

মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। আজ বুধবার (২৮ মে) সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলীর নেতৃত্বে বেলুন উড়িয়ে এবং আনন্দ র্যালির মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কার্যক্রম শুরু হয়।
র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিশ^বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়ক ও ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে মুক্তমঞ্চে এসে শেষ হয়। র্যালি শেষে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়ানো হয়, পরে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাইকে নিয়ে কেক কাটেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী। কেক কাটার পর বেলা ১১.৩০ ঘটিকায় মুক্ত মঞ্চে এক আলোচনায় সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মাসুদা কামাল, মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ আবদুল হাকিম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এম এম শরীফুল করীম।
সবাইকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, 'আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা মিশন নিয়ে এসেছি। আমার মিশন হচ্ছে দুর্নীতিমুক্ত রেখে সুন্দর বিশ্ববিদ্যালয় গড়তে যা দরকার তা বাস্তবায়ন করা। আমি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে এমন একটা পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই যেখানে শিক্ষকদের মধ্যে দলাদলি থাকবে না, গবেষণা হবে তাদের প্রধান মাপকাঠি। এখন পর্যন্ত আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮৩জনের মধ্যে ১০১জন শিক্ষকের প্রোফাইল ব্ল্যাঙ্ক। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের কাজ শুধু পড়াশোনা করানো নয়। তাই আমরা সকলেই পড়ানোর পাশাপাশি গবেষণা করে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রথম শ্রেণির বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার অঙ্গিকার করি।'
উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মাসুদা কামাল বলেন, ‘আজকে এখানে প্রত্যেকেই স্মৃতিচারণ করছে, আমি স্মৃতিচারণের দিকে যাব না। আমি একজন প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক হিসেবে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। দীর্ঘদিন ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসনের পর এবারের আয়োজনটা একটু ভিন্ন হয়েছে। আজকে এই দিনটি দেখার জন্য আমাদের আব্দুল কাইয়ুমের জীবন গেছে এবং আরো অনেকই আহত হয়েছেন। এখন অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি হচ্ছে তারাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ। আমাদের অতিতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।'
ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, 'এবারের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আমাদের মনে বিশেষ এক অনুভূতি সৃষ্টি করেছে। এই অনুভূতির জন্য আমাদেরকে ১৮ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। আজকের এই দিনে আসতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্যের ত্যাগকে আমি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। সেই সাথে আমি প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মকর্তা, কর্মচারীদের ত্যাগকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আজকে আমরা এই পর্যায়ে আসতে পেরেছি। আজকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে আমাদের একটাই অঙ্গীকার হোক, আমরা সকলেই একে অপরের সহিত মিলেমিশে, কোনো বিভাজন না করে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যাব। মনে রাখবেন আপনার সন্তান যদি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য প্রথম চয়েস না রাখে তাহলে আমাদের পরিশ্রম বৃথা। তাই চলুন একসাথে কাজ করি, একসাথে এগিয়ে যাই।'
প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম বলেন, 'শুরুর দিক থেকে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে আছি। এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অনেক স্মৃতি রয়েছে। তবে গত ১৫-১৬ বছর তো আমরা অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলাম, সে ইতিহাস আর কী বলব। শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে আমাদের পক্ষে মাত্র চারটি ভোট পড়তো। সবাই আমাদের নিয়ে হাসাহাসি করতো, এমনকি পত্র-পত্রিকায়ও এটা নিয়ে লেখা হতো।'
অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরুর দিকের সময় নিয়ে স্মৃতিচারণ করে বলেন, 'কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস এক ঐতিহ্যের ইতিহাস। শুরুতে আমাদের কিছুই ছিল না, বিগত ১৯ বছরে আমাদের ইতিহাস হয়েছে, গৌরব হয়েছে। আমরা পনেরোজন শিক্ষক শুরু করেছিলাম, কারো পিএইচডি ডিগ্রি ছিল না। এখন প্রতিমাসে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা পিএইচডি ডিগ্রির জন্য আবেদন করছে। বিগত ১৫-১৬ বছরে আমরা অনেক অবহেলার শিকার হয়েছি। আজকের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে প্রতিজ্ঞা করতে চাই, ২৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে একটা নতুন মাইলফলক গড়তে চাই।'
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং বিভিন্ন হলের প্রভোস্টগণ সহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


রোজার মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বুড়িচং উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে বুড়িচং থানার ওসি মহোদয় এবং থানা পুলিশ সদস্যবৃন্দের উপস্থিতিতে নিমসার বাজারে বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বৃহস্পতিবার হওয়া এ অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাহিদা আক্তার লেবু, শসা, কাঁচা মরিচ,ধনে পাতা, আলু, পেঁয়াজ প্রভৃতি পণ্যের দাম যাচাই করেন। কাঁচাবাজার এর
পাশাপাশি দোকানগুলোতেও রশিদ এর মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় এর জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, লেবু ২০-৬০ টাকা হালি, কাচা মরিচ ২৬ টাকা, শশা ৩০ টাকা, খিরা ১২-১৫ টাকা , টমেটো ৫-৮ টাকা , আলু ১৬-১৮ টাকা, লাউ ১৮-২০ প্রতি পিস, পেঁয়াজ দেশি (মেহেরপুর) ১৮-২০ টাকা, পেয়াজ দেশি (পাবনা,নওগা) ২৫-৩০ টাকা, ডিম হালি ৩৩-৩৪ টাকা, চিচিংগা ১৫ টাকা, গাজর ১৫-২০ টাকা, বেগুন ৬০-৬৫/- (উন্নতমানের বড় সাইজ), চিকন বেগুন ৩০-৩৫ টাকা এবং সিম ২০-২৫ টাকা প্রতি কেজি দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে।
তবে অভিযান পরিচালনাকালীন সময়ে এটাও বলে দেওয়া হয় যে ভবিষ্যতে কোনো প্রকার অনিয়ম বা মূল্য কারসাজি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক করে দেওয়া হয়।
জনস্বার্থে
এ ধরণের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত
কয়েদি থেকে কারামুক্ত এক কর্মজীবী নারীতে পরিণত হয়েছেন মোসা: পারভীন আক্তার। হত্যা
মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে ২০০২ সালের ১৯ আগস্ট কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ
করেছিলেন কয়েদি নম্বর ৩৮০২/এ, পারভীন আক্তার। পরে উচ্চ আদালতে আপিলের মাধ্যমে তার সাজা
কমে গিয়ে হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। দীর্ঘ প্রায় ২৩ বছর পর, প্রশিক্ষণ ও কঠোর পরিশ্রমে
অর্জিত ৫৭ হাজার টাকা সঞ্চয় নিয়ে আজ তিনি মুক্ত হলেন।
কারা
বিভাগ "রাখিব নিরাপদ, দেখাব আলোর পথ" এই শ্লোগানে বন্দিদের দক্ষতা উন্নয়নে
নানা প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায়, কারাগারে অবস্থানকালে পারভীন আক্তার নেন
নকশীকাঁথা সেলাই ও সুঁই-সুতার কাজের প্রশিক্ষণ। তার হাতে তৈরি কারাপণ্য বিক্রি হয় বাণিজ্য
মেলা ও কারাগারের শো-রুমে। বিক্রয়লব্ধ অর্থের ৫০ শতাংশই পারিশ্রমিক হিসেবে বন্দিদের
হাতে তুলে দেয় কারা কর্তৃপক্ষ।
সেই
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আয় থেকেই পারভীন আক্তার নিজের প্রিজনার ক্যাশ একাউন্টে জমা করেন ৫৭
হাজার টাকা। যা তিনি আজ মুক্তির দিন নিজের হাতে পেয়েছেন। প্রশিক্ষণ ও সঞ্চয়ের এই ফল
পেয়ে আবেগাপ্লুত পারভীন জানান, "কারা কর্তৃপক্ষ শুধু শাস্তিই দেয়নি, জীবনের নতুন
আলো দেখিয়েছে। আমি চিরকৃতজ্ঞ।"
বাংলাদেশ
জেলের এই মানবিক ও পুনর্বাসনমূলক দৃষ্টান্ত সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছে।
পারভীন আক্তারের জীবন আমাদের মনে করিয়ে দেয়— সংশোধনের সুযোগ থাকলে, প্রত্যেক মানুষই
পরিবর্তনের পথে ফিরতে পারেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক কলেজ ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯জানুয়ারী)
