

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তিকে পেট্রোল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।সোমবার (১৮ মে) রাতে সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী ভোমরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার (১৯ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব-১১ কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মিঠুন কুমার কুণ্ডু।
গ্রেপ্তার আসামির জহির ইসলাম ওরফে জহির হিজড়া (৪৬)। তিনি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জাপর আলীর ছেলে। নিহত হিজড়ার নাম এনামুল হক শিশির (২৯)।
র্যাব জানায়, গত ১৩ মে সকালে বুড়িচং বাজারের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি টিনশেড বাসায় এনামুল হক শিশির (২৯) নামে তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তির হাত-পা বেঁধে গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। পরে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৭ মে ভোরে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বুড়িচং থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেখানে জহিরকে প্রধান আসামি করে তিনজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ৬ থেকে ৭ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
সহকারী পরিচালক মিঠুন কুমার কুণ্ডু জানান, নিহত শিশির ও আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে বসবাস করতেন। তারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে। মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। তারা নিহত শিশির ও আসামিদের বিরুদ্ধে পূর্বের মাদক মামলাও রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়াও বাকি কেউ জড়িত থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ আমিনা ফারহিনের বাসায় চুরির
ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৩০ মে) ভোরে পৌর এলাকার মৌলভীপাড়ায় তিতাস টুইন টাওয়ারের ২য় তলায়
তাঁর বাসভবনে এ ঘটনা ঘটে।
বিচারক
সৈয়দ আমিনা ফারহিন ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন। তবে ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন না। খবর
পেয়ে সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
তিতাস
টুইন টাওয়ারের কেয়ার টেকার রতন মিয়া জানান, ঈদের ছুটিতে ওই বিচারক ফ্ল্যাট তালা দিয়ে
বাড়িতে যান।
সিসি
ক্যামেরাতে দেখা গেছে ভোরে তিনজন পেছনের গ্রিল ভেঙে দ্বিতীয় তলায় উঠে। পরে ফ্ল্যাটের
তালা ভেঙে প্রবেশ করে। সেখানে দুটি আলমিরা ভেঙে সব মালামাল নিয়ে গেছে। এ ছাড়াও অন্যান্য
মালামাল নিয়ে গেছে চোরের দল। সকালে বিষয়টি নজরে এলে পুলিশকে অবহিত করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম রকিব উর রাজা জানান, চুরির খবর পেয়ে ওই ফ্ল্যাটে
যায় পুলিশ। বিচারক ছুটিতে থাকার সুযোগে চুরির এ ঘটনাটি ঘটে। কি পরিমাণ মালামাল চুরি
হয়েছে সেটা জানার চেষ্টা চলছে। জড়িতদের চিহ্নিত করতেও কাজ করছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


দায়িত্ববোধের
জায়গা থেকে সঠিক সিদ্ধান্তের পথ বেছে নিয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচারকদের প্রতি
আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বিচারকদের উদ্দেশে
তিনি আরও বলেন, ‘সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করবেন। আপনারা ন্যায় বিচার নিশ্চিত
করুন, আমরা আপনাদের পাশে আছি।’
আজ
শনিবার (০৯ মে) সকালে রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট কমপ্লেক্সে আয়োজিত
অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজদের ২০তম ওরিয়েন্টেশন কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী
বলেন, আমরা চাই বিচারকদের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বাড়ুক। জনগণ আমাদেরকে ম্যান্ডেট
দিয়েছে। তাই আপনাদের বলতে চাই, যে বিষয়গুলো ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে অন্তরায় সেগুলো
এড়িয়ে চলে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করুন। এ কাজে সরকারকে সবসময় আপনাদের পাশে পাবেন।
এ
প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গির কথাও তুলে ধরেন তিনি। আইনমন্ত্রী বলেন, তারেক
রহমানের একটা কথা সবসময় অনুসরণের চেষ্টা করা উচিত। তিনি প্রায়ই বলেন, আমাদের কাজের
জায়গাটা দায়িত্ববোধের এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার; জনপ্রিয়তার নয়। তাই সব ধরনের অবস্থায়
সবসময় সঠিক পথটিই বেছে নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমি প্রতি মুহূর্তে আমার সীমারেখা
সম্পর্কে অবগত থাকি। যে দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়েছে সেখানে কোনো কারণে কখনোই সঠিক সিদ্ধান্তের
জায়গা থেকে পিছিয়ে আসিনি, আসবোও না।
কোনো
ধরনের দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন,
দুর্নীতির বিষয়ে আমরা সজাগ থাকব, বিচারকদেরও সচেতন থাকতে হবে। মো. আসাদুজ্জামান বলেন,
এটি না পারলে এই প্রতিষ্ঠানকে সামনে এগিয়ে নেওয়া ও ন্যায়বিচারের ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে
দীর্ঘদিনের যে সংগ্রাম এবং আইনের শাসন ও মানবাধিকার-সবই ব্যর্থ হবে। আগামী প্রজন্মের
দিকে তাকিয়ে সেই দায়ভার আমরা নিতে চাই না।
অনুষ্ঠানে
সভাপতিত্ব করেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এবং বিচার প্রশাসন
প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (জেএটিআই) মহাপরিচালক মো. এমদাদুল হক। আরও উপস্থিত ছিলেন আইন
কমিশনের সদস্য, কর্মশালার প্রশিক্ষণার্থী, বাংলাদেশ জুডিসিয়াল এডমিনস্ট্রেশন এন্ড ট্রেনিং
ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের চকরিয়ায় নারীকে বিবস্ত্র করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের মাংস তুলে নিয়ে নির্মম নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১১ জুলাই) ভোর ৭টার দিকে চকরিয়ার কাকারা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলাম নগর এলাকায় নির্যাতনের একপর্যায়ে ওই নারী জ্ঞান হারালে মৃত ভেবে রাস্তার ওপর ফেলে চলে যান নির্যাতনকারীরা।
এ ঘটনায় শনিবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাতে র্যাব এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে ।
কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন শামীম এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন,গ্রেফতারকৃতরা হলেন প্রধান অভিযুক্ত চকরিয়ার কাকারা ইউনিয়নের ইসলাম নগর এলাকার মৃত ছৈয়দ হোছন ওরফে বুদু ড্রাইভারের ছেলে আবুল হোছন (৫০), আরিফ পুতিয়া (৪০) ও একই এলাকার আবু তাহেরের স্ত্রী ডলি আক্তার (৩০)।
র্যাব জানায়, ভুক্তভোগী নারীর নাম ইসমত আরা বেগম (৩৮)। তিনি চকরিয়ার কাকারা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলাম নগর এলাকার বাসিন্দা। তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে ১১ জুলাই প্রতিবেশী আবুল হোছন, সেলিম, মোহাম্মদ আরিফ পুতিয়া, ডলি আক্তারসহ আরও কয়েকজন তাকে বিবস্ত্র করে নৃশংসভাবে নির্যাতন করেন। এসময় নির্যাতনকারীরা দা, কিরিচ ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভিকটিম ইসমত আরাকে এলোপাতাড়ি কোপান।
নির্যাতনের একপর্যায়ে রান ও শরীরের বিভিন্ন অংশের মাংস তুলে ফেলেন। এতে ওই নারী জ্ঞান হারালে মৃত ভেবে টেনেহিঁচড়ে মহাসড়কের পাশে ফেলে রেখে আসেন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।
ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার হলে মুহূর্তে তা ভাইরাল হয়ে যায়। এ ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতপরিচয় ৫-৬ জনকে আসামি করে ১৫ জুলাই চকরিয়া থানায় একটি মামলা করেন ভিকটিমের বোন জিন্নাত আরা (৪০)। পরে অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত আবুল হোছনসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে র্যাব।
র্যাব-১৫ এর মিডিয়া কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুস সালাম চৌধুরী আরো বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মাধ্যমে ছাত্র-শিক্ষক সমাজ আবার তাঁদের চিন্তার স্বাধীনতা ও মুক্তবুদ্ধির চর্চা ফিরে পেয়েছেন। এর সঙ্গে এখন যোগ করতে হবে বিশ্ব-বিজ্ঞানে অবদান রাখার সক্ষমতা। আকাক্সক্ষাকে উচ্চে রেখে দৈনন্দিন পঠন-পাঠন গবেষণার মাধ্যমেই সেটি অর্জিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার
(৭ নভেম্বর) ঢাকায় ‘বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যানের শতবর্ষ উদযাপন : ঢাকার উত্তরাধিকার’ শীর্ষক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন
তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগ এবং সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডি অ্যান্ড রিসার্চ ইন ন্যাচারাল সায়েন্সেস, ঢাবি যৌথভাবে দুই দিনব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমাদের অন্তর্বর্তী সরকার বিপ্লবের ফসল। তাই আমরা বিশ্ব-বিজ্ঞানে অবদান রাখতে প্রয়োজনীয় সব সংস্কার এবং উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির সকল প্রয়াস নিতে প্রস্তুত রয়েছি। এই কাজে নিবেদিত সবার কাছ থেকে চাহিদা, পরামর্শ আসতে হবে। নিজের ওপর আস্থা থাকলে এটি আমরা পারবো- যেমন আস্থা সত্যেন্দ্রনাথ বসুর ছিল বলে তিনি সম্পূর্ণ অপরিচিত হয়েও আইনস্টাইনকে লিখতে পেরেছিলেন। ১৯২৪ সালে সত্যেন্দ্রনাথ বসুর আবিষ্কারের পরিবেশ যেভাবে গড়ে ওঠেছিলো, আজও সেভাবেই গড়ে উঠবে। এর কোন বিকল্প নেই। আমাদের তরুণদের মনে বিশ্বাস সৃষ্টি করতে হবে যে আমরাই বিশ্ব। আজ আমরা সেই আকাঙ্খারই শতবার্ষিকী পালন করছি। বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে বাংলাদেশের ইতিহাসের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আজ আমরা আমাদের দেশের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের একজন উজ্জ্বলতম তারকার মহত্তম অবদানের শতবার্ষিকী উদযাপন করতে এসেছি। যিনি ১৯২৪ সালের এমন একটি সময়ে তাঁর আবিষ্কার বোস-আইনস্টাইন কোয়ান্টাম স্ট্যাটিসটিক্সের জন্য বিজ্ঞান ইতিহাসের অংশ হয়ে গিয়েছিলেন। আর তিনি এটি করেছিলেন আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন নবীন অধ্যাপক হিসেবে কার্জন হলের একটি কামরায় বসে, আজো যেটি পদার্থবিদ্যার ছাত্র-শিক্ষকদের প্রাণচাঞ্চল্যে মুখরিত। তাঁর আবিষ্কারের গুরুত্বের কারণে পৃথিবীর নানা দেশের পদার্থবিদগণ এই শতবার্ষিকী উদযাপন করছেন। কিন্তু আমাদের জন্য এই আবিষ্কারের মর্মটাই আলাদা। পদার্থবিদরা বলেন, বিংশ শতাব্দীর ওই পর্যায়ে পদার্থবিদ্যায় যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছিলো কোয়ান্টাম থিওরির মাধ্যমে, এটি ছিল তার মধ্যে একটি বড় সংযোজন। এর মাধ্যমে বসু বিশ্ব-বিজ্ঞানের মানচিত্রে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়, আমাদের ঢাকা নগরীকে উজ্জ্বলভাবে চিহ্নিত করে দিয়েছিলেন। আজ আমরা যখন ছাত্র-জনতার একটি সর্বাত্মক বিপ্লবের মাধ্যমে দেশকে নতুন ভাবে গড়ার প্রয়াস নিয়েছি, বিশ্ববিদ্যালয়কে তার যথাযথ চর্চার জায়গায় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছি, তখন পরিবর্তনের দিগদর্শিকা হিসেবে উদযাপনের জন্য বসুর আবিষ্কারের এই শতবার্ষিকীর থেকে যথাযথ বিষয় আর কী হতে পারে? আমাদের বিপ্লবের নায়ক ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রেরণা হিসেবেও বা এর থেকে বড় গৌরবের স্মরণও আর কী হতে পারে? ১৯২৪ সাল অনেক পেছনে রেখে এসেছি। কালের পরিক্রমায় বসুর আবিষ্কারটি কি এতটুকু ম্লান হয়েছে? পদার্থবিদরা বলছেন মোটেই না। যার প্রমাণ এই আবিষ্কারের ভবিষ্যদ্বাণীকে সত্য প্রমাণ করে সৃষ্ট বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেট পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে ২০০১ সালে। এ নিয়ে গবেষণা চলছেই।
তিনি উল্লেখ করেন, সারা দুনিয়ার পদার্থবিদ্যার ছাত্ররা জানে যাবতীয় পদার্থ-শক্তি সব কিছুর একেবারে মূলে যে মৌলিক কণিকাগুলো এদের শ্রেণী বিভাজনে একটি বড় ভূমিকা রেখেছে বসুর থিওরির দ্বারা ঠিক করে দেয়া নির্দেশিকা।
প্রধান উপদেষ্টা
আরও বলেন, সত্যেন্দ্রনাথ বসু শিক্ষার সর্বস্তরে, বিশেষ করে উচ্চতর বিজ্ঞান শিক্ষায় বাংলা ভাষা প্রচলনের জন্য তর্ক বিতর্ক করছেন, বাংলায় বই লিখছেন, পত্রিকা বের করছেন, নিজের পাঠদানে বাংলা ব্যবহার করছেন। শহরের সাহিত্যানুরাগী সংস্কৃতিসেবীদের কয়েকজনকে নিয়ে নিয়মিত বৈঠকি আড্ডা গড়ে তুলেছেন। পঞ্চাশের দশকের শেষের দিকে আমি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তখনকার ঢাকার সঙ্গে বসুর ঢাকারই মিল বেশি ছিল। কাজেই পরিবেশটি বেশ কল্পনা করতে পারি, ঢাকার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। সেই শান্ত ছোট শহরকে, সেই সবুজ রমনাকে আর ফেরত আনা যাবে না, কিন্তু সেই গৌরবের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা অবশ্যই ফেরত আনতে পারি, আজকের স্বাধীন বাংলাদেশে। বোস- আইনস্টাইন তত্ত্বের শতবার্ষিকীতে একথা আমরা জোর দিয়ে বলতে চাই।
মন্তব্য করুন


তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নামলে স্কুল-কলেজ বন্ধ হবে বলে সিদ্ধান্ত জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর আগে তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির নিচে নামলে স্কুল-কলেজ বন্ধ হবে বলে মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) যে নির্দেশনা দিয়েছিল, সেটির সংশোধনী দেওয়া হচ্ছে।
একইদিন শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানায়, পরিবর্তন এসেছে অধিদপ্তরের জারি করা ওই নির্দেশনায়।
চলমান শৈত্যপ্রবাহের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সংক্রান্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশোধিত চিঠিতে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন জেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ প্রবাহিত হচ্ছে। চলমান এ শৈত্যপ্রবাহে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে মর্মে জানা যাচ্ছে।
এক্ষেত্রে যেসব জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে যাবে, আঞ্চলিক উপ-পরিচালকেরা সেসব জেলার জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেবেন।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের
ঘাটাইলে বিয়ের একমাসের মাথায় প্রেমিকের সঙ্গে পালানার তিনদিন পর সূচনা নামে এক নববধূর
মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার
(১৭ মে) বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সূচনা
আইনপুর গ্রামের সোহরাব আলীর মেয়ে।
নিহতের
পরিবার জানায়, পালানোর পরে শহরের কলেজপাড়া এলাকায় প্রেমিক সাওয়ালের চাচা ইউপি চেয়ারম্যান
গিয়াসউদ্দিন বাবুর বাসায় অবস্থান করছিলেন ওই তরুণী। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার করার
পর মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে যায় প্রেমিকের পরিবার। পরে সেখান থেকে পালিয়ে যায় সবাই।
তারা
আরও জানায়, একমাস আগে মধুপুর উপজেলার মাইজবাড়ি গ্রামের আলমের সঙ্গে বিয়ে হয় সূচনার।
গত ১৪ মে রাতে ঘাটাইল উপজেলার সত্তুর বাড়ি গ্রামের সরোয়ারের ছেলে প্রেমিক সাওয়ালের
হাত ধরে শ্বশুর বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হয় সূচনা। পরে উভয় পরিবারের সমঝোতায় বিয়ের আশ্বাস
দেয়া হয় সাওয়াল ও সূচনাকে। শনিবার রাতে তাদের নিয়ে আসা হয় সাওয়ালের চাচা ইউপি চেয়ারম্যান
গিয়াসউদ্দিন বাবুর বাসায়। রোববার বিকেলে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় সূচনার মরদেহ।
তড়িঘড়ি করে নেওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে
পরিবারকে জানানো হয় তার মৃত্যুর বিষয়টি। জানানো হয় পুলিশকেও। পুলিশ হাসপাতাল থেকে তার
মরদেহ উদ্ধার করে।
সূচনার
বাবা সোহরাব আলীর অভিযোগ, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
সংগ্রামপুর
ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন বাবু জানান, সাওয়াল তার চাচাতো ভাইয়ের ছেলে। সমঝোতার জন্য
নিহত তরুণীকে তার বাসায় নিয়ে আসা হয়েছিল। ঘটনার দিন তিনি বাসায় ছিলেন না।
এ
বিষয়ে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) প্রভাষ কুমার বসু জানান, ঘাটাইল
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল
মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীসহ
সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)
৪৬০টি টহল টিম মোতায়েন করা হয়েছে।
১৯
নভেম্বর (রোববার) সকালে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার
আল মঈন বিষয়টি জানিয়েছেন।
তিনি
জানিয়েছেন, রাজনৈতিক বিভিন্ন দলের ডাকা ২ দিনব্যাপী হরতালে রাজধানীসহ সারা দেশে যাতে
কোনো ধরনের নাশকতা ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি না হয়, সেজন্য র্যাবের সব কয়টি ব্যাটালিয়নের
সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। এই লক্ষ্যে ঢাকায় ১৬০টিসহ সারাদেশে ৪৬০টি র্যাবের টহল
টিম মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও সাইবার স্পেসেও নজরদারি করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


হামলাকারীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের
আশ্বাসে সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা পর্যন্ত কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চিকিৎসকরা
স্থগিত করেছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল নাজমুল।
রোববার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
ঢামেক পরিচালক জানান, কমপ্লিট শাটডাউন
থেকে সরে এসেছেন চিকিৎসকরা। হাসপাতালের জরুরি বিভাগসহ ইনডোরের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ চালু
থাকবে। এখন থেকে ঢামেক হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের
পর সবাই কাজে ফিরবেন।
এদিকে, চিকিৎসকদের দাবি যৌক্তিক জানিয়ে সন্ধ্যায়
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগন বলেন, তাদের সঙ্গে ন্যক্কারজনক ঘটনা
ঘটেছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিইউবিটির উপচার্যের কাছে জানতে চাওয়া হবে, হামলায় কারা
ছিল।
চিকিৎসকদের সুরক্ষা দেয়ার কথা জানিয়েছে
উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
হামলাকারীদের গ্রেফতার করতে হবে।
তবে স্বাস্থ্য পুলিশ নিয়োগ করতে সময়
লাগবে বলেও জানিয়েছেন নুরজাহান বেগম।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের
মারধরের প্রতিবাদে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দেয়া হয়। চিকিৎসকদের
সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত ও দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায়
আনার দাবি তোলেন চিকিৎসকরা। ঘটনার পর চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় রোববার বিকেলে দুই প্লাটুন
বিজিবি মোতায়েন করা হয়।
মন্তব্য করুন


আজ (২৭ নভেম্বর) নৌপরিবহন এবং শ্রম
ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেনের সাথে ঢাকায়
নিযুক্ত মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনিন রশীদ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সাক্ষাতকালে তারা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য
সম্পর্কের পাশাপাশি পর্যটন প্রসারের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় তারা মালদ্বীপের
সাথে বাংলাদেশের শিগগিরই জাহাজ চলাচল শুরু করার ব্যাপারে একমত হন।
সাক্ষাতকালে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের
সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ ইউসুফ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক বিদোষ চন্দ্র বর্মন উপস্থিত
ছিলেন।
নৌ-উপদেষ্টা বাংলাদেশ থেকে পরিবেশবান্ধব
পাট ও পাটজাত পণ্য আমদানী করতে মালদ্বীপকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, মালদ্বীপের সাথে বাংলাদেশের
সরাসরি জাহাজ চলাচল চালু হলে উভয় দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য আরো সম্প্রসারিত হবে।
মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনিন রশীদ
বলেন, বাংলাদেশ এবং মালদ্বীপের মধ্যে শিগগিরই সরাসরি জাহাজ চলাচলের উদ্যোগ গ্রহণ করা
হবে। মালদ্বীপের ব্যবসায়ীরাও এ বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক। উভয় দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ
আরো বৃদ্ধি করতে সরাসরি জাহাজ চলাচল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। কন্টেইনার,
সাধারণ যাত্রী বা মালামাল পরিবহনের পাশাপাশি সমুদ্রপথে উভয় দেশের মধ্যে ক্রুজ সার্ভিস
চালু করার ব্যাপারেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। এর মধ্য দিয়ে উভয় দেশের পর্যটন বিকশিত হবে
বলেও হাইকমিশনার উল্লেখ করেন।
ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াৎ বাংলাদেশের মেরিন
একাডেমিগুলোতে প্রশিক্ষণের জন্য মালদ্বীপ থেকে ক্যাডেট প্রেরণের আহ্বান জানিয়ে বলেন,
বাংলাদেশের মেরিন একাডেমিগুলোতে মেরিন বিষয়ক আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। মালদ্বীপের নিয়মিত ক্যাডেটরা এখান থেকে
উন্নতমানের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারে।
শিউনিন রশীদ উপদেষ্টার এ প্রস্তাবকে
সমর্থন করে বলেন, মালদ্বীপ সরকার বাংলাদেশের সাথে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিনিময় কর্মসূচিতে
একযোগে কাজ করতে আগ্রহী।
এছাড়াও মালদ্বীপের ব্যবসায়ীরা পণ্য
পরিবহনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে ট্রান্সশিপমেন্ট নিতে আগ্রহ প্রকাশ করে আসছে। দুই দেশের
বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাখাওয়াত ২০২৫
সালে অনুষ্ঠিতব্য আইএমও নির্বাচনে সি-ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দিতার বিষয়েও
মালদ্বীপের হাইকমিশনারকে অবহিত করেন।
তিনি আরো জানান, বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক
দেশ। এ দেশের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বিভিন্নভাবে নদ-নদীর উপর নির্ভরশীল। বিদ্যমান
তিনটি বৃহৎ সমুদ্রবন্দরের পাশাপাশি মাতারবাড়িতে একটি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করা
হচ্ছে। প্রায় চুয়ান্নটি প্রধান নদীবন্দর রয়েছে। হাজারের উপর নদ-নদী দেশজুড়ে জালের মতো
বিস্তৃত। দেশের দক্ষিণে বিশাল বঙ্গোপসাগরের অবস্থান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের
ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বকে বৃদ্ধি করেছে। বাংলাদেশের তৈরি জাহাজ বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে।
এ পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মেরিটাইম সেক্টরকে আরো এগিয়ে নিতে এবং মেরিটাইম সেক্টরের
বৈশ্বিক পর্যায়ে অবদান রাখতে বাংলাদেশ আইএমও কাউন্সিল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
নৌপরিবহন উপদেষ্টা এ বিষয়ে মালদ্বীপের সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


ডিমের বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে ভারত থেকে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশের ৪ প্রতিষ্ঠান ১ কোটি করে এ ডিম আমদানি করতে পারবে।
১৮ সেপ্টেম্বর সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো: হায়দার আলী এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৷
হায়দার আলী বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় রোববার দেশের ৪ প্রতিষ্ঠানকে ১ কোটি করে মোট ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দিয়েছে। আমদানি করা ডিম খুচরা পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত দাম প্রতি পিস ১২ টাকায় বিক্রি হবে। আমদানি করা ডিম লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) খোলার এক সপ্তাহের মধ্যে এসে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। কয়েক দিনের মধ্যেই এটি শুরু হবে।
এদিকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর নিত্যপ্রয়োজনীয় আমিষের দাম বাড়ার মধ্যে খুচরা পর্যায়ে ডিমের দাম ১২ টাকা নির্ধারণ করে সরকার।
ওইদিন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ডিমের উৎপাদন খরচ সাড়ে ১০ টাকা হওয়ায় আমরা এই দাম নির্ধারণ করে দিয়েছি। প্রতি পিস ডিম এখন থেকে ১২ টাকায় বিক্রি করা হবে। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন