

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে ভোট প্রদান প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি কিংবা নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অপচেষ্টা রোধ করাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছে ৩৩ পদাতিক ডিভিশন।
রবিবার দুপুরে ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের কর্নেল স্টাফ, কর্নেল কে এম মেহেদী হাসান সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার অংশ হিসেবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, সন্ত্রাস দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও মাদক নির্মূলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালী, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী জেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।
ডিভিশন সূত্রে জানা গেছে, চলমান অভিযানে ইতোমধ্যে বিপুল পরিমাণ দেশি ও বিদেশি অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় নিরাপত্তা প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বিশেষ নিরাপত্তা মহড়া পরিচালনা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
৩৩ পদাতিক ডিভিশনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, যেকোনো পরিস্থিতিতেই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী বদ্ধপরিকর। ভোটাররা যেন কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে এসে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সকল নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাধারণ জনগণসহ দলমত নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলা হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল ইউনিট মাঠপর্যায়ে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে এবং অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টারঃ
ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লায় বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টায় কুমিল্লার কান্দিরপাড় এলাকায় এই বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
জানা গেছে, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উত্তর আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের প্রাঙ্গণে হিন্দু সংঘর্ষ সমিতি নামক একটি সংগঠনের সমর্থকেরা হামলা চালায়। তারা হাইকমিশনের ভেতরে প্রবেশ করে বাংলাদেশের পতাকা নামিয়ে সেটিতে আগুন দেয় এবং ভাঙচুর করে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে কুমিল্লায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে ছাত্ররা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। তারা অভিযোগ করেন, ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচারের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, “যদি এমন ষড়যন্ত্র চলতে থাকে, তবে সারা বাংলার মানুষ ভারতের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।”
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমিল্লা জেলা শাখার আহ্বায়ক নাঈমুর রহমান, সংগঠক বিল্লাল হোসেন, মুখ্য সংগঠক আরাফ ভূঁইয়া এবং যুগ্ম সদস্য সচিব ইয়াসিন আরাফাত হিমু প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে ভোট প্রদান প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি কিংবা নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অপচেষ্টা রোধ করাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছে ৩৩ পদাতিক ডিভিশন।
রবিবার দুপুরে ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের কর্নেল স্টাফ, কর্নেল কে এম মেহেদী হাসান সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার অংশ হিসেবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, সন্ত্রাস দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও মাদক নির্মূলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালী, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী জেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।
ডিভিশন সূত্রে জানা গেছে, চলমান অভিযানে ইতোমধ্যে বিপুল পরিমাণ দেশি ও বিদেশি অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় নিরাপত্তা প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বিশেষ নিরাপত্তা মহড়া পরিচালনা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
৩৩ পদাতিক ডিভিশনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, যেকোনো পরিস্থিতিতেই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী বদ্ধপরিকর। ভোটাররা যেন কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে এসে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সকল নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাধারণ জনগণসহ দলমত নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলা হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল ইউনিট মাঠপর্যায়ে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে এবং অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরাম কুমিল্লা ইউনিট গঠিত হয়েছে। শনিবার কুমিল্লা কর আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় নেতারা তিন বছরের জন্য ওই কমিটি অনুমোদন দেন। এতে অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান রাজনকে সভাপতি, অ্যাডভোকেট মোঃ ইফতেখার হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক ও অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলামকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২৫ সদস্যদের ওই কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
কমিটির অন্যান্যরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন চৌধুরী শিশু ও অ্যাডভোকেট ইকরাম হোসেন। সহ-সভাপতি আইটিপি আবুল মিয়া। সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আল মাহমুদ সাগর। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাহাউদ্দিন রাজন ও অ্যাডভোকেট আবু সুফিয়ান। দপ্তর সম্পাদক আইটিপি মোঃ আতিকুর রহমান, প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাজী মফিজুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বরকতের নেছা পাখি, সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহনাজ সুলতানা সুমা, অর্থ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ শাহজাহান ভুইয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নূরে আলম ও ক্রীড়া সম্পাদক অ্যাডভোকেট জামাল সরকার। সদস্যরা হলেন- অ্যাডভোকেট সামসুর রহমান ফারুক, অ্যাডভোকেট মোঃ কামাল হোসেন, অ্যাডভোকেট মোঃ জালাল আহম্মেদ, অ্যাডভোকেট এফ আহম্মেদ শান্ত, অ্যাডভোকেট মোঃ শুকুর আলী সাফী, অ্যাডভোকেট মোঃ নুরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট কাজি মামুনুর রশিদ, আইটিপি রেজাউল খান চৌধুরী ও আইটিপি আবদুল কাদের ভুইয়া। প্রধান উপদেষ্টা পিপি অ্যাডভোকেট কাইমূল হক রিংকু। উপদেষ্টারা হলেন- অ্যাডভোকেট মোঃ শরিফুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মাহবুবুল হক খন্দকার ও অ্যাডভোকেট মফিজুল ইসলাম।
মতবিনিময়ঃ
তার আগে শনিবার সকালে কুমিল্লা কর আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে কমিটি গঠনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। কুমিল্লা জেলা কর আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান রাজনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের কমপ্লেইন্ট এন্ড ভিজিলেন্স কমিটির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র যুগ্ম-সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুল মতিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশনের সভাপতি এ এইচ এম মাহবুবুস সালেকিন, ঢাকা ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান ভূঁইয়া, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ শরীফুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরাম, ঢাকা ট্যাক্সেস বার ইউনিটের সেক্রেটারী মোঃ মনজুর হোসেন পাটোয়ারী, ঢাকা ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু নাছের মজুমদার মেজবা, জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আশরাফ হোসেন খান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরাম, ঢাকা ট্যাক্সেস বার ইউনিটের জয়েন্ট সেক্রেটারী মোঃ শামীম মনি, কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান খন্দকার, কুমিল্লা কর আইনজীবী সমিতির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আইটিপি বাবুল মিয়া, কুমিল্লা বার এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ইকরাম হোসেন, কর আইনজীবী সমিতির যুগ্ম-আহ্বায়ক আইটিপি আবুল খায়ের ও অ্যাডভোকেট বরকতের নেছা পাখি। এসময় সিনিয়র অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন চৌধুরী শিশু সহ আইনজীবী ও আইটিপিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা মহানগরীর জাঙ্গালিয়া এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশন এবং র্যাব-১১ (সিপিসি-২) এর যৌথ উদ্যোগে একটি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ নাজমুল ইসলাম শামীম নামের এক সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) গভীর রাত থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায় , গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে মোঃ নাজমুল ইসলাম শামীমের বাসভবনে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তার বাসা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্থানীয়ভাবে তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র, দেশি ও বিদেশি গোলাবারুদ এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তার ব্যবহৃত গোপন আস্তানাগুলোতেও তল্লাশি চালানো হয়, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে তাকে সেখানে পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় জিপিএস ও লোকেশন ট্র্যাকিং পরিচালনা করে সন্দেহভাজন শামীমকে আটক করা হয়।
আটক হওয়া নাজমুল ইসলাম শামীম মহানগরীর ২১ নং ওয়ার্ডের জাঙ্গালিয়া এলাকার মরহুম আব্দুল হালিমের ছেলে।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে স্থানীয়ভাবে তৈরি ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র / পাইপগান, ৬০ রাউন্ড শটগান কার্তুজ, ( ১২ বোর × ৭০ মিমি – ৪০ রাউন্ড ও ১২ বোর × ৭৬ মিমি – ২০ রাউন্ড) । ১৮ রাউন্ড মেশিনগান গোলাবারুদ (৭.৬২×৫৪ মিমি, POF নির্মিত), ১ রাউন্ড পিস্তল গোলাবারুদ (৭.৬২×২৫ মিমি, টোকারেভ: S&B নির্মিত), ১ রাউন্ড রিভলভার/ এয়ারগান গোলাবারুদ, ১০টি ছুরি, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল। এছাড়া দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, ৮টি মানিব্যাগ, এটিএম কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এনআইডি জব্দ করা হয়।
স্থানীয় বিভিন্ন প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সন্দেহভাজন শামীম জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ডের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি পূর্বে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন। এছাড়াও তিনি কুমিল্লা শহরের একজন চিহ্নিত বড় চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। ভয়ের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে তার বিরুদ্ধে বক্তব্য প্রদান করতে সাহস পান না, তবে একাধিক সূত্র থেকে তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার পরই সেনাবাহিনী তার বাসায় অভিযান পরিচালনা করে।
সন্দেহভাজন শামীমের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় কমপক্ষে ৭টি মামলা বিদ্যমান।
অস্ত্রসহ তাকে র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


মানিকগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের মামলার পলাতক আসামি সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের এপিএস আমিনুর রহমান সেলিমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার (১৩ আগস্ট) রাতে দিঘি এলাকার নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি এস এম আমান উল্লাহ নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার হওয়া আমিনুর রহমান সেলিম সদর উপজেলার দিঘি ইউনিয়নের রমনপুর গ্রামের আলতাফ মাস্টারের ছেলে।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি এস এম আমান উল্লাহ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে দিঘি এলাকার নিজ বাসভবন থেকে আমিনুর রহমান সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে আদালতে পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ছাত্রলীগের প্রতিবাদ সমাবেশকে কেন্দ্র করে দলীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১৪ মে) দুপুরে দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন বেলকুচি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন।
এর আগে শনিবার (১৩ মে) রাতে বেলকুচি পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আল আমিন সরকার বাদী হয়ে বেলকুচির পৌর মেয়র সাজ্জাদুল হক রেজাকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৩০-৪০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় একটি দায়ের করেন। মামলায় রাতেই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বেলকুচি উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়ের শ্যামগাতি গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে সোহেল রানা ও পৌর এলাকার জিধুরী গ্রামের আকছেদ আলীর ছেলে রমজান আলী।
বেলকুচি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় রাতে থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলায় পৌর মেয়রকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। আমরা রাতেই অভিযান চালিয়ে মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, শনিবার বিকেলে বেলকুচি উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সমাবেশকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুই সাংবাদিকসহ আওয়ামী
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকারের অভিযোগে ৩টি ফিশিং ট্রলারসহ ৪৮ ভারতীয় জেলেকে আটক করা হয়েছে।
মোংলা বন্দরের অদূরে ফেয়ারওয়ে-সংলগ্ন গভীর সাগর থেকে বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে এসব ট্রলার ও জেলেদের আটক করে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী। আজ শুক্রবার তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
জানা গেছে, মা ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের প্রজনন নিশ্চিতে ২২ দিন মৎস্য আহরণ বন্ধ। এ অবস্থায় বঙ্গপোসাগরে দেশের জলসীমায় প্রবেশ করে মাছ শিকার করছে ভারতীয় জেলেরা। এমন অপরাধে ভারতীয় পতাকাবাহী ৩টি ফিশিং ট্রলারসহ ৪৮ জেলেকে আটক করেছে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড।
পুলিশ বলছে, গত ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের নিয়মিত প্যাট্রোলিং চলাকালে জাহাজের রাডারে সন্দেহজনক ফিশিং ট্রলারের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তথ্যাদি বিশ্লেষণ করে বিদেশি পতাকাবাহী ট্রলার হিসেবে শনাক্ত করা হয়। এ সময় দেশীয় প্রশাসনের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড সদস্যরা ধাওয়া করে ট্রলার তিনটি বাংলাদেশের জলসীমাতেই আটক করতে সক্ষম হয়।
মোংলা থানার ওসি মো. আনিসুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে পৃথক দুটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মামলা দায়ের শেষে শুক্রবার বিকালে আটক জেলেদের আদালতে পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলায় একটি বিল থেকে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার জাফরগঞ্জ এলাকার দোয়াইজলা নামক বিলে ফসলি জমির পাশে ওই দুজনের মরদেহ পাওয়া যায়।
নিহতরা হলেন- দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ গ্রামের প্রয়াত দুলু মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (৩০) এবং খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার সুখাকেন্দ্রায় গ্রামের রহুল আমিন মিয়ার ছেলে মোহন মিয়া (৩৫)। তারা ইন্টারনেট ও ডিস সংযোগ বিল তোলা, সংযোগ স্থাপন ও মেরামতের কাজ করতেন।
পুলিশ জানায়, মরদেহে তেমন কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে মরদেহের কাছ থেকে মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছে। এ কারণে তারা নিশ্চিত হতে পারছে না যে, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে।
মনিরের ছোট বোন জান্নাত আক্তার জানান, "মনির আমার একমাত্র ভাই, তাকে কারা হত্যা করেছে আমরা বলতে পারব না। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে, এখন তাদের কি হবে?"
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, মরদেহ দুটি খড়ের ওপর পাওয়া গেছে এবং প্রায় ২০-২৫ ফুট দূরে খড়ের একটি গাদা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, শনিবার রাতের কোনো এক সময় তারা খড় নিয়ে এখানে বসে মাদকসেবন করছিলেন। মাদকে সম্ভবত বিষাক্ত কিছু ছিল, যা সেবনের পর তাদের শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম বলেন, "রবিবার সকালে দোয়াইজলা বিলে কৃষকরা কাজ করতে এসে দুজনের মরদেহ দেখে আমাকে খবর দেয়। পরে ঘটনা নিশ্চিত হয়ে পুলিশকে খবর দেই। তারা দুজনই ডিস ও ইন্টারনেট সংযোগের কাজ করতেন। এটি হত্যাকাণ্ড কিনা, এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।"
ডিস ও ইন্টারনেট ব্যবসায়ী বদিলউল আলম সানোয়ার বলেন, "মনির ও মোহন আমার প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। মনির বাড়িতে থাকত এবং মোহন অফিসে। মোহনের বাবা আমাকে জানিয়েছেন, রাত ১১টার পর শেষবার মোহনের সঙ্গে কথা হয়েছে, তারপর তাকে আর অফিসেও পাওয়া যায়নি।"
তারা মাদক সেবন করতেন কিনা জানতে চাইলে সানোয়ার বলেন, "মনির মাদকাসক্ত ছিল, কিন্তু মোহন মাদক সেবন করত কিনা আমি জানি না।"
এ বিষয়ে দেবীদ্বার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ মো. শাহীন জানান, "আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এখনই বলা সম্ভব নয় এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কিছু। তবে ঘটনাস্থল থেকে সিরিঞ্জ, সিগারেট, স্পিরিটের খালি বোতলসহ বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। এগুলোর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। আরও তথ্য এবং আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে।"
তিনি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে এবং তদন্তের পর বিস্তারিত জানানো হবে।
মন্তব্য করুন


জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম বলেছেন, সামনে নতুন নির্বাচিত সরকার আসবে। তাই ভোট টাকার বিনিময়ে না দিয়ে যোগ্য এবং সৎ প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে।
বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, "নতুন বাংলাদেশ, নতুন সরকার। সামনে নতুন নির্বাচিত সরকার আসবে। সেই সঙ্গে নতুন মেম্বার, চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে এমপি-মন্ত্রীর নির্বাচন হবে। ভোটের দিন আমরা টাকার বিনিময়ে ভোট না দিয়ে যোগ্য এবং সৎ প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে।"
সারজিস আলম আরও বলেন, "পাঁচ বছরের জন্য একজন প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করার সুযোগ আমাদের কাছে মাত্র একবার আসে। যদি আমরা সেই সুযোগ কয়েকশ টাকার বিনিময়ে নষ্ট করি, তাহলে আগামী পাঁচ বছর সেই প্রতিনিধি আমাদের উপর জুলুম করবে। এ দায়ভার আমরা এড়াতে পারব না। তাই ব্যক্তিগতভাবে আমাদের সচেতন হতে হবে এবং দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।"
মন্তব্য করুন


যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বিএনপি নেতা মনোয়ার সরকার বলেছেন, "দেশপ্রেম, ধর্মীয় মূল্যবোধ, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক যোগ্যতাসম্পন্ন সংসদ সদস্যরাই আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।"
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
মনোয়ার সরকার বলেন, "বিশ্বায়নের এই প্রতিযোগিতাপূর্ণ যুগে বাংলাদেশকে আর পিছিয়ে থাকতে দেওয়া যাবে না। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে উন্নত, স্বনির্ভর ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই দেশ গড়ে তোলার জন্য তাঁরই সুযোগ্য সন্তান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "দেশ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হলে তৃণমূলের সাংগঠনিক দক্ষতা আরও সমৃদ্ধ করতে হবে। এতে দল যেমন শক্তিশালী হবে, তেমনি জনগণের সঙ্গে সম্পর্কও আরও গভীর হবে।"
কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মনোয়ার সরকার জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক হয়রানি, মামলা, ভয়ভীতি ও পারিবারিক উদ্বেগের কারণে দেশে আসতে পারেননি। তবে দলীয় মনোবল ধরে রাখতে তিনি প্রবাসে থেকেও ডিজিটাল প্লাটফর্মে সক্রিয় ছিলেন।
তিনি বলেন, "৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আমি আমার জন্মভূমিতে ফিরে আসতে পেরেছি। দেশে ফিরে প্রায় সাড়ে আট মাস ধরে আমি এলাকায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছি। মানুষের পাশে মানবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে দাঁড়িয়েছি। তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি।"
মনোয়ার সরকার বলেন, "শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আমাদের শিখিয়েছেন—রাজনীতি হবে মানুষের কল্যাণের জন্য। সেই আদর্শ নিয়েই আমি এবং আমার সহযোদ্ধারা মাঠে কাজ করছি।"
তিনি হুঁশিয়ার করে বলেন, "ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকারের পতনের পর একটি স্বার্থান্বেষী মহল দেশের অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।"
মন্তব্য করুন