

এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর পাঁচ তারকা
হোটেলে ঢাকঢোল পিটিয়েই ছেলে শাহীম মুহাম্মদ রাজ্যর প্রথম জন্মদিন উদযাপন করলেন
ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমণি । তবে কোথাও দেখা
যায়নি বাবা শরিফুল রাজকে। জন্মদিনের অনুষ্ঠানে মা ও বাবার কেনা পোশাক পরেছে
রাজ্য। ছেলের প্রথম জন্মদিনে আয়োজনে কমতি রাখলেন না পরীমণি।
ছেলের জন্মদিনের পুরো আয়োজন একা হাতে সামলেছেন পরীমণি।
পরীমণি জানান, এই
অনুষ্ঠানে তিনি ১৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ করেছেন। আমি অনেক কষ্ট করে এটি জোগাড়
করেছি। এই অনুষ্ঠানের জন্য রাজ্যের বাবা পাশে থাকলে আমাকে এত কষ্ট নিতে হতো না। রাজ্যের
প্রথম জন্মদিন পালন করার উদ্দেশ্যে প্রতি মাসেই একটি পরিমাণ টাকা জমিয়েছি।
মন্তব্য করুন


প্রথমবারের মতো বালিউড সিনেমায় অভিনয় করলেন দুই বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান।সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী।
সিনেমার নাম ‘করক সিং’।
২০২২ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয় সিনেমাটির দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হয় ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে।
এ খবর সবার জানা, নতুন খবর হচ্ছে- রহস্য আর সাসপেন্সে ভরপুর থ্রিলার গল্পের সিনেমা ‘করক সিং’ মুক্তি পাচ্ছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে জি ফাইভে। সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষের দিকে সিনেমাটি দেখা যাবে।
জয়া আহসান ছাড়াও এই সিনেমায় প্রধান চরিত্রে আছেন বলিউড অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী। আরও আছেন ‘দিল বেচারা’খ্যাত অভিনেত্রী সঞ্জনা সাংঘী ও মালয়ালম অভিনেত্রী পার্বতী।
এর আগে সিনেমার শুটিং শেষে জয়া আহসান অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন কাজের অভিজ্ঞতাও। ওই সময় শুটিং ও প্যাকআপের কিছু স্থিরচিত্র ফেসবুকে পোস্ট করে জয়া লেখেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী বা যাকে আমরা টনি দা বলে ডাকি, তার নেতৃত্বে এমন অসাধারণ টিমে কাজ করতে পেরেছি। পঙ্কজ ত্রিপাঠি এবং অন্য যারা আছেন, তাদের সঙ্গে কাজ করা আমার জন্য অনেক বড় অভিজ্ঞতা। আমি কাজের প্রত্যেকটি মুহূর্ত ভালোবেসেছি।
জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী আরও লিখেছিলেন, একজন শিল্পী কতখানি শিখতে পারেন, তার কোনো সীমা নেই। প্রত্যেকদিনই আমরা নতুন নতুন জিনিস শিখি এবং এই সিনেমার শুটিং আমার জন্য অতুলনীয় অভিজ্ঞতা। একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে আমাকে সমর্থন করার জন্য পুরো টিমের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। তোমাদের সঙ্গে আবারও কাজ করতে উন্মুখ হয়ে থাকব।
জানা গেছে, অ্যামনেশিয়ায় আক্রান্ত একে শ্রীবাস্তব নামক এক চরিত্রের সংকটময় জীবনের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। এই চরিত্রটি অতীতের সব ঘটনা ভুলে গেছে। ভুলে যাওয়া ছোট ছোট স্মৃতি একত্র করার চেষ্টা করতে থাকে সে। একপর্যায়ে শ্রীবাস্তব আবিষ্কার করে বিরাট এক অর্থনৈতিক অপকর্মের পেছনের সত্য।
‘করক সিং’ সিনেমার এমন গল্প লিখেছেন বিরাফ সরকারি, রিতেশ শাহ ও অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী। এটি প্রযোজনা করছে উইজ ফিল্মস।
মন্তব্য করুন


