

অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার হেলিকপ্টার ভ্রমণ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে। তিনি উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন এবং জনগণের সঙ্গে মতবিনিময়ের উদ্দেশ্যে হেলিকপ্টারে ভ্রমণ করেন, যা নেটিজেনদের মধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। এ বিষয়ে কিছুটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন উপদেষ্টা নিজেই।
২৬ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
পোস্টে উপদেষ্টা তিনটি পয়েন্টের মাধ্যমে পুরো বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তা হুবহু তুলে ধরা হলো-
১. প্রথমে গাড়িতে সফর প্ল্যান করা হলে ৬ দিনে শুধুমাত্র ১০ টি উপজেলায় সফর করা যাচ্ছিল। সফরের উদ্দেশ্য ছিল উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের লক্ষ্যে স্থানীয় জনগণ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং প্রস্তাবিত উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন, পাশাপাশি শীতবস্ত্র বিতরণ। উপদেষ্টা মহোদয় কম সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পরিমাণ উপজেলার জনসাধারণের কথা শুনতে চেয়েছেন৷ ফলে ৬ দিনে ২২ টি উপজেলা ভ্রমণের সিদ্ধান্ত হয় যা গাড়িতে কাভার করা অসম্ভব। তাই মন্ত্রণালয় থেকে সর্বনিম্ন খরচের মধ্যে হেলিকপ্টার হায়ার করা হয়।
২. বিগত ২ দিনের সফরে ঢাকা থেকে যাওয়া আসাসহ মোট ৬ বার হেলিকপ্টারে যাতায়াত করেন মাননীয় উপদেষ্টা। গত বুধবার একদিনে ঠাকুরগাঁও থেকে পঞ্চগড় এবং নীলফামারি এই তিন জেলায় মোট ৪ টি উপজেলায় ৫টি মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সড়কপথে এই একদিনেই প্রায় ২৫০ কিলোমিটারের সফর করে ৫টি মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ অসম্ভব। এ ছাড়াও দীর্ঘদিন ঢাকার বাইরে থাকলে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম মন্থর হয়ে যাবে বলে অত্যন্ত কম সময়ের মধ্যে উত্তরবঙ্গের ২২টি উপজেলা পরিদর্শন ও মতবিনিময়ের প্রোগ্রাম ডিজাইন করতে হয়েছে। এ ছাড়াও সচিবালয়ে আগুন লাগার কারণে সফর স্থগিত করে ঢাকায় চলে আসেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
৩. আগামী ৪ দিনে আরও ১৬ টি উপজেলা সফরের কথা থাকলেও সচিবালয়ে অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটায় তৎক্ষণাৎ সফর স্থগিত করে ঢাকায় ফিরে আসেন আসিফ মাহমুদ।
মন্তব্য করুন


বুকে অপারেশন হয়েছে, তাই ভারী কাজ করতে পারি না। এ জন্য তেমন কাজ পাই না, আর কাজ না করতে পারলে খাবার জুটে না। তবে যেদিন থেকে ভালো কাজের হোটেলের সন্ধান পেয়েছি, সেদিন থেকে কোনোদিন আর না খেয়ে থাকতে হয়নি।’
কথাগুলো বলছিলেন রাজধানীর কাওরানবাজারের পান্থকুঞ্জ পার্কে স্থাপিত 'ভালো কাজের হোটেলে’ খেতে আসা দিনমজুর রফিক মিয়া।
তিনি বলেন, ভালো কাজের হোটেলে প্রতিদিন একবার এসে খেয়ে যাই। এই একবেলা খাবারটাই দুইবেলা না খেয়ে খাওয়া হয়। প্রতিদিন এসে একটা ভালো কাজের কথা বললেই খেতে পারি। তা-নাহলে পুরোদিনই না খেয়ে থাকা লাগত।
রফিক মিয়ার মতো অসংখ্য দিনমজুর, ভিক্ষুক ও অসহায়ের ভরসার জায়গায় পরিণত হয়েছে ভালো কাজের হোটেল নামে ব্যতিক্রমী এ হোটেলটি। স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মানুষকে ভালো কাজের দিকে উৎসাহ জুগাতেই তাদের ‘ভালো কাজের হোটেলে’র কার্যক্রম। অস্থায়ী এই হোটেলে যারাই এসে খাবার খান, তারা প্রতিদিনই কোনো না কোনো একটি ভালো কাজ করে আসেন। আবার কেউ কোনো ভালো কাজ করতে না পারলেও প্রতিশ্রুতি দিলে তিনিও খাবার পান।
মন্তব্য করুন


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’ অর্থাৎ ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে। কিন্তু তিনি অভিযোগ করেছেন যে স্বৈরাচারের দোসররা বাংলাদেশে রয়ে গেছে এবং তারা বিভিন্নভাবে অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ করার জন্য ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এই ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্য হলো জনগণের অধিকার আদায়ে বাধা সৃষ্টি করা।
আজ সোমবার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন। দীর্ঘদিন পর যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমদ দেশে ফিরেছেন। তার এ ফেরা উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
ডা. জাহিদ বলেন, ‘আমাদের নেতা (তারেক রহমান) বলেছেন, আন্দোলনে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। কারণ, আমাদের আন্দোলন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন। আমাদের আন্দোলন গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন।’
অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দ্রুত নির্বাচন দাবি করে এজেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘জনগণের ক্ষমতা জনগণের কাছে হস্তান্তর করুন।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভারত একটি স্বাধীন দেশ। ভারত কি তার দেশকে অন্য দেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার জন্য দেবে? আমার মনে হয় ভারতীয় রাজনীতিবিদ বা সরকার এত বোকা নয়। যারা এগুলো ছড়াচ্ছেন, তারা হয়তো মাঠ গরম করার জন্য করছেন। বাস্তবে তারা মাঠে নামুক, দেখুক জনগণ তাদেরকে গ্রহণ করে কি না?’
মন্তব্য করুন


আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে আন্তর্জাতিক চক্রান্তে পিলখানায় বিডিআর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান।
শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার জন্য আন্তর্জাতিক একটি কৌশল হিসেবে পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল। এর মাধ্যমে সংবিধানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করা হয়েছে। কারণ পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পরই সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী সম্ভব হয়েছিল। বাংলাদেশের মানুষকে জিম্মি করে, ভোটের অধিকার হরণ করে এবং নৈরাজ্যের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব ধ্বংস করার জন্যই বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটানো হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মঈন ইউ আহমেদের প্রচ্ছন্ন নিষ্ক্রিয়তা ছাড়া বিডিআর হত্যাকাণ্ড সম্ভব ছিল না। এ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করতে হবে।
ভারতের সমালোচনা করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, একটি বন্ধু রাষ্ট্র বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার নামে বাংলাদেশে লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করেছিল। এখন তারা একজন খুনিকে আশ্রয় দিয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, দুইটা কেয়ারটেকার সরকারের সময় সবচেয়ে বেশি ক্ষমতার স্বাধীনতা পেয়েছি। (পত্রিকার খবরে) তত্ত্বাবধায়ক সরকার তৈরির আবহ হচ্ছে দেখছি। আপনাদের ভয় নেই, সব ব্যাকিং দেওয়া হবে।
বুধবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে ইউএনওদের এসব কথা বলেন তিনি।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাংলাদেশের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে কনসিকন্সিয়াল’ উল্লেখ করে ইউএনওদের প্রস্তুত থাকার এবং কারও পক্ষে কাজ না করার কঠোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে অস্তিত্বের প্রশ্নে হিম্মতের সঙ্গে কাজ করতে হবে বলেও ইউএনওদের নির্দেশনা দেন নির্বাচন কমিশনাররা (ইসি)।
এসময় ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার সরকারি কর্মকর্তাদের মনোবল ও সততার বিষয়ে জোর দেন। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর কিছুদিন অস্থিতিশীল ছিল, অমুক-তমুকের কথায় অনেককিছু হয়েছে। কর্মকর্তাদের এখন আর সে ভয় নেই।
ইসি বলেন, এ সরকারের অধীনে নির্বাচন সততা নিষ্ঠা দেখানো সুযোগ হিসেবে দেখেন। ভয় পাওয়া যাবে না, হিম্মতের সঙ্গে কাজ করতে হবে অস্তিত্বের প্রশ্নে। নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণার পর দেখবেন আশপাশে কেউ নেই।
সূত্র: জাগোনিউজ২৪
মন্তব্য করুন


ফিলিস্তিনের গাজাবাসীর প্রতি সংহতি জানিয়ে ‘মার্চ ফর গাজা’ শীর্ষক এক বিশাল সমাবেশের আয়োজন করা হয় ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। শনিবার (১২ এপ্রিল) বেলা ৩টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকেই ফিলিস্তিনের পতাকা ও প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড হাতে হাজারো মানুষ উদ্যানে জড়ো হতে শুরু করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই উপচে পড়ে ভিড়ে পরিণত হয় ঐতিহাসিক এই মাঠ।
সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট-বড় মিছিল এসে একত্রিত হতে থাকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। কেউ আসছেন শাহবাগ থেকে, কেউ দোয়েল চত্বর থেকে, আবার কেউ নীলক্ষেতের দিক থেকে। উদ্যানের প্রতিটি গেটে স্বেচ্ছাসেবকরা জনস্রোতকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার চেষ্টা করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ও এর আশেপাশের এলাকায় ফুটপাতের দোকানগুলোতে দেশীয় পতাকার পাশাপাশি ফিলিস্তিনের পতাকা সাজিয়ে রাখা হয়। দল-মত, বয়স ও পেশার মানুষ এই সমাবেশে অংশ নিয়ে ফিলিস্তিনিদের পাশাপাশি মানবতার জয়গান করেন।
