

অভিনয়ের তুলনায় ব্যতিক্রমধর্মী ফ্যাশন ও বোল্ড লুকের জন্য বেশি আলোচনায় বলিউডের আলোচিত অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলা।
পারিশ্রমিকের বিষয়ে এবার অভিনেত্রী আলোচনায় এলেন।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবর থেকে জানা যায়, চলতি বছরের শেষের দিকে মুক্তি পাবে তেলেগু অভিনেতা রাম পথিনেনির আসন্ন সিনেমা। বোয়াপাতি শ্রীনু পরিচালিত এই সিনেমার আইটেম গানে অংশ নিয়েছেন উর্বশী। এই তিন মিনিটের আইটেম গানে পারফরম্যান্স করতে ৩ কোটি রুপি পারিশ্রমিক চেয়েছেন উর্বশী। অর্থাৎ প্রতি মিনিটে তার পারিশ্রমিক ১ কোটি রুপি।
এর আগে দক্ষিণী সিনেমার মেগাস্টার চিরঞ্জীবীর ‘ওয়াল্টেয়ার ভিরাইয়া’ সিনেমায় নেচে ছিলেন উর্বশী। এর জন্য ২ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন তিনি। ভারতের আলোচিত সিনেমা ‘পুষ্পা ২’র আইটেম গানেও তাকে দেখা যাবে।
মন্তব্য করুন


‘মিস
ইউনিভার্স ইন্ডিয়া-২০২৩’ জয়ী হয়েছেন শ্বেতা
সারদা।
২৭ আগস্ট
রোববার মুম্বাইয়ে একটি জমকালো অনুষ্ঠানের
মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয়েছে
মিস ইউনিভার্স মঞ্চের এই ভারতীয় প্রতিনিধিকে।
গতবারের
বিজয়ী দিভিতা রায় শ্বেতাকে মুকুট পরিয়ে দিয়েছেন। ৭২তম মিস ইউনিভার্সে
ভারতের হয়ে অংশগ্রহণ করবেন
শ্বেতা সারদা। তিনি ভারতের চণ্ডীগড়ে বাস করেন। তার
বয়স ২২ বছর।
এই বিউটি পেজেন্টে অংশগ্রহণের আগে একাধিক রিয়েলিটি
শোতে অংশ নিয়েছেন শ্বেতা।
অনুষ্ঠানে ‘মিস ডিভা সুপার
ন্যাশনাল-২০২৩’ এর খেতাব লাভ
করেন দিল্লির মেয়ে সোনাল কুকরেজা।
রানার আপ হয়েছেন কর্ণাটকের
তৃষা শেঠি।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব মা দিবসে অনুষ্ঠিত এক আয়োজনে অঝোরে কাঁদলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী।
সন্তানদের কৃতিত্বের জন্য বিশ্ব মা দিবসে শোবিজ ও বিভিন্ন অঙ্গনের ১১ রত্নগর্ভাকে ‘গরবিনী মা’ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
রোববার (১২ মে) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
এদিন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর মা গাজালা চৌধুরীকেও পুরস্কৃত করা হয়।
এসময় নিজের মাকে সম্মানিত হতে দেখে অঝোরে কাঁদতে থাকেন মেহজাবীন। এরপর মাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন মেহজাবীন।
অভিনেত্রী মেহজাবীন বলেন, নিজের কাজের জন্য মাকে সম্মানিত হতে দেখার আনন্দটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আমার মনে হয়, প্রত্যেকটা সন্তানই যখন তার মা সম্পর্কে কথা বলতে যায় তখন সবার চোখেই পানি চলে আসে। আজকে আমার যে অবস্থান তার পেছনে আমার মায়ের অবদান অনেক। আমাকে এখানে আসতে সহযোগিতা করতে গিয়ে মা যে কতটা ত্যাগ করেছেন সেটা হয়ত আমি এখানে বলতে পারব না! সেই ত্যাগের কথা বলে তাকে ছোট করতে চাই না এই মঞ্চে।
মন্তব্য করুন


গতকাল
(৩ ডিসেম্বর) বিয়ে করলেন অভিনেতা আমির খানের মেয়ে ইরা খান ও তার জিম ট্রেনার প্রেমিক
নূপুর শিখরে। মুম্বাইয়েই বসেছিল তাদের বিয়ের আসর।
আমিরের
প্রথম স্ত্রী রিনার বাড়িতেই পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে ৪ হাত এক হলো। ইরা
বিয়েতে সাবেকি সাজই বেছে নিয়েছিলেন।
যদিও
আর ৫জন কনের মতো লেহেঙ্গা বা শাড়ি পরেননি আমিরকন্যা। ইরার পরনে ছিল নীল ও গোলাপির
কম্বিনেশনে তৈরি ডিজাইনার পোশাক।
তবে
ইরার স্বামী নূপুর শিখরের সাজে ছিল অন্য চমক। শেরওয়ানি, পঞ্জাবি নয় কালো রঙের গেঞ্জি
ও সাদা হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের মঞ্চে এসে উঠলেন জামাই!
ইরা
ও নূপুরের বিয়ের ছবি ও ভিডিয়ো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হতেই নূপুরের সাজপোশাক
নিয়ে শুরু হয়ে গেছে আলোচনা। নূপুরের এই সাজ দেখে অবাক সবাই। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে
পারে, কেন কালো টি-শার্ট আর হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের আসরে এসেছিলেন বর। আসলে প্রায় ৮ কিলোমিটার
দৌড়ে ইরাকে বিয়ে করতে আসেন নুপূর। রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়েছে তাদের। আর স্বাক্ষর করার
সময় স্যান্ডো গেঞ্জিই পরে ছিলেন নুপূর।
আপাতত
রেজিস্ট্রি করেই বিয়ে করেছেন এই জুটি। আগামী ৮ জানুয়ারি উদয়পুরে হবে জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠান।
মন্তব্য করুন


স্কুলে পড়ার বয়সেই কাড়ি কাড়ি অর্থ কামাই করছে খুদে মডেল সিতারা। । সম্প্রতি একটি জুয়েলারি হাউসের বিজ্ঞাপনের জন্য ১ কোটি রুপি নিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছে সে। তার নামেই লঞ্চ করেছে তাদের নতুন কালেকশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা ১ কোটি ৩০ লাখ
জি ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,জুয়েলারি হাউসের গয়নার নতুন কালেকশনের নাম ‘সিতারা কালেকশন’। সেই গয়নার কালেকশনের বিজ্ঞাপনের মডেলও শুট করেছে সিতারা।
জানা যায়, সিতারাই প্রথম মডেল, যে মাত্র ১১ বছর বয়সে স্থান পেয়েছে টাইমস স্কোয়ারের বিলবোর্ডে। মেয়ের এই সাফল্যে আনন্দে আত্মহারা সুপারস্টার বাবা ও অভিনেত্রী মা।
প্রসঙ্গত, সিতারা দক্ষিণের সুপারস্টার মহেশবাবু ও নব্বইয়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নম্রতা শিরোদকরের মেয়ে। মেয়ের সাফল্যগাঁথা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন গর্বিত বাবা-মা। এই বয়সেই নামের মতোই তারকা বনে গেছে সিতারা।
সূত্র : জি ইন্ডিয়া
মন্তব্য করুন


চিত্রনায়িকা পূজা চেরির মা ঝর্ণা রায় এ বছরের ২৪ মার্চ সকালে মিরপুরের নিজ বাসায় মৃত্যুবরণ করেন। অভিনেত্রী পূজা চেরি মাকে হারানোর বেদনা এখনও সামলাতে পারেননি।
আজ মা দিবস। জীবনের প্রথম মাকে এছাড়া দিবসটি পালন করতে হচ্ছে। তাই মায়ের মুখটাই বেশি মনে পরছে পূজার।
সামাজিকমাধ্যমে পূজা লেখেন, মামুনি দেখেছো? তুমি কি পচা কাজ করেছো। সকালে ঘুম থেকে উঠেই অঝরে চোখ থেকে জল পরতে দিলে! সারাজীবনই তো এই জল পরবে মা। কি করে থামাবো? উফ খুব কষ্ট হচ্ছে মামুনি। আর লিখতে পারছি না। বুকটা ফেটে যাচ্ছে। ভালো থেকো মামুনি। আর মনে রেখো, তোমার হাতে লাঠিটা অনেক মিস করে। অনেক অনেক অনেক। ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল মা।
অন্য একটি পোস্টে পূজা লেখেন, আমি তো এতো ভেঙ্গে পরার মতো মেয়ে না। তবে আজকে কেনো এতো ভেঙ্গে পরছি!
এছাড়া ‘বিশ্ব মা দিবস’ উপলক্ষে দেশের একটি গণমাধ্যমে মাকে নিয়ে পূজা বলেন, মায়ের ডানায় নিজেকে সবচেয়ে নিরাপদ ভাবতাম আমি। আমাদের বয়সের পার্থক্য অনেক। তবুও ছিলাম বন্ধু আমরা। আমি যেমন মাকে বিশ্বাস করতাম, মাও বিশ্বাস করতেন আমাকে। সারাক্ষণ আমার আশপাশেই থাকতেন। প্রায়ই বলতেন, পূজা আমার হাতের লাঠি, আমার শক্তি। আমার মন এখনও পুরোপুরি বিশ্বাস করতে চায় না যে, আমার মা আর নেই। মনে হয় আমার সঙ্গেই আছেন মা।
মন্তব্য করুন


বলিউড অভিনেতা রণিত রায় ২০তম বিবাহবার্ষিকী স্মরণীয় করে রাখতে নিজের স্ত্রীকেই ফের বিয়ে করেছেন।
বর সেজে স্ত্রী নীলমকে নববধূ সাজিয়ে গোয়ার একটি মন্দিরে সেরেছেন তাদের বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা।
সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে বিয়ের ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন এই অভিনেতা। অভিনেতা রণিত রায় ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমাকে বিয়ে করবে? আবারও?’ আরেকটি ভিডিওর ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুধু দ্বিতীয়বার কেন, হাজারবার তোমাকেই বিয়ে করব। ২০তম বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা আমার ভালোবাসা।’
ভিডিওতে বিয়ের সকল নিয়ম-কানুন পালন করতে দেখা গেছে এই দম্পতিকে। যেখানে নতুন করে আবারও সাত পাকে ঘুরেছেন তারা। বিয়েতে রণিত রায় এর পরনে ছিল সাদা শেরওয়ানি ও লাল ওড়না। অন্যদিকে রণিত রায় এর স্ত্রীর পরণে লাল রঙের লেহেঙ্গা।
রণিত রায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন বলিউডে। তবে ‘আদালত’ নামের একটি সিরিয়াল তাকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এনে দেয় ভারতজুড়ে। সেখানে ‘কেডি পাঠক’ চরিত্রে পরিচিতি পান তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর অভিনেত্রী-মডেল নীলম সিংয়ের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন রণিত রায়।
মন্তব্য করুন


পৌষ
মাসের শেষ দিন পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের সাকরাইন উৎসবে মেতে ওঠার দিন। এ উৎসবের মূল
আকর্ষণ ঘুড়ি উড়ানো।
রবিবার
(১৪ জানুয়ারি) পৌষের শেষ দিন। ঐতিহ্যের আলোয় পৌষের শেষদিনকে রঙিন করতে মাতোয়ারা পুরান
ঢাকাবাসী। তাই উৎসব ঘিরে পুরান ঢাকার অলিগলিতে চলছে ঘুড়ি বেচাকেনার উৎসব। শিশু, তরুণ,
বৃদ্ধরা কিনছেন ঘুড়ি, নাটাই, সুতা। চলছে সুতায় মাঞ্জা দেওয়ার কাজ। পুরান ঢাকায় চলছে
ঘুড়ি বেচাকেনার ধুম। দোকানে দোকানে হরেক রকমের ঘুড়ি সাজিয়ে রাখা হয়েছে। রঙ-বেরঙের ঘুড়ি