সোহানা
সাবা নাচের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। কিন্তু নাটক এবং সিনেমায় ভিন্ন
মাত্রার চরিত্রে অভিনয় করে খুব অল্প সময়েই দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন সোহানা সাবা।
বর্তমানে দুই বাংলাতেই সমানতালে কাজ করছেন এই অভিনেত্রী। সামনেই প্রেক্ষাগৃহে
মুক্তি পাবে তার নতুন সিনেমা।
সম্প্রতি
দেশের একটি গণমাধ্যমে নিজের অভিনয়, ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিজীবন নিয়ে কথা বলার সময় পুরুষদের
ভয় পান বলে মন্তব্য করেন সোহানা সাবা।
বিয়ে
করার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখন পুরুষদের ভয় পাই। পুরো পৃথিবীতে
সত্যিই কি আমার জন্য এরকম কোনো মানুষ আছে, যার সাথে নিশ্চিন্তে বাকিটা জীবন কাটাতে
পারব? যদি এরকম কেউ থেকে থাকে আর তার সঙ্গে আজ দেখা হয়ে যায়, তাহলে কালই তাকে বিয়ে
করে ফেলতাম।
শিগগিরই মুক্তি পাবে সোহানা
সাবা অভিনীত সরকারি অনুদানের সিনেমা ‘অসম্ভব’। এটি নির্মাণ করেছেন চিত্রনায়িকা
অরুণা বিশ্বাস। মূলত যাত্রাশিল্প এবং যাত্রাশিল্পীদের গল্পে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি।
মন্তব্য করুন


আগামী ঈদুল ফিতরের আগে ৬টি সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন এটিএন
বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান।
১২ আগস্ট শনিবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থার ৮ নম্বর ফ্লোরে
এটিএন-বিএফডিএ অ্যাওয়ার্ড ২০২২ চুক্তি স্বাক্ষর ও মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা
দেন ড. মাহফুজুর রহমান।
চলচ্চিত্রের
সম্ভাব্য সুদিনে আসুন মিলনের বন্ধনে এক হই- এ প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে প্রথমবারের
মতো সদস্য ও ওয়েব ফিল্ম পরিচালকদের উৎসাহ দিতে হাত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র
পরিচালক সমিতি। এ কাজে সংগঠনটি পাশে পেয়েছে এটিএন-কে।
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত ছিলেন, পরিচালক সমিতির সভাপতি কাজী হায়াৎ,মহাসচিব শাহীন সুমন,সাংগঠনিক
সম্পাদক শাহীন কবির টুটুল,পরিচালক শাহ আলম কিরন, জাকির হোসেন রাজু, মনতাজুর রহমান আকবর,
অভিনয়শিল্পী সোহেল রানা, অরুণা বিশ্বাস, রোজিনা, নিরবসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানে
সঞ্চালনা করেন, চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক ও ইমন।
ড.
মাহফুজুর রহমান বলেন, একটা সময় ছিল যখন ২৪ ঘণ্টা এফডিসিতে লোক সমাগম হতো। সব সময়
শিল্পীদের পদচারণায় মুখর ছিল এই প্রাঙ্গণ। কিন্তু এখন এখানে ভুতুড়ে একটা পরিবেশ। আমরা
এই অবস্থার পরিবর্তন করতে চাই। চলচ্চিত্রের অবস্থা আমরা আগের মতো ফিরিয়ে আনতে চাই।
এজন্য আগামী ঈদুল ফিতরের আগে আমি ৬টি সিনেমা নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। পরিচালক সমিতির
সাথে আজ চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। এর আগে আমি যতগুলো সিনেমা বানিয়েছি বেশিরভাগ সুপারহিট
হয়েছে। ‘প্রাণের চেয়ে প্রিয়’, ‘বিদ্রোহ চারিদিকে’, ‘ভালোবাসি তোমাকে’, ‘সাবধান’
তার মধ্যে অন্যতম। এরপর সিনেমায় ধস নামা শুরু হয়। ভালো সিনেমা হওয়ার পরও দেখা যায়
সিনেমা হলে লোক হয় না। তবে গত ঈদে যে কয়েকটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে তাতে বোঝা
যাচ্ছে চলচ্চিত্রের অবস্থা আবার ফিরবে।
মন্তব্য করুন


একমাত্র ছেলে শাহীম মুহাম্মদ রাজ্যকে নিয়ে ফেসবুকে ফের আবেগঘন পোস্ট করেছেন নায়িকা পরীমণি।
জানালেন, ছেলেকে নিয়ে বেশ চিন্তিত তিনি- কয়েক দিন ধরে রাজ্যকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটছেন। জ্বরে আক্রান্ত ছোট্ট রাজ্যর হাতে ক্যানোলা পরানো একটি ছবি পোস্ট করে শুক্রবার রাতে ফেসবুকে এমনটাই জানান পরীমণি।
তিনি লিখেছেন, আমার পদ্মফুল, মনে পড়ে তোমার প্রথম ভ্যাকসিন দেওয়ার দিন আমি ভয়ে, কষ্টে কান্নায় বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলাম। তখন আমাকে সামলানোর কেউ ছিল বলেই হয়তো কাঁদতেও সহজ লাগছিল আমার। আজ তোমার হাতে ক্যানোলা পরানো হলো তোমার ব্লাড টেস্টের জন্য। আমি একা তোমাকে বুকে ধরে সাহস জোগাই। সামনের এমন আরও কঠিন সময়ের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করি। অনেক কঠিনরে মোকাবিলা করব বলে। আমি জানি তুমি আমার অনেক স্ট্রং বয়। মায়ের সমস্ত বিশ্বাস জুড়ে থেকো। আর আমাকে এমন করে আম্বা বলেই ডেকো।
আমি জানি এই আম্বাটা কী। আমি তোমার আম্মাও, আব্বাও। বাচ্চা আমার, আমি তো এই দিনগুলোর জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। এরপর স্যাড ইমোজি দিয়ে তার নিচে পরীমনি লিখেছেন, কিছু চিঠি খোলাই হয়...।
মন্তব্য করুন


শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনা সত্যি। মুম্বাইয়ের যানজট থেকে বাঁচতে অচেনা এক ব্যক্তির বাইকে চেপে বসেন বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। এবং সেটিতে করে সঠিক সময়ে শুটিংয়ে পৌঁছান। পুরো ঘটনায় বেশ কৃতজ্ঞ অভিনেতা। সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ছবি প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অচেনা বন্ধুটিকে।
ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে বিগ বি লিখলেন, ‘এই যাত্রার জন্য ধন্যবাদ বন্ধু। তোমায় চিনি না। কিন্তু তুমি যে দায়িত্ব নিয়ে আমায় পৌঁছে দিলে, প্রশংসনীয়। মুম্বাইয়ের জ্যাম থেকে বাঁচিয়ে তাড়াতাড়ি আমায় পৌঁছে দিলে, ধন্যবাদ! হলুদ জামা এবং সাদা টুপির মালিক।’
এই আপদকালীন যাত্রায় নামও জানেননি সেই আগন্তুকের। কিন্তু তারপরও ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি অমিতাভ।
এমন একটি নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখে মুগ্ধতা ঝরে পড়েছে নেটাগরিকদের কণ্ঠে। পাশাপাশি সতর্ক করেছেন উভয়কেই। হেলমেট না পরতেই কেউ কেউ বলে বসলেন, ‘দুজনেই হেলমেট ব্যবহার করুন। কখন বিপদ আসে বলা যায় না।’
মন্তব্য করুন


সাভারের বোট ক্লাবে গিয়ে মদপানের পর ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় ক্লাবের পরিচালক ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনির নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।
আজ রোববার (২৬ জানুয়ারি) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুনাইদ এ পরোয়ানা জারি করেন।
পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী জানান, রোববার মামলায় চার্জ শুনানির দিন ধার্য ছিল। আমরা আসামিপক্ষে সময় আবেদন করি। আদালত সময় আবেদন নামঞ্জুর করে তার নামে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই সঙ্গে তার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
এর আগে ২০২২ সালের ৭ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে এ মামলা করেন নাসির। মামলায় পরীমনি ছাড়াও তার দুই সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমিকে আসামি করা হয়। আদালত পিবিআকে ঘটনা বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন।
মামলার আরজিতে বলা হয়, পরীমনি ও তার সহযোগীরা অ্যালকোহল সেবী। সুযোগ বুঝে তারা বিভিন্ন নামিদামি ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন না। পরীমনি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করে হয়রানির ভয় দেখান। ২০২১ সালের ৯ জুন রাত ১২টার পর আসামিরা সাভারের বোট ক্লাবে ঢুকে দ্বিতীয় তলার ওয়াশরুম ব্যবহার করেন। পরে তারা ক্লাবের ভেতরে বসে অ্যালকোহল পান করেন। বাদী ও তার সহযোগী শাহ শহিদুল আলম রাত সোয়া ১টার দিকে যখন ক্লাব ত্যাগ করছিলেন, তখন পরীমনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাদী নাসির উদ্দিনকে ডাক দেন এবং তাদের সঙ্গে কিছু সময় বসার অনুরোধ করেন। একপর্যায়ে পরীমনি অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে নাসির উদ্দিনকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং একটি ব্লু লেবেল অ্যালকোহলের বোতল বিনামূল্যে পার্সেল দেওয়ার জন্য বাদীকে চাপ দেন। বাদী এতে রাজি না হওয়ায় পরীমনি বাদীকে গালমন্দ করেন। বাদী এবং আসামিদের মধ্যে বাদানুবাদের একপর্যায়ে পরীমনি বাদীর দিকে একটি সারভিং গ্লাস ছুড়ে মারেন এবং হাতে থাকা মোবাইল ফোনটিও ছুড়ে মারেন। এতে নাসির উদ্দিন মাথায় এবং বুকে আঘাত পান। পরীমনি ও তার সহযোগীরা নাসির উদ্দিনকে মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন ও ভাঙচুর করেছেন। এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরীমনি সাভার থানায় বাদীসহ দুজনের নামে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা করেন।
গত বছর এ মামলায় পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরীমনি ছাড়া এ মামলায় তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে তার সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।
এরপর গত বছর ১৮ এপ্রিল এ মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রতিবেদনের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে শুনানি শেষে তাদের দুজনকে হাজির হতে সমন জারি করেন।
এরপর গত বছর ২৫ জুন ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম. সাইফুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন।
মন্তব্য করুন


