

অভিনেতা সিদ্ধার্থ
চন্দ্রশেখর মায়ের দ্বিতীয়বার বিয়ে দিলেন। সেই কথা সামাজিকমাধ্যমে গর্বের সঙ্গে
জানিয়েছেন এই মারাঠি অভিনেতা নিজেই। মারাঠি বিনোদন জগতের অতি পরিচিত নাম সিদ্ধার্থ
চন্দ্রশেখর। তার এমন ঘটনায় নেটিজেনরা প্রশংসার বন্যায় ভাসাচ্ছেন।গত বুধবার
সিদ্ধার্থ ইনস্টাগ্রামে এই ঘটনার কথা জানিয়েছেন।
মা সীমা চন্দ্রশেখরের
দ্বিতীয় বিয়ের ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘সেকেন্ড ইনিংস’-এর অভিনন্দন।
তার কথায়, ‘হ্যাপি
সেকেন্ড ইনিংস আই (মা)। আমার কখনও মনে হয়নি, তোমারও কাউকে দরকার। তোমার যে
সন্তানদের বাদ দিয়ে জীবন আছে, সে কথা টের পাইনি। তোমারও তো শুধুমাত্র নিজের জন্য
একটা জগত থাকা উচিৎ। আর কত দিন তুমি একা থাকবে?
এরপর অভিনেতা লেখেন,
তুমি এতদিন পর্যন্ত সকলের জন্য ভেবে গেছ। এবার সময় এসেছে, যখন তুমি নিজের কথাও
ভাববে এবং তোমার নতুন সঙ্গীর কথাও ভাববে। তোমার সন্তানরা সব সময়ে তোমার পাশে
থাকবে।
সিদ্ধার্থের ভাষ্য,
তুমি আমার বিয়ে দিয়েছিলে বিশাল আয়োজন করে। আর এবার আমার পালা তোমার জন্য একই জিনিস
করার। আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দদায়ক বিয়ের ঘটনা হল, আমার মায়ের বিয়ে। আমি তোমাকে
ভালোবাসি মা। হ্যাপি ম্যারেড লাইফ।
অনেকেই তার এই আচরণের
প্রশংসা করেছেন।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী সাবিলা নূরকে দেখে চেনার উপায় নেই! গায়ের রঙ খুব কালো। মুখটা ফ্যাকাশে।
‘বিদিশা’নামের একটি নাটকে কালো মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। নারী দিবসকে সামনে রেখে তৈরি হয়েছে এটি।
‘বিদিশা’র চিত্রনাট্য সাজিয়েছেন ও পরিচালনা করেছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। তিনি বলেন, সাবিলা নূরকে নতুন আঙ্গিকে দেখে দর্শকেরা চমকে যাবেন। অনেকদিন মনে রাখার মতো অভিনয় করেছেন তিনি। নারী দিবসে নাটকটির মাধ্যমে নারীর সংগ্রাম ও বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলতে চেয়েছি।
সাবিলা নূরের পাশাপাশি নাটকটিতে অভিনয় করেছেন শামীমা নাজনীন, সমু চৌধুরী, এরফান মৃধা শিবলু, অতিথি ইসরাতসহ অনেকে। সম্প্রতি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে এর চিত্রায়ন হয়েছে।
‘বিদিশা’ গল্পটি লিখেছেন আবুল বাশার পিয়াস। চিত্রগ্রহণ করেছেন ফুয়াদ বিন আলমগীর। সংগীত পরিচালনায় শাহরিয়ার মার্সেল।
আগামী ৮ মার্চ নারী দিবসে ইউটিউবে সিনেমাওয়ালা চ্যানেলে মুক্তি পাবে নাটকটি।
মন্তব্য করুন


প্রথমবারের মতো বড়পর্দায় একসঙ্গে জুটি বাঁধতে চলেছেন ভিকি কৌশল ও সারা আলি খান। বেশ কয়েকবার শ্যুটিংয়ের একাধিক ঝলকও মিলেছে। কিন্তু ছবির নাম এতদিন ঘোষণা করা হয়নি। মাঝে শোনা গিয়েছিল এই ছবির নাম হতে পারে 'লুকা ছুপি ২'। তবে সামাজিক মাধ্যমে বহুপ্রতীক্ষিত এই ছবির নাম ঘোষণা করেছেন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। প্রকাশ্যে এসেছে ট্রেলার প্রকাশের তারিখও।
