চলতি বছরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্বয়ংক্রিয় বদলি কার্যক্রম শুরু

চলতি বছরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্বয়ংক্রিয় বদলি কার্যক্রম শুরু
ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ ছবি

ডেস্ক রিপোর্ট:

এ বছর থেকেই এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের সব শিক্ষকের স্বয়ংক্রিয় বদলি প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। আজ বুধবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে এবং এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হবে। বদলির সময় নারী-পুরুষ এবং বাড়িসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বিবেচনায় নেওয়া হবে। আমি এসব মৌলিক কাজ করছি, যেখানে মহার্ঘ ভাতা বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ নয়। ইতোমধ্যে ৫৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এটি একটি চ্যালেঞ্জ ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘করোনা এবং গণঅভ্যুত্থানের কারণে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হয়েছে, বিশেষ করে জনমিতি সুবিধার ক্ষেত্রে। বর্তমানে জনসংখ্যার বয়স কাঠামো মাঝামাঝি অবস্থায় রয়েছে, তবে ১০ বছর পর এটি থাকবে না, কারণ সবার বয়স বাড়বে এবং তখন চিকিৎসা খরচ আরও বাড়বে। তবে সুশাসিত গণতান্ত্রিক শাসনে যদি উত্তরণ সম্ভব হয়, তবে এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠা সম্ভব। এজন্য অন্তর্বর্তী সরকারের লক্ষ্য হওয়া উচিত এটাই। আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো একটি ভালো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।’

শিক্ষা উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘রপ্তানি গতি ফিরে এসেছে, রেমিট্যান্স বাড়ছে, যা আশাব্যঞ্জক। মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে বলে বলা হচ্ছে, তবে এটা পুরোপুরি কমে যায়নি। মূল্যস্ফীতি এখনও বাড়ছে, যার ফলে দিনমজুরদের ওপর চাপ বাড়ছে এবং মধ্যবিত্তরাও সমস্যায় পড়েছে। ২০১০ সাল থেকে কোনো বছরেই মার্চের আগে বই যায়নি। কিছু কিছু বছর বই জুলাই-আগস্টে পৌঁছেছে, তবে এবার বই খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ৫০ বছর ধরে বিতর্কের বিষয় ছিল, তবে রংপুরের আবু সাঈদের মৃত্যুর তারিখ ভুল হওয়া নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। আমরা বলেছি, ভুল ভ্রান্তি হতে পারে এবং সেগুলো সংশোধন করা হবে।’

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, ‘দেশের নদী ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমরা একটি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা তৈরি করেছি। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি নিয়ে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য প্রয়োজন। তবে ডেল্টা প্ল্যান তার জায়গায় থাকবে, যা শত বছরের পরিকল্পনা। তবে কোন বিশেষজ্ঞই বলতে পারবে না শত বছরে বাংলাদেশ কেমন হবে। তাই মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা আছে।’

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
ছবি: সংগৃহীত



মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের কাজে চুক্তিগত অনিয়ম, দরপত্রে কারসাজি ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। রোববার (২১ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।


অন্য আসামিরা হলেন—সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ওবায়দুল কাদের ও আনিসুল হক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, সাবেক সচিব এম এ এন ছিদ্দিক, অতিরিক্ত সচিব ফারুক জলিল, উপসচিব মোহাম্মদ শফিকুল করিম, প্রধান প্রকৌশলী ফিরোজ ইকবাল ও ইবনে আলম হাসান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আফতাব হোসেন খান ও আবদুস সালাম এবং সিএনএস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনীর উজ জামান চৌধুরী, পরিচালক সেলিনা চৌধুরী ও ইকরাম ইকবাল।


এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক তানজিল হাসান এ আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ১২ অক্টোবর দুদক বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।


মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ২০১৬ সালে সিএনএসকে টোল আদায়ের দায়িত্ব দিতে আগের দরপত্র ‘ইচ্ছাকৃতভাবে বাতিল’ করা হয়। এরপর ‘একক উৎসভিত্তিক’ দরপত্র আহ্বান করে কেবল সিএনএসের সঙ্গে আলোচনা করে পাঁচ বছরের জন্য চুক্তি করা হয়।


