

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের কনসার্টে অংশ নিলেন ভারতের সংগীতশিল্পী দর্শন রাভাল।
১৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে দর্শন রাভাল গান গেয়ে মাতান ঢাকার শ্রোতাদের।
রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার (আইসিসিবি) নবরাত্রি হলে গান পরিবেশন করেন দর্শন রাভাল।
‘দর্শন রাওয়াল লাইভ ইন ঢাকা’ শীর্ষক কনসার্টটির আয়োজক টোয়েন্টি টু ইভেন্টস।
আয়োজকেরা জানিয়েছিলেন, দর্শনের আগে গান পরিবেশন করবেন দেশের তরুণ গায়ক তানভীর ইভান। সন্ধ্যা ৭টার পর মঞ্চে ওঠেন এই গায়ক। উপস্থিত দর্শকের সামনে গান পরিবেশন করেন তিনি।
নিজের গাওয়া ‘তেরা জিকর’, ‘বেখুদি’, ‘কামারিয়া’, ‘রঙ্গিলা তারা’সহ অন্যদের জনপ্রিয় গানও পরিবেশন করেন দর্শন রাভাল ৷ পুরো সময় ধরেই তার গায়কীতে মেতেছিলেন ঢাকার দর্শকরা।
২০১৪ সালে ভারতের একটি সংগীত রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়ে পরিচিতি পান দর্শন রাভাল।
মন্তব্য করুন


৭৬তম কান চলচ্চিত্র উৎসব ১৬ মে (মঙ্গলবার) থেকে শুরু হয়ে ২৭ মে পর্যন্ত চলবে। চলতি বছর ৩টি ভারতীয় ছবি দেখানো হবে কানে।
অনুরাগ কাশ্যপ পরিচালিত কেনেডি সিনেমায় অভিনয় করেছেন সানি লিওনি, রাহুল ভাট ও ইউটিউব সিরিজ ‘অ্যাসপির্যান্টস’ খ্যাত অভিনেতা অভিলাষ থাপলিয়ল। মিডনাইট স্ক্রিনিং বিভাগের অংশ হিসাবে নির্বাচিত হয়েছে কেনেডি।
আর রাহুল রায় অভিনীত ‘আগ্রা’ সিনেমা ডিরেক্টর্স’ ফোর্টনাইট সেকশনে দেখানো হবে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন কানু বেল।
এছাড়াও মনিপুরী নির্মাতা আরিবাম শ্যাম শর্মার ১৯৯০ সালের সিনেমা ‘ইশানোউ’-এর রেড-কার্পেট ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হবে ১৯ মে। কানের ক্লাসিক সিলেকশন বিভাগে নির্বাচিত হয়েছে ছবিটি।
চলতি বছর কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রথমবার দেখা যাবে অনুষ্কা শর্মাকে। কান-এ সিনেমা জগতের সঙ্গে যুক্ত নারীদের সম্মানিত করা হবে। সেই পুরস্কার প্রদান করবেন অনুষ্কা ও হলিউডের খ্যাতনামী অভিনেত্রী কেট উইনসলেট। আগের বার কান চলচ্চিত্র উৎসবে জুরি বোর্ডের সদস্য ছিলেন দীপিকা। কসমেটিক্স ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে বহু বছর ধরে কান উৎসবে যাচ্ছেন ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন ও সোনম কাপুর।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


