

আগামী ৭ সেপ্টেম্বর হিন্দি, তামিল ও তেলুগু ভাষায় একযোগে মুক্তি পাচ্ছে
বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের সিনেমা ‘জওয়ান’।
‘জওয়ান’ এর প্রথম গান ‘জিন্দা বান্দা’ খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পাবে। এ গানটিতে এক হাজারের বেশি নারী নৃত্যশিল্পী পারফর্ম করেছেন। আর এ
গানের জন্য নির্মাতারা ১৫ কোটি রুপি ব্যয় করেছেন।
চেন্নাইয়ে বিশাল সেট নির্মাণ করে গানটির ৫দিন শুটিং
হয়েছে। চেন্নাই, হায়দরাবাদ, ব্যাঙ্গালুরু ও মুম্বাইয়ের এক হাজারের বেশি নারী নৃত্যশিল্পী
এতে পারফর্ম করেছেন। গানটিতে নারী নৃত্যশিল্পীর সাথে শাহরুখ খানকেও দেখা যাবে।
বক্সঅফিস ওয়ার্ল্ডওয়াইড
এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ‘জওয়ান’ সিনেমার গানের স্বত্ত্ব কেনার জন্য অনেক কোম্পানি
চেষ্টা করেছে। তবে ৩৬ কোটি রুপিতে সিনেমাটির গানের স্বত্ত্ব কিনেছে টি-সিরিজ।
‘জওয়ান’ সিনেমা
পরিচালনা করছেন তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় পরিচালক অ্যাটলি কুমার।
শাহরুখ খানের বিপরীতে
আছেন দক্ষিণী সিনেমার লেডি সুপারস্টার নয়নতারা। এছাড়াও অভিনয় করেছেন সানায়া
মালহোত্রা, যোগী বাবু। একটি বিশেষ চরিত্রে রয়েছেন প্রিয়ামণি। অতিথি চরিত্রে রয়েছেন
দীপিকা পাড়ুকোন ও থালাপতি বিজয়ের মতো তারকা। ২২০ কোটি রুপি বাজেটের এ সিনেমা প্রযোজনা
করছে শাহরুখের প্রতিষ্ঠান রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে।
মন্তব্য করুন


তরুণ
অভিনেত্রী নিশাত আরা আলভিদা (১৯) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে
মারা গেছেন।
৩১
আগস্ট বৃহস্পতিবার মারা গেছেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি
রাজিউন)।
জানা
যায়, ৪ দিন আগে হঠাৎ জ্বরে
আক্রান্ত হন নিশাত। শারীরিক
অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। তার প্লাটিলেট
কমতে থাকে। অবশ্য এক দিনের মাথায়
প্লাটিলেট আবার বাড়তে থাকে।
কিছুটা সুস্থ বোধ করায় বাসায়
চলে আসে। কিন্তু শেষ
রক্ষা হয়নি। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় নিশাত
বাসাতেই মারা যান।
গতকালই
নিশাতের মরদেহ নাটোরে নিয়ে যাওয়া হয়।
নাটোর হাফ রাস্তা এলাকায়
তারা থাকতেন। সেখানেই একটি কবরস্থানে তার
দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
নিশাতের
বেড়ে ওঠা নাটোর জেলায়।
এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন নিশাত। সর্বশেষ সে অ্যাকাউন্টিং পরীক্ষা
দিয়েছে। এরপর আর কোনো
পরীক্ষা দিতে পারল না। অভিনয়
নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল
নিশাতের। ইচ্ছা ছিল থিয়েটারে অভিনয়
শেখার। কয়েক মাস আগে
সে থিয়েটারিয়ান নামের একটি নাট্যদলে কর্মশালা
করেছিল। থিয়েটার শুরুর ইচ্ছা ছিল। সম্প্রতি একটা
নাটকে পুরো গল্পে ছিলেন
নিশাত।
মন্তব্য করুন


চিত্রনায়ক আদর আজাদ ও অভিনেত্রী মানসী প্রকৃতি জুটির প্রথম সিনেমা ‘যন্ত্রণা’ মুক্তি পাচ্ছে আগামী শুক্রবার। ভালোবাসা ও অ্যাকশন গল্পে নির্মিত আব্দুল্লাহ জহির বাবুর গল্পে সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন আরিফুর জামান আরিফ।
চিত্রনায়ক
আদর আজাদ বলেন, ভালোবাসার গল্পে সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে। গল্পে নতুনত্ব আছে। আশা করছি, সিনেমাটি মুক্তি পেলে দর্শক পছন্দ করবেন।
জনপ্রিয় অভিনেত্রী মানসী প্রকৃতি বলেন, সিনেমার গল্প ও চরিত্রটি ভালো। চেষ্টা করেছি নিজের সেরাটা দিয়ে কাজটি করতে। তবে দর্শক এখন যে ধরনের গল্পের সিনেমা দেখতে চায় এটি তেমনই। চেষ্টা করেছি নিজের চরিত্রটি যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে। অনেক দিন পর বড় পর্দায় আসছি। আশা করছি, গল্প ও চরিত্র মিলিয়ে সিনেমাটি দর্শকের ভালো লাগবে।
সিনেমার পরিচালক আরিফুর জামান আরিফ বলেন, প্রথমবার সিনেমা পরিচালনা করেছি। আশা করি, ‘যন্ত্রণা’ সবার ভালো লাগবে।
আদর-প্রকৃতি ছাড়াও সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন শতাব্দী ওয়াদুদ, ডন, বড়দা মিঠু, সায়মা স্মৃতি, আশরাফ কবির, সোহেল রশিদ, গাঙ্গুয়া, জাহিদ, পারভেজ সুমন, শেখ স্বপ্না, পারভিন আক্তার, অতিথি শিল্পী তনামি হকসহ আরো অনেকেই।
মন্তব্য করুন


সানি দেওলের ‘গদর ২’
একের পর এক রেকর্ড ভেঙেই চলেছে। ৩য় সপ্তাহে যেখানে সিনেমাটির আয় কমার কথা, সেখানে
শনিবার বেড়েছে ‘গদর ২’ এর আয়। এবার ‘কেজিএফ ২’-এর
রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে ‘গদর ২’ সিনেমাটি।
বলিউড মুভি রিভিউজ
বলছে, মুক্তির ১৬তম দিনে ভারতের বক্স অফিসে ১৩.৭৫ কোটি রুপি আয় করেছে ‘গদর ২’।
অর্থাৎ, এখনো পর্যন্ত শুধু ভারতেই সিনেমাটির মোট আয় ৪৩৯.৯৫ কোটি রুপি।
‘কেজিএফ চ্যাপটার ২’
হিন্দি ভার্সনের মোট আয় ছিল ৪৩৪.৭০ কোটি রুপি। ফলে ‘কেজিএফ’র রেকর্ড ভেঙে দিলো
‘গদর ২’।
বলিউডের বাণিজ্য
বিশ্লেষকদের মতে, ২৭ আগস্ট রোববার ‘গদর
২’-এর আয়ের অংকটা আরও বাড়বে। তাদের ধারণা, হিন্দি সিনেমার ইতিহাসের ৩ নম্বর সিনেমা
হিসাবে আজই ৪৫০ কোটির গণ্ডি পার করবে ‘গদর ২’।
এই মুহূর্তে আয়ের
হিসাবে ‘গদর ২’-এর আগে রয়েছে ৫০০ কোটি রুপির ক্লাবে থাকা শাহরুখ খানের ‘পাঠান’
এবং প্রভাসের ‘বাহুবলী ২’ (হিন্দি ভার্সন)।
বক্স অফিস বিশেষজ্ঞদের
মতে, অতি সহজেই ৫০০ কোটি রুপির ক্লাবের তৃতীয় সিনেমা হিসেবে নাম লেখাবে ‘গদর ২’।
২০০১ সালে ‘গদর: এক
প্রেমকথা’ সিনেমাটি বক্স অফিসে ঝড় তুলেছিল।
মন্তব্য করুন


প্রথমবারের মতো বালিউড সিনেমায় অভিনয় করলেন দুই বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান।সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী।
সিনেমার নাম ‘করক সিং’।
২০২২ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয় সিনেমাটির দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হয় ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে।
এ খবর সবার জানা, নতুন খবর হচ্ছে- রহস্য আর সাসপেন্সে ভরপুর থ্রিলার গল্পের সিনেমা ‘করক সিং’ মুক্তি পাচ্ছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে জি ফাইভে। সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষের দিকে সিনেমাটি দেখা যাবে।
জয়া আহসান ছাড়াও এই সিনেমায় প্রধান চরিত্রে আছেন বলিউড অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী। আরও আছেন ‘দিল বেচারা’খ্যাত অভিনেত্রী সঞ্জনা সাংঘী ও মালয়ালম অভিনেত্রী পার্বতী।
এর আগে সিনেমার শুটিং শেষে জয়া আহসান অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন কাজের অভিজ্ঞতাও। ওই সময় শুটিং ও প্যাকআপের কিছু স্থিরচিত্র ফেসবুকে পোস্ট করে জয়া লেখেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী বা যাকে আমরা টনি দা বলে ডাকি, তার নেতৃত্বে এমন অসাধারণ টিমে কাজ করতে পেরেছি। পঙ্কজ ত্রিপাঠি এবং অন্য যারা আছেন, তাদের সঙ্গে কাজ করা আমার জন্য অনেক বড় অভিজ্ঞতা। আমি কাজের প্রত্যেকটি মুহূর্ত ভালোবেসেছি।
জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী আরও লিখেছিলেন, একজন শিল্পী কতখানি শিখতে পারেন, তার কোনো সীমা নেই। প্রত্যেকদিনই আমরা নতুন নতুন জিনিস শিখি এবং এই সিনেমার শুটিং আমার জন্য অতুলনীয় অভিজ্ঞতা। একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে আমাকে সমর্থন করার জন্য পুরো টিমের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। তোমাদের সঙ্গে আবারও কাজ করতে উন্মুখ হয়ে থাকব।
জানা গেছে, অ্যামনেশিয়ায় আক্রান্ত একে শ্রীবাস্তব নামক এক চরিত্রের সংকটময় জীবনের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। এই চরিত্রটি অতীতের সব ঘটনা ভুলে গেছে। ভুলে যাওয়া ছোট ছোট স্মৃতি একত্র করার চেষ্টা করতে থাকে সে। একপর্যায়ে শ্রীবাস্তব আবিষ্কার করে বিরাট এক অর্থনৈতিক অপকর্মের পেছনের সত্য।
‘করক সিং’ সিনেমার এমন গল্প লিখেছেন বিরাফ সরকারি, রিতেশ শাহ ও অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী। এটি প্রযোজনা করছে উইজ ফিল্মস।
মন্তব্য করুন


৭ আগস্ট সোমবার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা হঠাৎ নিজের অসুস্থতার কথা জানান। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি।
এসময় সামাজিক মাধ্যমে হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকা একটি ছবি প্রকাশ করেন তানজিন তিশা।
জানা যায়, হাসপাতালে দুর্বিষহ দিন পার করতে হয়েছে এ অভিনেত্রীকে। চিকিৎসকদের ধারণা, ডায়েটের ও দুশ্চিন্তার কারণেই এমনটা হয়েছে। তবে এখন সুস্থ রয়েছেন অভিনেত্রী, ফিরছেন হাসপাতাল থেকে বাসায়ও।
তানজিন তিশা জানান, গেল কয়েকদিন ধরেই অসুস্থবোধ করছিলেন। এরপর জ্বর ওঠে ১০৩ ডিগ্রি। অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি হন। ডেঙ্গুসহ আরও কিছু পরীক্ষা করিয়েছি। এসব হয়নি। আমি কিছুদিন ধরে ডায়েট করছিলাম। তা ছাড়া দুশ্চিন্তাও করছিলাম। চিকিৎসকের ধারণা, এসব মিলিয়েই এমনটি হয়েছে। আপাতত, আমাকে ডায়েট বন্ধ করতে বলেছেন। প্রচুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বর্তমানে বাসায় বিশ্রামে আছি। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। চিকিৎসক এটা দেখার পরে একটা ওষুধ দেন। ওষুধটি নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মনে হলো, পুরো শরীরে আগুন ধরে গেছে। মনে হচ্ছিল, আমি মারা যাব। যেন মৃত্যুযন্ত্রণা কাছ থেকে দেখেছি। ওই সময় আমার মাকে জড়িয়ে ধরেছিলাম। প্রায় ৩ঘণ্টা পর কিছুটা সুস্থবোধ করি।
সোমবার বিকেলে হাসপাতাল থেকে বাসায় আসেন তিশা।
মন্তব্য করুন


জিন্দেগি না মিলেগি
দোবারা সিনেমায় একটি গানের শুটিংয়ে ১৬ টন টমেটো লেগেছিল। সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছিল
২০১১ সালে। জয়া আখতার পরিচালিত সিনেমা এটি। যেখানে ‘এক জুনুন’ গানে হৃতিক রোশন,
ক্যাটরিনা কাইফ, ফারহান আখতার ও অভয় দেওল নাচে মেতেছিলেন! সিনেমাতে প্রদর্শিত সেই
গানটি টোমাটিনা ফেস্টিভ্যালের কারণে বেশ চর্চিত হয়েছিল দর্শকমহলে!
মুক্তির এত যুগ পরও এখনো যেন সিনেমাটিতে
নতুনত্বের ছোঁয়া মেলে!
সিনেমাটির মুক্তির সময়
প্রযোজক রিতেশ সিধওয়ানি বলেছিলেন, উৎসবটিকে বাস্তব সম্মত দেখাতে সেই সময় তাদের
প্রচুর টমেটো পর্তুগাল থেকে আমদানি করতে হয়েছিল ।
১৬ টন টমেটো পর্তুগাল থেকে আমদানি করতে হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের গুরুত্বপূর্ণ স্থান টাইমস স্কয়ারের বিলবোর্ডে একসঙ্গে দেখা মিলল ৯ জন বাংলাদেশি শিল্পীর মুখ। এর মধ্যে রয়েছেন ইমরান মাহমুদুল, ফাতেমা তুয যাহরা ঐশী, দিলশাদ নাহার কণা, মাশা ইসলাম, জাহিদ নিরব, মুজিব পরদেশি, ইনিমা রশ্নি ও কাজল দেওয়ান।
এছাড়া সবার ওপরে বড় করে যার ছবিটি স্থান পেয়েছে, তিনি সংগীত পরিচালক পাভেল আরিন।
জানা যায়, পাভেলের হাত ধরেই এই টাইমস স্কয়ার যাত্রা। মূলত তিনি একটি নতুন সংগীত সেশন চালু করেছেন। যেটার নাম দিয়েছেন ‘লিভিং রুম সেশন’। এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার জন্যই টাইমস স্কয়ারের একটি বিলবোর্ডে প্রদর্শন হয় প্রজেক্টটির নামসহ শিল্পীদের ছবি।
‘লিভিং রুম সেশন’ নিয়ে পাভেল আরিন বলেছেন, ইতোপূর্বে সিনেমা ও টেলিভিশনে অনেক কাজ করেছি। এবার ভাবলাম নতুন কিছু করি। তাই এই প্রজেক্ট। এটা কিছুটা জ্যামিংয়ের মতো হবে, তবে গানগুলো মিউজিক্যালি যাতে মানসম্পন্ন হয়, সেদিকটা নজরে রাখছি।
এই প্রজেক্টের পরিবেশনায় থাকছে মাশরুম এন্টারটেইনমেন্ট। অডিও প্রডাকশনে বাটার কমিউনিকেশন আর ভিডিওর দিকটি সামলাচ্ছেন মারুফ রায়হান। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনস ডে উপলক্ষে সেশনের প্রথম পরিবেশনাটি উন্মুক্ত করা হবে।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


বলিউডের দর্শকপ্রিয়
অভিনেত্রী জেরিন খান ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে
তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভর্তি হওয়ার বিষয়টি
জেরিন খান প্রকাশ করেছেন।
জানা যায়, জেরিন খান হাসপাতালে ভর্তি হলেও তার অবস্থা স্থিতিশীল। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নিজের হাতের একটি ছবি শেয়ার করেছেন জেরিন খান। ছবিতে দেখা গেছে হাতে স্যালাইন চলছে তার।
এ ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
শেয়ার করে হ্যাশট্যাগ দিয়ে জেরিন লিখেছেন, ‘লাইফ আপডেট’। সম্প্রতি মুম্বাইয়ে
ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে।
২০১০ সালে ‘বীর’
সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক ঘটে জেরিন খানের।
মন্তব্য করুন


১৮ জুন রোববার নিজের ফেসবুকে এই চিত্রনায়িকা মাহিয়া
মাহি লেখেন, আহ, আর ২টা মাস কখন শেষ হবে? জিম করব, ডায়েট করব? আবার চিকনি চামেলি হয়ে ব্যাক করব? নিজেই নিজের ট্রান্সফরমেশন দেখার অপেক্ষায় পাগল হয়ে যাচ্ছি।
২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে গাজীপুরের ব্যবসায়ী রকির সরকারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মাহিয়া মাহি। আর ২০২২ সালের আগস্টে মা হতে যাচ্ছেন বলে মাহি নিজেইখবর জানিয়েছিলেন। এরপর চলতি বছরের ২৮ মার্চ রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন মাহি। বর্তমানে সন্তান ও সংসার নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি।
মন্তব্য করুন