

বিনোদন ডেস্কঃ
মুম্বাইয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে সম্প্রতি খুন হন ভারতীয় রাজনৈতিক দল জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সাবেক মন্ত্রী বাবা সিদ্দিকি। এই হত্যার দায় স্বাকীর করেছেন ভারতের প্রভাবশালী গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই।
এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে সালমান খানে নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা অনিশ্চয়তা। প্রতিদিন নানাভাবে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়ার চিঠি পাওয়ায় দু-চোখ এক করতে পারছেন না সালমানের ভাই আরবাজ, সোহেল। গোটা খান পরিবার রীতিমত আতঙ্কে কাটছে প্রতিটি মহুর্ত।
এমনকি ছেলেকে নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় রয়েছেন সালমানের বাবা সেলিম খান। ভারতীয় গণমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে সালমানের বাবা জানান যে, কৃষ্ণসার হরিণ সালমান শিকার করেননি। তাই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কাছে বিনা কারণে তার ছেলের ক্ষমা চাওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না’।
সেলিম খান বলেন, যে কারণে সালমান বার বার প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছে, সে ঘটনার সঙ্গে সালমান যুক্ত না। সালমান অন্তত আমাকে মিথ্যা কথা বলবে না। কৃষ্ণসার হরিণ সালমান শিকার করেননি। আমার ছেলে পশু-পাখিদের খুবই ভালোবাসে।
তিনি বলেন, এমন কাজ সে করতে পারেই না। তাই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কাছে বিনা কারণে ক্ষমা চাইবে কেন? আমার মনে হয় এই বিষয়টা একটু ভেবে দেখা দরকার।
প্রসঙ্গত, বাবা সিদ্দিকির খুনের দায় বিষ্ণোই গ্যাং নেওয়ার পর থেকেই সালমান খানের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। কারণ, সোশাল মিডিয়া পোস্টে তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, যে বা যারা সালমান খানের ঘনিষ্ঠ, তাদের সকলকেই এর দাম দিতে হবে।
চলতি বছরেই সালমানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে গুলিবর্ষণ করেছিল এ গ্যাং। এবার বাব সিদ্দিকির খুন, তারপর বৃহস্পতিবার মুম্বাই ট্র্যাফিক পুলিশের হোয়াটসঅ্যাপে আবারও সালমান খানের নামে হুমকির চিঠি।
মন্তব্য করুন


বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুকের মরদেহ ঢাকায় আনা হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৬ মে) সিঙ্গাপুরের স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট তার মরদেহ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয় বলে এয়ারলাইন্সটির জনসংযোগ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ইউএস-বাংলার বিএস-৩০৮ ফ্লাইটটি নায়ক ফারুকের মরদেহ নিয়ে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।
সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন চিত্রনায়ক ফারুক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন।
তার ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান জানান, গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ইউএস বাংলার ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ আসবে। পরে সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
বেলা ১১টায় জাতীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য নেওয়া হবে। বাদ জোহর এফডিসিতে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন এবং সেখানে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষ সন্ধ্যা ৭টায় গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমুলিয়া দক্ষিণ সোম গ্রামের বাড়িতে চতুর্থ জানাজা সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
মন্তব্য করুন


