

কুমিল্লা নগরীর ৫ নং ওয়ার্ডের পুরাতন চৌধুরীপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পিস্তলসহ ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলিফকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী ও র্যাবের যৌথ টিম।
শুক্রবার বিকেলে পুরাতন চৌধুরীপাড়ার সানমুন টাওয়ার বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলায় অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রথমে সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনা করে আলিফের ঘর তল্লাশি করে নাইন এমএম মডেলের পিস্তলটি জব্দ করে। পরে র্যাবের সাথে যৌথ অভিযানে আলিফকে গ্রেফতার করা হয়।
উল্লেখ্য যে, আলিফ কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জহিরুল হক রিন্টুর অন্যতম সহযোগী ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও একাধিক মামলার আসামি মো. শামীম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুড়িচং থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে উপজেলার সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি রাত ১১টার দিকে নিশ্চিত করেছেন বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল হক।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলা, স্থানীয় এক সাংবাদিকের ওপর হামলা, চাঁদাবাজি এবং মাদক মামলাসহ একাধিক অভিযোগে বিভিন্ন মামলায় আসামি ছিলেন মো. শামীম।
পুলিশের দাবি, শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর ছাত্রলীগের অনেক নেতা কর্মী আত্মগোপনে চলে যান। সে সময় শামীমও আত্মগোপনে থাকলেও কিছুদিন পরে সাংবাদিক পরিচয়ে এলাকায় ফিরে এসে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরে তথ্যানুসন্ধানের নামে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি এই সুযোগে এলাকায় নাশকতা, আতঙ্ক সৃষ্টি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করতেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত শামীম বুড়িচং সদরের সর্দার বাড়ির মো. আমির হোসেনের ছেলে এবং দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এ বিষয়ে বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিজুল হক বলেন, “মো. শামীম নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান, তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।”
মন্তব্য করুন


নাফ নদীর মোহনায় মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি আটক করে রাখা একটি পণ্যবাহী জাহাজ ১৬ দিন পর মুক্তি পেয়েছে। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে জাহাজটি পণ্যসহ টেকনাফ স্থলবন্দরে পৌঁছায়। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ স্থলবন্দরের মহাব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী।
তিনি জানান, গত ১৬ জানুয়ারি মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন থেকে পণ্যবাহী চারটি জাহাজ টেকনাফ স্থলবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু রাখাইন সীমান্তে নাফ নদীতে আরাকান আর্মি জাহাজগুলো আটকে দেয়। এর দুই দিন পর ধাপে ধাপে তিনটি জাহাজ ছেড়ে দেওয়া হয়। অবশেষে ১৬ দিন পর বাকি একটি জাহাজও ছেড়ে দেওয়া হলে শনিবার দুপুরে সেটি টেকনাফ স্থলবন্দরে পৌঁছায়।
জসিম উদ্দিন চৌধুরী আরও বলেন, আরাকান আর্মি জাহাজগুলো তল্লাশির জন্য আটকে রেখেছিল বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
এদিকে, স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন থেকে টেকনাফের ব্যবসায়ীদের পণ্য নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দেওয়া তিনটি জাহাজ গত ১৬ জানুয়ারি দুপুরে নাফ নদীর মোহনার নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় পৌঁছালে আরাকান আর্মি তল্লাশির নামে সেগুলো আটকে দেয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদরের রঘুপুরের কার্তিকপুর এলাকায় ২৩ বীর -এর আওতায় সেনাবাহিনী-র্যাবের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র-গোলাবারুদসহ মোঃ আবু ওবায়েদ ওরফে শিমুল আটক হয়েছে।
আটক হওয়া মোঃ আবু ওবায়েদ ওরফে শিমুল কুমিল্লা সদরের চাঁপাপুর কার্তিকপুরের আব্দুল ওয়াহবের ছেলে।
সোমবার ( ১৬ জুন) ভোর ৪ টায় এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় শিমুলের কাছ থেকে ১টি ৭.৬৫ মিমি পিস্তল, ২টি পাইপগান, ৩টি ককটেল, ৬ রাউন্ড শটগান গুলি, ১ রাউন্ড ৭.৬৫ মিমি গুলি, ১টি স্মার্টফোন, ১টি বাটন ফোন উদ্ধার করা হয়।
বিশ্বস্ত গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী শিমুল কুমিল্লার চিহ্নিত সন্ত্রাসী রেজাউলের ডান হাত হিসেবে কাজ করে। এক সময় এই রেজাউল এমপি বাহারের জন্য অস্ত্র আনার দায়িত্বে ছিল। বর্তমানে সে নিজেকে এবং শিমুলকে মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারি আবুর লোক হিসেবে পরিচয় দেয়। তারা অস্ত্র দিয়ে রাজনৈতিক সহিংসতা এবং চাঁদাবাজিতে জড়িত।
মন্তব্য করুন


ফেনী জেলায় টানা ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের ফলে ফেনী জেলার ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা দেখা দিয়েছে।
গত ০৮ জুলাই জেলা প্রশাসক, ফেনী এর তত্ত্বাবধানে বন্যা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে সেনাবাহিনীর সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয় সম্পর্কে আলোচনা হয়। এ প্রেক্ষিতে গত বছরের (২০২৪) ভায়াবহ বন্যা পরিস্থিতি থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতার আলোকে সর্বোচ্চ সহায়তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী কর্তৃক প্রস্তুতি কার্যক্রম গ্রহণ শুরু হয়েছে।
পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলার সেনা ক্যাম্প সমূহে ইতোমধ্যে ট্রাইশার্ক বোট, ওবিএম ইঞ্জিন এবং লাইফ জ্যাকেট মোতায়েন করা হয়েছে, যা উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে ব্যবহার করা হবে।
এছাড়াও জরুরী পরিস্থিতিতে চিকিৎসা সেবা নির্বিঘ্ন রাখতে সেনাবাহিনীর একটি চিকিৎসক দল জেলা সিভিল সার্জন এর সাথে সমন্বয় সভা করেছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক জানানো হয় যে, সেনাবাহিনী সবসময় জাতির দুর্যোগকালীন মুহূর্তে জনগণের পাশে রয়েছে। প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ফেনী বন্যা মনিটরিং সেল হেল্পলাইন নম্বর ০১৮৯৮৪৪৪৫০০ এবং ০১৩৩৬৫৮৬৬৯৩ এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে অটো মিশুক চালক সৈকত হত্যার ঘটনা জড়িত অন্যতম আসামি তুহিন মজুমদারকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২ সদস্যরা।
গ্রেফতার হওয়া তুহিন মজুমদার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের বাবুল মজুমদারের ছেলে। ৭ আগস্ট রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গত ০৩ জুলাই রাতে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাহেরগড়া এলাকার নাঙ্গলিয়া খাল পাড়ে সৈকত (১৯) নামে এক অটোমিশুক চালক নৃশংসভাবে খুন হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, ভিকটিম তাফরুল ইসলাম সৈকত (১৯) অটো মিশুক চালানোর উদ্দেশ্যে গত ০২ জুলাই বিকাল ৫ টায় বাড়ী থেকে বের হয়। রাত ১১ টা অতিবাহিত হওয়ার পরও সৈকত বাড়ীতে না ফেরায় তার পরিবার তাকে বিভিন্ন স্থানে খোজ করতে থাকে। পরবর্তীতে বিকাল সাড়ে ৫ টায় চৌদ্দগ্রামের মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাহেরগড়া এলাকার নাঙ্গলিয়া খাল পাড়ে ভিকটিম সৈকত (১৯) এর লাশ পাওয়া যায়।
উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-০৭। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি ও ছায়াতদন্ত শুরু করে।
গোয়েন্দা নজরদারী ও ছায়াতদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত অন্যতম আসামী তুহিন মজুমদার (৩২) এর অবস্থান চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকায় শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ০৭ আগষ্ট রাতে র্যাবের অভিযানে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বসন্তপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত অন্যতম আসামী তুহিন মজুমদারকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী সহ অন্যান্য আসামীদের সাথে ভিকটিমের সু-সম্পর্ক ছিল। সে সূত্র ধরে গত ০১ জুলাই রাতে গ্রেফতারকৃত আসামী সহ তার অন্যান্য সহযোগী আসামীরা একত্রে মিলিত হয়ে ভিকটিমকে হত্যা করে তার অটো মিশুকটি ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করে। তারই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন ০২ জুলাই রাত ১১ টায় আসামীরা অটো মিশুকসহ ভিকটিমকে নিয়ে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাহেরগড়া এলাকার নাঙ্গলিয়া খাল এলাকায় গিয়ে সবাই মিলে বসে গল্প করে। এক পর্যায়ে পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক গ্রেফতারকৃত আসামীর নির্দেশে ঘটনাস্থলের পাশে লুকিয়ে রাখা চাপাতি দিয়ে অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে কুপিয়ে হত্য করে ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিত করে ভিকটিমের কাছে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল এবং অটো মিশুকটি নিয়ে লাশ খালে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে।
গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১১, সিপিসি ২ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় সেপটিক ট্যাংক থেকে এক ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের চুলডগি এলাকার জামালের বাড়ির বাথরুমের সেপটি ট্যাংকি থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.রবিন হোসেন (১৬) একই ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের রাজহরিতালুক গ্রামের মাকু মিয়া সওদাগর বাড়ির মো.ইউনূসের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিন পেশায় একজন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালক ছিলেন। সে তার সৎমা রুনা আক্তারের সাথে একই বাড়িতে বসবাস করত। নভেম্বর মাসে তার বাবা ঢাকা যাওয়ার সময় তার অটোরিকশা ছেলেকে চালাতে দিয়ে যান। গত ৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যার দিকে উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ডিবি রোড থেকে অটোরিকশাসহ নিখোঁজ হন রবিন। পরে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারে ওই দিন সন্ধ্যার দিকে একই গ্রামের জুয়েল (২৬) সহ অজ্ঞাত কয়েকজন লোককে স্থানীয়রা তার সাথে মোবাইল নিয়ে ধস্তাধস্তি করতে দেখেন। এ বিষয়ে জুয়েলকে রবিনের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি এলামেলো কথাবার্তা বলেন। পরে জুয়েলকে স্থানীয়রা মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করে। নিখোঁজের ৬দিন পর সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন বাথরুমের সেপটি ট্যাংকে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, গলায় কাপড় পেঁচিয়ে রবিনকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের সৎমা ৫ ডিসেম্বর প্রথমে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে পুলিশ ভিকটিমকে না পেয়ে সেটিকে অপহরণ মামলা হিসেবে রুজু করে। এর পর পরই ভিকটিমের মোবাইলের সূত্র ধরে দুজনকে আটক করা করা হয়। তারা ভিকটিমের মোবাইল ব্যবহার করছিল।
ওসি কামরুল ইসলাম আরও বলেন, আজ সকালে বাথরুমের সেপটি ট্যাংকির সামনে গিয়ে একটি কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে থাকে। পরবর্তীতে স্থানীয়রা এসে বাথরুমের সেপটি ট্যাংকের স্ল্যাবের মুখ খুললে রবিনের মরদেহ দেখতে পায়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদর উপজেলার ২নং দূর্গাপুর (উঃ) ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোনিয়া আক্তারের প্রতি অনাস্থা প্রদান ও অত্র ইউনিয়নে বিধি মোতাবেক প্রশাসক নিয়োগ প্রদানের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সদস্যরা। এরই প্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার (৯ আগষ্ট) সকালে উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া ২ নং দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় পরিদর্শনে যান এবং এবং কার্যালয়ের বিভিন্নজনের সাথে কথা বলেন। তবে অভিযোগকারী ওয়ার্ড সদস্য কেউই ওইদিন ইউনিয়ন পরিষদে যাননি।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সুত্র জানায়, এখানে বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী ইউনিয়ন সদস্যদের ঐদিন ইউনিয়ন পরিষদে আসতে বাধা প্রদান করে।
লিখিত অভিযোগে ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল মতিন, আব্দুল জলিল, মোহাম্মদ আবুল হোসাইন, মোঃ আসলাম খান, মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম, মোঃ জাহের, রোছমত আলী, নাজমুল হাসান, খোরশেদ আলমসহ আরো অনেকে উল্লেখ করেছেন, আমরা আদর্শ সদর উপজেলার ২নং দূর্গাপুর (উঃ) ইউনিয়নের নির্বাচিত সদস্য। ৫ আগষ্ট প্রেক্ষাপটে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এর দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারণে অত্র ইউনিয়নের ৩নং প্যানেল চেয়ারম্যান সোনিয়া আক্তারকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া হয়। এক্ষেত্রে ১নং প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল ও ২নং প্যানেল চেয়ারম্যান নাজমুল হাসানকে উপেক্ষা করা হয়, যাহা বিধি সম্মত নয়। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোনিয়া আক্তার দায়িত্ব পাওয়ার পর হতে বিভিন্ন রকম অনিয়ম ও দূর্নীতির সাথে জড়িয়ে পরেন। ইউনিয়নের বিভিন্ন রকম ট্যাক্স টোল বৃদ্ধি করে দেয়। বিভিন্ন সরকারি অনুদানের বিষয় আমাদেরকে অবগত না করে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেন নিজের ইচ্ছামত। পরবর্তীতে আমাদেরকে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেন। আমাদেরকে বিভিন্ন প্রকার ভয় ভীতি প্রদর্শন করেন। জনগণের সামনে আমাদের কে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। ইউনিয়নের রিলিফ বন্টনে নানা অনিয়ম করেন। নিয়মিত অফিস করেন না, ফলে জনসাধারণ বিভিন্ন রকম ভোগান্তিতে পরেন। উল্লেখ্য যে, ইউনিয়নের হতদরিদ্র চাউলের ডিলারশীপ তার মায়ের নামে নিয়ে নিজে পরিচালনা করেন এবং বিতরণে নানা রকম অনিয়ম করেন। এহেন অবস্থায় আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারীগণ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোনিয়া আক্তারের প্রতি অনাস্থা প্রদান করিলাম এবং বিধি মোতাবেক একজন প্রশাসক নিয়োগ করার জন্য মহোদয়ের নিকট সদয় আবেদন করছি।
সমবায় অফিসার মোঃ শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, যারা অভিযোগ করেছে তারা আমার পরি পরিদর্শনের দিন ইউনিয়ন পরিষদে আসেনি। ফলে আমি কথা বলতে পারিনি তাদের সাথে । তদন্ত চলছে। পরে বিস্তারিত জানাবো।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন ইউপি সদস্য জানান, আমাদেরকে পথে পথে বাঁধা প্রদান করা হয়েছে, হুমকি দেয়া হয়েছে। তাই আমরা আতঙ্কে ঐদিন ইউনিয়ন পরিষদে যেতে পারিনি। বিএনপি'র একটি শক্তিশালী মহল এর যুবলীগ নেত্রী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কে এই পদে বহাল রাখতে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করছে।
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার মুঠো ফোনে কল দিলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


ভারত থেকে মাদক ও বিদেশী অস্ত্র নিয়ে এসে বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করার অপরাধে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃত রিয়াদ হোসেন (২৯) কুমিল্লা সদর উপজেলার ভাটকেশ্বর গ্রামের জসিমের ছেলে। অপর যুবক মামুন মিয়া (২৯) একই গ্রামের মৃত মঞ্জিল মিয়ার ছেলে।
মঙ্গলবার সকালে কুমিল্লা র্যাব ১১ এর অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
মেজর সাদমান জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ভাটকেশ্বর গ্রামে অভিযান চালিয়ে দুই যুবককে একটি বিদেশী পিস্তল,৩ রাউন্ড গুলি একটি ম্যাগজিন, বিপুল পরিমান মাদকসহ গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত দুই যুবকের মধ্যে অস্ত্র ও মাদক আইনে রিয়াদের বিরুদ্ধে ১৮ টি ও মামুনের বিরুদ্ধে ৫ টি রয়েছে।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টারঃ
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ২৮ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।
রবিবার (২০ অক্টোবর) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে র্যাব।
আটককৃত মাদক কারবারিরা হলেন, স্বপন বিশ্বাস (৩৩) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার কালিপদ বিশ্বাসের ছেলে এবং বেল্লাল হোসেন (৪৫) একই জেলার কসবা উপজেলার আকাপপুর গ্রামের আঃ রাজ্জাকের ছেলে।
কুমিল্লা র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টারঃ
কুমিল্লার চান্দিনায় বন্ধুদের সাথে মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে ইয়াছিন আহমেদ নামের ১৩ বছরের এক কিশোর। ওই দূর্ঘটনায় আহত হয়েছে তার আরও ২ বন্ধু।
নিহত কিশোর চান্দিনা উপজেলার বাতাঘাসী ইউনিয়নের সব্দলপুর গ্রামের কৃষক শাহজাহান মিয়ার ছেলে।
ওই দূর্ঘটনায় আহত হয়েছে একই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম এর ছেলে মোশারফ (২৬), মেহবুব মিয়ার ছেলে অনিক (১৬)। গুরুতর আহত অবস্থায় তারা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সোমবার (২১ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার নূরীতলা বাস স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ওই দূর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ইয়াছিন শৈশব থেকেই চঞ্চল প্রকৃতির। তাকে মারধর করেও বিদ্যালয়ে পাঠানো সম্ভব হয়নি। শিক্ষা বিমুখ ইয়াছিন বন্ধুদের সাথে সে প্রায়ই মোটরসাইকেলে কোথাও না কোথাও ঘুরতে যেত। সোমবার দুপুরে তার চাচাতো ভাই মোবাইল রিচার্জ ও বিকাশ ব্যবসায়ী মোশারফের মোটরসাইকেলে করে ইয়াছিন ও তার বন্ধু অনিক সহ ঘুরতে বের হয়। নিজ বাড়ি থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হয়ে কুমিল্লায় যাওয়ার পথে নূরীতলা এলাকায় দূর্ঘটনার শিকার হয় তারা।
প্রত্যক্ষদর্শী সিরাজুল ইসলাম জানান, খুব দ্রুত গতিতে মোটরসাইকেলটি ছুটে আসছিল। এসময় একটি বাস তাদেরকে ওভারটেকিং করার সময় মোটরসাইকেল চালক নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পেরে এক পথচারীকে ধাক্কা দিয়ে মহাসড়কে আঁছড়ে পড়ে। মারাত্মক আহত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইয়াছিন নামের ওই কিশোরকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর দুজনকে কুমিল্লায় রেফার করেন।
এদিকে সোমবার সকালেই ইয়াছিনের বাবা শাহজাহান মিয়া ও মা জোৎস্না বেগমের চোখের অপারেশন কুমিল্লার আলেখার চরে অবস্থিত চক্ষু হাসপাতালে সম্পন্ন হয়। সন্তানের মৃত্যুর খবর শুনে তারা চোখে বেন্ডেজ লাগানো অবস্থায়ই হাসপাতাল থেকে ছুটি নিয়ে বাড়িতে পৌঁছায়। ইয়াছিন এই দম্পতির কনিষ্ঠ সন্তান।
হাইওয়ে পুলিশ ইলিয়টগঞ্জ ফাঁড়ির ইন-চার্জ (ইন্সপেক্টর) দেওয়ান কৌশিক আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পরপর আমাদের পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় কিন্তু সেখানে কাউকে পায়নি।
মন্তব্য করুন