

৮৫
বছর বয়সে চলে গেলেন আর্জেন্টিনাকে ১৯৭৮ সালে প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জেতানো
ক্যারিশম্যাটিক কোচ সেজার লুইস মেনোত্তি।
এক্স
হ্যান্ডেলে মেনোত্তির মৃত্যুর খবর জানিয়ে এএফএ লিখেছে, আর্জেন্টিনা
ফুটবল ফেডারেশন অত্যন্ত শোকের সঙ্গে বর্তমান জাতীয় দলের পরিচালক ও আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপজয়ী কোচ লুইস সিজার মেনোত্তির মৃত্যুর খবর জানাচ্ছে। বিদায় প্রিয় ফ্লাকো!
স্থানীয়
গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে,
মেনোত্তিকে মার্চ মাসে গুরুতর রক্তাস্বল্পতা নিয়ে একটি
ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছিল। তিনি এপ্রিল মাসে ফ্লেবিটিসের জন্য অস্ত্রোপচার
করেছিলেন এবং পরে দেশে ফিরে আসেন বলে জানা গেছে। আর্জেন্টিনার ফুটবলে তাকে সবচেয়ে
প্রভাবশালী কোচ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মেনোত্তি
একজন রাজনৈতিক কর্মী এবং আর্জেন্টিনার কমিউনিস্ট পার্টির সহযোগী সদস্য হবার
পাশাপাশি বক্সিং অনুরাগী ছিলেন। তিনি রোজারিও সেন্ট্রাল (১৯৬০-৬৩ এবং ১৯৬৭) এর
একজন তরুণ খেলোয়াড় হিসাবে তার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন, তারপরে রেসিং
ক্লাব (১৯৬৪) এবং বোকা জুনিয়র্স (১৯৬৫-১৯৬৬)সহ একাধিক ক্লাবের হয়ে খেলেন।
মেনোত্তি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্ক জেনারেলদের হয়ে খেলেছেন (১৯৬৭), তারপরে ব্রাজিলের
সান্তোস (১৯৬৮) এবং ইতালির জুভেন্টাসের (১৯৬৯-১৯৭০) হয়েও তাকে খেলতে দেখা গেছে।
মেনোত্তি
১৯৭৪ থেকে ১৯৮৩ সালের মধ্যে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। বিশ্বকাপের
প্রাক্কালে, মেনোত্তি
১৭ বছর বয়সী ম্যারাডোনাকে স্কোয়াড থেকে বাদ দিয়েছিলেন-যে সিদ্ধান্তের জন্য
উভয়ের মধ্যে সম্পর্কের বেশ অবনতি নয়। পরবর্তীতে মেনোত্তি ১৯৯১-৯২ সালে মেক্সিকো
জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। তিনি বার্সেলোনাকেও নেতৃত্ব দেন, যেখানে তার
স্কোয়াডে ম্যারাডোনা ছিলেন। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, উরুগুয়ের পেনারোল,
ইতালির সাম্পডোরিয়া এবং মেক্সিকোর টেকোসে ছিল তার শেষ কোচিং জীবন। মেনোত্তি
সিগারেটে আসক্ত ছিলেন। কিন্তু ২০১১ সালে তার তামাক আসক্তির কারণে তিন দিনের জন্য
হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে তিনি এই অভ্যাস ছেড়ে দেন।
মেনোত্তি একজায়গায় রসিকতা করে বলেছিলেন, আমাকে না
হারানো পর্যন্ত আমি আমার চুল কাটব না। মেনোত্তির হাত ধরেই সহিংসতাপূর্ণ খেলার
কুখ্যাতি থেকে সরে এসে রোমান্টিক ধাঁচের ফুটবল খেলে সমর্থকদের মন জিতেছে
আর্জেন্টিনা।
মেনোত্তির
মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের
অধিনায়ক লিওনেল মেসি লিখেছেন,
আর্জেন্টিনার ফুটবলের অন্যতম গ্রেট আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তার পরিবার এবং
প্রিয়জনদের প্রতি সমবেদনা। শান্তিতে ঘুমান।
মন্তব্য করুন


একমাত্র টেস্টে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৫৪৬ রানের জয় তুলে নিয়েছে টাইগাররা। রান বিবেচনায় এটি টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়। আন্তর্জাতিক টেস্ট ইতিহাস দেখলে রান হিসাবে এটি তৃতীয় বড় জয়।
এর আগে সবচেয়ে বড় জয় ছিলো ২২৬ রানে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে প্রায় দেড়যুগ আগে ২০০৫ সালে এই জয় পায় বাংলাদেশ।
১৯৩৪ সালের পর এই প্রথম কোনো দল টেস্ট ক্রিকেটে ৫০০ রানের বেশি ব্যবধানে জয় পেলো।
মিরপুরে আগের দিনের ২ উইকেটে ৪৫ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে আফগানিস্তান। যেখানে ঢাকা টেস্টে জিততে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৮ উইকেট। অন্যদিকে, মিরাকল কিছু ঘটাতে আফগানদের লাগবে আরও ৬১৭ রান। আর ড্র করতে হলে উইকেটে কাটাতে হবে পাক্কা দুই দিন!
