

প্রথমবারের
মতো জুটি বেঁধে অভিনয় করলেন সিয়াম আহমেদ ও তাসনিয়া ফারিণ । ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি
পেয়েছে তাদের নিয়ে মিজানুর রহমান আরিয়ানের নির্মিত সিনেমা ‘পুনর্মিলন।
গল্পটি
কাজিনদের সম্পর্কের নানান বাঁক, মাত্রা, আনন্দ, হাসি, টুকরো অভিমান, টানাপোড়ন, সংশয়
আর দ্বন্দ্বের।
মুক্তির
পর ‘পুনর্মিলনে’র প্রচারের অভিনব এক কৌশল বেছে নিলেন এর অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। ফেসবুকে
এক স্ট্যাটাসে ‘পুনর্মিলন’ সিনেমা সার্চ করার ছবি প্রকাশ করেন। ক্যাপশনে তারকা লেখেন,
লিংক না খুঁজে চরকিতে গিয়ে দেখেন। ডেসক্রিপশন-এ দিয়ে দিচ্ছি।
এ
সিনেমাটি আরও অভিনয় করেছেন, শাশ্বত দত্ত, নূর ইমরান মিঠু, তাজনূভা জাবীন, নওবা তাহিয়া,
দীপ্ত দে, জান্নাতুল ফেরদৌস কাজল, টুনটুনি হামিদ, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, শোয়েব মনির,
হামিদুর রাহমান, গোলাম ফরিদা ছন্দা, মালা ভট্টাচার্য্য সহ আরো অনেকে।
অভিনেত্রী
তাসনিয়া ফারিণ বলেন, পুনর্মিলনের গল্প পড়ার পর দ্বিতীয়বার ভাবতে হয়নি আমাকে। নিজেকে
গল্পের অংশ মনে হয়েছে। সিয়াম ভাইয়ের সঙ্গেও এ প্রথম কাজ করা হলো।
পরিচালক
মিজানুর রহমান আরিয়ান বলেন, কোনো ট্যুরে গেলে বন্ধুত্ব হয়, আবার অফিস ও ইউনিভার্সিটিতে
বন্ধুত্ব হয়। আমরা স্কুল-কলেজের বন্ধুত্বের গল্প দেখি। তবে একটা গল্প দেখানো হয় না,
সেটা হলো কাজিনদের বন্ধুত্বের গল্প। এবার আমার গল্প হলো, কাজিনদের বন্ধুত্বের গল্প
নিয়ে। আমাদের ফান, ফুর্তি ও পুনর্মিলনে সবাইকে নস্টালজিক ফিল দেবে।
মন্তব্য করুন


ঈদের দিন সকাল থেকেই দেশের ২৮টি প্রেক্ষাগৃহে একযোগে প্রদর্শিত হচ্ছে ‘সুড়ঙ্গ’।
বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শকদের কাছ থেকেও বেশ ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেতে দেখা গেছে।
এবার সিনেমার অভিনেতা নিশো জানালেন দর্শকদের সঙ্গে ‘সুড়ঙ্গ’ দেখার অভিজ্ঞতা হয়েছে তারও। ঈদের দিন লুকিয়ে প্রেক্ষাগৃহে প্রবেশ করে নিজের প্রথম সিনেমা দেখেছেন তিনি।
আফরান নিশো বলেন, ‘সিনেমা নিয়ে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য লুকিয়ে প্রেক্ষাগৃহে ঢুকি।
এই অভিনেতা বলেন, ‘আমি দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করি, দর্শকদের ভালোবাসা এমনিতেই পাই।
দর্শকরা কেউ-ই বুঝতে পারেনি আমি হলে আছি। মূলত, শো শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর লুকিয়ে হলে যাই। কারণ আমি চাইনি আমাদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে দর্শকদের নজর সিনেমা বাদ দিয়ে আমাদের দিকে আসুক।’
যারা আমার অনুরাগী তারা আমাকে যথেষ্ট সম্মান করেন, ভালোবাসেন। প্রথম থেকেই বলে আসছি, আমাদের টিমের পরিশ্রম যদি পর্দায় রিফ্লেক্ট করে, তবে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া আসবে। ফাইনালি আমরা দর্শকদের প্রতিক্রিয়া পেয়েছি। মজার দৃশ্যে দর্শকদের হাসি, যেটা বিস্মিত হওয়ার মুহূর্ত সেখানে তারা বিস্মিত হয়েছেন এবং দর্শকদের উচ্ছ্বাস দেখে আমি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম।
দর্শকদের অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।’
‘সুড়ঙ্গ’ যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে চরকি ও আলফা আই। চিত্রনাট্য করেছেন নাজিম উদ্ দৌলা ও রায়হান রাফী।
মন্তব্য করুন