‘টাইগার’ ফ্র্যাঞ্চাইজির
৩য় কিস্তি নিয়ে হাজির হলেন সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ জুটি। যশরাজ ফিল্মস
প্রযোজিত সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে ১২ নভেম্বর (রোববার)। কিন্তু সিনেমাটি মুক্তির কয়েক ঘণ্টা পরই অনলাইনে ফাঁস হয়েছে। মুক্তির
প্রথম দিনে ফাঁস হওয়ায় বক্স অফিসের আয়ে প্রভাব ফেলতে পারে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম
ইন্ডিয়া ডট কম জানিয়েছে, মুক্তির কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সালমান খানের ‘টাইগার ৩’
সিনেমা অনলাইনে ফাঁস হয়েছে। এইচডি কোয়ালিটির প্রিন্ট পাওয়া যাচ্ছে টরেন্ট
ওয়েবসাইটে। তা ছাড়াও তামিল রকার্স, টেলিগ্রাম, মুভিরুলসে পাওয়া যাচ্ছে সিনেমাটি।
মুক্তির প্রথম দিনে ফাঁস হওয়ায় বক্স অফিসের আয়ে প্রভাব ফেলতে পারে।
‘টাইগার ৩’ সিনেমায়
অতিথি চরিত্রে দেখা যাবে শাহরুখ খানকে। সিনেমাটির অ্যাকশন দৃশ্যে সালমানের সঙ্গে
হাজির হবেন কিং খান।
‘টাইগার ৩’ সিনেমার অনান্য
চরিত্রে আছেন ইমরান হাশমি,আশুতোষ রাণা, রেবতী, রণবীর শোরে, বিশাল জেঠওয়া, রিদ্ধি
ডোগরা।
মন্তব্য করুন


বর্তমানে সুস্মিতা সেনে বিয়ে করতে চাইছেন কিন্তু তার
মেয়েরা চাচ্ছে না সাবেক এই মিস ইউনিভার্স বিয়ে করুক।
সুস্মিতা সেন বলেন, ওদের (মেয়েদের)
জীবনে যেহেতু কোনোদিন বাবা ছিল না তাই ওদের বাবার প্রয়োজনীয়তা নেই। আমি যদি এখন
ওদের বলি, বিয়ে করতে চাই, তাহলে ওরা চোখ বড় বড় করে জিজ্ঞেস করে কেন? কী দরকার?
আমাদের বাবা চাই না। কিন্তু আমার তো স্বামী চাই। তাতে ওদের কিছু যায় আসে না। ওদের
কাছে আমার বাবাই সব। নানা আছে, তার মানে একজন বাবার মতো ফিগার রয়েছে তাদের কাছে। সুস্মিতা সেন
২৪ বছর বয়সে জীবনের সব থেকে শ্রেষ্ঠ সিদ্ধান্ত
নিয়েছিলেন। মা হওয়ার পরে সবকিছুই কেমন বদলে গিয়েছে তার জীবনে। ২৪ বছর বয়সে
প্রথম সন্তান রেনেকে দত্তক নেন তিনি। এরপর ২০১০ সালে দ্বিতীয় সন্তান আলিশাকে তার
জীবনে নিয়ে আসেন।
অসুস্থতা পেরিয়ে বর্তমানে কাজে মনোযোগ দিয়েছেন সুস্মিতা সেন ।
মন্তব্য করুন


রাঘব-পরিণীতির প্রেম ছিল অনেকটাই ওপেন সিক্রেট। দুজন দুজনের প্রেমে মজলেও তা একটিবারও মুখ ফুটে স্বীকার করেননি। অবশেষে আংটি বদল হতেই প্রকাশ্যে আসে তাদের সম্পর্কটি। বাগদানের পর তাদের প্রেম নিয়ে মুখ খুললেন পরিণীতি।
সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে পরিণীতি লেখেন, আমাদের সম্পর্ক ও বাগদান নিয়ে যেভাবে ইতিবাচক মনোভাব ছিল সবার, তা দেখে সত্য়িই আপ্লুত আমি ও রাধব। আপনাদের এরকম সঙ্গে থাকা আমাদের শক্তি দিয়েছে। অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
‘আমাদের দুজনের পৃথিবীটা সম্পূর্ণ আলাদা। একেবারে বিপরীতধর্মী কর্মক্ষেত্র থেকে এসেছি। তবে আমাদের সম্পর্ক খুব অটুট। আর এই কারণেই খুব বড় পরিবারকে পেয়েছি আমরা। যা কিনা আমাদের সম্পর্কের ভিত।’
পোস্টে আত্মীয়-পরিজন, সহকর্মী ও বিশেষ করে সংবাদমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানান অভিনেত্রী।
মন্তব্য করুন


