

১৪ বছর পর সেমিতে উঠেও কুয়েত বাধা টপকাতে পারেনি জামাল ভূঁইয়ারা। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত খেলেও ফাইনালে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ। ফাইনালে খেলার স্বপ্ন পূরণ না হলেও ব্যক্তিগত একটি অর্জন সঙ্গী হয়েছে বাংলাদেশের গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোর। এবারের সাফের সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জিতেছেন তিনি।
সেমি শেষে বাংলাদেশ দল দেশে ফিরে আসায় মঞ্চে সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারেননি বাংলাদেশ দলের গোলরক্ষক। তাই জিকোর পক্ষ থেকে স্মারক পুরস্কার গ্রহণ করেছেন সাফের কম্পিটিশন ম্যানেজার আসিফ। তিনি বাংলাদেশে এসে জিকোকে সেটি বুঝিয়ে দেবেন।
টুর্নামেন্টের ফাইনাল শেষে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে সেরা গোলরক্ষকের এই স্বীকৃতি পান জিকো।
সেরা গোলরক্ষক হওয়ার পর কাল রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়ার সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে আনিসুর রহমান লিখেছেন, 'আলহামদুলিল্লাহ। সাফ টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক।'
এরপর সেই পোস্টের মন্তব্যে আনিসুর রহমান লিখেছেন, 'তাদেরকে বলে দিয়েন সাফ টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক আপনাদের জিকো।'
মন্তব্য করুন


ফিফা কর্তৃক আনীত অভিযোগের ওপর বাফুফে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সেই তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে তিনটি সভা করেছে। আজ তৃতীয় সভায় বাফুফের চার জন স্টাফকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
বাফুফের নির্বাহী সভায় তদন্ত কমিটির প্রথম সভার পর ৩০ কার্যদিবসের সময়সীমা দিয়েছে। বাফুফের অন্যতম সহ-সভাপতি ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই তাদের কাজ সম্পন্ন করার আশাপোষন করলেন, ‘৩০ কার্যদিবস জুনের মাঝামাঝি হয়। আমরা এই সময়ের মধ্যে তদন্ত কাজ শেষ করতে পারব। হয়তো ২/১ দিন বেশি লাগতে পারে।’
প্রথম সভায় কমিটি তাদের কর্মপরিধি ও পন্থা নিয়ে আলোচনা করেছে। দ্বিতীয় সভা থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে তলব করেছে। দ্বিতীয় সভা তিন জনের পর আজ তৃতীয় সভায় চারজনকে তলব করেছে। বাফুফে স্টাফদের কাছ থেকে তদন্ত কাজে আন্তরিকতা পাচ্ছেন বলে জানান আহ্বায়ক, ‘যারা তদন্তে আসছেন তারা আমাদের আন্তরিকতা দিয়ে তথ্য দিচ্ছেন’।
ফিফার ৫১ পাতার রিপোর্টে ক্রয় প্রক্রিয়া নিয়ে অসঙ্গতি ছিল অনেক। বাফুফে যে সকল প্রতিষ্ঠান থেকে সামগ্রী ক্রয় করা হয়েছে। তাদেরকে তদন্তে আনা হবে কিনা এই প্রসঙ্গে নাবিল বলেন, ‘এই বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনে তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হবে’।
তদন্ত কমিটি এক সপ্তাহের মধ্যে তিনটি সভা করেছে। চতুর্থ সভাটিও আগামী সপ্তাহের শুরুতে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
নারী ফুটবল দল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে টানা দুবার শিরোপা জিতেছে। এবার দেড় কোটি টাকা দেওয়ার
ঘোষণা দিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
আজ
শনিবার (৯ নভেম্বর) বাফুফের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভা শেষে
সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মিডিয়া কমিটির প্রধান আমিরুল ইসলাম বাবু। সেখানেই সাবিনা-মারিয়া-তহুরাদের
দেড় কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণাটি দেন তিনি।
এর
আগে সাফ শিরোপা জেতায় চ্যাম্পিয়ন মেয়েদের ১ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল ক্রীড়া
মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকেও এসেছিল পুরস্কারের ঘোষণা।
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়াতে অনুষ্ঠিত লাস্ট ম্যান স্ট্যান্ড
ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অস্ট্রেলিয়ার SEQ ক্যাসোওয়ারিজ দলকে হারিয়ে প্লেট চ্যাম্পিয়ন
হয় ক্রিকেটার্স কুমিল্লা।
গত ২৯ জুলাই মালয়েশিয়াতে লাস্ট ম্যান স্ট্যান্ড
টুর্নামেন্ট শুরু হয়। গেলো ৩ অগাস্ট ফাইনাল খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়।
টুর্নামেন্টে ৭ টি দেশের ১৬ টি দল অংশগ্রহণ
করে।
ম্যাচ সেরার পুরস্কার লাভ করে ক্রিকেটার্স
কুমিল্লার মোঃ ফজলে রাব্বি। এছাড়াও ওয়াসেল আহমেদের অনবদ্য ৫০ রান জয়ের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখে। খেলা শেষে লাস্ট ম্যান স্ট্যান্ড ( এল এম এস) এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিঃ
সিমন চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
আগামী ডিসেম্বরে লাস্ট ম্যান স্ট্যান্ড ওয়ার্ল্ড
চ্যাম্পিয়নশীপ টুর্নামেন্টটি সাউথ আফ্রিকাতে অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে টুর্নামেন্টে প্লেট চ্যাম্পিয়ন হওয়ায়
দলের সদস্যসহ শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ক্রিকেটার্স কুমিল্লার
অধিনায়ক আহমেদ সাইফুল্লাহ ও দলটির ম্যানেজার হেলাল উদ্দিন আহমেদ খোকা। তারা এই জয়ের ধারাবাহিকতা কাজে লাগিয়ে আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত লাস্ট ম্যান স্ট্যান্ড ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশীপ টুর্নামেন্টেও শিরোপা নিশ্চিত
করতে চান।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, পুরো বিশ্বে প্রাক্তন ও কর্পোরেট
খেলোয়ারদের নিয়ে লাস্ট ম্যান স্ট্যান্ড ক্রিকেট টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাপক
জনপ্রিয়তা পেয়ে ইতিমধ্যে সারা বিশ্বে আলোড়ন তৈরীতে সক্ষম হয়েছে আয়োজকরা।
মন্তব্য করুন


আর্জেন্টাইন সুপাস্ট স্টার লিওনেল মেসি ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর পরই বদলে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল। আর এবার যুক্তরাষ্ট্রের এনএফএলের (ন্যাশনাল ফুটবল লিগ) চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচ ‘সুপারবোল’ও মেসির খ্যাতিকে কাজে লাগাতে চলেছে।
আর এবারই ১ম সুপারবোলের বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়েছেন মেসি। ৬০ সেকেন্ডের সেই বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়ে ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার (১৫৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা) আয় করবেন মেসি। সম্প্রতি মেসি একটি বিয়ারের বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়েছেন।
বিয়ার কোম্পানি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পেজগুলোয় এরই মধ্যে মেসির বিজ্ঞাপনের একাধিক টিজার প্রকাশ করেছে। ১৫ সেকেন্ডের একটি টিজারে দেখা যাচ্ছে, সাগরপাড়ে ফুটবল খেলছেন মেসি। কয়েকজনকে ড্রিবল করে বল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। পাশে থাকা পর্যটকেরা তাঁর খেলা মুগ্ধতাভরে দেখছেন।
