

ডেস্ক রিপোর্টঃ
ভারতে আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচয় দেওয়া ২৯ বছর বয়সী ধর্ম প্রচারক জয়া কিশোরীকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচনা চলছে। সম্প্রতি কলকাতার এই মেয়ের হাতে বিশ্ববিখ্যাত ফ্যাশন কোম্পানি ডিওর-এর ২ লাখ রুপির ব্যাগ দেখা গেছে। সেই ব্যাগটি গরুর বাছুরের চামড়া দিয়ে তৈরি।
ভারতজুড়ে প্রচুর ভক্ত রয়েছে জয়ার। অনেকেই বিভিন্ন ধর্মীয় বচন শুনতে তার প্রোগ্রামে যুক্ত হন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, সম্প্রতি এয়ারপোর্টে তাকে দামি ব্যগটি নিয়ে ঘুরতে দেখা গেছে।
সংবাদমাধ্যম বলছে, শুধু দামের কারণে নয়, ব্যাগটি যে উপাদান দিয়ে তৈরি সেটাই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। ডিওর-এর ওয়েবসাইট অনুযায়ী, 'Dior Book Tote' হ্যান্ডব্যাগটি কটন এবং বাছুরের চামড়া দিয়ে তৈরি। যেহেতু জয়া হিন্দু ধর্মীয় প্রচারক, তাই তিনি নিজেই বাছুরের চামড়া দিয়ে তৈরি ব্যাগ নিয়ে ঘোরার কারণে ব্যাপক ট্রলের শিকার হয়েছেন।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায়ই আধ্যাত্মিক বিকাশের জন্য বৈষয়িক সম্পত্তি ত্যাগ করার গুরুত্বের উপর জোর দিতেন জয়া কিশোরী। তাই এত দামি ব্যাগ দেখে অনেকেই তার বার্তার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
জয়ার ব্যাগ নিয়ে ঘোরাফেরা করার ফুটেজ শেয়ার করে এক্স পোস্টে অনেকেই সমালোচনা করে যাচ্ছেন। একজন লিখেছেন, 'জয়া কিশোরী মানুষকে বস্তুবাদী হতে নিষেধ করেন, কিন্তু তিনি নিজেই ২ লক্ষ রুপির বেশি দামের একটি বিলাসবহুল ব্যাগ ব্যবহার করেন। তারা বেশিরভাগই এরকম, আমাদের ধর্মকে ব্যবহার করে মুনাফা অর্জন এবং বিলাসবহুল জীবনযাপন করে।'
এক্স ব্যবহারকারীরা জয়ার অন্যান্য ব্যয়বহুল সম্পদ নিয়েও চর্চা শুরু করেছেন। যেমন- এর আগেও দামি রোলেক্স ঘড়ি পরে দেখা গেছে ওই ধর্ম প্রচারককে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস
মন্তব্য করুন


তিন বছরের ডিপ্লোমা কোর্সে ডাক্তার তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বিশেষজ্ঞ কমিটি এর সঙ্গে একমত পোষণ করেনি। নাকচ করা হয়েছে সেই প্রস্তাব।
তিন বছরের ডাক্তারি কোর্স চালু করার কথা বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার বক্তব্য ছিল, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকের অভাব মেটাতে ডিপ্লোমা ডাক্তারের সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।
প্রান্তিক স্তরে চিকিৎসা পরিষেবার উন্নতি করার জন্য এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব কার্যত নাকচ করে দিয়েছে রাজ্য সরকারের গঠন করা বিশেষজ্ঞ কমিটি।
মুখ্যমন্ত্রী মমতাই এই কমিটি তৈরির কথা বলেছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরকে। তিন বছরে ডিপ্লোমা ডাক্তার তৈরি করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখতে বলেছিলেন। সোমবার ১৫ জনের ওই বিশেষজ্ঞ কমিটির বৈঠক বসে। সেখানে প্রত্যেক সদস্য একটি বিষয়ে একমত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
তারা সকলেই মনে করেন ডিপ্লোমা ডাক্তারের যে প্রস্তাব মুখ্যমন্ত্রী দিয়েছেন, তা মেনে নেওয়া যায় না। ডিপ্লোমা ডাক্তার শব্দবন্ধটিই ব্যবহার করা যায় না। বরং হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার বলে একটি পদ তৈরি করা যেতে পারে।
প্রান্তিক অঞ্চলে চিকিৎসা পরিষেবার উন্নতির জন্য এদের ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এই ব্যক্তিদের। কিন্তু তাদের কখনোই চিকিৎসকের সমতুল্য পদ দেওয়া যাবে না। চিকিৎসক বলাও যাবে না।
এছাড়াও অভিজ্ঞ নার্স, আয়ুষ চিকিৎসক, গ্রামীণ স্বাস্থ্য সহায়করা আছেন। তাদের জন্যও আরও ভালো প্রশিক্ষণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের আরও নতুন পদ চালু করা যেতে পারে কি না, তা নিয়ে এ দিনের বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে ফের তারা বৈঠকে বসবেন বলে সূত্র জানিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী ডিপ্লোমা ডাক্তারের বিষয়ে ঘোষণা দেওয়ার পর রাজ্যজুড়ে আলোড়ন উঠেছিল। বিরোধীরা কটাক্ষ করে বলেছিলেন, সিভিক পুলিশ, প্যারাটিচারের মতো আধা-চিকিৎসক তৈরি করতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর ফলে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়বে।
তবে চিকিৎসকদের একাংশের বক্তব্য, শুধু রাজ্যে নয়, গোটা দেশেই প্রয়োজনের তুলনায় চিকিৎসকের সংখ্যা কম। গ্রামে গ্রামে যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ করেন, তারাই আসলে চিকিৎসা ব্যবস্থা অনেকটা ধরে রেখেছেন। ডিপ্লোমা ডাক্তার নামটি বিভ্রান্তিকর, কিন্তু রাজ্যজুড়ে আরও অনেক স্বাস্থ্যকর্মী যে তৈরি করা দরকার, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইসরাইলের বর্বর হামলায় বিধ্বস্ত গাজায় শুরু থেকেই ত্রাণ সহায়তা দিয়ে আসছে ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ ও শরণার্থী সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ)। তবে এবার গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি স্থগিত করল সংস্থাটি।
মূলত গাজায় দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর অব্যাহত বর্বর হামলায় নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। মঙ্গলবার এক্সে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘ। বুধবার এপির খবরে এ তথ্য জানা গেছে।
ইউএনআরডব্লিউএ বলছে, ত্রাণের অভাব এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে বর্তমানে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি স্থগিত রয়েছে।
পোস্টে আরও বলা হয়েছে, গাজায় ইউএনআরডব্লিএর ২৪টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মধ্যে বর্তমানে মাত্র সাতটি চালু আছে। অন্যদিকে গাজার রাফা এবং কেরেম শালোম ক্রসিংয়ে ইসরাইলি প্রতিবন্ধকতার কারণে গত ১০ দিনে কোনো চিকিৎসা সরবরাহ পৌঁছায়নি।
এদিকে, ইসরাইলি হামলা শুরুর পর থেকে বহু ফিলিস্তিনি রাফা শহর ছেড়ে পালিয়েছেন। এর ফলে খান ইউনিসে ইউএনআরডব্লিউএর আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মানুষের সংখ্যা ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। রাফাজুড়ে আক্রমণ তীব্র হওয়ার পর অসংখ্য রোগী ও চিকিৎসাকর্মীকে হাসপাতাল থেকে বের করে দিয়েছে ইসরাইলি সেনারা। অনেক অসুস্থ ও আহত ফিলিস্তিনিকে চিকিৎসার জন্য অন্যত্র ছুটতে হচ্ছে। মঙ্গলবার গাজার উত্তরাঞ্চলের খান আদওয়ান হাসপাতালের জরুরি বিভাগে হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুসারে, ইসরাইলি হামলায় ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৬ শতাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন প্রায় ৮০ হাজার মানুষ। বুধবার পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি হামলায় উপত্যকাটিতে নিহত হয়েছেন অন্তত ৮৫ জন। আহত হয়েছেন দুশতাধিক।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
বাংলাদেশের সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া অব্যাহত পদক্ষেপগুলোকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এ কথা জানিয়েছে।
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের কথিত 'নিষ্ক্রিয়তা'র অভিযোগের ব্যাপারটি যুক্তরাষ্ট্র কিভাবে দেখছে, ভয়েস অফ আমেরিকা বাংলার করা এ প্রশ্নের জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে পাঠানো এক ইমেইলে এক মুখপাত্র এ কথা জানান।
