

জনপ্রিয়
অভিনেতা আনিকা কবির শখ। বিজ্ঞাপন, নাটক, সিনেমায় ছড়িয়েছিলেন সৌন্দর্যের দ্যুতি।
কিন্তু বিয়ে করে সংসার নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন শখ। সম্প্রতি ফিরেছেন তিনি।
ফিরেই জানালেন, যে প্লেয়ার সে সব সময় খেলতে পারে। প্রতিযোগিতা না থাকলে খেলে মজা
পাওয়া যায় না।
আনিকা কবির শখ বলেন, ব্রেক নিয়েছি। আসলে আমার কিছু কাছের মানুষ ব্রেক
নিতে বাধ্য করেছে। কারণ আমার সঙ্গে একটা ডিজাস্টার হয়ে গেছে। একই সঙ্গে আমার
সেলফোন, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব হ্যাক হয়ে গিয়েছিল। সেগুলো ফিরিয়ে আনতে আনতে
আমি আসলে হতাশ হয়ে গিয়েছিলাম। একটা সময় গিয়ে মনে হলো, ঠিক আছে বাদ দেওয়া যাক। তবে
আমি বিশ্বাস করি কারও জায়গা কেউ নিতে পারে না। আর আমি এত ছোট থেকে কাজ শুরু করেছি
যে, আমার বিশ্বাস ছিল- আমার দর্শক আমাকে ভুলে যাবে না। আমিও কারও সন্তান। আমারও
সংসার, সন্তান আছে। ওই জায়গাটা তো ভুলে গেলে চলবে না। ওই জায়গাটাও আমার ঠিক রাখতে
হবে। শুধু যে আমি একজন শিল্পী তা তো নয়। একটু ব্রেক নিয়ে আমার পারিবারিক জায়গাটাও
আমি ঠিক রেখেছি। এখন আবার ফিরে এসেছি। নিয়মিত কাজ করব। আর উৎসব আয়োজনেও শখকে পাওয়া
যাবে। কারণ খালি মাঠে সবাই গোল মারতে পারে। ভরা মাঠে পারে না। আমি গোল দিয়েছি ভরা
মাঠে। আমি বিশ্বাস করি, যে প্লেয়ার সে সব সময় খেলতে পারে। তাকে যে মাঠে ছেড়া দেওয়া
হোক না কেন। হ্যাঁ, প্রতিযোগিতা না থাকলে আসলে খেলে মজা পাওয়া যায় না। আমার মনে
হচ্ছে মাঠটা খালি। প্লিজ কেউ আসো, আমার সঙ্গে প্রতিযোগিতায়।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী
তানজিন তিশার সঙ্গে প্রেম অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের। প্রেমের খবর, আত্মহত্যা চেষ্টাকাণ্ডে
দেশের সংবাদকর্মীদের হুমকি দিয়েছিলেন এ অভিনেত্রী। দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন সাংবাদিকের
সঙ্গে ফোনালাপে এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথা বলেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। পরে মুহূর্তেই সেই
অডিও নেটমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তোপের মুখে পড়েন এ অভিনেত্রী। গণমাধ্যমকর্মীরা প্রতিবাদে
সরব হন। নেট দুনিয়ায় অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে নিয়ে নেটিজেনরা নানা ট্রল ও সমালোচনা
করেন।
অভিনেত্রী
তানজিন তিশা হাসপাতাল থেকে ফিরে আজ একটি স্ট্যাটাস দেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তবে
এবারের পোস্টটি সাংবাদিকদের উদ্দেশে দিয়েছেন তিশা। ১৮ নভেম্বর (শনিবার) দুপুর ১টা ৩৩
মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করেন এ অভিনেত্রী। ওই স্ট্যাটাসে
তার ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
ঘটনার
একদিন পর নিজের ভুল বুঝতে পারেন অভিনেত্রী তিশা। ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে চাইলেন
ক্ষমা। অভিনেত্রী তিশা লিখেছেন, বিগত কয়েকদিনের অসুস্থতা এবং আমার পারসোনাল লাইফ নিয়ে
নানান ভিত্তিহীন কথা ও সংবাদ এবং পরিচিত-অপরিচিত বিভিন্ন ফোন কলে আমি অনেকটাই মেন্টালি
