

গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
সোমবার (১৫ মে) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চিত্রনায়ক ফারুকের ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, চিত্রনায়ক ও সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন পাঠান দুলু ওরফে ফারুকের প্রথম নামাজে জানাজা সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ইউএস বাংলার ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ আসবে। পরে সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
উল্লেখ্য, চিত্রনায়ক ফারুক সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন। মঙ্গলবার (১৬ মে) সকালে তার মরদেহ দেশে আনা হবে।
মন্তব্য করুন


হিমু, কুমিল্লা:
নব্বই দশকের এক আবেগ ও ভালোবাসার নাম ‘সালমান শাহ্’। স্টাইলিশ এই অভিনেতাকে এখনো মিস্ করে তাঁর একনিষ্ঠ ভক্তকুলেরা। সালমান শাহ্ গত জেনারেশনে যেমন বেস্ট একজন ছিল, তেমনি বর্তমান ও আগামী কয়েক জেনারেশনেও বেস্ট এবং সুপার থাকবে। সালমানের মত কোনো বিকল্প সুদর্শন পুরুষ বাংলাদেশে আগে কোনোদিন আসেনি, বর্তমানেও নেই, নিঃসন্দেহে ভবিষ্যতেও আসবে না।
একজন শিল্পীর মৃত্যুর পর ধীরে ধীরে তার অনুসারীরা ভুলতে শুরু করেন। তবে ক্ষণজন্মা নায়ক সালমান শাহ্ এর ক্ষেত্রে সেটা একেবারে বিপরীত! অকালে চলে যাওয়ার ২৭ বছর পরেও সালমান শাহ্ এর জনপ্রিয়তা আজও আকাশচুম্বী। নায়ক হিসেবে মৃত্যুর ২৭ বছর পরেও এমন অর্জন বিশ্বের বুকে আর কারোও নেই।
স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ ভক্তদের মাঝে ফিরতে চলেছেন। সম্প্রতি প্রয়াত এই অভিনেতাকে নিয়ে এমনই এক চমকপ্রদ তথ্য জানান, রাজীব জাহান ফেরদৌস। তিনি বর্তমানের জনপ্রিয় ‘এআই’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রায়ই দেশ বিদেশের সিনেমার তারকাদের নতুন রূপে নিয়ে আসেন ভার্চুয়াল জগতে।
সংবাদ মাধ্যম অনুযায়ী, রবিবার ( ২৭ আগস্ট ২০২৩ইং) রাতে রাজীব জাহান ফেরদৌস তার ফেসবুক আইডিতে সালমান শাহ্ এর ছবি পোস্ট করে রাজীব লিখেছেন, প্রস্তুত হও, বাংলাদেশ! অতুলনীয় ফ্যাশন আইকন একটি গৌরবময় প্রত্যাবর্তন করছেন! মিডজার্নি এআই-এর জাদুতে তৈরি সম্পূর্ণ সিরিজ ড্রপের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন। সাথে থাকুন!