টাকার অঙ্ক নির্ধারণের পরিবর্তে মোট টোল আদায়ের ১৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে (ভ্যাট ও আয়কর বাদে) সার্ভিস চার্জ ধার্য করা হয়।


অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১০-১৫ মেয়াদে একই সেতুর টোল আদায়ের দায়িত্বে ছিল এমবিইএল-এটিটি। তারা টোল আদায়ের কাজটির জন্য মাত্র ১৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা নিয়েছিল। এরপর সিএনএসের পর ২০২২-২৫ মেয়াদে ইউডিসি কনস্ট্রাকশন লিমিটেডকে ৬৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় টোল আদায়ের কাজটি দেওয়া হয়, যা পাঁচ বছরে রূপান্তর করলে দাঁড়ায় ১১২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।


এর তুলনায় সিএনএস একই মেয়াদের জন্য প্রায় পাঁচ গুণ বেশি বিল তোলে এবং তথাকথিত ‘নতুন প্রযুক্তি স্থাপন ও অবকাঠামো ব্যয়’ বাবদ আরো ৬৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা দাবি করে। এভাবেই সরকারের মোট আর্থিক ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩০৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা।


আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাৎ করেছেন, যা দণ্ডবিধি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

সাবেক ৪ সংসদ সদস্যের পরিবারসহ দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

সাবেক ৪ সংসদ সদস্যের পরিবারসহ দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
সাবেক ৪ সংসদ সদস্য




সাবেক ৪ সংসদ সদস্যের পরিবারসহ দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত। বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

তারা হলেন- শাহীন চাকলাদার ও তার পরিবার, শওকত হাচানুর রহমান ও তার স্ত্রী এবং আবুল কালাম আজাদ ও তার স্ত্রী। এছাড়া মঙ্গলবার মোস্তাফিজ ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয় আদালত। 

দুদকের পরিদর্শক আমির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুর্নীতি দমন কমিশনের ভিন্ন ভিন্ন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

শাহীন চাকলাদারের পরিবার

যশোর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদার, তার স্ত্রী ফারহানা জাহান মালা, দুই মেয়ে সামিয়া জাহান অন্তরা ও মাঈসা জাহান অহনা এবং ছেলে জাবীর চাকলাদারের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। দুদকের উপপরিচালক মো. শফি উল্লাহ তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। 

আবেদনে বলা হয়েছে, শাহিন চাকলাদারের বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজি, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, ক্ষমতার অপব্যবহার, নানা অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে শত শত কোটি টাকা জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন রহিত করা একান্ত প্রয়োজন।

দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে শুনানি করেন।

হাচানুর ও তার স্ত্রী

বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান, তার স্ত্রী রওনক রহমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। দুদকের উপপরিচালক মো. সাইদুজ্জামান নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার আবেদন করেন।

হাচানুর রহমানের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার আবেদনে বলা হয়েছে, বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, জমি দখল, ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎপূর্বক নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। 

গোপন ও বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, শওকত হাচানুর রহমান রিমন ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে (বরিশালের আগুরপুর রোড, রুপাতলী, জাগুয়া, দক্ষিণ আলেকান্দায়; বরগুনার কাঠালতলী, মাদারতলী, রায়হানপুর, গহরপুর, চরলাঠিমারা; ঢাকার নলটোনা, নতুন শহর এলাকা ছাড়াও অন্যান্য এলাকায়) এবং দেশের বাইরে-যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কানাডাসহ অন্যান্য দেশে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ রয়েছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি শওকত হাচানুর রহমান রিমন ও তার স্ত্রী রওনক রহমান দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর করার চেষ্টা করছেন বলে অনুসন্ধানকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। তারা বিদেশে পালিয়ে গেলে অনুসন্ধান কাজ ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা একান্ত প্রয়োজন।

দুদকের বিশেষ পিপি রেজাউল করিম নিষেধাজ্ঞার আবেদন শুনানি করেন।

আবুল কালাম আজাদ ও তার স্ত্রী

গাইবান্ধা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ ও তার স্ত্রী রুহুল আরা রহিমের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। দুদকের উপপরিচালক মো. সাইদুজ্জামান তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে। আবুল কালাম আজাদ গোবিন্দগঞ্জে আনুমানিক ১০০ কোটি টাকার জমি, ৬ তলা বাড়িসহ ৬টি ফ্ল্যাট, বগুড়া শহরের জলেশ্বরী তলায় ২টি বাড়ি, ঢাকার মোহাম্মদপুরে ১টি বাড়ি, গাজীপুরে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিসহ ২০টির মতো বাস ও ট্রাক ক্রয় করেছেন বলে গোপন সূত্রে জানা যায়।

আবুল কালাম আজাদ এবং তার স্ত্রী মোছা. রুহুল আরা রহিম অবৈধভাবে অর্জিত সম্পত্তি হস্তান্তর করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বিদেশে পালিয়ে গেলে অনুসন্ধান কাজ ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দুদকের পক্ষে বিশেষ পিপি রেজাউল করিম রেজা তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে শুনানি করেন।

মোস্তাফিজ ও তার স্ত্রী

চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ও তার স্ত্রী শাহীন আক্তার চৌধুরীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, নানা অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে শত শত কোটি টাকা জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগটির অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

বাবা সিদ্দিককে হত্যা নিয়ে তোলপাড়, দায় স্বীকার করেছে লরেন্স বিষ্ণুই গ্যাংয়ের

বাবা সিদ্দিককে হত্যা নিয়ে তোলপাড়, দায় স্বীকার করেছে  লরেন্স বিষ্ণুই গ্যাংয়ের
বাবা সিদ্দিক,


ডেস্ক রিপোর্ট:

মুম্বইয়ে নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে মহারাষ্ট্রের বিধায়ক ও সাবেক মন্ত্রী বাবা সিদ্দিককে। তার এই মৃত্যুকে ঘিরে ভারতে তোলপাড় চলছে। সব মিডিয়ায় সংবাদ শিরোনাম হয়েছে এ ঘটনা। লোকমুখে ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ সব কাহিনী। কারণ, বাবা সিদ্দিক একজন নামকরা রাজনীতিক ছিলেন। হত্যাকাণ্ডে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন হরিয়ানার গুরমাইল বলজিত সিং (২৩) এবং উত্তর প্রদেশের ধর্মরাজ কাশ্যপ (১৯)। তৃতীয় জন উত্তরপ্রদেশের শিব কুমার গৌতম হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে চতুর্থ একজন এই ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করেছেন বলে মনে করা হয়। তিনি পলাতক রয়েছেন। তবে  লরেন্স বিষ্ণুই শনিবার রাতের হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা হিসেবে মনে করা হচ্ছে। তাকে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে। বলা হচ্ছে, তিনি একটি কুখ্যাত গ্যাংয়ের সদস্য। এই গ্যাংয়ের নাম লরেন্স বিষ্ণুই। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। অভিযোগ আছে লরেন্স বিষ্ণুই পাঞ্জাবের খালিস্তানপন্থি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। এই গ্যাংয়ে অস্ত্র চালাতে দক্ষ এমন সদস্য আছে ৭০০।

কে এই লরেন্স বিষ্ণুই: লরেন্স বিষ্ণুইয়ের জন্ম ১৯৯৩ সালে ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যে। ২০১০ সাল পর্যন্ত তাঁর জীবন কেটেছে রাজ্যের আবোহার শহরে। এরপর তিনি ডিএভি কলেজে ভর্তি হতে চণ্ডিগড়ে পাড়ি জমান। ২০১১ সালে যোগ দেন পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস স্টুডেন্টস কাউন্সিলে। সেখানে তার পরিচয় হয় ‘গ্যাংস্টার’ গোল্ডি ব্রারের সঙ্গে। এরপর ধীরে ধীরে অপরাধে জড়িয়ে পড়েন তিনি। বিষ্ণুইয়ের বিরুদ্ধে দুই ডজনের বেশি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। রয়েছে হত্যা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ। যদিও এসব অভিযোগের কোনোটাই স্বীকার করেননি তিনি। গ্যাংয়ের সদস্যদের মাধ্যমে কারাগারে বসেও বাইরের অপরাধজগৎ নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি। ২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে চণ্ডিগড়ে অপরাধ কর্মকাণ্ড শুরু করেন বিষ্ণুই। ২০১৩ সাল নাগাদ তিনি ত্রাস সৃষ্টিকারী এক চরিত্রে পরিণত হন। কয়েকটি হত্যার সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে পড়ে। পরে তার গ্যাং মদ বেচাকেনা ও অস্ত্র চোরাচালানে অর্থ লগ্নি  শুরু করে। হত্যাকারীসহ ভয়ংকর সব অপরাধীদেরও আশ্রয় ও সুরক্ষা দিয়ে আসছে তারা। লরেন্স বিষ্ণুইয়ের নাম নতুন করে সামনে আসে ২০২২ সালে। সে বছরের ২৯ মে পাঞ্জাবের গায়ক সিধু মুসওয়ালাকে হত্যা করা হয়।

কারাগারে বিষ্ণুই: ২০১৪ সালে রাজস্থান পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ হয় লরেন্স বিষ্ণুইয়ের। এরপর তিনি কারাবন্দী হন। সেখান থেকেই আরও সংঘবদ্ধভাবে অপরাধজগৎ নিয়ন্ত্রণ করছেন তিনি। কারাগারে থাকাকালে জস্বিন্দর সিং ওরফে রকি নামের আরেক অপরাধীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে তার। ২০১৬ সালে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন রকি। বন্দী অবস্থায়ও লরেন্স বিষ্ণুইয়ের প্রভাব-প্রতিপত্তি বেড়েই চলেছিল। রাজস্থানের ভারতপুর জেলায় যে কারাগারে তিনি বন্দী ছিলেন, সেখানকার কর্মকর্তাদের হাত করে নানা কার্যসিদ্ধি করতেন। ২০২১ সালে তাকে সেখান থেকে দিল্লির তিহার কারাগারে সরিয়ে নেওয়া হয়। এই কারাগারের কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, আইপি কলের মাধ্যমে গ্যাংয়ের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন বিষ্ণুই। এ ছাড়া ২০২৩ সালে ভারতের ডানপন্থী নেতা সুখদেব সিং গোগামেদিকে জয়পুরে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সুখদেবের সঙ্গে অস্ত্রধারী একজন চা পান করছেন। তিনিই গুলি চালান। পরে বিষ্ণুইয়ের গ্যাংয়ের সদস্য রোহিত গোদারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে সুখদেবকে হত্যার দায় স্বীকার করেন। ২০১৮ সালে বলিউড তারকা সালমান খানকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে বিষ্ণুই গ্যাং। সে বছর মুম্বইয়ে সালমানের বাসায় হানা দেন সাম্পাথ নাথ নামে বিষ্ণুই গ্যাংয়ের এক সদস্য। তিনি দাবি করেন, কালো হরিণ শিকারের কারণে সালমানকে হত্যার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তার ওপর। বিরল প্রজাতির এই হরিণকে বিষ্ণুই সম্প্রদায়ের মানুষ অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করে। সালমান খানকে সরাসরি হত্যার হুমকিও দিয়েছিলেন লরেন্স বিষ্ণুই। ভারতের যোধপুরে আদালতে এক শুনানি চলাকালে তিনি বলেছিলেন, ‘সালমান খানকে এই যোধপুরেই হত্যা করা হবে। তারপর তিনি আমাদের সত্যিকারের পরিচয় জানতে পারবেন।’

এরপর ২০২৩ সালের ১৪ এপ্রিল মুম্বইয়ের বান্দ্রায় সালমান খানের বাসার বাইরে গুলি চালানো হয়। এই এলাকাতেই শনিবার হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বাবা সিদ্দিক। সালমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাও ছিল তার। সালমানের বাসার বাইরে গুলির পর সে সময় পুলিশ জানিয়েছিল, এ কাজের জন্য দু’জনকে ভাড়া করেছিল বিষ্ণুই গ্যাং।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

চিকিৎসা নিতে ব্যাংকক গেলেন মির্জা ফখরুল

চিকিৎসা নিতে ব্যাংকক গেলেন মির্জা ফখরুল
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চোখের জরুরি চিকিৎসার জন্য স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে নিয়ে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক গেছেন। সোমবার (১২ মে) দিবাগত রাত ২টা ৪৫ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ব্যাংককের উদ্দেশে রওনা দেন।


বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ‘সোমবার মির্জা ফখরুল ইসলামের চোখে সমস্যা দেখা দিলে তাকে দ্রুত গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানান, তার চোখের রেটিনায় জরুরি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন।’


তিনি আরও বলেন, ‘চিকিৎসকদের পরামর্শে ব্যাংককের রুটনিন আই হসপিটালে যোগাযোগ করে দ্রুত অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া হয়েছে। সেখানে তার চিকিৎসা চলবে।’


মির্জা ফখরুল ইসলামের একান্ত সহকারী ইউনুস আলী জানিয়েছেন, বিএনপি মহাসচিবের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দেশবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন তার পরিবার।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতে নগদবিহীন অর্থনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছে : গভর্নর

সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতে নগদবিহীন অর্থনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছে : গভর্নর
ছবি: সংগৃহীত



ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে দুর্নীতি ও অর্থপাচার কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেছেন, স্বচ্ছ লেনদেনব্যবস্থায় অপচয় কমবে, সাশ্রয় হবে সময়ের আর জনগণের ভোগান্তিও হ্রাস পাবে।


সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে মোবাইল অপারেটরদের আন্ত ব্যাংকিং লেনদেন বিষয়ে আয়োজিত আলোচনাসভায় এ কথা বলেন গভর্নর।


গভর্নর বলেন, লেনদেনের নানা ডিজিটাল প্রক্রিয়া চালু হলেও ব্যাংকিং খাতে প্রতিবছর নগদ অর্থের চাহিদা ১০ শতাংশ হারে বাড়ছে।


এটি অর্থনীতির জন্য দীর্ঘমেয়াদে চাপ তৈরি করছে। নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনায় সরকারের প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। তাই আমরা এমন একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফরম গড়ে তুলতে চাই, যেখানে রিকশাচালক থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী-কেউ বাদ যাবে না।


তিনি আরো বলেন, সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতে নগদবিহীন অর্থনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছে।


এ জন্য ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও বিভিন্ন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বিত লেনদেনব্যবস্থা চালুর কাজ চলছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

যে কৌশলে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে আটক করে

যে কৌশলে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে আটক করে
ছবি: সংগৃহীত



ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে দেশ থেকে ‘আটক’ এবং 'তুলে আনা হয়েছে’ বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইসঙ্গে একটি বড় সামরিক অভিযান চালিয়ে মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে অপসারণের কথাও জানান তিনি।


বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর বলছে, ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলার শুরু ৩ জানুয়ারি, প্রথম প্রহরে। ঘড়ির কাটায় সময়টা রাত ২টা, পুরো কারাকাস তখন গভীর ঘুমে। গুমট অন্ধকার আর নিস্তব্ধতা ভেঙে আকস্মিক বিস্ফোরণের বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে রাজধানীসহ আশপাশের এলাকা। পরের ১ ঘণ্টার মধ্যে শহরজুড়ে অন্তত সাত থেকে নয়টি বিস্ফোরণ ঘটে, যেগুলোর লক্ষ্য ছিল দেশটির গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা।


প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যম জানায়, এ হামলায় কারাকাসের ফুয়ের্তে তিউনা সামরিক ঘাঁটি, লা কার্লোটা এয়ারবেস, এমনকি সাবেক প্রেসিডেন্ট হুগো শাভেজের সমাধি থাকা কুয়ের্তেল দে লা মনতানিয়াও আঘাতপ্রাপ্ত হয়। মাটির খুব কাছ দিয়ে উড়ে যাওয়া হেলিকপ্টারের রোটরের শব্দ, বিস্ফোরণ, ধোঁয়ার কুণ্ডলী আর দক্ষিণ ও পশ্চিম কারাকাসের একাংশে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রাজধানীজুড়ে।


বিভিন্ন গণমাধ্যম দাবি করেছে, হামলায় অন্তত নয়টি সামরিক হেলিকপ্টার ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে এএইচ–৬৪ অ্যাপাচি, এএইচ–১জেড ভাইপার ঘরানার হেলিকপ্টারও থাকতে পারে, যেগুলো মূলত বিভিন্ন লক্ষ্যে রকেট হামলার পাশাপাশি ভারী গোলাবর্ষণ করেছে।


