

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ভারতকে চিঠি পাঠিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে এ তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে ভারত সরকারকে নোট ভারবাল পাঠানো হয়েছে। আমরা বিষয়টি তাদের জানিয়েছি যে, তাকে বিচারিক প্রক্রিয়ার জন্য ফেরত চাওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে আমরা প্রয়োজনীয় তথ্য ভারতকে সরবরাহ করেছি।
এর আগে সকালে পিলখানায় বিজিবি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর বিষয়ে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
কীভাবে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে, জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের বন্দি বিনিময় চুক্তি রয়েছে। এই চুক্তির আওতায়ই তাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।”
উল্লেখ্য, জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় গত ১৭ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। এরপর তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন আইনি পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়। গত ১৩ নভেম্বর শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি করার বিষয়ে প্রসিকিউশন পুলিশের মহাপরিদর্শকের কাছে আবেদন করে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বর্তমান বিশ্ব নানাবিধ সংকটে জর্জরিত। আমাদেরকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিস্থাপক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পৃথিবী রেখে যেতে হবে; যা জ্ঞান, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য সার্বজনীন টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করবে।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত 'আর্থনা' শীর্ষ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা এ বক্তব্য রাখেন।
তিনি বলেন, "আজকের যুবসমাজ, যারা এই গ্রহের ভবিষ্যৎ কর্ণধার, তাদেরকে আমরা পিছনে ফেলে আসতে পারি না। আমি ব্যক্তিগতভাবে যুবসমাজের মধ্যে নাগরিক সচেতনতা ও ক্ষমতায়নের রূপান্তরধর্মী শক্তি প্রত্যক্ষ করেছি।"
এর আগে, কাতারে পৌঁছানোর পর অধ্যাপক ইউনূসকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। কাতার সরকারের প্রটোকল প্রধান ও রাষ্ট্রদূত ইব্রাহিম ফাখরু তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানির আমন্ত্রণে অধ্যাপক ইউনূস এই সফরে গেছেন। শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি কাতারের আমিরের সাথে তার একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


অস্থায়ী পাসের মাধ্যমে আগামীকাল সোমবার থেকে সাংবাদিকরা সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন, জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।
রোববার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ের সামনে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য দেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেওয়ার আজকের শেষ দিন। তাই আজকে কাউকে সচিবালয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, অতীতে ৩ হাজারেরও বেশি অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বিতরণ করা হয়েছে, তবে সবাই সাংবাদিক নন। এ কারণে এসব কার্ডের যাচাই-বাছাই প্রয়োজন। সাংবাদিকদের আবেদন অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নতুন স্থায়ী পাস প্রদান করা হবে। ওই সময় পর্যন্ত কিছু সংখ্যক সাংবাদিককে অস্থায়ী পাস দেওয়া হবে।
তথ্য উপদেষ্টা আরও জানান, তারা সাংবাদিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে বসে সচিবালয়ে এবং বাইরে যারা সংগঠন রয়েছে তাদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি নির্দিষ্ট অস্থায়ী পাসের ব্যবস্থা করবেন। আগামীকাল (সোমবার) থেকে সাংবাদিকরা সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন, তবে বর্তমানে থাকা সব পাস বাতিল হবে।
এর আগে, শুক্রবার সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য বেসরকারি ব্যক্তিদের দেওয়া সমস্ত অস্থায়ী পাস বাতিল করে অন্তর্বর্তী সরকার। এছাড়া, সাংবাদিকদের জন্য দেওয়া অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড দিয়েও সচিবালয়ে প্রবেশাধিকার পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাতিল করা হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টা মো. খোদা বখস চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের কারণে সচিবালয়ের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ায় এই আদেশ জারি করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিতে শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, মানবিক ও ভালো মানুষ না হলে দেশের উন্নতি সম্ভব না।
আজ শনিবার মিরপুর সেনানিবাসে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে (এমআইএসটি) ‘মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড সাইন্স’ বিষয়ক তৃতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।
সেনাপ্রধান বলেন, ‘শুধু ভালো ইঞ্জিনিয়ার নয়, ভালো মানুষ হতে হবে। তাহলেই দেশের উপকার হবে।’
তিনি বলেন, ‘শৃঙ্খলা মেনে চললে দেশই লাভবান হবে। উন্নয়নের জন্য প্রকৌশল শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।’ এসময় পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পাঁচজনকে পুরস্কার দেন তিনি।
তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নবায়নযোগ্য শক্তি, উৎপাদন কৌশল, তাপ প্রকৌশল ও মহাকাশ গবেষণাসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, চীন, জাপান ও বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের খ্যাতনামা গবেষক ও পেশাজীবীরা অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে অন্তর্বর্তী সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, আমরা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের জন্য কঠোর পরিশ্রম করছি; যাতে ক্ষমতা আসল প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তরিত হয়।
আজ বুধবার (১৩ আগস্ট) সকাল মালয়েশিয়ায় এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে ও ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের সরকার শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে মনোযোগী।
এর আগে মঙ্গলবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীমের সঙ্গে বৈঠক শেষে যৌথ ব্রিফিংয়েও ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের কথা জানান প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় তিনি বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে জাতীয় নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।
বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর এবং তিনটি নোট বিনিময় হয়েছে।
উল্লেখ্য, সোমবার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া গেছেন প্রধান উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্যভাবে অনুষ্ঠান এবং নির্বাচন পূর্ব অনিয়ম রোধকল্পে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রমের প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল রবিবার ইসি সচিবালয়ের উপসচিব নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখা মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠিতে এ কথা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্যভাবে অনুষ্ঠান এবং নির্বাচন পূর্ব অনিয়ম রোধকল্পে সূত্রোক্ত পরিপত্রের মাধ্যমে (পরিপত্র-৯) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল গঠনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে উল্লিখিত সেলের কার্যপরিধি অনুযায়ী সেল কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রমের প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে প্রেরণের জন্যও নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।’
ইসির নির্দেশনার আলোকে গঠিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের কার্যক্রম অধিকতর গতিশীল করার লক্ষ্যে সদস্যদের তালিকা (মোবাইল নম্বরসহ) জরুরিভাবে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে প্রেরণের জন্য সকল রিটার্নিং অফিসারকে অনুরোধ করা হয়েছে।
ইসির পরিপত্র-৯ এ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল গঠনের বিষয়ে বলা হয়েছে, নির্বাচনী এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে রিটার্নিং অফিসারের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল গঠন হবে। এতে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, জেলা নির্বাচন অফিসার, পুলিশ সুপার বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের প্রতিনিধি, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর মনোনীত কর্মকর্তা থাকবেন।
এই সেল নির্বাচনী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়কে অবহিত করবে।
ভোটকেন্দ্র এবং ভোটকক্ষের বাহিরে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থাসহ সকল বেআইনি অস্ত্র উদ্ধার পরিচালনা জোরদার করতে হবে। চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের তালিকা প্রণয়নপূর্বক চাঁদাবাজ, মাস্তান ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা করতে হবে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর অভিযোগ করেছেন যে, শেখ হাসিনার শাসনামলে তার সরকারের ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় সংস্থার সহায়তায় ব্যাংক খাত থেকে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা পাচার করেছেন। সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই অভিযোগ তোলেন।
তিনি বলেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এটিই সবচেয়ে বড় চুরি। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা এবং নিরাপত্তা সংস্থার সহযোগিতা ছাড়া এত বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার করা সম্ভব নয়।
গত আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাবেক কর্মকর্তা আহসান এইচ মনসুরকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
তার দাবি, দেশের বড় ব্যাংকগুলোতে জোরপূর্বক দখল ও নতুন শেয়ারহোল্ডারদের সুবিধা দিতে ব্যাপক ঋণ বরাদ্দের মাধ্যমে এই অর্থ বের করা হয়েছে। তিনি এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ সাইফুল আলমকে এই চক্রের প্রধান হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
গভর্নরের অভিযোগে বলা হয়, সাইফুল আলম ও তার সহযোগীরা প্রায় এক হাজার কোটি ডলার (প্রায় ১.১ লাখ কোটি টাকা) বিদেশে পাচার করেছেন। প্রতিদিন নিজেদের নামে ঋণ অনুমোদন করতেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তবে এস আলম গ্রুপ গভর্নরের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের আইনজীবী সংস্থা কুইন ইমানুয়েল উরকহার্ট অ্যান্ড সুলিভান বলেছে, আহসান মনসুরের এই অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রচারণা বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট করছে।
অভিযুক্ত রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও তাদের জনসংযোগ এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল ফিন্যান্সিয়াল টাইমস, কিন্তু সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
সাক্ষাৎকারে গভর্নর আরও জানান, নিরাপত্তা সংস্থার সহায়তায় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের পদত্যাগ ও শেয়ার বিক্রিতে বাধ্য করা হয়েছে। তিনি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের সাবেক সিইও মোহাম্মদ আব্দুল মান্নানের চাপের মুখে পদত্যাগের অভিজ্ঞতার কথাও বলেন। মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, কিভাবে তাকে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করতে পাঠানো হয়েছিল এবং পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে পরিচালিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। আহসান মনসুর জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলোতে নিরীক্ষা চালিয়ে পাচারের তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হবে এবং আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় আদালতের মাধ্যমে এই অর্থ ফেরত আনার চেষ্টা করা হবে।
শেখ হাসিনার মিত্রদের বৈদেশিক সম্পদের তদন্তে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চাওয়া হয়েছে বলেও জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর অভিযোগ করেছেন যে, শেখ হাসিনার শাসনামলে তার সরকারের ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় সংস্থার সহায়তায় ব্যাংক খাত থেকে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা পাচার করেছেন। সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই অভিযোগ তোলেন।
তিনি বলেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এটিই সবচেয়ে বড় চুরি। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা এবং নিরাপত্তা সংস্থার সহযোগিতা ছাড়া এত বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার করা সম্ভব নয়।
গত আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাবেক কর্মকর্তা আহসান এইচ মনসুরকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
তার দাবি, দেশের বড় ব্যাংকগুলোতে জোরপূর্বক দখল ও নতুন শেয়ারহোল্ডারদের সুবিধা দিতে ব্যাপক ঋণ বরাদ্দের মাধ্যমে এই অর্থ বের করা হয়েছে। তিনি এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ সাইফুল আলমকে এই চক্রের প্রধান হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
গভর্নরের অভিযোগে বলা হয়, সাইফুল আলম ও তার সহযোগীরা প্রায় এক হাজার কোটি ডলার (প্রায় ১.১ লাখ কোটি টাকা) বিদেশে পাচার করেছেন। প্রতিদিন নিজেদের নামে ঋণ অনুমোদন করতেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তবে এস আলম গ্রুপ গভর্নরের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের আইনজীবী সংস্থা কুইন ইমানুয়েল উরকহার্ট অ্যান্ড সুলিভান বলেছে, আহসান মনসুরের এই অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রচারণা বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট করছে।
অভিযুক্ত রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও তাদের জনসংযোগ এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল ফিন্যান্সিয়াল টাইমস, কিন্তু সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
সাক্ষাৎকারে গভর্নর আরও জানান, নিরাপত্তা সংস্থার সহায়তায় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের পদত্যাগ ও শেয়ার বিক্রিতে বাধ্য করা হয়েছে। তিনি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের সাবেক সিইও মোহাম্মদ আব্দুল মান্নানের চাপের মুখে পদত্যাগের অভিজ্ঞতার কথাও বলেন। মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, কিভাবে তাকে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করতে পাঠানো হয়েছিল এবং পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে পরিচালিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। আহসান মনসুর জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলোতে নিরীক্ষা চালিয়ে পাচারের তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হবে এবং আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় আদালতের মাধ্যমে এই অর্থ ফেরত আনার চেষ্টা করা হবে।
শেখ হাসিনার মিত্রদের বৈদেশিক সম্পদের তদন্তে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চাওয়া হয়েছে বলেও জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, বন ও প্রাকৃতিক সম্পদ শুধু পরিবেশের জন্য নয়, অর্থনীতি, জীববৈচিত্র্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার ভিত্তি। তাই এই সম্পদ ব্যবস্থাপনায় সব অংশীজনের সম্মিলিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
আজ শনিবার রাজধানীর বন অধিদপ্তরে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি তার বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, বনকে কার্বন ট্রেডিংয়ের দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখে অক্সিজেন সরবরাহকারী ও জীববৈচিত্র্যের আশ্রয়স্থল হিসেবে দেখতে হবে।
উন্নত বিশ্ব যদি শুধু কার্বন ক্রেডিট কেনে, তারা প্রকৃতপক্ষে নির্গমন কমাবে না। ডিগ্রেডেড বন পুনরুদ্ধার, কমিউনিটি-ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা ও বাস্তবসম্মত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে এবং সুফল প্রকল্পের ভেরিফিকেশন করাতে হবে।
তিনি বলেন, জাতীয় বন জরিপের দ্বিতীয় চক্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য বনবিষয়ক তথ্যভাণ্ডার গঠন, বনভিত্তিক নীতিনির্ধারণ, প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
উপদেষ্টা বলেন, ভূপ্রকৃতি, ভূমি ব্যবহার ও ন্যাচারাল ক্যাপিটাল সংক্রান্ত মানচিত্র এবং সমন্বিত বন ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা আমাদের টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
তিনি আরও জানান, এই কার্যক্রম একটি ভালো উদ্যোগ। এখন প্রয়োজন থার্ড পার্টি অ্যানালাইসিস, অনলাইন ও প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং এবং পাঁচ বছর অন্তর তথ্য হালনাগাদ করা।
উপদেষ্টা বলেন, বিদেশি সহায়তার অপেক্ষায় না থেকে আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে এই ইনভেন্টরি পরিচালনা করতে হবে।
মন্তব্য করুন


রাজনৈতিক দলগুলো ও কমিশন অসম্ভবকে সম্ভব করেছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো ও কমিশন অসম্ভবকে সম্ভব করেছে, সারা বিশ্বের কাছে এটি উদাহরণ হয়ে থাকবে।
জুলাই সনদে স্বাক্ষরের পর তিনি এক ভাষণে এ কথা বলেন।
এর আগে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে বিএনপি, জামায়াত, গণঅধিকার পরিষদ, এবি পার্টি, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।
আজ শুক্রবার বিকাল ৫টায় জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫–এ স্বাক্ষর করেন তারা। এর আগে বিকাল চারটা ৩৭ মিনিটে জাতীয় সংগীতে শুরু হয় জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান।
এতে উপস্থিত হয়েছেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা। যোগ দিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা।
উল্লেখ্য, বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবে বলে আগেই জানিয়েছে। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে আইনি ভিত্তির নিশ্চয়তা ছাড়া তারা এখন জুলাই সনদ স্বাক্ষর করবে না।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘আমাদের কাছে এটা পরিষ্কার হতে হবে যে আমরা আর পরনির্ভর হতে চাই না। আমাদেরকে স্বনির্ভর হতে হবে। এখন যেহেতু পরনির্ভর হয়ে আছি। এর থেকে যত দ্রুত সম্ভব বের হওয়ার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। এর বাইরে আর কোনো কথা নাই।’
স্বল্পোন্নত দেশ হতে বাংলাদেশের উত্তরণকে মসৃণ ও টেকসই করার লক্ষে প্রণীত মসৃণ উত্তরণ কৌশল বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণের জন্য গঠিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় তিনি এ কথা বলেন।
বুধবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সভাপতিত্ব করেন। পরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে বৈঠকের বিষয় বিস্তারিত তুলে ধরেন।
স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করে অধ্যাপক ইউনূস বৈঠকে বলেন, ‘এজন্য আমাদের অভ্যাস পালটাতে হবে। আত্মনির্ভর হতে গেলে বুদ্ধি খাটাতে হবে, পরিশ্রম করতে হবে, লড়াই করতে হবে। এটা কঠিন হলেও এ কাজে আনন্দ আছে। আমরা যে নতুন বাংলাদেশের কথা বলি, নতুন বাংলাদেশ মানেই হলো স্বনির্ভর বাংলাদেশ।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই জাতির যথেষ্ট ক্ষমতা আছে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য। তারুণ্য ও সৃজনশীলতা আমাদের শক্তি। এই শক্তি আর সুযোগ আমাদের আছে। এটাকে কাজে লাগাতে হবে। আত্মনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলে জাতিকে দাসত্ব থেকে মুক্ত করতে হবে। আমরা আর দাসত্বের মধ্যে থাকতে চাইনা।’
সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন, কৃষি উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন, পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এছাড়া বিজিএমইএ’র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মাহবুবুল আলম, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি তাসকীন আহমেদ এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আব্দুল মুক্তাদির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশি দূতাবাস থেকে সরানো হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি।
একটি ভিডিওতে দেখা যায় নিউইয়র্কে বাংলাদেশি দূতাবাস থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরিয়ে ফেলছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। দূতাবাসের কর্মীরা বাধা দিলেও বিএনপি সমর্থকদের চাপাচাপিতে শেখ মুজিবের ছবি সরিয়ে দিতে বাধ্য হন তারা।
গতরাতে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বাংলাদেশ প্রসঙ্গে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে বাংলাদেশ ত্যাগ করেছেন। আমরা সতর্কতার সঙ্গে বাংলাদেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জনগণের পাশে আছে। আমরা সব পক্ষকে সহিংসতা থেকে বিরত থাকার আহবান জানাই।
তিনি আরও বলেন, গত কয়েক সপ্তাহে কোটা সংস্কার আন্দোলনের কারণে বাংলাদেশে অনেক মানুষ নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে কয়েক হাজার। বাংলাদেশে যে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে, সেই সব রিপোর্টে আমরা গভীরভাবে দুঃখিত। বাংলাদেশে আন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন করা হচ্ছে।আমরা অন্তর্র্বতীকালীন সরকারকে স্বাগত জানাই। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী যে কোনও পরিবর্তনের আহবান জানাই।
মন্তব্য করুন