

কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাতিসা বৈদ্য বাজার এলাকা হতে ৫০ কেজি গাঁজা’সহ ৩জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ২৮ নভেম্বর মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাতিসা বৈদ্য বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজা’সহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো: কক্সবাজার জেলার সদর থানার পাহাড়তলী গ্রামের রশিদ আলম এর ছেলে মোঃ হাশেম (২০), একই গ্রামের মৃত ফয়েজ আহমেদ এর ছেলে মোঃ ফয়সাল (৩০) এবং একই থানার বৈদ্যঘোনা গ্রামের আব্দুল হাকিম এর ছেলে মোঃ জাহেদ হোসেন (২৭)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত মাইক্রোবাস ব্যবহার করে কক্সবাজার, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (০৫ নভেম্বর) দুপুরে গ্রেফতার ২ জনকে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (০৪ নভেম্বর) দিনগত রাতে সোনারগাঁ পৌর এলাকার দৈলেরবাগ এলাকায় ডাকাতি প্রস্তুতিকালে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের গুলিতে সজিব হোসেন মুসা নামের ১ ডাকাত আহত হয়েছেন। আহত ডাকাতকে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত দুইজন হলো: সোনারগাঁ পৌরসভার নোয়াইল এলাকার মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে সজিব হোসেন মুসা ও পিরোজপুর ইউনিয়নের জৈনপুর গ্রামের মৃত আজহারের ছেলে মো. হাসান।
বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে গ্রেফতারকৃত দুজনের বিরুদ্ধে।
পুলিশ জানায়, উপজেলার দৈলেরবাগ এলাকায় সোমবার দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে ১০ থেকে ১২ জনের একটি ডাকাত দল ডাকাতির প্রস্ততি নিচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে পুলিশ। এ সময় সজিব হোসেন মুসা নামে এক ডাকাত গুলিবিদ্ধ হলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়াও হাসান নামে আরেক ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়। তবে অন্য ডাকাতরা পালিয়ে যান। পুলিশ গ্রেফতারকৃত দুজনের কাছ থেকে একটি ছুরি, চাইনিজ কুড়াল, চাপাতি ও রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত দুজনকে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়ার সময় দুই ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলে জানান, সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারী।
মন্তব্য করুন


সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল
কোঅপারেশন অনকোলজির (এসএফও) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) ঢাকায়
প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যুক্ত হন তিনি।
এ সময় তিনি সার্ক ফেডারেশন অব অনকোলজিস্টসের (এসএফও) প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. এবিএমএফ
করিমের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগের অভিজ্ঞতার কথা
উল্লেখ করেন।
এ সময় নিজের ছোটভাই বিশিষ্ট লেখক, সাংবাদিক,
সমালোচক ও খ্যাতনামা টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরকে স্মরণ করেন অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ভাইয়ের ক্যান্সার শনাক্ত ও চিকিৎসার সময় তাঁর পুরো পরিবারকে কী
ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল সেসব অভিজ্ঞতার কথা জানান তিনি। সেসময় ডা. করিম কীভাবে
তাঁর চিকিৎসায় সাহায্য করেছিলেন সে কথা উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ক্যানসার চিকিৎসায় যে প্রযুক্তিগত
সহায়তা প্রয়োজন, তা এখনো আমরা পাচ্ছি না। সার্ক যে ক্যান্সার চিকিৎসাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব
দিচ্ছে এটা অত্যন্ত জরুরি ও অনুপ্রেরণামূলক।
দক্ষিণ-এশিয়ার দেশগুলো সার্ককে সক্রিয়
করে তোলার মধ্য দিয়ে লাভবান হবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সার্ক আমার কাছে
বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আমি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণের পরপরই সার্ককে সক্রিয়
করার বিষয়ে বলেছি। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার কিছু ইস্যুর জন্য সার্ক সক্রিয় হচ্ছে না।’
তিনি বলেন, আমি মনে করি, দুটি দেশের
মধ্যেকার সমস্যা অন্য দেশগুলোকে প্রভাবিত করা উচিত না। প্রতি বছর দক্ষিণ এশিয়ার নেতারা
