

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নস্যাৎ করতে পরিকল্পিত প্রচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। এখনো প্রশাসেন বিভিন্ন স্তরে আওয়ামী লীগের দোসররা অবস্থান করছে বলেও জানান তিনি।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত ছাত্রদলের সাবেক নেতাকে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর পক্ষ থেকে সহায়তা প্রদান শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘বিগত সময় চারজনের পরামর্শে শেখ হাসিনা সব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়েছেন।
তাদের পরামর্শে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র জনতাকে গুলি করে, বোমা মেরে হত্যা করা হয়েছে।’ এখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থাকা সত্ত্বেও অপরাধীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে ‘আমরা বিএনপি পরিবারের’ প্রতিনিধিদল আহত ভূলতা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি দোলন ভূঁইয়ার স্বাস্থ্যের সার্বিক খোঁজ খবর নেয়। পরে তার হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন, সদস্য সচিব মোমিন মিথুনসহ সংগঠনের সদস্যরা। এছাড়া জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনিসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, নির্বাচন সংক্রান্ত জরুরি সংস্কারগুলো সম্পন্ন করার পরই তারা নির্বাচন চায়। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জনগণ চায় স্থানীয় সরকার সচল হোক, এবং আমরাও চাই জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক।
বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার। তিনি বলেন, ‘রিফর্ম ছাড়া কোনো নির্বাচন নয় ‘নো ইলেকশন উইথআউট রিফর্মস।’
তিনি ব্যাখ্যা করেন, এই ক্ষেত্রে সব সংস্কার সুপারিশ নয়, শুধু নির্বাচন সংক্রান্ত যেসব সুপারিশ অতি জরুরি, সেগুলোই সংস্কার করতে হবে। তিনি বলেন, ‘অন্তত নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠান ও অর্গান জড়িত, সেগুলোর সংস্কার করে নির্বাচন দিতে হবে। নির্বাচনকে নিরপেক্ষ করতে যে সময়টুকু প্রয়োজন, সেটা করে নির্বাচন দিন।’
জামায়াত ৩০০ আসনে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বলেও জানায় দলটি। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে গোলাম পারওয়ার বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক করার বিষয়ে মতবিনিময় হয়েছে। সক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা ২৩ দফা দাবি জানিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সংস্কার ছাড়া কোনো নির্বাচন নয়। সংস্কার ছাড়া নির্বাচন করলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। সেই সময় দিতে জামায়াত প্রস্তুত।’ তিনি যোগ করেন, ‘আমরা সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের পক্ষে বলেছি। বাংলাদেশের জন্য এটি প্রয়োজন, সংসদ কার্যকর করার জন্য প্রয়োজন। প্রবাসী ভোটারদের ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে।’
জামায়াতের এই নেতা আরও জানান, নিবন্ধনের বিষয় আদালতে পেন্ডিং আছে, এবং তারা ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করেন। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আইন বিধি কঠোর, তা বাতিল করা উচিত। সবার রাজনীতি করার অধিকার আছে।’
সংসদের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পক্ষেও মত দেয় জামায়াত। তবে এই ক্ষেত্রে বিএনপির মন্তব্যের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি জামায়াত সেক্রেটারি। উল্লেখ্য, বিএনপি স্থানীয় নির্বাচনের আগে জাতীয় নির্বাচন দাবি করে আসছে।
এক প্রশ্নের জবাবে গোলাম পারওয়ার বলেন, ‘জনগণের আকাঙ্ক্ষা স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে হোক।’
মন্তব্য করুন


বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন আমরা একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে চাই। এই প্রক্রিয়ায় যত দেরি হবে, ততই আমাদের সংকট আরও গভীর হবে।
আজ সোমবার ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা জানান।
আমীর খসরু বলেছেন, ‘অগণতান্ত্রিকভাবে যেই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, একটা পর্যায়ে গিয়ে তারা টিকে থাকার জন্য এবং ক্ষমতা অব্যাহত রাখার জন্য মিডিয়াকে চাপের মধ্যে রাখতে চায়। এটা আমাদের স্বীকার করতেই হবে। সুতরাং আমাদের ঐক্য হতে হবে গণতন্ত্রের পক্ষে, আমাদের ঐক্য হতে হবে গণতান্ত্রিক, সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য। যার মধ্যে মিডিয়ার স্বাধীনতাও অন্তর্নিহিত। এর কোনো বিকল্প নেই। কোনো রকম বক্তব্য কিংবা তথাকথিত সংস্কার এদেশে গণতান্ত্রিক শাসন নিশ্চিত করতে পারবে না।’
খসরু বলেন, ‘সরকারকে হতে হবে মানুষের কাছে দায়বদ্ধ, জবাবদিহিমূলক। বারবার জনগণের দিকে তাকাতে হবে, জনগণের কাছে যেতে হবে। আর এই জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে মিডিয়ার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও মিডিয়া সরাসরি জবাবদিহিতা আদায় করে না, তবুও নির্বাচিত সংসদের মতো মিডিয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ জবাবদিহিমূলক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। তারাও জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে।’
তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে আমরা গণতন্ত্র পুনর্প্রবর্তনের জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকব। আমরা একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে চাই। এই প্রক্রিয়ায় যত দেরি হবে, ততই আমাদের সংকট আরও গভীর হবে।’
তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশের সমৃদ্ধির জন্য, গণতান্ত্রিক অর্ডার যত দ্রুত সম্ভব ফিরিয়ে আনতে হবে। মিডিয়ার সহযোগিতা ও জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় আমরা সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি—এটাই আমাদের জন্য সর্বাধিক লাভজনক হবে।’
তিনি আরও বলেন, আগামীর ঐক্য হবে গণতন্ত্র, স্বাধীনতার জন্য। এ সময়, আগামীতে মানুষের জন্য দায়বদ্ধ সরকার দরকার বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তিতে কক্সবাজার ভ্রমণ করায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পাঁচ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৬ আগস্ট) দলের যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত একটি চিঠি এনসিপির ৫ নেতাকে পাঠানো হয়।
শোকজ হওয়া এই পাঁচজন হলেন, এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা, যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও যুগ্ম আহ্বায়ক খালিদ সাইফুল্লাহ।
চিঠিতে বলা হয়, গতকাল ৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তি ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসে ব্যক্তিগত সফরে কক্সবাজার যান। এই সফর সংক্রান্ত কোনো তথ্য কিংবা ব্যাখ্যা ‘রাজনৈতিক পর্ষদ’ এর নিকট পূর্বে অবগত করা হয়নি।
এমতাবস্থায়, আপনার এই সিদ্ধান্তের কারণ ও প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব আখতার হোসেনের নিকট সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করার জন্য আপনাকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা যাচ্ছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বছরপূর্তির দিনে পূর্বঘোষণা ছাড়াই রহস্যজনকভাবে কক্সবাজারে যান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় পাঁচ নেতা। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট নং-বিজি-৪৩৩ যোগে তারা কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। নির্ধারিত কোনো গাড়ির পরিবর্তে বিমানবন্দর পার্কিং এলাকা থেকে একটি নোয়াহ মাইক্রো ভাড়া করে এনসিপির এই নেতারা মেরিন ড্রাইভ দিয়ে ইনানীর হোটেল সি পার্ল অ্যান্ড স্পাতে ওঠেন বলে জানান ভাড়ায় যাওয়া সেই গাড়িচালক। তবে ঢাকায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বছর পূর্তির দিনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পরিবর্তে কেন তারা কক্সবাজারে তার কোনো সঠিক বিবরণ মিলছে না।
মন্তব্য করুন


মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেয়া হবে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। ইতোমধ্যে তার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে লন্ডনে যাবেন ৬ চিকিৎসকসহ মোট ১৪ জন।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে চিকিৎসকসহ ওই ১৪ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
তালিকায় অনুযায়ী, খালেদা জিয়ার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে থাকবেন তার পুত্রবধূ সায়দা শামীলা রহমান। পাশাপাশি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সহকারী মো. আব্দুল হাই মল্লিক ও চেয়ারপারসনের সহকারী ব্যক্তিগত সচিব মো. মাসুদুর রহমানও লন্ডন সফরে থাকবেন।
এছাড়াও বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে লন্ডনে যাবেন ৬ চিকিৎসক। তারা হলেন- ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, ডা. মোহাম্মদ আনামুল হক চৌধুরী, ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার, ডা. ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ সিদ্দিকী, ডা. নূরউদ্দিন আহমদ, ডা. জাফর ইকবাল ও ডা. মোহাম্মদ আল মামুন।
এদিকে নিরাপত্তার অংশ হিসেবে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের হাসান শাহরিয়ার ইকবাল ও সৈয়দ সামিন মাহফুজ বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে লন্ডনে যাবেন। এছাড়াও গৃহপরিচারিকা হিসেবে ফাতেমা বেগম ও রূপা শিকদারকেও সফরসঙ্গী হিসেবে তালিকায় রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে অথবা শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে লন্ডনে নেয়া হবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের অন্যতম এবং দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশনের কাছে ২০২৪ সালের আয় ও ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে বিএনপি। এতে আয় হিসেবে দেখানো হয়েছে ১৫ কোটি ৬৫ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪২ টাকা। এছাড়া ব্যয় দেখানো হয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৪ হাজার ৮২৩ টাকা। বর্তমানে উদ্বৃত্ত আছে ১০ কোটি ৮৫ লাখ ৯০ হাজার ১৯ টাকা।
আজ রবিবার সকালে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে আয় ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। হিসাব জমা দেওয়া শেষে এ তথ্য জানান তিনি।
রিজভী জানায়, সদস্যদের মাসিক চাঁদা, বই-পুস্তক বিক্রয়, ব্যাংক সুদ, এককালীন অনুদান থেকে আয় হয়েছে। আর ব্যয় হয়েছে ব্যক্তিগত সহযোগিতা, দুর্যোগকালীন সহযোগিতা, কর্মসূচি বাস্তবায়ন, লিফলেট, পোস্টার ইত্যাদি ছাপানোয়।
এ সময় তিনি বলেন, আগে নির্বাচন কমিশন প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা হয়েছিল, নির্বাহী বিভাগের অধীনে ছিল। ফ্যাসিবাদের অস্ত্র হয়ে উঠেছিল, দিনের ভোট রাতে করেছিল। একটি লুটের নির্বাচন করে কমিশন বৈধতা দিয়েছিল। এ ছাড়া মেরুদণ্ডহীন, চাকরিলোভী লোক দিয়ে ইসি গঠন হয়েছিল।
রিজভী বলেন, শেখ হাসিনার পদলেহী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল নির্বাচন কমিশন। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের প্রতি প্রত্যাশা তারা দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবে। অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করবে। নির্বাচন নিয়ে যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে ইসি। আস্থার প্রতিষ্ঠান হবে নির্বাচন কমিশন, বিএনপি এটি প্রত্যাশা করে।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ২০০৭-২০০৮ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভূমিকার বিশেষ প্রশংসা করে বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ প্রয়োজনের সময় সবক্ষেত্রে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের উপার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়ে তারা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও ভূমিকা রেখে চলেছেন।
সুইডেন আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির, সাধারণ সম্পাদক ড. ফরহাদ আলী খান, সহ-সভাপতি সিরাজুল হক খান রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দলিল উদ্দিন দুলু, কোষাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম, সহ-প্রচার সম্পাদক আফসার আহমেদসহ সুইডেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ এবং বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদ নরডিক শাখার নেতৃবৃন্দ বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছে বিএনপি। এজন্য দলের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার কাছে নির্বাচনী রোডম্যাপ চাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ে এসব কথা বলেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন মহলে, তা পরিষ্কারের জন্য প্রধান উপদেষ্টার কাছে রোডম্যাপ চাইবে বিএনপি। দল মনে করে জুনের আগে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে।
বিএনপির এই নেতা জানায়, সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে কিছু বিষয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে, পঞ্চাদশ সংশোধনীর পূর্ববস্থা বহাল চায় বিএনপি। ধর্মনিরপেক্ষতা বাতিলের বিষয়ে কোনো প্রস্তাবনা দেওয়া হয়নি, এটা নিয়ে ভুল ব্যখ্যা দেওয়া হয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে প্রধান উপদেষ্টার যে আলোচনা হয়েছে তা জনগণের দাবি। এটাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মতভেদ থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলোকে দেশ ও জনগণের স্বার্থে এক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জাতীয় কোনো ইস্যুতে বা গণতন্ত্রের প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যেন মুখ দেখাদেখি বন্ধ না হয় তিনি সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
আজ বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপির বিজয় র্যালির আগে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন, রাজনৈতিক দলের সদস্যদের বলতে চাই- বিভিন্ন ইস্যুতে মতভেদ থাকবে। এসব মতভেদ দূর করতে আমাদের আলোচনা চলবে। জাতীয় কোনো ইস্যুতে, গণতন্ত্রের প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যেন মুখ দেখাদেখি বন্ধ না হয়, সেই লক্ষ্যে জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকা প্রয়োজন। কারণ, আমি বিশ্বাস করি ধর্ম, দর্শন, মত যার যার, রাষ্ট্র আমাদের সবার।
এসময় দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে সবার সহযোগিতা ও সমর্থন চান তিনি।
গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকদের আরও সতর্ক ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, নাগরিকদের কাছে আহ্বান রাখছি, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে।
তিনি বলেন, দেশবাসীর কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলতে চাই, ফ্যাসিবাদের সময় আমরা নিরাপদ ছিলাম না। আমাদের সন্তানরা নিরাপদ ছিল না। আমাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। পুরো বাংলাদেশকে বর্বর বন্দিশালা বানানো হয়েছিল। গণতন্ত্র এবং আইনের শাসন না থাকায় এমন হয়েছিল।
গণতন্ত্র ও দেশের জনগণের সামনে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক অপার সম্ভাবনা এবং সুযোগ এসেছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, চব্বিশের আন্দোলনের কারণে আসা সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক শক্তি প্রতিষ্ঠা করা গেলে; জনগণের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করতে পারলে, ভবিষ্যতে আর কেউ ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার সুযোগ পাবে না। দেশকে তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে পারবে না। আর কোনো রক্তাক্ত চব্বিশ আমাদের দেখতে হবে না।
বিজয় মিছিল আয়োজন নিয়ে তারেক রহমান বলেন, পতিত ও পলাতক ফ্যাসিস্টের আমলে অন্ধকারের রাজত্ব কায়েম হয়েছিল। আজকের বিজয় মিছিল অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আলোর পথে যাত্রা।
মন্তব্য করুন


কেউ ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে দমন করে রাখতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে গুম, খুন, হয়রানি, নির্যাতনের পরও বিএনপির একজন নেতাকর্মীও রাজপথ ছাড়েনি। এক ভাই গুম হয়েছেন, আরেক ভাই রাস্তায় নেমেছেন। কৌশলের নামে গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপির কর্মীরা।
আমি বিশ্বাস করি, যে দলের নেতাকর্মীরা এভাবে আপসহীন, কেই ষড়যন্ত্র করে সেই দলকে দমন করে রাখতে পারবে না ইনশা-আল্লাহ।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ ও ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে অত্যাচার করা হয়েছে। হাজারো নেতাকর্মীকে হতে হয়েছে গুমের শিকার। তাদের কিছু পরিবার এখানে আছে। ফ্যাসিবাদী আন্দোলনের সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দেড় লক্ষের বেশি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার বোঝা ৬০ লক্ষ নেতাকর্মীকে বহন করতে হয়েছে। লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীকে বছরের পর বছর ঘরবাড়ি ছেড়ে থাকতে হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
বিএনপি চেয়ারম্যান আরো বলেন, বহু বছর দেশ, স্বজন, মানুষ থেকে দূরে থাকতে হয়েছে। আমার নেতাকর্মীদের বাইরেও এই স্বজনহারা মানুষ যারা সারা দেশে আছেন, দূর থেকে চেষ্টা করেছি স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন গড়ে তুলতে। আমাদের সামার্থ্য দিয়ে চেষ্টা করেছি, স্বজনহারা মানুষের পাশে দাঁড়াতে। আমরা কতটুকু পেরেছি বা পারিনি সেটার জবাব ভিন্ন।
তবে আমাদের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি ছিল না। হয়তো সীমাবদ্ধতা ছিল, কিন্তু আমাদের চেষ্টা অব্যাহত ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।
তিনি বলেন, বিভীষিকাময় সে দিনের ও রাতের অবসান হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। যারা স্বজন হারিয়েছেন, তাদের সত্যিকারভাবে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা আমাদের কাছে নেই। এক দুঃসহ সময় আমরা অতিক্রম করেছি। এই দুঃসময়ে এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে কয়েকজন সন্তান তাদের কষ্টের কথা উল্লেখ করে গেছেন। যে সন্তান একমুহূর্তেও তাদের পিতার মুখ দেখেনি। একমাত্র আল্লাহরাব্বুল আলামিন জানেন, এসব সন্তান তাদের পিতাকে দেখবে কি না। অনেক সন্তান এখনো অপেক্ষায় আছেন। পিতা হয়তো হঠাৎ করে তাদের দরজায় এসে কড়া নাড়বে। গুম হয়ে যাওয়া সন্তান হঠাৎ করে এসে মা বলে ডাকবে।
মন্তব্য করুন


আগামী নভেম্বরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। শুক্রবার গুলশানে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বড় জোট গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গেও রাজনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে। তবে জোট হবে কি না তা এখনো নিশ্চিত নয়।
তিনি জানান, চলতি অক্টোবর মাসের মধ্যেই ২০০ আসনে বিএনপির একক প্রার্থীকে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দেওয়া হবে, যাতে তারা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে পারেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নির্বাচনসংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের অনেক বিষয়ে বিএনপি সম্মত ছিল। তবে ২০/১ উপধারায় বলা হয়েছিল, জোটবদ্ধ হলে দলগুলো অন্য রাজনৈতিক দলের প্রতীকে নির্বাচন করতে পারবে।
বিএনপি সেটিতেই আশ্বস্ত ছিল, কিন্তু যেভাবে আরপিও পাস হয়েছে, তাতে ছোট দলগুলো জোটে যুক্ত হতে নিরুৎসাহিত হবে। এতে ছোট দলের নেতারা সুযোগ হারাবেন।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ধরনের আরপিও একতরফাভাবে কেন পাস করা হলো?
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি বহুদলীয় ও শক্তিশালী সংসদ দেখতে চায়। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে আইনটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।
সালাহউদ্দিন আরো জানান, এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে দলটি চিঠি দেবে। ধারণা করা হচ্ছে, তারেক রহমান দেশে ফেরার পর গুলশান-২ অ্যাভিনিউ রোডের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে থাকবেন। ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তৎকালীন সরকার তাঁর স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এই বাড়ি বরাদ্দ দেয়। সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকার এই বাড়ির নামজারি সম্পন্ন করে এ সংক্রান্ত কাগজপত্র খালেদা জিয়ার হাতে হস্তান্তর করে। এর পাশের বাড়ি ফিরোজায় থাকেন খালেদা জিয়া।
গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িটি ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ-এর কাছে ভাড়া দেওয়া ছিল।
জানা গেছে, ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো এ বছরের শুরুর দিকে বাড়িটি ছেড়ে দিয়েছে। এখন নতুন করে বাড়ির ভেতরে-বাইরে রং করাসহ প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হয়।
মন্তব্য করুন