

কুমিল্লা সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের উদ্যোগে দুস্থ ও ছিন্নমুল লোকদের মাঝে বিনামূল্যে প্রতিদিন অন্তত ৫০০ প্যাকেট করে ইফতার বিতরণ করা হচ্ছে।
রমজানের তৃতীয় দিনেও এই ইফতার বিতরণের মত মানবিক দায়িত্ব পালন করেছে সেনাবাহিনী।
কুমিল্লা সেনানিবাসের প্রধান ফটকের সামনে শনিবার বিকেলে এই ইফতার বিতরণ করা হয়।
উক্ত ইফতার পেয়ে তৃপ্তি সহকারে সাধারণ মানুষ ইফতার করতে পারছে।
কুমিল্লা সেনানিবাসের আশেপাশের বেশ কয়েকটি এলাকার মানুষ প্রতিদিন সেনাবাহিনীর কাছ থেকে ইফতার পাচ্ছেন। সেনাবাহিনীর এ মহতী উদ্যোগ প্রশংসা পাচ্ছে সর্ব মহলে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
শৃঙ্খলার সঙ্গে না বসার কারণে এবার রাজশাহীর সারদায় পুলিশ একাডেমিতে ৪০তম ক্যাডেট–২০২৩ ব্যাচে প্রশিক্ষণরত অর্ধশতাধিক ক্যাডেট উপপরিদর্শকে (এসআই) কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। গত সোমবার ও বৃহস্পতিবার তাদের নোটিশ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ মাঠে নাশতা নিয়ে হইচই করার কারণে সম্প্রতি একই ব্যাচের ৭০৪ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে ২৫২ জনকে শোকজ করা হয়েছিল। জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় তাদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
একাডেমি সূত্র জানায়, গত সোমবার ওই ব্যাচের ১০ জন এসআইকে দ্বিতীয় দফায় শোকজ করা হয়। এরপর ২৪ অক্টোবর তৃতীয় দফায় আরও ৪৯ জনকে শোকজ করা হয়। তিন দিনের মধ্যে তাদের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
২৪ অক্টোবর প্রশিক্ষণরত এক এসআইকে দেওয়া শোকজ নোটিশে বলা হয়, গত ২১ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চেমনি মেমোরিয়াল হলে আইনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধারার ওপর প্রশিক্ষণরত ক্যাডেট এসআইদের ক্লাস ছিল। প্রশিক্ষণ চলাকালে পরিদর্শক পদমর্যাদার চারজন প্রশিক্ষক দেখতে পান, সিটে বসার সময় ওই এসআই শৃঙ্খলার সঙ্গে না বসে এলোমেলোভাবে বসে হইচই করে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করেছেন। একজন প্রশিক্ষক বারবার শৃঙ্খলার সঙ্গে বসতে বললেও তিনি নির্দেশ অমান্য ও কর্ণপাত না করে বসা নিয়ে হইচই করতে থাকেন।
নোটিশে আরও বলা হয়, পাঠদান চলাকালে এই এসআইয়ের ক্লাসে কোনো মনোযোগ ছিল না এবং পাশাপাশি বসে কথা বলছিলেন। এ জন্য একজন প্রশিক্ষক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে একাডেমির অধ্যক্ষের কাছে লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। তাই বিধি অনুযায়ী কেন তাকে চলমান মৌলিক প্রশিক্ষণ হতে অব্যাহতি দেওয়া হবে না, তা কৈফিয়ত তলবনামা প্রাপ্তির পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে ওই এসআইকে দাখিলের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলেও পুলিশ একাডেমির পক্ষ থেকে কেউ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার সদর দক্ষিণে গত ২৯ এপ্রিল ৯ বছরের শিশু তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণসহ নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত ঘাতক মফিজুল ইসলাম প্রকাশ মফুকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে কুমিল্লা র্যাব-১১, সিপিসি-২ সদস্যরা। এর আগে নিহত শিশুটির মা বাদী হয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ধর্ষণসহ হত্যার ঘটনাটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুরুত্ব সহকারে প্রচারিত হলে দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচিত হয়।
এরপর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১১ এর বিশেষ অভিযানে গত ৩০ এপ্রিল রাতে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার ফেরুয়া বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষক ও হত্যাকারী মফিজুল ইসলাম প্রকাশ মফুকে গ্রেফতার করা হয়।