যদি সাক্ষাৎ করেন, একসঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন তাহলে গোটা বিশ্বের কাছে বার্তা যায় যে
আমরা একসঙ্গে আছি। এটা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে বিশ্বের কাছে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন
করবে এবং এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।’
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজকের কনফারেন্সের
মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে সার্ক সক্রিয় করতে আবারও আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ (২৬ এপ্রিল) ভ্যাটিকান সিটিতে পোপ ফ্রান্সিসের
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিয়েছেন।
গত সোমবার ৮৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করা
পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আজ সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে শুরু হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড
ট্রাম্প, প্রিন্স উইলিয়ামসহ বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতা এবং বিশিষ্টজন সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে
এ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিয়েছেন।
অধ্যাপক ইউনূস বিশ্বের শীর্ষস্থানীয়
নেতা এবং বিশিষ্টজনদের মাঝে আসন গ্রহণ করেন।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা
ফন ডার লেইন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, স্পেনের রাজা ফিলিপ ষষ্ঠ
ও রানি লেতিজিয়া, জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাংক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার, বিদায়ী চ্যান্সেলর
ওলাফ শলৎজ, ইতালির প্রেসিডেন্ট সার্জিও মাত্তারেল্লা এবং প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিসহ
অন্যান্য ইউরোপীয় নেতা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত রয়েছেন।
ইতালির পুলিশ জানিয়েছেন, পোপ ফ্রান্সিসের
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উপলক্ষ্যে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ সেন্ট পিটার্স স্কয়ার ও এর
আশপাশের রাস্তায় জমায়েত হয়েছেন। অনুষ্ঠান শুরুর এক ঘণ্টা আগে ৪০ হাজার মানুষের ধারণক্ষমতা
সম্পন্ন সেন্ট পিটার্স স্কয়ার প্রায় পূর্ণ হয়ে যায়। ভ্যাটিকানের দিকে যাওয়া ভিয়া দেলা
কনসিলিয়াজিওন সড়ক এবং আশপাশের রাস্তায় প্রায় ১ লাখ মানুষ আগেই উপস্থিত হন।
প্রয়াত পোপ ফ্রান্সিস অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূসের কাজের দারুণ ভক্ত ছিলেন এবং তাঁর কাজের ভূয়সী প্রশংসা করতেন। বিশেষ করে বিশ্বজুড়ে
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অধ্যাপক ইউনূসের কর্মযজ্ঞ এবং তাঁর ‘তিন শূন্য’ তত্ত্ব —যেখানে কোনো বেকারত্ব, দারিদ্র্য এবং কার্বন নিঃসরণ
থাকবে না, এর প্রশংসা করতেন। রোমের ভ্যাটিকানে তিনি ২০০৬ সালের শান্তিতে নোবেল বিজয়ীর
সঙ্গে যৌথভাবে ‘তিন শূন্য উদ্যোগ’ও চালু করেছিলেন।
(সূত্র : বাসস)
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের ৭৯তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে
নিউইয়র্কে যাবেন । এ সফরে তার সঙ্গে থাকবেন ৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল।
আগামী ২২-২৭ সেপ্টেম্বর
পর্যন্ত এ সফর করবেন তিনি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো.
তৌহিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, সাত
সদস্যের প্রতিনিধি দলের মধ্যে রয়েছেন- ড. ইউনূসের মেয়ে দিনা আফরোজ ইউনূস, এসডিজি
বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত বাংলাদেশের
বিদ্যমান অর্থনৈতিক অবস্থার শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য,
দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল আলম, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম,
প্রধান উপদেষ্টার একান্ত সচিব শাব্বীর আহমদ, বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থী আয়েশা সিদ্দিকা তিথি।
এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে মো. তৌহিদ হোসেন জানান, প্রধান উপদেষ্টা
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যাচ্ছেন সেটার সিদ্ধান্ত হয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ
অধিবেশনে যোগ দিতে সংক্ষিপ্ত সফরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড.
মুহাম্মদ ইউনূস নিউইয়র্কে যাবেন। তবে তিনি খুব সংক্ষিপ্ত সফর করে চলে আসবেন।
ওয়াশিংটনে গেলে হয়ত আরও
কিছু কাজ হতে পারত কিন্তু তিনি অল্প সময়ে খুব তাড়াতাড়ি নিউইয়র্ক থেকে ফিরে আসবেন।
সেখানে কার সঙ্গে বৈঠক হবে সে বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটা তো
গেলে হবেই। কিছু কিছু কথা বার্তা হচ্ছে। কিছু বৈঠক হবে এটুকু বলতে পারি। তবে
স্পেসিফিক বলতে পারি না। সব ক্ষেত্রে সব হেড অব স্টেট যান এমনটা তো নয়। নিউইয়র্কে
যে ফরমেট সেভাবে হবে। ওয়াশিংটনে তো তিনি যাবেন না।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের নতুন চার উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে।
শুক্রবার
(১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নতুন চার উপদেষ্টার শপথ গ্রহণ শেষে দায়িত্ব
বণ্টন করা হয়।
নতুন
উপদেষ্টাদের দপ্তর বন্টনসহ হলো বর্তমান উপদেষ্টাদের দপ্তর দায়িত্বেও পুন:বন্টন ।
নতুন
উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদারকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া
হয়েছে ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদকে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও
খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব
দেওয়া হয়েছে মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানকে। এছাড়া স্বরাষ্ট্র এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের
দায়িত্ব পেয়েছেন লে. জে. জাহাংগীর আলম চৌধুরী।
মন্তব্য করুন


মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাক টিকিট অবমুক্ত করেছেন।
একই সঙ্গে ১০ টাকা মূল্যমানের উদ্বোধনী খাম ও ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটাকার্ডও অবমুক্ত করেন তিনি।
আজ রোববার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এগুলো অবমুক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. মুশফিকুর রহমান ও ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এস.এম. শাহাবুদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম প্রধান উপদেষ্টাকে একটি স্মারক ডাক বাক্স ও ‘ন্যাচারাল বিউটি অ্যান্ড ওয়াইল্ড লাইফ’শীর্ষক একট বই উপহার দেন।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা কর্তৃক কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাতিশা বাজার ও মিয়াবাজার এলাকা হতে ২৯৯ বোতল স্কাফ, ১২.৮ কেজি গাঁজা ও ১০৯ বোতল ফেন্সিডিল’সহ চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৭ নভেম্বর শুক্রবার রাতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাতিশা বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ২৯৯ বোতল স্কাফ, ৬০ বোতল ফেন্সিডিল ও ২.৮ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলো: কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার কালিকাপুর গ্রামের মৃত সাচ্চু মিয়া এর ছেলে মোঃ ইমরান হোসেন (২৯) এবং একই গ্রামের মোঃ আব্দুল মান্নান এর ছেলে মোঃ ইসলাম (২৮)।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল অদ্য ১৮ নভেম্বর শনিবার রাতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন মিয়াবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৪৯ বোতল ফেন্সিডিল ও ১০ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলো: নারায়নগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ থানার দৌলতপুর গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হক এর ছেলে মোঃ রনি (৩০) এবং একই থানার ধরপদ (পশ্চিমপাড়া) গ্রামের গিয়াস উদ্দিন এর ছেলে মোঃ আনোয়ার হোসেন (৫০)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ নারায়নগঞ্জ, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে স্কাফ, ফেন্সিডিল, গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুযায়ী বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়াল দুই হাজার ১৯ কোটি ৬১ লাখ ৯০ হাজার ডলার বা ২০ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলারে।
দুই সপ্তাহ ব্যবধানে বৈদেশিক মুদ্রার এ রিজার্ভ আবারো ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল।
বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সাপ্তাহিক নির্বাচিত অর্থনৈতিক সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে। অন্যদিকে, গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়াল দুই হাজার ৫৩২ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার ডলারে।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রধানত আমদানি ব্যয় মেটানো তথা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে ব্যবহার হয়। এ রিজার্ভ আর্থিক খাতের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক ঋণ, প্রবাসী আয়, বৈদেশিক ঋণ বা সহায়তা রিজার্ভের উৎস। আবার আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক ঋণ-সুদ পরিশোধ, বিদেশে চিকিৎসা, শিক্ষাসহ হাজারো খাত রয়েছে ব্যয়ের ক্ষেত্রে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, জানুয়ারির শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে তা নেমে আসে ১৯ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলারে (বিপিএম৬)। আগের সপ্তাহেও রিজার্ভের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৯৯৩ কোটি ৫১ লাখ ২০ হাজার ডলার। মাসের তৃতীয় সপ্তাহে এসে ১৬ কোটি ১০ লাখ ৫০ হাজার যোগ হয়ে আবারো তা ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল।