একজন অংশগ্রহণকারী বলেন, “ফিলিস্তিনে নিরীহ মুসলমানদের ওপর ইসরাইল যে নৃশংসতা চালাচ্ছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা তাদের পাশে দাঁড়াতে এখানে এসেছি।”
আয়োজকদের দাবি, গাজায় ইসরাইলের নির্মম হামলা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে জনমত গঠন ও মানবিক সহমর্মিতা বাড়াতেই এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। বেলা ৩টা থেকে মাগরিব পর্যন্ত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মন্তব্য করুন


পুলিশ মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম বলেছেন, বিশ্ব ইজতেমায় মুসল্লিরা কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে থাকবেন। পুরো ময়দান সিসি ক্যামেরার আওতায় এনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দেওয়া হবে। তিন পর্বের ইজতেমা ময়দান ও আশপাশের এলাকায় ৬ হাজার পুলিশসহ বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে।
বুধবার দুপুরে ইজতেমা ময়দানের বিদেশি নিবাসের পাশে স্থাপিত জিএমপির কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
পুলিশ মহাপরিদর্শক বলেন, এবারের ইজতেমা ভিন্ন রকমের, কারণ গত আন্দোলনে পুলিশের বিপুল পরিমাণ অস্ত্র হারিয়ে গেছে এবং দেশের বিভিন্ন জেলখানা থেকে অস্ত্র লুট হয়েছে। সেসব এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এবার পুরো ইজতেমা ময়দান ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।
তিনি আরও বলেন, পুলিশের পাশাপাশি ইজতেমা আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক ময়দানের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন।
তিনি জানান, ইজতেমা ময়দানে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ময়দানের চারপাশে পোশাকধারী, সাদা পোশাকে, ড্রোন ভিউ, সিআইডি, ডিবি, সিসিটিভি মনিটরিং, নাইটভিশন ক্যামেরা, রুফটপ পর্যবেক্ষণ, ওয়াচ টাওয়ারসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন থাকবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল করিম রনি, উপ-পুলিশ কমিশনার এনএম নাসিরুদ্দিন, সিটি এসবির উপ-পুলিশ কমিশনার আলমগীর হোসেন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হাফিজুল ইসলাম, সহকারি উপ-পুলিশ কমিশনার (টঙ্গী জোন) মেহেদি হাসান দিপু, ইজতেমা আয়োজক কমিটির শীর্ষ মুরব্বি মাহফুজ হান্নান, মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, সাধারণ সম্পাদক গাজী সালাহ উদ্দিন প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর অভিযোগ করেছেন যে, শেখ হাসিনার শাসনামলে তার সরকারের ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় সংস্থার সহায়তায় ব্যাংক খাত থেকে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা পাচার করেছেন। সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই অভিযোগ তোলেন।
তিনি বলেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এটিই সবচেয়ে বড় চুরি। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা এবং নিরাপত্তা সংস্থার সহযোগিতা ছাড়া এত বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার করা সম্ভব নয়।
গত আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাবেক কর্মকর্তা আহসান এইচ মনসুরকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
তার দাবি, দেশের বড় ব্যাংকগুলোতে জোরপূর্বক দখল ও নতুন শেয়ারহোল্ডারদের সুবিধা দিতে ব্যাপক ঋণ বরাদ্দের মাধ্যমে এই অর্থ বের করা হয়েছে। তিনি এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ সাইফুল আলমকে এই চক্রের প্রধান হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
গভর্নরের অভিযোগে বলা হয়, সাইফুল আলম ও তার সহযোগীরা প্রায় এক হাজার কোটি ডলার (প্রায় ১.১ লাখ কোটি টাকা) বিদেশে পাচার করেছেন। প্রতিদিন নিজেদের নামে ঋণ অনুমোদন করতেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তবে এস আলম গ্রুপ গভর্নরের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের আইনজীবী সংস্থা কুইন ইমানুয়েল উরকহার্ট অ্যান্ড সুলিভান বলেছে, আহসান মনসুরের এই অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রচারণা বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট করছে।
অভিযুক্ত রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও তাদের জনসংযোগ এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল ফিন্যান্সিয়াল টাইমস, কিন্তু সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