সিবিএস নিউজ–কে উদ্ধৃত করে কিছু গণমাধ্যম বলছে, কয়েক দিন আগেই এ অভিযানের জন্য সবুজ সংকেত বা সম্মতি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বড়দিন বা ২৫ ডিসেম্বর থেকেই এ হামলার জন্য সামরিক প্রস্তুতি ছিল; তবে তখন অগ্রাধিকার পেয়েছিল নাইজেরিয়ায় বিমান হামলা।


ভেনেজুয়েলাকে ঘিরে এ সামরিক পদক্ষেপ কোনো আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে চলা একটি গোয়েন্দা ও কূটনৈতিক অভিযানের শেষ ধাপ ছিল এটি। দেশটিতে গোপনে প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে সিআইএ, ব্রিটিশ এমআই–৬ এবং ইসরায়েলের মোসাদ যৌথভাবে স্থানীয় নেটওয়ার্ক, ‘কাট–আউট’ ও বিভিন্ন প্রকার চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে ‘গ্রাউন্ড সফটেনিং’–এর কাজ করেছে। সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে প্রথম যে বিদেশী রাষ্ট্রনেতাকে ব্রিফ করা হয়, তিনি ছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ওয়াশিংটন সফরের সময় তাকে আসন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করা হয়।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, বৃহৎ আকারের এ বিমান ও হেলিকপ্টার অভিযানের মধ্য দিয়েই মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে দ্রুত আটক করে ভেনেজুয়েলা থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। যেখানে প্রচলিত স্থল অভিযান বা দীর্ঘ দখল নয়, বরং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক আঘাতের মাধ্যমে এক ধরনের ‘ডেকাপিটেশন স্ট্রাইক’ পরিচালনা করা হয়েছে, যার লক্ষ্য রাষ্ট্রব্যবস্থার শীর্ষ নেতৃত্বকে সরিয়ে দেয়া।


শুধু লাতিন আমেরিকা নয়, এ অভিযানের প্রভাব পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও। 

বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলের নামে পরিকল্পিত এমন ‘ড্রামাটিক’ সামরিক পদক্ষেপে একদিকে ট্রাম্প যেমন নিজেকে শক্তিশালী নেতা হিসেবে হাজির করতে চাইবেন, অন্যদিকে প্রশাসনের ভেতরে আইনি প্রশ্ন, নির্দেশের চেইন অব কমান্ড, কংগ্রেসের অনুমোদন ও আন্তর্জাতিক আইনভঙ্গের বিতর্ক নতুন করে মাথাচাড়া দিতে পারে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

সাদা পাথরের পর এবার বিমানের ১০ চাকা গায়েব, দুজন শনাক্ত

সাদা পাথরের পর এবার বিমানের ১০ চাকা গায়েব, দুজন শনাক্ত
ছবি: সংগৃহীত



সিলেটের ভোলাগঞ্জের সাদা পাথর নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই এবার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অকশন শেড (নিলামঘর) থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১০টি চাকা গায়েব হয়েছে। এ ঘটনায় গত সোমবার বিমানবন্দর থানায় একটি জিডি করেন বিমানের সহকারী ব্যবস্থাপক (নিরাপত্তা) মোশারেফ হোসেন। 


জিডিতে বিষয়টিকে চুরি হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। সেখানে বাদী বিমানের কর্মকর্তা মোশারেফ লিখেছেন, গত ১৬ আগস্ট (শনিবার) সন্ধ্যায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১০টি ‘আনসার্ভিসেবল টায়ার’ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গার কমপ্লেক্সের পাশের অকশন শেডে খুঁজে পাওয়া যায়নি।


জিডিতে বলা হয়, খুঁজে না পাওয়ার পর বিমানের ম্যাটেরিয়াল ম্যানেজমেন্ট সুপারভাইজার আরমান হোসেন ও স্টোর হেলপার সামসুল হককে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, একটি ‘বেসরকারি এয়ারলাইন্স কর্মকর্তাকে’ ১০টি চাকা ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়েছে। আর এটি ‘যথাযথ কর্তৃপক্ষকে’ না জানিয়ে করা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।


এ বিষয়ে বিমানবন্দর থানার ওসি তাসলিমা আক্তার বলছেন, উড়োজাহাজের চাকার বিষয়ে বিমানের পক্ষ থেকে একটি জিডি করা হয়েছে। পুলিশ বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে।


নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিমানের একজন কর্মকর্তা জানান, একেকটি চাকার দাম পাঁচ থেকে ১৫ হাজার ডলার। সেই হিসেবে প্রায় কোটি টাকার চাকা বেঁচে দিয়েছেন বিমানের কর্মীরা। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে দুজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। মূলত অবৈধ অর্থের জন্য টায়ারগুলো সরানো হয়।


এদিকে এ ঘটনার পর দায় স্বীকার করে বিমান কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত দিয়েছেন ম্যাটেরিয়াল ম্যানেজমেন্ট সুপারভাইজার মো. আরমান হোসেন। সেখানে তিনি বলেন, বিমানের ১০টি টায়ার তিনি ‘বেসরকারি এয়ারলাইন্সকে’ দেন। এরপর বেসরকারি এয়ারলাইন্সটি তাদের থেকে ৬টি টায়ার নিয়ে অকশন শেডে রাখেন। এটি নিরাপত্তা সদস্যদের দৃষ্টিগোচর হয়। নিরাপত্তা শাখার দুজন সদস্য এসে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ঘটনা স্বীকার করেন।


পরের ঘটনার বর্ণনায় বিমানের এই অভিযুক্ত কর্মকর্তা আরো জানায়, নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তাদের নির্দেশে তাদের সঙ্গে নিয়ে বেসরকারি এয়ারলাইন্সের ওই টায়ারগুলো ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিমানের টায়ারগুলো ফিরিয়ে এনে অকশন শেডে রাখা হয়।


এসব বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) এ বি এম রওশন কবীর গণমাধ্যমকে জানান, টায়ারগুলো নিলামের জন্য রাখা হয়েছিল। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই সেগুলো সরানো হয়েছিল। তদন্তে দুজনের সম্পৃক্ততার বিষয় উঠে এসেছে। এর সঙ্গে আরো কারো সম্পৃক্ততা আছে কি না, খোঁজা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী খুব দ্রুতই জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

‘দুর্নীতি দমন কমিশন ও বিচার বিভাগ শেখ হাসিনার দাসে পরিণত হয়েছিল’

‘দুর্নীতি দমন কমিশন ও বিচার বিভাগ শেখ হাসিনার দাসে পরিণত হয়েছিল’
আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস ২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল



অন্তর্বর্তী সরকারের আইন ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, বিগত সরকারের আমলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও বিচার বিভাগ শেখ হাসিনার দাসে পরিণত হয়েছিল।


সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর কাকরাইলে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস ২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমিন।


গত ১৬ বছরে সরকারি ও বেসরকারি খাতে দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরে আসিফ নজরুল বলেন, "দুদক ছিল, উচ্চ আদালত ছিল, কিন্তু বিচার হয়নি। তবে বিচার হয়েছে খালেদা জিয়ার।"


বিচার না হওয়ায় দুর্নীতি সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ও দুদক সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, "দুদকে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন।"


দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন বলেন, "সৎ প্রজন্ম তৈরি করতে পারলে দুর্নীতিবিরোধী সমাজ গঠন করা সহজ হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কেবল প্রতিকারমূলক কার্যক্রম গ্রহণ নয়, বরং সবার মনে দুর্নীতিবিরোধী চেতনা জাগ্রত করতে হবে।"

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ৫ দিনের রিমান্ডে

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ৫ দিনের রিমান্ডে
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর শাহবাগ ও পল্টন মডেল থানার পৃথক দুই মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এবং বাংলাদেশ পিপলস পার্টির (বিপিপি) চেয়ারম্যান বাবুল সরদার চাখারীর রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 


আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম. মিজবাহ উর রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।


এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর জুট ব্যবসায়ী মো. মনিরকে হত্যার অভিযোগে শাহবাগ থানার মামলায় আনিসুলকে গ্রেফতারসহ ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন। 


অপরদিকে গণঅধিকার পরিষদের কর্মী বদরুল ইসলাম সায়মনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় মোশাররফ হোসেন ও বাবুল সরদার চাখারীর ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন পুলিশের উপপরিদর্শক বিমান তরফদার। শুনানি শেষে আদালত আনিসুলের পাঁচদিন ও অপর দুজনের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


হত্যা মামলার অভিযোগে জানা গেছে, জুলাই আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ৫ আগস্ট শাহবাগ থানার চাঁনখারপুল এলাকায় ছাত্র-জনতার সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেন ক্ষুদ্র জুট ব্যবসায়ী মো. মনির। দুপুরে আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী গত ১৪ মার্চ শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন।


হত্যাচেষ্টা মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের গুম, খুন, নিপীড়ন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে সমাবেশ আয়োজন করা হয়। এতে দেশের সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদসহ অন্যান্য সমমনা রাজনৈতিক দল এই মহাসমাবেশের ডাক দেয়। এতে ভুক্তভোগী বদরুল ইসলাম সায়মন অংশ নেন। শান্তিপূর্ণ সমাবেশে আসামিরা অতর্কিতভাবে হামলা করে। এ সময় আসামিদের ছোড়া এলোপাতাড়ি গুলিতে বাদী নিজে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। 


এ ঘটনায় গত ২৯ এপ্রিল ভুক্তভোগী গণঅধিকার পরিষদের কর্মী বদরুল ইসলাম সায়মন বাদী হয়ে রাজধানীর পল্টন মডেল থানা হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। এতে শেখ হাসিনাসহ ২৪৫ জনকে আসামি করা হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

লিবিয়ার উপকূলে নৌকা ডুবে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু

লিবিয়ার উপকূলে নৌকা ডুবে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত



লিবিয়ার উপকূলে অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে অন্তত চার বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাতে আল-খোমস উপকূলীয় শহরের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত উপকূলীয় শহর আল-খোমস।


শনিবার (১৫ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট জানায়, প্রথম নৌকাটিতে ২৬ জন বাংলাদেশি ছিলেন, তাদের মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আর দ্বিতীয় নৌকাটিতে ছিলেন ৬৯ জন। তাদের মধ্যে দুইজন ছিলেন মিসরীয় ও বাকি কয়েক ডজন সুদানি নাগরিক। তবে তাদের পরিণতি সম্পর্কে রেড ক্রিসেন্ট কোনো তথ্য দেয়নি। নৌকাটিতে আটজন শিশু ছিল বলেও জানানো হয়।


লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্টের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, কালো প্লাস্টিক ব্যাগে মোড়ানো লাশগুলো সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে। অন্য ছবিতে দেখা যায়, স্বেচ্ছাসেবীরা বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছেন। আরও কিছু ছবিতে উদ্ধার হওয়া মানুষদের থার্মাল কম্বল জড়িয়ে মেঝেতে বসে থাকতে দেখা যায়।


বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, উদ্ধারকাজে কোস্টগার্ড ও আল-খোমস বন্দর নিরাপত্তা সংস্থা অংশ নেয়। শহরের পাবলিক প্রসিকিউশনের নির্দেশনায় উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


এর আগে বুধবার (১২ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়, আল বুরি তেলক্ষেত্রের কাছে একটি রাবারের নৌকা ডুবে অন্তত ৪২ জন নিখোঁজ হয়েছেন ও তারা সবাই মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।


গত অক্টোবরে ত্রিপোলির পশ্চিম উপকূলে ৬১ জন অভিবাসীর লাশ উদ্ধার করা হয়। সেপ্টেম্বরে আইওএম জানায়, লিবিয়ার উপকূলে ৭৫ জন সুদানি শরণার্থীবাহী একটি নৌকায় আগুন ধরে কমপক্ষে ৫০ জনের মৃত্যু হয়।


২০১১ সালে ন্যাটোর সমর্থনে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকেই লিবিয়া যুদ্ধ, দারিদ্র্য ও অস্থিরতা থেকে পালানো অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য ইউরোপমুখী ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে।


সূত্র: আল-জাজিরা

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০