এমন সমীকরণে দিনের শুরুতেই আফগানিস্তান শিবিরে আঘাত হানে টাইগার পেসার ইবাদত হোসেন। এরপর এতে যোগ দেন শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ। ফলে ১১৫ রানেই গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। আর ৫৪৬ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লিটন দাসের দল।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পালাখাল মডেল ইউনিয়নের সফিবাদ পশ্চিম পাড়া মাদক বিরোধী মিনি ফুটবল টুর্ণামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে সফিবাদ পশ্চিম পাড়া যুব সমাজের আয়োজনে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম সৌরভের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, ইউপি চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান জয়। খেলায় চিনামুড়া একাদশ ও সফিবাদ মেহেদী একাদশে খেলা হয় । খেলায় নির্ধারিত সময় গেলেও ট্রাইব্রেকারে চিনামূড়া একাদশ জয়ী লাভ করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় ও হাসপাতালের রেন্ট কালেক্টর ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. সাজেদুল হাসান কামাল,ইউপি সদস্য জাকির হোসেন মোল্লা,সিটি ব্যাংকের কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন সরকার,কচুয়া থানার এএসআই সাগর চন্দ্র,সাবেক ইউপি সদস্য সফিউল খান,আব্দুর রশিদ,আওয়ামী লীগ নেতা মাসুদুর রহমান সরকার,মামুন সরকার,শরীফুল ইসলাম,ইয়াছিন শিকারী প্রমুখ। এসময় ছাত্রলীগ নেতা আব্দুর কাদের জিলানী সহ খেলার আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ সহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ খেলায় উপভোগ করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট ২০২৩-২৪ কুমিল্লা ভেন্যুর খেলা শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার ( ৬ ফেব্রুয়ারি ) সকাল সাড়ে ৯টায় বেলুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান বলেন, পড়ালেখার পাশাপাশি ক্রীড়াই হচ্ছে একমাত্র মাধ্যম যা এ প্রজন্মের শিশু কিশোর, তরুন তরুনীদের শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ্য রাখতে পারে।
তিনি স্কুল ক্রিকেটের সফলতা কামনা করেন এবং এখান থেকে অংশ নিয়ে কুমিল্লার ছেলেরা জাতীয় পর্যায়ে ভূমিকা রাখবে এ প্রত্যাশা করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক পঙ্কজ বড়ুয়া।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন।তিনি স্কুল ক্রিকেটে কুমিল্লার শক্ত অবস্থানের বিষয়ে তুলে ধরেন।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় প্রথমে ব্যাট করে কুমিল্লা মর্ডান স্কুল ৪০ ওভারে ১৬৯ রান করে। জবাবে ইবনে তাহমিয়া স্কুল ৩৪.৩ ওভারে ১২৮ রানে অলআউট হয়।
