

ডেস্ক রিপোর্ট:
চলতি (২০২৪-২৫) অর্থবছরের শুরু থেকেই ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। এ ধারা অব্যাহত রয়েছে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসেও। নভেম্বরের প্রথম ২৩ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিভিন্ন দেশ থেকে ১৭২ কোটি ৬৪ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এটি দেশের মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২০ টাকা হিসাবে) প্রায় ২০ হাজার ৭১৬ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের ২৩ দিনে প্রবাসী আয় এসেছে ১৭২ কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার। প্রতিদিন গড়ে এসেছে ৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ৯০০ কোটি টাকার বেশি। এ ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাসে রেমিট্যান্স ২ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নভেম্বরের ২৩ দিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোতে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ৬৪ কোটি ডলার। বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৩ কোটি ১০ লাখ ৪০ হাজার ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলো থেকে এসেছে ৯৫ কোটি ১৩ লাখ ১০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪০ লাখ ৮০ হাজার ডলার।
এ সময়ে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি এমন ব্যাংকগুলোর সংখ্যা ৯টি। এর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল), বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব)। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেনস ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক এবং পদ্মা ব্যাংক। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এবং স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।
এর আগে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে ১৯১ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। পরবর্তী মাস আগস্টে এসেছে ২২২ কোটি ৪১ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে এসেছে ২৪০ কোটি ৪৮ লাখ ডলার এবং অক্টোবরের ২৪০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে।
গত অর্থবছরের জুন মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫৪ কোটি ১৬ লাখ মার্কিন ডলার। তার আগে মে মাসে এসেছিল ২২৫ কোটি ৩৮ লাখ ডলার, এপ্রিল মাসে ২০৪ কোটি ৪২ লাখ ডলার, মার্চে ১৯৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ২১৬ কোটি ৪৫ লাখ ডলার এবং জানুয়ারিতে ২১১ কোটি ৩১ লাখ ডলার প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছিলেন।
বাংলাদেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০ সালের জুলাই মাসে, যার পরিমাণ ছিল ২৬০ কোটি ডলার। বছরভিত্তিক হিসাবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে ২০২০-২১ অর্থবছরে, যেখানে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২৪ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৪৭৮ কোটি ডলার।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। আজ মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ সংক্রান্ত সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
উপদেষ্টা বলেন, ২০ শতাংশ কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার জন্য সরকারের সব মহল থেকে সম্মিলিত প্রচেষ্টা আছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সে আলোচনা এখনো চলমান। চূড়ান্ত চুক্তির আগে সেটা হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছি, আশা করছি শুল্ক কমতে পারে। তবে এটা নিশ্চিত করে বলা যাবে না। কারণ যারা আরোপ করেছেন (যুক্তরাষ্ট্র) তাদের ওপর বিষয়টি বেশি নির্ভর করে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তির কোনো তারিখ এখনো পাওয়া যায়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্কের হার ২০ শতাংশের ঘোষণা এলেও দেশটির সঙ্গে এখনো কোনো চুক্তি হয়নি। চুক্তি এ মাসের শেষে হতে পারে। চুক্তির খসড়া তৈরির কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর)।
মন্তব্য করুন


চলতি বছরের এপ্রিলে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) প্রায় ২ কোটি টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে সরকার। প্রতিষ্ঠাটির কাছ থেকে ২০২২ সালের এপ্রিলের তুলনায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা কম রাজস্ব পেয়েছে সরকার। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ডিএসইর তথ্য মতে, এপ্রিলে পুঁজিবাজারে মোট ১৮ কর্মদিবস লেনদেন হয়েছে। এই ১৮ দিনের মধ্যে ১২ কর্মদিবস উত্থান আর ৬ কর্মদিবস বাজারে পতন হয়েছে। সব মিলিয়ে মাসটিতে ১৮ লাখ ৭০ হাজার বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) ধারী বিনিয়োগকারীরা ১০ হাজার ২৯৬ কোটি ২৯ লাখ ৭৮ হাজার ৩৫৪ টাকার শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড ও বন্ড কেনা-বেচা করেছেন। সেখান থেকে কর বাবদ সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ১৯ কোটি ৯৯ লাখ ১৭ হাজার ৮০৭ টাকা।
এর আগের বছর ২০২২ সালে এপ্রিল মাসে ১২ হাজার ১০৫ কোটি ১২ লাখ ৮৮ হাজার ৬১২ টাকার শেয়ার কেনা-বেচা হয়েছিল। সেখান থেকে ২১ কোটি ৭৯ লাখ ৩৪ হাজার ২৯৯ টাকা রাজস্ব আয় অর্থাৎ ১ কোটি ৮০ লাখ ১৬ হাজার ৪৯২ টাকা রাজস্ব কমেছে। লেনদেন কম হওয়ায় সরকার পুঁজিবাজার থেকে রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে।
তবে এর মধ্যে ভালো খবরও রয়েছে। সেটি হলো- চলতি বছরের মার্চের মাসের তুলনায় এপ্রিলে লেনদেন বেড়েছে। আর লেনদেন বাড়ায় মার্চের তুলনায় ২ কোটি ৪৬ লাখ টাকার রাজস্ব বেশি পেয়েছে সরকার।
চলতি মার্চে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৯ হাজার ৪০৬ কোটি ৪১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুায়ল ফান্ডের ইউনিটের। সেখান থেকে লেনদেনের ওপর কমিশন বাবদ সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ১৭ কোটি ৫২ লাখ ৭৮ হাজার ২৯২ টাকা।
আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, দুই ধরনের শেয়ার কেনাবেচা থেকে সরকার রাজস্ব আয় করে। প্রথমটি হলো- কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার কেনাবেচা থেকে রাজস্ব আয়। দ্বিতীয়টি হলো- বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনাবেচায় ব্রোকারেজ হাউজের ওপর আরোপিত কর।
ডিএসইর তথ্য মতে, দুই ধরনের করের মধ্যে প্রথমটি হলো- ৫৩ বিধি ধারা, এই ধারায় ডিএসইর স্টেক হোল্ডারদের অর্থাৎ ব্রোকার হাউজের প্রতিনিধিদের লেনদেনের ওপর দশমিক ০৫ শতাংশ কর। এ খাত থেকে এপ্রিলে রাজস্ব আয় হয়েছে ১০ কোটি ৩২ লাখ ৭৩ হাজার ৩৫৩ টাকা। যা এর আগের বছরের একই মাসে ছিল ১২ কোটি ৩৬ লাখ ৯২ হাজার ৫১৭ টাকা।
অন্যদিকে, বিএসইসি রুলস ৫৩-এম অনুসারে, স্পন্সর শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার কেনাবেচা বাবদ লেনদেন ও শেয়ার হস্তান্তর থেকে ৫ শতাংশ হারে কর বাবদ রাজস্ব আয় হয়েছে ৯ কোটি ৬৬ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৪ টাকা। যা ২০২২ সালের একই সময়ে ছিল ৯ কোটি ৪২ লাখ ৪১ হাজার ৭৮২ টাকা।
সব মিলিয়ে ডিএসই থেকে এপ্রিল মাসে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ১৯ কোটি ৯৯ লাখ ১৭ হাজার ৮০৭ টাকা। ডিএসই এই টাকা সরকারের কোষাগার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) জমা দিয়েছে।
মন্তব্য করুন


দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব অনুযায়ী, এখন দেশে রিজার্ভ বিপিএম-৬ হিসেবে দাঁড়িয়েছে ২৬ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার।
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।
গত রোববার দেশে রিজার্ভ বিপিএম-৬ হিসেবে ছাড়িয়েছিল ২৬ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে দেশের মোট রিজার্ভ ৩১ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার দেশে রিজার্ভ বিপিএম-৬ হিসেবে ছিল ২৫ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে দেশের মোট রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার।
আরিফ হোসেন খান জানায়, আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী আজ দেশে রিজার্ভ বিপিএম-৬ হিসেবে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৬৬৬ কোটি ৩৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে দেশের মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ১৬৮ কোটি ৩৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার। তবে ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ এক হাজার ৮০০ কোটি ডলারের বেশি।
মন্তব্য করুন


আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ভারতে যাচ্ছে ৩ হাজার ৯৫০ টন ইলিশ। এ লক্ষ্যে ৭৯টি প্রতিষ্ঠানকে রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয় থেকে এ অনুমোদন দিয়ে আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
৭৯টি প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেককে ৫০ টন করে রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ইলিশ মাছ রপ্তানির বিষয়ে পাওয়া আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে শর্ত সাপেক্ষে এসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের নামের নির্ধারিত পরিমাণ ইলিশ ভারতে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হলো।
রপ্তানির শর্তে বলা হয়, রপ্তানি নীতি ২০২১-২০২৪ এর বিধি-বিধান অনুসরণ করতে হবে, শুল্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রপ্তানির অনুমতি পাওয়া পণ্যের কায়িক পরীক্ষা যথাযথভাবে করতে হবে, প্রতিটি কনসাইনমেন্ট জাহাজীকরণ শেষে রপ্তানি সংক্রান্ত সব কাগজপত্র ই-মেইল করতে হবে এবং অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি রপ্তানি করা যাবে না।
প্রতিটি পণ্যচালান রপ্তানিকালে শুল্ক কর্তৃপক্ষ এসোডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেম পরীক্ষা করে অনুমোদিত পরিমাণের অতিরিক্ত পণ্য রপ্তানি না করার বিষয়টি নিশ্চিত হবেন, এ অনুমতির মেয়াদ আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে সরকার মৎস্য আহরণ ও পরিবহণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বিধি-নিষেধ আরোপ করলে তা কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ অনুমতির মেয়াদ শেষ হবে।
এতে আরও বলা হয়, সরকার প্রয়োজনে যেকোনো সময় ইলিশ মাছ রপ্তানি বন্ধ করতে পারবে। এ অনুমতি কোনোভাবেই হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং অনুমোদিত রপ্তানিকারক ব্যতীত সাব কন্ট্রাক্টে রপ্তানি করা যাবে না।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
সারা দেশের বাজারে চলমান সংকটের মধ্যেই সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
সোমবার ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এ তথ্য জানান বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
তিনি জানান, বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটারে আট টাকা বাড়িয়ে ১৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটারে আট টাকা বাড়িয়ে ১৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাণিজ্য উপদেষ্টা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির কারণে সরবরাহ সংকট হয়েছে। এর ফলে দেশে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা মজুতদারি করছে, সেই তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ব্যাংক কেন্দ্রীয়ভাবে সেবার বিপরীতে প্রাপ্ত অর্থ বিদেশে পাঠানো প্রক্রিয়া সহজ করেছে। এখন থেকে সেবার অর্থ বিদেশে পাঠাতে নিয়ন্ত্রণ সংস্থার অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না। ব্যাংকগুলো তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্তে নিয়মিত বৈদেশিক ব্যয় বাবদ অর্থ বিদেশে পাঠাতে পারবে।
১২ জানুয়ারি, রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংক একটি সার্কুলার জারি করেছে, যার মাধ্যমে বিদেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ হয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, সেবা খাতের ব্যয়ের মধ্যে রয়েছে: রয়টার্স মনিটর, ব্লুমবার্গ ফি, ব্যাংকার্স আলমনার্ক, ডিউ ডিলিজেন্স রেপোজিটরি ব্যয়, ক্রেডিট রেটিং সার্ভিস ফি, মূল্য যাচাই ফি ইত্যাদি। এছাড়া, ব্যাংকগুলোকে বিদেশ ভ্রমণকারীদের লাউঞ্জ সুবিধা সংক্রান্ত খরচ পরিশোধের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, পুঁজিবাজারের মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন ব্রোকারেজ ফার্ম, মার্চেন্ট ব্যাংক, অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি এবং অন্যান্য আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশে ফি পাঠাতে অনুমতির প্রয়োজন হবে না।
তবে, একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো, বছরে একজন কার্ড হোল্ডার ৫০০ মার্কিন ডলারের বেশি খরচ করতে পারবে না।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
চলতি (২০২৪-২৫) অর্থবছরের শুরু থেকেই ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। এ ধারা অব্যাহত রয়েছে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসেও। নভেম্বরের প্রথম ২৩ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিভিন্ন দেশ থেকে ১৭২ কোটি ৬৪ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এটি দেশের মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২০ টাকা হিসাবে) প্রায় ২০ হাজার ৭১৬ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের ২৩ দিনে প্রবাসী আয় এসেছে ১৭২ কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার। প্রতিদিন গড়ে এসেছে ৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ৯০০ কোটি টাকার বেশি। এ ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাসে রেমিট্যান্স ২ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নভেম্বরের ২৩ দিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোতে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ৬৪ কোটি ডলার। বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৩ কোটি ১০ লাখ ৪০ হাজার ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলো থেকে এসেছে ৯৫ কোটি ১৩ লাখ ১০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪০ লাখ ৮০ হাজার ডলার।
এ সময়ে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি এমন ব্যাংকগুলোর সংখ্যা ৯টি। এর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল), বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব)। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেনস ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক এবং পদ্মা ব্যাংক। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এবং স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।
এর আগে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে ১৯১ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। পরবর্তী মাস আগস্টে এসেছে ২২২ কোটি ৪১ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে এসেছে ২৪০ কোটি ৪৮ লাখ ডলার এবং অক্টোবরের ২৪০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে।
গত অর্থবছরের জুন মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫৪ কোটি ১৬ লাখ মার্কিন ডলার। তার আগে মে মাসে এসেছিল ২২৫ কোটি ৩৮ লাখ ডলার, এপ্রিল মাসে ২০৪ কোটি ৪২ লাখ ডলার, মার্চে ১৯৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ২১৬ কোটি ৪৫ লাখ ডলার এবং জানুয়ারিতে ২১১ কোটি ৩১ লাখ ডলার প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছিলেন।
বাংলাদেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০ সালের জুলাই মাসে, যার পরিমাণ ছিল ২৬০ কোটি ডলার। বছরভিত্তিক হিসাবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে ২০২০-২১ অর্থবছরে, যেখানে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২৪ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৪৭৮ কোটি ডলার।
মন্তব্য করুন


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হওয়া ৬০ হাজার ৮০২ টন গমবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী নগদ ক্রয় চুক্তি নম্বর জি টু জি-এর আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই গমবাহী জাহাজটি এসেছে।
চুক্তির আওতায় মোট ৪ লাখ ৪০ হাজার টন গম আমদানি করা হবে। এর মধ্যে প্রথম চালান হিসেবে ২৫ অক্টোবর ৫৬ হাজার ৯৫৯ টন গম দেশে এসেছে।
জাহাজে থাকা গমের নমুনা পরীক্ষার কার্যক্রম ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নমুনা পরীক্ষার পর দ্রুত খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


দেড় মাসের ব্যবধানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ২০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে।
রোববার (২২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র হুসনে আরা শিখা নিশ্চিত করেছেন যে, রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির ফলে এই অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
এর আগে, ৬ নভেম্বর রিজার্ভের পরিমাণ ২০ বিলিয়ন ডলারে ছিল, তবে ধীরে ধীরে তা কমে গিয়ে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ১৯ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে যায়। অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ডলারপ্রতি ১২০ টাকার মান নির্ধারণ এবং বাজারের চাহিদার সঙ্গে সমন্বয় রেখে রিজার্ভ ১৯ থেকে ২০ বিলিয়নের মধ্যে স্থিতিশীল ছিল।
৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ করে দেয়। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আমদানি বৃদ্ধির কারণে ডলারের দাম বাড়তে থাকে। ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্সের ডলার কিনতে ১২৭.৭০ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করেছে।
রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে, যা ব্যাংকগুলোকে নতুন এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খোলার সীমাবদ্ধতা শিথিল করতে সহায়তা করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত আমদানিতে ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যেখানে গত অর্থবছরে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ঋণাত্মক ১০ শতাংশ। একই সময়ে রেমিট্যান্স ৩০ শতাংশ এবং রপ্তানি ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই ইতিবাচক প্রবণতা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতিকে আরও ত্বরান্বিত করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মন্তব্য করুন


চলতি মাসের সেপ্টেম্বরের প্রথম নয় দিনে দেশে এসেছে ১০১ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১২ হাজার ৪২০ কোটি টাকা।
বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরেক হোসেন খান বলেন, সেপ্টেম্বরের ৯ দিনে ১০১ কোটি ৮০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। যা গত বছরের (২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের ছয় দিন) একই সময়ের চেয়ে ১৮ কোটি ৫০ ডলার বেশি এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ছিল ৮৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের ৯ দিন পর্যন্ত ৫৯১ কোটি ৮০ লাখ ডলার। যা গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসেছিল ৪৯৭ কোটি ১০ লাখ ডলার। অর্থবছর হিসাবে গত অর্থবছরে একই সময়ের চেয়ে ৯৪ কোটি ৭০ ডলার বেশি এসেছে। অর্থাৎ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ দশমিক ১০ শতাংশ।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে এসেছে ২৪৭ কোটি ৭৯ লাখ ১০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩০ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। আর গত আগস্টের পুরো সময়ে এসেছিল ২৪২ কোটি ২০ লাখ ডলার বা ২৯ হাজার ৫৪৮ কোটি ৪০ লাখ টাকার রেমিট্যান্স এসেছে।
এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল। আর পুরো অর্থবছর (২০২৪-২৫) জুড়ে প্রবাসী আয় এসেছে ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
মন্তব্য করুন