মুখপাত্র জানান, আমরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের উপর সহিংসতা ও তাদের প্রতি অসহিষ্ণুতার যেকোন ঘটনার নিন্দা জানাই এবং বাংলাদেশের সব নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া অব্যাহত পদক্ষেপগুলোকে স্বাগত জানাই।
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নিপীড়নের যে ঘটনাগুলো ঘটছে সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের ব্যাপারে জানতে চাইলে, পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠন ( করার স্বাধীনতা কে ) মৌলিক স্বাধীনতা হিসেবে সমর্থন করে। আমরা নিয়মিতভাবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারসহ আমাদের সকল অংশীদারদের কাছে সেই সমর্থনের কথা জানাই।
বাংলাদেশে ইসকনকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করার দাবি ও চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন না পাওয়া প্রসঙ্গে আরেকটি প্রশ্নের উত্তরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী ও সংবিধানে ( নাগরিকদের ) যে অধিকারগুলোর নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে, তার আলোকে এ ইস্যুগুলো সমাধান করার দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের। আমরা বাংলাদেশসহ সকল দেশকে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠন করার স্বাধীনতা এবং ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখার জন্য আহ্বান জানাই।
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রোমোটে যুক্তরাষ্ট্র কী ধরণের পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে প্রশ্ন করা হলে পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র জানান, আমরা বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ের সাথেই আমাদের সম্পর্ককে গভীরভাবে মূল্য দিই। তাদের একে অপরের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের ব্যাপারটি আমরা বাংলাদেশ ও ভারতের সরকারের উপরই ছেড়ে দিয়েছি।
মন্তব্য করুন


ভারত মহাসাগরে চীনের একটি মাছ ধরার নৌকা ডুবে গেছে। এতে ৩৯ জন ক্রু ছিলেন এবং নৌকাডুবির পর তারা সবাই নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজ এই ক্রুদের মধ্যে চীনসহ অন্যান্য দেশের নাগরিকরাও আছেন।
চীনের রাষ্ট্রীয় মিডিয়ার বরাত দিয়ে বুধবার (১৭ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত মহাসাগরে চীনা একটি মাছ ধরার নৌকা ডুবে গেছে এবং এর ৩৯ জন চীনা ও আন্তর্জাতিক ক্রু নিখোঁজ হয়েছেন।
ব্রডকাস্টার সিসিটিভি জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে এই ঘটনাটি ঘটেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিখোঁজ ক্রুদের মধ্যে চীনের ১৭ জন, ইন্দোনেশিয়ার ১৭ জন এবং ফিলিপাইনের পাঁচজন রয়েছেন।
সিসিটিভি আরও বলেছে, নৌকাডুবির ঘটনার পর নিখোঁজদের সন্ধানে সমন্বিত অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। কিন্তু ‘এখন পর্যন্ত, নিখোঁজ কোনও ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া যায়নি’। তবে আঞ্চলিক অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে সহায়তার জন্য চীন ঘটনাস্থলের আশপাশে দু’টি বাণিজ্যিক জাহাজ মোতায়েন করেছে।
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংকে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, ‘সমুদ্রে মাছ ধরার নৌযানের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাকে আরও জোরদার করা এবং সামুদ্রিক চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।’
আল জাজিরা বলছে, চীনা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে মাছ ধরার ওই নৌকা ডুবে যাওয়ার সঠিক অবস্থান চিহ্নিত করা হয়নি। এতে কেবল প্রকাশ করা হয়েছে যে, ভারত মহাসাগরের কেন্দ্রস্থলে নৌকাডুরি এই ঘটনা ঘটেছে। ভারত মহাসাগর মূলত দক্ষিণ এশিয়া ও আরব উপদ্বীপ থেকে পূর্ব আফ্রিকা এবং পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত।