ছবির নাম ঘোষণা হয়েছে, ''জারা হাটকে জারা বাচকে''। আগামী ২ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি। ইতোমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবির নাম ও ফার্স্ট লুক টিজার শেয়ার করা হয়েছে।
রোববার ভিকি কৌশল একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে সারা আলি খান ও ভিকি কৌশলের নতুন ছবির একাধিক পোস্টার দেখা গেছে।
ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি লেখেন, 'রোম্যান্টিক? নাকি নাটকীয়? কী মনে হয় আপনার, কেমন হতে চলেছে আমাদের গল্প? ''জারা হাটকে জারা বাচকে'' ছবির ট্রেলার মুক্তি পাচ্ছে আগামীকাল। প্রেক্ষাগৃহে আসছে ২ জুন, ২০২৩।' এই ভিডিওয় ছবির
ছবিটি রোম্যান্টিক ঘরানার বলেই মনে করা হচ্ছে। ছবিটি ২ জুন মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে, আগামীকাল অর্থাৎ ১৫ মে প্রকাশ্যে আসবে ছবির ট্রেলার। সূত্র- এপিবি লাইভ
মন্তব্য করুন


আগামী ৭ সেপ্টেম্বর হিন্দি, তামিল ও তেলুগু ভাষায় একযোগে মুক্তি পাচ্ছে
বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের সিনেমা ‘জওয়ান’।
‘জওয়ান’ এর প্রথম গান ‘জিন্দা বান্দা’ খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পাবে। এ গানটিতে এক হাজারের বেশি নারী নৃত্যশিল্পী পারফর্ম করেছেন। আর এ
গানের জন্য নির্মাতারা ১৫ কোটি রুপি ব্যয় করেছেন।
চেন্নাইয়ে বিশাল সেট নির্মাণ করে গানটির ৫দিন শুটিং
হয়েছে। চেন্নাই, হায়দরাবাদ, ব্যাঙ্গালুরু ও মুম্বাইয়ের এক হাজারের বেশি নারী নৃত্যশিল্পী
এতে পারফর্ম করেছেন। গানটিতে নারী নৃত্যশিল্পীর সাথে শাহরুখ খানকেও দেখা যাবে।
বক্সঅফিস ওয়ার্ল্ডওয়াইড
এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ‘জওয়ান’ সিনেমার গানের স্বত্ত্ব কেনার জন্য অনেক কোম্পানি
চেষ্টা করেছে। তবে ৩৬ কোটি রুপিতে সিনেমাটির গানের স্বত্ত্ব কিনেছে টি-সিরিজ।
‘জওয়ান’ সিনেমা
পরিচালনা করছেন তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় পরিচালক অ্যাটলি কুমার।
শাহরুখ খানের বিপরীতে
আছেন দক্ষিণী সিনেমার লেডি সুপারস্টার নয়নতারা। এছাড়াও অভিনয় করেছেন সানায়া
মালহোত্রা, যোগী বাবু। একটি বিশেষ চরিত্রে রয়েছেন প্রিয়ামণি। অতিথি চরিত্রে রয়েছেন
দীপিকা পাড়ুকোন ও থালাপতি বিজয়ের মতো তারকা। ২২০ কোটি রুপি বাজেটের এ সিনেমা প্রযোজনা
করছে শাহরুখের প্রতিষ্ঠান রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে।
মন্তব্য করুন


৫ জুন সোমবার বিকেলে ঢাকার আগারগাঁও নির্বাচন কমিশনে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র তোলার ঘোষণা দিয়েছেন হিরো আলম। সংসদ সদস্য আকবর হোসেন খান পাঠান ওরফে নায়ক ফারুকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হতে চান তিনি।
তিনি বলেন, ঢাকা-১৭ আসন ঘুরে দেখলাম। এলাকার মানুষজন তো আমাকে আশ্বস্তই করলেন। সবাই বলছেন তুমি আসো আমরা তোমাকে চাই। সাহস পেয়েই নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছি। আমি বস্তির ছেলে অনেকেই গালি দিয়ে বলে। ভাষানটেক, মহাখালী কড়াই বস্তি এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই।
ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। তিনি বলেছেন, নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কে ভাইটাল, কে ভাইটাল না, সেটা গুরুত্বপূর্ণ না। আমি হিরো আলম প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাউকে গুনি না।
তিনি বলেন, আমি বগুড়ায় নির্বাচন করতে গিয়ে মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন চলচ্চিত্র জগতের মিয়া ভাই ফারুক ভাই। তিনি মিডিয়া ব্যক্তি। তিনি নানা কারণে এলাকায় কাজ করতে পারেননি। আমিও মিডিয়াকর্মী। সেজন্য তার অসমাপ্ত কাজগুলো করতে চাই।
মন্তব্য করুন


ইদানিং খুবই আনন্দে রয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। আর থাকবেন নাই বা কেন, একেবারে হলিউড পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে শ্রাবন্তীর রূপ! সেই রূপে আবার ঘায়েলও হয়েছেন হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা জন সিনা। হ্যাঁ, এমনটাই ঘটেছে। তবে পুরো ব্যাপারটাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
ব্যাপারটা একটু খোলসা করে বলা যাক। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে শ্রাবন্তীকে ফলো করা শুরু করেছেন হলিউড অভিনেতা জন সিনা। আর তা দেখেই একেবারে আহ্লাদে আটখান অভিনেত্রী।
এই ঘটনার পর শ্রাবন্তী এক সংবাদ মাধ্যমকে জানান, প্রথমে তো বিশ্বাস হচ্ছিল না। ভেবেছিলাম হয়তো ফেক অ্যাকাউন্ট। তবে পরে ভাল করে দেখি, অ্যাকাউন্টে ব্লু টিক রয়েছে। সত্যিই খুব আনন্দ লাগছে।
শ্রাবন্তী এই মুহূর্তে রয়েছেন লন্ডনে। জিতু কমলের সঙ্গে জুটি বেঁধে সেখানে চলছে ‘বাবুসোনা’ ছবির শুটিং। এই ছবিতে জিতু কমলকে দেখা যাবে কিডন্যাপারের চরিত্রে। অন্যদিকে ছবিতে শ্রাবন্তী হবেন চোর। তবে নিজেদের কুকর্মকে ঢাকতে দুইজনেই অন্য পেশার মুখোশ পরে থাকেন। হঠাৎ ছবির গল্পে টুইস্ট। লন্ডনে এক শিশুর অপহরণের ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন দুজনে। তারপর গল্প নেয় নতুন মোড়।
‘বাবুসোনা’ ছবিতে শ্রাবন্তী ও জিতু কমল ছাড়াও রয়েছেন পায়েল সরকার, আলেকজান্দ্রা টেলর, সাগ্নিক চট্টোপাধ্যায়, বিলাস দে, অত্রি ভট্টাচার্য, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


তরুণ
অভিনেত্রী নিশাত আরা আলভিদা (১৯) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে
মারা গেছেন।
৩১
আগস্ট বৃহস্পতিবার মারা গেছেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি
রাজিউন)।
জানা
যায়, ৪ দিন আগে হঠাৎ জ্বরে
আক্রান্ত হন নিশাত। শারীরিক
অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। তার প্লাটিলেট
কমতে থাকে। অবশ্য এক দিনের মাথায়
প্লাটিলেট আবার বাড়তে থাকে।
কিছুটা সুস্থ বোধ করায় বাসায়
চলে আসে। কিন্তু শেষ
রক্ষা হয়নি। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় নিশাত
বাসাতেই মারা যান।
গতকালই
নিশাতের মরদেহ নাটোরে নিয়ে যাওয়া হয়।
নাটোর হাফ রাস্তা এলাকায়
তারা থাকতেন। সেখানেই একটি কবরস্থানে তার
দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
নিশাতের
বেড়ে ওঠা নাটোর জেলায়।
এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন নিশাত। সর্বশেষ সে অ্যাকাউন্টিং পরীক্ষা
দিয়েছে। এরপর আর কোনো
পরীক্ষা দিতে পারল না। অভিনয়
নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল
নিশাতের। ইচ্ছা ছিল থিয়েটারে অভিনয়
শেখার। কয়েক মাস আগে
সে থিয়েটারিয়ান নামের একটি নাট্যদলে কর্মশালা
করেছিল। থিয়েটার শুরুর ইচ্ছা ছিল। সম্প্রতি একটা
নাটকে পুরো গল্পে ছিলেন
নিশাত।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টির ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি ঝোঁক ছিল। অভিনয়কে
ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নেওয়ার পর ইচ্ছে ছিল সিনেমায় কাজ করার। কিন্তু বিরূপ
অভিজ্ঞতার কারণে পরবর্তীতে তা আর করা হয়ে ওঠেনি।
ক্যারিয়ারের শুরুতে
সুযোগ পেয়ে যান আকরাম খানের ‘ঘাসফুল’ ছবিতে। এরপর বেশ কিছু সিনেমার প্রস্তাব পেলেও
নিয়মিত হননি বড় পর্দায়।
তানিয়া বৃষ্টি বলেন, সিনেমায়
অনেক প্রস্তাব পেলেও স্বপ্নটা এগিয়ে নিতে পারিনি। তখন মনে হয়েছে, ওই সময়টাতে ওই
জায়গা আমার জন্য নয়। যে কারণে প্রস্তাব গ্রহণ করিনি। আমার বড় পর্দার নায়িকা হওয়ার
খুব ইচ্ছা ছিল, কিন্তু সেসব প্রস্তাব নিতে পারছিলাম না। সেই কারণে আমার মন খারাপ
ছিল।
তার কথায়, আমি একটা
প্ল্যাটফর্ম থেকে আসছি, কাজ করব। সেই সুযোগ নাটকে সহজেই হয়ে যায়। কিন্তু সিনেমায়
একটু কঠিন। সিনেমার প্রস্তাবে শুনতে হয়েছে, কাজের বিপরীতে কিছু চায়। সবাই না, এই
কথাগুলো কেউ কেউ বলেছেন। তাদের প্রস্তাবে মন খারাপ হতো। হয়তো তারা যথাযথ
প্রতিষ্ঠানের ছিলেন না এবং উদ্দেশ্যও ভালো ছিল না।
আগামী বৃহস্পতিবার
বাংলাভিশনে প্রচারিত হবে ‘ফ্রিল্যান্স ধান্দাবাজ’ নামের একটি নাটক। এস আর
মজুমদারের পরিচালনায় এতে তার বিপরীতে দেখা যাবে নিলয় আলমগীরকে।
মন্তব্য করুন


দিন কয়েক ধরেই গুঞ্জনটা শোনা যাচ্ছিল। বিবাহবিচ্ছেদ হতে চলেছে অভিনেত্রী মাহিয়া মাহির। যদিও প্রতি বারই জল্পনায় জল ঢালেন তিনি। কিন্তু শুক্রবার ফেসবুক লাইভে এসে আচমকাই কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিনেত্রী। তার পরই দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের খবর দেন নায়িকা।
এরই মধ্যে তাঁরা আলাদা থাকা শুরু করেছেন। এ অভিনেত্রী নিজেই আজ রাতে এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন।
নিজের ফেসবুকে ভিডিও বার্তায় কেঁদে মাহি বলেন, আমরা দুজন মিলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা রয়েছে। তবে রকিব খুব ভালো মানুষ। তাকে আমি সম্মান করি। অনেক কেয়ারিং সে। খুব দ্রুতই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদে যাচ্ছি। কবে আর কীভাবে হবে, সেটিও দুজন মিলেই ঠিক করব।
কিন্তু কী কারণে সন্তান জন্মের মাস কয়েকের মধ্যেই স্বামীর থেকে আলাদা হচ্ছেন তিনি তা নিয়ে কিছু বলেননি তিনি ।
তিনি জানান, অনেক দিন ধরে তাঁরা আলাদা থাকছেন।
সাথে আরো বলেন, একটা ছাদের নিচে দুটি মানুষ কেন ভালো নেই, সেটা তারাই ভালো জানে। এটা বাইরের থেকে বোঝা যাবে না। আসলে সংসার কেন ভাঙে, কেন হাজবেন্ডের সঙ্গে থাকতে পারল না বা হাজবেন্ড কেন তাঁকে সহ্য করতে পারছে না। অথবা তাঁর ওয়াইফটা কেন তাঁর হাজবেন্ডকে সহ্য করতে পারছে না। অথবা দুজন কেন ভালো নাই। দুজনের মধ্যে আসলে কী ঝামেলা হয়েছে—এগুলো তো আমরা আসলে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বুঝব না। তাই আমরা কাউকে নিয়ে যেন জাজ না করি।
মাহি বলেন, আমি জানি এই ভিডিওটি দেখার পর অনেকেই আমাকে গালি দিবেন, অনেক বাজে কথা বলবেন। বিশ্বাস করেন আপনাদের কমেন্ট গুলো আমার কাছে তীরের মত আমার বুকে লাগবে।
ভিডিওর একপর্যায়ে মাহি তাঁর সন্তানকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য না করার অনুরোধ জানান নেটিজেনদের প্রতি। মাহি বলেন,আমার ছেলেকে নিয়েও আপনারা অনেকে খারাপ কমেন্ট করেন, সেগুলো দেখে মা হিসেবে আমার বুকটা ফেটে যায়। কোনো বাচ্চাকে নিয়ে এমন খারাপ কমেন্ট করবেন না সে যেমনি হোক না কেনো দেখতে ।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ও হয়তো এখন এসব বুঝতে পারে না; কিন্তু একসময় এসব বুঝবে, তখন নিশ্চয়ই কষ্ট পাবে। দয়া করে এসব করবেন না। আপনারা আমার ছেলে ফারিশের জন্য দোয়া করবেন, যেন ওকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।
মন্তব্য করুন


৩৩০
কোটি টাকার মালিক এই স্টারকিড! বলিউডের সব থেকে ধনী তারকা সন্তানের তকমা পেয়ে গেছে
ছোট্ট রাহা কাপুর! আর সে স্টারকিড হচ্ছে ‘রণলিয়া’ খ্যাত
দুই বলিউড তারকা রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাটের একমাত্র মেয়ে।
কিন্তু
কীভাবে এতো অর্থ জমা পড়েছে ছোট্ট মেয়ে রাহার অ্যাকাউন্টে?
আনন্দবাজার
পত্রিকার এক প্রতিবেদন জানিয়েছে, এই মুহূর্তে মুম্বাইয়ের পালি হিলস্
এলাকায় এক অ্যাপার্টমেন্টের ৯ তলায় থাকেন ‘রণলিয়া’
দম্পতি। এই আবাসনে আলিয়ারও একটি ফ্ল্যাট রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৩২ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪২ কোটি টাকা)। অন্যদিকে,
গত ৩ বছর ধরে বান্দ্রায় নিজেদের বাংলো তৈরি করছেন এই তারকা
দম্পতি। দাদা রাজ কাপুরের ‘কৃষ্ণা রাজ’ বাংলোকেই নতুনভাবে তৈরি করছেন তারা। কাজ প্রায় শেষ, খুব শিগগিরই নিজেদের স্বপ্নের বাড়িতে প্রবেশ করবেন রণবীর-আলিয়া।
আর
এই বাংলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫০ কোটি রুপি তথা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩০
কোটি টাকা। কারণ, শাহরুখ খানের ‘মন্নত’ ও অমিতাভ বচ্চনের ‘জলসা’র সমপরিমাণ বাজারমূল্য এই ‘কৃষ্ণা রাজ’বাংলোর।
বলিউডের
ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, নিজেদের উপার্জনের অনেকটা অর্থই ‘কৃষ্ণা রাজ’বাংলোতে বিনিয়োগ করছেন ‘রণলিয়া’। আর বাংলোটি ইতোমধ্যেই মেয়ে রাহার নামে করে দিয়েছেন তারা। সে
হিসেবে রাহা কাপুরই এই মুহূর্তে বলিউডের সব থেকে ধনী তারকা সন্তান।
মন্তব্য করুন