

হিমু, কুমিল্লা:
নব্বই দশকের এক আবেগ ও ভালোবাসার নাম ‘সালমান শাহ্’। স্টাইলিশ এই অভিনেতাকে এখনো মিস্ করে তাঁর একনিষ্ঠ ভক্তকুলেরা। সালমান শাহ্ গত জেনারেশনে যেমন বেস্ট একজন ছিল, তেমনি বর্তমান ও আগামী কয়েক জেনারেশনেও বেস্ট এবং সুপার থাকবে। সালমানের মত কোনো বিকল্প সুদর্শন পুরুষ বাংলাদেশে আগে কোনোদিন আসেনি, বর্তমানেও নেই, নিঃসন্দেহে ভবিষ্যতেও আসবে না।
একজন শিল্পীর মৃত্যুর পর ধীরে ধীরে তার অনুসারীরা ভুলতে শুরু করেন। তবে ক্ষণজন্মা নায়ক সালমান শাহ্ এর ক্ষেত্রে সেটা একেবারে বিপরীত! অকালে চলে যাওয়ার ২৭ বছর পরেও সালমান শাহ্ এর জনপ্রিয়তা আজও আকাশচুম্বী। নায়ক হিসেবে মৃত্যুর ২৭ বছর পরেও এমন অর্জন বিশ্বের বুকে আর কারোও নেই।
স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ ভক্তদের মাঝে ফিরতে চলেছেন। সম্প্রতি প্রয়াত এই অভিনেতাকে নিয়ে এমনই এক চমকপ্রদ তথ্য জানান, রাজীব জাহান ফেরদৌস। তিনি বর্তমানের জনপ্রিয় ‘এআই’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রায়ই দেশ বিদেশের সিনেমার তারকাদের নতুন রূপে নিয়ে আসেন ভার্চুয়াল জগতে।
সংবাদ মাধ্যম অনুযায়ী, রবিবার ( ২৭ আগস্ট ২০২৩ইং) রাতে রাজীব জাহান ফেরদৌস তার ফেসবুক আইডিতে সালমান শাহ্ এর ছবি পোস্ট করে রাজীব লিখেছেন, প্রস্তুত হও, বাংলাদেশ! অতুলনীয় ফ্যাশন আইকন একটি গৌরবময় প্রত্যাবর্তন করছেন! মিডজার্নি এআই-এর জাদুতে তৈরি সম্পূর্ণ সিরিজ ড্রপের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন। সাথে থাকুন!
সালমান শাহ্ এর নতুন লুকের ছবি দেখে অবাক হয়েছেন নেটিজেনরা। দেশের তো নয়ই, বিদেশি কোনো নায়কের সৌন্দর্যকেও হার মানিয়ে দিয়েছে সালমান শাহ্ এর সে ছবি।
রাজীবের সে ফেসবুক পোস্টের কমেন্ট বক্সে একজন লিখেছেন, বাংলাদেশের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ হ্যান্ডসাম পুরুষ। এরপরই তিনি জুরে দিয়েছেন ভালোবাসার প্রতীকের চিহ্ন। আরেকজন লিখেছেন, চিত্রজগতে আপনার তুলনা শুধুই আপনি, স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ তখনো - এখনো সব স্থানে অতুলনীয়।
তাঁর মৃত্যুতে এ দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের যে ক্ষতি হয়েছে, তা আজও পূরণ হয়নি। এই দেশে চলচ্চিত্র প্রেমীরা যত দিন বেঁচে থাকবে, সালমান শাহ্ তত দিন বেচে থাকবেন তাদের হৃদয়ে।
আমরা যখন কোন সিনেমার গান শুনি তখন বলি এই গানের শিল্পী নাম এন্ড্রু কিশোর, কনক চাঁপা, রুনা লায়লা সাবিনা ইয়াসমিন ইত্যাদি। কিন্তু আমরা যখন সালমান শাহ্ এর সিনেমার কোন গান শুনি অবলীলায় তখন বলে ফেলি, "আরেহ এইটা তো সালমান শাহ্ এর গান"।
দেখতে দেখেতে ২৭ বছর পেরিয়ে গেলো সালমান নেই। ১৯৯৬ সালের ৬ -ই সেপ্টেম্বর সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান সালমান শাহ্।
মৃত্যুর দুই যুগ পরও চলচ্চিত্রের মানুষেরা আফসোস করে বলেন, "আজও সালমান শাহ্ এর শূন্যস্থান কেউ পূরণ করতে পারেননি।"
৯০ এর দশকে চলচ্চিত্রে সালমান শাহ্ এর আবির্ভাব তারুণ্যের উচ্ছ্বাস তৈরি করেছিল। ভক্তদের পাশাপাশি চলচ্চিত্রের মানুষরাও তার স্মৃতিগুলো এখনও লালন করেন। তিনি বেঁচে থাকলে হয়তো চলচ্চিত্র মাধ্যমটি আরও বর্ণিল করতে পারতেন।
সালমান শাহ্ এর অভিনয় একটা প্রজন্মের কাছে আইডলে পরিণত হয়েছিলেন সালমান শাহ্ নামের সেই পরশ পাথর, যার ছোঁয়ায় বাংলা চলচ্চিত্রে বিপ্লব ঘটেছিল।
তিনি আমাদের চলচ্চিত্রের এমন ধ্রুবতারা যিনি দূর আকাশে অবস্থান করেও আলোকিত করেন মানুষের হৃদয়। সালমানের মৃত্যুদিন এলে তাই স্বভাবতই আমাদের মন খারাপ হয়ে যায়। আবার এই ভেবে ভালো লাগে যে সালমান শাহ্ স্বল্পায়ু হলেও অন্তত বাংলাদেশে জন্মেছিলেন সেটাই আমাদের সৌভাগ্য।
প্রিয় নায়ক সালমান শাহ্কে স্মরণ করছি বিনম্র শ্রদ্ধায়। যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন আমাদের সবার প্রিয় ‘সালমান শাহ্’।
মন্তব্য করুন


৯ সেপ্টেম্বর শনিবার ঢাকাই
সিনেমার আলোচিত তারকা দম্পতি অনন্ত জলিল ও আফিয়া নুসরাত বর্ষা হাজির হয়েছিলেন একটি
মাল্টিপ্লেক্সে।
সেখানে
উপস্থিত সংবাদকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার এক পর্যায়ে অনন্ত জলিল তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা
বর্ষাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘এবার আমাদের সুন্দরী বউ কথা বলবে। আমার সুন্দরী বউ,
আপনাদের বোন। ’
অনুষ্ঠানে কিছুটা
স্মৃতিকাতরও হন অনন্ত-বর্ষা। ২০১৩ সালে এই দম্পতির ‘নিঃস্বার্থ ভালবাসা’ সিনেমা
দিয়েই যাত্রা শুরু হয় ব্লকবাস্টার সিনেমাসের।
অনন্ত জলিল বলেন, আজ
ব্লকবাস্টারের ১০ বছর পূর্ণ হলো। আপনারা সবাই জেনে আনন্দিত হবেন যে ‘নিঃস্বার্থ
ভালবাসা’ দিয়ে এটি ওপেনিং হয়। সিনেমার জন্য তাদের ৭টা স্ক্রিন আছে। আমরা যখনই
সিনেমা রিলিজ করি তখনই এটা আমাদের জন্য ভাইটাল একটা পয়েন্ট। এই জন্য যখনই উনারা
কোনো আয়োজনে আমাদের ডাকেন, আমরা সাড়া দিই। উনারাও আমাদের ডাকে সাড়া দেন, আমরাও
তাদের ডাকে সাড়া দিই। আমরাও ভালোবাসি তাদের, তারাও আমাদের ভালোবাসেন। ’
অনন্ত-বর্ষার পাশাপাশি
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অপু বিশ্বাস, পরীমণি, সিয়াম আহমেদ, চয়নিকা চৌধুরী, ইমনসহ
আরো অনেকে।
মন্তব্য করুন


বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুকের মরদেহ ঢাকায় আনা হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৬ মে) সিঙ্গাপুরের স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট তার মরদেহ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয় বলে এয়ারলাইন্সটির জনসংযোগ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ইউএস-বাংলার বিএস-৩০৮ ফ্লাইটটি নায়ক ফারুকের মরদেহ নিয়ে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।
সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন চিত্রনায়ক ফারুক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন।
তার ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান জানান, গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ইউএস বাংলার ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ আসবে। পরে সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
