

মহান বিজয় দিবস ২০২৩ উপলক্ষ্যে কুমিল্লা জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার প্রাইমারী ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) তে সিনিয়র তথ্য অফিসার নাছির উদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার মো: মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক উপজেলা কমান্ডার, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আদর্শ সদর উপজেলা বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান সাজু, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: সফিউল আলম, পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট অর্চণা কুণ্ডু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, পিটিআই সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট সনজিত কুমার সিংহ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো: মিজানুর রহমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত মহান বিজয় দিবস বাঙালী জাতির জীবনে অবিস্মরণীয় দিন। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান সাজু বলেন, বাঙালীর বিজয় একদিনে আসেনি। জাতির পিতা বাঙালীকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছেন। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন থেকে বাঙালীর স্বাধিকার আন্দোলন শুরু হয়েছিলো। ১৯৭১ সালের ৭মার্চ জাতির পিতার ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় যার পরিসমাপ্তি ঘটে ১৬ ডিসেম্বর পাকহানাদারদের ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আত্নসমর্পনের মধ্য দিয়ে।
আলোচনা ও মতবিনিময় সভার আগে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রমাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ
মডেল থানা পুলিশ।
সদর
দক্ষিণ মডেল থানাধীন কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই (নিঃ) মোঃ আফসার মিয়া, এএসআই (নিঃ) মোঃ আশ্রাফ,
এএসআই (নিঃ) রিপন চাকমা এবং সঙ্গীয় ফোর্সসহ
থানা এলাকায় রাত্রীকালীন টহল ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে , সদর
দক্ষিণ মডেল থানাধীন কোটবাড়ী জাম্বুরা সাকিনস্থ ডাইনো পার্ক সংলগ্ন সরকারী আশ্রয়
কেন্দ্রের সামনে রাস্তার উপর ৫/৬ জনের একটি ডাকাত দল সিএনজি সহ কোটবাড়ী হতে বাতাবাড়ীয়া
গামী রোডে চলাচলরত যানবাহন এবং আশপাশের বাড়িতে ডাকাতি করার জন্য সমবেত হয়ে ডাকাতির
প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। তাৎক্ষণিক সংবাদ প্রাপ্তির
সাথে সাথে অফিসার ও সঙ্গীয় ফোর্সদের সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো মাত্রই ডাকাতির
প্রস্তুতি নেওয়া ডাকাত দল পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টাকালে ৪ ডাকাতকে
গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ডাকাতরা হলো: ১। মোঃ এমরান হোসেন ইমন ইমু (২৭), পিতা- মৃত কামাল হোসেন @ কালা মিয়া, সাং-কালিয়াজুড়ি
ধর্মপুর, শাহ আলম মেম্বার বাড়ি, তোয়া হাউজিং,, থানা-কুমিল্লা কোতয়ালী, জেলা-কুমিল্লা,
২। মেহেদী হাসান রাব্বি (২৫), পিতা-মৃত মাহে আলম, সাং-ধর্মপুর দৌলতপুর থানা-কুমিল্লা
কোতয়ালী, জেলা-কুমিল্লা, ৩। মোঃ আল আমিন (২২), পিতা-হুমায়ূন কবির @ মুন্সি, সাং-ধর্মপুর
(তোয়া হাউজিং, মোখলেছ ইঞ্জিনিয়ার এর বাড়ী), থানা-কুমিল্লা কোতয়ালী, জেলা-কুমিল্লা,
৪। মোঃ নাজিম উদ্দিন সুজন (২৮), পিতা-তাজুল ইসলাম প্রকাশ তাজু মিয়া, সাং-চিতোষী (চান্দাল),
পোঃ চিতোষী বাজার, থানা-শাহরাস্তি, জেলা-চাঁদপুর বর্তমান সাং-মোল্লা হাউজিং, রামমালা,
থানা-কুমিল্লা কোতয়ালী, জেলা-কুমিল্লা। আসামীদের কাছ থেকে ১ টি দেশীয় তৈরী ভোতা রাম দা, ১ টি দেশীয় তৈরী রডের
হাতল যুক্ত চাইনিজ কুড়াল, ১ টি লোহার রড, ১ টি দেশীয় তৈরী ভোতা ছুড়ি, উদ্ধার করে।
এ
সংক্রান্তে উক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ মডেল থানার মামলা নং-৩৫/৪১০, তাং-২৭/০৯/২০২৩ইং,
ধারা-৩৯৯/৪০২ পেনাল কোড রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ কুমিল্লার সাব্বির হোসেন ৪০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে অবশেষে মারা গেছেন।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে দেবিদ্বার ভিংলাবাড়ি এলাকায় তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহত সাব্বির হোসেনের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল এলাকার হলেও তিনি ছোটবেলা থেকেই নানাবাড়ি দেবিদ্বারের ভিংলাবাড়িতে মায়ের সঙ্গে থাকতেন।
সাব্বিরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেবিদ্বার থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো: শাহিনুল ইসলাম।
পুলিশ পরিদর্শক শাহিনুল ইসলাম বলেন, সাব্বিরের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর আমরা তার বাড়িতে যাই। সেখানে গিয়ে তার মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য অনুরোধ করি। কিন্তু স্থানীয় লোকজন আমাদের বাধা সৃষ্টি করে বলেন- তারা ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফন করবেন। পরে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে সাব্বিরের মরদেহ দাফনের অনুমতি দিয়ে থানায় ফিরে আসি।
নিহত সাব্বির হোসেন(১৯) তিন ভাইবোনের মধ্যে সবার বড়। বছর তিনেক আগে তার বাবার মৃত্যুর পর সাব্বির সংসারের হাল ধরতে অটোরিকশা চালানো শুরু করেন। তার মৃত্যুতে পরিবারটি এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এএফএম তারেক মুন্সির বরাত দিয়ে উত্তর জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান তামিম বলেন, নিহত সাব্বির আমাদের দলের একজন একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। দলীয় পদ-পদবি না থাকলেও তিনি আমাদের দলীয় প্রতিটি প্রোগ্রামে অংশ নিতেন। আমাদের কাছে তার ছবি আছে। সে ছাত্র আন্দোলনের সময় সক্রিয়ভাবে মাঠে ছিল। আমরা তার হত্যার বিচার চাই। দলীয়ভাবে আমরা তার পরিবারের পাশে দাঁড়াব ইনশাআল্লাহ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ৫১ কেজি গাঁজা ও ১৮০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ১ জনকে গ্রেফতার করেছে।
সোমবার দিবাগত রাতে জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটি টিম কুমিল্লা জেলায় বিশেষ অভিযানটি পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম থানাধীন মিরশ্বানী বাজারের দক্ষিণ পাশে ঢাকা-টু-চট্টগ্রামগামী মহাসড়কের পূর্ব পাশের নালঘর রাস্তার মাথায় পাঁকা রাস্তার উপর হতে ৫১ কেজি গাঁজা ও ১৮০ বোতল ফেন্সিডিলসহ কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার ছুপুয়া মাদ্রাসার ০৭নং ওয়ার্ড এর ৩নং কালিকাপুর ইউপি নিবাসী মোঃ তাজুল ইসলাম (২৮)কে গ্রেফতার করা হয়।
উক্ত
ঘটনায় কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম থানাতে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টার।।
কুমিল্লাস্থ মনোহরগঞ্জ উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গত শনিবার (১৬ মে) রাতে কুমিল্লা টাউন হলের মুক্তিযোদ্ধা কর্নারে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য ৩৩ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।
নতুন কমিটিতে মো. আবুল কালাম আজাদকে (নঈম আজাদ) সভাপতি, অধ্যাপক সরওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলনকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, মো. জসীম উদ্দিন পাটোয়ারীকে সাধারণ সম্পাদক এবং প্রথম আলোর কুমিল্লা প্রতিনিধি মো. আবদুর রহমানকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, "কুমিল্লাস্থ মনোহরগঞ্জ উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির আজকের অনুষ্ঠান দেখে আমি অভিভূত। মনোহরগঞ্জের এত মানুষ কুমিল্লায় কর্মরত ও বসবাস করেন তা আজ জানতে পারলাম।"
তিনি আরও বলেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলা উন্নয়নের দিক থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। কুমিল্লায় যারা প্রতিষ্ঠিত, তারা সুযোগ পেলেই যেন নিজ এলাকায় ছুটে যান এবং সবাই মিলে উপজেলাকে এগিয়ে নেন। এছাড়া মাদক, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি এবং বাল্যবিয়ে রোধে সকলকে অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
সংগঠনের বিদায়ী সভাপতি এ. কে. এম মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. জসীম উদ্দিন, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবদুল হাকিম, সোনালী ব্যাংক পিএলসি-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহজাহান ভূঁইয়া, মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইলিয়াস পাটোয়ারী ও সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহ সুলতান খোকন।
অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক সরওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলন ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুস সালাম। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সমিতির সাবেক সভাপতি মো. গোলাম ছরওয়ার মজুমদার, বর্তমান সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট দেওয়ান সামসুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম, কুমিল্লা এভারকেয়ার স্পেশালাইজড হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. বোরহান উদ্দিন প্রমুখ।
সভা শেষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী দুই বছরের জন্য অনুমোদিত পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটির অন্যান্য পদের দায়িত্বে আছেন— সহ-সভাপতি: অ্যাডভোকেট দেওয়ান সামসুল হক, মো. বদিউল আলম নাছির, মো. আবদুস ছালাম এবং মো. হারুনুর রশীদ ভূঁঞা। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম, ধীরেন্দ্র কিশোর মজুমদার এবং মো. মোখতার হোসেন। এছাড়া দপ্তর সম্পাদক মো. সেলিম রাজা, অর্থ সম্পাদক মো. ওমর ফারুক, আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. জামাল উদ্দিন, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. আশিকুর রহমান রব্বানী, শিক্ষা সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক ইঞ্জি. আবুল কালাম আজাদ, সমাজ ও ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক সাফায়েত হোসেন সজল, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক আবদুল বাশার, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মো. বেলায়েত হোসেন এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক পদে বেগম গুলশান বেগম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন— মো. গোলাম ছরওয়ার মজুমদার, আব্দুল খালেক মোল্লা, সিরাজুল ইসলাম, এ. কে. এম মাসুদুর রহমান, অ্যাডভোকেট আবদুল বাতেন মজুমদার, আমির হোসেন মন্টু, বিল্লাল হোসেন, বেগম তাহমিনা আক্তার ঝর্ণা, মো. নজরুল ইসলাম, বিধান কুমার মজুমদার, মো. ফারুক, মো. তোফায়েল হোসেন এবং মো. আমির হোসেন।
সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক মো. গোলাম ছরওয়ার মজুমদারের স্বাক্ষরে এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি চূড়ান্ত করা হয়।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে, জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতি ও চক্ষু হাসপাতাল কুমিল্লার পরিচালনায়, ফ্রেড হোলস ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় বিনামূল্যে চক্ষুচিকিৎসা সেবা, লেন্স ছানি অপারেশন, চশমা প্রদান সচেতনাতা লিফলেট বিতরণ ও স্কুল আঙ্গিনায় গাছের চারা রোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ হাইস্কুল মাঠে শুক্রুবার দিন ব্যাপী চলে এসব কার্যক্রম। চক্ষু সেবার এই মানবিক কার্যক্রমটির ১৪তম বছরের আসর বসলো এবার।
সেবাকার্যক্রমে বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট মাজেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও নির্বাহী পরিচালক এস এম মিজানের সঞ্চালনায়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কৃষি মন্ত্রনালয়ের সাবেক সচিব ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা আনোয়ার ফারুক, উদ্বোধক ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতির সভাপতি এডভোকেট আ হ ম তাইফুর আলম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, ইলিয়টগঞ্জ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ওমর ফারুক আহমেদ। সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর সহনির্বাহী পরিচালক উজ্জল হোসেন রানা, প্রোগ্রাম সমন্বয়ক সাংবাদিক শরীফ প্রধান ও নাসির আহমেদ শিশু। এসময় সদস্য ময়নাল, বিল্লালসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলো।
উল্লেখ্য, দিনব্যাপী সেবা কার্যক্রমে দাউদকান্দি, চান্দিনা, মুরাদনগর, দেবিদ্বার, তিতাস ও কচুয়া উপজেলা থেকে আগত প্রায় ৬শতাধিক রুগীকে বিনামূল্য চক্ষু পরীক্ষা ও বিনামূল্যে ঔষধ প্রদান করা হয়। এছাড়াও প্রায় দেড় শতাধিক রুগীকে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন করানোর জন্য মনোনীত করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় দৃষ্টান্ত
ফাউন্ডেশন ও কুমিল্লা ক্যাটস হোমের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে এতিম শিশুদের নিয়ে
ব্যতিক্রমী আয়োজন পিঠা উৎসব ও বাউল গানের আসর।
শুক্রবার রাতে সংরাইশ
সরকারি শিশু পরিবারে দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন ও কুমিল্লা ক্যাটস হোমের প্রতিষ্ঠাতা
মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন রনীর সভাপতিত্বে পিঠা উৎসব ও বাউল গান অনুষ্ঠিত হয়।
কুমিল্লা রিপোর্টার্স
ইউনিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন, পায়রা সমুদ্র বন্দরের পরিচালক (উপসচিব) ড. আতিকুল
ইসলাম, জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র
(ভারপ্রাপ্ত) হাবিবুর আল আমিন সাদি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পংকজ বড়ুয়া,
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কাবিরুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার
আশফাকুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কামরান হোসেন, জেলা সমাজসেবা
কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জেড এম মিজানুর রহমান খান, কোতয়ালী থানা অফিসার ইনচার্জ
(ওসি) ফিরোজ, বাংলাদেম আওয়ামীলীগের কৃষি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার জারিফ আল মামুন ।
আরকে ফিড এন্ড পোট্রি
লিমেটেড এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত পিঠা উৎসব ও বাউল গানের আশরে উপস্থিত ছিলে, জেলা
সমাজ সেবা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক ফারহানা আমিন, এস এম জোবায়েদ, মৌলভীবাজার
জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সাইফ উদ্দিন,
শহর সমাজসেবা অফিসার মো. নাছির উদ্দিন, আদর্শ সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা
মো. আরিফুল ইসলাম, সংরাইশ সরকারি শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক
শরফুন্নাহার মনি, আরকে ফিড এন্ড পোট্রি লিমেটেড ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রেহান
উদ্দিন, ডাক্তার মারুফ হাসান ইমরান, ডাক্তার সামিয়া আফরিন ঐশি, ভেট
আসিফ, মানবাধিকার কর্মী রাজিয়া সুলতানা স্মৃতি, আজকের বিজনেস বাংলাদেশ
পত্রিকার ডেক্স ইনচার্জ ইমরান মাসুদ, রোটারিয়ান ডা. মোঃ সেলিম রেজা, রোটারিয়ান আতাউল মাসুদ রাজিব, রোটারিয়ান মাহফুজুর রহমান বাবুল, রোটারিয়ান আবদুল্লাহ হিল বাকী, ব্যবসায়ী
আবদুল বারিক খান রানা, মশিউর মাসুদ, মারুফ সোহাগ, আফরোজা
বেগম, মুন চৌধুরী, মোঃ আবু রাসেল, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল, দেলোয়ার হোসাইন
আকাইদ সহ আরো অনেকে।
অনুষ্ঠানে বাহারী রকমের
পিঠার আয়োজন করা হয় এবং বাউল দেওয়ান রাসেল, বজলুর
রহমান বাবুল, ওমর ফারুক, দেওয়ান রবিউল, আয়শা সিদ্দিকা সুমাসহ ৪টি বাউল দলের অংশগ্রহনে প্রানবন্ত বাউল গানের আসর উপভোগ করে শিশু
পরিবারের সদস্যরা। পরে উপস্থিত সবাই নৈশভোজে অংশগ্রহন করেন।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ
পাঁচ বছর পর আবারও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অনুষ্ঠিত হলো বাংলা নববর্ষের বর্ণাঢ্য
আয়োজন। সোমবার (১৪ এপ্রিল) দিনব্যাপী ‘বাংলা নববর্ষ ১৪৩২’ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়
ক্যাম্পাস ছিল উৎসবমুখর, প্রাণবন্ত। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত
অংশগ্রহণে রঙিন হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।
উৎসবের
সূচনা হয় সকাল সাড়ে ৯টায়, ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলীর নেতৃত্বে এক
বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে। শোভাযাত্রাটি প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বৈশাখী
চত্বরে গিয়ে শেষ হয়, যেখানে বর্ষবরণ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস
চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, প্রক্টর
অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য
শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
সকাল
১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে শুরু হয় বিভিন্ন খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন। ছেলেদের
জন্য আয়োজন করা হয় মোরগ লড়াই আর মেয়েদের জন্য ছিল মিউজিক্যাল চেয়ার প্রতিযোগিতা, যা
শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।
সকাল
সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। শিক্ষার্থীরা পরিবেশন করেন লোকগান, নৃত্য,
কবিতা আবৃত্তি ও নাটিকা। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ বাংলা নববর্ষকে ঘিরে
নিজ নিজ স্টলে পরিবেশন করে ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলি — পাটিসাপটা, চিতই, দুধচিটা, মালপোয়া
প্রভৃতি।
ভাইস
চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, “বাংলা নববর্ষ এদেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের
মানুষের মিলনমেলা। এটি আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই আয়োজন নতুন প্রজন্মের
মধ্যে দেশপ্রেম ও সংস্কৃতি চেতনা জাগ্রত করবে।”
প্রো-ভাইস
চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, “বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধরে রাখার
দায়িত্ব আমাদের সকলের। এমন আয়োজন সেই দায়িত্ব পালনকে আরও বেগবান করে।”
ট্রেজারার
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, নতুন বছর আমাদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে
দিয়েছে। অতীতের অন্যায়-অবিচার থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে স্বচ্ছতা ও গণতন্ত্রের
পথে।
প্রায়
পাঁচ বছর পর কুবিতে এই আয়োজন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা
গেছে। দিনভর চলা নানা আয়োজনে মুখর ছিল গোটা ক্যাম্পাস।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন সুয়াগাজী এলাকা হতে ১১ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১১ ডিসেম্বর সোমবার রাতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন সুয়াগাজী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ১১ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলো: চট্টগ্রাম জেলার খুলশী থানার আমবাগান গ্রামের আলমাছ হক পাটোয়ারী @ দুলাল এর ছেলে মোঃ আরমান (৩০)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত সিএনজি ব্যবহার করে কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী
ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের জানাজা জেলা জজ কোর্ট প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত
হয়েছে। জানাজায় শতাধিক আইনজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
আজ শুক্রবার (১৬ আগস্ট) জুমার নামাজের
পর এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় উপস্থিত আইনজীবীরা আবুল কালাম
আজাদের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
এরপর তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ উপজেলার কাজিরগাঁও এলাকায় পারিবারিক
কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
কুমিল্লা নগরীর মোগলটুলি এলাকায় গত
৫ আগস্ট গুলিবিদ্ধ হন আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ। এরপর ১০ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার
(১৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় মারা যান তিনি।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক
ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম ভুইয়া তার বক্তব্যে বলেন,
আবুল কালাম আজাদ একজন বিচক্ষণ আইনজীবী ছিলেন। তাঁর এমন মৃত্যুতে তিনি শোক প্রকাশ করে
যারা তাঁকে হত্যা করেছে তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আ
হ ম তাইফুর আলম বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের নিমর্মতার বলি হয়েছেন আমাদের সহকর্মী আবুল
কালাম আজাদ। তাকে নগরীর মোগলটুলি এলাকায় নিমর্মভাবে পিটিয়ে ও গুলি করে আহত করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
তাঁর মৃত্য হয়। তাঁর মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। আমরা এই ঘটনায় জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তি চাই।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি
অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু বলেন, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বিকেলে নগরীর
প্রতিটি সড়কে বিজয় মিছিলের পাশাপাশি বেশ সহিংসতা চলে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আদালতে
হামলার খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যাই আমি, আমার ছেলে শাফিউল হক আলভী, আরফানুল হক অবরিন
এবং অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী। এরপর তারা মাগরিবের নামাজ পড়তে
নগরীর মোগলটুলী এলাকায় পৌঁছালে তাদের ওপর হামলা ও
গুলি করা হয়। এ ঘটনায় আবুল কালাম আজাদ আহত হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবি
করছি।
এ সময় বক্তব্য দেন পিপি জহিরুল ইসলাম
সেলিম, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান লিটন, কেন্দ্রীয় বিএনপির ত্রাণ
ও পুনর্বাসনবিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুর রশীদ ইয়াছিন।
জানাযার নামাজ শেষে আইনজীবী আবুল কালাম
আজাদের মরদেহ তাঁর গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ উপজেলার কাজিরগাও এলাকায় নিয়ে
যাওয়া হয়।
মন্তব্য করুন