ঘাতক মফু কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার খিলপাড়া গ্রামের মৃত. আব্দুল খালেকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শিশুটির পিতা সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী এবং তার মা একজন গৃহিনী। নিহত সোনালী উপজেলার শিশু শিক্ষা বিদ্যা নিকেতন কিন্ডারগার্ডেন স্কুলে তৃতীয় শ্রেণীতে অধ্যায়নরত ছিল। সকাল ৭টায় সে স্কুলের উদ্দেশ্যে বের হয়, বেলা ১১ টার দিকেও ভিকটিম বাড়ী না ফিরলে ভিকটিমের মা চিন্তিত হয়ে পড়েন এবং কালক্ষেপন না করে তিনি তার মেয়ের স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা করেন। স্কুলে পৌছানোর পর স্কুল শিক্ষিকার শরনাপন্ন হয়ে মেয়ের বিষয়ে কোন হদিস না পেয়ে ভিকটিমের মা স্কুল থেকে ফেরার পথে ভিকটিমের বেশ কয়েকজন সহপাঠির কাছে জানতে পারেন যে, ভিকটিম স্কুল শেষে বাড়ি চলে গিয়েছে। অতঃপর ভিকটিমের মা বাড়ি ফিরে আসেন এবং স্থানীয় লোকজন ও আশেপাশের প্রতিবেশীদের সহায়তায় সম্ভাব্য সকল স্থানে তার মেয়ের সন্ধান করেন। ইতিমধ্যে ভিকটিমের মা তার প্রবাসী স্বামীর সাথে আলোচনা করে আশেপাশের কয়েকজন লোকজন নিয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরী দায়ের করার উদ্দেশ্যে রওনা করেন। বিকেল সোয়া ৩টায় ভিকটিমের লাশের বিষয়ে অবহিত করলে ভিকটিমের মা ও সাথে থাকা লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছান এবং ভিকটিমের মরদেহ দেখতে পান। এরই মধ্যে ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনৈক ব্যক্তি ভিকটিমের মাসহ অন্যান্য লোকজনদেরকে জানায় যে, সে আসামী মফিজুল ইসলাম প্রকাশ মফুকে ঘটনার দিন বেলা সোয়া ১১ টার সময় ঘটনাস্থলের রাস্তার পাশে থাকা বাঁশঝাড়ের ভিতর থেকে দ্রুত রাস্তায় উঠে আসতে দেখেছেন।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, নিহত ভিকটিম গ্রেফতারকৃত আসামীর প্রতিবেশীর মেয়ে এবং পূর্ব পরিচিত। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে গ্রেফতারকৃত আসামী মফিজুল তার অসৎ কামনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে গত ২৯ এপ্রিল সকাল আনুমানিক পৌণে ১১ টায় ঘটনাস্থলের পাশের রাস্তায় ভিকটিমের আসার অপেক্ষায় ওৎ পেতে থাকে। পথিমধ্যে ভিকটিম স্কুল থেকে বাসায় ফেরার উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি পৌছালে গ্রেফতারকৃত আসামী ভিকটিমকে কৌশলে রাস্তার পাশের ধানী জমিতে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে ভিকটিম চিৎকার করার চেষ্টা করলে আসামী মফিজুল ভিকটিমের মুখ ও গলা চেপে ধরে। এতে ভিকটিম শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। অতঃপর আসামী মফিজুল ভিকটিমের কোন নড়াচড়া দেখতে না পেয়ে ভিকটিমের কানে থাকা দুল ছিড়ে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের মা ও অন্যান্য লোকজন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে ভিকটিমের মৃতদেহ দেখতে পায় এবং পুলিশকে খবর দেয়। গ্রেফতারকৃত আসামী আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার এড়াতে নিজ এলাকা হতে পালিয়ে চাঁদপুরে চলে যায় এবং সেখানে আত্মগোপন করে।
নারায়নগঞ্জ র্যাব-১১ এর অধিনায়ক তানভীর মাহমুদ পাশা অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে অটো মিশুক চালক সৈকত হত্যার ঘটনা জড়িত অন্যতম আসামি তুহিন মজুমদারকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২ সদস্যরা।
গ্রেফতার হওয়া তুহিন মজুমদার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের বাবুল মজুমদারের ছেলে। ৭ আগস্ট রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গত ০৩ জুলাই রাতে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাহেরগড়া এলাকার নাঙ্গলিয়া খাল পাড়ে সৈকত (১৯) নামে এক অটোমিশুক চালক নৃশংসভাবে খুন হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, ভিকটিম তাফরুল ইসলাম সৈকত (১৯) অটো মিশুক চালানোর উদ্দেশ্যে গত ০২ জুলাই বিকাল ৫ টায় বাড়ী থেকে বের হয়। রাত ১১ টা অতিবাহিত হওয়ার পরও সৈকত বাড়ীতে না ফেরায় তার পরিবার তাকে বিভিন্ন স্থানে খোজ করতে থাকে। পরবর্তীতে বিকাল সাড়ে ৫ টায় চৌদ্দগ্রামের মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাহেরগড়া এলাকার নাঙ্গলিয়া খাল পাড়ে ভিকটিম সৈকত (১৯) এর লাশ পাওয়া যায়।
উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-০৭। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি ও ছায়াতদন্ত শুরু করে।