দুপুর দেড়টার দিকে মহাসড়কের হাসানপুর কলেজের সামনে এ দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক
শাফিন (১৮) আহত হয়েছেন।
নিহত মীম (১৭) হাসানপুর
শহীদ নজরুল ডিগ্রী কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। নিহত মীম তিতাস উপজেলার
লালপুর গ্রামের বিল্লাল হোসেনের মেয়ে। আহত শাফিনকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে দূর্ঘটনার পর পরই
ফুটওভার ব্রিজের দাবীতে শিক্ষার্থীরা কলেজের সামনে মহাসড়ক অবরোধ করেন। দুই ঘন্টাব্যাপি
অবরোধে সড়কের উভয় দিকে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যানজটের সৃষ্টি হয় । সড়কের উভয় দিকে
কয়েক শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী কলেজে
আরেক শিক্ষার্থী ইউসুফ জানান, কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী শাফিনের মোটরসাইকেটিকে পেছন
থেকে একটি পিকআপ ধাক্কা দেয়। এতে কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মীম রাস্তা পার
হওয়ার সময় মোটরসাইকেলটি তাকে ধাক্কা দেয়। তাকে উদ্ধার করে দাউদকান্দি উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গৌরীপুরে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলেজের সমাজ কল্যান
বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সোলাইমান বলেন, দুপুর সোয়া ১টায় নাস্তার সময় সড়কের দক্ষিণ
পাশে নাস্তা খেয়ে আসার সময় দূর্ঘটনায় মারা যায়।
দাউদকান্দি হাইওয়ে
থানার ওসি মোঃ শাহীনুল ইসলাম বলেন, রাস্তা পার হতে গিয়ে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত
কলেজ শিক্ষার্থীর মরদেহ স্বজনদের নিকট হস্তান্তরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
মোঃ আরফাতুল আলম বলেন, দূর্ঘটনা এবং সড়ক অবরোধের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে
যাই। অবরোধকারী শিক্ষার্থীদের দাবীর বিষয়টি উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে জানানো হবে বলে
আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
২০ কেজি গাঁজাসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে কুমিল্লা জেলা
গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
আজ
(১৮জানুয়ারী) জেলা গোয়েন্দা শাখায়
কর্মরত এসআই মোঃ আহসান
হাবিব, এএসআই আব্দুল্লাহ, এএসআই সাইদুর রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্স
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দাউদকান্দি মডেল থানাধীন দাউদকান্দি
পৌরসভার চট্টগ্রাম-টু-ঢাকা গামী
মহাসড়কের দক্ষিণ পাশ্বে বিআরটিসি বাস কাউন্টারের সামনে
পাকা রাস্তার উপর পৌঁছে ঢাকা
মেট্রো-ন-১৭-৯৯৫১ রেজিঃ
নম্বরের একটি পুরাতন পিকআপ গাড়ী তল্লাশী করে
গাড়ীর পেছনে বডিতে ২টি প্লাষ্টিকের বস্তার
ভেতরে রাখা মোট ২০
কেজি গাঁজা সহ মোঃ রাসেল কে গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো: ফরিদপুর জেলার সালথা থানার ছোট লক্ষনদিয়া
(বাজারের পাশে) এ লাকার মৃত ইদ্রিস মাতাব্বর এর ছেলে মোঃ রাসেল (২৫)।
উক্ত
ঘটনায় দাউদকান্দি মডেল থানায় এজাহার
দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নাশকতা ঘটিয়ে ছাত্রজনতা হত্যা চেষ্টা সহ নাশকতা মামলার ০২ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ২০ অক্টোবর ২০২৪ ইং তারিখ সন্ধ্যায় র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন বড়পুকুরপাড় এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে কুমিল্লায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নাশকতা ঘটিয়ে ছাত্রজনতা হত্যা চেষ্টা সহ নাশকতা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামী ১। আদনান হায়দার (৪০) এবং ২। মোঃ দুলাল (৩৮) নামক ০২ জন নাশকতাকারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। আদনান হায়দার (৪০) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার সিন্দুরিয়া পাড়া গ্রামের আখলাক হায়দার এর ছেলে এবং ২। মোঃ দুলাল (৩৮) একই থানার পূর্বহুড়া গ্রামের মৃত আক্কাছ আলী এর ছেলে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে নাশকতা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৪/০৮/২০২৪ ইং তারিখ কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার অন্তর্গত নাজিরা বাজার এলাকায় ছাত্র আন্দোলনের ডাকে দিন ব্যাপী শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলছিল।