আর নাটাই-সুতা সারি সারি করে সাজিয়ে রেখেছেন দোকানিরা। বাজারে বিভিন্ন নামের ঘুড়ি পাওয়া
যাচ্ছে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম- চোখদার, চশমাদার, কাউটাদার, লাভবার্ড, পঙ্খিরাজ, প্রজাপতি,
চক্ষুদার, ঈগল, সাদাঘুড়ি, চার বোয়া, দুই বোয়া, টেক্কা, লাভঘুড়ি, তিন টেক্কা, মালাদার,
দাবা ঘুড়ি, বাদুড়, চিল, অ্যাংগ্রি বার্ডস হরেক রঙের ঘুড়ি। এসব নাটাই মিলবে ৫০০ থেকে
তিন হাজার টাকার মধ্যে। সেসব সুতার মধ্যে রক সুতা, ডাবল ড্রাগন, কিংকোবরা, ক্লাক ডেবিল,
ব্লাক গান, ডাবল গান, সম্রাট, ডাবল ব্লেট, মানজা, বর্ধমান, লালগান ও টাইগার অন্যতম।
জানা
যায়, রবিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে ঐতিহ্যবাহী উৎসব সাকরাইন শুরু হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা
পর্যন্ত ঘুড়ি ওড়ানোর পাশাপাশি বাড়িতে বাড়িতে চলবে পিঠাপুলির উৎসব।
মন্তব্য করুন


বলিউডের দর্শকপ্রিয়
অভিনেত্রী জেরিন খান ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে
তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভর্তি হওয়ার বিষয়টি
জেরিন খান প্রকাশ করেছেন।
জানা যায়, জেরিন খান হাসপাতালে ভর্তি হলেও তার অবস্থা স্থিতিশীল। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নিজের হাতের একটি ছবি শেয়ার করেছেন জেরিন খান। ছবিতে দেখা গেছে হাতে স্যালাইন চলছে তার।
এ ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
শেয়ার করে হ্যাশট্যাগ দিয়ে জেরিন লিখেছেন, ‘লাইফ আপডেট’। সম্প্রতি মুম্বাইয়ে
ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে।
২০১০ সালে ‘বীর’
সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক ঘটে জেরিন খানের।
মন্তব্য করুন


২০১৪ সালে
লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার সুন্দরী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজে পথচলা শুরু হয়
নাজিফা তুষি। ক্যারিয়ারে বেশি কাজ না করলেও বারবার আলোচনায় উঠে এসেছেন নাজিফা
তুষি। ২০২২ সালের আলোচিত সিনেমা ‘হাওয়া’র সফলতা ক্যারিয়ারে অনেকটা এগিয়ে দিয়েছে। ২৯
জুলাই ২০২২ সালে ‘হাওয়া’ সিনেমাটি মুক্তি পায়। এখনও সিনেমাটি চলছে দেশ- বিদেশি
ওটিটি মাধ্যমে। সিনেমাটি ভারতীয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম সনি লিভে মুক্তি পেয়েছে।
বাংলা, হিন্দি, তেলেগু, তামিল ও মালয়ালাম ৫ টি ভাষায় দেখা যাচ্ছে সিনেমাটি।
বিষয়টি নিয়ে ‘হাওয়া’র
নায়িকা নাজিফা তুষির ভাষ্য, এটা খুবই ভালো লাগার বিষয়। প্রথম যখন দেখলাম আমার মুখে
কথা তামিল বা অন্য ভাষায় ডাবিং করা হয়েছে, বিষয়টি মজাই লেখেছে।
হাওয়া সনি লিভে মুক্তি
পাওয়ার পর থেকেই ভারতের কলকাতা ও মুম্বাই থেকে কাজের অফার পাচ্ছে তুষি। তার ভাষ্য,
যেখানেই কাজ করি না কেন কোয়ালিটি কাজের ক্ষেত্রে এক চুলও ছাড় দিতে চাই না আমি।
নাজিফা তুষি বলেন, আমি
কাজের মানের দিকে সব সময়ই নজর রাখি। আমার ক্যারিয়ারে অনেক কাজ করিনি, কয়েকটি
চরিত্রে অভিনয় করেছি। সংখ্যার চেয়ে কোয়ালিটির দিকে মনযোগী ছিলাম।
মন্তব্য করুন


হিমু, কুমিল্লা:
ভালোবাসার আরেক নাম আমাদের সালমান শাহ্ । স্বপ্নের নায়ক "সালমান শাহ্"এর মৃত্যুর ২৭ বছর পূর্ণ হলো আজ ৬ সেপ্টেম্বর। সালমান শাহ্ এর মৃত্যু বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা। দেখতে দেখেতে ২৭ বছর পেরিয়ে গেলো সালমান নেই। ১৯৯৬ সালের আজকের এই দিনে সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান সালমান শাহ্। সালমানের মতো অভিনেতার অকাল মৃত্যু সত্যিই আমাদের জন্য অনেক বেদনার, অনেক কষ্টের।
বাংলাদেশের রোমান্টিক চলচ্চিত্রের ধ্রুবতারা, অমর কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহ্ আমাদের চলচ্চিত্র জগতে নুতন এক স্পন্দন জাগিয়ে তুলতে পেরেছিলেন।
আজও অবধি সিনেমাপ্রেমীদের অন্তরে দীর্ঘশ্বাসের সাথে উচ্চারিত হয় সালমান শাহ্ এর নাম । কেননা সালমান শাহ্ পরবর্তী সময়ে যারা চলচ্চিত্রে নায়ক হওয়ার জন্য এসেছেন তারা প্রত্যেকেই বলেছেন, এখনো - সালমান শাহ্ -ই ছিলেন তাদের অনুপ্রেরণার প্রধান উৎস।
আমাদের চলচ্চিত্র জগতের স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ যুগ যুগ বেঁচে থাকবেন চলচ্চিত্র প্রেমিদের হৃদয়ে। তার প্রকৃত নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। আমাদের রুপালি পর্দায় তিনি সালমান শাহ্ নামেই পরিচিত।
জনপ্রিয় একটি হিন্দি সিনেমার অফিশিয়াল রিমেক ছিল 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত'। সোহানুর রহমান সোহানের হাত ধরে ১৯৯২ সালে 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত' সিনেমার মাধ্যমে ধূমকেতুর মতোই নায়ক রূপে ঢালিউড চলচ্চিত্র জগতে উদিত হয়েছেন সালমান শাহ্।
এ সিনেমা মুক্তির পর রাতারাতি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেন সালমান শাহ্ । এরপরে আর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক নুতন ছবিতে অভিনয় করে চলচ্চিত্রের জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। সালমানের এই অভিযাত্রা ছিল যেন " এলাম, পা- রাখলাম, জয় করলাম এর মতো।
পর্দায় সালমান শাহ্ এর উপস্থিতি, পোশাক-পরিচ্ছেদ, সংলাপ বলার ধরন, হাঁটা কিংবা অভিনয় দক্ষতা সবকিছু মিলিয়ে দর্শকের মনে স্থান করে নিতে এতোটুকু সময় লাগেনি এ স্বপ্নের নায়কের। সালমান শাহ্ খুব তাড়াতাড়ি হয়ে উঠেছিলেন বাংলাদেশের তরুণদের ফ্যাশন আইকন।
বাংলা সিনেমার মাধ্যমে সালমান শাহ্ যে স্টাইল তৈরি করে গেছেন, এখন পর্যন্ত সেটা থেকে কেউ বের হতে পারেনি।
সালমান শাহ্ এর মাথায় রুমাল কিংবা চোখে গোল কালো ফ্রেমের চশমা। বড় শার্ট গিট্টু দিয়ে বেধে রাখা, মাথায় গামছা বাঁধা কিংবা তার স্টাইলিশ টুপি। যুগ যুগ দর্শক তা মনে রাখবে। টি শার্ট, সামনের দিকে ইন করে রাখলেও, পিছনের দিকে একটু খুলে রাখা, দাঁত দিয়ে নখ কাঁটা, চারকোণা সানগ্লাসের ট্রেন্ড ভেঙ্গে, গোল বা ওভাল সানগ্লাস পরা শুরু করা, মিলাদে বা, কারও জানাজায় পকেটে টুপি থাকা সত্ত্বেও রুমাল গিট্টু মেরে মাথায় পরা, স্নিকারস বা ক্যানভাস সু , কালো জুতার সাথে সাদা মোজা পরা, প্যান্টের বেল্টের ফুঁটা থেকে দ্বিগুণ তিনগুন সাইজে বড় গলার মেডেলের মত বড় বাকেলসেরওয়ালা বেল্ট পরা, ডায়াল নিচের দিকে দিয়ে হাত ঘড়ি পড়া, মাঝে মাঝে ডান হাতে ঘড়ি পরা, একটু পর পর চশমায় হাত দেয়া, তার এরকম হাজারটা স্টাইল আছে যা বলে শেষ করা যাবে না।
সালমান শাহ্ এই স্টাইল থেকে কি প্রজন্ম এখনো বের হতে পারছে? সেটা হয়তো সময় বলে দেবে। সালমান শাহ্ এর জন্ম হয়েছিল আমাদের চলচ্চিত্র জগতে ইতিহাস সৃষ্টি করার জন্য, তিনি তা করতেও পেরেছিলেন।
সালমান শাহ্ ধুমকেতুর মতো ক্ষণিকের চলচ্চিত্র জগতের অবস্থানে মাত্র ৩ বছরের তার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের উপহার দিয়েছেন ২৭ টি ব্যবসা সফল ছবি।
আজও কৌতূহলী মানুষের মনে প্রশ্ন, সালমান শাহ্ এর বিশেষত্ব কী ছিল? কেন তিনি এতটা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন দর্শক হৃদয়ে? কেন মৃত্যুর দুই যুগ পরেও তাঁর জনপ্রিয়তা আজও ম্লান হয়নি এতোটুকুও কমেনি?
পৃথিবীতে বেঁচে থাকলে সালমান শাহ্ এর বয়স হতো এখন ৫২ বছর। সালমান শাহ্ এখন আর পৃথিবীতে নেই। তাঁর মৃত্যুতে এ দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের যে ক্ষতি হয়েছে, তা আজও পূরণ হয়নি।
হয়তো স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ এর জন্ম হয়েছিল চলচ্চিত্র জগতে ক্ষণিকের বিচরণে উনার কারিশমাটিক অভিনয়ের সৃজনশীলতায় এমনি করে দর্শকের হৃদয়ে বেঁচে থাকার জন্য।
এই দেশের চলচ্চিত্র প্রেমীরা যত দিন বেঁচে থাকবে, সালমান শাহ্ তত দিন বেঁচে থাকবেন তাদের হৃদয়ে। নায়ক হিসেবে মৃত্যুর ২৭ বছর পরেও এমন অর্জন পৃথিবীর বুকে আর কারোও নেই। আজকের এই দিনে সালমান শাহ্ কে গভীর ভালোবাসা। আল্লাহ উনাকে বেহেশত নসীব করুন।
মন্তব্য করুন