সালমান শাহ্ এর নতুন লুকের ছবি দেখে অবাক হয়েছেন নেটিজেনরা। দেশের তো নয়ই, বিদেশি কোনো নায়কের সৌন্দর্যকেও হার মানিয়ে দিয়েছে সালমান শাহ্ এর সে ছবি।
রাজীবের সে ফেসবুক পোস্টের কমেন্ট বক্সে একজন লিখেছেন, বাংলাদেশের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ হ্যান্ডসাম পুরুষ। এরপরই তিনি জুরে দিয়েছেন ভালোবাসার প্রতীকের চিহ্ন। আরেকজন লিখেছেন, চিত্রজগতে আপনার তুলনা শুধুই আপনি, স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ তখনো - এখনো সব স্থানে অতুলনীয়।
তাঁর মৃত্যুতে এ দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের যে ক্ষতি হয়েছে, তা আজও পূরণ হয়নি। এই দেশে চলচ্চিত্র প্রেমীরা যত দিন বেঁচে থাকবে, সালমান শাহ্ তত দিন বেচে থাকবেন তাদের হৃদয়ে।
আমরা যখন কোন সিনেমার গান শুনি তখন বলি এই গানের শিল্পী নাম এন্ড্রু কিশোর, কনক চাঁপা, রুনা লায়লা সাবিনা ইয়াসমিন ইত্যাদি। কিন্তু আমরা যখন সালমান শাহ্ এর সিনেমার কোন গান শুনি অবলীলায় তখন বলে ফেলি, "আরেহ এইটা তো সালমান শাহ্ এর গান"।
দেখতে দেখেতে ২৭ বছর পেরিয়ে গেলো সালমান নেই। ১৯৯৬ সালের ৬ -ই সেপ্টেম্বর সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান সালমান শাহ্।
মৃত্যুর দুই যুগ পরও চলচ্চিত্রের মানুষেরা আফসোস করে বলেন, "আজও সালমান শাহ্ এর শূন্যস্থান কেউ পূরণ করতে পারেননি।"
৯০ এর দশকে চলচ্চিত্রে সালমান শাহ্ এর আবির্ভাব তারুণ্যের উচ্ছ্বাস তৈরি করেছিল। ভক্তদের পাশাপাশি চলচ্চিত্রের মানুষরাও তার স্মৃতিগুলো এখনও লালন করেন। তিনি বেঁচে থাকলে হয়তো চলচ্চিত্র মাধ্যমটি আরও বর্ণিল করতে পারতেন।
সালমান শাহ্ এর অভিনয় একটা প্রজন্মের কাছে আইডলে পরিণত হয়েছিলেন সালমান শাহ্ নামের সেই পরশ পাথর, যার ছোঁয়ায় বাংলা চলচ্চিত্রে বিপ্লব ঘটেছিল।
তিনি আমাদের চলচ্চিত্রের এমন ধ্রুবতারা যিনি দূর আকাশে অবস্থান করেও আলোকিত করেন মানুষের হৃদয়। সালমানের মৃত্যুদিন এলে তাই স্বভাবতই আমাদের মন খারাপ হয়ে যায়। আবার এই ভেবে ভালো লাগে যে সালমান শাহ্ স্বল্পায়ু হলেও অন্তত বাংলাদেশে জন্মেছিলেন সেটাই আমাদের সৌভাগ্য।
প্রিয় নায়ক সালমান শাহ্কে স্মরণ করছি বিনম্র শ্রদ্ধায়। যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন আমাদের সবার প্রিয় ‘সালমান শাহ্’।
মন্তব্য করুন


এমন রহস্যময় ছবি ও ক্যাপশন দেখে নেটিজেনদের মধ্যে কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে । কারণ ছবিতে দেখা যায়, ক্যাজুয়াল কালো এবং সাদা পোশাকে স্ক্রিপ্ট পড়ছেন এই অভিনেত্রী।
এছাড়া সানি লিওন তার ‘কেনেডি’ সিনেমাতে চার্লি চরিত্রে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য প্রচুর প্রশংসা পেয়েছেন। ‘কেনেডি’ সিনেমাটি কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০২৩-এ স্ট্যান্ডিং ওভেশন পেয়েছে এবং কান ২০২৩ সালে মধ্যরাতের স্ক্রীনিংয়ের সময় প্রিমিয়ার হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


রায়হান রাফির সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের সুপারস্টার শাকিব খান।
সুপারস্টার শাকিব খান কে নিয়ে ‘তুফান’ নামে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা আগেই দিয়েছিলেন রায়হান রাফি।
এবার সিনেমায় ‘গডফাদার’-এর চরিত্রে অভিনয় করবেন শাকিব। ইতোমধ্যে সিনেমাটির প্রি-প্রোডাকশনের কাজ শুরু হয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি বছর কুরবানির ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। ভারতের হায়দরাবাদে রামুজি ফিল্ম সিটিতে চলছে ‘তুফান’-এর সেট নির্মাণের কাজ।
সম্প্রতি এসকে ফিল্মসের ইউটিউবে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে নির্মাতা রায়হান রাফি ‘তুফান’ সিনেমার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেছেন।
রায়হান রাফি জানান, শাকিব খান চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করেন। আমি অনেক দিন থেকে এই সিনেমার প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রায় ৪ মাস থেকে প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চলছে।
আর এদিকে সিনেমাটির শুটিং সেটের কিছু ডামি ছবি প্রকাশ পেয়েছে, নব্বই দশকের বাড়িঘর, গাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনায় সাজানো হয়েছে সেট। তা দেখে রীতিমতো মুগ্ধ হয়েছেন সিনেমাপ্রেমীরা।
মন্তব্য করুন


ঢাকাইয়া চলচ্চিত্রের নায়িকা পরিমনী এবার পা রাখতে যাচ্ছেন
ওপার বাংলায়। বাংলাদেশের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রী টলিউডের সিনেমায় কাজ করলেও অভিনেত্রী
পরীমণি আজও টলিউডে পা রাখনেনি। অনেক দিন ধরে ওপার বাংলার দর্শকের মনে একটাই প্রশ্ন
ছিল। কবে ওপার বাংলার ছবিতে দেখা যাবে পরীমণিকে?
নায়িকাকে কলকাতার ছবিতে দেখার অপেক্ষায় দর্শক। পরীর
অনুরাগীদের সেই স্বপ্নই এ বার সত্যি হতে চলেছে। সেই সুখবর দিয়েছে আনন্দবাজার অনলাইনকে।
আনন্দবাজার
অনলাইনকে পরীমনি বলেন, কলকাতার ছবিতে কাজ করছি। এখনই বিস্তারিত কিছু বলতে চাই না।
সবটাই ক্রমশ প্রকাশ্যে। ছেলের জন্মদিন কাটলেই কলকাতায় আসব।
কলকাতার
ইন্ডাস্ট্রিতে পরী অভিনয় না করলেও বাংলাদেশের মানুষের কাছে নানান কারণে বেশ
পপুলার। বিশেষ করে, তাঁর সৌন্দর্য দুর্দান্ত ব্যক্তিত্ব, সবটাই মানুষকে আকৃষ্ট করে
প্রতিনিয়ত। তাই ভক্তদের একপ্রকার ইচ্ছে ছিলই এবার তাকে টলিউডে ছবিতে দেখার জন্য!
মন্তব্য করুন


৯ সেপ্টেম্বর শনিবার ঢাকাই
সিনেমার আলোচিত তারকা দম্পতি অনন্ত জলিল ও আফিয়া নুসরাত বর্ষা হাজির হয়েছিলেন একটি
মাল্টিপ্লেক্সে।
সেখানে
উপস্থিত সংবাদকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার এক পর্যায়ে অনন্ত জলিল তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা
বর্ষাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘এবার আমাদের সুন্দরী বউ কথা বলবে। আমার সুন্দরী বউ,
আপনাদের বোন। ’
অনুষ্ঠানে কিছুটা
স্মৃতিকাতরও হন অনন্ত-বর্ষা। ২০১৩ সালে এই দম্পতির ‘নিঃস্বার্থ ভালবাসা’ সিনেমা
দিয়েই যাত্রা শুরু হয় ব্লকবাস্টার সিনেমাসের।
অনন্ত জলিল বলেন, আজ
ব্লকবাস্টারের ১০ বছর পূর্ণ হলো। আপনারা সবাই জেনে আনন্দিত হবেন যে ‘নিঃস্বার্থ
ভালবাসা’ দিয়ে এটি ওপেনিং হয়। সিনেমার জন্য তাদের ৭টা স্ক্রিন আছে। আমরা যখনই
সিনেমা রিলিজ করি তখনই এটা আমাদের জন্য ভাইটাল একটা পয়েন্ট। এই জন্য যখনই উনারা
কোনো আয়োজনে আমাদের ডাকেন, আমরা সাড়া দিই। উনারাও আমাদের ডাকে সাড়া দেন, আমরাও
তাদের ডাকে সাড়া দিই। আমরাও ভালোবাসি তাদের, তারাও আমাদের ভালোবাসেন। ’
অনন্ত-বর্ষার পাশাপাশি
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অপু বিশ্বাস, পরীমণি, সিয়াম আহমেদ, চয়নিকা চৌধুরী, ইমনসহ
আরো অনেকে।
মন্তব্য করুন


হিমু, কুমিল্লা:
ভালোবাসার আরেক নাম আমাদের সালমান শাহ্ । স্বপ্নের নায়ক "সালমান শাহ্"এর মৃত্যুর ২৭ বছর পূর্ণ হলো আজ ৬ সেপ্টেম্বর। সালমান শাহ্ এর মৃত্যু বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা। দেখতে দেখেতে ২৭ বছর পেরিয়ে গেলো সালমান নেই। ১৯৯৬ সালের আজকের এই দিনে সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান সালমান শাহ্। সালমানের মতো অভিনেতার অকাল মৃত্যু সত্যিই আমাদের জন্য অনেক বেদনার, অনেক কষ্টের।
বাংলাদেশের রোমান্টিক চলচ্চিত্রের ধ্রুবতারা, অমর কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহ্ আমাদের চলচ্চিত্র জগতে নুতন এক স্পন্দন জাগিয়ে তুলতে পেরেছিলেন।
আজও অবধি সিনেমাপ্রেমীদের অন্তরে দীর্ঘশ্বাসের সাথে উচ্চারিত হয় সালমান শাহ্ এর নাম । কেননা সালমান শাহ্ পরবর্তী সময়ে যারা চলচ্চিত্রে নায়ক হওয়ার জন্য এসেছেন তারা প্রত্যেকেই বলেছেন, এখনো - সালমান শাহ্ -ই ছিলেন তাদের অনুপ্রেরণার প্রধান উৎস।
আমাদের চলচ্চিত্র জগতের স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ যুগ যুগ বেঁচে থাকবেন চলচ্চিত্র প্রেমিদের হৃদয়ে। তার প্রকৃত নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। আমাদের রুপালি পর্দায় তিনি সালমান শাহ্ নামেই পরিচিত।
জনপ্রিয় একটি হিন্দি সিনেমার অফিশিয়াল রিমেক ছিল 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত'। সোহানুর রহমান সোহানের হাত ধরে ১৯৯২ সালে 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত' সিনেমার মাধ্যমে ধূমকেতুর মতোই নায়ক রূপে ঢালিউড চলচ্চিত্র জগতে উদিত হয়েছেন সালমান শাহ্।
এ সিনেমা মুক্তির পর রাতারাতি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেন সালমান শাহ্ । এরপরে আর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক নুতন ছবিতে অভিনয় করে চলচ্চিত্রের জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। সালমানের এই অভিযাত্রা ছিল যেন " এলাম, পা- রাখলাম, জয় করলাম এর মতো।
পর্দায় সালমান শাহ্ এর উপস্থিতি, পোশাক-পরিচ্ছেদ, সংলাপ বলার ধরন, হাঁটা কিংবা অভিনয় দক্ষতা সবকিছু মিলিয়ে দর্শকের মনে স্থান করে নিতে এতোটুকু সময় লাগেনি এ স্বপ্নের নায়কের। সালমান শাহ্ খুব তাড়াতাড়ি হয়ে উঠেছিলেন বাংলাদেশের তরুণদের ফ্যাশন আইকন।
বাংলা সিনেমার মাধ্যমে সালমান শাহ্ যে স্টাইল তৈরি করে গেছেন, এখন পর্যন্ত সেটা থেকে কেউ বের হতে পারেনি।
সালমান শাহ্ এর মাথায় রুমাল কিংবা চোখে গোল কালো ফ্রেমের চশমা। বড় শার্ট গিট্টু দিয়ে বেধে রাখা, মাথায় গামছা বাঁধা কিংবা তার স্টাইলিশ টুপি। যুগ যুগ দর্শক তা মনে রাখবে। টি শার্ট, সামনের দিকে ইন করে রাখলেও, পিছনের দিকে একটু খুলে রাখা, দাঁত দিয়ে নখ কাঁটা, চারকোণা সানগ্লাসের ট্রেন্ড ভেঙ্গে, গোল বা ওভাল সানগ্লাস পরা শুরু করা, মিলাদে বা, কারও জানাজায় পকেটে টুপি থাকা সত্ত্বেও রুমাল গিট্টু মেরে মাথায় পরা, স্নিকারস বা ক্যানভাস সু , কালো জুতার সাথে সাদা মোজা পরা, প্যান্টের বেল্টের ফুঁটা থেকে দ্বিগুণ তিনগুন সাইজে বড় গলার মেডেলের মত বড় বাকেলসেরওয়ালা বেল্ট পরা, ডায়াল নিচের দিকে দিয়ে হাত ঘড়ি পড়া, মাঝে মাঝে ডান হাতে ঘড়ি পরা, একটু পর পর চশমায় হাত দেয়া, তার এরকম হাজারটা স্টাইল আছে যা বলে শেষ করা যাবে না।
সালমান শাহ্ এই স্টাইল থেকে কি প্রজন্ম এখনো বের হতে পারছে? সেটা হয়তো সময় বলে দেবে। সালমান শাহ্ এর জন্ম হয়েছিল আমাদের চলচ্চিত্র জগতে ইতিহাস সৃষ্টি করার জন্য, তিনি তা করতেও পেরেছিলেন।
সালমান শাহ্ ধুমকেতুর মতো ক্ষণিকের চলচ্চিত্র জগতের অবস্থানে মাত্র ৩ বছরের তার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের উপহার দিয়েছেন ২৭ টি ব্যবসা সফল ছবি।
আজও কৌতূহলী মানুষের মনে প্রশ্ন, সালমান শাহ্ এর বিশেষত্ব কী ছিল? কেন তিনি এতটা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন দর্শক হৃদয়ে? কেন মৃত্যুর দুই যুগ পরেও তাঁর জনপ্রিয়তা আজও ম্লান হয়নি এতোটুকুও কমেনি?
পৃথিবীতে বেঁচে থাকলে সালমান শাহ্ এর বয়স হতো এখন ৫২ বছর। সালমান শাহ্ এখন আর পৃথিবীতে নেই। তাঁর মৃত্যুতে এ দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের যে ক্ষতি হয়েছে, তা আজও পূরণ হয়নি।
হয়তো স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ এর জন্ম হয়েছিল চলচ্চিত্র জগতে ক্ষণিকের বিচরণে উনার কারিশমাটিক অভিনয়ের সৃজনশীলতায় এমনি করে দর্শকের হৃদয়ে বেঁচে থাকার জন্য।
এই দেশের চলচ্চিত্র প্রেমীরা যত দিন বেঁচে থাকবে, সালমান শাহ্ তত দিন বেঁচে থাকবেন তাদের হৃদয়ে। নায়ক হিসেবে মৃত্যুর ২৭ বছর পরেও এমন অর্জন পৃথিবীর বুকে আর কারোও নেই। আজকের এই দিনে সালমান শাহ্ কে গভীর ভালোবাসা। আল্লাহ উনাকে বেহেশত নসীব করুন।
মন্তব্য করুন


গতকাল
(৩ ডিসেম্বর) বিয়ে করলেন অভিনেতা আমির খানের মেয়ে ইরা খান ও তার জিম ট্রেনার প্রেমিক
নূপুর শিখরে। মুম্বাইয়েই বসেছিল তাদের বিয়ের আসর।
আমিরের
প্রথম স্ত্রী রিনার বাড়িতেই পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে ৪ হাত এক হলো। ইরা
বিয়েতে সাবেকি সাজই বেছে নিয়েছিলেন।
যদিও
আর ৫জন কনের মতো লেহেঙ্গা বা শাড়ি পরেননি আমিরকন্যা। ইরার পরনে ছিল নীল ও গোলাপির
কম্বিনেশনে তৈরি ডিজাইনার পোশাক।
তবে
ইরার স্বামী নূপুর শিখরের সাজে ছিল অন্য চমক। শেরওয়ানি, পঞ্জাবি নয় কালো রঙের গেঞ্জি
ও সাদা হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের মঞ্চে এসে উঠলেন জামাই!
ইরা
ও নূপুরের বিয়ের ছবি ও ভিডিয়ো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হতেই নূপুরের সাজপোশাক
নিয়ে শুরু হয়ে গেছে আলোচনা। নূপুরের এই সাজ দেখে অবাক সবাই। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে
পারে, কেন কালো টি-শার্ট আর হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের আসরে এসেছিলেন বর। আসলে প্রায় ৮ কিলোমিটার
দৌড়ে ইরাকে বিয়ে করতে আসেন নুপূর। রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়েছে তাদের। আর স্বাক্ষর করার
সময় স্যান্ডো গেঞ্জিই পরে ছিলেন নুপূর।
আপাতত
রেজিস্ট্রি করেই বিয়ে করেছেন এই জুটি। আগামী ৮ জানুয়ারি উদয়পুরে হবে জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠান।
মন্তব্য করুন


এক নজর দেখে বোঝার উপায় নেই তিনি যে সুপারস্টার শাকিব খান। যা দেখে রীতিমতো বিস্মিত দর্শকরা।
২০ জুন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শাকিবের আসন্ন সিনেমা প্রিয়তমার লুক প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে দেখা গেছে, চেহারায় স্পষ্ট বয়স্ক ছাপ, মুখ ও শরীরের চামড়ায় ভাঁজ পড়ে গেছে। সাদা পাকা লম্বা চুল। সাদা পায়জামা পাঞ্জাবি পরে বসে আছেন এক বৃদ্ধ। জীবন সায়হ্নে এসে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে কী যেন খুঁজছেন ৮০ বছর বয়সী এই বৃদ্ধ।
কেউ কেউ জানান, এ সিনেমার নায়িকা ইধিকা পালের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে শাকিব খান বৃদ্ধ হয়ে গেছেন । তবে কার অপেক্ষায় রয়েছেন শাকিব তা জানতে হলে প্রেক্ষাগৃহে যেতে হবে বলে জানিয়েছেন সিনেমাটির নির্মাতা হিমেল আশরাফ।
প্রিয়তমা যৌথভাবে চিত্রনাট্য ও সংলাপ করেছেন ফারুক হোসেন ও হিমেল আশরাফ। শাকিব ছাড়া আরো অভিনয় করছেন কলকাতার ইধিকা পাল, কাজী হায়াৎ, শহীদুজ্জামান সেলিম, এলিনা শাম্মী, ডন, সহীদ নবী সহ আরো অনেকে।
মন্তব্য করুন


১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন সদ্য প্রয়াত অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। তখন তার নামে ৩৬টি মামলায় হয়। ছাত্র রাজনীতিতে তিনি তখন বেশ সক্রিয়, সিনেমা অভিনয় নিয়ে কোনো ভাবনাই ছিল না তার।
তবে একের পর এক যখন মামলা হতে থাকল তখন তার বন্ধুরাই বলল, ‘সিনেমায় ঢুকে যাও।’ সেই ঘটনার বিবরণ দিয়ে ফারুক বিবিসি বাংলাকে বলেছিলেন, ‘আমার নামে হয়রানিমূলক ৩৬টি মামলা হয়। এগুলো থেকে বাঁচার জন্য আমার কিছু বন্ধুবান্ধব বলে, চলচ্চিত্রে ঢুকে যাও। এরপরই চলচ্চিত্রে আসি।’
ফারুকের প্রথম সিনেমা ‘জলছবি’। ছবিটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘১৯৬৮ সালে ছবিটির শুটিং শুরু হয় কিন্তু মুক্তি পায় ১৯৭১-এ। মুক্তির তারিখ ২৫-এ মার্চ বা এর দুই কী তিন দিন আগে, ঠিক মনে নেই। ছবিতে আমার সহকর্মী ছিলেন কবরী। বলা যায়, আমার সিনেমাজীবন শুরুই হয় কবরীর সঙ্গে।’