গোয়েন্দা নজরদারী ও ছায়াতদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত অন্যতম আসামী তুহিন মজুমদার (৩২) এর অবস্থান চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকায় শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ০৭ আগষ্ট রাতে র্যাবের অভিযানে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বসন্তপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত অন্যতম আসামী তুহিন মজুমদারকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী সহ অন্যান্য আসামীদের সাথে ভিকটিমের সু-সম্পর্ক ছিল। সে সূত্র ধরে গত ০১ জুলাই রাতে গ্রেফতারকৃত আসামী সহ তার অন্যান্য সহযোগী আসামীরা একত্রে মিলিত হয়ে ভিকটিমকে হত্যা করে তার অটো মিশুকটি ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করে। তারই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন ০২ জুলাই রাত ১১ টায় আসামীরা অটো মিশুকসহ ভিকটিমকে নিয়ে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাহেরগড়া এলাকার নাঙ্গলিয়া খাল এলাকায় গিয়ে সবাই মিলে বসে গল্প করে। এক পর্যায়ে পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক গ্রেফতারকৃত আসামীর নির্দেশে ঘটনাস্থলের পাশে লুকিয়ে রাখা চাপাতি দিয়ে অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে কুপিয়ে হত্য করে ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিত করে ভিকটিমের কাছে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল এবং অটো মিশুকটি নিয়ে লাশ খালে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে।
গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১১, সিপিসি ২ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টারঃ
কুমিল্লায় র্যাবের পৃথক অভিযানে জাবেদ মিয়া হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ২ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে ।
১৯ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ফৌজদারী মোড় ও বাটপাড়া চৌমুহনী এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা। অভিযানে যাবজ্জীবন যাজাপ্রাপ্ত আসামী মোঃ আল আমিন (৪১) এবং রতন দত্ত (৩৮)কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ আল আমিন (৪১) কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের মোঃ সেলিম মিয়ার ছেলে এবং রতন দত্ত (৩৮) কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানার কালিয়াজুরি গ্রামের হরিপদ দত্তর ছেলে।
কুমিল্লা র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, গত ২৭ জানুয়ারী ২০১২ গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় ও তার অন্যান্য সহযোগীরা মিলে চাঁদা দাবীর বিষয়ে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ভিকটিম মোঃ জাবেদ মিয়া (২৫) কে হত্যা করে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলার বিচারকার্য শেষে বিজ্ঞ আদালত গত ১৮ জুলাই ২০২৪ তারিখে পেনাল কোড ৩০২/৩৪ ধারায় বর্ণিত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডের রায় প্রদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করে আসামীদ্বয়কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদর উপজেলার ৪নং আমড়াতলী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড উত্তর মাঝিগাছা এলাকায় আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের উপস্থিতিতে এই ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় সভাপতিত্ব করেন তোতা মিয়া সর্দার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছএখীল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মোঃ মমিরুল হক। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৪নং আমড়াতলী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতা শাহীন আহমেদ শরীফ।
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিউল আলম সবুজ, আমড়াতলী ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান মোঃ হামিম হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ রাব্বি সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
খেলার শুরু থেকে দুই দলই আক্রমণাত্মক খেললেও নির্ধারিত সময়ের প্রথমার্ধ ও দ্বিতীয়ার্ধে কোনো দলই গোল করতে পারেনি। ফলে ম্যাচটি গড়ায় ট্রাইব্রেকারে। রেফারি মোঃ আজাদ হোসেনের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত ট্রাইব্রেকারে কৃষ্ণপুর দল ৮-৭ গোলে মাঝিগাছাকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
খেলায় ধারাভাষ্যকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন নকিব খন্দকার। খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন কৃষ্ণপুর এবং রানারআপ মাঝিগাছা দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিদর্শক মোঃ মমিরুল হক বলেন, “এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তরুণদের সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে সমাজকে এগিয়ে নিতে এমন উদ্যোগ আরও বাড়ানো প্রয়োজন।”
প্রধান বক্তার বক্তব্যে শাহীন আহমেদ শরীফ বলেন, “আমড়াতলী ইউনিয়নের যুবকদের মাদকমুক্ত রাখতে আমরা সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করবো। খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যুবসমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করাই আমার প্রধান লক্ষ্য।”পাশাপাশি যদি ভালো কোন খেলার মাঠ না থাকে তাহলে ইনশাআল্লাহ আমি নিজ উদ্দেগ্যে খেলার মাঠ করে দিবো এই ইউনিয়নের যুবকদের জন্য।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার কল্পবাস এলাকার বাসিন্দা ফারজানা আক্তার (১৯)-এর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয় পরিকল্পিত হত্যা। এ ঘটনায় তারা সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে বক্তব্য দিয়েছেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে ফারজানা আক্তারের সঙ্গে অভিযুক্ত স্বামী অনিক মিয়াজির বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছর পর অনিকের অতিরিক্ত মাদকাসক্তি ও দাম্পত্য কলহের জেরে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। পরে ফারজানাকে বাবার বাড়িতে নিয়ে আসা হয় এবং কিছুদিন পর তাকে কসবা উপজেলার আকাবপুর এলাকার শামীম নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে দ্বিতীয়বার বিয়ে দেওয়া হয়।
কিন্তু দ্বিতীয় সংসার টিকেনি। কয়েক মাস পর প্রথম স্বামী অনিক মিয়াজির সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ হলে ফারজানা আবার তার সংসারে ফিরে যান। অভিযোগ রয়েছে, এরপর আবারও শুরু হয় নির্যাতন। মাদকাসক্ত অনিক নিয়মিত ফারজানার ওপর চাপ সৃষ্টি করতেন বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দেওয়ার জন্য। টাকা দিতে না পারলে তাকে মারধরসহ বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হতো।
পরিবারের দাবি, গত ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৯টা থেকে ১০টা ৩০ মিনিটের মধ্যে ব্রাহ্মণপাড়া সদর ইউনিয়নের কল্পবাস এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় ফারজানাকে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
সেদিন বেলা আনুমানিক ১১টা ৩৮ মিনিটে অভিযুক্তের বাবা মো. আলমগীর হোসেন ফোন করে ফারজানার মৃত্যুর খবর জানান। খবর পেয়ে স্বজনরা দ্রুত ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিহতের ছোট বোন মোসা. সুমি আক্তার, মা বানু বেগম এবং মামা মো. ইসরাফিল মিয়া বক্তব্য রাখেন। তারা অভিযোগ করেন, ফারজানাকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন করে আসছিল অনিক মিয়াজি এবং পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তারা বলেন, হত্যার ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন নিহতের বাবা মো. আবুল কাশেম, মারুফা বেগম এবং বড় ভাই মো. সুমন মিয়া।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, তারা ব্রাহ্মণপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করতে গেলে পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। বরং থানার এসআই সুজন আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে একটি মামলা নথিভুক্ত করেন, যা নিয়ে তারা অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের মধ্যেও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
নিহতের পরিবার দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন


২০২৫ অর্থ বছরের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফলাফল হয়েছে, এবার কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় মাদ্রাসা বোর্ড থেকে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে গোল্ডেন এ প্লাস অর্জন করেন মেধাবী শিক্ষার্থী মোসাম্মৎ খাদিজা আক্তার। সে ১৩০০ নম্বরের মধ্যে ১২৪৮ নম্বর পেয়ে উপজেলার মধ্যে সেরা স্হান রয়েছেন। উপজেলা জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা ঐ শিক্ষার্থী সুলতানপুর ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। তাহার এ অর্জনে পরিবার, শিক্ষক এবং এলাকাবাসীর মধ্যে বইছে আনন্দের জোয়ার বইছে। সে দেবিদ্বার উপজেলার ৬নং ফতেহাবাদ ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের (মাস্টার বাড়ির) হাজী মোহাম্মদ আবুল হোসেনের কন্যা।
নিজের সাফল্যের পেছনে খাদিজা নিয়মিত পড়াশোনা, আত্মবিশ্বাস এবং পরিবারের দোয়াকে মূল চাবিকাঠি হিসেবে উল্লেখ করেছে। ভবিষ্যতে সে দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
