াত অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। তখন তার নামে ৩৬টি মামলায় হয়। ছাত্র রাজনীতিতে তিনি তখন বেশ সক্রিয়, সিনেমা অভিনয় নিয়ে কোনো ভাবনাই ছিল না তার।
তবে একের পর এক যখন মামলা হতে থাকল তখন তার বন্ধুরাই বলল, ‘সিনেমায় ঢুকে যাও।’ সেই ঘটনার বিবরণ দিয়ে ফারুক বিবিসি বাংলাকে বলেছিলেন, ‘আমার নামে হয়রানিমূলক ৩৬টি মামলা হয়। এগুলো থেকে বাঁচার জন্য আমার কিছু বন্ধুবান্ধব বলে, চলচ্চিত্রে ঢুকে যাও। এরপরই চলচ্চিত্রে আসি।’
ফারুকের প্রথম সিনেমা ‘জলছবি’। ছবিটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘১৯৬৮ সালে ছবিটির শুটিং শুরু হয় কিন্তু মুক্তি পায় ১৯৭১-এ। মুক্তির তারিখ ২৫-এ মার্চ বা এর দুই কী তিন দিন আগে, ঠিক মনে নেই। ছবিতে আমার সহকর্মী ছিলেন কবরী। বলা যায়, আমার সিনেমাজীবন শুরুই হয় কবরীর সঙ্গে।’
সাক্ষাৎকারে চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পীদের পারিশ্রমিক নিয়েও আক্ষেপ করতে শোনা যায় অভিনেতাকে। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই তিনি জানান প্রথম সিনেমা ‘জলছবি’র পারিশ্রমিক কত ছিল। ফারুক বলেন, ‘আমাকে যথাযথ সম্মান ও সম্মানী দেওয়া হয়নি। আমাকে প্রথম ছবিতে পাঁচ শ টাকা দেওয়া হয়েছিল।’
বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি অভিনয় করেছেন ‘আবার তোরা মানুষ হ’, ‘আলোর মিছিল’, ‘সুজন সখী’, ‘লাঠিয়াল’, ‘সূর্যগ্রহণ’, ‘মাটির মায়া’, ‘নয়নমনি’, ‘সারেং বৌ’, ‘গোলাপি এখন ট্রেনে’, ‘নাগরদোলা’, ‘দিন যায় কথা থাকে’, ‘কথা দিলাম’, ‘মাটির পুতুল’, ‘সাহেব’, ‘ছোট মা’, ‘এতিম’, ‘ঘরজামাই’, ‘মিয়া ভাই’র মতো অসংখ্য সিনেমায়।
ফারুক তার অভিনয়ের জন্য ১৯বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে মনোনীত হয়েছিলেন। কিন্তু তার হাতে পুরস্কার উঠেছিল কেবলই একবার। অবশ্য ২০১৬ সালে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। অভিনয়ের বাইরে তিনি ঢাকা ১৭ আসনের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন।
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ২০১০ সালে সুন্দরী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজ জগতে যাত্রা শুরু করেন। এর পর থেকে তিনি বিজ্ঞাপন, নাটক এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মে কাজ করে দর্শকদের মন জয় করেছেন। তবে, বড়পর্দায় নিজেকে দেখার স্বপ্ন ছিল তার অনেক দিনের। ১৪ বছরের সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে তার স্বপ্ন পূরণ হলো। গতকাল শুক্রবার দেশের ২০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘প্রিয় মালতী’।
শুটিংয়ের হিসাবে এটি মেহজাবীনের দ্বিতীয় সিনেমা হলেও, এটি তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র। তাই বড়পর্দায় নিজেকে দেখার অভিজ্ঞতা তার জন্য ভীষণ আবেগঘন।
মেহজাবীন বলেন, ‘ছোটপর্দায় যারা কাজ করেন, তাদের প্রায় সবারই ইচ্ছা থাকে বড়পর্দায় নিজেকে দেখার। আমার ক্ষেত্রেও একই রকম। ছোটপর্দার কাজ করতে করতেই বড়পর্দার স্বপ্ন দেখতাম। অবশেষে “প্রিয় মালতী” দিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ হলো।’
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার রাতে তিনি নিজের ফেসবুকে একটি বার্তা দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আজ আমার জীবনের অন্যতম কাঙ্ক্ষিত দিন। এই দিনটির জন্য আমি ১৪ বছর ধরে অপেক্ষা করেছি এবং সাধনা করেছি।’
মেহজাবীন আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি আমার জীবনের প্রতিটি মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই। ২০১০ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার থেকে যাত্রা শুরু করে আজ পর্যন্ত যারা আমার পাশে থেকেছেন—প্রতিটি মেন্টর, সহশিল্পী, পরিচালক, সহকারী, ক্রু মেম্বার, মেকআপ আর্টিস্ট, কোরিওগ্রাফার এবং ইন্ডাস্ট্রির সহকর্মীরা—সবাইকে।’
‘প্রিয় মালতী’ সিনেমায় নিজের নামে অভিনয় করেছেন মেহজাবীন চৌধুরী। এটি পরিচালনা করেছেন শঙ্খ দাশগুপ্ত। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন আজাদ আবুল কালাম, সমু চৌধুরী, নাদের চৌধুরী, শহীদুল আলম সাচ্চু, মোমেনা চৌধুরী, রিজভী রিজু, শাহজাহান সম্রাট, আনিসুল হক বরুণ প্রমুখ। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে ফ্রেম পার সেকেন্ড।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
সালমান খানের ভাই আরবাজ খানকে বিয়ে করে সংসার পাতেন মালাইকা অরোরা। তাদের সংসারে একটি সন্তানও রয়েছে। তবে এক সময় অর্জুন কাপুরের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে নিজের বর্তমান সংসার ত্যাগ করেন তিনি। এরপর অর্জুনের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে বেশ আলোচনা হয়।
তবে যদিও তাদের বিয়ের কথা শোনা যাচ্ছিল, শেষ পর্যন্ত তাদের সম্পর্ক ভেঙে যায়। বলিউডের মানুষদের মধ্যে এই বিচ্ছেদ নিয়ে অনেকেই অবাক হয়েছেন। অর্জুন এখন নিজের কাজে মন দিয়েছেন, আর মালাইকা তার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সম্প্রতি একটি মজার পোস্ট করেছেন।
মালাইকা তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ২৫ নভেম্বর একটি পোস্ট শেয়ার করেন, যেখানে তার সম্পর্কের অবস্থা দেখানো হয়েছিল। অপশনগুলো ছিল ‘রিলেশনশিপে আছি’, ‘সিঙ্গেল’, এবং ‘হেহেহে’। তিনি হাস্যরসাত্মকভাবে তৃতীয় অপশনটি বেছে নিয়েছেন। এই পোস্টটি তার অনুরাগীদের মধ্যে হাস্যরসের সৃষ্টি করেছে।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
‘শেরশাহ’ মুক্তির পর বলিউডি নায়ক সিদ্ধার্থ মালহোত্রা বলেছিলেন, নায়িকা কিয়ারা আদভানির সঙ্গে রোমান্টিক সিনেমা তিনি মিস করতে চান না। যদিও গত কয়েক বছরে এই দম্পতিকে একসঙ্গে পর্দায় না পেয়ে দর্শকরা তাদের মিস করেছেন। এখন কিয়ারা জানালেন, একে অপরের হাত ধরে ফের পর্দায় আসতে চলেছেন তারা।
এবারের ৭৭তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের লাল গালিচায় প্রথমবারের মত পা রাখেন কিয়ারা। সেখানে ‘উইমেন ইন সিনেমা গালা’তে অংশ নিয়ে নতুন কাজের খবর দেন এই অভিনেত্রী।
টাইমস অব ইন্ডিয়া লিখেছে, এই আলোচনার সূত্রপাত হয় কিয়ারা-সিদ্ধার্থ অভিনীত ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘শেরশাহ’কে ঘিরে। ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রার জীবন আর কার্গিল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত অ্যাকশনধর্মী ওই সিনেমায় প্রেমের অংশ নেহাত কম থাকলেও, এ চলচ্চিত্রই কিয়ারা-সিদ্ধার্থকে ‘রোমান্টিক জুটি’ আখ্যা দিয়েছে। তাদের অনুরাগীরা চান এক পূর্ণাঙ্গ প্রেমের সিনেমায় তাদের জুটি হিসেবে দেখতে।
কানে ‘শেরশাহ’ প্রসঙ্গ উঠলে কিয়ারা বলেন, “আমি জানি, ‘শেরশাহ’ আমাদের প্রেমিক-প্রেমিকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে দিয়েছে। আমি এবং সিদ্ধার্থ অফুরান ভালোবাসা পেয়েছি। হতাশ করছি না। আমাদের ফের একসঙ্গে শিগগিরই দেখা যাবে। আমরা চাই আবার জুটি হিসেবে সবার ভালোবাসা কুড়াতে। আমরা যেন আমাদের অভিনীত চরিত্রের প্রতি সুবিচার করতে পারি।”
