

হিমু, কুমিল্লা:
নব্বই দশকের এক আবেগ ও ভালোবাসার নাম ‘সালমান শাহ্’। স্টাইলিশ এই অভিনেতাকে এখনো মিস্ করে তাঁর একনিষ্ঠ ভক্তকুলেরা। সালমান শাহ্ গত জেনারেশনে যেমন বেস্ট একজন ছিল, তেমনি বর্তমান ও আগামী কয়েক জেনারেশনেও বেস্ট এবং সুপার থাকবে। সালমানের মত কোনো বিকল্প সুদর্শন পুরুষ বাংলাদেশে আগে কোনোদিন আসেনি, বর্তমানেও নেই, নিঃসন্দেহে ভবিষ্যতেও আসবে না।
একজন শিল্পীর মৃত্যুর পর ধীরে ধীরে তার অনুসারীরা ভুলতে শুরু করেন। তবে ক্ষণজন্মা নায়ক সালমান শাহ্ এর ক্ষেত্রে সেটা একেবারে বিপরীত! অকালে চলে যাওয়ার ২৭ বছর পরেও সালমান শাহ্ এর জনপ্রিয়তা আজও আকাশচুম্বী। নায়ক হিসেবে মৃত্যুর ২৭ বছর পরেও এমন অর্জন বিশ্বের বুকে আর কারোও নেই।
স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ ভক্তদের মাঝে ফিরতে চলেছেন। সম্প্রতি প্রয়াত এই অভিনেতাকে নিয়ে এমনই এক চমকপ্রদ তথ্য জানান, রাজীব জাহান ফেরদৌস। তিনি বর্তমানের জনপ্রিয় ‘এআই’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রায়ই দেশ বিদেশের সিনেমার তারকাদের নতুন রূপে নিয়ে আসেন ভার্চুয়াল জগতে।
সংবাদ মাধ্যম অনুযায়ী, রবিবার ( ২৭ আগস্ট ২০২৩ইং) রাতে রাজীব জাহান ফেরদৌস তার ফেসবুক আইডিতে সালমান শাহ্ এর ছবি পোস্ট করে রাজীব লিখেছেন, প্রস্তুত হও, বাংলাদেশ! অতুলনীয় ফ্যাশন আইকন একটি গৌরবময় প্রত্যাবর্তন করছেন! মিডজার্নি এআই-এর জাদুতে তৈরি সম্পূর্ণ সিরিজ ড্রপের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন। সাথে থাকুন!
সালমান শাহ্ এর নতুন লুকের ছবি দেখে অবাক হয়েছেন নেটিজেনরা। দেশের তো নয়ই, বিদেশি কোনো নায়কের সৌন্দর্যকেও হার মানিয়ে দিয়েছে সালমান শাহ্ এর সে ছবি।
রাজীবের সে ফেসবুক পোস্টের কমেন্ট বক্সে একজন লিখেছেন, বাংলাদেশের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ হ্যান্ডসাম পুরুষ। এরপরই তিনি জুরে দিয়েছেন ভালোবাসার প্রতীকের চিহ্ন। আরেকজন লিখেছেন, চিত্রজগতে আপনার তুলনা শুধুই আপনি, স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ তখনো - এখনো সব স্থানে অতুলনীয়।
তাঁর মৃত্যুতে এ দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের যে ক্ষতি হয়েছে, তা আজও পূরণ হয়নি। এই দেশে চলচ্চিত্র প্রেমীরা যত দিন বেঁচে থাকবে, সালমান শাহ্ তত দিন বেচে থাকবেন তাদের হৃদয়ে।
আমরা যখন কোন সিনেমার গান শুনি তখন বলি এই গানের শিল্পী নাম এন্ড্রু কিশোর, কনক চাঁপা, রুনা লায়লা সাবিনা ইয়াসমিন ইত্যাদি। কিন্তু আমরা যখন সালমান শাহ্ এর সিনেমার কোন গান শুনি অবলীলায় তখন বলে ফেলি, "আরেহ এইটা তো সালমান শাহ্ এর গান"।
দেখতে দেখেতে ২৭ বছর পেরিয়ে গেলো সালমান নেই। ১৯৯৬ সালের ৬ -ই সেপ্টেম্বর সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান সালমান শাহ্।
মৃত্যুর দুই যুগ পরও চলচ্চিত্রের মানুষেরা আফসোস করে বলেন, "আজও সালমান শাহ্ এর শূন্যস্থান কেউ পূরণ করতে পারেননি।"
৯০ এর দশকে চলচ্চিত্রে সালমান শাহ্ এর আবির্ভাব তারুণ্যের উচ্ছ্বাস তৈরি করেছিল। ভক্তদের পাশাপাশি চলচ্চিত্রের মানুষরাও তার স্মৃতিগুলো এখনও লালন করেন। তিনি বেঁচে থাকলে হয়তো চলচ্চিত্র মাধ্যমটি আরও বর্ণিল করতে পারতেন।
