

বাংলাদেশে পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদিকে আগের বিপিএলের মতো এবারও দেওয়া হয়েছে উষ্ণ অভ্যর্থনা।
বাংলাদেশে এসে বাংলাতেও কথা বলেছেন পাকিস্তানের এই তারকা। চিটাগং কিংয়ের মেন্টর হয়ে আসা শহীদ আফ্রিদি বাংলাদেশকে মানেন দ্বিতীয় বাড়ি হিসেবেই।
আজ নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিততে পারেনি চিটাগং। খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ৩৭ রানে হেরেছে তারা। এতে অবশ্য খুব বেশি সমস্যা দেখছেন না শহীদ আফ্রিদি। বোলিংয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। সঙ্গে বাংলাদেশ নিয়েও বলেছেন কথা। জানিয়েছেন এই দেশ থেকে পাওয়া সম্মানের কথাও।
শহীদ আফ্রিদি বলেন, ‘আমি সব সময় বলি, বাংলাদেশ আমার দ্বিতীয় বাড়ি। এটিকে সব সময়ই আমি দ্বিতীয় বাড়ি হিসেবে দেখি। কারণ এখানে আমি অনেক ক্রিকেট খেলেছি। এখানের মানুষ ক্রিকেটের ব্যাপারে প্যাশনেট। বাংলাদেশ থেকে আমি অনেক সম্মান পেয়েছি। পাকিস্তানের হয়ে ও ভিন্ন ভিন্ন ফ্যাঞ্চাইজির বিপিএলে কয়েক আসরে আমার দারুণ স্মৃতি আছে। সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতা খুব ভালো। এখনো উপভোগ করছি। ’
মন্তব্য করুন


কোপা আমেরিকার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ডান পায়ের অ্যাঙ্কেলে মারাত্মক চোট পেয়েছিলেন লিওনেল মেসি। তার পা ভীষণ ফুলে গিয়েছিল। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দেখা গেছে যে, লিওনেল মেসির লিগামেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর এ কারণে তাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে। মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত রবিবার কোপা আমেরিকার ফাইনালে কলম্বিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচে পায়ে চোট পেয়ে ৬৪ মিনিটে মাঠ ছাড়েন মেসি। ক্যামেরায় দেখা গেছে, মেসির ডান অ্যাঙ্কেল বেশ ফুলে গেছে। এসময় তিনি ডাগ-আউটে বেঞ্চে বসে মুখ ঢেকে কেঁদেছিলেন। গত সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভালো বোধ করা’র কথা জানিয়েছিলেন মেসি। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।
মেসির চোটের অবস্থা নিয়ে ইন্টার মায়ামির অফিসিয়াল বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মেডিকেল পরীক্ষার পর এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে, লিওনেল মেসি ডান অ্যাঙ্কেলে লিগামেন্টে চোট পেয়েছেন। অধিনায়ককে কবে পাওয়া যাবে, সেটি নির্ভর করছে তার সেরে ওঠা এবং শারিরীক অবস্থার ওপর।
এর আগে মায়ামি কোচ জেরার্দো মার্তিনো জানিয়েছিলেন, মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) দলের পরবর্তী দুটি ম্যাচে মেসিকে পাওয়া যাবে না। কিন্তু এবার অনির্দিষ্টকালের জন্যই মাঠের বাইরে গেলেন মেসি।
মন্তব্য করুন


তামিম ইকবাল-সাকিব আল হাসানের পারস্পারিক দ্বন্দ্বের কথা একাধিকবার গণমাধ্যমে এসেছে। যদিও এ নিয়ে কখনই স্পষ্টভাবে কিছু বলেননি এই দুই ক্রিকেটারের কেউই। অথচ একটা সময় তাদের বন্ধুত্বের গভীরতা কতটা ছিল, তা সবারই জানা। লম্বা সময়ের এই সম্পর্কে সম্প্রতি কিছুটা ভাটা পড়লেও অধিনায়ক তামিমের প্রশংসা করতে একটুও কার্পণ্য করেননি সাকিব।
পরিসংখ্যান অধিনায়ক তামিমের পক্ষে কথা বললেও অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন এই অভিজ্ঞ ওপেনারের সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে। বিশেষ করে ওয়ানডেতে, গত কয়েক মাস ধরেই কথা বলছে না তার ব্যাট। গতকাল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে দীর্ঘ ৯ মাস পর হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেলেও প্রশ্নবিদ্ধ ছিল তার স্ট্রাইকরেট। ব্যাট হাতে তার এমন ফর্মের কারণেই প্রশ্ন উঠছে তার নেতৃত্ব নিয়েও। তবে তামিমের নেতৃত্বেই আস্থা রাখার পক্ষে মত সাকিবের।
সোমবার ইংল্যান্ডে একটি অনুষ্ঠানে এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার বলেন, 'এগুলো তো সবই প্রাথমিক পর্যায়। এখানে যে ভুলগুলো হচ্ছে কিংবা যে ভালো জিনিসগুলো হচ্ছে এসবই বিশ্বকাপ বা এশিয়া কাপ থেকে ঠিক হওয়া শুরু হবে। আমাদের সামনে খুব বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচও নেই। আমি নিশ্চিত কোচ, অধিনায়ক এসব চিহিৃত করে। তারা খুবই ভালো চিন্তা করে যে কোন জায়গাতে আরও ভালো করলে আরও একটু ভালো হতো। আমি নিশ্চিত কখনই কোনো দলের নেতা, দেশের প্রধান দেশের জন্য বা দলের জন্য খারাপ চায় না। তাদের ইন্টেনশন কখনই খারাপ থাকে না।সিদ্ধান্ত ঠিক, ভুল সবই হতে পারে।'
এবছর ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপ। কন্ডিশন আর নিজেদের শক্তিমত্তা বিবেচনায় এই মেগা আসরে বাংলাদেশের বড় সম্ভাবনা দেখছেন অনেকেই। এই বিশ্বকাপ ঘিরে নিজেদের সম্ভাবনা নিয়ে বেশ আশাবাদী সাকিবও।
বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'আইসিসির টুর্নামেন্টে কন্ডিশন সবসময় ফেয়ার থাকে। সব দলের জন্যই ব্যাপারগুলো একই রকম। আমাদের সবকিছুই ভালো করতে হবে, ভালো রেজাল্ট করতে হবে। সবশেষ বিশ্বকাপে আমাদের ভালো সুযোগ ছিল সামান্য কিছু কারণে হয়ত সফল হতে পারিনি।'
মন্তব্য করুন


ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গত মাসের পাঁচ তারিখে ২০১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালের পুনরাবৃত্তি দিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্বকাপের ১৩তম আসর। দশ দল নিয়ে শুরু হওয়া এই বৈশ্বিক আসর এসে ঠেকেছে দুই দলে। আহমেদাবাদেই স্বাগতিক ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে এই বিশ্বকাপের। চরম উত্তেজনাকর এই ম্যাচে আসরের সেরা দলের মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা দল।
এবারের আসরে এখন পর্যন্ত দুইদলের সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা একটি ফাইনাল দেখতে যাচ্ছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। এখন পর্যন্ত মোট পাঁচবার বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। আগামীকাল তাদের হেক্সা মিশনের চূড়ান্ত লড়াই। অপরদিকে দুইবার বিশ্বজয় করেছে ভারত। তাদের সামনে তৃতীয় শিরোপা হাতে নেওয়ার সুযোগ।
এই ফাইনালের মঞ্চ ভারত বা অস্ট্রেলিয়া কোন দলের জন্যই অপরিচিত নয়। নিশ্চতভাবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য তো নয়ই, অষ্টমবারের মতো তারা ফাইনালের মঞ্চ মাতাবে। কলকাতা, লন্ডন, জোহানেসবার্গ, বার্বাডোস এবং মেলবোর্নে তারা বিশ্বকাপ তুলেছে এমনভাবে যেভাবে বাচ্চারা তাদের খেলনা সংগ্রহ করে। অনেক দলের জন্য বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা একটি উপলক্ষ। অস্ট্রেলিয়ার জন্য, এটি জীবন ধারণের একটি উপায়। তবে এবার এই বিন্দুতে তাদের যাত্রা অনিশ্চয়তার মধ্যেই ছিল।
বিশ্বকাপে তারা তাদের প্রথম দুটি ম্যাচই হেরেছে, ৩৮৮ রান করার পরেও প্রায় হারতে বসেছিল, ২৯২ রান তাড়া করতে যেয়ে ৯১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে হারতে বসছিল এবং সেমিফাইনালের প্রথম ঘন্টার মধ্যে তাদের প্রতিপক্ষকে ২৪/৪ করার পরও প্রায় হারতে বসছিল। তবুও তারা সব বাধা অতিক্রম করে ফাইনালে প্রায় চ্যাম্পিয়নও তারা। এটি এমন এক বছরে যে বছরে তারা ইতিমধ্যেই অ্যাশেজ ধরে রেখেছে এবং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপও ঘরে তুলেছে, ক্রিকেট খেলার প্রতিটি ফরম্যাটে তিন বছরের বিশ্ব শিরোপা পূর্ণ করতে তাদের দরকার শুধু আগামীকালের ফাইনাল জয়। পারবে তো কামিন্সরা?
তবে বিশ্বকাপের সাথে অজিদের এতো ইতিহাস থাকার পরেও প্যাট কামিন্স এবং তার দল স্বীকার করবে যে তাদের প্রতিপক্ষ ফাইনালে ফেভারিট হিসাবে শুরু করবে এবং শুধুমাত্র এই কারণে নয় যে তারা স্বদেশী দর্শকদের সামনে ঘরের মাঠে খেলবে। এমনকি যারা সাধারণত ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে থাকেন তারাও ভারতের এই দলের ক্রিকেটের এই সংস্করণে যে নির্ভুলতা এবং আগ্রাসণের সাথে কাজ করেছে তার প্রশংসা করবে। এই ভারতীয় দলের সাথে অনেকেই ২০০০ সালের পরের সব জয় করা বিখ্যাত অস্ট্রেলিয়া দলের সাথে মিল পাবেন।
এখানেই রোহিত শর্মা-রাহুল দ্রাবিড়ের কৃতিত্ব। এই ক্যাপ্টেন-কোচ জুটি একটি দলের সাফল্যের জন্য আক্রমণাত্মক ব্র্যান্ডের খেলা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা লুকানোর কোনও চেষ্টা করেনি ,একটি দলে সবার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা এবং অসামান্য ব্যক্তিগত প্রতিভা দিয়ে ভারতকে অজেয়তার আভাস দিয়ে রেখেছেন।
তবে দ্রাবিড় এবং রোহিত কথা নয় কাজে দেখাও মনোভাবে বিশ্বাসী। বলিউডের সিনেমায় দেখানো হয় যোগ্যতার পিছনে ছুটতে কিন্তু বাস্তব জীবনে এখনও সাফল্য মাপা হয় সার্টিফিকেট এবং ট্রফি দিয়ে এটি দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি। ভারতের সর্বকালের সেরা ওয়ানডে দল হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে, রোহিতকে কপিল দেব এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো অধিনায়কদের সারিতে রাখার জন্য শুধু স্কোরকার্ড এবং পরিসংখ্যান দিয়ে হবে না।
সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রোহিতের অসাধারণ অধিনায়কত্বের গল্প, শামির প্রথম বলে উইকেট, কোহলির দুর্দান্ত শতক, রোহিতের প্রায় ১০০ এবং বুমরাহর জাদুকরী বোলিংকে ইতিহাসের পাতায় ভালোভাবে স্মরণ করা হবে যদি আগামীকাল ট্রফিটি রোহিতের হাতে উঠে। ভারতের অবশ্যই সাফল্যের কোন ঐশ্বরিক অধিকার নেই এবং অধিনায়ক এবং কোচ একমত হবেন যে তারা কেবল পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত করতে পারেন। তবে এখন ভারতের এই দলের নিখুঁত সমাপ্তির স্ক্রিপ্ট করার সর্বোত্তম উপায় হল মাঠে জবাব দেয়া।
এই দুই হেভিওয়েটের চেন্নাইতে তাদের ম্যাচ শুরু না করার আগ পর্যন্ত এই বিশ্বকাপটি খুব একটা দৌড়াতে পারেনি। এই দুইদলের তাদের চূড়ান্ত বক্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত এটি শেষ হবে না। মোতেরা থেকে খালি হাতে ফিরে আসা অধিনায়কের কীর্তি হতাশায় আবদ্ধ হবে আর অপর অধিনায়ক একটি ১১ কিলো ভরের সোনা এবং রৌপ্যর প্রলেপ দেওয়ায় ট্রফি দিয়ে লোকগাঁথায় অমরত্ব পাবে।
মন্তব্য করুন


সফট সিগন্যালের বিপক্ষে মন্তব্য করেছিলেন বিরাট কোহলি, বেন স্টোকস, মার্নাস ল্যাবুশেনের মতো ক্রিকেটারও। এই নিয়মের বিরুদ্ধে সমালোচনা করে জরিমানাও গুনতে হয়েছিল বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে। অবশেষে এই নিয়ম বাতিল করতে চলেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
আসন্ন টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল দিয়েই এই নিয়মের ইতি টানতে চলেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এরই মধ্যে এই বিষয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের দুই দল ভারত ও অস্ট্রেলিয়াকে তা জানিয়ে দেয়া হয়েছে।
এমনটাই নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের জনপ্রিয় পোর্টাল ক্রিকবাজ। তাদের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে আইসিসির ক্রিকেট কমিটি সফট সিগন্যালের নিয়ম বাতিল করে আইন সংশোধনের অনুমতি দিয়েছে। এই কমিটির নেতৃত্বে আছেন সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি।
সাধারণত কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলে মাঠের আম্পায়াররা থার্ড আম্পায়ারের সহায়তা চান। সে সময় নিজেদের একটি মত জানিয়ে দেন আম্পায়াররা। তৃতীয় আম্পায়ার অনেক সময় সিদ্ধান্ত নিয়ে দোটানায় ভুগলে মাঠের আম্পায়ারের মতকেই গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
এই নিয়ম বাতিলের ফলে থার্ড আম্পায়ারের গুরুত্ব আরও বাড়বে। এখন থেকে মাঠের আম্পায়ারদের মতামত ছাড়াই স্বাধীনভাবে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানাতে পারবেন থার্ড আম্পায়ার। ফলে বিতর্কিত সিদ্ধান্তের সংখ্যা অনেকাংশেই কমে আসতে পারে।
সফট সিগন্যালের নিয়মের সঙ্গে আরও দুটি নিয়মের পরিবর্তন আনতে চলেছে আইসিসি। এর মধ্যে একটি হলো দিনের আলো কমে গেলে ফ্ল্যাড লাইটের আলোয় ম্যাচ চালিয়ে যাওয়ার নিয়ম চালু হচ্ছে। সেই সঙ্গে টেস্ট ম্যাচেও রিজার্ভ ডের প্রচলন হতে যাচ্ছে। যদিও সবগুলো বিষয়ই চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
নারী ফুটবল দল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে টানা দুবার শিরোপা জিতেছে। এবার দেড় কোটি টাকা দেওয়ার
ঘোষণা দিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
আজ
শনিবার (৯ নভেম্বর) বাফুফের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভা শেষে
সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মিডিয়া কমিটির প্রধান আমিরুল ইসলাম বাবু। সেখানেই সাবিনা-মারিয়া-তহুরাদের
দেড় কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণাটি দেন তিনি।
এর
আগে সাফ শিরোপা জেতায় চ্যাম্পিয়ন মেয়েদের ১ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল ক্রীড়া
মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকেও এসেছিল পুরস্কারের ঘোষণা।
মন্তব্য করুন


অবশেষে
ব্রাজিল দলে ফিরছেন সাবেক পিএসজি ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়র।
নেইমার জুনিয়র ২০২২ বিশ্বকাপের পর থেকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অনুপস্থিত ছিলেন।
এরপর চোটে পড়ে মাঠের বাইরেই সময় কেটেছে নেইমার জুনিয়রের।
আগামী মাসে দক্ষিণ
আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দুটি ম্যাচ খেলবে পাঁচবারের এই বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর প্রথম ম্যাচটি হবে বলিভিয়ায় এবং চারদিন পর অন্য ম্যাচটি হবে
পেরুর মাটিতে। সেলেসাওদের নতুন কোচ ফের্নান্দো দিনিজ এই দুই ম্যাচের প্রাথমিক দলে
নেইমার জুনিয়রকে রেখেছেন।
২০২৬ বিশ্বকাপ
বাছাইপর্বের দুই ম্যাচের জন্য গতকাল ২৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে ব্রাজিল। কয়েকদিন
আগেই পিএসজি ছেড়ে সৌদি আরবের ক্লাব আল হিলালে যোগ দেওয়া নেইমারের সঙ্গে ব্রাজিলের
আক্রমণভাগে থাকছেন রিয়াল মাদ্রিদের দুই তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রদ্রিগো। টটেনহাম
তারকা রিচার্লিসনও আছেন।
কাতার বিশ্বকাপের পর
আন্তর্জাতিক ফুটবলে ভুলে যাওয়ার মতোই সময় কাটছে ব্রাজিলের। এখন পর্যন্ত তিনটি
প্রীতি ম্যাচ খেলে দুটিতেই হেরে গেছে তারা। এর মধ্যে মরক্কোর কাছে ২-১ গোলে এবং
সেনেগালের কাছে তারা হেরেছে ৪-২ গোলে। জিতেছে কেবল গিনির বিপক্ষে, ৪-১ গোলে।
ব্রাজিলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের
দল:
রক্ষণভাগ: দানিলো
(জুভেন্টাস), ভানদারসন (মোনাকো), রেনান লদি (মার্শেই), কাইও হেনরিক (মোনাকো),
গাব্রিয়েল ম্যাগালহেইস (আর্সেনাল), মারকিনিওস (পিএসজি), ইবানেজ (আল আহলি), নিনো
(ফ্লুমিনেন্স)
মিডফিল্ডার: ব্রুনো
গুইমারেজ (নিউক্যাসল), আন্দ্রে (ফ্লুমিনেন্স), জোয়েলিংতন (নিউক্যাসল), কাসেমিরো
(ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), রাফায়েল ভেইগা (পালমেইরাস)
ফরোয়ার্ড: নেইমার (আল
হিলাল), গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি (আর্সেনাল), রিচার্লিসন (টটেনহাম), রদ্রিগো
(রিয়াল মাদ্রিদ), ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (রিয়াল মাদ্রিদ), অ্যান্থনি (ম্যানচেস্টার
ইউনাইটেড), ম্যাথিউস কুনহা (উলভারহ্যাম্পটন)।
গোলরক্ষক: আলিসন
(লিভারপুল), এদেরসন (ম্যানচেস্টার সিটি), বেন্তো (আতলেতিকো প্যারানায়েন্স)।
মন্তব্য করুন


সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টেবিল টেনিসে অনূর্ধ্ব ১৯ বালক দলগত খেলায় স্বর্ণপদক জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই স্বর্ণপদক অল্পের জন্য মিস হয়েছে। বাংলাদেশ, নেপাল এবং শ্রীলংকার তিন দলের পয়েন্ট সমান হওয়ার ফলে টাই হয়। পরবর্তীতে প্রত্যেক ম্যাচের সেট স্কোর হিসাব করে নেপাল স্বর্ণপদক, শ্রীলঙ্কা রৌপ্য এবং বাংলাদেশ ব্রোঞ্জ পদক লাভ করে।
গতকাল বাংলাদেশ যদি শুধু নেপালের বিরুদ্ধে একটি সেটও জিতত, তাহলে গতবারের স্বর্ণপদক ধরে রাখতে পারতো বাংলাদেশ। ভারতের অরুণাচল প্রদেশের ইটানগরে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশীপের সমস্ত দলগত খেলা গুলো রাউন্ড রবিন লীগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের জন্য দলগত খেলায় মিশ্র ফলাফল এসেছে।
আজ সকালে বালক অনূর্ধ্ব -১৯ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৩-২ ব্যবধানে জয়লাভ করে। কিন্তু গতকালকে নেপালের বিরুদ্ধে ৩-০ সেটে হারে এবং মালদ্বীপের বিরুদ্ধে ৩-০ সেটে জিতে । আজকে যে শ্রীলঙ্কাকে বাংলাদেশ ৩-২ সেটে হারিয়েছে সেই শ্রীলংকা নেপালকে গতকালকে ৩-১ সেটে হারিয়েছিল।
অনূর্ধ্ব ১৫ বালক দল অল্পের জন্য রৌপ্য পদক মিস করে । বালক দল প্রথমে মালদ্বীপকে (৩-০) ব্যবধানে হারায় ও পরের ম্যাচে শ্রীলংকার সাথে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ৩-২ সেটে বাংলাদেশ পরাজিত হয় আজ সকালে নেপালের সাথে (৩-০) জয়লাভ করে এবং পরের খেলায় শক্তিশালী ভারতের সাথে ৩-০ সেটে পরাজিত হয়ে বাংলাদেশ ব্রোঞ্জ পদক লাভ করে।
বালিকা অনূর্ধ্ব ১৫ দলগত বিভাগে প্রথমবারের মতো ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করে । আজ সকালে বাংলাদেশ মালদ্বীপকে ৩-২ সেটে পরাজিত করে । আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে একক, দ্বৈত ও মিশ্র দ্বৈতের খেলা।
মন্তব্য করুন


রংপুর রাইডার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিপিএলের ফাইনালে উঠেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
১৮৫ রানের জবাবে খেলতে নেমে ৯ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কুমিল্লা ।
তবে
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের। সুনীল নারিন শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন। এরপর তিনে নামা তাওহিদ হৃদয় লিটন দাসকে নিয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। তাদের অসাধারণ এক জুটিতে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় রংপুর। পরে ৪৩ বলে ৬৪ রানে আউট হন হৃদয়। চারে নামা জনসন চার্লস ৩ বলে ১০ রানে ফেরেন। এর পরের ওভারে ৫৭ বলে ৮৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হন লিটন। ততক্ষণে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
এর আগে, সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৫ রান তোলে সাকিব আল হাসানের দল।
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি রংপুরের। মাত্র ২৭ রান তুলতেই প্রথম ৩ ব্যাটার রনি তালুকদার (১৩), শামিম হোসেন (০) ও সাকিব আল হাসান (৫) ফিরেছেন দ্রুতই। পরে ঘুরে দাঁড়ায় নিশামের ব্যাটে। প্রথমে তাকে সঙ্গে দেন মাহেদী হাসান। ব্যাটিং অর্ডারের উপরে উঠে আসা মাহেদী ১৭ বলে ২২ রান করে ফেরেন ক্যারিবীয় স্পিনার সুনীল নারিনের বলে।
মাহেদীর পর নিশামের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন পুরান। কিন্তু তিনিও ব্যর্থ হন। তবে নিশাম একপ্রান্ত আগলে রেখে ব্যাট হাতে ঝড় তুলতে শুরু করেন। ৩১ বল খেলে ফিফটি তুলে নেন। এরপরও চলতে থাকে তার আগ্রাসী ব্যাটিং। রংপুরের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান ২৪ বলে ৩০ রান করে তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন। তবে ১৯তম ওভারে তাকে ফেরান ক্যারিবীয় পেস অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল।
অপরপ্রান্তে উইকেট পতন হলেও নিশাম থামেননি। শেষ ওভারে মুশফিক হাসানের ওভারে ৩ ছক্কা ও ২ চারে তুলে নেন ২৮ রান। শেষ পর্যন্ত ৪৯ বলে ৯৭ রানে অপরাজিত থাকেন নিশাম।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার ভারতের বেঙ্গালুরুর কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলে দুই দল।
খেলার ১৫ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় কুয়েত। ৩৮ মিনিটে গোল করে সমতায় ফেরে ভারত। প্রথমার্ধ থেকে দুই দল একটি করে গোল নিয়ে সমতা ধরে রেখেছিল। যা বজায় ছিল নির্ধারিত সময় গড়িয়ে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও।
১২০ মিনিটের খেলা শেষেও কুয়েত-ভারত ম্যাচের স্কোরলাইন ছিল ১-১। পরবর্তীতে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। টাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে জিতে শিরোপা জয়ের উল্লাসে মাতে ভারত।
সাফ চ্যাম্পিয়নশিফের ফাইনালে কুয়েতকে হারিয়ে নয়বারের মতো শিরোপা জিতল ভারত। মঙ্গলবার শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে টাইব্রেকারে কুয়েতকে ৫-৪ গোলের ব্যবধানে হারায় ভারত।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন