

গাজীপুর সিটি করপোরেশন (গাসিক) নির্বাচনে আগামীকাল মঙ্গলবার (৯ মে) প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। প্রতীক পেয়েই প্রার্থীরা প্রচারে নামতে পারবেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপ-সচিব মো. আতিয়ার জানান, প্রতীক পেয়েই প্রার্থীরা প্রচারে যেতে পারবেন। তবে ভোটগ্রহণ শুরুর ৩২ ঘণ্টা পূর্বে সব ধরনের প্রচার বন্ধ করতে হবে। ভোটগ্রহণ শুরু হবে আগামী ২৫ মে সকাল ৮টায়। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীরা ৯ মে থেকে ২৩ মে মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত প্রচারের সময় পাচ্ছেন। অর্থাৎ ১৫ দিন সময় পাচ্ছেন তারা।
এ নির্বাচনে মেয়র পদে ১২ জন, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ৮২ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৯০ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এদের মধ্যে মনোনয়নপত্র বাছাই এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর মোট প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন মেয়র পদে ৮ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৩৯ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৭৭ জন।
মন্তব্য করুন


বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ফার্স্ট
লেডি জিল বাইডেন।
রোববার (১৪ এপ্রিল) রাত ১২টার পর সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক বার্তায় এই শুভেচ্ছা
জানান তারা।
টুইটে বাইডেন লেখেন, বৈশাখী, নবরাত্রি, সংক্রান এবং এই সপ্তাহে আসন্ন নববর্ষ
উদযাপনে সারা বিশ্বে জড়ো হওয়া সবাইকে জিল ও আমি শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমরা আপনাদের
আনন্দ কামনা করছি।
সবশেষে তিনি লেখেন, শুভ বাংলা, খেমার, লাও, মায়ানমারিজ, নেপালি, সিংহলি, তামিল,
থাই ও বিষু নববর্ষ।
মন্তব্য করুন


লিটারে ৫ টাকা কমানোর সিদ্ধান্তে নেওয়া হয়েছে সয়াবিন তেলের দাম। পাম তেলের দাম কেজিতে ৪ টাকা কমবে।
এ তথ্য জানায়, বাণিজ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা টিপু মুনশি।
১৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় কৃষি পণ্যের উৎপাদন, চাহিদা ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় বাণিজ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা টিপু মুনশি এ তথ্য জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা টিপু মুনশি বলেন, খোলা সয়াবিন তেল ১৫৪ টাকা থেকে ১৪৯ টাকা, বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৭৪ টাকা থেকে ৫ টাকা কমিয়ে ১৬৯ টাকা এবং পাম তেল ১২৮ টাকা থেকে ১২৪ টাকা প্রতি লিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। এ দাম কর্যকর করা হবে দুয়েকদিনের মধ্যেই।
মন্তব্য করুন


দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে বরিশাল থেকে ভারতে পাঠানো শুরু হচ্ছে ইলিশ মাছ। রপ্তানিকারী প্রতিষ্ঠান মাহিমা এন্টারপ্রাইজের মালিক নিরব হোসেন টুটুল জানিয়েছেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি পাওয়ার পর বুধবার দিবাগত রাতেই প্রথম চালান পাঠানো হচ্ছে।
বরিশাল মৎস্য আড়তদার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক টুটুল বলেন, বরিশাল থেকে ৫ টি প্রতিষ্ঠান ভারতে ইলিশ পাঠানোর অনুমতি পেয়েছে। এ প্রতিষ্ঠনগুলো হলো: তানিশা এন্টারপ্রাইজ, মাহিমা এন্টারপ্রাইজ, এআর এন্টারপ্রাইজ ও সী গোল্ড এন্টারপ্রাইজ, মাসফি এন্টারপ্রাইজ।
প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান ইলিশ মাছ পাঠানোর অনুমতি পেয়েছে ৫০ টন করে। অনুমতি পেয়ে এ বছর প্রথম চালান রাতে বরিশাল নগরের পোর্ট রোড মোকাম থেকে রওনা হবে। প্রথম চালানে যাবে ১৯ টন ইলিশ মাছ। ওই মাছ রপতানি করবে মাহিমা ও তানিশা এন্টারপ্রাইজ। বেনাপোলের সিমান্ত দিয়ে ভারত যাবে বলে জানিয়েছেন বরিশাল মৎস্য আড়তদার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক টুটুল।
ভারতে ইলিশ রফতানী করার অনুমতি পাওয়া দেশের বাজারের জন্য ইতিবাচক জানিয়ে পোর্ট রোডের আড়তদার জহির সিকদার বলেন, এতে চোরাই পথে ইলিশ পাচার বন্ধ হয়ে যাবে। তখন স্থানীয় বাজারে ইলিশ বেশি থাকবে।
প্রতিনিয়ত যশোর, সাতক্ষীরা ও আগরতা হয়ে ভারতে বিপুল পরিমান ইলিশ চোরাই পথে পাচার হয় বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে চারজন সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানসহ গুরুত্বপূর্ণ ৪৭টি বৈঠক করেছেন। এসব বৈঠকে রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধান, পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা, বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণ, দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারসহ বিভিন্ন স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয় প্রাধান্য পায়। সবকিছু মিলিয়ে সাফল্যের বিচারে প্রধান উপদেষ্টার দাভোস সফর বাংলাদেশের জন্য ঐতিহাসিক অর্জন বলে অভিহিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
রোববার রাজধানীর হেয়ার রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সুইজারল্যান্ডের দাভোস সফরের বিষয়ে আয়োজিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে গত ২১ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত দাভোস সফর করেন প্রধান উপদেষ্টা। গতকাল তিনি দেশে ফেরেন।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, অধ্যাপক ইউনূস যেসব বৈঠক করেছেন- সেখানে তিনি রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি আরও জানান, আগামী সেপ্টেম্বরে রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে বাংলাদেশ আর্ন্তজাতিক সম্মেলন করবে। এই সম্মেলন আয়োজনে জাতিসংঘ সহায়তা করবে এবং সম্মেলনে ১৭০টি দেশ অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশে এখনও মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। ২০২৪ সালেও ৭০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে।
এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির রিপোর্টে এসেছে ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে। এসব অর্থ বাংলাদেশের খেটে খাওয়া মানুষের। ফলে এই টাকা ফিরিয়ে আনতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এবারের সফরে বিশ্বনেতা, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং বিশ্বব্যাংকসহ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলোতে এই বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনা বৈশ্বিকভাবে একটা ধীরগতির পদ্ধতি। তবে এটার জন্য যত দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার, অন্তর্বর্তী সরকার সব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাস্কফোর্স করে দেওয়া হয়েছে। সম্পদ পুনরুদ্ধার কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের ১১টি টিম কাজ করছে। আমরা বিশ্বের বড় বড় এজেন্সির সঙ্গে কথা বলছি। এরমধ্যে কেপিএমজি অন্যতম। তাদের পরামর্শ নিচ্ছি। শফিকুল আলম বলেন, ‘পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
অধ্যাপক ইউনূসের বরাত দিয়ে শফিকুল আলম জানান, দাভোসে যেসব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে, তারা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। এসব বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশের ব্যাপারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ধারণা দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করেছেন। তাদের সবার কাছে আহ্বান ছিল, ‘আপনারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ান।’এক্ষেত্রে বাংলাদেশের তারুণ্য ও যুবশক্তির সুবিধা নিতে বিভিন্ন দেশকে আহ্বান জানানো হয়।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম আরও বলেন, এ ধরনের সম্মেলনে যে অগ্রগতি হয়, তা হলো পারস্পারিক আস্থা বৃদ্ধি। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতি বৈশ্বিক পর্যায়ের ব্যবসায়ী নেতা এবং বড় বিনিয়োগকারীদের আস্থা বেড়েছে। এছাড়াও এই সফরে কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।
সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনের ফাঁকে প্রধান উপদেষ্টা যেসব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে বৈঠক করেছেন- এর মধ্যে অন্যতম জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাপ শোলৎজ, ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ষ্টাব, বেলজিয়ামের রাজা ফিলিপ, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা।
মন্তব্য করুন


শাহানাজ পারভিন চৌধুরী
পরিচালক, ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ
আজ ২১ মার্চ। বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবস।পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ও ভালোবাসার একটি শব্দ হচ্ছে মা। মায়ের কাছে একটি সন্তান যেমন তার জগৎ তেমনি সন্তানের কাছে তার মা-ই সব। আর এজন্য মা এবং সন্তানের মধ্যকার সম্পর্কটি সবচেয়ে মধুর ও মমতাময়। একটি সন্তান যখন ঠিক মতো খেতে পারে না কথা বলতে পারে না এমন কি নিজের কাজ নিজেও করতে পারে না তখন তাকে আগলে রাখেন মা। তার পরম মমতার চাদরের উষ্ণতায় তাকে বড় করে তোলে। সন্তানের সব আবদার মা হাসি মুখে মেনে নেয়। সেই ভালোবাসা মাখা মা ডাক মায়ের কাছে যেন মধুর থেকেও মধুর হয়ে যায়। এই ভাবেই মায়ের সাথে সন্তানের সম্পর্ক সুন্দর আর ভালোবাসা পূর্ণ হয়ে ওঠে। ডাউন সিনড্রোম শিশুরা সময়ের সাথে সাথে বয়সে বড় হলেও তাদের হৃদয় থাকে শিশুদের মতো কোমল। ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিরা মা-বাবা,আত্মীয়-স্বজন,প্রতিবেশী সকলের কাছ থেকে সব সময় শুধু একটা জিনিস ই চায় আর তা হলো - ভালোবাসা ।
প্রতি বছরের মতো ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ- দেশব্যাপী ডাউন সিনড্রোম কমিউনিটিকে সঙ্গে নিয়ে যথাযথ মর্যাদায় এ বিশেষ দিবসটি উদযাপন করছে। এ বছর জাতীয়ভাবে ১১তম ও আন্তর্জাতিকভাবে ১৯তম বারের মতো বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবসটি পালিত হচ্ছে। ২০১২ সাল থেকে জাতিসংঘ সারাবিশ্বে বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবসটি উদযাপন করে আসছে। এরই মাধ্যমে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিরা সমাজে তাদের অধিকার ফিরে পাওয়ার মাধ্যমে একীভূত সমাজ গঠনে কার্যকরী অবদান রাখবে বলে আশা রাখি।
ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমাকে প্রায়শই মায়েদের কাছ থেকে একটি প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। তা হলো- ‘আপা, আমি আমার ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর যত্ন কিভাবে করবো? এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমার আজকে এই প্রবন্ধটি লেখা। যাতে করে মায়েরা তাদের শিশুকে সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে পারেন।
ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর যত্নে পিতামাতার ভূমিকা মুখ্য। কারণ শিশু স্বাভাবিকভাবেই পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের তুলনায় বাবা-মার সাথেই বেশি সময় অতিবাহিত করে থাকে।
আমি আমার সন্তান রাফানকে যেভাবে গড়ে তুলেছি তাই আজকে আমি আপনাদের কাছে তুলে ধরবো। নিম্নে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুকে বাবা-মা কিভাবে লালনপালন করবে তার একটি বয়সভিত্তিক সার্বিক চিত্র উপস্থাপন করা হলো। উপস্থাপনাটি কোন গবেষণা বা প্রমিত মানদন্ডের ভিত্তিতে প্রণীত হয়নি। তাই এটি স্থান, কাল, পাত্রভেদে পরিবর্তিত হতে পারে।
৬-১২ সপ্তাহ
কিছুর প্রয়োজন হলে কান্না করা, শিশুর মাথা স্থির রাখা ও কোন জিনিসের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা এই বয়সে শিশুর স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। কিন্তু ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের বিকাশ অন্যদের থেকে তুলনামূলক দেরিতে হওয়ায় মা-বাবাকে অল্প বয়স থেকেই ঘাড়, মেরুদণ্ড, শরীরের পেশীসমূহে দিনে দুইবার করে ম্যাসাজ করতে হবে। শিশুর সামনে ঝুনঝুনি বা হালকা রকমারি আলোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে, যাতে করে তার দৃষ্টির স্থিরতা আসে।
৩ মাস
বিভিন্ন ধরণের কু-ধ্বনি উচ্চারণ করা, মাকে চিনতে পারা, তার গলার আওয়াজ শুনে খোঁজা ও কিছুক্ষণ মাথা সোজা রাখা এই বয়সে সাধারণ শিশুদের বৈশিষ্ট্য। সেক্ষেত্রে মা শিশুকে কোলে নিয়ে আধবোলে কথা বলা, তালি বা শব্দের মাধ্যমে দৃষ্টি আকর্ষণ করা ও নিয়মিত পেশীর ম্যাসাজ- এই বয়সে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের ক্ষেত্রে নিয়মিত করতে হবে।
৬ মাস
আধবুলি (বা…বা, দাদা….দা, মা…মা, মা…ম) করা, আশেপাশের শব্দে মাথা ঘোরানো, ঠেকা দিয়ে অল্প সময়ের জন্য বসা, চিত ও উপুড় হতে পারা এই সময়ের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। এই সময়ে বাবা-মা শিশুকে নরম বালিশে শোয়ানো ও নরম কিছু দিয়ে ঠেকা দেওয়ার মাধ্যমে বসানোর চেষ্টা করতে পারে।
৯ মাস
কিছু না ধরে বসা ও হামাগুড়ি দেওয়া এই বয়সে শিশুর মধ্যে না দেখলে বাবা-মা শিশুর চারপাশে বালিশ দিয়ে বসানোর চেষ্টা করবে এবং নিয়মিত পেশীর ম্যাসাজ করাবে।
১২ মাস
সব শেষ/আরো দাও বলতে পারে, দাঁড়ানোর চেষ্টা করা এবং আসবাবপত্র ধরে হাঁটা এই বয়স থেকেই একজন সাধারণ শিশু শুরু করে। কিন্তু এই বৈশিষ্ট্যগুলো একজন ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর মধ্যে না দেখা দিলে শিশুকে একটি ওয়াকার কিনে দিতে হবে এবং সাথে সাথে পেশীর ব্যায়ামগুলো চলমান রাখতে হবে।
১৮ মাস
কুকুরকে কুকুল, দুই শব্দে কথা বলা, গ্লাস ধরে পানি পান করা এবং হাঁটা এ বয়সের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। কিন্তু ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর বিকাশ ধীরে হয়। তাই বাবা-মা শিশু কিছু না ধরতে পারলে শিশুর আঙ্গুল ও কব্জির সংযোগস্থলে নিয়মিত দুইবেলা ম্যাসাজ করবে এবং ওয়াকারের মাধ্যমে হাঁটানোর চেষ্টা করাতে হবে। এই বয়সেও সে এক শব্দের কথা না বললে, মা শিশুকে নিয়ে আয়নার সামনে বসে ধীর লয়ে কথা বলানোর চেষ্টা করবে।
২ বছর
সীমিত বহুবচনের ব্যবহার, কি/কোথায় জাতীয় প্রশ্ন ও এ জাতীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, দৌঁড়াতে পারা, কিছু চাওয়া, পায়জামা ধরণের জামাকাপড় খুলে ফেলা এই বৈশিষ্ট্যগুলো দুই বছর বয়সে স্বাভাবিক। অন্যথায় বাবা-মা শিশুকে কোন কিছুতে দড়ি বেঁধে দিয়ে বা আসবাবপত্র ধরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করাতে হবে এবং ধীরেধীরে হাঁটানোর চেষ্টা করাতে হবে।
৩ বছর
প্রায় ৮০০০ শব্দ বলতে পারে, স্মৃতি হতে ৫ পর্যন্ত সংখ্যা, মৌলিক রংয়ের নাম, ক্রিয়ার অতীতকালের রূপ, তিন শব্দ বিশিষ্ট বাক্য যেমন, আমি ভাত খাই, বাবা কই যাও?, হাত তুলে কাঁধের উপর থেকে কিছু ছোঁড়া, কিছু সরিয়ে রাখা এই বয়সের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হলেও ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের ক্ষেত্রে তিন বছর বয়সে এই বৈশিষ্ট্যগুলো নাও পরিলক্ষিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাবা-মা পরিচিত জিনিসপত্রের নাম বলা, শিশু যে শব্দগুলো বলে তা পুনরাবৃত্তি করা, বিভিন্ন রংয়ের সাথে পরিচয় করানোর চেষ্টা করতে হবে।
৪ বছর
নিজের নাম ও বয়স বলা, বস্তুর ব্যবহার সম্পর্কে জানা, সাইকেলে প্যাডেলিং করা, বই বা ম্যাগাজিন দেখে ছবির নাম বলা এই বয়সে শিশুদের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। সেক্ষেত্রে বাবা-মা উক্ত ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু যদি এগুলো না করতে পারে তাহলে তাকে নিয়মিত বিভিন্ন রঙিন বই বা ছবিযুক্ত ম্যাগাজিন নিয়ে নিয়ম করে সকাল ও সন্ধ্যা দুইবেলা পড়ার টেবিলে বসাতে হবে। এর মাধ্যমে শিশুর যেমন বসার অভ্যাস তৈরি হবে তেমনি সে পড়ালেখার প্রতিও আগ্রহী হবে। এছাড়া বাংলা ও ইংরেজি বর্ণমালা শিশুকে লিখানোর চেষ্টা করাতে হবে এবং ধীরে ধীরে তাকে প্রি-স্কুলিংয়ের জন্য প্রস্তুত করতে হবে।
৫ বছর
১৫০০-২০০০ শব্দ বলতে পারা, শব্দের অনিয়মিত বহুবচনের ব্যবহার, বিভিন্ন জটিল বাক্য যেমন, আমরা নানা বাড়িতে এত সুন্দর ঘুরেছি যে খুব মজা হয়েছিলো, জামাকাপড়ের বোতাম লাগানো, কয়েকটি রংয়ের নাম বলা, সিঁড়ি দিয়ে নামতে পারা, পা ফাঁকা করে লাফানো পাঁচ বছর বয়সী শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের ধাপ।
মন্তব্য করুন


আজ (১৪ নভেম্বর ২০২৪) জাহানাবাদ সেনানিবাসস্থ এএসসি সেন্টার এন্ড স্কুল এ আর্মি সার্ভিস কোরের ৪৩তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি। সেনাবাহিনী প্রধান এএসসি সেন্টার এন্ড স্কুল এ পৌছালে তাকে এএসসি কোরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অভ্যর্থনা জানান।
সেনাবাহিনী প্রধান বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে উপস্থিত এএসসি কোরের অধিনায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন এবং এ কোরের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। একই সাথে তিনি স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী এএসসি কোরের বীর সেনানীসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। সেনাবাহিনী প্রধান এএসসি কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় এই কোরের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে এএসসি কোরের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং কোরের প্রতিটি সদস্যকে অভিনন্দন জানান। এছাড়াও, তিনি আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সদা প্রস্তুত থাকতে এই কোরের সকল সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান।
উক্ত অনুষ্ঠানে সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ, সদর দপ্তর আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড এর কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল এএসসি ইউনিটসমূহের অধিনায়কগণ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আরব নিউজ জানিয়েছে, রোববার চাঁদ দেখা গেছে বলে সোমবার থেকে জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে সৌদি আরবে। সেই অনুযায়ী, আগামী ২৭ জুন আরাফাতের ময়দানে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা হবে। আর পরদিন কোরবানির মধ্য দিয়ে ঈদুল আজহা উদযাপন হবে।
বিশ্বের প্রায় ২৫ লাখ মানুষ হজ পালনে সৌদি আরব জড়ে হচ্ছেন। বাংলাদেশ থেকে ১ লাখের বেশি মানুষ যাচ্ছেন হজ পালনে।
বাংলাদেশে চাঁদ দেখা কমিটির সোমবারের বৈঠকে ঈদের দিনের ঘোষণা আসবে।
মন্তব্য করুন


সাতক্ষীরার শ্যামনগরে শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলা নুরনগর ও কৈখালী এলাকা থেকে অস্ত্র-মাদকসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শ্যুটারগান, ৩০টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও ২০০ গ্রাম গাঁজা করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো: উপজেলার নুরনগর ইউনিয়নের উত্তর হাজীপুর এলাকার মো. গফফার গাজীর ছেলে লিটন হোসেন (২৮), একই ইউনিয়নের রামজীবনপুর গ্রামের মো. রজব আলীর ছেলে আল-আমিন (২২), হাবিবপুর গ্রামের মো. রুহুল আমিন গাজীর ছেলে আমিনুর রহমান (১৯) ও এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি কৈখালী ইউনিয়নের শৈলখালী গ্রামের মোসলেম সরদারের ছেলে আনিছুর রহমান।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ ওই ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরপূর্বক আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


শপথ
নিয়েছেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত মেয়র তাহসিন বাহার সূচনা এবং ময়মনসিংহ
সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত মেয়র একরামুল হক টিটু।
একই
অনুষ্ঠানে শপথ গ্রহণ করেন কুড়িগ্রাম, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জ
জেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরগণ।
বৃহস্পতিবার
(এপ্রিল ০৪) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শপথ গ্রহণ করেন তারা।
দুই
সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত মেয়র এবং জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের শপথ বাক্য পাঠ করান
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
কুড়িগ্রাম
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ওবায়দুর রহমান, ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ,
সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম তালুকদার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
বিল্লাল মিয়া এবং হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলেয়া আক্তার।
পরে
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন
ও সমবায় মন্ত্রী মো: তাজুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে চার দিনব্যাপী সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
১৭ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত চারদিনের সম্মেলনে দুই দেশ সীমান্ত হত্যার ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনাসহ বেশ কিছু বিষয়ে একমত হয়।
বিজিবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করে। অপর দিকে বিএসএফের মহাপরিচালক দলজিৎ সিং চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিহতের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশসহ হত্যার ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএসএফ মহাপরিচালকের প্রতি জোর আহ্বান জানান। এ ছাড়া আঙ্গরপোতা-দহগ্রাম সীমান্তের শূন্যরেখায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের বিষয়টি তুলে ধরে সীমান্তে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করার বিষয়ে বিএসএফ মহাপরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
সম্মেলনে যেসব বিষয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ একমত হয়েছে, সেগুলো হলো—
১. সীমান্তে নিরস্ত্র নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো, হত্যা, আহত বা মারধরের ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যৌথ টহল বৃদ্ধি, উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী উপকৃত হবে, এমন তাৎক্ষণিক এবং আগাম গোয়েন্দা তথ্য একে অপরের মধ্যে আদান-প্রদান, সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত জনসাধারণের মধ্যে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ, বিভিন্ন ধরনের আর্থসামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণ এবং সীমান্তে যেকোনো হত্যা সংঘটিত হলে তার যথাযথ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২. আলোচনায় সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কোনো স্থাপনা, কাঁটাতারের বেড়া, প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত হয়, এমন কোনো স্থাপনা বা বাংকার নির্মাণের ক্ষেত্রে উভয় দেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ পরিদর্শক দলের পরিদর্শন এবং যৌথ আলোচনার দলিলের ভিত্তিতে নির্মাণের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ ছাড়া সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে বন্ধ থাকা অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজের ব্যাপারে যথোপযুক্ত পর্যায়ে জয়েন্ট ভেরিফিকেশনের (যৌথ যাচাই) মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করা হবে।
৩. বিভিন্ন ধরনের আন্তসীমান্ত অপরাধ দমন, বিশেষ করে ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ও গবাদিপশু পাচার রোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মানব পাচার, স্বর্ণ, অস্ত্র, জাল মুদ্রার নোট প্রভৃতি চোরাচালান রোধ এবং এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সম্পর্কে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান করা হবে।
৪. আন্তর্জাতিক সীমানা আইন লঙ্ঘন করে উভয় দেশের নাগরিক ও বাহিনীর সদস্যদের অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের ফলে সৃষ্ট ভুল–বোঝাবুঝি ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সীমান্তে উভয় বাহিনীর নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি দুই দেশের সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করা থেকে বিরত রাখতে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
৫. মানব পাচার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, বিশেষ করে মানব পাচারের মতো অমানবিক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত উভয় দেশের অপরাধী বা দালালচক্রের কার্যক্রম প্রতিরোধে পরস্পরকে সহায়তা এবং মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট দেশের প্রচলিত দেশের আইন অনুযায়ী উদ্ধার ও পুনর্বাসন করা হবে।
৬. উভয় পক্ষ ‘সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার’ আওতায় পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির জন্য গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে উভয় বাহিনীর পারস্পরিক সহযোগিতার প্রশংসা করেন। উভয় পক্ষ আগামী দিনে যৌথ খেলাধুলা, জয়েন্ট রিট্রিট সেরিমনিসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে।
৭.
এ ছাড়া আগরতলা থেকে আখাউড়ার দিকে প্রবাহিত সীমান্তবর্তী চারটি খালের বর্জ্য পানি অপসারণে
উপযুক্ত পানি শোধনাগার স্থাপন, জকিগঞ্জের কুশিয়ারা নদীর সঙ্গে রহিমপুর খালের মুখ উন্মুক্তকরণ,
আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সম্ভাব্য অবস্থান এবং তাদের কর্মকাণ্ড
সম্পর্কে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
মন্তব্য করুন