

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি বিদেশি দূতাবাসগুলোতে গিয়ে নালিশ করে, এই নালিশ করার প্রবণতা দেশকে ছোট করে। বিদেশিদের ইচ্ছায় বাংলাদেশের নির্বাচন হবে এরকম একটা অবান্তর ধারণা নিয়ে তারা (বিএনপি) এগোচ্ছে।
রোববার (১৪ মে) সকালে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমার একটা কথা বারবার বলেছি, পরিষ্কার বলছি, তাদের (বিএনপির) কর্মসূচির পাল্টাপাল্টিতে আমরা নেই। আমরা একটা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে চাই। সে কারণে আমরা শান্তির সমাবেশ করছি। তারা হুমকি দিচ্ছে নির্বাচন করতে দিবে না। নির্বাচনে তারা আসবে না এটা তাদের ইচ্ছা, নির্বাচন হতে দিবে না এমন ধরনের আজকে তারা যে সংকল্প ব্যক্ত করে, তারা রুখে দাঁড়াবে, আমরাও দেখব, কে কাকে রুখে দাঁড়ায়। বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন বানচালের সব ষড়যন্ত্র আমরা রুখে দেব।
সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির আন্দোলনে যে পথরেখা তারা নিজেরাই সেই পথরেখা থেকে সরে গেছে। তাদের ঘরে এখন অনৈক্য। জোটে এখন অনৈক্য। জোটের উইকেট এখন পতন হচ্ছে। প্রতিদিনই কোনো না কোনো উইকেট পতন হচ্ছে। ৫৪ দলের জোট থেকে এখন ১৪-১৫ দলে আছে বলে মনে হয়। এই জোটে নেতা নেই, এই আন্দোলনের নেতা নেই, এই নির্বাচনের নেতা নেই। নির্বাচন পর্যন্ত সতর্ক পাহারা দিয়ে আমাদের নেতাকর্মীরা অবস্থান করবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছন, জেতানোর মালিক আল্লাহ। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বেলা ১টার দিকে সিলেটের আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির জনসভায় উপস্থিত হয়ে তিনি এমন কথা বলেন। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তারেক রহমান সমাবেশের মঞ্চে হাজির হন।
বক্তব্য দেওয়ার এক পর্যায়ে তিনি সমাবেশ থেকে ওমরাহ পালন করে আসা একজনকে মঞ্চে ডেকে নেন। বিএনপির চেয়ারম্যান ওই ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করেন, আপনি তো কাবা শরীফে গিয়েছেন, কাবা শরীফের মালিক কে?
এখানে সবাই মুসলমান—উল্লেখ করে তারেক রহমান তার কাছে তিনি জানতে চান, এই দুনিয়া, জান্নাত–জাহান্নামের মালিক কে? জবাবে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আল্লাহ।’
এরপর বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, আপনারা সবাই সাক্ষী দিলেন, দোজখের মালিক আল্লাহ, বেহেশতের মালিক আল্লাহ, এই পৃথিবীর মালিক আল্লাহ, সবার মালিক আল্লাহ। জেতার মালিকও আল্লাহ। সেটা কি অন্য কেউ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে? রাখে না।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগেই একটি দল এই দিবো, ওই দিবো বলছে, টিকেট দিবো বলছে। জেতার মালিক মানুষ না, সেইটার কথা যদি যে বলে, শিরক করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালালেও শয়তানি ছাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় বিএনপির স্বেচ্ছায় খাল পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির আগে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
নেতাকর্মীদের শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করে রাজনীতি করার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আওয়ামী লীগের মতো চাটার দলে পরিণত হওয়া যাবে না। তাহলে বিএনপিকেও মানুষ ভালোবাসবে না।
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো আপস হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করব, এখানে কোনো আপস নেই।
মির্জা ফখরুল বলেন, ছাত্র আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালালেও শয়তানি ছাড়েনি। ভারতে গিয়ে সে আবার শয়তানি শুরু করছে। ওইখানে বসে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগকে উসকায় দিয়ে বলে তোমরা গোলমাল করো, মিছিল করো, মারামারি করো, নেতাদেরকে মারো।
যদি আপনাদের কারো ওপরে কোনো হাত পড়ে, আওয়ামী লীগের সেই হাত আপনারা ভেঙে দেবেন।