প্রথমবারের
মতো জুটি বেঁধে অভিনয় করলেন সিয়াম আহমেদ ও তাসনিয়া ফারিণ । ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি
পেয়েছে তাদের নিয়ে মিজানুর রহমান আরিয়ানের নির্মিত সিনেমা ‘পুনর্মিলন।
গল্পটি
কাজিনদের সম্পর্কের নানান বাঁক, মাত্রা, আনন্দ, হাসি, টুকরো অভিমান, টানাপোড়ন, সংশয়
আর দ্বন্দ্বের।
মুক্তির
পর ‘পুনর্মিলনে’র প্রচারের অভিনব এক কৌশল বেছে নিলেন এর অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। ফেসবুকে
এক স্ট্যাটাসে ‘পুনর্মিলন’ সিনেমা সার্চ করার ছবি প্রকাশ করেন। ক্যাপশনে তারকা লেখেন,
লিংক না খুঁজে চরকিতে গিয়ে দেখেন। ডেসক্রিপশন-এ দিয়ে দিচ্ছি।
এ
সিনেমাটি আরও অভিনয় করেছেন, শাশ্বত দত্ত, নূর ইমরান মিঠু, তাজনূভা জাবীন, নওবা তাহিয়া,
দীপ্ত দে, জান্নাতুল ফেরদৌস কাজল, টুনটুনি হামিদ, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, শোয়েব মনির,
হামিদুর রাহমান, গোলাম ফরিদা ছন্দা, মালা ভট্টাচার্য্য সহ আরো অনেকে।
অভিনেত্রী
তাসনিয়া ফারিণ বলেন, পুনর্মিলনের গল্প পড়ার পর দ্বিতীয়বার ভাবতে হয়নি আমাকে। নিজেকে
গল্পের অংশ মনে হয়েছে। সিয়াম ভাইয়ের সঙ্গেও এ প্রথম কাজ করা হলো।
পরিচালক
মিজানুর রহমান আরিয়ান বলেন, কোনো ট্যুরে গেলে বন্ধুত্ব হয়, আবার অফিস ও ইউনিভার্সিটিতে
বন্ধুত্ব হয়। আমরা স্কুল-কলেজের বন্ধুত্বের গল্প দেখি। তবে একটা গল্প দেখানো হয় না,
সেটা হলো কাজিনদের বন্ধুত্বের গল্প। এবার আমার গল্প হলো, কাজিনদের বন্ধুত্বের গল্প
নিয়ে। আমাদের ফান, ফুর্তি ও পুনর্মিলনে সবাইকে নস্টালজিক ফিল দেবে।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


৩০ জুন আজ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে শুভ কামনা জানিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন নায়ক শাকিব খান।
স্ট্যাটাসে নায়ক শাকিব খান লেখেন, এই ঈদে অপু–জয় প্রোডাকশন হাউজের প্রথম চলচ্চিত্র ‘লাল শাড়ি’ মুক্তি পেয়েছে। আমার সন্তান জয়ের নামের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের প্রথম চলচ্চিত্র এটি। বাবা হিসেবে সন্তানের নামের কারণে চলচ্চিত্রটির প্রতি আমার অন্যরকম এক আবেগ কাজ করছে। তাই এই ঈদ উৎসবে পরিবার–পরিজন সবাইকে নিয়ে ‘প্রিয়তমা’র পাশাপাশি ‘লাল শাড়ি’ দেখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


নতুন বছরের শুরুতেই বিয়ে করলেন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আরমান মালিক। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা আশনা শ্রফের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন তিনি।
সামাজিকমাধ্যমে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে নিজেই সুখবরটি জানিয়েছেন। নিজের ইনস্টাগ্রামে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে আরমান লেখেন, ‘তু হি মেরা ঘার (তুমিই আমার ঘর)’।
২০২৩ সালের আগস্ট মাসে বাগদান সেরেছিলেন আরমান মালিক ও আশনা শ্রফ। তাদের বাগদানের ছবিতেও মুগ্ধ হয়েছিলেন অনুরাগীরা। বিয়েতেও সেই ধারা বজায় থাকল। দিনের আলোয় পালিত হলো বিবাহ অনুষ্ঠান।
বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন, দুজনের পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনরা।
মন্তব্য করুন


পবিত্র ওমরাহ হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গিয়েছেন ,ঢাকাই সিনেমার আলোচিত তারকা দম্পতি চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল ও চিত্রনায়িকা আফিয়া নুসরাত বর্ষা।
বুধবার রাতে সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন তারা। সেখানে আগামী দশদিন থাকবেন এ তারকা দম্পতি।
বৃহস্পতিবার ফেসবুকে এক ভিডিও পোস্ট করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা ও প্রযোজক এমডি ইকবাল। ওই ভিডিওতে সবার কাছে দোয়া চান অনন্ত জলিল ও বর্ষা।
উল্লেখ্য, গত রোজার ঈদে ‘কিল হিম’ সিনেমার মাধ্যমে সবশেষ পর্দায় দেখা যায় অনন্ত জলিল ও বর্ষাকে। এমডি ইকবাল পরিচালিত এ সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শকদের প্রশংসা কুড়ায়। বর্তমানে মুক্তি অপেক্ষায় রয়েছে এ দম্প্রতির ‘নেত্রী দ্যা লিডার’ সিনেমাটি।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ বিয়ে করলেন।
আজ সোমবার বিকালে নিজের ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হালের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।
তাসনিয়া ফারিণ জানান, তার স্বামীর নাম শেখ রেজওয়ান। গত ১১ আগস্ট ঘরোয়া আয়োজনে তাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। সবকিছুই দ্রুত আয়োজন করা হয়েছে। কারণ তার স্বামী বর্তমানে দেশের বাইরে কাজের কারণে ব্যস্ত রয়েছেন।
ফারিয়া তার স্ট্যাটাস লিখেছেন, সাড়ে আট বছরের বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, একত্রে থাকা। আমরা অবশেষে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পূর্ন করতে পেরেছি গত ১১ আগস্ট ২০২৩।
স্বামীর উদ্দেশে তিনি লিখেছেন, লম্বা সময়, কিন্তু তুমি এখনো আমার হৃদয়কে সেই প্রথমদিনের গতিতেই রেখেছো। আমি আমার শান্তি খুঁজে পেয়েছি তোমার মাঝে। আমরা বাইরের কোলাহলমুক্ত আমাদের নিজস্ব অভয়ারণ্য তৈরি করেছি। আমরা ভালোবাসার সম্পর্কে জড়িয়েছিলাম যখন আমি কলেজে পড়ছি। তখনো আমি ক্যামেরার সামনেও দাঁড়াইনি। তুমি সবসময়ই আমার পাশে ছায়ার মতো ছিলে।
মন্তব্য করুন


আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম এবার বলিউডে কাজ করতে যাচ্ছেন! তার নায়িকা হিসেবে থাকবেন ড্রামা কুইন রাখি সাওয়ান্ত। আর এই সিনেমায় অর্থ বিনিয়োগ করবেন বহুল বিতর্কিত আরাভ খান।
বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে রয়েছেন। সেখানে আরাভ খানের একটি মোবাইল ফোনের শোরুম উদ্বোধন করেছেন। তারপরই হিরো আলমকে দেখা গেল রাখি সাওয়ান্তের সঙ্গে।
এ বিষয়ে হিরো আলম বলেন, আমি বলিউডে কাজ করতে যাচ্ছি। আমার সঙ্গে রাখি সাওয়ান্ত কাজ করবেন। সিনেমাটা প্রযোজনা করবেন আরাভ খান।
একটি ভিডিওতে রাখি সাওয়ান্ত ও হিরো আলমকে একসঙ্গে দেখা যায়। ভিডিওতে চিৎকার করে রাখি বলেন, দেখো সালমান ভাই, বলিউডে নতুন নায়ক নিয়ে আসছি। আবার সে ভিডিওতে আরাভ খান বলেন, আলমকে নিয়ে আমি বলিউডে সিনেমা বানাবো। যতটাকা লাগে আমি দেব। ভারত, দুবাই ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর শুটিং হবে।
মন্তব্য করুন


১৪ জুলাই শুক্রবার
প্রকাশ করা হয় ‘আমি কী তুমি?’ সিরিজের ফার্স্টলুক পোস্টার।
যেখানে মেহজাবীনের চোখেমুখে বিস্ময়!
পোস্টারটি প্রকাশের পর অন্তর্জালে বেশ রহস্যের জন্ম দিয়েছে।
এতে ব্যতিক্রম এক লুকে দেখা গেছে মেহজাবীনকে।
মুখে অক্সিজেন মাস্ক, রহস্যময় চোখ, গড়িয়ে পড়ছে কাজল।
ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী।
মেহজাবীন ফেসবুকে পোস্টারটি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘আমি কী তুমি? এই প্রশ্নের উত্তর কখনো শুধু “হ্যাঁ” বা “না” হতে পারে না। উত্তরটা আপনাদের জানাতে শিগগির আসছি আমরা।’
ওয়েব সিরিজটি নিয়ে নির্মাতা ভিকি জাহেদ বলেন, এটি থ্রিলার ও হররের বাইরে রোমান্স ও ড্রামা বেইজ একটি কনটেন্ট। দর্শক অনেক দিন পর আমার ভিন্ন জনরার কাজ দেখতে পাবেন।’
শিগগিরই সিরিজটি মুক্তি পাবে বলে জানান এ নির্মাতা।
মন্তব্য করুন


তরুণ
অভিনেত্রী নিশাত আরা আলভিদা (১৯) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে
মারা গেছেন।
৩১
আগস্ট বৃহস্পতিবার মারা গেছেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি
রাজিউন)।
জানা
যায়, ৪ দিন আগে হঠাৎ জ্বরে
আক্রান্ত হন নিশাত। শারীরিক
অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। তার প্লাটিলেট
কমতে থাকে। অবশ্য এক দিনের মাথায়
প্লাটিলেট আবার বাড়তে থাকে।
কিছুটা সুস্থ বোধ করায় বাসায়
চলে আসে। কিন্তু শেষ
রক্ষা হয়নি। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় নিশাত
বাসাতেই মারা যান।
গতকালই
নিশাতের মরদেহ নাটোরে নিয়ে যাওয়া হয়।
নাটোর হাফ রাস্তা এলাকায়
তারা থাকতেন। সেখানেই একটি কবরস্থানে তার
দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
নিশাতের
বেড়ে ওঠা নাটোর জেলায়।
এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন নিশাত। সর্বশেষ সে অ্যাকাউন্টিং পরীক্ষা
দিয়েছে। এরপর আর কোনো
পরীক্ষা দিতে পারল না। অভিনয়
নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল
নিশাতের। ইচ্ছা ছিল থিয়েটারে অভিনয়
শেখার। কয়েক মাস আগে
সে থিয়েটারিয়ান নামের একটি নাট্যদলে কর্মশালা
করেছিল। থিয়েটার শুরুর ইচ্ছা ছিল। সম্প্রতি একটা
নাটকে পুরো গল্পে ছিলেন
নিশাত।
মন্তব্য করুন