ফিলিপাইন কোস্ট গার্ড বুধবার বলেছে, তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ম্যানিলায় চীনা দূতাবাসের পাশাপাশি জাহাজের সর্বশেষ অবস্থানের কাছাকাছি কাজ করা অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলের সাথে সমন্বয় করছে।
সংবাদমাধ্যম বলছে, চীন বিশ্বের বৃহত্তম গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার বহর পরিচালনা করে বলে মনে করা হয়। চীনের রাষ্ট্রীয় সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা এবং সহায়ক জাহাজের বিস্তৃত নেটওয়ার্কের অনেক জাহাজ একটানা কয়েক মাস বা এমনকি বছরজুড়ে সমুদ্রে অবস্থান করে।
অবশ্য নৌকা ডুবে যাওয়ার পেছনে কারণ কী হতে পারে তার কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে আবহাওয়া এবং উত্তাল সমুদ্র সাধারণত এই ধরনের ট্র্যাজেডির কারণ বলে মনে করা হয়।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
চলতি বছর তীব্র তাপপ্রবাহে ভারতের বিহার, উত্তর প্রদেশ ও ওড়িশায় নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ অন্তত ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তীব্র গরমে হিটস্ট্রোকে তারা মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভারতের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি) এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, শনিবার (১ জুন) অঞ্চলগুলোয় তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে।
চলতি বছর প্রচণ্ড গ্রীষ্ম দেখছে ভারত। চলতি সপ্তাহে রাজধানী দিল্লির কিছু অংশে তাপমাত্রা ৫২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠে যায়।
তবে কয়েকদিনের মধ্যে ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে গরম কমে আসতে পারে। এছাড়া চলমান তাপপ্রবাহ আরও দুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এ সময় স্বাভাবিকের চেয়ে তাপমাত্রা ৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি থেকে ৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হতে পারে।
বৃহস্পতিবার বিহারে মারা গেছেন ১৪ জন। এর মধ্যে নির্বাচনী কাজে যুক্ত ১০ জন রয়েছেন। ভারতের লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম তথা শেষ ধাপে শনিবার বিহারের কিছু অংশে ভোট হচ্ছে। মে মাসের শুরু থেকে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে তাপপ্রবাহ শুরু হয়। বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে তাপপ্রবাহ।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
প্রেসিডেন্ট রাইসির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর অন্তর্র্বতীকালীন রাষ্ট্রপতি হিসেবে মোহাম্মদ মোখবারের নাম ঘোষণা করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। তিনি দুই মাস এ দায়িত্ব পালন করবেন।
তবে ইসলামী প্রজাতন্ত্রটির সংবিধানে বলা আছে- ইরানের কোনো প্রেসিডেন্ট অসুস্থতা, মৃত্যু, অভিশংসন বা সংসদ কর্তৃক অপসারণের ফলে দায়িত্ব পালনে অপারগ হলে সংসদ এবং বিচার বিভাগের প্রধানদের সাথে যৌথভাবে আলোচনা শেষে সর্বাচ্চ ৫০ দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।
আর এসব কিছুই হতে হবে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির অনুমোদনসাপেক্ষে। কারণ ইরানের যেকোনো বিষয়ে তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।
রোববার আজারবাইজানের সীমান্তের কাছে দুটি বাঁধ উদ্বোধন করেন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। এরপর হেলিকপ্টারে ইরানের উত্তর-পশ্চিমে তাবরিজ শহরের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। সেখানেই হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত হন।