দিন কয়েক ধরেই গুঞ্জনটা শোনা যাচ্ছিল। বিবাহবিচ্ছেদ হতে চলেছে অভিনেত্রী মাহিয়া মাহির। যদিও প্রতি বারই জল্পনায় জল ঢালেন তিনি। কিন্তু শুক্রবার ফেসবুক লাইভে এসে আচমকাই কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিনেত্রী। তার পরই দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের খবর দেন নায়িকা।
এরই মধ্যে তাঁরা আলাদা থাকা শুরু করেছেন। এ অভিনেত্রী নিজেই আজ রাতে এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন।
নিজের ফেসবুকে ভিডিও বার্তায় কেঁদে মাহি বলেন, আমরা দুজন মিলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা রয়েছে। তবে রকিব খুব ভালো মানুষ। তাকে আমি সম্মান করি। অনেক কেয়ারিং সে। খুব দ্রুতই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদে যাচ্ছি। কবে আর কীভাবে হবে, সেটিও দুজন মিলেই ঠিক করব।
কিন্তু কী কারণে সন্তান জন্মের মাস কয়েকের মধ্যেই স্বামীর থেকে আলাদা হচ্ছেন তিনি তা নিয়ে কিছু বলেননি তিনি ।
তিনি জানান, অনেক দিন ধরে তাঁরা আলাদা থাকছেন।
সাথে আরো বলেন, একটা ছাদের নিচে দুটি মানুষ কেন ভালো নেই, সেটা তারাই ভালো জানে। এটা বাইরের থেকে বোঝা যাবে না। আসলে সংসার কেন ভাঙে, কেন হাজবেন্ডের সঙ্গে থাকতে পারল না বা হাজবেন্ড কেন তাঁকে সহ্য করতে পারছে না। অথবা তাঁর ওয়াইফটা কেন তাঁর হাজবেন্ডকে সহ্য করতে পারছে না। অথবা দুজন কেন ভালো নাই। দুজনের মধ্যে আসলে কী ঝামেলা হয়েছে—এগুলো তো আমরা আসলে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বুঝব না। তাই আমরা কাউকে নিয়ে যেন জাজ না করি।
মাহি বলেন, আমি জানি এই ভিডিওটি দেখার পর অনেকেই আমাকে গালি দিবেন, অনেক বাজে কথা বলবেন। বিশ্বাস করেন আপনাদের কমেন্ট গুলো আমার কাছে তীরের মত আমার বুকে লাগবে।
ভিডিওর একপর্যায়ে মাহি তাঁর সন্তানকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য না করার অনুরোধ জানান নেটিজেনদের প্রতি। মাহি বলেন,আমার ছেলেকে নিয়েও আপনারা অনেকে খারাপ কমেন্ট করেন, সেগুলো দেখে মা হিসেবে আমার বুকটা ফেটে যায়। কোনো বাচ্চাকে নিয়ে এমন খারাপ কমেন্ট করবেন না সে যেমনি হোক না কেনো দেখতে ।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ও হয়তো এখন এসব বুঝতে পারে না; কিন্তু একসময় এসব বুঝবে, তখন নিশ্চয়ই কষ্ট পাবে। দয়া করে এসব করবেন না। আপনারা আমার ছেলে ফারিশের জন্য দোয়া করবেন, যেন ওকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।
মন্তব্য করুন


মুম্বাইয়ে সোমবার স্ত্রী গৌরী খানের প্রথম বই প্রকাশ করলেন শাহরুখ খান। ডিজাইনার গৌরী খানের এই কফি টেবিল বইয়ের নাম ‘মাই লাইফ ইন ডিজাইন’। মূলত ইন্টিরিয়র ডিজাইন নিয়েই এই বই লেখা। এদিন অনুষ্ঠানে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময় নিজের সঙ্গে স্ত্রীয়ের সম্পর্ক নিয়েও মুখ খোলেন কিং খান। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা তার কাছে যে স্বামীর ডিউটির থেকেও বেশি, তাও বোঝান।
অভিনেতা বলেন, ‘আমি ও গৌরী একে অপরকে বহু বছর ধরে চিনি। ও তখন ১৪, আমি ১৮ এবং বহু বছর ধরে একে অপরকে চিনি আমরা এবং কখনও কখনও যদি একে অন্যকে এত বছর ধরে চেনা হয়ে যায় তাহলে একে অপরের কাজের প্রতি সেই সম্মানটা হারিয়ে যেতে শুরু করে। কারণ একে অন্যকে তখন আমরা টেকেন ফর গ্রান্টেড করে নিই। আমি আমার কাজ বহুদিন ধরে করছি এবং তাতে গৌরী নিজের যতটুকু অংশ করার তার সেরাটা করেছে। আমরা তিনজন সুন্দর বাচ্চা বড় করেছি। একজন সিনে তারকার স্ত্রী হয়ে থেকেছে ও যে কিনা ঈশ্বর ও মানুষের আশীর্বাদে প্রবল খ্যাতি অর্জন করেছে।’
এরপরও শাহরুখ খান বলেন, আমাদের পরিবারে, আমার ১০ বছরের ছেলে সমেত, সবার মধ্যেই সৃজনশীলতার সূক্ষ্ম একটা বুদ্ধি আছে। আমার মনে হয় আমাদের বিবাহিত জীবনের ২৩ থেকে ২৪ বছর, মুম্বাইয়ে ঘর বাঁধতে এবং আমাদের পেশা থেকে মানুষের এত ভালোবাসা পেতে, বাচ্চাদের বড় করতেও এত ব্যস্ত ছিলাম যে গৌরী বোঝেনি যে ওঁর একটা অন্যদিকও আছে যাকে জীবন দেওয়া প্রয়োজন। এই বইটা আমি মনে করি সেই সবকিছুর প্রতিনিধিত্ব করে।
মন্তব্য করুন


কেঁদে গিনেস বুকে নাম তুলে কৃতিত্ব
স্থাপন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তা করতে গিয়ে টানা
সাত দিন কেঁদে আংশিক দৃষ্টিশক্তি হারালেন নাইজেরিয়ার এক যুবক।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি নাইজেরিয়ার বাসিন্দা। ওই
যুবকের নাম টেম্বু এবেরে। জোর করে চোখে পানি আনার জন্য নানারকম কলাকৌশলও করেছিলেন
তিনি। আর তা করতে গিয়েই হঠাৎ ওই যুবক টের পান যে, তিনি সব কিছুই অস্পষ্ট দেখছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কে দীর্ঘতম সময় কাঁদতে পারেন, তা নিয়ে
একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা চলছিল। সেই প্রতিযোগিতাতেই অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
ওই যুবক জানান, ৪৫ মিনিটের জন্য তিনি কিছু দেখতে পাননি। চোখ ফুলে
গিয়েছিল। মাথাতেও অসম্ভব যন্ত্রণা হচ্ছিল।
এখন
অবশ্য সুস্থই রয়েছেন। চোখ নিয়েও কোনও সমস্যা নেই।
তারপরেও হাল ছাড়তে রাজি হননি তিনি। জানিয়েছিলেন কৌশল বদলে
প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার চেষ্টা করবেন। কিন্তু প্রতিযোগিতার আয়োজকেরা তার শারীরিক
পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে পেরে জানিয়ে দেন যে, তাকে ওই প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া
হচ্ছে।
সূত্র: ডেইলি মেইল, বিবিসি
মন্তব্য করুন