

লম্বা দাড়ির জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করলেন এরিন হানিকাট নামের এক তরুণী। ৩৮ বছর বয়সী এই তরুণী আমেরিকার মিচিগান শহরের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা দাড়িওয়ালা নারী।
১৩ বছর বয়সে প্রথমবার শারীরিক তথা সামাজিক অস্বস্তির মধ্যে পড়েন এরিন। যেহেতু কিশোরীর মুখে ‘ছেলেদের মতো’ দাড়ি গজাতে শুরু করে। শুরুতে নিয়মিত মুখের পশম তুলে ফেলতেন এরিন। ওয়াক্সিং করতেন, হেয়ার রিমুভাল লোশনও ব্যবহার করতেন। কিন্তু একবার উচ্চ রক্তচাপের কারণে চোখে স্ট্রোক হয় তার। এর পরেই দাড়ি কাটা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন। ফলে দিনে দিনে এরিনের দাড়ির দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকে। এমনকি তা পুরনো গিনেস রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।
প্রায় ১ ফুট লম্বা দাড়ি এরিনের। সঠিক হিসাবে দিলে ১১.৮ ইঞ্চি। তিনি ৭৫ বছরের ভিভিয়ান হুইলারের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। ভিভিয়ানের দাড়ির দৈর্ঘ্য ১০.০৪ ইঞ্চি। অর্থাৎ এরিনের দাড়ি ১.৪ ইঞ্চি বেশি লম্বা। সেই কারণেই নতুন গিনেস রেকর্ডের মালিক হলেন তিনি।
এরিন জানিয়েছেন, পরিবার পাশে থাকাতেই সেসব কটাক্ষকে অতিক্রম করতে পেরেছেন তিনি। আমি আমাকে নিয়ে খুশি।
সূত্র : এনডিটিভি, দ্য গার্ডিয়া
মন্তব্য করুন


ঈদের দিন সকাল থেকেই দেশের ২৮টি প্রেক্ষাগৃহে একযোগে প্রদর্শিত হচ্ছে ‘সুড়ঙ্গ’।
বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শকদের কাছ থেকেও বেশ ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেতে দেখা গেছে।
এবার সিনেমার অভিনেতা নিশো জানালেন দর্শকদের সঙ্গে ‘সুড়ঙ্গ’ দেখার অভিজ্ঞতা হয়েছে তারও। ঈদের দিন লুকিয়ে প্রেক্ষাগৃহে প্রবেশ করে নিজের প্রথম সিনেমা দেখেছেন তিনি।
আফরান নিশো বলেন, ‘সিনেমা নিয়ে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য লুকিয়ে প্রেক্ষাগৃহে ঢুকি।
এই অভিনেতা বলেন, ‘আমি দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করি, দর্শকদের ভালোবাসা এমনিতেই পাই।
দর্শকরা কেউ-ই বুঝতে পারেনি আমি হলে আছি। মূলত, শো শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর লুকিয়ে হলে যাই। কারণ আমি চাইনি আমাদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে দর্শকদের নজর সিনেমা বাদ দিয়ে আমাদের দিকে আসুক।’
যারা আমার অনুরাগী তারা আমাকে যথেষ্ট সম্মান করেন, ভালোবাসেন। প্রথম থেকেই বলে আসছি, আমাদের টিমের পরিশ্রম যদি পর্দায় রিফ্লেক্ট করে, তবে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া আসবে। ফাইনালি আমরা দর্শকদের প্রতিক্রিয়া পেয়েছি। মজার দৃশ্যে দর্শকদের হাসি, যেটা বিস্মিত হওয়ার মুহূর্ত সেখানে তারা বিস্মিত হয়েছেন এবং দর্শকদের উচ্ছ্বাস দেখে আমি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম।
দর্শকদের অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।’
‘সুড়ঙ্গ’ যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে চরকি ও আলফা আই। চিত্রনাট্য করেছেন নাজিম উদ্ দৌলা ও রায়হান রাফী।
মন্তব্য করুন