বেলা ১১টায় জাতীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য নেওয়া হবে। বাদ জোহর এফডিসিতে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন এবং সেখানে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষ সন্ধ্যা ৭টায় গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমুলিয়া দক্ষিণ সোম গ্রামের বাড়িতে চতুর্থ জানাজা সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
মন্তব্য করুন


গত কয়েক বছর ধরেই নিজের টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন বাংলায় একক অনুষ্ঠান করে নিয়মিতই গান শোনাচ্ছেন ড. মাহফুজুর রহমান। মাঝে মধ্যে তাকে বিভিন্ন ঘরোয়া অনুষ্ঠানেও গান গাইতে দেখা গেছে ।
সম্প্রতি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএফডিসি) একটি অ্যাওয়ার্ড আয়োজনের চুক্তি সই অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সঙ্গে এটিএন বাংলার এই চুক্তি সই হয়।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে খালি গলায় বাংলা ও হিন্দি গান গেয়ে শোনান মাহফুজুর রহমান।
এ সময় তিনি বলেন, ইদানিং মেহেদী হাসানের গজল কিছু গাওযা শুরু করেছি। গজল গাওয়ার পর দেখলাম, যে আমার বাংলা গানের থেকে এর শ্রোতা অনেকে বেশি। মিলিয়ন মিলিয়ন শ্রোতা পাচ্ছি আমি।
গান গাওয়ার এক পযার্য়ে পাঁচ বছরের সাধনায় গলা ঠিক করেছেন জানিয়ে মাহফুজুর রহমান বলেন, আমি কথা বলি একটা ভয়েসে, গান গাই আরেকটা ভয়েসে। এটি রপ্ত করতে আমার পাঁচ বছর সময় লাগছে। যেমন- আমি কথা বলার সঙ্গে গানের গলার কোনও মিল নেই।
অনুষ্ঠানে সিনেমা প্রযোজনা করার ঘোষণাও দেন ড. মাহফুজুর। তিনি জানান, আগামী ঈদ-উল-ফিতরের আগে ছয়টি সিনেমা প্রযোজনা করবেন।
চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক ও ইমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি কাজী হায়াৎ, মহাসচিব শাহীন সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন কবির টুটুল, পরিচালক শাহ আলম কিরন, জাকির হোসেন রাজু, মনতাজুর রহমান আকবর, চিত্রনায়ক সোহেল রানা, অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস, রোজিনা প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী ও মডেল রিশতা লাবণী সীমানা (৩৯) মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল ৬টায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। গণমাধ্যমকে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন সীমানার ছোট ভাই এজাজ বিন আলী। ৩৯ বছর বয়সে শেষ হলো অভিনেত্রীর পথচলা।
গত ২১ মে রাতে আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী সীমানা। সে রাতেই ধানমন্ডির এক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। সেখানেই তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের বিষয়টি জানা যায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য পরদিন ঢাকার আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। সেখানে অস্ত্রোপচার হয় অভিনেত্রীর। এরপর সীমানার চিকিৎসা চলছিল ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে। শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি না হওয়ায় লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল তাকে।
অভিনেত্রী সীমানা দুই সন্তানের মা। বড় ছেলের নাম শ্রেষ্ঠ। ছোট সন্তান স্বর্গের বয়স তিন। ২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিনোদন অঙ্গনে কাজ শুরু করেন সীমানা।
মন্তব্য করুন


প্রথমবারের মতো বালিউড সিনেমায় অভিনয় করলেন দুই বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান।সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী।
সিনেমার নাম ‘করক সিং’।
২০২২ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয় সিনেমাটির দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হয় ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে।
এ খবর সবার জানা, নতুন খবর হচ্ছে- রহস্য আর সাসপেন্সে ভরপুর থ্রিলার গল্পের সিনেমা ‘করক সিং’ মুক্তি পাচ্ছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে জি ফাইভে। সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষের দিকে সিনেমাটি দেখা যাবে।
জয়া আহসান ছাড়াও এই সিনেমায় প্রধান চরিত্রে আছেন বলিউড অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী। আরও আছেন ‘দিল বেচারা’খ্যাত অভিনেত্রী সঞ্জনা সাংঘী ও মালয়ালম অভিনেত্রী পার্বতী।
এর আগে সিনেমার শুটিং শেষে জয়া আহসান অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন কাজের অভিজ্ঞতাও। ওই সময় শুটিং ও প্যাকআপের কিছু স্থিরচিত্র ফেসবুকে পোস্ট করে জয়া লেখেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী বা যাকে আমরা টনি দা বলে ডাকি, তার নেতৃত্বে এমন অসাধারণ টিমে কাজ করতে পেরেছি। পঙ্কজ ত্রিপাঠি এবং অন্য যারা আছেন, তাদের সঙ্গে কাজ করা আমার জন্য অনেক বড় অভিজ্ঞতা। আমি কাজের প্রত্যেকটি মুহূর্ত ভালোবেসেছি।
জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী আরও লিখেছিলেন, একজন শিল্পী কতখানি শিখতে পারেন, তার কোনো সীমা নেই। প্রত্যেকদিনই আমরা নতুন নতুন জিনিস শিখি এবং এই সিনেমার শুটিং আমার জন্য অতুলনীয় অভিজ্ঞতা। একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে আমাকে সমর্থন করার জন্য পুরো টিমের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। তোমাদের সঙ্গে আবারও কাজ করতে উন্মুখ হয়ে থাকব।
জানা গেছে, অ্যামনেশিয়ায় আক্রান্ত একে শ্রীবাস্তব নামক এক চরিত্রের সংকটময় জীবনের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। এই চরিত্রটি অতীতের সব ঘটনা ভুলে গেছে। ভুলে যাওয়া ছোট ছোট স্মৃতি একত্র করার চেষ্টা করতে থাকে সে। একপর্যায়ে শ্রীবাস্তব আবিষ্কার করে বিরাট এক অর্থনৈতিক অপকর্মের পেছনের সত্য।
‘করক সিং’ সিনেমার এমন গল্প লিখেছেন বিরাফ সরকারি, রিতেশ শাহ ও অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী। এটি প্রযোজনা করছে উইজ ফিল্মস।
মন্তব্য করুন


শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনা সত্যি। মুম্বাইয়ের যানজট থেকে বাঁচতে অচেনা এক ব্যক্তির বাইকে চেপে বসেন বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। এবং সেটিতে করে সঠিক সময়ে শুটিংয়ে পৌঁছান। পুরো ঘটনায় বেশ কৃতজ্ঞ অভিনেতা। সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ছবি প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অচেনা বন্ধুটিকে।
ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে বিগ বি লিখলেন, ‘এই যাত্রার জন্য ধন্যবাদ বন্ধু। তোমায় চিনি না। কিন্তু তুমি যে দায়িত্ব নিয়ে আমায় পৌঁছে দিলে, প্রশংসনীয়। মুম্বাইয়ের জ্যাম থেকে বাঁচিয়ে তাড়াতাড়ি আমায় পৌঁছে দিলে, ধন্যবাদ! হলুদ জামা এবং সাদা টুপির মালিক।’
এই আপদকালীন যাত্রায় নামও জানেননি সেই আগন্তুকের। কিন্তু তারপরও ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি অমিতাভ।
এমন একটি নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখে মুগ্ধতা ঝরে পড়েছে নেটাগরিকদের কণ্ঠে। পাশাপাশি সতর্ক করেছেন উভয়কেই। হেলমেট না পরতেই কেউ কেউ বলে বসলেন, ‘দুজনেই হেলমেট ব্যবহার করুন। কখন বিপদ আসে বলা যায় না।’
মন্তব্য করুন


প্রথমবারের মতো বড়পর্দায় একসঙ্গে জুটি বাঁধতে চলেছেন ভিকি কৌশল ও সারা আলি খান। বেশ কয়েকবার শ্যুটিংয়ের একাধিক ঝলকও মিলেছে। কিন্তু ছবির নাম এতদিন ঘোষণা করা হয়নি। মাঝে শোনা গিয়েছিল এই ছবির নাম হতে পারে 'লুকা ছুপি ২'। তবে সামাজিক মাধ্যমে বহুপ্রতীক্ষিত এই ছবির নাম ঘোষণা করেছেন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। প্রকাশ্যে এসেছে ট্রেলার প্রকাশের তারিখও।
ছবির নাম ঘোষণা হয়েছে, ''জারা হাটকে জারা বাচকে''। আগামী ২ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি। ইতোমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবির নাম ও ফার্স্ট লুক টিজার শেয়ার করা হয়েছে।
রোববার ভিকি কৌশল একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে সারা আলি খান ও ভিকি কৌশলের নতুন ছবির একাধিক পোস্টার দেখা গেছে।
ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি লেখেন, 'রোম্যান্টিক? নাকি নাটকীয়? কী মনে হয় আপনার, কেমন হতে চলেছে আমাদের গল্প? ''জারা হাটকে জারা বাচকে'' ছবির ট্রেলার মুক্তি পাচ্ছে আগামীকাল। প্রেক্ষাগৃহে আসছে ২ জুন, ২০২৩।' এই ভিডিওয় ছবির
ছবিটি রোম্যান্টিক ঘরানার বলেই মনে করা হচ্ছে। ছবিটি ২ জুন মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে, আগামীকাল অর্থাৎ ১৫ মে প্রকাশ্যে আসবে ছবির ট্রেলার। সূত্র- এপিবি লাইভ
মন্তব্য করুন


কিছুদিন আগেই দ্বিতীয়বার মা হওয়ার খবর প্রকাশ্য়ে এনেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি। গেল সপ্তাহেই ছিমছামভাবে সম্পন্ন হয়েছে শুভশ্রীর সাধের অনুষ্ঠান।
কিন্তু তার মাঝে নিয়মিত জিমে যাচ্ছেন শুভশ্রী।
শেয়ার করছেন জিমের এক্সারসাইজের ভিডিও। সেই ভিডিও দেখেই নেটিজেনদের মধ্য়ে হইচই। অভিনেত্রীকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি নেটিজেনরা। সোজা সাপটা শুভশ্রীকে কেউ কেউ লেখেন, এই অবস্থায় জিম করে কি আপনি ঠিক করছেন? অনেকে আবার লেখেন, অন্যকে নকল করা ঠিক নয়।
২০২০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর শুভশ্রী-রাজ চক্রবর্তীর প্রথম সন্তান যুবানের জন্ম হয়। তারপর থেকেই বাবা-মায়ের নয়নের মণি একরত্তি। রাজ-শুভশ্রীও ছেলের নানা মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন।
দ্বিতীয়বার মা হওয়ার খবর জানিয়ে যুবানের উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ার একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন রাজ ও শুভশ্রী। ক্যাপশনে লিখেছিলেন, বড় দাদা হিসেবে যুবানের প্রমোশন হয়ে গেল।
নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে দীর্ঘদিন প্রেম করেছেন শুভশ্রী গাঙ্গুলি। এরপর ২০১৮ সালের ৬ মার্চ বাগদান সারেন শুভশ্রী-রাজ। একই বছরের ১১ মে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও সম্পন্ন করেন তারা।
মন্তব্য করুন


বিয়ে
করেছেন ‘হাবু ভাই’খ্যাত অভিনেতা চাষী আলম।
২৫
আগস্ট গত শুক্রবার ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’র
নির্মাতা ও অভিনেতারা। কিন্তু দেখা যায়নি
‘কাবিলা’খ্যাত অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশকে।
জানা
যায়, ৩ দিনের জন্য তাবলিগ জামাতে যাওয়ায় গিয়েছিলেন জিয়াউল
হক পলাশ। আর সেকারণে হাবু ভাইয়ের বিয়েতে উপস্থিত হতে পারেননি পলাশ।
একাধিক
ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা যায়, জিয়াউল হক
পলাশ ছোটবেলা থেকেই তাবলিগ জামাতে যান। মাঝে অনেক দিন দূরে ছিলেন। তবে গত ২৪ আগস্ট
তিনি ৩ দিনের জন্য তাবলিগ জামাতে যান। ইবাদত শেষে বাসায় ফেরেন ২৭ তারিখ।
এদিকে,
পলাশের তাবলিগ জামাতে অংশ নেওয়া একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইলার হয়েছে।
মন্তব্য করুন


অভিনেতা সিদ্ধার্থ
চন্দ্রশেখর মায়ের দ্বিতীয়বার বিয়ে দিলেন। সেই কথা সামাজিকমাধ্যমে গর্বের সঙ্গে
জানিয়েছেন এই মারাঠি অভিনেতা নিজেই। মারাঠি বিনোদন জগতের অতি পরিচিত নাম সিদ্ধার্থ
চন্দ্রশেখর। তার এমন ঘটনায় নেটিজেনরা প্রশংসার বন্যায় ভাসাচ্ছেন।গত বুধবার
সিদ্ধার্থ ইনস্টাগ্রামে এই ঘটনার কথা জানিয়েছেন।
মা সীমা চন্দ্রশেখরের
দ্বিতীয় বিয়ের ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘সেকেন্ড ইনিংস’-এর অভিনন্দন।
তার কথায়, ‘হ্যাপি
সেকেন্ড ইনিংস আই (মা)। আমার কখনও মনে হয়নি, তোমারও কাউকে দরকার। তোমার যে
সন্তানদের বাদ দিয়ে জীবন আছে, সে কথা টের পাইনি। তোমারও তো শুধুমাত্র নিজের জন্য
একটা জগত থাকা উচিৎ। আর কত দিন তুমি একা থাকবে?
এরপর অভিনেতা লেখেন,
তুমি এতদিন পর্যন্ত সকলের জন্য ভেবে গেছ। এবার সময় এসেছে, যখন তুমি নিজের কথাও
ভাববে এবং তোমার নতুন সঙ্গীর কথাও ভাববে। তোমার সন্তানরা সব সময়ে তোমার পাশে
থাকবে।
সিদ্ধার্থের ভাষ্য,
তুমি আমার বিয়ে দিয়েছিলে বিশাল আয়োজন করে। আর এবার আমার পালা তোমার জন্য একই জিনিস
করার। আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দদায়ক বিয়ের ঘটনা হল, আমার মায়ের বিয়ে। আমি তোমাকে
ভালোবাসি মা। হ্যাপি ম্যারেড লাইফ।
অনেকেই তার এই আচরণের
প্রশংসা করেছেন।
মন্তব্য করুন