এই বিজ্ঞাপন আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি লাস ভেগাসের অ্যালেজায়ান্ট স্টেডিয়ামে ন্যাশনাল ফুটবল লিগে (এনএফএল) সুপারবোলের বিরতির সময় দেখানো হবে। প্রতি ৩০ সেকেন্ড বিজ্ঞাপনের জন্য ৭০ লাখ ডলার (৭৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকা) দিয়ে আসছে বিয়ার কোম্পানি। সে হিসাবে মেসি ৬০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়ে পেতে যাচ্ছেন এর দ্বিগুণ অর্থ।
মন্তব্য করুন


চলতি আইপিএলে ধারাবাহিকভাবে রান করে চলেছেন তরুণ ভারতীয় ব্যাটার শুভমান গিল। টুর্নামেন্টটির ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন গুজরাট টাইটান্স এবারও রয়েছে সবার ওপরে। যেখানে গিলের অবদান অবশ্যই স্বীকার করতে হবে। আগের ম্যাচে ৯৪ রানে অপরাজিত থাকার পর তিনি আর দ্বিতীয় সুযোগটা হাতছাড়া করলেন না। আইপিএলের প্রথম ম্যাজিক ফিগার পেয়েছেন তিনি। তার আলো ছড়ানোর আরেকটি রাতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৩৪ রানে হারিয়েছে গুজরাট। একইসঙ্গে সবার আগে তারা কোয়ালিফায়ারে ওঠে গেছে।
সোমবার (১৫ মে) রাতে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামা গিলের সেঞ্চুরিতে ১৮৯ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দেয় গুজরাট। এটি কেবল গিলেরই নয়, গুজরাটের কোনো খেলোয়াড়েরও আইপিএলে এটাই প্রথম সেঞ্চুরি। এদিন রানের খাতা খোলার আগেই উইকেটরক্ষক ব্যাটার ঋদ্ধিমান সাহাকে ফেরান হায়দরাবাদের ভুবনেশ্বর কুমার। হায়দরাবাদের এই পেসার ৫ উইকেট নিয়েছেন। তবে তার এমন দাপটও গুজরাটের রানের চাকা বন্ধ করে দিতে পারেনি।
শুরুতেই উইকেট হারালেও ওয়ানডাউনে নামা সাই সুদর্শনের সঙ্গে বড় জুটি গড়েন গিল। দুজনের জুটিতেই গুজরাট ১৪৭ রানের শক্ত ভিত পেয়ে যায়। তখন মাত্র ১৫তম ওভার শুরু হয়। ফলে অনায়াসেই মনে হয়েছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা দুইশ’র কোঠা সহজেই পার করবে। কিন্তু সুদর্শন ৩৬ বলে ৪৭ রান করে আউট হওয়ার পর ধসে পড়ে গুজরাটের মিডল অর্ডার লাইনআপ। এরপর অল্প রানের ব্যবধানেই প্যাভিলিয়নে ফিরতে থাকেন অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া, ডেভিড মিলার ও রাহুল তেওয়াতিয়া।
মন্তব্য করুন


সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটে হট টপিক সাত নম্বর পজিশন। আসন্ন বিশ্বকাপ দলে কে খেলবেন এই পজিশন? এই নিয়েই যেন যতসব যত জল্পনা-কল্পনা। এই পজিশন নিয়ে এবার কথা সাকিব আল হাসানও।
সাম্প্রতিক সময়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে এই জায়গার দাবিদার বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। তাই এই সমস্যা সমাধনে মধুর সমস্যায় পড়তে হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। তাই সাকিবও বলছেন এমন পরিস্থিতিতে একজন ক্রিকেটারকে বেছে নেওয়া খুব একটা সহজ কাজ হবে না।
সোমবার ইংল্যান্ডে একটি অনুষ্ঠানে এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার বলেন, 'একটা জায়গার জন্য ৬-৭ জনের অপশন। সিদ্ধান্তটা খুবই সহজ না। আমি নিশ্চিত বিশ্বকাপের জন্য কন্ডিশন, প্রতিপক্ষ মাথায় রেখে নির্বাচক, অধিনায়ক, কোচ সঠিক সিদ্ধান্তই নেবে।'
'আমি আসলে নির্বাচক না, ডিসিশন মেকিংয়ের অংশও না। আমার জন্য বলা মুশকিল। কিন্তু দল নিয়ে আমি খুশি এবং আমি নিশ্চিত যারাই এই দলে থাকবে তারা তাদের জায়গা থেকে ১৭ কোটি মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করবে এবং বাংলাদেশের জন্য সেরাটাই দেয়ার চেষ্টা করবে।'-আরও যোগ করেন সাকিব।
মন্তব্য করুন


১৪ বছর পর সেমিতে উঠেও কুয়েত বাধা টপকাতে পারেনি জামাল ভূঁইয়ারা। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত খেলেও ফাইনালে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ। ফাইনালে খেলার স্বপ্ন পূরণ না হলেও ব্যক্তিগত একটি অর্জন সঙ্গী হয়েছে বাংলাদেশের গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোর। এবারের সাফের সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জিতেছেন তিনি।
সেমি শেষে বাংলাদেশ দল দেশে ফিরে আসায় মঞ্চে সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারেননি বাংলাদেশ দলের গোলরক্ষক। তাই জিকোর পক্ষ থেকে স্মারক পুরস্কার গ্রহণ করেছেন সাফের কম্পিটিশন ম্যানেজার আসিফ। তিনি বাংলাদেশে এসে জিকোকে সেটি বুঝিয়ে দেবেন।
টুর্নামেন্টের ফাইনাল শেষে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে সেরা গোলরক্ষকের এই স্বীকৃতি পান জিকো।
সেরা গোলরক্ষক হওয়ার পর কাল রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়ার সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে আনিসুর রহমান লিখেছেন, 'আলহামদুলিল্লাহ। সাফ টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক।'
এরপর সেই পোস্টের মন্তব্যে আনিসুর রহমান লিখেছেন, 'তাদেরকে বলে দিয়েন সাফ টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক আপনাদের জিকো।'
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের বোলাররা অবিশ্বাস্য কিছু করে দেখালেন। ছোট্ট পুঁজি নিয়েও তারা হারিয়ে দিলেন ভারতের মতো শক্তিশালী দলকে। এই জয়ে গড়া হয়ে গেছে নতুন ইতিহাস।
মিরপুর শেরে বাংলায় সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বৃষ্টি আইনে ভারতকে ৪০ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা।৩ ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।
ওয়ানডে ফরম্যাটে প্রথমবারের মতো ভারতের বিপক্ষে জয় বাংলাদেশের মেয়েদের। ওয়ানডেতে ষষ্ঠ দেখায় ভারতের বিপক্ষে প্রথম জয় পেল বাংলাদেশ নারী দল।
বৃষ্টির কারণে ৪৪ ওভার বেঁধে দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশের ইনিংসে। এক ওভার বাকি থাকতেই ১৫২ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিক দল।
বৃষ্টি আইনে ভারতের সামনে ৪৪ ওভারে বেঁধে দেওয়া ১৫৪ রানের লক্ষ্য। শুরু থেকেই ভারতকে চাপে রাখেন বাংলাদেশি বোলাররা। ৬১ রানের মধ্যে ৫ শীর্ষ ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান তারা।
শেষ পর্যন্ত ৩৫.৫ ওভার খেলে ১১৩ রানে অলআউট হয় হারমিনপ্রিত কউরের দল।
মন্তব্য করুন


আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ ভারতের কলকাতা সফরে যাচ্ছেন। দেশটির সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বলছে, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী জুনের শেষ দিকে অথবা জুলাইয়ের শুরুতে দুই দিনের সফরে ‘সিটি অব জয়’তে পা রাখবেন মেসি সতীর্থ।
অ্যাস্টন ভিলার হয়ে খেলা এই গোলরক্ষক কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালের একেবারে শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টিনাকে বড় বাঁচা বাঁচিয়েছিলেন। খেলার একেবারে শেষ মিনিটে যখন স্কোর ৩-৩ এই অবস্থায় তার বাম পা ছুঁড়ে দিয়ে অসম্ভব ক্ষিপ্রতায় ফরাসি স্ট্রাইকার কোলে মুয়ানির জোরালো শট ঠেকিয়ে দেন। এরপর টাইব্রেকারেও দারুণ সফল ছিলেন তিনি। সাফল্যের ছাপ রেখে কাতার বিশ্বকাপে সেরা গোলরক্ষক হন। সেই মার্টিনেজ এবার আসছেন কলকাতায়।
তাকে কলকাতায় নিয়ে আসছেন ফুটবল ‘অন্তপ্রাণ’ শতদ্রু দত্ত। এর আগে ম্যারাডোনা, পেলে, কাফুকে কলকাতায় এনেছিলেন তিনি। সংবাদমাধ্যমে খবর, এই মুহূর্তে ইংল্যান্ডে রয়েছেন শতদ্রু। সেখানেই অ্যাস্টন ভিলার মাঠে মার্টিনেজের সঙ্গে সপরিবারে সময় কাটিয়েছেন তিনি।
তবে মার্টিনেজের কলকাতা ট্যুর নিয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। তবে মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত আভাস দিয়েছেন, কলকাতায় আসার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন এমি মার্টিনেজ। কলকাতায় একটি চ্যারিটি ম্যাচও খেলবেন এমি মার্টিনেজ। মোহনবাগান মাঠে হওয়ার কথা রয়েছে এই ম্যাচের। তবে এর বাইরে আর এই সফরের বিষয়ে আর বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি এখন পর্যন্তও।
কলকাতায় আগে বহু রথী-মহারথী ফুটবলার খেলে গেছেন, ঘুরে গেছেন। পেলে নিজের সেরা সময়ে খেলে গেছেন। ঘুরে গেছেন অবসরোত্তর সময়েও। ম্যারাডোনাও দুই বার এসেছেন। অলিভার কানের বিদায়ী ম্যাচ দেখেছে কলকাতা। এছাড়া আইএসএল-এর সৌজন্যে মাতেরাজ্জি, পিরেস, রবার্তো কার্লোস, রোনালদিনহোদের মতো সুপারস্টার ঘুরে গেছেন কলকাতা। মেসি আর্জেন্টিনা দল নিয়ে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে যুবভারতীতে প্রদর্শনী ম্যাচ খেলেছেন।
মন্তব্য করুন


ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গত মাসের পাঁচ তারিখে ২০১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালের পুনরাবৃত্তি দিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্বকাপের ১৩তম আসর। দশ দল নিয়ে শুরু হওয়া এই বৈশ্বিক আসর এসে ঠেকেছে দুই দলে। আহমেদাবাদেই স্বাগতিক ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে এই বিশ্বকাপের। চরম উত্তেজনাকর এই ম্যাচে আসরের সেরা দলের মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা দল।
এবারের আসরে এখন পর্যন্ত দুইদলের সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা একটি ফাইনাল দেখতে যাচ্ছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। এখন পর্যন্ত মোট পাঁচবার বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। আগামীকাল তাদের হেক্সা মিশনের চূড়ান্ত লড়াই। অপরদিকে দুইবার বিশ্বজয় করেছে ভারত। তাদের সামনে তৃতীয় শিরোপা হাতে নেওয়ার সুযোগ।
এই ফাইনালের মঞ্চ ভারত বা অস্ট্রেলিয়া কোন দলের জন্যই অপরিচিত নয়। নিশ্চতভাবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য তো নয়ই, অষ্টমবারের মতো তারা ফাইনালের মঞ্চ মাতাবে। কলকাতা, লন্ডন, জোহানেসবার্গ, বার্বাডোস এবং মেলবোর্নে তারা বিশ্বকাপ তুলেছে এমনভাবে যেভাবে বাচ্চারা তাদের খেলনা সংগ্রহ করে। অনেক দলের জন্য বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা একটি উপলক্ষ। অস্ট্রেলিয়ার জন্য, এটি জীবন ধারণের একটি উপায়। তবে এবার এই বিন্দুতে তাদের যাত্রা অনিশ্চয়তার মধ্যেই ছিল।
বিশ্বকাপে তারা তাদের প্রথম দুটি ম্যাচই হেরেছে, ৩৮৮ রান করার পরেও প্রায় হারতে বসেছিল, ২৯২ রান তাড়া করতে যেয়ে ৯১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে হারতে বসছিল এবং সেমিফাইনালের প্রথম ঘন্টার মধ্যে তাদের প্রতিপক্ষকে ২৪/৪ করার পরও প্রায় হারতে বসছিল। তবুও তারা সব বাধা অতিক্রম করে ফাইনালে প্রায় চ্যাম্পিয়নও তারা। এটি এমন এক বছরে যে বছরে তারা ইতিমধ্যেই অ্যাশেজ ধরে রেখেছে এবং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপও ঘরে তুলেছে, ক্রিকেট খেলার প্রতিটি ফরম্যাটে তিন বছরের বিশ্ব শিরোপা পূর্ণ করতে তাদের দরকার শুধু আগামীকালের ফাইনাল জয়। পারবে তো কামিন্সরা?
তবে বিশ্বকাপের সাথে অজিদের এতো ইতিহাস থাকার পরেও প্যাট কামিন্স এবং তার দল স্বীকার করবে যে তাদের প্রতিপক্ষ ফাইনালে ফেভারিট হিসাবে শুরু করবে এবং শুধুমাত্র এই কারণে নয় যে তারা স্বদেশী দর্শকদের সামনে ঘরের মাঠে খেলবে। এমনকি যারা সাধারণত ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে থাকেন তারাও ভারতের এই দলের ক্রিকেটের এই সংস্করণে যে নির্ভুলতা এবং আগ্রাসণের সাথে কাজ করেছে তার প্রশংসা করবে। এই ভারতীয় দলের সাথে অনেকেই ২০০০ সালের পরের সব জয় করা বিখ্যাত অস্ট্রেলিয়া দলের সাথে মিল পাবেন।
এখানেই রোহিত শর্মা-রাহুল দ্রাবিড়ের কৃতিত্ব। এই ক্যাপ্টেন-কোচ জুটি একটি দলের সাফল্যের জন্য আক্রমণাত্মক ব্র্যান্ডের খেলা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা লুকানোর কোনও চেষ্টা করেনি ,একটি দলে সবার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা এবং অসামান্য ব্যক্তিগত প্রতিভা দিয়ে ভারতকে অজেয়তার আভাস দিয়ে রেখেছেন।
তবে দ্রাবিড় এবং রোহিত কথা নয় কাজে দেখাও মনোভাবে বিশ্বাসী। বলিউডের সিনেমায় দেখানো হয় যোগ্যতার পিছনে ছুটতে কিন্তু বাস্তব জীবনে এখনও সাফল্য মাপা হয় সার্টিফিকেট এবং ট্রফি দিয়ে এটি দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি। ভারতের সর্বকালের সেরা ওয়ানডে দল হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে, রোহিতকে কপিল দেব এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো অধিনায়কদের সারিতে রাখার জন্য শুধু স্কোরকার্ড এবং পরিসংখ্যান দিয়ে হবে না।
সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রোহিতের অসাধারণ অধিনায়কত্বের গল্প, শামির প্রথম বলে উইকেট, কোহলির দুর্দান্ত শতক, রোহিতের প্রায় ১০০ এবং বুমরাহর জাদুকরী বোলিংকে ইতিহাসের পাতায় ভালোভাবে স্মরণ করা হবে যদি আগামীকাল ট্রফিটি রোহিতের হাতে উঠে। ভারতের অবশ্যই সাফল্যের কোন ঐশ্বরিক অধিকার নেই এবং অধিনায়ক এবং কোচ একমত হবেন যে তারা কেবল পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত করতে পারেন। তবে এখন ভারতের এই দলের নিখুঁত সমাপ্তির স্ক্রিপ্ট করার সর্বোত্তম উপায় হল মাঠে জবাব দেয়া।
এই দুই হেভিওয়েটের চেন্নাইতে তাদের ম্যাচ শুরু না করার আগ পর্যন্ত এই বিশ্বকাপটি খুব একটা দৌড়াতে পারেনি। এই দুইদলের তাদের চূড়ান্ত বক্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত এটি শেষ হবে না। মোতেরা থেকে খালি হাতে ফিরে আসা অধিনায়কের কীর্তি হতাশায় আবদ্ধ হবে আর অপর অধিনায়ক একটি ১১ কিলো ভরের সোনা এবং রৌপ্যর প্রলেপ দেওয়ায় ট্রফি দিয়ে লোকগাঁথায় অমরত্ব পাবে।
মন্তব্য করুন