করোনা মহামারির মধ্যে আমদানি কমে গিয়েছিল। তবে প্রবাসীরা দেশে ফেরার সময় সঞ্চিত অর্থ নিয়ে আসেন। অনেকে বিদেশে থেকেও বাড়িতে স্বজনদের কাছে অর্থ পাঠিয়ে দেন। এতে বাড়ে রিজার্ভ। ২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন অতিক্রম করে। করোনার পর যখন দেশে দেশে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার শুরু হয়, তখন উল্টো অবস্থা তৈরি হয়। আমদানি ব্যয় বাড়তে থাকে। মূল্যস্ফীতি বাড়ে। রাশিয়া-ইউক্রেইন যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তোলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রিজার্ভ বিক্রি করে আমদানি ব্যয় সামাল দিতে হয়।
বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ব্যাংকের একাধিক সূত্র বলছে, ওই সময়ে রিজার্ভ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ ছিল হুন্ডি বন্ধ হয়ে যাওয়া। তখন অধিকাংশ দেশ করোনা মহামারির বিস্তার রোধে অন্য দেশের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এতে যেমন ডলার বাড়তে থাকে। আবার আমদানি কমে যাওয়ার কারণে খরচের খাতও ছোট হয়ে আসে।
মন্তব্য করুন


বুধবার ২৯ মে ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৪’ ।
এ দিনটি উপলক্ষে আজ দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশ
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় এক অনন্য নাম। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও যথাযোগ্য
মর্যাদায় ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস- ২০২৪’ পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত
জানাই।
তিনি আরো বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলমান যুদ্ধ-বিগ্রহ বন্ধে ও শান্তি প্রতিষ্ঠায়
বাংলাদেশ সোচ্চার ও জোরালো ভূমিকা পালন করছে। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে
শান্তি ও সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে সমাদৃত হচ্ছে। বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা
মিশনে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ। অর্পিত দায়িত্বের প্রতি নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা,
দক্ষতা ও মানবিক আচরণ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের এই সাফল্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রেখেছে। আগামী দিনগুলোতেও আমাদের শান্তিরক্ষীরা সততা, কর্মদক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে
দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বিশ্বশান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার এই ধারা অব্যাহত
রাখতে সক্ষম হবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে আস্থা প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রপতি একইসাথে এ দিনটি উপলক্ষে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশ
ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের সব শান্তিরক্ষীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
একইসঙ্গে তিনি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও রক্ষার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আত্মোৎসর্গকারী
বীর শান্তিরক্ষী সদস্যদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমান অনুসৃত এ আদর্শে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের
সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, আনুগত্য, সাহসিকতা এবং অসামান্য অবদান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে
দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। পাশাপাশি, শান্তিরক্ষা মিশনে আমাদের শান্তিরক্ষীরা
একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানও নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৪’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ।
এ দিনের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
রীতি অনুযায়ী রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি এবং পরে প্রধান উপদেষ্টা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে একুশের কর্মসূচি শুরু হয়।
পরে বিদেশি কূটনীতিক, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ভাষাসৈনিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা জানান।
একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার রাজপথ ও দেয়াল বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। চারুকলার শিক্ষার্থীরা রাত-দিন খেটে রং-তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলেছেন প্রতিবাদের নানা ভাষা। শহীদ মিনারের বেদি, কালো রাজপথ, দেওয়াল সেজে উঠছে বর্ণিল আল্পনায়।
মন্তব্য করুন