সালমান শাহ্ এর অভিনয় একটা প্রজন্মের কাছে আইডলে পরিণত হয়েছিলেন সালমান শাহ্ নামের সেই পরশ পাথর, যার ছোঁয়ায় বাংলা চলচ্চিত্রে বিপ্লব ঘটেছিল।
তিনি আমাদের চলচ্চিত্রের এমন ধ্রুবতারা যিনি দূর আকাশে অবস্থান করেও আলোকিত করেন মানুষের হৃদয়। সালমানের মৃত্যুদিন এলে তাই স্বভাবতই আমাদের মন খারাপ হয়ে যায়। আবার এই ভেবে ভালো লাগে যে সালমান শাহ্ স্বল্পায়ু হলেও অন্তত বাংলাদেশে জন্মেছিলেন সেটাই আমাদের সৌভাগ্য।
প্রিয় নায়ক সালমান শাহ্কে স্মরণ করছি বিনম্র শ্রদ্ধায়। যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন আমাদের সবার প্রিয় ‘সালমান শাহ্’।
মন্তব্য করুন


রাঘব-পরিণীতির প্রেম ছিল অনেকটাই ওপেন সিক্রেট। দুজন দুজনের প্রেমে মজলেও তা একটিবারও মুখ ফুটে স্বীকার করেননি। অবশেষে আংটি বদল হতেই প্রকাশ্যে আসে তাদের সম্পর্কটি। বাগদানের পর তাদের প্রেম নিয়ে মুখ খুললেন পরিণীতি।
সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে পরিণীতি লেখেন, আমাদের সম্পর্ক ও বাগদান নিয়ে যেভাবে ইতিবাচক মনোভাব ছিল সবার, তা দেখে সত্য়িই আপ্লুত আমি ও রাধব। আপনাদের এরকম সঙ্গে থাকা আমাদের শক্তি দিয়েছে। অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
‘আমাদের দুজনের পৃথিবীটা সম্পূর্ণ আলাদা। একেবারে বিপরীতধর্মী কর্মক্ষেত্র থেকে এসেছি। তবে আমাদের সম্পর্ক খুব অটুট। আর এই কারণেই খুব বড় পরিবারকে পেয়েছি আমরা। যা কিনা আমাদের সম্পর্কের ভিত।’
পোস্টে আত্মীয়-পরিজন, সহকর্মী ও বিশেষ করে সংবাদমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানান অভিনেত্রী।
মন্তব্য করুন


লম্বা দাড়ির জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করলেন এরিন হানিকাট নামের এক তরুণী। ৩৮ বছর বয়সী এই তরুণী আমেরিকার মিচিগান শহরের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা দাড়িওয়ালা নারী।
১৩ বছর বয়সে প্রথমবার শারীরিক তথা সামাজিক অস্বস্তির মধ্যে পড়েন এরিন। যেহেতু কিশোরীর মুখে ‘ছেলেদের মতো’ দাড়ি গজাতে শুরু করে। শুরুতে নিয়মিত মুখের পশম তুলে ফেলতেন এরিন। ওয়াক্সিং করতেন, হেয়ার রিমুভাল লোশনও ব্যবহার করতেন। কিন্তু একবার উচ্চ রক্তচাপের কারণে চোখে স্ট্রোক হয় তার। এর পরেই দাড়ি কাটা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন। ফলে দিনে দিনে এরিনের দাড়ির দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকে। এমনকি তা পুরনো গিনেস রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।
প্রায় ১ ফুট লম্বা দাড়ি এরিনের। সঠিক হিসাবে দিলে ১১.৮ ইঞ্চি। তিনি ৭৫ বছরের ভিভিয়ান হুইলারের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। ভিভিয়ানের দাড়ির দৈর্ঘ্য ১০.০৪ ইঞ্চি। অর্থাৎ এরিনের দাড়ি ১.৪ ইঞ্চি বেশি লম্বা। সেই কারণেই নতুন গিনেস রেকর্ডের মালিক হলেন তিনি।
এরিন জানিয়েছেন, পরিবার পাশে থাকাতেই সেসব কটাক্ষকে অতিক্রম করতে পেরেছেন তিনি। আমি আমাকে নিয়ে খুশি।
সূত্র : এনডিটিভি, দ্য গার্ডিয়া
মন্তব্য করুন


বয়স ৭৩ বছর। কিন্তু সিনেমায় তার চালচলন যেনো ২৫ বছরের নায়কদেরও হার মানায়। যেকোনো ইয়াং সুপারস্টারের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এখনো তিনি এগিয়ে থাকছেন তিনি রজনীকান্ত। দক্ষিণী সিনেমার শক্তিমান সুপারস্টার ।
গত বছর তার অভিনীত ‘জেলার’ চলচ্চিত্র দিয়ে পেয়েছেন তুমুল সাফল্য। বছরের শীর্ষ আয় করা সিনেমার তালিকায় জায়গা করে নেয় তার ওই ছবি। এ বছরও চমকে দেওয়ার অপেক্ষায় তিনি। বছর শুরুতেই নিজের মেয়ের পরিচালনায় পর্দায় আসছেন এই সুপারস্টার। তার অভিনীত‘লাল সালাম’ এই শুক্রবার মুক্তি পাবে।
মেয়ে ঐশ্বরিয়ার পরিচালনায় ‘লাল সালাম’ নিয়ে ইতোমধ্যেই আলোচনায় রয়েছেন রজনীকান্ত। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন তাঁর পারিশ্রমিক নিয়ে। শোনা যাচ্ছে, সিনেমাটির জন্য বিপুল পরিমাণে পারিশ্রমিক নিয়েছেন অভিনেতা।
ভারতীয় বিনোদন মাধ্যম কইমই ডটকম অনুসারে, লাল সালামে রজনীকে তাঁর বর্ধিত ক্যামিওর জন্য মোটা অঙ্কের অর্থ প্রদান করা হয়েছে। ট্র্যাক টলিউডের প্রতিবেদন অনুসারে, সিনেমাটিতে অভিনেতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যামিও রয়েছে এবং তাঁর স্ক্রিন টাইম ৩০ থেকে ৪০ মিনিট। আর এ জন্য তিনি ৪০ কোটি রুপি চার্জ করেছেন।
অর্থাৎ প্রতি মিনিটে ১ কোটি রুপি নিয়েছেন অভিনেতা যা একটি নতুন রেকর্ড। দীর্ঘ ৯ বছর পর পরিচালনায় ফিরেছেন ঐশ্বরিয়া রজনীকান্ত। তাই মেয়ের সিনেমায় বিশেষ ক্যামিওর প্রস্তাব ফেরাতে পারেননি রজনীকান্ত। আর রজনীকে ঘিরেই সিনেমাটি এখন তুমুল হাইপ তৈরি করেছে। লাল সালামে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিষ্ণু বিশাল এবং বিক্রান্ত এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন এ আর রহমান।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী ও মডেল রিশতা লাবণী সীমানা (৩৯) মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল ৬টায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। গণমাধ্যমকে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন সীমানার ছোট ভাই এজাজ বিন আলী। ৩৯ বছর বয়সে শেষ হলো অভিনেত্রীর পথচলা।
গত ২১ মে রাতে আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী সীমানা। সে রাতেই ধানমন্ডির এক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। সেখানেই তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের বিষয়টি জানা যায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য পরদিন ঢাকার আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। সেখানে অস্ত্রোপচার হয় অভিনেত্রীর। এরপর সীমানার চিকিৎসা চলছিল ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে। শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি না হওয়ায় লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল তাকে।
অভিনেত্রী সীমানা দুই সন্তানের মা। বড় ছেলের নাম শ্রেষ্ঠ। ছোট সন্তান স্বর্গের বয়স তিন। ২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিনোদন অঙ্গনে কাজ শুরু করেন সীমানা।
মন্তব্য করুন


বলিউড অভিনেতা রণিত রায় ২০তম বিবাহবার্ষিকী স্মরণীয় করে রাখতে নিজের স্ত্রীকেই ফের বিয়ে করেছেন।
বর সেজে স্ত্রী নীলমকে নববধূ সাজিয়ে গোয়ার একটি মন্দিরে সেরেছেন তাদের বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা।
সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে বিয়ের ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন এই অভিনেতা। অভিনেতা রণিত রায় ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমাকে বিয়ে করবে? আবারও?’ আরেকটি ভিডিওর ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুধু দ্বিতীয়বার কেন, হাজারবার তোমাকেই বিয়ে করব। ২০তম বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা আমার ভালোবাসা।’
ভিডিওতে বিয়ের সকল নিয়ম-কানুন পালন করতে দেখা গেছে এই দম্পতিকে। যেখানে নতুন করে আবারও সাত পাকে ঘুরেছেন তারা। বিয়েতে রণিত রায় এর পরনে ছিল সাদা শেরওয়ানি ও লাল ওড়না। অন্যদিকে রণিত রায় এর স্ত্রীর পরণে লাল রঙের লেহেঙ্গা।
রণিত রায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন বলিউডে। তবে ‘আদালত’ নামের একটি সিরিয়াল তাকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এনে দেয় ভারতজুড়ে। সেখানে ‘কেডি পাঠক’ চরিত্রে পরিচিতি পান তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর অভিনেত্রী-মডেল নীলম সিংয়ের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন রণিত রায়।
মন্তব্য করুন


৩০ জুন আজ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে শুভ কামনা জানিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন নায়ক শাকিব খান।
স্ট্যাটাসে নায়ক শাকিব খান লেখেন, এই ঈদে অপু–জয় প্রোডাকশন হাউজের প্রথম চলচ্চিত্র ‘লাল শাড়ি’ মুক্তি পেয়েছে। আমার সন্তান জয়ের নামের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের প্রথম চলচ্চিত্র এটি। বাবা হিসেবে সন্তানের নামের কারণে চলচ্চিত্রটির প্রতি আমার অন্যরকম এক আবেগ কাজ করছে। তাই এই ঈদ উৎসবে পরিবার–পরিজন সবাইকে নিয়ে ‘প্রিয়তমা’র পাশাপাশি ‘লাল শাড়ি’ দেখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


বিমানে
উড়তে গিয়ে মাঝপথে আকাশে হয়েছিল বিপত্তি। মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরলেন ভারতের দক্ষিণী
সিনেমার নায়িকা রাশমিকা মান্দানা। অভিনেত্রী রাশমিকা নিজেই জানিয়েছেন এই চাঞ্চল্যকর
খবর।
নিজের
ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ২টি ছবির কোলাজ পোস্ট করেছেন রাশমিকা মান্দানা। একটিতে তার সঙ্গে
দেখা যাচ্ছে শ্রদ্ধা দাসকে। হাসিমুখেই ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন ২ নায়িকা। এই ছবির
নিচেই আবার আরেকটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ২জনের পা সামনের সিটে ঠেকানো। যেন সেখানে পা
রেখেই নিজেদের ভারসাম্য বজায় রেখেছিলেন তারা।
এমন
ছবিতেই রাশমিকা লেখেন, আপনাদের জানিয়ে রাখি, আজ আমরা মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলাম…।
জানা
যায়, মুম্বাই থেকে হায়দরাবাদে যাচ্ছিলেন রাশমিকারা। ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দর থেকে সবে মাত্র তাদের বিমান ছেড়েছিল। হঠাৎ ফ্লাইটে কিছু সমস্যা দেখা দেয়।
প্রায় ৩০ মিনিট পরে আবার বিমানবন্দরে ফ্লাইট ফিরিয়ে আনা হয়। পুরো এই সময়টায় বেশ উদ্বিগ্ন
ছিলেন যাত্রীরা। কিন্তু নিরাপদে বিমানবন্দরে ফিরেই হাসি ছড়িয়ে যায় রাশমিকা-শ্রদ্ধার
মুখে।
যে
সংস্থার বিমানে রাশমিকা-শ্রদ্ধা যাচ্ছিলেন সেই সংস্থার মুখপাত্র জানান, বিমান ওড়ার
কিছুক্ষণের মধ্যেই টেকনিক্যাল সমস্যা দেখা দেয়। আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবেই তা
ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


এক নজর দেখে বোঝার উপায় নেই তিনি যে সুপারস্টার শাকিব খান। যা দেখে রীতিমতো বিস্মিত দর্শকরা।
২০ জুন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শাকিবের আসন্ন সিনেমা প্রিয়তমার লুক প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে দেখা গেছে, চেহারায় স্পষ্ট বয়স্ক ছাপ, মুখ ও শরীরের চামড়ায় ভাঁজ পড়ে গেছে। সাদা পাকা লম্বা চুল। সাদা পায়জামা পাঞ্জাবি পরে বসে আছেন এক বৃদ্ধ। জীবন সায়হ্নে এসে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে কী যেন খুঁজছেন ৮০ বছর বয়সী এই বৃদ্ধ।
কেউ কেউ জানান, এ সিনেমার নায়িকা ইধিকা পালের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে শাকিব খান বৃদ্ধ হয়ে গেছেন । তবে কার অপেক্ষায় রয়েছেন শাকিব তা জানতে হলে প্রেক্ষাগৃহে যেতে হবে বলে জানিয়েছেন সিনেমাটির নির্মাতা হিমেল আশরাফ।
প্রিয়তমা যৌথভাবে চিত্রনাট্য ও সংলাপ করেছেন ফারুক হোসেন ও হিমেল আশরাফ। শাকিব ছাড়া আরো অভিনয় করছেন কলকাতার ইধিকা পাল, কাজী হায়াৎ, শহীদুজ্জামান সেলিম, এলিনা শাম্মী, ডন, সহীদ নবী সহ আরো অনেকে।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী সাবিলা নূরকে দেখে চেনার উপায় নেই! গায়ের রঙ খুব কালো। মুখটা ফ্যাকাশে।
‘বিদিশা’নামের একটি নাটকে কালো মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। নারী দিবসকে সামনে রেখে তৈরি হয়েছে এটি।
‘বিদিশা’র চিত্রনাট্য সাজিয়েছেন ও পরিচালনা করেছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। তিনি বলেন, সাবিলা নূরকে নতুন আঙ্গিকে দেখে দর্শকেরা চমকে যাবেন। অনেকদিন মনে রাখার মতো অভিনয় করেছেন তিনি। নারী দিবসে নাটকটির মাধ্যমে নারীর সংগ্রাম ও বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলতে চেয়েছি।
সাবিলা নূরের পাশাপাশি নাটকটিতে অভিনয় করেছেন শামীমা নাজনীন, সমু চৌধুরী, এরফান মৃধা শিবলু, অতিথি ইসরাতসহ অনেকে। সম্প্রতি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে এর চিত্রায়ন হয়েছে।
‘বিদিশা’ গল্পটি লিখেছেন আবুল বাশার পিয়াস। চিত্রগ্রহণ করেছেন ফুয়াদ বিন আলমগীর। সংগীত পরিচালনায় শাহরিয়ার মার্সেল।
আগামী ৮ মার্চ নারী দিবসে ইউটিউবে সিনেমাওয়ালা চ্যানেলে মুক্তি পাবে নাটকটি।
মন্তব্য করুন