

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মিশরের রাজধানী কায়রোতে দ্বিতীয় দিনের মতো শুরু হয়েছে যুদ্ধবিরতি আলোচনা। এতে মধ্যস্থতা করছে কাতার ও মিশর কর্তৃপক্ষ। তবে হামাসের এক নেতা জানিয়েছেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ব্যক্তিগতভাবে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে বাধা দিচ্ছেন।
এছাড়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর করতে ইসরাইলেও চলছে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ। চুক্তি কার্যকর ও জিম্মিদের ফিরিয়ে আনতে নেতানিয়াহু প্রশাসনকে চাপ দিচ্ছেন তারা।
যুদ্ধবিধ্বস্ত উত্তর গাজায় এরই মধ্যে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। যা পুরো যুদ্ধবিধ্বস্ত উপত্যকাটিতে ছড়িয়ে পড়ছে। কারণ ইসরাইল প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহে বাধা দিচ্ছে।
গত ৭ অক্টোবরের পর ইসরাইলের হামলায় ৩৪ হাজার ৬৫৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৭৭ হাজার ৯০৮ জন।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পর বেশ কয়েকটি দেশের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়েছে ইসরাইলবিরোধী আন্দোলন। গত মাস থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বপ্রথম এ বিক্ষোভ শুরু হয়। একপর্যায়ে তা দেশটির অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও ছড়িয়ে পড়ে। পরে তা কানাডা, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্সের মতো দেশগুলোতে বিস্তৃত হতে শুরু করে। আসুন দেখে নেওয়া যাক, বিশ্বের কোন কোন দেশে এ আন্দোলন চলছে।
মন্তব্য করুন


ইসরায়েলের শীর্ষ সামরিক বিজ্ঞানীদের তথ্য ফাঁস করেছে একটি হ্যাকার গ্রুপ। ‘হান্দালা’ নামে পরিচিত হ্যাকার গ্রুপটি প্রথমবারের মতো ১৭ জন ইসরায়েলি সামরিক বিজ্ঞানীর পরিচয় এবং ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করেছে।
রোববার (১৯ অক্টোবর) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদসংস্থা মেহেরের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, হান্দালা আজ একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে একে অভূতপূর্ব প্রকাশ বলে অভিহিত করেছে।
বিবৃতিতে হ্যাকার গ্রুপটি বলেছে, ‘আজ প্রথমবারের মতো আমরা ১৭ জন ঊর্ধ্বতন সামরিক বিজ্ঞানীর অত্যন্ত গোপনীয় ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করছি, যারা ইহুদিবাদী শাসনব্যবস্থার মূল হোতা। তারা ধ্বংসের স্থপতি।’
এছাড়া অসংখ্য যুদ্ধে অগণিত নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকের ওপর ভয়, যন্ত্রণা ও মৃত্যু ডেকে এনেছে এমন অস্ত্রের পেছনের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন এই ১৭ বিজ্ঞানী বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে হান্দালা।’
মেহেরের প্রতিবেদনে বলা হয়, এখনও পর্যন্ত কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষ এই দাবির প্রেক্ষিতে মন্তব্য করেনি এবং ফাঁস হওয়া নথিগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করাও হয়নি।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসন থামার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। অবরুদ্ধ এই উপত্যকার এমন কোনো স্থান বাকি নেই যেখানে দখলদার বাহিনী হামলা চালায়নি। গাজার স্কুল, হাসপাতাল, আবাসিক ভবন, মসজিদ সবকিছুই যেন এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেখানে গত ৪৮ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ১১৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ৪৮৭ জন।
এদিকে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তেল আবিবে ইসরায়েলের গোয়েন্দা ঘাঁটিসহ বেশ কিছু স্থানে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া উত্তরাঞ্চলীয় হাইফা শহরের একটি নৌঘাঁটিতেও রকেট হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ওই হামলার ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
হিজবুল্লাহ বলছে, তারা ইসরায়েলের নিরিত এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। সেখানে বড় ধরনের বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। টেলিগ্রামে এক পোস্টে লেবাননভিত্তিক গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সংহতি এবং লেবাননের জনগণকে রক্ষায় তারা এই হামলা চালিয়েছে।
হিজবুল্লাহর হামলার পর বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে বিমান চলাচল স্থগিত করা হয়েছে এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তেল আবিবে জরুরি অবস্থা জারি করেছে।
অপরদিকে গাজার বিভিন্ন স্থানে ধ্বংসস্তুপে চাপা পড়া ফিলিস্তিনিদের সহায়তা দেওয়া উদ্ধারকর্মীদের কাজে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। এর আগে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয় (ওএইচসিএইচআর) বলেছে, হত্যা এবং বাস্তুচ্যুতির মাধ্যমে গাজার উত্তরাঞ্চলে ফিলিস্তিনি জনসংখ্যাকে ধ্বংসের কারণ হয়ে উঠছে ইসরায়েল। ওই এলাকা ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেছে দখলদার বাহিনী।
গাজায় এক বছরের বেশি সময় ধরে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে ইসরায়েল। এই সময়ের মধ্যে কমপক্ষে ৪২ হাজার ৭১৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও এক লাখ ২৮২ জন।
গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। সে সময় ইসরায়েলে হামাসের হামলায় কমপক্ষে এক হাজার ১৩৯ জন নিহত হয় এবং দুই শতাধিক মানুষকে জিম্মি হিসেবে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার মধ্যে শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে যাত্রীবাহী ফেরি চলাচল। সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। মঙ্গলবার লংকান সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি মিররের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ অনুষ্ঠানের ফাঁকে শেখ হাসিনা ও রনিল বিক্রমাসিংহে এক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে যাত্রীবাহী ফেরি চলাচলের বিষয়েও আলোচনা হয়।
এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (টুইটার) এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট বিক্রমাসিংহে বলেছেন, ‘বৈঠকে দুদেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এবং সম্ভাব্য যাত্রীবাহী ফেরি পরিষেবা চালুর বিষয়ে আমাদের কথা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের কৃষি পদ্ধতি জানতে সেখানে শ্রীলঙ্কান কৃষি বিশেষজ্ঞ দল পাঠাতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
লংকান প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) আমাকে বিমসটেকের শীর্ষ সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তবে নির্বাচনের কারণে প্রধানমন্ত্রী দীনেশ গুনাবর্ধনে ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলী সাবরি সেখানে আমার প্রতিনিধিত্ব করবেন। তিনি (শেখ হাসিনা) শ্রীলংকার অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আমি তাকে নির্বাচনের পরে বাংলাদেশ সফর করার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছি।’
ভারত ও শ্রীলংকার মধ্যে যাত্রীবাহী ফেরি চলাচল থাকলেও, দুই সরকার প্রধানের ফলপ্রসূ আলোচনার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার মধ্যে এই প্রথম যাত্রীবাহী ফেরি চালু হচ্ছে। এটি চালু হলে দুদেশের মধ্যে পর্যটন ও ভ্রমণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে সামরিক মহড়া চালানোর ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। সোমবার (৬ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পশ্চিমা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে উস্কানিমূলক হুমকির পরে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সামরিক মহড়াটি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে যুদ্ধের ময়দানে কৌশলগত নয় এমন পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন ও এর ব্যবহারের প্রস্তুতি নিতেই ওই মহড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন বিষয়ক দক্ষিণাঞ্চলীয় সামরিক বিভাগ ও নৌবাহিনী এতে অংশ নেবে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রুশ ফেডারেশনের বিরুদ্ধে কিছু পশ্চিমা কর্মকর্তাদের উস্কানিমূলক বিবৃতি এবং হুমকির প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করাই এ মহড়ার লক্ষ্য।
তবে পশ্চিমা দেশগুলো ও ইউক্রেন জানিয়েছে, রুশ বাহিনী পরাজিত না হওয়া পর্যন্ত পিছু হটবে না তারা।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রাশিয়ার হামলায় অন্তত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা এই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে দিনে চালানো বিরল হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছে। শহরটির মেয়র জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজের সময় একটি শিশু হাসপাতালেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
কিরিভিহ রিহ শহরের সামরিক প্রশাসনের প্রধান জানিয়েছেন, ওই এলাকায় রাশিয়ার হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছে। এছাড়াও পেক্রোভস্কে তিন জন নিহত হয়েছে, ডিনিপ্রো শহরে একজন নিহত হয়েছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি পোল্যান্ড শহরে থাকা অবস্থায় জানিয়েছেন, এই দিন তার দেশে ৪০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
জেলেনস্কি বলেছেন, কিয়েভ, দিনিপ্রো, কিরিভি রিহসহ বিভিন্ন শহরে ৪০টির বেশি বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এতে আবাসিক ভবন, অবকাঠামো ও শিশু হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানের পর এবার সৌদি আরবেও ব্যাপক বৃষ্টিপাতে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন স্থানে অতিমাত্রায় বৃষ্টির পানি জমে বন্যা দেখা দিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন জনগণ। টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যার পানিতে অনেক জায়গায় সাধারণ মানুষের গাড়ি ডুবে গেছে এবং রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গেছে।
সাধারণ মানুষকে সহায়তা করার জন্য জরুরি সেবার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাৎক্ষণিকভাবে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। এদিকে উপসাগরীয় দেশটির আবহাওয়া কর্তৃপক্ষের জনসাধারনের ভ্রমণের ওপর সতর্কতার জারি করেছে। দেশটিতে স্কুলও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। স্কাই নিউজ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত কিছু ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, সোমবার আল-উলা এবং আল-মদিনা প্রদেশে আকস্মিক বন্যা হানা দিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, পবিত্র নগরী মদিনার মসজিদে নববীর কাছে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। সৌদির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র মদিনার জন্য সর্বোচ্চ লাল সতর্কতা জারি করেছে। তারা আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানিয়েছে, মদিনায় আরো বজ্রসহ বৃষ্টি এবং ঝড়োহাওয়া বয়ে যেতে পারে।
মদিনা অঞ্চলের সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করেছে। বৃষ্টির সময় উপত্যকা এবং জলধারাগুলো থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে তারা। এছাড়া কৃষিপণ্য পরিবহনের রাস্তা দিয়ে চলাচলের সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।
সৌদির দক্ষিণ-পূর্বে প্রতিবেশী সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ওমানে আকস্মিক বন্যার কয়েকদিন পরেই এই অঞ্চলে এমন বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বছরের এই সময় বিরল বৃষ্টি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২২ সালের নভেম্বরে সৌদি আরব ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে উপকূলীয় বন্যার কবলে পড়েছিল।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার একটি ভবনে নিজেদের ট্যাংক থেকে ছোড়া গোলার আঘাতে পাঁচ ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও সাতজন, যাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বুধবার (১৫ মে) গাজার জাবালিয়া শহরে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার অধিকতর তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।
বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, নিহত সেনারা হলেন ক্যাপ্টেন রয় বেইট ইয়াকভ (২২), স্টাফ সার্জেন্ট গিলাদ আরিয়ে বোইম (২২), সার্জেন্ট ড্যানিয়েল চেমু (২০), সার্জেন্ট ইলান কোহেন (২০), স্টাফ সার্জেন্ট বেতজালেল ডেভিড শাশুয়া (২১)। তারা সবাই প্যারাট্রুপার্স ব্রিগেডের ২০২ ম্বর ব্যাটালিয়নে কর্মরত ও অতি রক্ষণশীল কোম্পানির অংশ ছিলেন।
আইডিএফ বলছে, এই দুর্ঘটনার পেছনে কয়েকটি কারণ থাকতে পারে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রতিরক্ষা বাহিনীর শাখাগুলোর মধ্যে যোগাযোগের অভাব, সৈন্যদের ক্লান্তি কিংবা নিয়ম বা যুদ্ধ কৌশলের প্রতি পর্যাপ্ত মনোযোগ না দেওয়া।
আইডিএফের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বুধবার প্যারাট্রুপারদের সঙ্গে জাবালিয়ায় হামলা চালাতে গিয়েছিল তাদের ট্যাংক বাহিনী। সেদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে একটি ভবন লক্ষ্য করে ট্যাংক থেকে দুটি গোলা ছোড়া হয়। ট্যাংক সেনারা ভেবেছিলেন, ভবনের ভেতরে হামাসের প্রতিরোধ যোদ্ধারা আছেন। কিন্তু আসলে সেখানে ছিলেন ইসরায়েলি সেনারাই।
টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, বুধবার সকালে ট্যাঙ্ক বাহিনী জাবালিয়ায় পৌঁছায়। তাদের কয়েক ঘন্টা পরে প্যারাট্রুপাররা সেখানে পৌঁছান ও একটি ভবনে অবস্থান নেন। ওইদিন সন্ধ্যায় প্যারাট্রুপারদের আরেকটি দল ওই এলাকায় পৌঁছায়। প্যারাট্রুপারদের দ্বিতীয় দলটি ওই ভবনে প্রবেশের বিষয়টি বাইরে অবস্থান নেওয়া দুটি ট্যাংকের ভেতরে থাকা সৈন্যদের জানান। এরপরও ভবটিতে ট্যাংক থেকে হামলা চালানো হয়।
এদিকে, ট্যাংক বাহিনীর দাবি, তারা একটি জানালা দিয়ে ভবনটির ভেতরে অস্ত্রের ব্যারেল দেখতে পেয়েছিলেন। এতে তাদের সন্দেহ হয় যে ভবনটির ভেতরে শত্রু বাহিনী অর্থাৎ হামাসের প্রতিরোধ যোদ্ধারা রয়েছেন। ফলে তারা দুটি শেল নিক্ষেপ করেন।
এই পাঁচ সেনার তাদের মৃত্যুতে গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে নিহত ইসরায়েলি সৈন্যের সংখ্যা ২৭৮ এ পৌঁছালো।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
ভারতে আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচয় দেওয়া ২৯ বছর বয়সী ধর্ম প্রচারক জয়া কিশোরীকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচনা চলছে। সম্প্রতি কলকাতার এই মেয়ের হাতে বিশ্ববিখ্যাত ফ্যাশন কোম্পানি ডিওর-এর ২ লাখ রুপির ব্যাগ দেখা গেছে। সেই ব্যাগটি গরুর বাছুরের চামড়া দিয়ে তৈরি।
ভারতজুড়ে প্রচুর ভক্ত রয়েছে জয়ার। অনেকেই বিভিন্ন ধর্মীয় বচন শুনতে তার প্রোগ্রামে যুক্ত হন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, সম্প্রতি এয়ারপোর্টে তাকে দামি ব্যগটি নিয়ে ঘুরতে দেখা গেছে।
সংবাদমাধ্যম বলছে, শুধু দামের কারণে নয়, ব্যাগটি যে উপাদান দিয়ে তৈরি সেটাই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। ডিওর-এর ওয়েবসাইট অনুযায়ী, 'Dior Book Tote' হ্যান্ডব্যাগটি কটন এবং বাছুরের চামড়া দিয়ে তৈরি। যেহেতু জয়া হিন্দু ধর্মীয় প্রচারক, তাই তিনি নিজেই বাছুরের চামড়া দিয়ে তৈরি ব্যাগ নিয়ে ঘোরার কারণে ব্যাপক ট্রলের শিকার হয়েছেন।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায়ই আধ্যাত্মিক বিকাশের জন্য বৈষয়িক সম্পত্তি ত্যাগ করার গুরুত্বের উপর জোর দিতেন জয়া কিশোরী। তাই এত দামি ব্যাগ দেখে অনেকেই তার বার্তার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
জয়ার ব্যাগ নিয়ে ঘোরাফেরা করার ফুটেজ শেয়ার করে এক্স পোস্টে অনেকেই সমালোচনা করে যাচ্ছেন। একজন লিখেছেন, 'জয়া কিশোরী মানুষকে বস্তুবাদী হতে নিষেধ করেন, কিন্তু তিনি নিজেই ২ লক্ষ রুপির বেশি দামের একটি বিলাসবহুল ব্যাগ ব্যবহার করেন। তারা বেশিরভাগই এরকম, আমাদের ধর্মকে ব্যবহার করে মুনাফা অর্জন এবং বিলাসবহুল জীবনযাপন করে।'
এক্স ব্যবহারকারীরা জয়ার অন্যান্য ব্যয়বহুল সম্পদ নিয়েও চর্চা শুরু করেছেন। যেমন- এর আগেও দামি রোলেক্স ঘড়ি পরে দেখা গেছে ওই ধর্ম প্রচারককে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভ্রমণের জন্য আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা উন্মুক্ত করা হবে, এমন তথ্য জানিয়েছেন আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ হামুদি।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) দুবাইয়ে বাংলাদেশ কমিউনিটির পক্ষ থেকে সিনিয়র সচিব মুশফিকুল ফজল আনসারীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদানকালে তিনি এ তথ্য দেন।
রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ হামুদি জানান, জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে ভিসা জটিলতা দূর হয়ে যাবে এবং বাংলাদেশিদের জন্য বিভিন্ন ধরনের ভিসা, বিশেষ করে ভ্রমণ ভিসা উন্মুক্ত করা হবে। বর্তমানে বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশের জন্য আমিরাতের ভিসা বন্ধ রয়েছে। তবে, বাংলাদেশের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হবে, কারণ সেখানে বাংলাদেশির সংখ্যা ১২ লাখ ছাড়িয়েছে, যা অন্যান্য দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, 'আমিরাতে বাংলাদেশিদের শ্রমের অবদান অনস্বীকার্য। বাংলাদেশিরা এই দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, বিশেষ করে নির্মাণকাজ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে।' তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশিদের জন্য দক্ষ শ্রমিকসহ অন্যান্য পেশায় সুযোগ বাড়ানো উচিত এবং ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের আহ্বান জানান।
মুশফিকুল ফজল আনসারী আমিরাতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, 'আমিরাতের রাষ্ট্রপ্রধান বাংলাদেশের প্রতি তার সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন এবং ভবিষ্যতে আরও দৃঢ় সম্পর্ক আশা করা হচ্ছে।'
এছাড়া, অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন, ড. রেজা খান, এবং দুবাইয়ের ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল আশফাক হোসেন।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
ইসরায়েল ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে গাজার হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। টানা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চালানো এই হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৪২ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। সর্বক্ষনিক এই আগ্রাসনে গাজা ভূখণ্ড পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তুপে।
প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের মরদেহ ছিড়ে খেয়ে ফেলছে কুকুর। এতে করে নিহত অনেকের মরদেহ শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
বুধবার (১৬ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন এই সংবাদমাধ্যমটি।
যুদ্ধ-বিধ্বস্ত গাজার উত্তরাঞ্চলের জরুরি পরিষেবার প্রধান ফারেস আফানা সিএনএনকে বলেছেন, তিনি এবং তার সহকর্মীরা উত্তর গাজায় নিহত ফিলিস্তিনিদের মরদেহ পেয়েছেন। যার মধ্যে কিছু মরদেহ প্রাণীদের খেয়ে ফেলার লক্ষণ রয়েছে।
তিনি বলেন, ক্ষুধার্ত কুকুরেরা রাস্তায় এসব মরদেহ খাচ্ছে। আর এ কারণে আমাদের জন্য মরদেহ শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
উত্তর গাজা এবং জাবালিয়া এলাকায় ইসরায়েলের বিমান ও স্থল হামলার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলি বাহিনী সবকিছু ধ্বংস করছে। ইসরায়েলের দাবি, গাজার এই এলাকায় হামাস সদস্যরা পুনরায় সংগঠিত হয়েছে।
গাজা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মতে, গাজায় এখন পর্যন্ত ৪২ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছেন। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এছাড়া ৯৯ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।
সূত্র-দৈনিক ইত্তেফাক
মন্তব্য করুন