সাক্ষাৎকারে গভর্নর আরও জানান, নিরাপত্তা সংস্থার সহায়তায় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের পদত্যাগ ও শেয়ার বিক্রিতে বাধ্য করা হয়েছে। তিনি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের সাবেক সিইও মোহাম্মদ আব্দুল মান্নানের চাপের মুখে পদত্যাগের অভিজ্ঞতার কথাও বলেন। মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, কিভাবে তাকে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করতে পাঠানো হয়েছিল এবং পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে পরিচালিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। আহসান মনসুর জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলোতে নিরীক্ষা চালিয়ে পাচারের তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হবে এবং আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় আদালতের মাধ্যমে এই অর্থ ফেরত আনার চেষ্টা করা হবে।
শেখ হাসিনার মিত্রদের বৈদেশিক সম্পদের তদন্তে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চাওয়া হয়েছে বলেও জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর অভিযোগ করেছেন যে, শেখ হাসিনার শাসনামলে তার সরকারের ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় সংস্থার সহায়তায় ব্যাংক খাত থেকে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা পাচার করেছেন। সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই অভিযোগ তোলেন।
তিনি বলেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এটিই সবচেয়ে বড় চুরি। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা এবং নিরাপত্তা সংস্থার সহযোগিতা ছাড়া এত বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার করা সম্ভব নয়।
গত আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাবেক কর্মকর্তা আহসান এইচ মনসুরকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
তার দাবি, দেশের বড় ব্যাংকগুলোতে জোরপূর্বক দখল ও নতুন শেয়ারহোল্ডারদের সুবিধা দিতে ব্যাপক ঋণ বরাদ্দের মাধ্যমে এই অর্থ বের করা হয়েছে। তিনি এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ সাইফুল আলমকে এই চক্রের প্রধান হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
গভর্নরের অভিযোগে বলা হয়, সাইফুল আলম ও তার সহযোগীরা প্রায় এক হাজার কোটি ডলার (প্রায় ১.১ লাখ কোটি টাকা) বিদেশে পাচার করেছেন। প্রতিদিন নিজেদের নামে ঋণ অনুমোদন করতেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তবে এস আলম গ্রুপ গভর্নরের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের আইনজীবী সংস্থা কুইন ইমানুয়েল উরকহার্ট অ্যান্ড সুলিভান বলেছে, আহসান মনসুরের এই অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রচারণা বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট করছে।
অভিযুক্ত রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও তাদের জনসংযোগ এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল ফিন্যান্সিয়াল টাইমস, কিন্তু সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
সাক্ষাৎকারে গভর্নর আরও জানান, নিরাপত্তা সংস্থার সহায়তায় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের পদত্যাগ ও শেয়ার বিক্রিতে বাধ্য করা হয়েছে। তিনি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের সাবেক সিইও মোহাম্মদ আব্দুল মান্নানের চাপের মুখে পদত্যাগের অভিজ্ঞতার কথাও বলেন। মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, কিভাবে তাকে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করতে পাঠানো হয়েছিল এবং পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে পরিচালিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। আহসান মনসুর জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলোতে নিরীক্ষা চালিয়ে পাচারের তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হবে এবং আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় আদালতের মাধ্যমে এই অর্থ ফেরত আনার চেষ্টা করা হবে।
শেখ হাসিনার মিত্রদের বৈদেশিক সম্পদের তদন্তে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চাওয়া হয়েছে বলেও জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সবসময় ফিলিস্তিনের পক্ষে ছিল জানিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমরা সবসময় ফিলিস্তিনের জনগণকে সমর্থন করে আসছি। কাজেই চার দেশের স্বীকৃতিকে আমরা স্বাগত জানাই। আমরা মনে করি এটা একটা সুখবর। যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও পর্তুগাল থেকে স্বীকৃতি মিলল। এই স্বীকৃতি চূড়ান্ত স্বাধীনতা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে একটি পদক্ষেপ। তবে ফিলিস্তিনের জনগণকে আরও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।