সাক্ষাৎকারে চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পীদের পারিশ্রমিক নিয়েও আক্ষেপ করতে শোনা যায় অভিনেতাকে। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই তিনি জানান প্রথম সিনেমা ‘জলছবি’র পারিশ্রমিক কত ছিল। ফারুক বলেন, ‘আমাকে যথাযথ সম্মান ও সম্মানী দেওয়া হয়নি। আমাকে প্রথম ছবিতে পাঁচ শ টাকা দেওয়া হয়েছিল।’
বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি অভিনয় করেছেন ‘আবার তোরা মানুষ হ’, ‘আলোর মিছিল’, ‘সুজন সখী’, ‘লাঠিয়াল’, ‘সূর্যগ্রহণ’, ‘মাটির মায়া’, ‘নয়নমনি’, ‘সারেং বৌ’, ‘গোলাপি এখন ট্রেনে’, ‘নাগরদোলা’, ‘দিন যায় কথা থাকে’, ‘কথা দিলাম’, ‘মাটির পুতুল’, ‘সাহেব’, ‘ছোট মা’, ‘এতিম’, ‘ঘরজামাই’, ‘মিয়া ভাই’র মতো অসংখ্য সিনেমায়।
ফারুক তার অভিনয়ের জন্য ১৯বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে মনোনীত হয়েছিলেন। কিন্তু তার হাতে পুরস্কার উঠেছিল কেবলই একবার। অবশ্য ২০১৬ সালে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। অভিনয়ের বাইরে তিনি ঢাকা ১৭ আসনের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন।
মন্তব্য করুন


পৌষ
মাসের শেষ দিন পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের সাকরাইন উৎসবে মেতে ওঠার দিন। এ উৎসবের মূল
আকর্ষণ ঘুড়ি উড়ানো।
রবিবার
(১৪ জানুয়ারি) পৌষের শেষ দিন। ঐতিহ্যের আলোয় পৌষের শেষদিনকে রঙিন করতে মাতোয়ারা পুরান
ঢাকাবাসী। তাই উৎসব ঘিরে পুরান ঢাকার অলিগলিতে চলছে ঘুড়ি বেচাকেনার উৎসব। শিশু, তরুণ,
বৃদ্ধরা কিনছেন ঘুড়ি, নাটাই, সুতা। চলছে সুতায় মাঞ্জা দেওয়ার কাজ। পুরান ঢাকায় চলছে
ঘুড়ি বেচাকেনার ধুম। দোকানে দোকানে হরেক রকমের ঘুড়ি সাজিয়ে রাখা হয়েছে। রঙ-বেরঙের ঘুড়ি
আর নাটাই-সুতা সারি সারি করে সাজিয়ে রেখেছেন দোকানিরা। বাজারে বিভিন্ন নামের ঘুড়ি পাওয়া
যাচ্ছে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম- চোখদার, চশমাদার, কাউটাদার, লাভবার্ড, পঙ্খিরাজ, প্রজাপতি,
চক্ষুদার, ঈগল, সাদাঘুড়ি, চার বোয়া, দুই বোয়া, টেক্কা, লাভঘুড়ি, তিন টেক্কা, মালাদার,
দাবা ঘুড়ি, বাদুড়, চিল, অ্যাংগ্রি বার্ডস হরেক রঙের ঘুড়ি। এসব নাটাই মিলবে ৫০০ থেকে
তিন হাজার টাকার মধ্যে। সেসব সুতার মধ্যে রক সুতা, ডাবল ড্রাগন, কিংকোবরা, ক্লাক ডেবিল,
ব্লাক গান, ডাবল গান, সম্রাট, ডাবল ব্লেট, মানজা, বর্ধমান, লালগান ও টাইগার অন্যতম।
জানা
যায়, রবিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে ঐতিহ্যবাহী উৎসব সাকরাইন শুরু হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা
পর্যন্ত ঘুড়ি ওড়ানোর পাশাপাশি বাড়িতে বাড়িতে চলবে পিঠাপুলির উৎসব।
মন্তব্য করুন