তবে সিনেমা এবং প্রযোজক ও পরিচালকের নাম সামনে আননেনি কিয়ারা। তাদের আগামী কাজ সম্পর্কে জানতে একটু অপেক্ষা করতে অনুরোধ করেছেন সবাইকে। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে সাত পাকে বাঁধা পড়েন কিয়ারা ও সিদ্ধার্থ। এরপর দুজন আলাদাভাবে কয়েকটি সিনেমায় কাজ করেছেন।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
গত সাত বছর ধরে সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল। গত ২৩ জুন এ তারকা জুটি আইনি মোতাবেক বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। এর পর রিসেপশনের আয়োজন হয়। এ তারকা জুটির বিয়েতে ছিল না কোনো ধর্মীয় আচার। বিয়ের পর সোনাক্ষী ধর্ম পরিবর্তন করবেন না বলেও জানিয়েছিলেন জ়াহির ইকবালের বাবা।
এদিকে বিয়ের দিন রিসেপশেন দেখা যায়নি অভিনেত্রীর দুই ভাই লব সিনহা ও কুশ সিনহার। এ নিয়ে চারদিকে সমালোচনা শুরু হয়। বিয়েতে এসেছিলেন শত্রুঘ্ন সিন্হাসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা। এ নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে মিশ্র সমালোচনা হয়।
নানা রকম সমালোচনার মাঝে অবশেষে মুখ খুললেন লব সিন্হা। সামাজিকমাধ্যমে একটি পোস্ট করে সোনাক্ষী ও জ়াহিরের বিয়ে নিয়ে কথা বলেন তিনি। লব সিনহা বলেন, এত সমালোচনা সত্ত্বেও পরিবারের প্রতি তার ভালোবাসা কোনোভাবেই কমবে না। পরিবারই তার কাছে প্রাথমিক বিষয়।
কেন তিনি বিয়েতে উপস্থিত থাকেননি জানিয়ে লব সিনহা লিখেছেন— ‘কেন আমি বিয়েতে উপস্থিত থাকিনি, এটিই হলো প্রশ্ন! আমার বিরুদ্ধে কিছু মিথ্যে কথা প্রচার করে কোনো লাভ নেই। আমার কাছে সব সময় আমার পরিবারই অগ্রাধিকার পাবে।‘
এমন প্রশ্ন সোনাক্ষীর আরেক ভাই কুশ সিনহাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, সেই সময় লব বলেছিল— ‘দু’একটা দিন সময় দিন। আমার যদি মনে হয়, তা হলে আমি নিশ্চয়ই এই প্রশ্নের উত্তর দেব।‘
বিয়েতে আসেন শত্রুঘ্ন সিনহা। বাবা হিসেবে মেয়ের বিয়েতে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়বেন এটাই স্বাভাবিক। সিনহা পরিবারের নয়নমণি সোনাক্ষী সিনহা। মা-বাবার চোখের মধ্যমণি। তাই বিয়ের দিনে বাবা শত্রুঘ্ন সিনহা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। কন্যার জীবনের নতুন ইনিংসে যেমন তিনি উচ্ছ্বসিত, তেমনি চাপাকান্না বুকে কষ্ট।
নিজস্ব অ্যাপার্টমেন্ট ‘অওরিয়েত’-এ ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজনদের সাক্ষী রেখে আইনি বিয়ে সারেন সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল। পরনে নবদম্পতির দুধ সাদা পোশাক। মেয়ের পাশেই হাসিমুখে দাঁড়িয়েছিলেন শত্রুঘ্ন সিনহা।
সেই অনুষ্ঠানে প্রবীণ অভিনেতা বললেন, ‘মেয়েকে পছন্দের পাত্রের হাতে তুলে দেবেন বলে সব বাবাই এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। জাহিরের সঙ্গে আমার মেয়েকে সব থেকে বেশি খুশি থাকতে দেখেছি। তারা সুখে থাকুক, এ প্রার্থনাই করি।‘
জাহির ইকবালের প্রশংসায় পঞ্চমুখ শত্রুঘ্ন সিনহা বলেন, ‘গুড বয়’ জাহির। খুব ভালো ছেলে। আমার মেয়েকে ভালো রাখবে ওৃ।‘ তিনি আরও বলেন, ’৪৪ বছর আগে আমি একজন সফল, সুন্দরী ও ভীষণ ট্যালেন্টেড একটি মেয়েকে নিজের পছন্দে বিয়ে করেছিলাম। সে হচ্ছে পুনম সিনহা। আজ আমার মেয়ে সোনাক্ষীর পালা। ওর পছন্দই আমাদের পছন্দ। ওর নিজের জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার এই সিদ্ধান্তকে আমি পূর্ণ সমর্থন করি।‘