দেশের রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ড. ইউনূসের রাজনীতি করার ইচ্ছা নেই, তিনি দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। আর আগে শেখ হাসিনার হাতে সব কিছু থাকলেও আগামী দিনে ক্ষমতার ভারসাম্য আনবে বিএনপি।
বিএনপি নেতাকর্মীরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আইন আইনের মতো চলবে।
ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ছাত্রসংসদ নির্বাচনগুলো বা কোথাও গণ্ডগোল করা যাবে না।’ আর অতীতের কর্মকাণ্ড ভুলে পুলিশকে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানান তিনি।
এ ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো গুজব বিরুদ্ধেও সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশনা দেন তিনি।
মন্তব্য করুন


বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা যারা রাজনৈতিক দলগুলো আছি, নির্বাচন নিয়ে আমাদের কোনো রকমের সংশয় নেই। উই আর কনভিন্সড যে ২৬-এর ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বক্তব্যের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য যথেষ্ট জোরালো ছিল।
নির্বাচনের ব্যাপারে গত কিছুদিন ধরে তিনি যে কথাগুলো বলে আসছেন, এই ব্যাপারে, আমাদের অন্তত কোনো সংশয় নেই। আমরা যারা রাজনৈতিক দলগুলো আছি, আমাদের কোনো রকমের সংশয় নেই। উই আর কনভিন্সড যে ২৬-এর ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের জন্য জামায়াতে ইসলামী প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের বিষয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের একটি সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা সবাই এরসঙ্গে একমত।
আমরাও ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। কিন্তু তার আগে কিছু বিষয় আছে গুরুত্বপূর্ণ, যেগুলোকে সমাধান করা দরকার। যেমন-জুলাই সনদ, এটির বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। কিন্তু সেটি বাস্তবায়ন না হলে সেখানে একমত হওয়ার কোনো বাস্তবতা নেই।’
তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা জাতিসংঘে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেখানে নির্বাচনের বিষয়ে তিনি যা বলেছেন সেটার সঙ্গে দ্বিমত করার কোনো কারণ আমরা দেখছি না। কিন্তু উনি তো বিস্তারিত কথা বলেননি।’
এ সময় জামায়াত নেতা নকিবুর রহমান তারেক উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি বিদেশি দূতাবাসগুলোতে গিয়ে নালিশ করে, এই নালিশ করার প্রবণতা দেশকে ছোট করে। বিদেশিদের ইচ্ছায় বাংলাদেশের নির্বাচন হবে এরকম একটা অবান্তর ধারণা নিয়ে তারা (বিএনপি) এগোচ্ছে।
রোববার (১৪ মে) সকালে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমার একটা কথা বারবার বলেছি, পরিষ্কার বলছি, তাদের (বিএনপির) কর্মসূচির পাল্টাপাল্টিতে আমরা নেই। আমরা একটা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে চাই। সে কারণে আমরা শান্তির সমাবেশ করছি। তারা হুমকি দিচ্ছে নির্বাচন করতে দিবে না। নির্বাচনে তারা আসবে না এটা তাদের ইচ্ছা, নির্বাচন হতে দিবে না এমন ধরনের আজকে তারা যে সংকল্প ব্যক্ত করে, তারা রুখে দাঁড়াবে, আমরাও দেখব, কে কাকে রুখে দাঁড়ায়। বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন বানচালের সব ষড়যন্ত্র আমরা রুখে দেব।
সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির আন্দোলনে যে পথরেখা তারা নিজেরাই সেই পথরেখা থেকে সরে গেছে। তাদের ঘরে এখন অনৈক্য। জোটে এখন অনৈক্য। জোটের উইকেট এখন পতন হচ্ছে। প্রতিদিনই কোনো না কোনো উইকেট পতন হচ্ছে। ৫৪ দলের জোট থেকে এখন ১৪-১৫ দলে আছে বলে মনে হয়। এই জোটে নেতা নেই, এই আন্দোলনের নেতা নেই, এই নির্বাচনের নেতা নেই। নির্বাচন পর্যন্ত সতর্ক পাহারা দিয়ে আমাদের নেতাকর্মীরা অবস্থান করবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রাজনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পিআর নিয়ে যারা আন্দোলন করছে, তারাই নির্বাচন বিলম্ব ও বানচালের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। নির্বাচন বানচাল হলে ফ্যাসিবাদের আবার উত্থান হবে। জনগণকে বিভ্রান্ত করতে কোনো আন্দোলন করা সঠিক হবে না।