তাবরিজ থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে হেলিকপ্টারটি; কিন্তু ভারি কুয়াশা থাকায় অনুসন্ধান অভিযান চালানো কঠিন হয়ে পড়ে।
প্রেসিডেন্টের বহরে মোট তিনটি হেলিকপ্টার ছিল। অন্য দুটি হেলিকপ্টার নিরাপদে অবতরণ করে।
পূর্ব আজারবাইজানের ডেপুটি গভর্নর ফর ডেভেলপমেন্ট আলি জাকারি স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, ‘ওই বহরে তিনটি হেলিকপ্টার ছিল এবং অন্য দুটি নিরাপদে অবতরণ করতে পেরেছে। একটি বিধ্বস্ত হয়েছে।’
নিরাপদে ফেরা হেলিকপ্টারে থাকা জ্বালানি মন্ত্রী আলী আকবর মেহরাবিয়ান এবং আবাসন ও পরিবহণমন্ত্রী মেহরদাদ বজরপাশ ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসন থামার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। অবরুদ্ধ এই উপত্যকার এমন কোনো স্থান বাকি নেই যেখানে দখলদার বাহিনী হামলা চালায়নি। গাজার স্কুল, হাসপাতাল, আবাসিক ভবন, মসজিদ সবকিছুই যেন এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেখানে গত ৪৮ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ১১৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ৪৮৭ জন।
এদিকে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তেল আবিবে ইসরায়েলের গোয়েন্দা ঘাঁটিসহ বেশ কিছু স্থানে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া উত্তরাঞ্চলীয় হাইফা শহরের একটি নৌঘাঁটিতেও রকেট হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ওই হামলার ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
হিজবুল্লাহ বলছে, তারা ইসরায়েলের নিরিত এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। সেখানে বড় ধরনের বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। টেলিগ্রামে এক পোস্টে লেবাননভিত্তিক গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সংহতি এবং লেবাননের জনগণকে রক্ষায় তারা এই হামলা চালিয়েছে।
হিজবুল্লাহর হামলার পর বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে বিমান চলাচল স্থগিত করা হয়েছে এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তেল আবিবে জরুরি অবস্থা জারি করেছে।
অপরদিকে গাজার বিভিন্ন স্থানে ধ্বংসস্তুপে চাপা পড়া ফিলিস্তিনিদের সহায়তা দেওয়া উদ্ধারকর্মীদের কাজে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। এর আগে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয় (ওএইচসিএইচআর) বলেছে, হত্যা এবং বাস্তুচ্যুতির মাধ্যমে গাজার উত্তরাঞ্চলে ফিলিস্তিনি জনসংখ্যাকে ধ্বংসের কারণ হয়ে উঠছে ইসরায়েল। ওই এলাকা ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেছে দখলদার বাহিনী।
গাজায় এক বছরের বেশি সময় ধরে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে ইসরায়েল। এই সময়ের মধ্যে কমপক্ষে ৪২ হাজার ৭১৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও এক লাখ ২৮২ জন।
গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। সে সময় ইসরায়েলে হামাসের হামলায় কমপক্ষে এক হাজার ১৩৯ জন নিহত হয় এবং দুই শতাধিক মানুষকে জিম্মি হিসেবে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মুক্তিকামী ফিলিস্তিনিদের সশস্ত্র সংগঠন হামাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইসরায়েলকে আরও বোমা সরবরাহ করতে বাইডেন প্রশাসনকে আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম। তিনি এই যুদ্ধের সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের বিরুদ্ধে আণবিক বোমা ব্যবহারের তুলনা করেন।
লিন্ডসে গ্রাহাম বলেন, পার্ল হারবারের আক্রমণের পর আমরা নাগাসাকি ও হিরোশিমায় যেভাবে জবাব দিয়েছিলাম, ইসরায়েলেরও তেমন টা করা উচিত। তাদেরকে সেই বোমা সরবারহ করা উচিত।