উক্ত কর্মসূচিকে প্রতিহত করার লক্ষ্যে ধৃত আসামী ১। আদনান হায়দার (৪০) ও ২। মোঃ দুলাল (৩৮) সহ তার অপরাপর সহযোগীরা তাদের হাতে থাকা ককটেল, রামদা, লোহার রোড সহ অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আন্দোলনকারী নিরীহ ছাত্র-জনতার উপর অতর্কিত হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং গুলি বর্ষণ করে। উক্ত ঘটনায় অনেক নিরীহ ছাত্র ককটেল, দেশীয় অস্ত্র ও গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। তৎপ্রেক্ষিতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানায় একটি হত্যা চেষ্টার মামলা দায়ের হয়, যার মামলা নং-০৭, তারিখ-০৭/০৯/২০২৪। মামলা দায়ের করার পর হতে র্যাব-১১, সিপিসি-২, এর আভিযানিক দল পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে ছায়া তদন্ত আরম্ভ করে। পরবর্তীতে র্যাব-১১ সিপিসি-২ এর চৌকস আভিযানিক দল গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে গত ২০ অক্টোবর ২০২৪ ইং তারিখ সন্ধ্যায় কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার বড় পুকুরপাড় এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। আদনান হায়দার (৪০) ও ২। মোঃ দুলাল (৩৮)’দ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ে
গ্রফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বুড়িচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ মামলায় অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৪৮ বোতল বিদেশী মদসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারী) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন কালির বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে রবিউল হোসেন (৩২) ও মোঃ কবির হোসেন (৩৭) কে গ্রেফতার করে। এ সময় ৪৮ বোতল বিদেশী মদ ও ১ টি অটো মিশুক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী রবিউল হোসেন কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার দিশাবন গ্রামের মোঃ ফজর আলী এর ছেলে এবং মোঃ কবির হোসেন কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার দিশাবন গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য বিদেশী মদ সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


রাজশাহীর পবা উপজেলার
হরিপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৫২ কেজি গাঁজাসহ ৪ জনকে আটক করেছে রাজশাহী জেলা
পুলিশ। এ সময় মাদক পাচারের কাজে ব্যবহৃত ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশা জব্দ করা হয়।
আটককৃতরা হলো- শাকিব
ইসলাম (২২), মো. জামিল (৩৪), মোমিন মিয়া (৫০) ও তামিম মিয়া (১৯)।
তামিম মিয়া ও মোমিন
মিয়া যথাক্রমে রাজশাহী নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার আরিফুল ইসলাম ও মৃত কাইমুদ্দিনের
ছেলে। জামিল রাজশাহী নগরীর রাজপাড়ার মহিষবাথান এলাকার মৃত নূর আক্কাসের ছেলে।
শাকিব রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ভাগাইল গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে।
১২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার
দুপুরে রাজশাহী পুলিশ সুপার (এসপি) সাইফুর রহমান নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করে
এসব তথ্য জানান।
রাজশাহী পুলিশ সুপার
(এসপি) সাইফুর রহমান জানান, ১১ সেপ্টেম্বর সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
রাজশাহী নগরীর দামকুড়া থানার হরিপুরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ওই এলাকা দিয়ে
ব্যাটারিচালিত রিকশায় করে দুজন ও একটি মোটরসাইকেলে করে দুজন গোদাগাড়ীর চাপাল
গ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন।
এ সময় পুলিশের উপস্থিতি
টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে অভিযুক্ত জামিলের অটোরিকশা থামিয়ে তার শরীর তল্লাশি
করে পেট ও পিঠে বিশেষ কায়দায় মোড়ানো অবস্থায় দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার কর হয়। এ সময়
তার ব্যবহৃত অটোরিকশায় থাকায় দুটি প্লাস্টিকের বস্তা থেকে আরও ৪৪ কেজি গাঁজা
উদ্ধার করে পুলিশ। এছাড়া তাদের সহযোগী শাকিব ইসলাম, মোমিন মিয়া ও তামিম মিয়ার শরীর তল্লাশি করে উদ্ধার
করা হয় আরও ৬ কেজি গাঁজা।
রাজশাহী পুলিশ সুপার
