

কুমিল্লায় ১৮ বছর পর জিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৪ এর কুমিল্লা বিভাগীয় উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ১১টায় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে খেলার সূচনা হয়। তিন জেলার অংশগ্রহণে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে দুটি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে – সবুজ দল এবং লাল দল।
সবুজ দল গঠিত হয়েছে কুমিল্লা দক্ষিণ ও মহানগরের খেলোয়াড়দের নিয়ে, আর লাল দল গঠিত হয়েছে চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা মিলে। ২০ ওভারের এই খেলায় টসে জিতে সবুজ দল প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। মেহেদী হাসানের হাফ সেঞ্চুরিতে ১৯ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রানের একটি চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে সবুজ দল।
পরে, জয়ের জন্য ১৫৪ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে লাল দলের প্রথমে নাজুক অবস্থা থাকলেও দলের হাল ধরেন নাহিদ ও সুমন। দুজনের পার্টনারশিপে রানের পার্থক্য কমিয়ে আনেন তারা৷ পরে, সবুজ দলের সানজিদ মজুমদারের বোলিংয়ের সামনে কাবু হয়ে যায় লাল দল। ৪ উইকেট হাতিয়ে নেয় সানজিদ। কিন্তু, লাল দলের নাহিদের ব্যাটিং জড়ে হাফ সেন্সুরি ও নাহিদ-ইয়াসির জুটির কাছে হার মানতে বাধ্য হয় সবুজ দল। ঘুরে দাঁড়ায় লাল দল৷ ৪ উইকেট হাতে রেখে ও ১৯ ওভারে ইয়াসির আরাফাতের বাউন্ডারির মাধ্যমে লাল দল নিজেদের ঝুড়িতে টার্গেট রান তুলে নেয়৷ সবুজ দলের দৃঢ় বোলিংয়ের সামনে লাল দল নিজেদের ব্যাটিংয়ের জড় দেখিয়ে এভাবেই একটি হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে জয় তুলে নেয়।
পরে, খেলোয়াড়দের মাঝে একে একে পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিরা৷ উদ্বোধনী এই ম্যাচে প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচ হন লাল দলের ইয়াসির আরাফাত। পরে, একে একে অতিথিদের হাত থেকে পুরষ্কার তুলে নেন দু’দলের খেলোয়াড়রা৷
এসময়, পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, জিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম বাবু, সদস্য সচিব দেবব্রত পাল, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হাজী জসিম উদ্দিন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক উৎবাতুল বারি আবু, সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম এবং কুমিল্লা, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
কুমিল্লা বিভাগীয় এই উদ্বোধনী ম্যাচের সাফল্যের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের বাকি খেলা নিয়ে স্থানীয় খেলোয়াড় ও দর্শকদের মাঝে উৎসাহ দেখা দিয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই টুর্নামেন্ট ক্রীড়ার মাধ্যমে যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এর নির্দেশনায় কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের
উদ্যোগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নির্ধারিত নিত্যপণ্যের (আলু, পেঁয়াজ, ডিম) মূল্য
বাস্তবায়নে কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জ বাজার এলাকায় বিশেষ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা
করা হয়েছে। এ সময় ক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করা, দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন
না করা ও মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ভোক্তাকে প্রতারিত করার মতো ভোক্তা অধিকার বিরোধী
নানা কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং
অন্যদের সতর্ক করা হয়। আজ সকালে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার
সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ তদারকি অভিযানে স্যানিটারি
ইন্সপেক্টর একে আজাদ, বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং জেলা পুলিশের একটি
টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৫০ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (১২ ফেব্রুয়ারী) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন বাশঁমঙ্গল চৌমুহনী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মোঃ পাভেল মিয়া কে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার আমড়াতলী গ্রামের মোঃ জামাল মিয়া এর ছেলে মোঃ পাভেল মিয়া (২৯)।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১০ কেজি গাঁজা সহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ ।
শুক্রবার
সকালে চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) মোঃ জাহঙ্গীর আলম এবং সঙ্গীয় ফোর্স সহ থানা
এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ১০নং বাতিসা
ইউপিস্থ দূগার্পুর সাকিনে ঢাকা—চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামগামী রাস্তার মাথায় তল্লাশী
করে ১০ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো:
১। মোঃ হাসান(২৮), পিতা-মৃত অলী মিয়া, মাতা-রশিদা বেগম, সাং-বামিশা (উত্তরপাড়া কাজী
বাড়ী) থানা-সদর দক্ষিণ কুমিল্লা, বর্তমানে-সাং-দূগার্পুর (উত্তরপাড়া), পোঃ পাতড্ডা,
থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা ২। মোঃ শাহিন(৩০), পিতা-মৃত আব্দুল ওহাব, মাতা-রশিদা
বেগম, সাং-দূগার্পুর (উত্তরপাড়া), ৩। মোঃ ইসমাইল হোসেন(৩২), পিতা-মৃত আব্দুর রশিদ,
মাতা- জাহিদা বেগম, সাং-দূগার্পুর (উত্তরপাড়া), সর্ব ইউপিঃ ১০নং বাতিসা, সর্বথানা-চৌদ্দগ্রাম,
জেলা-কুমিল্লা।
উক্ত
আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে চুরির ২৪ ঘন্টার মধ্যে চোরাইকৃত ক্যাবল ও চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশাসহ আন্তঃজেলা চোরচক্রের ২ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলো; ঘোলপাশা ইউনিয়নের ঈশানচন্দ্রনগর গ্রামের নোয়াব মিয়ার ছেলে মোঃ রাশেদ ও গুণবতী ইউনিয়নের গদানগর গ্রামের ছালেহ আহাম্মদের ছেলে মোঃ শাহজাহান।
শুক্রবার বিকেলে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ আলমগীর হোসেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় অবস্থিত নিপ্রো জেএমআই ফার্মা লিমিটেডের ভাউন্ডারী দেয়ালের ভিতর থেকে বৃহস্পতিবার ভোর রাত সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে অজ্ঞাতনামা চোর চক্রের সদস্যরা ফ্যাক্টরির নির্মানাধীন নতুন ভবনের বিদ্যুৎ লাইনের কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ ইলেক্ট্রিক ক্যাবল চুরি করে নিয়ে যায়। এরপর ফ্যাক্টরির ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম বাদি হয়ে থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার উপ-পরিদর্শক ছাইদুল ইসলাম তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় শুক্রবার ভোরে হাড়িসর্দার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা চোরচক্রের সদস্য রাশেদ ও শাহজাহানকে আটক করে। এ সময় চোরাই যাওয়া ৩৬ মিটার ক্যাবল ও চোরাইকাজে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশা জব্দ করে পুলিশ।
চৌদ্দগ্রাম থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, চোরাই ক্যাবল ও একটি অটোরিকশাসহ আন্তঃজেলা চোরচক্রের ২ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তাদেরকে শুক্রবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মোঃ বিল্লাল হোসাইন, মুরাদনগর:
কুমিল্লা জেলার মুরাদনগরে গুনজর গ্রামে দাদীর জানাজা শেষে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় নাতির মৃত্যু হয়েছে। মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় আরও একজন আহত হয়। নিহত মো. সাকিবুল হাসান (২১) উপজেলার নবীপুর (পূর্ব) ইউনিয়নের গুঞ্জর সরু মিয়া হাজী বাড়ির মো. মৃদন মিয়ার ছেলে।
বুধবার (৬ ডিসেম্বর) রাত ১০ টায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের বাখরনগর ফুলমালা ব্রিকসের সামনে ভয়াবহ এ দূর্ঘটনাটি ঘটে।
উল্লেখ্য,সে দাদীর জানাজা পড়ার জন্য চট্রগ্রামের পতেংগা (তার কর্মস্থল) থেকে গতকালই এসেছিল।
এ বিষয়ে মিরপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো: মঞ্জুরুল আবছার বলেন, মোটরসাইকেল দূর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে একজনের মৃতদেহ ও আরেকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অর্ধবার্ষিকী জুডিসিয়াল
কনফারেন্স ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকালে কুমিল্লা বিচার
বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত কুমিল্লা জেলা জজ আদালতের কনফারেন্স রুমে এ কনফারেন্সটি অনুষ্ঠিত
হয়।
এতে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা
জজ (ভারপ্রাপ্ত) নাসরিন জাহান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব (মতামত) উম্মে
কুলসুম।
উক্ত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে
বক্তব্য রাখেন- কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ
আবদুল্লাহ আল মামুন, কুমিল্লা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাউদ হাসান, কুমিল্লা সিভিল
সার্জন ডা. নাছিমা আকতার, সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-মামুন, অতিরিক্ত
জেলা প্রশাসক ফাহমিদা মুস্তফা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার আশফাকুজ্জামান, GIZ এর
প্রতিনিধি মার্টিনা বারকার্ড। এছাড়াও উন্মুক্ত আলোচনা করেন- সিনিয়র সহকারী জজ ধ্রুবজ্যোতি
পাল, কুমিল্লা (ভারপ্রাপ্ত) জেলা রেজিস্ট্রার মোঃ আরিফ, কুমিল্লা জেলা জিপি এডভোকেট
তপন বিহারী নাগ ও জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম এবং কুমিল্লা জেলা আইনজীবী
সমিতির সভাপতি ও সাবেক জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান লিটন, জেলা আইনজীবী
সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, কোর্ট মালখানা'র এসআই মোঃ
ফারুক প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র
কোরআন তেলাওয়াত পাঠ করেন ক্যাশিয়ার মোঃ আতাউল্লাহ এবং গীতা পাঠ করেন লাইব্রেরি সহকারী
যামিনী কুমার নাথ। এরআগে প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচছা জানান সিনিয়র সহকারী জজ আয়েশা
বেগম।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য
রাখেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক রোজিনা খান।
এছাড়াও আদালতের সাথে অন্যান্য
ডিপার্টমেন্ট এর সংশ্লিষ্ট বিষয় এবং দেওয়ানি মোকদ্দমা সংশ্লিষ্ট সমস্যা / সমাধান উপস্থাপনা
করেন কুমিল্লা যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক তাওহীদা আক্তার ও ফৌজদারি মামলা
সংশ্লিষ্ট সমস্যা/সমাধান উপস্থাপনা করেন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোঃ মাজহারুল হক।
অনুষ্ঠানে কনফারেন্স সম্পর্কিত
পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন সহকারী জজ মীর মাশহুর আহমেদ।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা
করেন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোঃ ইমাম হাসান ও সহকারী জজ তৌফিকুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাপ্তানবাজার এলাকা হতে ১৬ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ২৯ নভেম্বর বুধবার বিকালে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাপ্তানবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ১৬ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানার দেউষ গ্রামের মোঃ রওশন আলী এর ছেলে মোঃ বাদরুদ্দোজা (৫০)।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আজ কুমিল্লা সদর দক্ষিণ চৌয়ারা বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা ডিমসহ নিত্যপণ্যের বাজারে তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এসময় অনিয়মের অভিযোগে চার প্রতিষ্ঠানকে ৫৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লিফলেট ও প্যাম্পলেট বিতরণ করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ তদারকি কার্যক্রমে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর একে আজাদ ও সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক না পেয়ে
দুই সন্তানের জননী নূরজাহান বেগম (৩০) নামের এক গৃহবধূর স্পর্শকাতর অঙ্গসহ শরীরের বিভিন্ন
জায়গায় গরম খুন্তির ছ্যাঁকা দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ীর লোকজন।
বুধবার (১৯ জুন) ভোরে জেলার আদর্শ সদর
উপজেলার শীমপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে নূরজাহান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের
বার্ণ ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন।
ঘটনার পর বুধবার বিকেলে স্বামী খোরশেদ
আলম (৪৫) ও তার পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগীর
বাবা জয়নাল আবেদীন।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ প্রধান আসামি
ভুক্তভোগী গৃহবধূর ভাশুর ও তার স্ত্রী এবং আরেক জা–কে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে।
অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, যৌতুকের
টাকা না পেয়ে ভোর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামী ও শ্বশুরবাড়ীর লোকজন মিলে মারধর করে দড়ি
দিয়ে বেঁধে রাখেন নূরজাহানকে। একপর্যায়ে গরম খুন্তি দিয়ে গোপনাঙ্গ ও শরীরের বিভিন্ন
অঙ্গ পুড়িয়ে দেয় তারা। সকালে গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
নিয়ে যায়।
নূরজাহানের বাবা জয়নাল আবেদীন বলেন,
শ্বশুরবাড়ীর লোকজন যৌতুকের জন্য দীর্ঘদিন ধরে আমার মেয়েকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। আমি
এর আগে কয়েকবার তাদের সাথে বসে বিষয়টি সমাধান করি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আনোয়ার
হোসেন বলেন, তিন আসামিকে একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। অপর আসামিদের ধরতে
অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী নারীর ৯ বছর বয়সী এক শিশুকন্যা ও ১২ বছরের একটি
ছেলে রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)
মো: কামরান হোসেন বলেন, হাসপাতালে গিয়ে শারীরিক নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর বক্তব্য রেকর্ড
করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তার স্বামীসহ ৬ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ৩ জনকে পুলিশ
আটক করেছে। বাকিদেরও আটকের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল:
কুমিল্লা টমছম ব্রিজ বাজারে অনিয়মের
অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
কুমিল্লা।
আজ ডিমসহ নিত্যপণ্যের বাজারে তদারকি
কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এসময় অনিয়মের অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
করা হয় এবং একটি পরিমাপক যন্ত্র বিনষ্ট করা হয়। সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লিফলেট
ও প্যাম্পলেট বিতরণ করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলাম।
এ তদারকি কার্যক্রমে জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের প্রতিনিধি, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর একে আজাদ এবং জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন