

ডেস্ক রিপোর্ট:
রাষ্ট্রপতির অপসারণের প্রশ্নে সিদ্ধান্ত নিতে রাজনৈতিক ঐকমত্যের প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
রবিবার সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, এখানে আমাদের তাড়াহুড়ো করার সুযোগ নেই আবার অনেক বেশি দেরিও করা ঠিক হবে না। রাজনৈতিক ঐক্যমত্য তৈরির প্রচেষ্টা চলছে, সেখান পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "রাষ্ট্রপতির পদচ্যুতির বিষয়ে গোপনীয় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। যখন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা প্রকাশ্যে নেওয়া হবে। রাজনৈতিক ঐকমত্য যত তাড়াতাড়ি হবে, তার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত আসবে।"
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান উল্লেখ করেন, "বিএনপি বলছে যে তারা রাজনৈতিক সংকট দেখছে, আবার বিএনপির কিছু নেতারা বলছেন, তারা সেই সংকট দেখছেন না। যারা রাষ্ট্রপতির অপসারণ চাচ্ছেন এবং যারা মনে করছেন এটা হলে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হবে—তাদের মধ্যেই ঐক্যের চেষ্টা চলছে।"
তিনি বলেন, "এখন কোনো সিদ্ধান্ত হবে কি না বা রাজনৈতিক ঐক্যের ফলে সিদ্ধান্ত কী হবে, তা বলা সম্ভব নয়। কারণ রাজনৈতিক ঐক্য কোন দিকে যাবে এবং মতামত কোন দিকে বেশি যাবে, তা পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন।"
মন্তব্য করুন


সরকারি উদ্যোগে সবজিসহ কৃষিপণ্য খোলা বাজারে বিক্রি বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) রাজধানীর সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, "এই কার্যক্রমে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বিশেষ কোনো প্রভাব পড়ছে না। তাই এটি আর চালু রাখা হবে না।"
গত অক্টোবরে রাজধানীতে পাইলট প্রকল্প হিসেবে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ভর্তুকি মূল্যে সবজিসহ কৃষিপণ্য বিক্রি শুরু হয়। প্রতিদিন ঢাকার ২০টি এলাকায় এসব পণ্য সরবরাহ করা হতো। সরকারের কৃষি বিপণন অধিদপ্তর এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছিল।
এই প্রকল্পের আওতায় ৬৫০ টাকার প্যাকেজে ১০টি পণ্য সরবরাহ করা হতো। পণ্যগুলোর মধ্যে ছিল ডিম এক ডজন, আলু এক কেজি, পেঁয়াজ এক কেজি, পেঁপে এক কেজি, কুমড়ার এক টুকরো, করলা এক কেজি, পটল এক কেজি, লাউ একটি, কচুরমুখি এক কেজি এবং কাঁচা মরিচ এক কেজি।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
রাষ্ট্রপতির অপসারণের প্রশ্নে সিদ্ধান্ত নিতে রাজনৈতিক ঐকমত্যের প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
রবিবার সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, এখানে আমাদের তাড়াহুড়ো করার সুযোগ নেই আবার অনেক বেশি দেরিও করা ঠিক হবে না। রাজনৈতিক ঐক্যমত্য তৈরির প্রচেষ্টা চলছে, সেখান পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "রাষ্ট্রপতির পদচ্যুতির বিষয়ে গোপনীয় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। যখন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা প্রকাশ্যে নেওয়া হবে। রাজনৈতিক ঐকমত্য যত তাড়াতাড়ি হবে, তার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত আসবে।"
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান উল্লেখ করেন, "বিএনপি বলছে যে তারা রাজনৈতিক সংকট দেখছে, আবার বিএনপির কিছু নেতারা বলছেন, তারা সেই সংকট দেখছেন না। যারা রাষ্ট্রপতির অপসারণ চাচ্ছেন এবং যারা মনে করছেন এটা হলে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হবে—তাদের মধ্যেই ঐক্যের চেষ্টা চলছে।"
তিনি বলেন, "এখন কোনো সিদ্ধান্ত হবে কি না বা রাজনৈতিক ঐক্যের ফলে সিদ্ধান্ত কী হবে, তা বলা সম্ভব নয়। কারণ রাজনৈতিক ঐক্য কোন দিকে যাবে এবং মতামত কোন দিকে বেশি যাবে, তা পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন।"
মন্তব্য করুন


সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তদুর্ধ্ব সমপদমর্যাদার কমিশন্ড কর্মকর্তাদের (কোস্টগার্ড ও বিজিবিতে প্রেষণে নিয়োজিত সমপদমর্যাদার কর্মকর্তাগণসহ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা আরো সাড়ে চার মাস বাড়িয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ নভেম্বর থেকে আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারা সারা দেশে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর সারা দেশে মোতায়েন করা সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দুই মাস বা ৬০ দিনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল।
পরবর্তী সময়ে এই মেয়াদ একাধিকবার বাড়ানো হয়।
মন্তব্য করুন


এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসি সচিবালয় প্রঙ্গণে মনোনয়ন বাতিল ও গ্রহণের বিরুদ্ধে চলমান চতুর্থ দিনের আপিল আবেদনের বুথ পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, যারা মনোনয়নের বৈধতা বা বাতিলের বিরুদ্ধে আবেদন করছেন, আইনি ভিত্তিতে তার সমাধান করা হবে।
নির্বাচন কমিশন ইনসাফে বিশ্বাসী উল্লেখ করে সিইসি বলেন, সবাই ন্যায়বিচার পাবেন। এছাড়া লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করবে কমিশন।
সিইসি আরো আশ্বস্ত করেন যে, আপিল শুনানির পুরো প্রক্রিয়া অত্যন্ত স্বচ্ছ হবে এবং প্রতিটি আবেদন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে আইনি সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।
এদিকে, আজ সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আপিল করতে ইসিতে আসছেন আবেদনকারীরা। ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত আপিল চলবে। আপিল আবেদনের শুনানি আগামী ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে (বেজমেন্ট-২) অনুষ্ঠিত হতে পারে।
এর আগে গত তিন দিনে আপিল আবেদন জমা পড়েছে ২৯৫টি। এর মধ্যে বুধবার ১৩১টি, মঙ্গলবার ১২২টি এবং সোমবার প্রথম দিনে ৪১টি আপিল দায়ের করা হয়।
গত ৪ জানুয়ারি বাছাইয়ের শেষ দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ নির্বাচনী এলাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোট ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাজ্যের লন্ডন হিথরো, ব্রাসেলস ও বার্লিনসহ ইউরোপের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক সাইবার হামলার প্রেক্ষিতে দেশের সব আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। সংস্থাটি সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করে সব বিমানবন্দরে পাঠিয়েছে ১০টি বিশেষ নির্দেশনা।
বেবিচকের সদস্য (পরিকল্পনা ও পরিচালনা) এয়ার কমোডর আবু সাঈদ মেহবুব খানের সই করা নির্দেশনাপত্রটি দেশের সব বিমানবন্দরের প্রধান এবং বেবিচকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
বিশেষ ১০ নির্দেশনা-
১. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে পাসওয়ার্ড পুনরায় ব্যবহার থেকে বিরত থাকা এবং পাসওয়ার্ড নিয়মিত পরিবর্তন করা।
২. অপরিচিত বা সন্দেহজনক ইমেইল ও লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকা।
৩. হোয়াটসআপ, মেসেঞ্জারসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবাঞ্ছিত বা সন্দেহজনক লিংক কিংবা অ্যাটাচমেন্টে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকা।
৪. সফটওয়্যার (সিকিউরিটি প্যাচ) ও অ্যান্টিভাইরাস নিয়মিত আপডেট রাখা।
৫. পাইরেটেড বা ক্র্যাকড সফটওয়্যার ব্যবহার না করা।
৬. অফিসিয়াল ডিভাইসে ব্যক্তিগত সফটওয়্যার বা অ্যাপস ইনস্টল না করা।
৭. মাল্টি ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (এমএফএ) ব্যবহার করা।
৮. দাপ্তরিক কাজে বেবিচক এর ইমেইল অ্যাড্রেস (caab.gov.bd ডোমেইন) ব্যবহার করা।
৯. গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্তের নিয়মিত ব্যাকআপ রাখা।
১০. পেনড্রাইভ স্ক্যান ব্যতিরেকে ব্যবহার না করা।
বেবিচক সূত্র জানায়, গত মাসে কুর্মিটোলায় বেবিচকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সাইবার হামলার ঝুঁকি ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ওই বৈঠকে লন্ডনের কিছু বিমানবন্দরে হামলার পর সেখানে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করতে হয়েছিল বলে অবহিত করা হয়।
সেই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশেও আগাম সতর্কতা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী সম্প্রতি দেশের সব বিমানবন্দরে সাইবার সিকিউরিটি সংক্রান্তে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়।
মন্তব্য করুন


দেশে অতি দ্রুত যৌথ অভিযান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, মেসেজ ক্লিয়ার, কাউকে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করতে দেওয়া হবে না।
রোববার নির্বাচন ভবন মিলনায়তনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, যারা দস্যুতা করতে চায়, যারা আমার ভাইকে হত্যা করতে চায়, যারা ভোটে বিশৃঙ্খলা করতে চায়, তাদের প্রতি মানবিক হবো না। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হবে। যারা আবেগ ব্যবহার করে অপকর্ম করেছে, তার প্রতিদান তারা পাবেন।
এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ ক্ষতি করে এমন বিষয়কে বাধা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন কমিশন। এখন থেকে মাঠপর্যায়ে যৌথবাহিনীর অভিযান চালু হবে। তারা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, আটক শুরু করবে। পুলিশের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে শতাধিক সুপারিশ রয়েছে এবং সেগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী। মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলোচনাকালে তিনি এ তথ্য জানান।
কমিশনের চেয়ারম্যান আরও জানান, আগামীকাল বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।
কমিশন প্রধান বলেন, ‘আমাদের রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল গত মাসে, কিন্তু আমরা আমাদের কাজের কারণে পারিনি। কারণ, আমরা মাঠে গিয়েছি, লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় গিয়ে কথা বলেছি, অনলাইনে আমরা মতামত নিয়েছি। এগুলোর ভিত্তিতে আজ প্রতিবেদন চূড়ান্ত করে স্বাক্ষর করবো। কাল (বুধবার) দুপুর সাড়ে ১২টায় আমরা প্রধান উপদেষ্টার অফিসে যাবো এবং তার কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করবো। একই সঙ্গে কাল আইন কমিশনও তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে।’
প্রতিবেদনে ১০০টির বেশি সুপারিশ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখন এর বাইরে আমি কিছু জানাতে পারবো না।’
এ সময় পাশে থাকা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর সেটি হবে পাবলিক ডকুমেন্ট। ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে, সবাই জানবেন। জমা দেওয়ার পরে সবাই জানুক এতে ভুল বোঝাবুঝির অসুবিধা থাকে না।’
এরপর কমিশন প্রধানসহ সদস্যরা প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করেন। স্বাক্ষর শেষে বের হওয়ার সময় মুয়ীদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যে সুপারিশ করেছি সেগুলো সবই বাস্তবায়ন করা সম্ভব। অসম্ভব কিছু হলে তো সেগুলো সুপারিশ করতাম না। সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন সম্ভব হবে কি না সেটা তো এখন সরকার বুঝবে।’
গত ৩ অক্টোবর ৮ সদস্যের জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়। এ কমিশনের প্রধান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী। পরে কমিশনের সদস্য সংখ্যা আরও তিনজন বাড়ানো হয়। জনমুখী, জবাবদিহিমূলক, দক্ষ ও নিরপেক্ষ জনপ্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এ কমিশন গঠন করা হয়।
৯০ দিনের (৩ মাস) মধ্যে প্রস্তুত করা প্রতিবেদন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করতে বলা হয়। এরপর তিন দফা বাড়িয়ে কমিশনের মেয়াদ ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু কাজ শেষ হয়ে যাওয়ায় আগেই প্রতিবেদন জমা দিচ্ছে কমিশন।
কমিশনে সদস্য হিসেবে রয়েছেন- সাবেক সচিব মোহাম্মদ তারেক এবং মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. হাফিজুর রহমান, সাবেক যুগ্ম-সচিব রিজওয়ান খায়ের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম ফিরোজ আহমেদ, অবসরপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য ক্যাডারের কর্মকর্তা অধ্যাপক ডা. সৈয়দা শাহীনা সোবহান, নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ, শুল্ক ও আবগারি ক্যাডারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ আমিনুর রহমান এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেহেদী হাসান।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। রোববার সুশীল সমাজের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সংলাপে এমনটা জানান তিনি।
সিইসি বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতিতে এগিয়ে গেছে কমিশন। দেশে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, দেশে যারা নির্বাচনের কাজে থাকেন তারা ভোট দিতে পারেন না। এবার সবার ভোটের ব্যবস্থা করা হবে। এটি একটি মাইলফলক।
তিনি বলেন, বর্তমান কমিশন দায়িত্ব নেয়ার পর আরপিও সংশোধনসহ বিভিন্ন কাজ করেছে। পোস্টাল ব্যালট আইনে থাকলেও প্রয়োগ ছিল না, এটি নিয়েও কাজ করছে ইসি।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান প্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেনি, তবে এর ব্যবহার নিরুৎসাহিত করছে, যাতে দেশীয় উদ্যোক্তারা বিকল্প পণ্য তৈরি করতে পারে।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ‘নীতি থেকে বাস্তবায়ন: বাংলাদেশে প্লাস্টিক দূষণ ও সামুদ্রিক আবর্জনা মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপ’ শীর্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘যতদিন না একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা যায়, ততদিন ধাপে ধাপে এর ব্যবহার কমিয়ে আনা প্রয়োজন।’ তিনি আরও বলেন, সরকার সব ধরনের একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করেছে—এ ধরনের গুজবকে তিনি ‘ভিত্তিহীন মিথ্যা’ বলে আখ্যায়িত করেন।
প্লাস্টিক দূষণের ভয়াবহতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘প্লাস্টিক বর্জ্য কখনও সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয় না, বরং এটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়, যা মাছের মাধ্যমে আমাদের খাদ্য শৃঙ্খলে প্রবেশ করে। এটি এমন একটি সমস্যা যেখানে ব্যক্তি, সরকার ও ব্যবসায়ী—সবারই দায়িত্ব রয়েছে।’
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, বাংলাদেশে বেশিরভাগ একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের সহজলভ্য বিকল্প রয়েছে। তাই ব্যবসায়ীদের আরও দৃঢ় প্রতিশ্রুতি নেওয়া প্রয়োজন।
পুরান ঢাকার অনিয়ন্ত্রিত প্লাস্টিক কারখানাগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ কর্মপরিবেশের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এগুলো ধাপে ধাপে বন্ধ করার পরিকল্পনা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘একটি সমন্বিত পরিকল্পনা দরকার। শুধু নিষিদ্ধকরণই সমাধান নয়, বরং ধাপে ধাপে ব্যবহার বন্ধ করা, পুনর্ব্যবহার ও পুনর্ব্যবস্থাপনা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি আরও জানান, ফিনল্যান্ড সরকার অত্যাধুনিক পুনর্ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র স্থাপনে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে আগ্রহী। শিগগিরই তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
ব্যবসায়ীদের ২০৩০ সালের আগেই একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে একটি সময়সীমা নির্ধারণ করে কর্মপরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন।
পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অবৈধ পলিথিন কারখানা বন্ধ করতে গিয়ে হামলার শিকার হওয়ার ঘটনায় তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘নিয়মকানুন মেনে চলার ক্ষেত্রে প্রতিরোধ অগ্রহণযোগ্য।’
তিনি প্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যদি আমরা একযোগে কাজ করি, তবে প্লাস্টিক নিষিদ্ধকরণ বাস্তবায়ন সম্ভব।’
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান, এনডিসি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকোন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন, ইউনিডো-ভিয়েনা, অস্ট্রিয়ার সার্কুলার ও রিসোর্স এফিসিয়েন্সি ইউনিট প্রধান জেরোম স্টুকি এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. আবদুল্লাহ আল মামুন বক্তব্য রাখেন।
সম্মেলনে নীতিনির্ধারক, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা প্লাস্টিক দূষণ ও সামুদ্রিক আবর্জনা হ্রাসে কার্যকর কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।
মন্তব্য করুন


রেলের রানিং স্টাফদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, তাদের দাবি পূরণের বিষয়ে অর্থ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, "দাবি থাকতে পারে, কিন্তু ট্রেন বন্ধ রেখে যাত্রীদের জিম্মি করে আন্দোলন করা দুঃখজনক। এই বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের হাতে কিছু নেই, যা করার তা অর্থ মন্ত্রণালয়কে করতে হবে। আলোচনা চলছে, সমাধান হবে।"
পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা থেকে সারা দেশে কর্মবিরতি পালন করছেন রেলওয়ের রানিং স্টাফরা। এতে বন্ধ হয়ে যায় সারা দেশের ট্রেন চলাচল।
মঙ্গলবার সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনে সরেজমিনে দেখা যায়, যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। ব্যস্ত টিকিট কাউন্টারগুলোতে নিরবতা বিরাজ করছে। ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, রাজশাহী কিংবা কক্সবাজারগামী যাত্রীরা স্টেশনে এসে জানতে পারেন, ট্রেন চলাচল বন্ধ।
পরিবারসহ শীতে স্টেশনে অপেক্ষা করা যাত্রীরা জানান, ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার খবর আগে জানলে হয়তো আসতেন না। তবে কাউন্টারে এসে বিপাকে পড়তে হয়েছে তাদের।
মন্তব্য করুন