স্থানীয় সময় রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলে তিনি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বের আরেক প্রভাবশালী পশ্চিমা দেশ ফ্রান্স শিগগিরই ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে বলে জানিয়েছে। এটি হলে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের মধ্যে চারটিরই স্বীকৃতি পাবে ফিলিস্তিন।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দিতে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। তিনি গত শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত মোট ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দল অংশগ্রহণ করছে এবং ইতোমধ্যে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
রুহুল আমিন মল্লিক জানান, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক অংশগ্রহণ করছে।
ইসি জানায়, সারা দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনে মোট ২ হাজার ৫৮২টি মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছে।
জানা যায়, বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৫৯টি। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত হয়েছে। এ ছাড়া নিবন্ধন বাতিল হয়েছে পিডিপি, ফ্রিডম পার্টি ও ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের।
এদিকে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশব্যাপী চলমান গণভোটের সব ধরনের প্রচার কার্যক্রম বুধবার পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে বুধবার রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সংশোধিত তফসিলের নির্বাচন সময় সূচি অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ করা হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, শ্রমিক ও মালিক একে অপরের পরিপূরক। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই শক্তিশালী, আত্মনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন সম্ভব।
আজ বৃহস্পতিবার (১ মে) ‘মহান মে দিবস’ ও ‘জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা দিবস’ উপলক্ষে প্রদত্ত এক বাণীতে তিনি এ মত প্রকাশ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, "দেশজুড়ে যথাযথ মর্যাদায় মহান মে দিবস-২০২৫ পালনের খবর জানতে পেরে আমি আনন্দিত। ১৮৮৬ সালের ১ মে শিকাগোর হে মার্কেটে শ্রমিকরা দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজ, ন্যায্য মজুরি ও শ্রমের মর্যাদা আদায়ের জন্য রক্তঝরা সংগ্রাম করেছিলেন। সেই সংগ্রামের ফলেই আজ বিশ্বজুড়ে শ্রমিক অধিকার স্বীকৃত। এই দিনটি কেবল একটি সাধারণ দিবস নয়, বরং এটি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের প্রেরণা। শ্রমিক অধিকারের জন্য আত্মদানকারীদের প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।"
তিনি আরও বলেন, "দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্কের গুরুত্ব অপরিসীম। এবারের মে দিবসের প্রতিপাদ্য— ‘শ্রমিক-মালিক এক হয়ে, গড়বো এদেশ নতুন করে’— আমাদের টেকসই উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, শ্রমিক ও মালিকের সমন্বিত প্রচেষ্টাই বাংলাদেশকে শক্তিশালী, আত্মনির্ভর ও সমৃদ্ধ করে তুলতে পারে।"
ড. ইউনূস উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্প, কৃষি, নির্মাণ, পরিবহন ও প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে শ্রমিক ও মালিকদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও মেধা কাজ করছে। তিনি বলেন, "জুলাই-আগস্টের ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণআন্দোলনের মাধ্যমে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।"
এছাড়াও তিনি বলেন, "মে দিবসের পাশাপাশি আমরা জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা দিবস পালন করছি। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একটি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর কাজের পরিবেশ শুধু শ্রমিকদের অধিকারই নয়, এটি শিল্প ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেরও পূর্বশর্ত। শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন ও কল্যাণ শিল্প ও জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।"
প্রধান উপদেষ্টা বিশ্বাস করেন, শ্রমিক ও মালিকের অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবে।
মন্তব্য করুন