বলিউড
অভিনেত্রী ইলিয়ানা ডিক্রুজ বিয়ের আগেই মা হলেন।
১
আগস্ট বৃহস্পতিবার পুত্র সন্তানের জন্ম দেন এই অভিনেত্রী ইলিয়ানা ডিক্রুজ ।
ইনস্টাগ্রাম পুত্রের ছবি পোস্ট করে এসব তথ্য জানান অভিনেত্রী ইলিয়ানা।
তার পোস্ট
করা ছবিতে দেখা যায়, সদ্যোজাত শিশুটি ঘুমিয়ে আছে। তার ওপর লেখা, কোয়া ফিনিক্স
ডলান। ২০২৩ সালের ১ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেছে। এ ছবির ক্যাপশনে ইলিয়ানা ডিক্রুজ
লিখেছেন, আমাদের প্রিয় পুত্রকে পৃথিবীতে স্বাগত জানাতে পেরে কতটা আনন্দিত, তা
ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। পূর্ণতায় হৃদয় ভরে গেছে।
তবে ইলিয়ানা
ডিক্রুজ এখনো অবিবাহিত। বিয়ের আগে মা হতে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় শোরগোল পড়ে গিয়েছিল
নেট দুনিয়ায়। অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। অনেকে কটাক্ষ করতেও
ছাড়েননি এই অভিনেত্রীকে। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন,তোমার সন্তানের বাবা কে? বিষয়টি
নিয়ে জোর সমালোচনা চললেও এখনো মুখ খুলেননি ইলিয়ানা ডিক্রুজ।
মন্তব্য করুন


নুসরাত ফারিয়া দুই বাংলার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা। সম্প্রতি
‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমায় আইটেম গানে নেচেছেন ফারিয়া। এর রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ‘খেলা হবে’
শিরেনামের গান নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছেন নুসরাত ফারিয়া।
ভারতীয় বাংলা সিনেমার পরিচালক রাজ চক্রবর্তী নির্মাণ
করছেন ওয়েব সিরিজ ‘আবার প্রলয়’। এতে আইটেম গানে নেচেছেন নুসরাত।
৪ আগস্ট শুক্রবার গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে
প্রকাশ করেন রাজ চক্রবর্তী। সেখানে দেখা যায় লাল ঘাগরায় মেনকা সেজে ঠুমকা লাগিয়েছেন
এই অভিনেত্রী। তার সঙ্গে তাল মিলিয়েছেন গৌরব চক্রবর্তী।
এ সিরিজে
গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, গৌরব চক্রবর্তী, কৌশানি মুখোপাধ্যায়,
সোহিনী সেনগুপ্ত, জুন মালিয়া। ধর্মগুরু হিসেবে দেখা যাচ্ছে ঋত্বিক চক্রবর্তীকে।
১১
আগস্ট শুক্রবার থেকে ওটিটি (ওভার দ্য টপ) প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে নতুন সিরিজটি।
মন্তব্য করুন


ঢাকাই
সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক আরিফিন শুভর মা খাইরুন নাহার মারা গেছেন। (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া
ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তিনি
বুধবার রাত ১১ টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর নিউরো সাইন্স হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল
করেছেন। বিষয়টি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক
ও চিত্রনায়ক জায়েদ খান।
চিত্রনায়ক
জায়েদ খান জানান, বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং রাজধানীর শহীদ
বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফনকাজ সম্পন্ন হবে।
জানা
যায়, গত ৮ বছর ধরে শুভর ঢাকার বাসায়ই থাকতেন তার মা খাইরুন নাহার। ২০১৭ সাল থেকে সিজোফ্রেনিয়া
নামক রোগে ভুগছিলেন তিনি। এছাড়াও বার্ধক্যজনিক আরও নানান সমস্যা ছিল । কাজের ফাঁকে
মায়ের সেবা-ডাক্তার-ওষুধ নিয়েও ছোটাছুটির মধ্যে থাকতে হতো নায়ক আরিফিন শুভকে।
মন্তব্য করুন


মা দিবসে পাত্রী চেয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিলেন বলিউড অভিনেতা বিজয় ভার্মা! ছেলের এমন কাণ্ড দেখে মাথায় হাত অভিনেতার মায়ের। যদিও পুরো বিষয়টি ঘটেছে সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ওয়েব সিরিজ ‘দাহাড়’-এর প্রচারের স্বার্থে।
গত ১২ মে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পেয়েছে বিজয় ভার্মা অভিনীত ‘দাহাড়’। সেই সিরিজের প্রচারণার কৌশল হিসেবেই খবরের কাগজে বেরিয়েছে ওই বিজ্ঞাপন। সিরিজে আনন্দ স্বর্ণকার নামক চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিজয়। পাত্রী চেয়ে খবর কাগজের বিজ্ঞাপন বেরিয়েছে আনন্দ স্বর্ণকারের নামেই।
বিজ্ঞাপনের শিরোনামে লেখা, ‘ইন্ডিয়াজ #১ ব্যাচেলর’, অর্থাৎ দেশের এক নম্বর অবিবাহিত পাত্র তিনি। ঠিক কেমন ধরনের পাত্রী চাই তার? বিজ্ঞাপনে লেখা রয়েছে সেই সব তথ্যও। এদিকে সেই বিজ্ঞাপন চোখে পড়েছে বিজয়ের মায়ের। বিজ্ঞাপনে ছেলের ছবি ও পাত্রী চাইয়ের দাবির তালিকা দেখে মাথায় হাত তার। আন্তর্জাতির মা দিবসে এমনই একটি ছবি সামাজিকমাধ্যমের পাতায় পোস্ট করেছেন বলিউড অভিনেতা।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


শাহরুখ
খান অভিনীত সিনেমা ‘জওয়ান’ বাংলাদেশেও মুক্তি পেতে যাচ্ছে । সারা বিশ্বের পাশাপাশি
এটি ৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে মুক্তি পাবে। ‘জওয়ান’ ৭ সেপ্টেম্বর সারা বিশ্বে মুক্তি পাচ্ছে।
২৭
আগস্ট রোববার বিকেলে সিনেমার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাকশন কাট
এন্টারটেইনমেন্ট’-এর প্রধান ও নির্মাতা অনন্য মামুন এ কথা জানান।
তিনি
বলেন, আগামী ৭ সেপ্টেম্বর যেহেতু বৃহস্পতিবার, বাংলাদেশে সিনেমাটি মুক্তি পাবে ৮
সেপ্টেম্বর, শুক্রবার। কারণ বাংলাদেশে শুক্রবার ছাড়া সিনেমা মুক্তির নিয়ম নেই। সাপ্টা
চুক্তির আওতায় সিনেমাটি মুক্তির জন্য বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি
পেয়েছে। এটি বাংলাদেশে আমদানি করছে অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্ট ও রংধনু গ্রুপ।
অ্যাটলি
কুমারের পরিচালনায় সিনেমাটি প্রযোজনা করছে রেড চিলিস এন্টারটেইনমেন্ট।
এ
সিনেমায় শাহরুখ খানের বিপরীতে দেখা যাবে দক্ষিণী সুপারস্টার নয়নতারাকে। আরও আছেন
দীপিকা পাড়ুকোন। এছাড়া আরও সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন বিজয় সেতুপতি, সানিয়া
মালহোত্রা, প্রিয়ামণি, সুনীল গ্রোভার, যোগি বাবু প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী নিজেকে এখনও ‘হ্যাপিলি সিঙ্গেল’ রেখেছেন। বিয়ে নিয়ে তার চিন্তা অনেকটাই ‘নেতিবাচক’। বর্তমানে কাজ নিয়েই সব ব্যস্ততা তার। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বিয়ের বিষয়ে নিজের ভাবনা শেয়ার করেছেন মিমি চক্রবর্তী । সেখানে দেখা গেল, বিয়ের আগেই ডিভোর্সের চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে অভিনেত্রীর মাথায়। মিমির ভাষ্য, অর্ধেকের বেশি বিয়ে টেকে না। স্টোরিতে মিমি লিখেছেন, ৫০ শতাংশ বিয়ে গড়ায় ডিভোর্সে।
তার ভক্তরা ধারণা করছেন, মজার ছলেই বিষয়টি লিখেছেন অভিনেত্রী মিমি।
মন্তব্য করুন


১৮ জুলাই মঙ্গলবার উপসর্গ দেখেই চিকিৎসক জানান, ডেঙ্গুর লক্ষণ। তাকে পরীক্ষা করতে বলেন। ১৯ জুলাই সন্ধ্যায় জানতে পারেন তিনি ডেঙ্গু আক্রান্ত। সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন এই অভিনেত্রী।
জানা গেছে, বর্তমানে বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন তানিয়া বৃষ্টি । এখনো তার প্রচণ্ড জ্বর রয়েছে, কমছে না। জ্বর ১০২/১০৩ ডিগ্রির নিচে নামছে না
মন্তব্য করুন


সম্প্রতি একটি
অনুষ্ঠানে লাল রঙের জ্যাকেট সেট পরে অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি। যা নেটিজেনদের
দৃষ্টিগোচর হয়েছে।তা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে সামনে
এসেছে পোশাকটির দামের বিষয়।
পোশাকটির
দামের বিষয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, প্রিন্টেড জ্যাকেট
সেটটি ডিজাইন করেছেন ভারতীয় ফ্যাশন ডিজাইনার নচিকেত ভার্বে। ওয়েবসাইট ঘুরে দেখা
যায়, এ পোশাকের নাম দিয়েছেন মুনফ্লাওয়ার জ্যাকেট সেট। সেখানে আরও উল্লেখ করা
হয়েছে, পোশাকটি মূল্য ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮৫০ রুপি। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ লাখ ৬৩
হাজার টাকার বেশি।
মন্তব্য করুন