উল্লেখ্য, এর আগে সোনাক্ষী-জাহিরের বিয়ের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসতেই শোনা গিয়েছিল শত্রুঘ্ন নাকি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান। তিনি বলেছিলেন— এই প্রজন্মের সন্তান কারও অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন মনে করে না। ওরা শুধু নিজেদের সিদ্ধান্ত জানায়।
সেই থেকেই জল্পনার সূত্রপাত যে, জামাই হিসেবে জাহির ইকবালকে হয়তো পছন্দ নয় শত্রুঘ্ন সিনহার তাই এমন কথা বলেছিলেন! তবে বিয়ের দুদিন আগেই নিন্দুকদের ‘চুপ’ করে দিয়ে জাহির ইকবালকে বুকে টেনে নেন শত্রুঘ্ন সিনহা।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
ইকুয়েডরের মডেল ল্যান্ডি পারাগা গোবুরোকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা করেছে অস্ত্রধারীরা।
নিউইয়র্ক পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানায়, গত রোববার ২৩ বছর বয়সী মডেলকে হত্যা করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, কুখ্যাত এক গ্যাংস্টার দলের সঙ্গে গোপন যোগাযোগের কারণেই খুন হয়েছেন ল্যান্ডি।
সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, রেস্তোরাঁয় বসে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন ল্যান্ডি। তখন মাস্ক পরা দুই অস্ত্রধারী ভেতরে ঢুকে গুলি চালায়। রেস্তোরাঁর মেঝে রক্তে ভেসে যায়।
নিরাপত্তারক্ষীরা আসার আগেই অস্ত্রধারীরা পালিয়ে যায়। এই ঘটনার কারণ ও হত্যাকারীদের খুঁজতে এর মধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ। শনিবার এক বিয়ের দাওয়াতে হাজির হয়েছিলেন ল্যান্ডি। এর পরদিনই নির্মমভাবে খুন হলেন তিনি।
২০২২ সালে সুন্দরী প্রতিযোগিতা ‘মিস ইকুয়েডর’-এ অংশ নেন ল্যান্ডি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ১০ লাখের বেশি অনুসারী ছিল।
মন্তব্য করুন


বলিউড অভিনেতা জায়েদ খান যিনি সিনেমা 'ম্যায় হুঁ না'-এ লক্ষ্মণের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, ব্যক্তিগত জীবনে সুজান খানের ভাই এবং হৃত্বিক রোশনের প্রাক্তন শ্যালক। শাহরুখ খানের ছোট ভাইয়ের চরিত্রে তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হলেও বলিউডে তাঁর বাকি সিনেমাগুলো বাণিজ্যিকভাবে ব্যর্থ ছিল। তবে অভিনয়ে ফ্লপ হলেও জায়েদ খান একজন সফল ব্যবসায়ী এবং প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক।
জায়েদ খান পরিচালক সঞ্জয় খানের ছেলে এবং অভিনেতা ফিরোজ খানের ভাগ্নে। ২০০৩ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে তিনি বলিউডে পা রাখেন। তাঁর প্রথম সিনেমা ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’ বক্স অফিসে ব্যর্থ হলেও, ২০০৪ সালের ‘ম্যায় হুঁ না’ সিনেমায় পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শকদের নজর কাড়েন। এরপর ‘দশ’ সিনেমাও গড়পড়তা সাফল্য পেয়েছিল।
২০০৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত, জায়েদ আরও ১০টি সিনেমায় অভিনয় করেন, যার মধ্যে ছিল ‘ফাইট ক্লাব’, ‘মিশন ইস্তাম্বুল’ এবং ‘তেজ’। কিন্তু এই সিনেমাগুলোও বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়। সর্বশেষ ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘শরাফত গয়ি তেল লেনে’ সিনেমাটিও কোনো সাফল্য আনতে পারেনি।
২০১৭ সালে তিনি টিভি শো ‘হাসিল’ দিয়ে অভিনয়ে ফেরার চেষ্টা করেছিলেন। মোট ১৫টি ছবিতে অভিনয়ের মধ্যে জায়েদের হিট সিনেমার সংখ্যা মাত্র ১টি, ১৩টি ফ্লপ, এবং একটি গড়পড়তা সিনেমা।
ব্যবসায়িক সফলতা ও সম্পত্তি