পাজলড ছিলাম। এমন সময়ে এক সাংবাদিক ভাইয়ের সাথে কথা বলতে গিয়ে আমি নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ
হারিয়ে উত্তেজিত হয়ে কিছু কথা বলে ফেলি, যা আসলে ইনটেনশনালি ছিল না। সাংবাদিক ভাইদের
উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই, আমার সফলতার একটা অংশজুড়ে আপনারাও আছেন এবং আপনাদের প্রতি
আমার শ্রদ্ধা ও সন্মান সমসময়ই ছিল এবং থাকবে। আমার অনাকাঙ্ক্ষিত কথায় আপনারা কষ্ট পেয়ে
থাকলে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
মন্তব্য করুন


আলোচিত
ইউটিউবার আশরাফুল হোসেব আলম ওরফে হিরো আলম একদিনের ব্যবধানে দল পাল্টিয়ে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম)
আসনে গণ অধিকার পার্টি থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার
(৩০ নভেম্বর) বিকেলে বগুড়ার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের কাছে
হিরো আলমের পক্ষে তার ব্যক্তিগত সহকারী সুজন রহমান শুভ মনোনয়নপত্র জমা দেন।
এরআগে
হিরো আলম বুধবার (২৯ নভেম্বর) বগুড়া-৪ আসন থেকে সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী হিসেবে একতারা
প্রতীকে মনোনয়নপত্র তুলেছিলেন। কিন্তু গণ অধিকার পার্টির জাতীয় জোট বাংলাদেশ কংগ্রেসের
ডাব প্রতীক নিয়ে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছেন আলোচিত এ ইউটিউবার।
হিরো
আলমের ব্যক্তিগত সহকারী সুজন রহমান শুভ বলেন, ৪দিন আগেই সুপ্রিম পার্টি থেকে বগুড়া-৪
আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। দলের চেয়ারম্যান না জেনেই হিরো আলমকে প্রার্থী হতে বলেছিলেন।
ভুল বোঝাবুঝি হওয়ায় আজ বাংলাদেশ কংগ্রেসের জাতীয় জোটবদ্ধ দল গণ অধিকার পার্টি থেকে
মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছে। এখানে দল বিষয় নয়, হিরো আলমের ব্যক্তি জনপ্রিয়তাই আসল।
মন্তব্য করুন


সোহানা
সাবা নাচের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। কিন্তু নাটক এবং সিনেমায় ভিন্ন
মাত্রার চরিত্রে অভিনয় করে খুব অল্প সময়েই দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন সোহানা সাবা।
বর্তমানে দুই বাংলাতেই সমানতালে কাজ করছেন এই অভিনেত্রী। সামনেই প্রেক্ষাগৃহে
মুক্তি পাবে তার নতুন সিনেমা।
সম্প্রতি
দেশের একটি গণমাধ্যমে নিজের অভিনয়, ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিজীবন নিয়ে কথা বলার সময় পুরুষদের
ভয় পান বলে মন্তব্য করেন সোহানা সাবা।
বিয়ে
করার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখন পুরুষদের ভয় পাই। পুরো পৃথিবীতে
সত্যিই কি আমার জন্য এরকম কোনো মানুষ আছে, যার সাথে নিশ্চিন্তে বাকিটা জীবন কাটাতে
পারব? যদি এরকম কেউ থেকে থাকে আর তার সঙ্গে আজ দেখা হয়ে যায়, তাহলে কালই তাকে বিয়ে
করে ফেলতাম।
শিগগিরই মুক্তি পাবে সোহানা
সাবা অভিনীত সরকারি অনুদানের সিনেমা ‘অসম্ভব’। এটি নির্মাণ করেছেন চিত্রনায়িকা
অরুণা বিশ্বাস। মূলত যাত্রাশিল্প এবং যাত্রাশিল্পীদের গল্পে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি।
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয় তুর্কি সিরিয়াল ‘কুরুলুস উসমান’ সিরিজের অভিনেতা বুরাক অ্যাজিভিট ঢাকায়
এসেছেন।
এর আগে বুরাক বৃহস্পতিবার (২৩ মে) তার সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান, তিনি ঢাকার ভক্ত-অনুরাগীদের
উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
এ অভিনেতা ২৪ মে ঢাকায় এসে পৌঁছান বলে জানা গেছে।
তুর্কি সিরিয়ালের জনপ্রিয় এ অভিনেতা তিনি এখন হোটেল রেডিসন ব্লুতে অবস্থান করছেন।
একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণেই বাংলাদেশে এসেছেন কুরুলুস উসমানের নায়ক বুরাক
অ্যাজিভিট। আগামীকাল (২৬ মে) ঢাকার ভক্তদের সঙ্গে দেখা করবেন এ অভিনেতা।
এই মুহূর্তে হোটেল রেডিসন ব্লুতে অবস্থান করছেন তুর্কি সিরিয়ালের জনপ্রিয় এ অভিনেতা।
জানা গেছে, বহুজাতিক একটি প্রতিষ্ঠান তাদের রূপান্তর যাত্রার অংশ হিসেবে আমন্ত্রণ
জানিয়েছেন বুরাককে। আর সে আমন্ত্রণেই বাংলাদেশে এসেছেন কুরুলুস উসমানের নায়ক বুরাক
অ্যাজিভিট।
বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ধারাবাহিক কার্যক্রমে অংশ নিতেই সফরে আসেন তিনি। দেখা
করবেন তার ভক্তদের সঙ্গেও।
বহুজাতিক সেই কোম্পানি থেকে যারা পণ্য কিনেছেন তাদের মধ্য থেকেই ভাগ্যবান বিজয়ী
এই প্রিয় অভিনেতার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করতে পারবেন। আগামী ২৬
মে বিজয়ী ভক্তদের সঙ্গে দেখা করবেন বুরাক।
অভিনেতা বুরাক অ্যাজিভিটের তুরস্ক ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অসংখ্য ভক্ত রয়েছে।
তিনি উসমানীয় সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট উসমানের চরিত্রে রূপদান করে বিশ্বব্যাপী বিনোদনপ্রেমীদের
মন জয় করেছেন। তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্বের প্রায় ১৬ মিলিয়ন মানুষ অনুসরণ করে।
বুরাক অ্যাজিভিটের ১৯৮৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তুরস্কের মারমারা
বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় পড়াশোনা করেছেন।
মন্তব্য করুন


তরুণ
অভিনেত্রী নিশাত আরা আলভিদা (১৯) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে
মারা গেছেন।
৩১
আগস্ট বৃহস্পতিবার মারা গেছেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি
রাজিউন)।
জানা
যায়, ৪ দিন আগে হঠাৎ জ্বরে
আক্রান্ত হন নিশাত। শারীরিক
অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। তার প্লাটিলেট
কমতে থাকে। অবশ্য এক দিনের মাথায়
প্লাটিলেট আবার বাড়তে থাকে।
কিছুটা সুস্থ বোধ করায় বাসায়
চলে আসে। কিন্তু শেষ
রক্ষা হয়নি। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় নিশাত
বাসাতেই মারা যান।
গতকালই
নিশাতের মরদেহ নাটোরে নিয়ে যাওয়া হয়।
নাটোর হাফ রাস্তা এলাকায়
তারা থাকতেন। সেখানেই একটি কবরস্থানে তার
দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
নিশাতের
বেড়ে ওঠা নাটোর জেলায়।
এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন নিশাত। সর্বশেষ সে অ্যাকাউন্টিং পরীক্ষা
দিয়েছে। এরপর আর কোনো
পরীক্ষা দিতে পারল না। অভিনয়
নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল
নিশাতের। ইচ্ছা ছিল থিয়েটারে অভিনয়
শেখার। কয়েক মাস আগে
সে থিয়েটারিয়ান নামের একটি নাট্যদলে কর্মশালা
করেছিল। থিয়েটার শুরুর ইচ্ছা ছিল। সম্প্রতি একটা
নাটকে পুরো গল্পে ছিলেন
নিশাত।
মন্তব্য করুন


চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসের সন্তান আব্রাম খান জয় যে স্কুলে পড়ছে সে স্কুলেই ভর্তি হয়েছে ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান ও চিত্রনায়িকা বুবলির সন্তান শেহজাদ খান বীর।
রাজধানীর
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা (আইএসডি) স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে শেহজাদ
খান বীর কে।
৭
সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার স্কুলের প্রথম দিন বীরকে সেখানে
পৌঁছে দেন তার বাবা
শাকিব ও মা বুবলি।
সে
তথ্য নিশ্চিত করে নিজের ভেরিফায়েড
ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট দিয়েছেন বীরের মা চিত্রনায়িকা শবনম
বুবলী।
যেখানে
বেশ কয়েকটি ছবিতে দেখা গেছে, স্কুলের
করিডরে, ক্লাসরুমে বীরকে কোলে নিয়ে শাকিব
খান। পাশেই বুবলী।
বুবলী
ছবিগুলোর ক্যাপশনে
লিখেছেন, আজকের দিনটি আমার জন্য অনেক
আবেগ, ভালোবাসা এবং মায়ার। কারণ,
আজ আমাদের শেহ্জাদ বাপজানের স্কুল এর প্রথম দিন।
এখনও মনে হয় এইতো
সেদিন তুমি পৃথিবীতে এলে
বাবা, হাঁটি হাঁটি পা পা করে
আস্তে আস্তে বড় হচ্ছো, আজকে
থেকে তুমি স্কুলে পড়ো,
তোমার আবার একটি ক্লাস
আইডি নম্বরও আছে। আলহামদুলিল্লাহ! অনেক
বড় হও বাবা, ভীষণ
ভালোবাসি তোমাকে।
বুবলী
ভক্ত-অনুরাগীদের উদ্দেশ্যে লিখেছেন,সবাই আমার শেহজাদ
বাবার জন্য দোয়া করবেন
এবং আপনাদের ভালোবাসায় রাখবেন।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের মেয়ে সুহানা খানের এখনো কোনো ছবি মুক্তি পায়নি। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক এক প্রসাধনী সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন সুহানা।
এতে প্রথম সাফল্য পেলেন সুহানা খান। কিন্তু প্রথম কাজেই সমালোচনার মুখে সুহানা। লোকে সুহানার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখন্ডেকে।
সম্প্রতি সুহানাকে ওই আন্তর্জাতিক প্রসাধনী সংস্থার লিপস্টিকের বিজ্ঞাপনে দেখা মাত্রই ধেয়ে এসেছে কটাক্ষ। ঠোঁটে লাল রং, গায়ের রং যেন ফেটে পড়ছে সুহানার। পোস্টারে দেখা যাচ্ছে, চিৎকার করার ভঙ্গি করছেন শাহরুখ-কন্যা। তার গায়ের রঙে এমন বদল দেখে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কেউ লিখেছেন, সুহানা খান আসলে কালার কারেক্টেড প্রো ম্যাক্স। কেউ লিখেছেন, ওকে অঙ্কিতা লোখান্ডের মতো দেখতে লাগছে। কেউ কেউ লেখেন, অনায়াসেই সুহানার নিজস্ব স্কিন টোন ব্যবহার করা যেত। অন্য কোনো শেডের লিপস্টিক পরানো যেত তাকে। কোনো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের কাছ থেকে তো এমনটাই আশা করা উচিত, তাই না? কারও সোজাসাপটা প্রশ্ন, তার গায়ের রং ফর্সা করার কী দরকার? কেউ লিখেছেন, ‘সুহানার মুখে প্যানকেক মেকআপ ব্যবহার করে ওর আসল রংটা নষ্ট করার কোনো দরকার ছিল কি?
এসব সমালোচনার বিষয়ে সুহানা কোনা মন্তব্য করেননি। জানা গেছে, শিগগিরই ‘দি আর্চিজ’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হতে চলেছে শাহরুখ কন্যা সুহানার।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের তরুণ আলি হাসান ‘ব্যবসার পরিস্থিতি’ শিরোনামে একটি গান দিয়ে রাতারাতি আলোচনায় আসেন। এরপর আলি হাসানকে বেশ কিছু গানে কণ্ঠ দিতে দেখা যায়।
সম্প্রতি কোক স্টুডিও বাংলার তৃতীয় সিজনের দ্বিতীয় গান ‘মা লো মা’তে অংশ নিয়েছেন আলি হাসান। যেখানেও নিজের র্যাপের তালে দর্শকদের মাতিয়েছেন আলি হাসান। মাত্র ৭ দিনের প্রস্তুতিতে এই গানে কণ্ঠ দিয়েছেন বলে জানান আলি হাসান।
সবকিছুই ঠিকঠাক ছিল, তবে সম্প্রতি এক মন্তব্যের জন্য নতুন করে বিতর্কের মুখে পড়েছেন আলি হাসান।
একটি বেসরকারি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ‘গানবাজনার টাকা হারাম’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
ওই সাক্ষাৎকারে আলি হাসান বলেছেন, ‘গান বাজনার টাকা হারাম। এতে কোনো হাদিস চলব না, যেটা হারাম সেটা হারামই। আমার অটো বিজনেসের টাকা হালাল। সংগীত থেকে আয় হারাম।
গান নিয়ে এমন মন্তব্যের পরই কটাক্ষের মুখে পড়েছেন আলি হাসান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার এই বক্তব্যের কঠোর সমালোচনায় মেতেছেন নেটিজেনরা।
বিষয়টি নিয়ে আলি হাসান বলেছেন, ‘আমি শুনেছি, আমার বক্তব্যে নিয়ে অনেক সমালোচনা হচ্ছে। আসলে গান কখনোই আমার ক্যারিয়ারের প্রধান লক্ষ্য ছিল না। আমি অটোর ব্যবসা করি, সারাদিন নিজের ব্যবসা, গ্যারেজ এগুলো নিয়েই ব্যস্ত থাকি। আগামীতে ব্যবসাতেই পুরোপুরো সময় দেব।’
আলি হাসান বলেন, সম্প্রতি ‘‘মা লো মা’’ গানটি মুক্তি পেয়েছে। এই গানেও ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছি। আরও দুই-তিনটা গান প্রকাশের অপেক্ষায় আছে। তবে আগামীতে কাজের পরিমাণ আরও কমিয়ে দেব। শিগগিরই গানবাজনা ছেড়ে দিব।’
কেন গান ছাড়বেন জানতে চাইলে আলি হাসান বলেন, ‘আমার পরিবারের সবাই ধার্মিক। স্ত্রী মাদরাসায় পড়ালেখা করেছেন, ছেলেকে মাদরাসায় ভর্তি করেছি। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, গানবাজনা ছেড়ে দেব।’
সমালোচকদের সমালোচনার জবাবে আলি হাসান বলেন, ‘হারাম-হালালের বিষয়টি হয়তো আমি সেভাবে গুছিয়ে বলতে পারিনি। তবে যারা আমাকে পছন্দ করেন, তারা হয়তো আমার জায়গা থেকে বিষয়টা বুঝতে পারবেন। আর আমি বিশ্বাস করি, খ্যাতি অর্জন বা হারানো সবকিছুই সৃষ্টিকর্তার হাতে। তাই কেউ আমাকে ভুল বুঝলেও করার কিছু নেই।’
মন্তব্য করুন


চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি নাকি প্রেমে মজেছেন- এমন গুঞ্জন ছড়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ফেসবুকে নায়িকা দীঘি সঙ্গে এক ছেলের বেশ কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ছবিগুলো প্রসঙ্গে দীঘির ভাষ্য ছিল,আমরা তো লুকোচুরি করছি না। ছবিগুলো বন্ধু হিসেবেই তোলা। যেহেতু সে মিডিয়ার কেউ নয়,তাই আমি চাই তাকে নিয়ে এ বিষয়ে কোনো আলোচনার সৃষ্টি না হোক। তার সঙ্গে আমার কোনো প্রেমের সম্পর্ক নেই। আমাদের মধ্যে বন্ধুত্বের বাইরে কিছু নেই।
এদিকে ওই নায়িকার সঙ্গে ছেলের ছবিগুলো নিয়ে অনেক সংবাদমাধ্যমেই সংবাদ প্রচার হয়েছে।
মন্তব্য করুন