ঢাকায় গান গাইতে আসছেন
ভারতীয় তরুণ গায়ক, সুরকার ও গীতিকার দর্শন রাওয়াল। ‘দর্শন রাওয়াল লাইভ ইন ঢাকা’
শীর্ষক কনসার্টে গান গাইবেন ‘খিচ মেরি ফটো’খ্যাত গায়ক।
টোয়েন্টি টু ইভেন্টস কনসার্টটি
আয়োজন করবে।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়,
আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাজধানী ঢাকার আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি
বসুন্ধরার (আইসিসিবি) নবরাত্রি হলে গান পরিবেশন করবেন ভারতীয় গায়ক দর্শন রাওয়াল।
হিন্দি, গুজরাটি,
পাঞ্জাবি, বাংলাসহ বিভিন্ন ভাষায় গান করেন দর্শন রাওয়াল। তরুণদের কাছে দর্শন
রাওয়ালের খ্যাতি অন্যরকম।
২০১৪ সালে ভারতের একটি
রিয়েলিটি শোর মাধ্যমে পরিচিতি পান দর্শন রাওয়াল। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত দর্শন
রাওয়ালের গান ‘মাহিয়া জিন্নাহ সোহনা’ দারুণ সাড়া পেয়েছে।
মন্তব্য করুন


খ্যাতনামা গজল গায়ক পঙ্কজ উদাস মারা গেছেন।
পঙ্কজ উদাসের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে নায়াব উদাস। তিনি বলেছেন, গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি, পদ্মশ্রী শিল্পী পঙ্কজ উদাস ২৬ ফেব্রুয়ারি মারা গেছেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি।
পঙ্কজ উদাস ভারতের গুজরাটে জন্মগ্রহণ করেন। মূলত গজল গায়ক হিসেবে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। ১৯৮০ সালে ‘আহত’ শিরোনামের গজল অ্যালবাম প্রকাশের মাধ্যমে তিনি তার সংগীত দুনিয়ায় পা রাখেন।
পঙ্কজ উদাসের জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, ২৬ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টার দিকে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে মারা যান তিনি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। গত কয়েকদিন ধরে তার শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না।
তার সঙ্গীত জীবনের বিস্তার চার দশকেরও বেশি সময়। ৮০'র দশককে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন পঙ্কজ।
চান্দি জ্যায়সা রঙ্গ, না কাজরে কি ধার, দিওয়ারো সে মিল কর রোনা, আহিস্তা,থোড়ি থোড়ি প্যার করো, নিকলো না বেনাকাব— পঙ্কজ উদাসের গাওয়া অসাধারণ সব গজল আজও শ্রোতাদের মনের রসদ। নশা, পয়মানা, হসরত, হামসফর-এর মতো বেশ কয়েকটি বিখ্যাত অ্যালবামও রয়েছে তার ঝুলিতে।
মন্তব্য করুন


অভিনেতা
শরিফুল রাজ ও চিত্রনায়িকা পরীমণির সংসার ভেঙে যাচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৭
সেপ্টেম্বর রাতে ডিভোর্স পেপারে সই করেছেন পরীমণি। ১৮ সেপ্টেম্বর পরীমণি রাজকে ডিভোর্স
লেটার পাঠিয়েছেন।
তবে
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে রাজ ও পরীমণির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পক্ষ থেকে
কোনো সাড়া মেলেনি।
নাম
প্রকাশ না করার শর্তে রাজ-পরীমণির এক ঘনিষ্ঠ নির্মাতা বলেছেন, রাজ-পরীর পারিবারিক কলহ
নিয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর গতকাল রাতে তারা কয়েজন শুভাকাঙ্ক্ষী নিয়ে আলোচনায় বসেন। এর মাঝেই
দুজনার মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে চিত্রনায়িকা পরীমণির গায়ে হাত তোলেন রাজ।
মন্তব্য করুন


গত ৫ মে মুক্তি পায় বাঙালি পরিচালক সুদীপ্ত সেন নির্মিত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। ট্রেলার প্রকাশের পরপরই এই নিয়ে বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। ছবি মুক্তির পর দ্বিগুণ হয় বিতর্ক। যার জেরেই মুক্তির চার দিনের মাথায় এই ছবিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অভিযোগ, এই ছবি সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কানি দিচ্ছে।
অশান্তি এড়াতে তাই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছবিটিকে এ রাজ্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি জানান, রাজ্যের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মমতার নির্দেশের পরের দিনই ছবিটিতে নিষেধাজ্ঞা তোলার আর্জিতে শীর্ষ আদালতে যান নির্মাতারা। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র থাকা সত্ত্বেও বাংলায় কেন দেখানো হবে না এই ছবি? কারণ জানতে চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় টিম ‘দ্য কেরালা স্টোরি’।
প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ এই প্রসঙ্গে গত সপ্তাহে নোটিশ দেয় রাজ্য সরকারকে। বুধবার পরবর্তী শুনানি। তার আগে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই ছবি পক্ষপাতদুষ্ট। এখানে তথ্য বিকৃত করা হয়েছে যা বিশেষ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত আনতে পারে। রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ নষ্টের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
এই ছবির ওপর পশ্চিমবঙ্গে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে সুপ্রিম কোর্ট। শুনানি চলাকালীন দেশের প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘ভারতের অন্যান্য অংশে এই ছবি মুক্তি পেতে পারলে পশ্চিমবঙ্গে নয় কেন?’ পাল্টা রাজ্য সরকারের যুক্তি, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা রাজ্য প্রশাসনের দায়িত্ব। রাজ্য সরকার প্রযোজক বিপুল শাহকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও খারিজ করে দিয়েছে।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ হলেও ভারতজুড়ে রমরমিয়ে ব্যবসা করছে ছবিটি। ইতোমধ্যে দেড় শ কোটি রুপির আয় ছাড়িয়েছে। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আদা শর্মা, যোগিতা বিহানি, সোনিয়া বালানি, সিদ্ধি ইদনানি, দেবদর্শিনী, বিজয় কৃষ্ণ, প্রণয় পাচৌরি, প্রণব মিশ্র প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশি রক সংগীতের অন্যতম পথিকৃৎ নগর বাউল খ্যাত জেমস। গান দিয়ে ভক্তদের মাতিয়ে রাখেন যিনি সর্বদা।
এবার নেটমাধ্যমে ঝড় তুলল এই সংগীত তারকার একটি ছবি যেখানে বাউল বেশে ধরা দিয়েছেন তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বিভিন্ন তারকা ও বিখ্যাত ব্যক্তিদের বিভিন্ন ছবি নেটমাধ্যমে ভাইরাল হচ্ছে। কিছুদিন আগে ভাইরাল হয়েছে প্রয়াত ত্রনায়ক সালমান শাহর একটি ছবি। যেটি তৈরি করেছিলেন রাজিব জাহান ফেরদৌস নামে একজন এআই প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ার। এবার ভাইরাল হলো জেমসের এআই লুক। যেটি তৈরি করেছেন সংগীতশিল্পী ও ফটোগ্রাফার অভিষেক ভট্টাচার্য্য।
ব্যক্তিগতভাবে যাদের গান শুনতে পছন্দ করেন, তাদের মধ্য থেকে প্রিয় কিছু শিল্পীর ছবি এআই’র মাধ্যমে তৈরি করেছেন অভিষেক। যেখানে জেমসকে দেখা যায় বৃদ্ধ বেশে, বাউলিয়ানা লুকে। ছবিটি ঘিরে জেমস ভক্তদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিষেক বলেন, যেহেতু লোকেরা জেমসের ছবিটি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করছে, তার মানে আমার কাজটা সফলতার জায়গায় গিয়েছে। আসলে এআই ব্যবহার করে স্থিরচিত্র তৈরি করা ছবির কারিগরদেরও তো কল্পনার জায়গা থাকে। আমি সেই কল্পনা থেকে জেমসকে এমন রূপ দিয়েছি। তাছাড়া একজন শিল্পী দেখতে ঠিক যেমন- এআই ব্যবহার করে হুবহু তেমন ছবি তৈরি করলে তো আর পারপাস সার্ভ হলো না।
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে এবার দেশের মঞ্চে গাইবেন জেমস। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর তার ব্যান্ড নগর বাউল নিয়ে পারফর্ম করবেন ‘দ্য স্কুল অব রক’ কনসার্টের প্রথম পর্বে। এটি অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটির (আইসিসিবি) ৪ নম্বর হলে। ইটিসি ইভেন্টস কনসার্টটির আয়োজন করছে ।
মন্তব্য করুন