নোরা ফাতেহি বলিউডে আইটেম গানের জন্য বেশি পরিচিত। তার অসাধারণ নাচের দক্ষতা সবসময়ই দর্শকদের মুগ্ধ করে। তবে তিনি বারবার জানিয়েছেন, নাচের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করারও আগ্রহ রয়েছে তার। তবুও বলিউডে তাকে উপযুক্ত সুযোগ বা মূল্যায়ন দেওয়া হয়নি বলে একাধিক সাক্ষাৎকারে অভিযোগ করেছেন।
সম্প্রতি গুঞ্জন উঠেছে, নোরা বলিউড ছেড়ে হলিউডের দিকে পা বাড়াচ্ছেন। হিন্দুস্থান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বলিউডের পাশাপাশি হলিউডেও কাজ শুরু করেছেন নোরা ফাতেহি। সেখানে তিনি তার মিউজিক অ্যালবামের যাত্রা শুরু করেছেন। তবে তিনি চিরতরে বলিউড ছাড়ছেন কিনা, তা নিয়ে চলছে আলোচনা।
এই প্রসঙ্গে নোরা এক সাক্ষাৎকারে বলেন, "আমার ব্যক্তিগত কোনো জীবন নেই। যদি কেউ মনে করে আমি অন্য কারো জন্য নিজের জায়গা ছেড়ে দেব, তাহলে সেটা ভুল ভাবনা। আমি এখানেও থাকব, ওখানেও থাকব, সর্বত্র থাকব। যেমন সিনেমায় অভিনয় করেছি, তেমনি সংগীত জগতেও কাজ করব।"
তিনি আরও বলেন, "আমার তিনটি জগৎ রয়েছে। কানাডায় জন্ম নেওয়ার কারণে সেটি আমার প্রথম জগৎ। মরক্কোয় বহুদিন থাকার কারণে সেখানে আমার শিকড় রয়েছে। আর ভারত এমন একটি দেশ, যেখানে আমি আমার পরিচয় গঠন করেছি। এই দেশের প্রতি আমার ভালোবাসা গভীর।"
নোরা ফাতেহি সম্প্রতি আমেরিকান গায়ক জেসন ডেরুলোর সঙ্গে "স্নেক" নামের একটি মিউজিক অ্যালবামে কাজ করেছেন। ডেরুলোর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তিনি বলেন, "প্রথমদিকে আমি ভীষণ লজ্জিত ছিলাম। গানটি প্রথমে আমি নিজেই রেকর্ড করি এবং তখন তার সঙ্গে কোনো সাক্ষাৎ হয়নি। তবে ভিডিও শুটিংয়ের সময় আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি এবং অনেক গল্প করেছি।"
নোরা ফাতেহি একজন নৃত্যশিল্পী, মডেল, অভিনেত্রী এবং গায়িকা। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেকে "হৃদয়ে ভারতীয়" বলে অভিহিত করেন। বলিউডে তার অভিষেক ঘটে "রোয়ার: টাইগার্স অব দ্য সুন্দরবনস" সিনেমার মাধ্যমে।
তিনি তেলুগু সিনেমা "টেম্পার," "বাহুবলী: দ্য বিগিনিং" এবং "কিক ২"-এ আইটেম গানের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ২০১৫ সালে তিনি "বিগ বস" রিয়ালিটি শোতে প্রতিযোগী ছিলেন এবং ৮৪তম দিনে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেন।
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ২০১০ সালে সুন্দরী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজ জগতে যাত্রা শুরু করেন। এর পর থেকে তিনি বিজ্ঞাপন, নাটক এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মে কাজ করে দর্শকদের মন জয় করেছেন। তবে, বড়পর্দায় নিজেকে দেখার স্বপ্ন ছিল তার অনেক দিনের। ১৪ বছরের সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে তার স্বপ্ন পূরণ হলো। গতকাল শুক্রবার দেশের ২০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘প্রিয় মালতী’।
শুটিংয়ের হিসাবে এটি মেহজাবীনের দ্বিতীয় সিনেমা হলেও, এটি তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র। তাই বড়পর্দায় নিজেকে দেখার অভিজ্ঞতা তার জন্য ভীষণ আবেগঘন।
মেহজাবীন বলেন, ‘ছোটপর্দায় যারা কাজ করেন, তাদের প্রায় সবারই ইচ্ছা থাকে বড়পর্দায় নিজেকে দেখার। আমার ক্ষেত্রেও একই রকম। ছোটপর্দার কাজ করতে করতেই বড়পর্দার স্বপ্ন দেখতাম। অবশেষে “প্রিয় মালতী” দিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ হলো।’
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার রাতে তিনি নিজের ফেসবুকে একটি বার্তা দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আজ আমার জীবনের অন্যতম কাঙ্ক্ষিত দিন। এই দিনটির জন্য আমি ১৪ বছর ধরে অপেক্ষা করেছি এবং সাধনা করেছি।’
মেহজাবীন আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি আমার জীবনের প্রতিটি মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই। ২০১০ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার থেকে যাত্রা শুরু করে আজ পর্যন্ত যারা আমার পাশে থেকেছেন—প্রতিটি মেন্টর, সহশিল্পী, পরিচালক, সহকারী, ক্রু মেম্বার, মেকআপ আর্টিস্ট, কোরিওগ্রাফার এবং ইন্ডাস্ট্রির সহকর্মীরা—সবাইকে।’
‘প্রিয় মালতী’ সিনেমায় নিজের নামে অভিনয় করেছেন মেহজাবীন চৌধুরী। এটি পরিচালনা করেছেন শঙ্খ দাশগুপ্ত। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন আজাদ আবুল কালাম, সমু চৌধুরী, নাদের চৌধুরী, শহীদুল আলম সাচ্চু, মোমেনা চৌধুরী, রিজভী রিজু, শাহজাহান সম্রাট, আনিসুল হক বরুণ প্রমুখ। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে ফ্রেম পার সেকেন্ড।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্কঃ
টিভি নাটকের জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান। তবে ইদানীং ওটিটি কনটেন্টের কাজে ব্যস্ত তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই বিশেষ দিবসের কোনো নাটক ছাড়া টিভিতে তার উপস্থিতি মিলছে না।
অভিনেতা নিজেও বলেছেন, টিভি নাটকে অভিনয় তিনি কমিয়ে দিয়েছেন। এখন মনযোগী হয়েছেন ওয়েবের কাজে।
কিছুদিন আগেই জানিয়েছেন নতুন তিন ওয়েবের কাজে যুক্ত হওয়ার খবর। সম্প্রতি সিরিজটির কাজও তিনি শেষ করেছেন। তবে এ বিষয়ে এখনই বিস্তারিত বলতে নারাজ এ অভিনেতা। এটুকু নিশ্চিত যে, রায়হান রাফী পরিচালিত এ সিরিজের নাম ‘যাহা বলিব যত্য বলিব’।
এখানেও তৈরি হয়েছে নায়িকা নিয়ে রহস্য! এতে আগে থেকেই প্রার্থনা ফারদিন দীঘির কাজ করার কথা ছিল। কিন্তু দীঘি জানান, তিনি এ সিরিজে কাজ করেননি।
তাহলে কে করেছে? এরইমধ্যে গুঞ্জন উঠে তমা মির্জার নাম। তবে এর সত্যতা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিনয়শিল্পী, নির্মাতা ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কেউ এখনই এ বিষয়ে কথা বলতে আগ্রহী নন। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হবে বলে নিশ্চিত করেন তারা।
জাহিদ হাসান বলেন, আমার কাজ অভিনয় করা। আমি সেটিই করছি। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে সব কিছু গণমাধ্যমে জানাবে। তাদের নিশ্চয়ই প্রচারের প্ল্যান রয়েছে।
জানা গেছে, কক্সবাজারের এক বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড ঘিরে এই সিরিজের গল্প। এটি একটি অনলাইন পেইড ভার্সনের জন্য নির্মিত হয়েছে। তবে একে প্রথমে সিনেমা ট্যাগ দিয়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়ার চিন্তা করছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান।
এর আগেও তারা একই প্রক্রিয়ায় ‘৩৬-২৪-৩৬’ নামে একটি ওয়েব কনটেন্ট সিনেমা বলে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দিয়েছে। সেটি অবশ্য দর্শক খরায় মুখ থুবরে পড়ে।
মন্তব্য করুন


ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির একদিনের মধ্যে জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। আজ সোমবার আত্মসমর্পণ করলে তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। জামিন পাওয়ার পর পরীমণি আদালত থেকে ফিরে গণমাধ্যমের সামনে কথা বলেন।
তিনি ন্যায়বিচার পাওয়ার আশা ব্যক্ত করে বলেন, ‘শুরু থেকেই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলাম, এখনও আছি। আমি আইনের ওপর বিশ্বাস রেখেছি। আর আপনারা যেভাবে আমাকে সাপোর্ট করেছেন, সেটা দেখে আমার দুঃখের সব মেঘ কেটে গেছে। আপনাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’
পরীমণি আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমার কিছুই বলার নেই। গতকাল থেকে আপনারা যেভাবে ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন, আমি সারাজীবন সেই ভালোবাসার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব। আমি ধন্য।’
তিনি বলেন, ‘আইনের প্রতি আমার বিশ্বাস ছিল এবং আমি বিশ্বাস করি, আমি ন্যায়বিচার পাব। আপনারা আমার পাশে থাকবেন। আজ যেমন ভালোবাসা নিয়ে বাড়ি ফিরছি, সেই ভালোবাসার সঙ্গে জয় নিয়ে যেন বাড়ি ফিরতে পারি। আমার জন্য দোয়া করবেন।’
২০২২ সালের ৬ জুলাই পরীমণির বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরীমণি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাদের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, পরীমণি ও তার সহযোগীরা অ্যালকোহল পান করেন এবং দামি ক্লাবে ঢুকে পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ না করেই চলে যান। পরীমণি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে মিথ্যা মামলা করে হয়রানি ও ভয় দেখান।
আরও বলা হয়, ২০২১ সালের ৯ জুন রাতে সাভারের বোট ক্লাবে পরীমণি বাদী নাসির উদ্দিনকে ডেকে তার সঙ্গে কিছু সময় বসতে বলেন। এক পর্যায়ে পরীমণি নাসির উদ্দিনকে বিনামূল্যে ব্লু লেবেল হুইস্কি বোতল পার্সেল দেওয়ার জন্য চাপ দেন। নাসির উদ্দিন রাজি না হওয়ায় পরীমণি তাকে গালমন্দ করেন এবং এক পর্যায়ে গ্লাস ও মোবাইল ফোন ছুড়ে মারেন, যাতে নাসির উদ্দিন মাথায় ও বুকে আঘাত পান।
মামলায় আরও বলা হয়, পরীমণি ও তার সহযোগীরা নাসির উদ্দিনকে মারধর ও হত্যার হুমকি দেন এবং ভাঙচুর করেন। এই ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরীমণি সাভার থানায় বাদীসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
এছাড়া, একই বছরের ৫ আগস্ট বনানী বাসা থেকে র্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার হন পরীমণি। পরে বনানী থানায় মাদক মামলায় তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। ২৭ দিন পর তিনি জামিনে মুক্তি পান।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
গোটা দুনিয়ার সিনেপ্রেমী দর্শকের নজর এখন ফ্রান্সের কান সৈকতে। কারণ সেখানেই যে বসেছে সিনেমার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ কান চলচ্চিত্র উৎসবের আসর। এরই মধ্যে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পরিচালক, প্রযোজক, অভিনয়শিল্পীরা। প্রথমবারের মতো সেখানে এবার গিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে জানা যায়, প্রতিবারই কানে বলিউড অভিনেত্রীদের ভালো প্রভাব থাকে। লাল গালিচায় ভিন্ন ভিন্ন পোশাকে নজর কাড়েন তারা। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এরই মধ্যে ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন, অদিতি রাও হায়দারি, সবিতা ধুলিপালা ও উর্বশী রাওতেলা লাল গালিচায় নজর কেড়েছেন।
‘রেড সি ফিল্ম ফাউন্ডেশন উইমেন ইন সিনেমা’ গালায় ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। রেড কার্পেটে হাঁটার আগে নায়িকা তার ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে কান চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের সাজসজ্জার একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। ভিডিওটি শেয়ার করে কবির সিং’খ্যাত নায়িকা ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘রিভেরায় মিলনমেলা।’
এ সময় নায়িকার কানে দেখা যায় মানানসই মুক্তার লম্বা দুল ও পায়ে সাদা হাই হিল। এক হাতে আংটি, অন্য হাতের কবজিতে সুন্দর কাজ করা রিস্টব্যান্ড। কিয়ারার এ পোশাকটি ডিজাইন করেছেন প্রবাল গুরুং। তবে এর মূল্য প্রকাশ করা হয়নি।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
সদ্যই মুক্তি পেয়েছে সোনাক্ষী সিনহা অভিনীত সিরিজ ‘হীরামান্ডি।’ সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত সিরিজটিতে সোনাক্ষীর অভিনয় বেশ প্রশংসাও পাচ্ছে। এরইমধ্যে শোনা যাচ্ছে, বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চান অভিনেত্রী।
বেশ কয়েক বছর ধরেই প্রেম, সম্পর্ক, বিয়ে নিয়ে খুব একটা মুখ খুলতে দেখা যায়নি সোনাক্ষী সিনহাকে। যখনই এসব প্রশ্ন উঠেছে, তখনই পুরো বিষয়টা এড়িয়ে গিয়েছেন। তবে বলিউডের বাতাসে উড়ছিল সোনাক্ষী ও জাহির ইকবালের প্রেমের খবর। গত বছর সালমান খানের পার্টিতেও একসঙ্গে হাজির হয়েছিলেন সোনাক্ষী ও জাহির।
এরপর থেকেই আলোচনায় দু'জনের প্রেম। তবে দু'জন প্রেমের বিষয়ে সরাসরি কিছু না বললেও নিজেদের প্রেম চালিয়ে যাচ্ছেন তা বলাই বাহুল্য। তবে কি জাহিরকেই বিয়ে করতে যাচ্ছেন সোনাক্ষী?
সম্প্রতি কপিল শর্মার শো’তে এসেছিলেন সোনাক্ষী। সেখানে কপিল হঠাৎ সোনাক্ষীকে বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করে বসেন। সোনাক্ষী তখন উত্তর দেন, ‘কাটা গায়ে নুনের ছিঁটা! আমি কিন্তু বিয়ে করতে একেবারে তৈরি।’
তবে খুব চালাকি করে জাহিরের প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়েছেন অভিনেত্রী।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
সোমবার (১৫ মে) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চিত্রনায়ক ফারুকের ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, চিত্রনায়ক ও সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন পাঠান দুলু ওরফে ফারুকের প্রথম নামাজে জানাজা সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ইউএস বাংলার ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ আসবে। পরে সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
উল্লেখ্য, চিত্রনায়ক ফারুক সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন। মঙ্গলবার (১৬ মে) সকালে তার মরদেহ দেশে আনা হবে।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্কঃ
কলকাতার চলচ্চিত্র উৎসবে জায়গা হয়নি বাংলাদেশের। আগামী ৪ ডিসেম্বর শুরু হতে যাওয়া এই উৎসবে স্থান পেয়েছে ২৯টি দেশের ১৮০টি সিনেমা। আর এবারই প্রথম ‘কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (কেআইএফএফ)’-এ থাকছে না বাংলাদেশের নাম। রাজনৈতিক অবস্থা ও ভিসা জটিলতার কারণেই এমনটা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উৎসবের চেয়ারম্যান গৌতম ঘোষ।
কলকাতার উৎসবে বাংলাদেশের সিনেমার জায়গা না পেলেও ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এ ঠিকই থাকছে ভারতীয় সিনেমা। আগামী ১১ জানুয়ারি শুরু হবে উৎসবের ২৩তম আসর। ৯ দিনব্যাপী এই উৎসবে প্রদর্শিত হবে ৭৫টি দেশের প্রায় ২৫০টি সিনেমা। যদিও এখনো পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেনি আয়োজক কর্তৃপক্ষ। তবে তাদের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ‘এশিয়ান ফিল্ম কমপিটিশন’ বিভাগের তালিকা রয়েছে দুটি ভারতীয় সিনেমা। এগুলো হলো- জটলা সিদ্ধার্থের ‘ইন দ্য বেলি অব আ টাইগার’ ও সৌমিক রায় চৌধুরীর ‘বেলাইন’। এছাড়াও ‘সিনেমা অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ বিভাগে আছে সৃজিত মুখার্জির ‘পদাতিক’।
বিষয়টি নিয়ে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজক রেইনবো ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি আহমেদ মুজতবা জামাল বলেন, ‘সরকারি আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসব। সেখানে বাংলাদেশের সিনেমা কেন নেই- এর উত্তর দিতে পারবে উৎসব কর্তৃপক্ষ ও তাদের সরকার। ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত ইফিতে কিন্তু বাংলাদেশের সিনেমা প্রদর্শিত হয়েছে। আর ঢাকা চলচ্চিত্র উৎসব সরকারি কোনো আয়োজন হয় না। আমরা সিনেমাকে প্রাধান্য দিয়েছি। এখানে পাকিস্তানের সিনেমা যেমন আছে, তেমনি ভারত, চীনসহ ৭০টির বেশি দেশের সিনেমা আছে। আমরা কোনো দেশ বিবেচনায় সিনেমা নির্বাচন করছি না। এছাড়া সরকার থেকে আমাদের এমন কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি যে নির্দিষ্ট কোনো দেশের সিনেমা দেখানো যাবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘এবার চলচ্চিত্র উৎসবে ভারতের সিনেমার সংখ্যা কমে গেছে। অন্যান্যবার ২৫-৩০টি সিনেমা থাকে। এবার মাত্র ৫-৬টি সিনেমা আছে। তাছাড়া ভারতের কোনো ফিল্মমেকার, কলাকুশলী বা অতিথি কেউ আসছেন না ভিসা জটিলতার কারণে।’
গতবার ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এ আলো ছড়িয়েছিলেন ইরানের নির্মাতা মাজিদ মাজিদি, ভারতের শর্মিলা ঠাকুর, অঞ্জন দত্তরা।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
গত সাত বছর ধরে সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল। গত ২৩ জুন এ তারকা জুটি আইনি মোতাবেক বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। এর পর রিসেপশনের আয়োজন হয়। এ তারকা জুটির বিয়েতে ছিল না কোনো ধর্মীয় আচার। বিয়ের পর সোনাক্ষী ধর্ম পরিবর্তন করবেন না বলেও জানিয়েছিলেন জ়াহির ইকবালের বাবা।
এদিকে বিয়ের দিন রিসেপশেন দেখা যায়নি অভিনেত্রীর দুই ভাই লব সিনহা ও কুশ সিনহার। এ নিয়ে চারদিকে সমালোচনা শুরু হয়। বিয়েতে এসেছিলেন শত্রুঘ্ন সিন্হাসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা। এ নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে মিশ্র সমালোচনা হয়।
নানা রকম সমালোচনার মাঝে অবশেষে মুখ খুললেন লব সিন্হা। সামাজিকমাধ্যমে একটি পোস্ট করে সোনাক্ষী ও জ়াহিরের বিয়ে নিয়ে কথা বলেন তিনি। লব সিনহা বলেন, এত সমালোচনা সত্ত্বেও পরিবারের প্রতি তার ভালোবাসা কোনোভাবেই কমবে না। পরিবারই তার কাছে প্রাথমিক বিষয়।
কেন তিনি বিয়েতে উপস্থিত থাকেননি জানিয়ে লব সিনহা লিখেছেন— ‘কেন আমি বিয়েতে উপস্থিত থাকিনি, এটিই হলো প্রশ্ন! আমার বিরুদ্ধে কিছু মিথ্যে কথা প্রচার করে কোনো লাভ নেই। আমার কাছে সব সময় আমার পরিবারই অগ্রাধিকার পাবে।‘
এমন প্রশ্ন সোনাক্ষীর আরেক ভাই কুশ সিনহাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, সেই সময় লব বলেছিল— ‘দু’একটা দিন সময় দিন। আমার যদি মনে হয়, তা হলে আমি নিশ্চয়ই এই প্রশ্নের উত্তর দেব।‘
বিয়েতে আসেন শত্রুঘ্ন সিনহা। বাবা হিসেবে মেয়ের বিয়েতে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়বেন এটাই স্বাভাবিক। সিনহা পরিবারের নয়নমণি সোনাক্ষী সিনহা। মা-বাবার চোখের মধ্যমণি। তাই বিয়ের দিনে বাবা শত্রুঘ্ন সিনহা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। কন্যার জীবনের নতুন ইনিংসে যেমন তিনি উচ্ছ্বসিত, তেমনি চাপাকান্না বুকে কষ্ট।
নিজস্ব অ্যাপার্টমেন্ট ‘অওরিয়েত’-এ ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজনদের সাক্ষী রেখে আইনি বিয়ে সারেন সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল। পরনে নবদম্পতির দুধ সাদা পোশাক। মেয়ের পাশেই হাসিমুখে দাঁড়িয়েছিলেন শত্রুঘ্ন সিনহা।
সেই অনুষ্ঠানে প্রবীণ অভিনেতা বললেন, ‘মেয়েকে পছন্দের পাত্রের হাতে তুলে দেবেন বলে সব বাবাই এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। জাহিরের সঙ্গে আমার মেয়েকে সব থেকে বেশি খুশি থাকতে দেখেছি। তারা সুখে থাকুক, এ প্রার্থনাই করি।‘
জাহির ইকবালের প্রশংসায় পঞ্চমুখ শত্রুঘ্ন সিনহা বলেন, ‘গুড বয়’ জাহির। খুব ভালো ছেলে। আমার মেয়েকে ভালো রাখবে ওৃ।‘ তিনি আরও বলেন, ’৪৪ বছর আগে আমি একজন সফল, সুন্দরী ও ভীষণ ট্যালেন্টেড একটি মেয়েকে নিজের পছন্দে বিয়ে করেছিলাম। সে হচ্ছে পুনম সিনহা। আজ আমার মেয়ে সোনাক্ষীর পালা। ওর পছন্দই আমাদের পছন্দ। ওর নিজের জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার এই সিদ্ধান্তকে আমি পূর্ণ সমর্থন করি।‘
উল্লেখ্য, এর আগে সোনাক্ষী-জাহিরের বিয়ের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসতেই শোনা গিয়েছিল শত্রুঘ্ন নাকি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান। তিনি বলেছিলেন— এই প্রজন্মের সন্তান কারও অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন মনে করে না। ওরা শুধু নিজেদের সিদ্ধান্ত জানায়।
সেই থেকেই জল্পনার সূত্রপাত যে, জামাই হিসেবে জাহির ইকবালকে হয়তো পছন্দ নয় শত্রুঘ্ন সিনহার তাই এমন কথা বলেছিলেন! তবে বিয়ের দুদিন আগেই নিন্দুকদের ‘চুপ’ করে দিয়ে জাহির ইকবালকে বুকে টেনে নেন শত্রুঘ্ন সিনহা।
মন্তব্য করুন