(এসপি) সাইফুর রহমান আরও জানান, এ ঘটনায় আটককৃতদের নামে রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানায়
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
কুমিল্লার ৬টি উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন ৭০টি পরিবার নিজ বসতভিটায় বিশেষ আবাসন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় সেনাবাহিনীর নির্মিত ঘর পেয়েছে।
আজ বুধবার (৩০ এপ্রিল) সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ঘোলপাশায় ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ঘরগুলো উপহার হিসেবে হস্তান্তর করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
এসময় কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার, ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোঃ এনামুল হক, ২৩ বীরের অধিনায়ক লে. কর্নেল মাহমুদুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জামাল হোসেনসহ সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জেলার বুড়িচংয়ে ২৯, ব্রাহ্মণপাড়ায় ১০, সদর দক্ষিণে ৬, চৌদ্দগ্রামে ১০, মনোহরগঞ্জে ১০ ও নাঙ্গলকোটে ৫ টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত উপকারভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর ২৪ ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশন এসব গৃহনির্মাণ বাস্তবায়ন করে।
ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সঙ্গে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গোলপাশা ইউনিয়নের কুমাল্লা গ্রামের উপকারভোগী মো. আলম মিয়ার বাড়ির সামনে থেকে অনুষ্ঠানটি সংযুক্ত হয়।
২০২৪ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন কুমিল্লা জেলার ৭০টি পরিবারের মধ্যে এ ঘরগুলো হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন জগন্নাথপুর এলাকা থেকে ১১ বছরের শিশু রিহান হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ৩ আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ইং তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২টার সময় স্কুলে যাওয়ার পথে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন জগন্নাথপুর এলাকা থেকে শিশু রিহান নিখোঁজ হয়। একই দিন রাতে নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানাধীন খাইল্লারচর এলাকায় মেঘনা নদীতে মুমূর্ষ অবস্থায় শিশু রিহানকে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। পরবর্তীতে শিশু রিহানকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে সে মৃত্যু বরণ করে। নিহত শিশুর পরিবার সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে রিহানের মৃত্যুর বিষয়টি জানতে পারে এবং নিহত শিশুর বাবা মোঃ শাহজাহান বাদী হয়ে তিনজন আসামীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনের বিরুদ্ধে নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এই ঘটনার পরপরই র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা ছায়াতদন্ত শুরু করে ও হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে তৎপরতা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ইং তারিখ রাতে এই হত্যা মামলার এজাহারনামীয় তিন আসামীদেরকে গ্রেফতার করে।গেস্খফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। ইমরান (২৮), পিতা- সুজন, সাং- সুজানগর, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা- কুমিল্লা; ২। মোস্তফা (৩২) এবং ৩। রুবেল (২৫), উভয় পিতা- মৃত খালেক মিয়া, উভয় সাং- জগন্নাথপুর, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা- কুমিল্লা।
র্যাব জানান, পারিবারিক ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ইং তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২টায় রিহান বাসা হতে স্কুলে যাওয়ার জন্য বের হলে বেড়াতে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১ নং আসামী ইমরান অন্যান্য আসামীদের সহায়তায় রিহানকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অতঃপর হত্যা ও লাশ গুম এর উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভিকটিম রিহানের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে নরসিংদী জেলার ভৈরব ব্রীজের উপর হতে ফেলে দেয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন