

কুমিল্লা
জেলার মেঘনা থানাধীন মেঘনা নদীতে চাঁদা আদায়কালে চাঁদার নগদ টাকা, চাঁদা আদায়ের রশিদ
সহ ৩জন গ্রেফতার ।
কুমিল্লা
জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) এর সার্বিক দিক-নির্দেশনায় এবং সহকারী
পুলিশ সুপার হোমনা সার্কেল, মীর মুহসীন মাসুদ রানার নেতৃত্বে পুলিশ পুরিদর্শক (তদন্ত)
মোহাঃ বিল্লাল হোসেন, মেঘনা থানা, কুমিল্লা সঙ্গীয় এসআই (নিঃ) হাক্কানী বিল্লাহ ও সঙ্গীয়
ফোর্স সহ মেঘনা নদীতে অভিযান পরিচালনা করে গতকাল রাতে মেঘনা নদীতে চলাচলরত মালবাহী
ট্রলার থেকে চাঁদা আদায় কালে আসামী মহিউদ্দিন, মোঃ ইসমাইল হোসেন, ওমর ফারুক কে গ্রেফতার
করা হয়। তাদের নিকট হতে চাঁদা আদায়ের রশিদ ও আদায়কৃত চাঁদার নগদ ৪৩০০ টাকা উদ্ধার করা
হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো:
১।
মহিউদ্দিন (৪৫), পিতা-মৃত বাদশা মিয়া, ২। মোঃ ইসমাইল হোসেন (২২), পিতা-মোহাম্মদ আলী,
৩। ওমর ফারুক (৩৭), পিতা-মৃত আবুল কাশেম, সর্বসাং-রাধানগর, থানা-বাঞ্ছারামপুর, জেলা-ব্রাহ্মনবাড়ীয়া।
উক্ত
ঘটনা সংক্রান্তে মেঘনা থানার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৫০ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ ।
আজ
(২৬ জানুয়ারী) সকালে কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) ছালাউদ্দিন ও সঙ্গীয় ফোর্স
সহ কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৪নং আমড়াতলী ইউপিধীন আমড়াতলী সাকিনস্থ কাইয়া
পুকুরের পূর্ব দক্ষিণ কোনের নাজিম উদ্দিনের বাড়ির সামনে রাস্তার উপর হতে ৫০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ বিল্লাল হোসেন কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: মোঃ বিল্লাল হোসেন(৩১), পিতা-মৃত আলী আকবর, মাতা-সাফিয়া খাতুন
,স্থায়ী: গ্রাম- বড়জালা (মন্টু মিয়ার বাড়ি, পোঃ বামইল ) , উপজেলা/থানা- কুমিল্লা কোতয়ালী,
জেলা –কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানার মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
২১ মার্চ রাতেকুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাপ্তানবাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ আজগর আলী (৩০), ২। মোঃ নাঈম হোসেন হৃদয় (২৬) এবং ৩। শেখ মোঃ মেহতাব দ্বীন (৪৮) নামক ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ আজগর আলী (৩০) গোপালগঞ্জ জেলার মকসুদপুর থানার জানবাগ গ্রামের আব্দুল গফুর মোল্লা এর ছেলে, ২। মোঃ নাঈম হোসেন @ হৃদয় (২৬) একই জেলার কাশিয়ানী থানার পদ্মবিলা গ্রামের মোঃ আতর আলী এর ছেলে এবং ৩। শেখ মোঃ মেহতাব দ্বীন (৪৮) কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী জেলার কুমারখালী গ্রামের শেখ মোঃ নাছির উদ্দিন এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে গোপালগঞ্জ, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত ০১ নং আসামী মোঃ আজগর আলী এর বিরুদ্ধে পূর্বে বিভিন্ন থানায় ৮ টি মাদক মামলা সহ মোট ৯ টি মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়ায় বাংলাদেশ
স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) অনুমোদন ছাড়াই প্রসাধনী পণ্য
বিক্রি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন ও বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে তিন প্রতিষ্ঠানকে
৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) বিকালে উপজেলা
সদর ও সাহেবাবাদ বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন।
এতে পৃথকভাবে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেট ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) স ম আজহারুল ইসলাম
এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ ফারহানা পৃথা।
এ সময় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড
টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) পরিদর্শক (কুমিল্লা) কাজী মো: শাহান ও থানা পুলিশের
একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ভারতীয়
ও পাকিস্তানি অবৈধ প্রসাধনী দোকানে রাখা ও বিক্রির দায়ে উপজেলার সদর বাজারের শরীফ কসমেটিকস
নামের এক প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা ও এমি কসমেটিকস অ্যান্ড গিফট সেন্টার নামের অন্য
এক প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অপরদিকে নোংরা-অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে
খাদ্যসামগ্রী উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণ রিয়েজেন্ট কেমিক্যাল পাওয়ার অপরাধে সাহেবাবাদ
বাজারের আল বারিয়া বেকারিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তা (ইউএনও) স ম আজহারুল ইসলাম জানান, অবৈধ ভারতীয় ও পাকিস্তানি কসমেটিক্সের
বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় অভিযান চলাকালে সদর উপজেলার দুটি মার্কেটের দুটি দোকানে
অননুমোদিত কসমেটিক্স রাখা ও বিক্রয়ের দায়ে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও
উপজেলার সাহেবাবাদ বাজারের এক বেকারি মালিককে নানা অনিয়মের দায়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা
করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ প্রান্তিক মৎস্যচাষীদের রুই জাতীয় পোনামাছ অবমুক্তকরণ এবং বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (২৮ অক্টোবর) রাজস্ব বাজেটের আওতায় ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ প্রান্তিক মৎস্যচাষী ৯১ জনের মাঝে ৭৯১ কেজি রুই জাতীয় পোনামাছ অবমুক্তকরণ এবং বিতরণ করা হয়।
এই সময় রুই জাতীয় পোনামাছ অবমুক্তকরণ এবং বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন কুমিল্লা জেলা মৎস্য দপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা আদর্শ সদরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোমেন শর্মা, কুমিল্লা আদর্শ সদরের উপজেলা কৃষি অফিসার আউলিয়া খাতুন, কুমিল্লা আদর্শ সদরের উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ তানজিলা ফেরদৌসী, কুমিল্লা আদর্শ সদরের সিনিয়র উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা হিজবুল বাহার ভূঁঞা, কুমিল্লা আদর্শ সদরের উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম সহ সুফলভোগী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নাশকতা ঘটিয়ে ছাত্রজনতা হত্যা চেষ্টা সহ নাশকতা মামলার ০২ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ২০ অক্টোবর ২০২৪ ইং তারিখ সন্ধ্যায় র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন বড়পুকুরপাড় এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে কুমিল্লায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নাশকতা ঘটিয়ে ছাত্রজনতা হত্যা চেষ্টা সহ নাশকতা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামী ১। আদনান হায়দার (৪০) এবং ২। মোঃ দুলাল (৩৮) নামক ০২ জন নাশকতাকারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। আদনান হায়দার (৪০) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার সিন্দুরিয়া পাড়া গ্রামের আখলাক হায়দার এর ছেলে এবং ২। মোঃ দুলাল (৩৮) একই থানার পূর্বহুড়া গ্রামের মৃত আক্কাছ আলী এর ছেলে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে নাশকতা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৪/০৮/২০২৪ ইং তারিখ কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার অন্তর্গত নাজিরা বাজার এলাকায় ছাত্র আন্দোলনের ডাকে দিন ব্যাপী শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলছিল।
উক্ত কর্মসূচিকে প্রতিহত করার লক্ষ্যে ধৃত আসামী ১। আদনান হায়দার (৪০) ও ২। মোঃ দুলাল (৩৮) সহ তার অপরাপর সহযোগীরা তাদের হাতে থাকা ককটেল, রামদা, লোহার রোড সহ অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আন্দোলনকারী নিরীহ ছাত্র-জনতার উপর অতর্কিত হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং গুলি বর্ষণ করে। উক্ত ঘটনায় অনেক নিরীহ ছাত্র ককটেল, দেশীয় অস্ত্র ও গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। তৎপ্রেক্ষিতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানায় একটি হত্যা চেষ্টার মামলা দায়ের হয়, যার মামলা নং-০৭, তারিখ-০৭/০৯/২০২৪। মামলা দায়ের করার পর হতে র্যাব-১১, সিপিসি-২, এর আভিযানিক দল পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে ছায়া তদন্ত আরম্ভ করে। পরবর্তীতে র্যাব-১১ সিপিসি-২ এর চৌকস আভিযানিক দল গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে গত ২০ অক্টোবর ২০২৪ ইং তারিখ সন্ধ্যায় কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার বড় পুকুরপাড় এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। আদনান হায়দার (৪০) ও ২। মোঃ দুলাল (৩৮)’দ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ে
গ্রফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বুড়িচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ মামলায় অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর
বিশেষ টহলদল চোরাচালান বিরোধী আভিযান পরিচালনা করে ৩০ বোতল ভারতীয়
মদ সহ তিনজন বাংলাদেশী মাদক চোরাকারবারীকে আটক করে।
আজ (৭ অক্টোবর) ১২:৩০ মিনিটে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ গোলাবাড়ী পোষ্টের বিশেষ টহল দল দায়িত্বপূর্ণ এলাকা কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী সদর উপজেলাধীন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বারাইপুর নামক স্থানে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে বিজিবি টহল দল কর্তৃক ভারত হতে বাংলাদেশে পাচারের সময় ভারতীয় ৩০ বোতল মদসহ ৩ জন বাংলাদেশী মাদক চোরাকারবারী মোঃ আবুল কাসেম, (৬৫) মোঃ তুহিন মিয়া, (২২) মোঃ সাইফুল ইসলাম (২০) আটক করে।
স্থানীয়দের নিকট থেকে জানা যায়, উক্ত মাদক চোরাকারবারীদ্বয় দীর্ঘদিন যাবৎ এই এলাকায় অবৈধ মাদক চোরাচালানের সাথে জড়িত ছিল।
উল্লেখ্য, আটককৃত ৩ (তিন) জন বাংলাদেশী মাদক চোরাকারবারীদ্বয়কে গোলাবাড়ী পোষ্ট কর্তৃক কোতয়ালী মডেল থানা, কুমিল্লায় হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৪৮ বোতল বিদেশী মদসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারী) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন কালির বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে রবিউল হোসেন (৩২) ও মোঃ কবির হোসেন (৩৭) কে গ্রেফতার করে। এ সময় ৪৮ বোতল বিদেশী মদ ও ১ টি অটো মিশুক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী রবিউল হোসেন কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার দিশাবন গ্রামের মোঃ ফজর আলী এর ছেলে এবং মোঃ কবির হোসেন কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার দিশাবন গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য বিদেশী মদ সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
টুয়েন্টিফোর টিভি ডেস্ক:
কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানা
কর্তৃক ৩০ কেজি গাঁজাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
গত ২২/০৯/২০২৩খ্রি: তারিখ
কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই (নিঃ) শেখ মফিজুর রহমান এবং সঙ্গীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায়
মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
কোতয়ালী মডেল থানাধীন শাসনগাছা রেললাইন এর পূর্ব পাশে রুপিয়া বেগম @ মালু এর বসত ঘরের
সামনে ইটের স্তুপ এর ভিতর তল্লাশী করে ৩০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী রাজিয়া আক্তার
প্রঃ ইতি (২৪), পিতা-আক্তার হোসেন, মাতা- রুপিয়া বেগম প্রঃ মালু প্রঃ কালু, উপজেলা/থানা-
কুমিল্লা কোতয়ালী, জেলা -কুমিল্লাকে গ্রেফতার করা হয়।
এই সংক্রান্তে উক্ত আসামীর
বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার, এফআইআর নং-৮৭ তারিখ- ২৩/০৯/২০২৩; ধারা- ৩৬(১) সারণির ১৯(গ) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ
আইন, ২০১৮ তে মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ও চিকিৎসাধীন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সাথে মতবিনিময় করেছেন ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম।
আজ রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩ টায় প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় সমন্বয়ক, আহত ও চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীরা তাদের স্মৃতিচারণ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন দাবী উপস্থাপন করেন।
ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, আমি শিক্ষার্থীদের সকল কথা শুনেছি। সকল দাবীই যৌক্তিক। আমাদের এসব দাবী পূরণের তীব্র ইচ্ছা থাকলেও সক্ষমতা কম রয়েছে। দুটি হলের নাম অফিসিয়ালি পরিবর্তন করতে একটু সময়ের দরকার। আবদুল কাইয়ুমের স্মৃতি স্মরণীয় করে রাখার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের সাহায্য করার ইচ্ছা থাকলেও আমাদের সক্ষমতা সীমিত। কারণ এসব চিকিৎসা অনেক ব্যয় বহুল। তবে আমরা আহতদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করার জন্য উপদেষ্টাদের কাছে তা পাঠিয়ে দেবো। সেখান থেকে তাঁরা সাহায্য করবেন বলে আমরা আশাবাদী। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সকল দাবী পূরণে চেষ্টা করবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্যাহ।
মন্তব্য করুন


মৎস্য
ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, পবিত্র ঈদুল আজহাকে
কেন্দ্র করে কোরবানির পশু পালন এখন প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের বছরের অন্যতম বড় আয়ের
উৎসে পরিণত হয়েছে।
আজ
মঙ্গলবার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নেউরা পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে
মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রাণিসম্পদ
মন্ত্রী বলেন, কোরবানির পশু পালন ও বিক্রির মাধ্যমে দেশের লাখো পরিবার আর্থিকভাবে উপকৃত
হচ্ছে। ধীরে ধীরে এই খাত শিল্পভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকা-ে রূপ নিচ্ছে, যা জাতীয় অর্থনীতিতেও
গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক গবাদিপশু কোরবানি হয়, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ
কোরবানির আয়োজন। এই ঈদকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষক ও খামারিরা এক থেকে
দুই বছর ধরে গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ লালন-পালন করে বাজারজাত করেন। ফলে কোরবানির মৌসুম
প্রান্তিক খামারিদের জন্য একটি বড় অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
মন্ত্রী
বলেন, সরকার প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা
করছে। গবাদিপশু পালন সম্প্রসারণে প্রশিক্ষণ, কারিগরি সহায়তা ও খামারভিত্তিক উৎপাদন
বৃদ্ধির নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে দেশে বাণিজ্যিকভাবে পশুপালনের প্রবণতা বাড়ছে
এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি আরও গতিশীল হচ্ছে।
কোরবানির
পশুর হাটে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও বাজার ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের
জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রাণিসম্পদ
বিভাগের সমন্বয়ে নিবিড় নজরদারি চলছে। হাটগুলো পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা
নেওয়া হয়েছে।
তিনি
জানান, প্রতিটি পশুর হাটে ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম দায়িত্ব পালন করছে। তারা পশুর স্বাস্থ্য
পরীক্ষা, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করছেন। একইসঙ্গে খামারি ও ব্যাপারিদের সেবা
নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন।
মন্ত্রী
বলেন, চাঁদাবাজি, অনিরাপত্তা কিংবা অব্যবস্থাপনা নিয়ে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অভিযোগ
পাওয়া যায়নি। প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কোরবানির সময় জাল নোটের ঝুঁকি
মোকাবিলায় বিভিন্ন পশুর হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যাতে ক্রেতা
ও বিক্রেতারা নিরাপদে লেনদেন করতে পারেন।
তিনি
আরও বলেন, ঈদের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে থেকে পশুর হাট পরিস্থিতি তদারকি অব্যাহত
থাকবে, যাতে ক্রেতা-বিক্রেতারা নির্বিঘ্নে কোরবানির পশু কেনাবেচা করতে পারেন।
এ
সময় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা
মো. সামছুল আলম, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায়, উপজেলা প্রাণিসম্পদ
কর্মকর্তা ডা. মো. মাহে আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন