

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া, চীন, পাকিস্তান এবং অন্যান্য দেশ গোপনে ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক পরীক্ষা চালাচ্ছে।
রোববার (২ নভেম্বর) সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, 'কিন্তু তারা (ওই দেশগুলো) তোমাকে এটা বলতে যায় না। আর তুমি জানো, তারা যতই শক্তিশালী হোক না কেন, এই পৃথিবীটা একটা বিরাট ব্যাপার। তুমি জানো না তারা কোথায় পরীক্ষা করছে। তারা অনেক গভীরে— অনেক গভীরে পরীক্ষা চালায়...যেখানে মানুষ ঠিক জানে না কী ঘটছে। (তবে) তুমি একটু কম্পন অনুভব করো।'
তিনি বলেন, 'তারা পরীক্ষা করে এবং আমরা পরীক্ষা করি না। আমাদের পরীক্ষা করতে হবে। আর রাশিয়া - অন্যদিন যখন বলেছিল যে, তারা কিছু ধরণের ভিন্ন স্তরের পরীক্ষা করবে - তখন কিছুটা হুমকি দিয়েছিল। কিন্তু রাশিয়া পরীক্ষা করে, চীন পরীক্ষা করে এবং আমরাও পরীক্ষা করব। উত্তর কোরিয়া এবং পাকিস্তানও পরীক্ষা করছে।'
মার্কিন নেতা ব্যাখ্যা করেন, 'আমাদের কাছে সেরা (পারমাণবিক অস্ত্র) আছে। (প্রেসিডেন্ট হিসেবে) আমিই ছিলাম, যে চার বছরে এগুলো সংস্কার এবং তৈরি করেছে। (তবে) আমি এটা করতে ঘৃণা করতাম; কারণ ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা এমন একটি জিনিস, যা সম্পর্কে আপনি কথাও বলতে চান না।'
ট্রাম্প আরও বলেন, 'আর যদি আমাদের পারমাণবিক অস্ত্রাগার থাকে, তাহলে আমাদের সেগুলো পরীক্ষাও করতে হবে। অন্যথায় তুমি আসলে জানতে পারবে না যে, এগুলো কীভাবে কাজ করবে। আর আমরা কখনোই সেগুলো ব্যবহার করতে চাই না।'
২৯ অক্টোবর ট্রাম্প পেন্টাগনকে অবিলম্বে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা পুনরায় শুরু করার নির্দেশ দেন। তিনি কোন ধরণের পরীক্ষা বলতে চাইছেন বা এতে পারমাণবিক ওয়ারহেড বিস্ফোরণ ঘটবে কি না, তা নির্দিষ্ট করে বলেননি।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
ভারতের কেরালার ওয়ানাড় লোকসভা উপনির্বাচনে মনোনয়ন জমার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রবেশ করলেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।
আগামী ১৩ নভেম্বর ওই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনী এলাকা ওয়ানাড় আগে প্রিয়াঙ্কার ভাই রাহুল গান্ধীর দখলে ছিল। রাহুল সেখান থেকে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে জয়লাভ করেছিলেন।
যানা গেছে, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপালসহ কংগ্রেস নেতাদের উপস্থিতিতে ওয়ানাড় কালেক্টরেটে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা।
মনোনয়ন জমার আগে কালপেট্টায় বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন তিনি। সেখানে তার ৩৫ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। ১৯৮৯ সালে প্রয়াত বাবা রাজীব গান্ধীর পক্ষে প্রচারের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল বলে জানান।
এদিকে, রাহুল গান্ধীও ভোটারদের তার বোনকে সমর্থন করার আহ্বান জানিয়েছেন। এক রোড-শোতে প্রিয়াঙ্কার স্বামী রবার্ট বঢরা এবং তাদের এক সন্তানকেও খোলা ছাদের গাড়িতে দেখা গেছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে জ্বালানি তেলের আমদানি-রপ্তানি। বিশেষ করে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপর বেশি প্রভাব পড়তে পারে।
এসব দেশ ছাড়াও বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের টার্মিনালগুলো বন্যায় প্লাবিত হতে পারে। মঙ্গলবার (২১ মে) গবেষকরা সতর্ক করে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে বরফ গলে যাচ্ছে। এতে বাড়ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা, যা শুধু মূল তেল বন্দরগুলোকে ডুবিয়ে দেবে বা বিশ্বব্যাপী তেল বাণিজ্যকে ব্যাহতই করবে না বরং উপকূলীয় শোধনাগার ও পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনাগুলোকেও প্লাবিত করবে।
জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেলের ২০২১ সালের একটি পূর্বাভাস প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান প্রবণতা অনুযায়ী চলতে থাকলে শতাব্দীর শেষ নাগাদ গড় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা এক মিটারেরও বেশি বাড়তে পারে। অথবা দুই মিটার বৃদ্ধির বিষয়টিও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
ক্রুড অয়েল আমদানি-রপ্তানির বন্দরগুলোর অবকাঠামো সম্পর্কে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিডব্লিউআর জানিয়েছে, সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে নিচু বন্দর ও বাঙ্কারিং সুবিধাগুলো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
বলা হয়েছে, যদি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা এক মিটার বাড়ে, তাহলে বিশ্বের শীর্ষ ১৫টি ট্যাংকার টার্মিনালের মধ্যে ১২টির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। যার মধ্যে পাঁচটিই এশিয়াভিত্তিক।
এক্ষেত্রে সৌদি আরব, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে রপ্তানি করা ক্রুড অয়েলের ৪২ শতাংশ পর্যন্ত ঝুঁকিতে রয়েছে।
মন্তব্য করুন


সমুদ্রের তলদেশে পড়ে থাকা বিশ্ববিখ্যাত জাহাজ টাইটানিকের নতুন ভিডিও প্রকাশ করেছে একটি সংস্থা। তারা জানিয়েছে, এবারের ভিডিওতে টাইটানিকের যে চিত্র ওঠে এসেছে তা আগে কখনো দেখা যায়নি।
১৯১২ সালে সাউদাম্পটন থেকে নিউইয়র্কে যাওয়ার পথে বিশাল বরফ খন্ডের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবে যায় টাইটানিক। জাহাজডুবির ঘটনায় প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ প্রাণ হারান। আটলান্টিক মহাসাগরের ১২ হাজার ৫০০ ফুট গভীরে এখন জাহাজটি পড়ে আছে।
দুর্ঘটনার ৭৩ বছর পর ১৯৮৫ সালে সমুদ্রের অতল গভীরে টাইটানিকের সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর থেকেই এ জাহাজটির প্রতি মানুষের কৌতুহল আরও বেড়ে যায়।
এই কৌতুহল মেটাতেই গভীর সমুদ্রে ম্যাপিং ও স্ক্যান করে টাইটানিক জাহাজটির থ্রিডি ভিডিও ধারণা করা হয়েছে। ভিডিওটি দেখলে মনে হয় যেন, জাহাজটির আশপাশে কোনো পানি নেই। শুধুমাত্র একটি খালি জায়গায় এটি পড়ে আছে।
ভিডিও ধারণ করার কাজটি করেছে গভীর সমুদ্রের তলদেশ মাপা প্রতিষ্ঠান ম্যাগেলান লিমিটেড এবং আটলান্টিক প্রোডাকশনস। ২০২২ সালে কাজটি করা হয়।
আগে টাইটানিকের যেসব ভিডিও বা ছবি প্রকাশ করা হয়েছে সেগুলো ঘোলা বা অস্পষ্ট ছিল। এছাড়া পুরো জাহাজটির চিত্রও তুলে ধরা সম্ভব হয়নি।
তবে নতুন ভিডিওতে জাহাজটির পুরো ধ্বংসাবশেষের চিত্র ওঠে এসেছে। এতে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে টাইটানিকটি দুই খন্ড হয়ে পড়ে আছে। জাহাজটির বো, স্টার্ন এমনকি প্রপেলারটির নাম্বারও ক্যামেরায় ধরা পড়েছে।
অবশ্য এ ভিডিও ধারণে সমুদ্রের নিচে যাননি বিশেষজ্ঞরা। তারা সমুদ্রের উপর থেকেই সাবমার্সিবল ব্যবহার করে ও ২০০ ঘণ্টারও বেশি সময় ব্যয় করে জাহাজটি মাপামাপি এবং ছবি তুলেছেন।
জাহাজটির প্রত্যেকটি অ্যাঙ্গেল থেকে ৭০ হাজারের বেশি ছবি তোলা হয়েছে। এরপর সেগুলো সাজিয়ে তৈরি করা হয়েছে থ্রিডি ভিডিও।
নতুন এ ভিডিওতে জাহাজের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয়গুলোও ওঠে এসেছে। ধ্বংসাবশেষের মধ্যে মদের বোতল, মানুষের জুতাসহ বেশ কিছু জিনিস দেখা গেছে। ভিডিও দেখুন এ লিংকে
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া, চীন, পাকিস্তান এবং অন্যান্য দেশ গোপনে ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক পরীক্ষা চালাচ্ছে।
রোববার (২ নভেম্বর) সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, 'কিন্তু তারা (ওই দেশগুলো) তোমাকে এটা বলতে যায় না। আর তুমি জানো, তারা যতই শক্তিশালী হোক না কেন, এই পৃথিবীটা একটা বিরাট ব্যাপার। তুমি জানো না তারা কোথায় পরীক্ষা করছে। তারা অনেক গভীরে— অনেক গভীরে পরীক্ষা চালায়...যেখানে মানুষ ঠিক জানে না কী ঘটছে। (তবে) তুমি একটু কম্পন অনুভব করো।'
তিনি বলেন, 'তারা পরীক্ষা করে এবং আমরা পরীক্ষা করি না। আমাদের পরীক্ষা করতে হবে। আর রাশিয়া - অন্যদিন যখন বলেছিল যে, তারা কিছু ধরণের ভিন্ন স্তরের পরীক্ষা করবে - তখন কিছুটা হুমকি দিয়েছিল। কিন্তু রাশিয়া পরীক্ষা করে, চীন পরীক্ষা করে এবং আমরাও পরীক্ষা করব। উত্তর কোরিয়া এবং পাকিস্তানও পরীক্ষা করছে।'
মার্কিন নেতা ব্যাখ্যা করেন, 'আমাদের কাছে সেরা (পারমাণবিক অস্ত্র) আছে। (প্রেসিডেন্ট হিসেবে) আমিই ছিলাম, যে চার বছরে এগুলো সংস্কার এবং তৈরি করেছে। (তবে) আমি এটা করতে ঘৃণা করতাম; কারণ ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা এমন একটি জিনিস, যা সম্পর্কে আপনি কথাও বলতে চান না।'
ট্রাম্প আরও বলেন, 'আর যদি আমাদের পারমাণবিক অস্ত্রাগার থাকে, তাহলে আমাদের সেগুলো পরীক্ষাও করতে হবে। অন্যথায় তুমি আসলে জানতে পারবে না যে, এগুলো কীভাবে কাজ করবে। আর আমরা কখনোই সেগুলো ব্যবহার করতে চাই না।'
২৯ অক্টোবর ট্রাম্প পেন্টাগনকে অবিলম্বে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা পুনরায় শুরু করার নির্দেশ দেন। তিনি কোন ধরণের পরীক্ষা বলতে চাইছেন বা এতে পারমাণবিক ওয়ারহেড বিস্ফোরণ ঘটবে কি না, তা নির্দিষ্ট করে বলেননি।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
গাজায় যুদ্ধ ইস্যুতে গ্রেফতার আতঙ্কে ভুগছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এরই মধ্যে এই গ্রেফতারি পরোয়ানা ঠেকাতে ব্যাপক দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন তিনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন নেতানিয়াহু। আমেরিকাও বিষয়টি প্রতিরোধে নানা তৎপরতা শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সংশ্লিষ্ট বিচারকদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার কথাও ভাবছে দেশটি।
এ পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষকেও টেনে আনল ইসরাইল। দুই ইসরাইলি এবং মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছ, ইসরাইলি সরকার বাইডেন প্রশাসনকে সতর্ক করেছে যে, যদি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ইসরাইলি নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে, তাহলে তারা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া শুরু করবে, যা তাদেরকে পতনের দিকে নিয়ে যাবে।
সম্প্রতি ইসরাইলি গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, আইসিসি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, সামরিক বাহিনীর প্রধান হার্জি হালেভি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
নেতানিয়াহু বলেছেন, যদি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয় তবে এটি ‘ঐতিহাসিক পর্যায়ের একটি কেলেঙ্কারি’ হবে।
মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস প্রতিবেদনে দাবি করেছে, ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে, তারা ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের কর রাজস্ব স্থানান্তর বন্ধ করে দেবে। আর এমন পদক্ষেপ নেবে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষকে দেউলিয়া করে দেবে।
প্রসঙ্গত, ইসরাইল ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের পক্ষে ট্যাক্স সংগ্রহ করে এবং ১৯৯৪ সালে অসলো চুক্তির অধীনে তাদেরকে মাসিক ভিত্তিতে তা স্থানান্তর করে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
রাশিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সরবরাহের অভিযোগে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো ইউরোপের দেশগুলোর জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইরানের বেশ কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
সোমবার ইউরোপীয় কাউন্সিল জানায়, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য মস্কোয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম সরবরাহের কারণে ইরানের সাত ব্যক্তি ও সাতটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো। তাদের সম্পদ জব্দ করা হবে ও তারা ইউরোপে ভ্রমণ করতে পারবেন না।
নিষেধাজ্ঞা পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন- ইরানের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী সৈয়দ হামজা ঘালানদারি, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের কুদস ফোর্সের উচ্চপদস্থ সদস্য ও ইরানের তিনটি বিমান সংস্থা যার মধ্যে ইরান এয়ারও রয়েছে।
ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডার লায়েন এই নিষেধাজ্ঞাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার আগ্রাসী যুদ্ধে ইরান সরকারের সমর্থন অগ্রহণযোগ্য ও এটি অবশ্যই বন্ধ হতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে আমি রাশিয়ায় ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের প্রতিক্রিয়ায় আমাদের এই নিষেধাজ্ঞা আরোপকে স্বাগত জানাই।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহাও এই নিষেধাজ্ঞাকে স্বাগত জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, যারা আগ্রাসনকে সমর্থন দেয়, তাদের অবশ্যই দায় নিতে হবে ও মূল্য দিতে হবে।
ইইউ’র নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ইরান রাশিয়ায় কোনও ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেনি। এসব নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।
এর আগে সোমবার ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগে ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাজ্য। এছাড়া গত শুক্রবার ইরানের তেল খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
মন্তব্য করুন


কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে সামরিক মহড়া চালানোর ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। সোমবার (৬ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পশ্চিমা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে উস্কানিমূলক হুমকির পরে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সামরিক মহড়াটি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে যুদ্ধের ময়দানে কৌশলগত নয় এমন পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন ও এর ব্যবহারের প্রস্তুতি নিতেই ওই মহড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন বিষয়ক দক্ষিণাঞ্চলীয় সামরিক বিভাগ ও নৌবাহিনী এতে অংশ নেবে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রুশ ফেডারেশনের বিরুদ্ধে কিছু পশ্চিমা কর্মকর্তাদের উস্কানিমূলক বিবৃতি এবং হুমকির প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করাই এ মহড়ার লক্ষ্য।
তবে পশ্চিমা দেশগুলো ও ইউক্রেন জানিয়েছে, রুশ বাহিনী পরাজিত না হওয়া পর্যন্ত পিছু হটবে না তারা।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
দক্ষিণ লেবানন থেকে হিজবুল্লাহর গোলাবর্ষণে নর্দার্ন ইসরাইলের আপার গ্যালিলি অঞ্চলের মেতুলা শহরে নয়টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ খবর দিয়েছে ইসরাইলের সেনাবাহিনী। তবে ওই হামলায় কারও হতাহতের খবর জানাননি তারা।
এদিকে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ শুক্রবার জানিয়েছে, তারা ইসরাইলি সামরিক স্থাপনায় বেশ কয়েকটি হামলা চালিয়েছে।
প্রসঙ্গত, গাজায় ইসরাইলের অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই লেবানন-ইসরাইল সীমান্তে আন্তঃসীমান্ত হামলা নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। হিজবুল্লাহ বলছে, ফিলিস্তিনি জনগণের সমর্থনে ইসরাইলের ওপর তারা হামলা করছে। কেবল গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত হওয়ার পরই তারা থামবে।
ইসরাইলের নির্মম হামলায় রোববার গাজার খান ইউনিসের পশ্চিমে আল-মাওয়াসি শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি বিমান হামলায় অন্তত ৭১ জন নিহত ও ২৮৯ জন আহত হয়েছেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধে এ পর্যন্ত অন্তত ৩৮ হাজার ৩৪৫ জন নিহত ও ৮৮ হাজার ২৯৫ জন আহত হয়েছেন।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসন থামার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। অবরুদ্ধ এই উপত্যকার এমন কোনো স্থান বাকি নেই যেখানে দখলদার বাহিনী হামলা চালায়নি। গাজার স্কুল, হাসপাতাল, আবাসিক ভবন, মসজিদ সবকিছুই যেন এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেখানে গত ৪৮ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ১১৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ৪৮৭ জন।
এদিকে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তেল আবিবে ইসরায়েলের গোয়েন্দা ঘাঁটিসহ বেশ কিছু স্থানে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া উত্তরাঞ্চলীয় হাইফা শহরের একটি নৌঘাঁটিতেও রকেট হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ওই হামলার ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
হিজবুল্লাহ বলছে, তারা ইসরায়েলের নিরিত এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। সেখানে বড় ধরনের বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। টেলিগ্রামে এক পোস্টে লেবাননভিত্তিক গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সংহতি এবং লেবাননের জনগণকে রক্ষায় তারা এই হামলা চালিয়েছে।
হিজবুল্লাহর হামলার পর বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে বিমান চলাচল স্থগিত করা হয়েছে এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তেল আবিবে জরুরি অবস্থা জারি করেছে।
অপরদিকে গাজার বিভিন্ন স্থানে ধ্বংসস্তুপে চাপা পড়া ফিলিস্তিনিদের সহায়তা দেওয়া উদ্ধারকর্মীদের কাজে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। এর আগে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয় (ওএইচসিএইচআর) বলেছে, হত্যা এবং বাস্তুচ্যুতির মাধ্যমে গাজার উত্তরাঞ্চলে ফিলিস্তিনি জনসংখ্যাকে ধ্বংসের কারণ হয়ে উঠছে ইসরায়েল। ওই এলাকা ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেছে দখলদার বাহিনী।
গাজায় এক বছরের বেশি সময় ধরে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে ইসরায়েল। এই সময়ের মধ্যে কমপক্ষে ৪২ হাজার ৭১৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও এক লাখ ২৮২ জন।
গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। সে সময় ইসরায়েলে হামাসের হামলায় কমপক্ষে এক হাজার ১৩৯ জন নিহত হয় এবং দুই শতাধিক মানুষকে জিম্মি হিসেবে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


ইসরায়েলের বিমান বাহিনী সিরিয়ায় ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হামলা চালিয়েছে আসাদ সরকারের পতনের পর। ইসরায়েলের নিরাপত্তা–সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে দেশটির সংবাদমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছে। আল জাজিরার খবরে এমনই উল্লেখ করা হয়েছে।
সিরিয়ার ভূখণ্ডে অন্তত ২৫০টিরও বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ করেছে ইসরায়েল। গত ২৪ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা বাশার আল-আসাদ বিদ্রোহীদের আক্রমণে গত রোববার দেশ ছেড়ে পালিয়ে রাশিয়ায় আশ্রয় নিয়েছেন।
রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত ইসরায়েলি আর্মি রেডিও অসমর্থিত সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল আসাদের সামরিক ঘাঁটি, কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান, ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, উৎপাদন ক্ষেত্র, গুদাম এবং ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আসাদ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার কৃতিত্ব দাবি করেছেন। সিরিয়া-ইসরায়েল সীমান্ত পরিদর্শনে গিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, “আসাদ সরকারের প্রধান সমর্থক ইরান ও হিজবুল্লাহর ওপর আমরা যে আঘাত হেনেছি, তার প্রত্যক্ষ ফলাফল এটি।”
মন্তব্য করুন