অভিনয়ে ব্যর্থ হলেও জায়েদ খান ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সফল। বিভিন্ন স্টার্টআপ এবং ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করে তিনি বিপুল পরিমাণ সম্পদ গড়েছেন। একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালে জায়েদ প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক, যা বলিউডের শীর্ষ তারকা যেমন রণবীর কাপুর (৫৫০ কোটি), প্রভাস (৪০০ কোটি), এবং আল্লু অর্জুন (৩৫০ কোটি)-এর থেকেও বেশি।
এক সাক্ষাৎকারে জায়েদ বলেছিলেন, "মানুষের উচিত নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থাকা। যদি ফেরারি কেনার সামর্থ্য থাকে, তবে মার্সিডিজ কিনো; আর যদি মার্সিডিজ কেনার সামর্থ্য থাকে, তবে ফিয়াট কিনো।" তিনি সামাজিক মিডিয়ার যুগে মানুষের অযথা প্রতিযোগিতাকে দায়ী করেছেন এবং সবাইকে দায়িত্বশীলভাবে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।
২০২৪ সালে জায়েদ তাঁর ইনস্টাগ্রামে অভিনয়ে ফেরার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। তবে তাঁর কামব্যাক প্রজেক্ট নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি। তিনি জানিয়েছেন, নিজের ব্যবসা এবং অভিনয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রেখে এগিয়ে যেতে চান।
অভিনয়ে সফল না হলেও জায়েদ খানের ব্যবসায়িক দক্ষতা এবং বাস্তববাদী জীবনদর্শন তাঁকে তাঁর সমসাময়িকদের থেকে আলাদা করেছে।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে বলিউড অভিনেত্রী মনীষা কৈরালার নতুন ওয়েব সিরিজ ‘হীরামান্ডি দ্য ডায়মন্ড বাজার’। সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত এই সিরিজে মল্লিকা জান চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।
সম্প্রতি এই ছবির প্রচারে গিয়ে এক সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব এই অভিনেত্রী।
মনীষা কৈরালা জানান, প্রেমের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। নেপালি ব্যবসায়ী, স্বামী সম্রাট দাহালের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে আগেই। আবার নতুন প্রেমের অপেক্ষায় এখন মনীষা।
অভিনেত্রী স্বীকার করেছেন, তিনি একজন জীবনসঙ্গী চান এবং প্রেমে থাকতে চান।
তিনি আরও বলেন, তিনি আবার প্রেম খুঁজতে প্রস্তুত।
মনীষা বলেন, ‘আমি অবশ্যই অনুভব করি যে আমার জীবনে যদি একজন মানুষ থাকত, আমার জীবনে যদি আমার একজন সঙ্গী থাকত, তা হলে হয়তো তাকে পেয়ে ভালো লাগত, কিন্তু তাকে খুব সৎ হতে হবে। আমার ভাগ্যে লেখা থাকলে পাবই। যদি না হয়, এটাও ঠিক আছে। আমি অনুভব করি, আমি একটি পূর্ণ জীবনযাপন করছি। আমি তার জন্য অপেক্ষা করছি না বা তার জন্য আমার সময় নষ্ট করছি না। যদি এটা বুঝতে হবে, অন্যথায় আমি আমার জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি খুব শান্তিপূর্ণ এবং প্রেমময় পরিবারের সমর্থন পেয়েছি। আমি একজন ভালো ভাই, ভগ্নিপতি, ভালো বাবা-মা এবং ভালো ও স্নেহময় বন্ধু পেয়েছি। এ ছাড়া কাজ খুব ভালো চলছে। আমি ঘুরতে খুব পছন্দ করি। এটা করতে মজা পাই। তাই আমি খুব ভালো আছি। আমি মানসিক এবং শারীরিকভাবে প্রতিটি উপায়ে সম্পূর্ণ অনুভব করি। তবে হ্যাঁ, যদি আমার একজন সঙ্গী থাকত, তবে আমি এটি উপভোগ করতাম।’
উল্লেখ্য, এই সিরিজের মধ্য দিয়ে ২৮ বছর পর বানসালির সঙ্গে কাজ করছেন মনীষা। সিরিজটিতে মনীষা ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন রিচা চাড্ডা, সোনাক্ষী সিনহা এবং অদিতি রাও হায়দারি প্রমুখ।
মন্তব্য করুন