শনিবার এনডিপি’র ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্ন্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পিআর’সহ বিভিন্ন দাবিতে জামায়াত ও বিভিন্ন দলের কার্যক্রম গণতান্ত্রিক চর্চা। তবে জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে, তারা কাদের ইশতেহার গ্রহণ করবে।
জামায়াত যাদের নিয়ে আন্দোলন করছে ও বক্তব্য দিচ্ছে, ‘২৪ এর দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তাদের ভূমিকা কী ছিল— এ প্রশ্ন তুলে, সেটি প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। এসময়, গাজা অভিমুখী নৌবহরে ইসরায়েলের হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদের পাশাপাশি জাতিসংঘকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে আহ্বান জানান বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-১০ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সোমবার ধানমন্ডি থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়ন ফরম তোলেন তিনি।
এ সময় গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এবং প্রার্থী ও ভোটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে। নানা গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, দেশের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা, সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য গণতান্ত্রিক রূপান্তর অন্তত গুরুত্বপূর্ণ।
শহীদ শরিফ ওসমান হাদির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ওসমান হাদি একজন প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচনের কার্যক্রম দুই মাস আগে থেকেই শুরু করে দিয়েছিলেন। প্রতিদিন তিনি প্রচারণা করতেন। গণতান্ত্রিক উত্তরণের পক্ষ ছিলেন।
আসিফ আরো বলেন, বিগত দেড় বছরে সরকারে কাজ করতে গিয়ে যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, সেটা নির্বাচনী আসনে জনগণের জন্য কাজে লাগাব।
মন্তব্য করুন


বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলো নির্বাচন পরিচালনা। এই বিষয়টি উপেক্ষা করে যদি অন্তর্বর্তী সরকার অন্যান্য কাজে বেশি মনোযোগ দেয়, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ‘রোড টু ইলেকশন’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, গণতন্ত্র রক্ষার জন্য সরকারের দায়িত্ব হলো অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা। তবে নির্বাচন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো স্বেচ্ছায় সরকারের নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে আগ্রহী হয়ে উঠলে নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হয়। তাই সংবিধান প্রদত্ত আইনের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে হবে।
এ সময় তিনি জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণকারী ব্যক্তিদের নির্বাচন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগ দেওয়ারও আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেনের ওপর হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন যুবলীগের এক নেতাকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ৯টা ২৮ মিনিটে তাকে আটক করা হয়।
জানা গেছে, আটক ওই যুবলীগ নেতার নাম মিজানুর রহমান। তার বাড়ি সিলেটে। জ্যাকসন হাইটস থেকে নিউইয়র্ক পুলিশ তাকে আটক করে। এ সময় তাকে হাতকড়াও পরানো হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টা ২৩ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের ওপর হামলার ঘটনাটি নিজে ফেসবুক পেজে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা।
পোস্টে তাসনিম জারা লিখেছেন, ‘আজ যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর আমাদের দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেনের ওপর হামলা হয়েছে। তাকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়েছে, গালিগালাজ করা হয়েছে।’
তিনি লিখেছেন, ‘এটি ব্যক্তি আখতার হোসেনের ওপর আক্রমণ নয়, তার রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে করা হয়েছে। কারণ তিনি প্রতিনিধিত্ব করেন সেই দলকে, যে দল ফ্যাসিবাদের কাঠামো ভেঙে দিতে প্রতিনিয়ত কাজ করছে।’