এবারের স্কুল ক্রিকেটের আসরে কুমিল্লার ৮টি স্কুল অংশ নিচ্ছে। ক ও খ দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে ৮টি স্কুল দল। ক- গ্রুপে রয়েছে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল, এ্যাথনিকা স্কুল এন্ড কলেজ, ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ ও কুমিল্লা ইউসুফ হাই স্কুল। খ- গ্রুপে রয়েছে কুমিল্লা হাই স্কুল, কুমিল্লা জিলা স্কুল, কুমিল্লা পুলিশ লাইন স্কুল ও কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এর ব্যবস্থাপনায় ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে স্কুল ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট হচ্ছে।
স্কুল ক্রিকেট প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারন সম্পাদক খায়রুল আলম সোহাগ, প্রাইম ব্যাংক কুমিল্লা শাখা ভিপি মোঃ মাহবুব মোর্শেদ, যুগ্ম সম্পাদক বাদল খন্দকার, কোষাদক্ষ আল আমিন ভূইয়া, সদস্য দেলোয়ার হোসেন জাকির, অংশগ্রহণকারী স্কুলগুলোর ক্রীড়া শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গত মাসের পাঁচ তারিখে ২০১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালের পুনরাবৃত্তি দিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্বকাপের ১৩তম আসর। দশ দল নিয়ে শুরু হওয়া এই বৈশ্বিক আসর এসে ঠেকেছে দুই দলে। আহমেদাবাদেই স্বাগতিক ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে এই বিশ্বকাপের। চরম উত্তেজনাকর এই ম্যাচে আসরের সেরা দলের মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা দল।
এবারের আসরে এখন পর্যন্ত দুইদলের সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা একটি ফাইনাল দেখতে যাচ্ছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। এখন পর্যন্ত মোট পাঁচবার বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। আগামীকাল তাদের হেক্সা মিশনের চূড়ান্ত লড়াই। অপরদিকে দুইবার বিশ্বজয় করেছে ভারত। তাদের সামনে তৃতীয় শিরোপা হাতে নেওয়ার সুযোগ।
এই ফাইনালের মঞ্চ ভারত বা অস্ট্রেলিয়া কোন দলের জন্যই অপরিচিত নয়। নিশ্চতভাবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য তো নয়ই, অষ্টমবারের মতো তারা ফাইনালের মঞ্চ মাতাবে। কলকাতা, লন্ডন, জোহানেসবার্গ, বার্বাডোস এবং মেলবোর্নে তারা বিশ্বকাপ তুলেছে এমনভাবে যেভাবে বাচ্চারা তাদের খেলনা সংগ্রহ করে। অনেক দলের জন্য বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা একটি উপলক্ষ। অস্ট্রেলিয়ার জন্য, এটি জীবন ধারণের একটি উপায়। তবে এবার এই বিন্দুতে তাদের যাত্রা অনিশ্চয়তার মধ্যেই ছিল।
বিশ্বকাপে তারা তাদের প্রথম দুটি ম্যাচই হেরেছে, ৩৮৮ রান করার পরেও প্রায় হারতে বসেছিল, ২৯২ রান তাড়া করতে যেয়ে ৯১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে হারতে বসছিল এবং সেমিফাইনালের প্রথম ঘন্টার মধ্যে তাদের প্রতিপক্ষকে ২৪/৪ করার পরও প্রায় হারতে বসছিল। তবুও তারা সব বাধা অতিক্রম করে ফাইনালে প্রায় চ্যাম্পিয়নও তারা। এটি এমন এক বছরে যে বছরে তারা ইতিমধ্যেই অ্যাশেজ ধরে রেখেছে এবং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপও ঘরে তুলেছে, ক্রিকেট খেলার প্রতিটি ফরম্যাটে তিন বছরের বিশ্ব শিরোপা পূর্ণ করতে তাদের দরকার শুধু আগামীকালের ফাইনাল জয়। পারবে তো কামিন্সরা?
তবে বিশ্বকাপের সাথে অজিদের এতো ইতিহাস থাকার পরেও প্যাট কামিন্স এবং তার দল স্বীকার করবে যে তাদের প্রতিপক্ষ ফাইনালে ফেভারিট হিসাবে শুরু করবে এবং শুধুমাত্র এই কারণে নয় যে তারা স্বদেশী দর্শকদের সামনে ঘরের মাঠে খেলবে। এমনকি যারা সাধারণত ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে থাকেন তারাও ভারতের এই দলের ক্রিকেটের এই সংস্করণে যে নির্ভুলতা এবং আগ্রাসণের সাথে কাজ করেছে তার প্রশংসা করবে। এই ভারতীয় দলের সাথে অনেকেই ২০০০ সালের পরের সব জয় করা বিখ্যাত অস্ট্রেলিয়া দলের সাথে মিল পাবেন।
এখানেই রোহিত শর্মা-রাহুল দ্রাবিড়ের কৃতিত্ব। এই ক্যাপ্টেন-কোচ জুটি একটি দলের সাফল্যের জন্য আক্রমণাত্মক ব্র্যান্ডের খেলা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা লুকানোর কোনও চেষ্টা করেনি ,একটি দলে সবার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা এবং অসামান্য ব্যক্তিগত প্রতিভা দিয়ে ভারতকে অজেয়তার আভাস দিয়ে রেখেছেন।
তবে দ্রাবিড় এবং রোহিত কথা নয় কাজে দেখাও মনোভাবে বিশ্বাসী। বলিউডের সিনেমায় দেখানো হয় যোগ্যতার পিছনে ছুটতে কিন্তু বাস্তব জীবনে এখনও সাফল্য মাপা হয় সার্টিফিকেট এবং ট্রফি দিয়ে এটি দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি। ভারতের সর্বকালের সেরা ওয়ানডে দল হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে, রোহিতকে কপিল দেব এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো অধিনায়কদের সারিতে রাখার জন্য শুধু স্কোরকার্ড এবং পরিসংখ্যান দিয়ে হবে না।
সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রোহিতের অসাধারণ অধিনায়কত্বের গল্প, শামির প্রথম বলে উইকেট, কোহলির দুর্দান্ত শতক, রোহিতের প্রায় ১০০ এবং বুমরাহর জাদুকরী বোলিংকে ইতিহাসের পাতায় ভালোভাবে স্মরণ করা হবে যদি আগামীকাল ট্রফিটি রোহিতের হাতে উঠে। ভারতের অবশ্যই সাফল্যের কোন ঐশ্বরিক অধিকার নেই এবং অধিনায়ক এবং কোচ একমত হবেন যে তারা কেবল পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত করতে পারেন। তবে এখন ভারতের এই দলের নিখুঁত সমাপ্তির স্ক্রিপ্ট করার সর্বোত্তম উপায় হল মাঠে জবাব দেয়া।
এই দুই হেভিওয়েটের চেন্নাইতে তাদের ম্যাচ শুরু না করার আগ পর্যন্ত এই বিশ্বকাপটি খুব একটা দৌড়াতে পারেনি। এই দুইদলের তাদের চূড়ান্ত বক্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত এটি শেষ হবে না। মোতেরা থেকে খালি হাতে ফিরে আসা অধিনায়কের কীর্তি হতাশায় আবদ্ধ হবে আর অপর অধিনায়ক একটি ১১ কিলো ভরের সোনা এবং রৌপ্যর প্রলেপ দেওয়ায় ট্রফি দিয়ে লোকগাঁথায় অমরত্ব পাবে।
মন্তব্য করুন


সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগ পর্যন্ত বাজে ফর্মের কারণে ব্যাপক ট্রল আর সমালোচনার শিকার হয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে সেই বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়ে ধারবাহিক হওয়ায়র ইঙ্গিত দেন। এরপর শুধুই ধারবাহিকতা নয়, সেই সব ট্রল আর সমালোচনার জবাবও দিচ্ছেন ব্যাট হাতে। গতকালের ম্যাচ শেষে এই ব্যাটারের প্রশংসা শোনা গেছে বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালের কন্ঠেও।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে বড় অবদান নাজমুল হোসেন শান্তর। ৬৫.৩৩ গড়ে সিরিজের সর্বোচ্চ ১৯৬ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে। যেখানে তিনি ব্যাটিং করেছেন ১০২.৬১ স্ট্রাইকরেটে। এমন পারফরম্যান্সে সিরিজ সেরার পুরস্কার ওঠেছে তার হাতে।
শান্তর জন্য সিরিজটি প্রাপ্তিতে ভরপুর ছিল। প্রথম ম্যাচটি যদিও ছিল অপূর্ণতার। আউট হয়ে যান ৪৪ রান করে। তবে পরের ম্যাচে দলের অসাধারণ রান তাড়ায় নায়ক তিনি ৯৩ বলে ১১৭ রান করে। যেটি তাকে এনে দেয় এই সংস্করণে প্রথমবার ম্যাচ সেরা হওয়ার সম্মান। শেষ ম্যাচে ব্যাট হাতে খেলেন ক্যামিও ইনিংস আর বল হাতে স্বাদ পান প্রথম আন্তর্জাতিক উইকেটের। তাতে নিশ্চিত হয় দলের সিরিজ জয় আর নিজে পান প্রথমবার ম্যান অব দা সিরিজের স্বীকৃতি।
গত বছর পর্যন্ত ১৫ ওয়ানডে খেলে একবারও ৪০ ছুঁতে পারেননি শান্ত। এ বছর ৭ ওয়ানডেতে ১ সেঞ্চুরি ও ৩ ফিফটি হয়ে গেল। ব্যাটিংয়ে এই ধারাবাহিকতার পাশাপাশি আলাদা করে নিজেকে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি ফিল্ডিংয়ে। এই আয়ারল্যান্ড সিরিজেও অসাধারণ ফিল্ডিং করেছেন মাঠের নানা প্রান্তে। এসবের পাশাপাশি শান্তর দল অন্তপ্রাণ মানসিকতাও তুলে ধরলেন তামিম।
তিনি বলেন, 'সবশেষ ২-৩ সিরিজ ধরেই সে খুব ভালো খেলছে। নিয়মিত রান করছে। আমাদের জন্য যা দারুণ ব্যাপার। তিন নম্বর এমন একটি পজিশন, যেখানে লম্বা সময়ের জন্য কাউকে আমরা নিয়মিত পাইনি। আমার মনে হয়, তিন নম্বরে সে নিজের জায়গা পাকা করেছে।'
'সে রান করছে নিয়মিত। শুধু রানই নয়, যেভাবে সে মাঠে ফিল্ডিং করে, সব জায়গায় নিজের সেরাটা দেয়। গ্রেট টিমম্যান… ওর জন্য আমি খুবই খুশি।'-আরও যোগ করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
মন্তব্য করুন


ভারতে
কানপুরে সিরিজের ২য় ও শেষ টেস্টে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ-ভারত। আর টেস্টের প্রথম দিনে
ঘটেছে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। ম্যাচ চলাকালীন ভারতীয় দর্শকদের মারধরের শিকার হয়েছেন
বাংলাদেশি সমর্থক টাইগার রবি।
শুক্রবার
(২৭ সেপ্টেম্বর) টেস্টের ১ম দিনে মধ্যাহ্ন বিরতির সময় বৃষ্টি নামতে শুরু করলে গ্যালারির
ভেতরের দিকে চলে যান টাইগার রবি। এ সময় স্থানীয়
কিছু সমর্থকের সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন বাংলাদেশের এই সমর্থক। এক পর্যায়ে হাতাহাতিতে
জড়িয়ে পড়েন তারা।
খবর
নিয়ে জানা যায়, সেদিন মধ্যাহ্নভোজ বিরতির সময় বৃষ্টি নামতে শুরু করলে গ্যালারির ভেতরের
দিকে চলে যান বাংলাদেশের এ সমর্থক। তখন স্থানীয় কিছু সমর্থকের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়
তার। পরে হাতাহাতিও জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। এতে আহত হন বাংলাদেশি সেই সমর্থক।
পরে
পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয় রবিকে।
আহত
অবস্থায় তিনি জানান, পাজরের নিচের অংশে আঘাত লেগেছে। হামলার কথা স্থানীয় পুলিশকে জানিয়েছেন
তিনি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদিকে আগের বিপিএলের মতো এবারও দেওয়া হয়েছে উষ্ণ অভ্যর্থনা।
বাংলাদেশে এসে বাংলাতেও কথা বলেছেন পাকিস্তানের এই তারকা। চিটাগং কিংয়ের মেন্টর হয়ে আসা শহীদ আফ্রিদি বাংলাদেশকে মানেন দ্বিতীয় বাড়ি হিসেবেই।
আজ নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিততে পারেনি চিটাগং। খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ৩৭ রানে হেরেছে তারা। এতে অবশ্য খুব বেশি সমস্যা দেখছেন না শহীদ আফ্রিদি। বোলিংয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। সঙ্গে বাংলাদেশ নিয়েও বলেছেন কথা। জানিয়েছেন এই দেশ থেকে পাওয়া সম্মানের কথাও।
শহীদ আফ্রিদি বলেন, ‘আমি সব সময় বলি, বাংলাদেশ আমার দ্বিতীয় বাড়ি। এটিকে সব সময়ই আমি দ্বিতীয় বাড়ি হিসেবে দেখি। কারণ এখানে আমি অনেক ক্রিকেট খেলেছি। এখানের মানুষ ক্রিকেটের ব্যাপারে প্যাশনেট। বাংলাদেশ থেকে আমি অনেক সম্মান পেয়েছি। পাকিস্তানের হয়ে ও ভিন্ন ভিন্ন ফ্যাঞ্চাইজির বিপিএলে কয়েক আসরে আমার দারুণ স্মৃতি আছে। সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতা খুব ভালো। এখনো উপভোগ করছি। ’
মন্তব্য করুন


ইতালি প্রবাসী ফুটবলার ফাহমিদুল ইসলামকে প্রাথমিক ক্যাম্পে ডেকেও দেশে আনা হয়নি। এ নিয়ে দেশের ফুটবলে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে আর সমর্থকদের মধ্যে তৈরি হওয়া এ ক্ষোভ গড়িয়েছে আন্দোলনেও।
এমন পরিস্থিতিতে
রাজধানীর নগর ভবনে আজ দুপুর আড়াইটায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ
মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ ফুটবলের নতুন সম্ভাবনা
হামজা চৌধুরী। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত হয়ে চলমান সঙ্কট নিয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টার
সঙ্গে আলোচনায় বসেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল।
এসময় ক্রীড়া উপদেষ্টা
সমর্থকদের পক্ষ থেকে আসা অভিযোগ সম্পর্কে বাফুফে সভাপতি বলেন, ‘ফুটবল ফেডারেশনে
সিন্ডিকেট করার কোনো সুযোগ নেই। যোগ্যতা অনুযায়ী সবাই যার যার জায়গা করে নেবে, এমন
কোন কিছুর আভাস মিললে ব্যবস্থা নেবে ফেডারেশন। ফাহমিদুলকে আমরা বাদ দিয়ে দেইনি। তবে
ওকে আমরা আরও সময় দিতে চেয়েছি। আগামী জুনেই ঘরের মাঠে বাংলাদেশের ম্যাচ রয়েছে,
খুব শিগগিরই হয়তো তাকে আমরা মাঠে দেখতে পারি। সমর্থকদের এতটুকু বলবো, হতাশ হওয়ার
কিছু নেই।
আন্দোলনের
সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, স্বজনপ্রীতি ও সিন্ডিকেটের কারণেই নেওয়া হয়নি ফাহমিদুলকে।
আলোচনায় সিন্ডিকেট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আনা অভিযোগ এবং ফাহমিদুলের বাদ পড়া প্রসঙ্গে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘দেশের স্বার্থেই যোগ্য খেলোয়াড়দের বঞ্চিত করার কোনো সুযোগ নেই। প্লেয়ার সিলেকশনে যেনো স্বজনপ্রীতি বা সিন্ডিকেটের শিকার কেউ না হোন সে বিষয়ে বাফুফেকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। এ বিষয়ে দুর্নীতির প্রমাণ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার।
যে কোনো সঙ্কট
মোকাবিলায় বাফুফেকে আরো সুদৃঢ় পদক্ষেপ নিয়ে দেশের ফুটবলকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার
আহ্বান জানান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
আলোচনায় বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের প্রতি আধুনিক ধারার দৃষ্টিভঙ্গি এবং আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসার প্রয়াসকে প্রশংসিত করে ক্রীড়া উপদেষ্টাকে সাধুবাদ জানান হামজা। বাংলাদেশ ফুটবলকে নিয়ে নতুন সম্ভাবনার কথা শুনিয়ে হামজা চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসায় আমি আপ্লুত, দেশের ফুটবলকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমার আপ্রাণ চেষ্টা থাকবে।
মন্তব্য করুন


তামিম ইকবাল-সাকিব আল হাসানের পারস্পারিক দ্বন্দ্বের কথা একাধিকবার গণমাধ্যমে এসেছে। যদিও এ নিয়ে কখনই স্পষ্টভাবে কিছু বলেননি এই দুই ক্রিকেটারের কেউই। অথচ একটা সময় তাদের বন্ধুত্বের গভীরতা কতটা ছিল, তা সবারই জানা। লম্বা সময়ের এই সম্পর্কে সম্প্রতি কিছুটা ভাটা পড়লেও অধিনায়ক তামিমের প্রশংসা করতে একটুও কার্পণ্য করেননি সাকিব।
পরিসংখ্যান অধিনায়ক তামিমের পক্ষে কথা বললেও অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন এই অভিজ্ঞ ওপেনারের সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে। বিশেষ করে ওয়ানডেতে, গত কয়েক মাস ধরেই কথা বলছে না তার ব্যাট। গতকাল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে দীর্ঘ ৯ মাস পর হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেলেও প্রশ্নবিদ্ধ ছিল তার স্ট্রাইকরেট। ব্যাট হাতে তার এমন ফর্মের কারণেই প্রশ্ন উঠছে তার নেতৃত্ব নিয়েও। তবে তামিমের নেতৃত্বেই আস্থা রাখার পক্ষে মত সাকিবের।
সোমবার ইংল্যান্ডে একটি অনুষ্ঠানে এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার বলেন, 'এগুলো তো সবই প্রাথমিক পর্যায়। এখানে যে ভুলগুলো হচ্ছে কিংবা যে ভালো জিনিসগুলো হচ্ছে এসবই বিশ্বকাপ বা এশিয়া কাপ থেকে ঠিক হওয়া শুরু হবে। আমাদের সামনে খুব বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচও নেই। আমি নিশ্চিত কোচ, অধিনায়ক এসব চিহিৃত করে। তারা খুবই ভালো চিন্তা করে যে কোন জায়গাতে আরও ভালো করলে আরও একটু ভালো হতো। আমি নিশ্চিত কখনই কোনো দলের নেতা, দেশের প্রধান দেশের জন্য বা দলের জন্য খারাপ চায় না। তাদের ইন্টেনশন কখনই খারাপ থাকে না।সিদ্ধান্ত ঠিক, ভুল সবই হতে পারে।'
এবছর ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপ। কন্ডিশন আর নিজেদের শক্তিমত্তা বিবেচনায় এই মেগা আসরে বাংলাদেশের বড় সম্ভাবনা দেখছেন অনেকেই। এই বিশ্বকাপ ঘিরে নিজেদের সম্ভাবনা নিয়ে বেশ আশাবাদী সাকিবও।
বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'আইসিসির টুর্নামেন্টে কন্ডিশন সবসময় ফেয়ার থাকে। সব দলের জন্যই ব্যাপারগুলো একই রকম। আমাদের সবকিছুই ভালো করতে হবে, ভালো রেজাল্ট করতে হবে। সবশেষ বিশ্বকাপে আমাদের ভালো সুযোগ ছিল সামান্য কিছু কারণে হয়ত সফল হতে পারিনি।'
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়াতে অনুষ্ঠিত লাস্ট ম্যান স্ট্যান্ড
ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অস্ট্রেলিয়ার SEQ ক্যাসোওয়ারিজ দলকে হারিয়ে প্লেট চ্যাম্পিয়ন
হয় ক্রিকেটার্স কুমিল্লা।
গত ২৯ জুলাই মালয়েশিয়াতে লাস্ট ম্যান স্ট্যান্ড
টুর্নামেন্ট শুরু হয়। গেলো ৩ অগাস্ট ফাইনাল খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়।
টুর্নামেন্টে ৭ টি দেশের ১৬ টি দল অংশগ্রহণ
করে।
ম্যাচ সেরার পুরস্কার লাভ করে ক্রিকেটার্স
কুমিল্লার মোঃ ফজলে রাব্বি। এছাড়াও ওয়াসেল আহমেদের অনবদ্য ৫০ রান জয়ের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখে। খেলা শেষে লাস্ট ম্যান স্ট্যান্ড ( এল এম এস) এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিঃ
সিমন চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
আগামী ডিসেম্বরে লাস্ট ম্যান স্ট্যান্ড ওয়ার্ল্ড
চ্যাম্পিয়নশীপ টুর্নামেন্টটি সাউথ আফ্রিকাতে অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে টুর্নামেন্টে প্লেট চ্যাম্পিয়ন হওয়ায়
দলের সদস্যসহ শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ক্রিকেটার্স কুমিল্লার
অধিনায়ক আহমেদ সাইফুল্লাহ ও দলটির ম্যানেজার হেলাল উদ্দিন আহমেদ খোকা। তারা এই জয়ের ধারাবাহিকতা কাজে লাগিয়ে আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত লাস্ট ম্যান স্ট্যান্ড ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশীপ টুর্নামেন্টেও শিরোপা নিশ্চিত
করতে চান।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, পুরো বিশ্বে প্রাক্তন ও কর্পোরেট
খেলোয়ারদের নিয়ে লাস্ট ম্যান স্ট্যান্ড ক্রিকেট টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাপক
জনপ্রিয়তা পেয়ে ইতিমধ্যে সারা বিশ্বে আলোড়ন তৈরীতে সক্ষম হয়েছে আয়োজকরা।
মন্তব্য করুন