সম্প্রতি অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার রাফাহ সীমান্তে বারবার নিষেধের পরও ইসরায়েলে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করায় তাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাঠানো বন্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এপ্রিল মাসের শুরু থেকেই মার্কিন প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে শেষ পর্যন্ত এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশেষ করে একাধিক ধরনের বোমার সরবরাহ বন্ধ রাখছে বাইডেন প্রশাসন, যেগুলি দিয়ে ইসরায়েল গাজার শহরাঞ্চলে আক্রমণ চালাতে পারে।
বোমা সরবরাহ সীমিত করা ও রাফাহ সীমান্তে অভিযান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্পর্ক কিছুটা শীতল হয়ে পড়েছে। তবে ইসরায়েলের কট্টর সমর্থন লিন্ডসে গ্রাহাম। তিনি বলেন, এই যুদ্ধে ইসরায়েলের জয় নিশ্চিতে পর্যাপ্ত বোমা সরবরাহ করা উচিত। কোনোভাবেই তাদের হারতে দেওয়া যাবে না।
গত বছরের ৭ অক্টোবর অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েল অভিমুখে হাজার হাজার রকেট ছুড়ে মুক্তিকামী ফিলিস্তিনিদের সশস্ত্র সংগঠন হামাস। এতে ইসরায়েলে নিহত হন এক হাজার ৪০০ জন। এরপরেই বছরের পর বছর ধরে গাজায় চলা সামরিক পদক্ষেপ জোরাল করে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে প্রাণ হারিয়েছে ৩৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি, আহত ৭৪ হাজারেরও বেশি। হতাহতদের বেশিরভাগই বেসামরিক। এমন অবস্থায় বিশ্বজুড়ে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে জরুরিভিত্তিতে মানবিক সহায়তার প্রবেশাধিকার বাড়ানোর জন্য ইসরায়েলকে ৩০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
আর তা না হলে ইসরায়েলকে দেওয়া মার্কিন সরকারের কিছু সামরিক সহায়তায় কাটছাঁট করা হবে বলেও সতর্ক করে দিয়েছে ওয়াশিংটন। বিষয়টি জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইসরায়েলি সরকারকে ইতোমধ্যেই একটি চিঠিও দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৬ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইসরায়েলকে চিঠিটি পাঠানো হয় গত রোববার। এই চিঠিটি মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে তার মিত্র দেশটির কাছে এখন পর্যন্ত জ্ঞাত সবচেয়ে কঠোর লিখিত সতর্কতা।
এছাড়া উত্তর গাজায় ইসরায়েলের নতুন আক্রমণের মধ্যে মার্কিন চিঠি হাতে পেল ইসরায়েল। এই আক্রমণে বিপুল সংখ্যক বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটছে বলে জানা গেছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, গাজায় অবনতিশীল মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গভীর উদ্বেগ রয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েল গত মাসে গাজার উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে মানবিক সহয়িতার পরিবহনের প্রায় ৯০ শতাংশকেই বাধা দিয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া এই চিঠিটি ইসরায়েল পর্যালোচনা করছে বলে একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইসরায়েল “এই বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে” এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাথে “দেশটির উত্থাপিত উদ্বেগের সমাধান” করতে চায়।
ইসরায়েল এর আগে বলেছে, তারা গাজার উত্তরে হামাস যোদ্ধাদের লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালাচ্ছে এবং মানবিক সাহায্যের প্রবেশ বন্ধ করছে না।
এছাড়া গাজায় ক্রসিং পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ইসরায়েলি সামরিক সংস্থা কোগাট গত সোমবার বলেছে, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সাহায্য বহনকারী ৩০টি লরি ইরেজ ক্রসিং দিয়ে উত্তর গাজায় প্রবেশ করেছে।
এর আগে জাতিসংঘ বলেছিল, উত্তরে কোনও ধরনের খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়নি এবং সেখানে ৪ লাখ ফিলিস্তিনির বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা ও অন্যান্য সরঞ্জাম শেষ হয়ে গেছে।
টানা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে গাজায় আগ্রাসন চালাচ্ছে ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় অস্ত্র সরবরাহকারী এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গত এক বছরে গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে আগ্রাসন অব্যাহত রাখতে মার্কিন সরবরাহকৃত বিমান, গাইডেড বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র এবং শেলগুলোর ওপর অনেক বেশি নির্ভর করেছে।
এদিকে ইসরায়েল সরকারের কাছে পাঠানো যুক্তরাষ্ট্রের এই চিঠির বিষয়বস্তু মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টও নিশ্চিত করেছে। এই চিঠিতে সই করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন।
এতে বলা হয়েছে, “আমরা এখন গাজার অবনতিশীল মানবিক পরিস্থিতির বিষয়ে মার্কিন সরকারের গভীর উদ্বেগকে জানানোর জন্য লিখছি এবং এই পরিস্থিতি বদলের জন্য এই মাসেই আপনার সরকারের কাছ থেকে জরুরি এবং টেকসই পদক্ষেপ চাই।”
এতে আরও বলা হয়েছে, এলাকা খালি করার ইসরায়েলি আদেশ ১৭ লাখ লোককে সংকীর্ণ উপকূলীয় আল-মাওয়াসি এলাকায় বাধ্য করেছে, সেখানে তারা চরম ভিড়ের কারণে “মারাত্মক সংক্রামনের উচ্চ ঝুঁকিতে” রয়েছেন এবং মানবিক সংস্থাগুলো রিপোর্ট করেছে, তাদের বেঁচে থাকার মতো প্রয়োজন মেটানো যাচ্ছে না।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
গাজায় যুদ্ধ ইস্যুতে গ্রেফতার আতঙ্কে ভুগছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এরই মধ্যে এই গ্রেফতারি পরোয়ানা ঠেকাতে ব্যাপক দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন তিনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন নেতানিয়াহু। আমেরিকাও বিষয়টি প্রতিরোধে নানা তৎপরতা শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সংশ্লিষ্ট বিচারকদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার কথাও ভাবছে দেশটি।
এ পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষকেও টেনে আনল ইসরাইল। দুই ইসরাইলি এবং মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছ, ইসরাইলি সরকার বাইডেন প্রশাসনকে সতর্ক করেছে যে, যদি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ইসরাইলি নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে, তাহলে তারা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া শুরু করবে, যা তাদেরকে পতনের দিকে নিয়ে যাবে।
সম্প্রতি ইসরাইলি গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, আইসিসি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, সামরিক বাহিনীর প্রধান হার্জি হালেভি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
নেতানিয়াহু বলেছেন, যদি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয় তবে এটি ‘ঐতিহাসিক পর্যায়ের একটি কেলেঙ্কারি’ হবে।
মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস প্রতিবেদনে দাবি করেছে, ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে, তারা ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের কর রাজস্ব স্থানান্তর বন্ধ করে দেবে। আর এমন পদক্ষেপ নেবে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষকে দেউলিয়া করে দেবে।
প্রসঙ্গত, ইসরাইল ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের পক্ষে ট্যাক্স সংগ্রহ করে এবং ১৯৯৪ সালে অসলো চুক্তির অধীনে তাদেরকে মাসিক ভিত্তিতে তা স্থানান্তর করে।
মন্তব্য করুন