হামলার পর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আখতার বলেছেন, আমরা সেই প্রজন্ম যারা হাসিনার গুলির সামনে দাঁড়াতে ভয় পায়নি। অতএব, কারও ভাঙা ডিমে আমাদের কিছু যায়-আসে না।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) হামলার বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণিত হয়েছে, আওয়ামী লীগ একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। আওয়ামী লীগ জন্মগত এবং প্রকৃতিগতভাবে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। তারা যে জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তি ওপর হামলে পড়বে এইটাতে আমরা আর অবাক হই না।
অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে বিচারের আহ্বান জানিয়ে এনসিপির সদস্য সচিব আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এক বছরে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনার যে প্রক্রিয়া শুরু করেছে সেটি খুব সামান্য অগ্রসর হয়েছে। আওয়ামী লীগের যেসব সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে এসেছে, তারা বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় এখনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আহ্বান রাখব, আওয়ামী লীগের যেসব লোকজন দেশে এবং দেশের বাইরে হামলা করছে তাদের অতিদ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় নিয়ে আসবে।
মন্তব্য করুন


জুলাই সনদের বাইরে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তা মানতে স্বাক্ষরকারী দলগুলো বাধ্য নয় বলে মন্তব্য করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন বলেন, সনদে বিভিন্ন দলের কিছু নোট অফ ডিসেন্ট আছে। সনদে উল্লেখ আছে ইশতেহারে উল্লেখ করে রায় পেলে সেভাবে বাস্তবায়ন করবে, অথচ সুপারিশমালায় নেই। গণভোট জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে হবে, সেই অবস্থানে আছি।
তিনি বলেন, নতুন নতুন ইস্যু তৈরি করে যারা আন্দোলন করছেন, তাদের সঙ্গে আলাপ করতে হবে। সনদের বাইরে যদি সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, সেটা মানতে স্বাক্ষরকারী দলগুলো বাধ্য নয়।
সালাহউদ্দিন বলেন, ‘এখন কোনো প্রজ্ঞাপনকে যদি আদেশ হিসেবে নামকরণ করতে চায় এবং সেটার আইনি মর্যাদা না থাকে, তাহলে সেটা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরকার প্রকাশ করতে পারে। কিন্তু সেটা আইন হবে না।’
মন্তব্য করুন


গণতন্ত্রের উত্তরণের সময়কে বাধাগ্রস্ত করতে একটি গোষ্ঠি নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকারের ব্যর্থতার কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবস্থা হয়েছে। আশা করি নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে সরকার আরও কার্যকরী পদক্ষেপ নেবে।
তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমিয়তে উলামায় ইসলাম বাংলাদেশের সঙ্গে বিএনপির চারটি আসনে সমঝোতা হয়েছে। এসব আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেবে না এবং সারা দেশে অন্য কোনো আসনে জমিয়তে উলামায় ইসলামের প্রার্থী থাকবে না।
মির্জা ফখরুল বলেন, 'বাংলাদেশ এখন একটা ট্রাজিশনাল পিরিয়ডে আছে। ভয়াবহ ফ্যাসিস্ট শাসন, যে শাসন আমাদের সমস্ত মূল্যবোধগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। আমাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছিল, আমাদের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিচ্ছিল। সেই ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে বেরিয়ে এসে আমরা এখন একটা নির্বাচনের দিকে যাচ্ছি এবং নির্বাচনের পরে একটা নির্বাচিত সরকার, নির্বাচিত সংসদ, আমাদের দেশকে, জাতিকে সঠিক পথে এগিয়ে যাবে এই প্রত্যাশা আমরা সবাই করছি।
কিছু সংখ্যক ব্যক্তি, মহল তারা এই ট্রাজিশনাল প্রসেসকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য ভয়ংকরভাবে চক্রান্ত করছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মন্তব্য করুন