সুলতানপুর ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক কবির আহমেদ খাদিজার এই কৃতিত্বে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, "খাদিজার এই অর্জন পুরো উপজেলার জন্য গর্বের। সে আমাদের প্রতিষ্ঠানের মুখ উজ্জ্বল করেছে।" তিনি আরও জানান, এবারের দাখিল পরীক্ষায় দেবিদ্বার উপজেলার মাদ্রাসা বোর্ড থেকে খাদিজাই একমাত্র শিক্ষার্থী, যিনি সর্বোচ্চ নম্বরসহ গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছেন।
স্থানীয়রা আশা করছেন, খাদিজার এই উজ্জ্বল ফলাফল অন্যান্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে এবং ভবিষ্যতে সে জাতীয় পর্যায়েও আরও বড় সফলতা বয়ে আনবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার তিতাসে যৌথবাহিনীর পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমানে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। জড়িত অভিযোগে একজনকে আটক করেছেন। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
যৌথবাহিনী সূত্রে জানাযায়, উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের মোহনপুর ফেরিঘাট সংলগ্ন ব্রিজের পাশে অস্ত্রের একটি চালান হাতবদলের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী অভিযান চালায়। অস্ত্র বহনকারীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যায়।
অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে ৫টি ইস্টেনগান, থানায় ব্যবহৃত ৪টি লোডার/কার্তুজ, ৩টি তাজা পিস্তলের অ্যামুনিশন, ৮টি পিস্তলের খালি অ্যামুনিশন এবং ১টি পিস্তলের ফায়ারিং পিন উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের চালানটি মেঘনা নদীপথ হয়ে তিতাস নদীতে প্রবেশ করেছে বলে ধারণা পুলিশের ।
একই রাতে দাউদকান্দি আর্মি ক্যাম্পের একটি দল তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের মানিককান্দি গ্রামে অভিযান চালিয়ে এসহাক মোল্লা জুয়েল একজনকে আটক করেছেন। জুয়েল ভিটিকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু মোল্লার ছেলে।
অভিযানকালে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, দুই রাউন্ড গুলি, একটি চাপাতি, পাঁচটি দেশীয় অস্ত্র (চাকু), তিনটি লোহার পাইপ, ছয়টি পাসপোর্ট, নগদ ২০ হাজার টাকা এবং একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সাবেক যুবলীগ নেতা জুয়েল মোল্লা ২৪ এর ৫আগষ্টের পর গা- ঢাকা দিয়েছিলেন। পরে স্থানীয় বিএনপিতে যোগদানের মাধ্যমে এলাকায় বিচরণ শুরু করেন। তার নামে এলাকায় অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও মারামারিসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।
তিতাস থানার ওসি মোঃ আরিফ হোসাইন দেশ রূপান্তরকে বলেন, যৌথবাহিনীর অভিযানে মজিদপুর ইউনিয়নের পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র উদ্ধার এবং ভিটিকান্দি ইউনিয়নের মানিককান্দি গ্রাম থেকে বিদেশী অস্ত্রসহ এসহাক মোল্লা জুয়েল নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। আর অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিমকে আটক করেছে শাহ আলী থানা পুলিশ।
রোববার (২৯ মার্চ) শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওসি জানান, আর এস ফাহিমকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে স্থানীয় জনতা প্রথমে তাকে আটক করে রাখে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে আসে।
এছাড়া, জুলাই মাসের বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দেশের একাধিক থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা থাকতে পারে বলে জানা গেছে। এসব বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদরের পাঁচথুবি ইউনিয়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে যৌথবাহিনী অভিযান পরিচালনা করে দেশীয় অস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার করেছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) ভোর ৬ টায় যৌথ বাহিনী ডুমুরিয়া চানপুর এলাকায় অভিযান পরিচলনা করে ।
উক্ত অভিযানে পরিত্যাক্ত স্থান হতে একটি দেশীয় পাইপ গান এবং ২ রাউন্ড পাইপ গান কার্তৃজ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র কোতোয়ালি থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
যৌথবাহিনী কর্তৃক সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও অন্ত্র উদ্ধার দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
মন্তব্য করুন