

বার্সেলোনার ইতিহাসের সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি থাকাকালে একের পর এক শিরোপা জেতা ক্লাবটি আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে হারিয়ে যেন পথ হারিয়ে ফেলেছিল। ন্যু ক্যাম্পের আকাশে জমা হয় ঘন কালো মেঘ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ব্যর্থতাতো আছেই, টানা তিন মৌসুমে লিগ শিরোপা জিততে পারেনি কাতালান ক্লাবটি। তবে ২০২১ সালে বার্সার দায়িত্ব নিয়েই দলকে বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন জাভি হার্নান্দেজ।
অবশেষে সাবেক ফুটবলারের হাত ধরেই তিন মৌসুম পর লা লিগা শিরোপা পুনরুদ্ধার করল কাতালান ক্লাবটি। সেটিও আবার চার ম্যাচ হাতে রেখেই। এটি বার্সেলোনার ২৭তম লিগ শিরোপা। আগের ২৬ শিরোপার ১০টিই জিতেছে একবিংশ শতাব্দীতে; মেসির উপস্থিতিতে।
রোববার রাতে এস্পানিওলের মাঠে শিরোপার সুবাস নিয়েই মাঠে নেমেছিল বার্সেলোনা। রবার্ট লেভানদোভস্কির জোড়া গোলে এদিন ৪-২ গোলে জিতেছে জাভির শিষ্যরা। ৩৪ ম্যাচে ২৭ জয় ও ৪ ড্রয়ে তাদের পয়েন্ট ৮৫। অন্যদিকে বার্সেলোনার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ সমান ম্যাচে ৭১ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে।
মন্তব্য করুন


ততক্ষণে রেফারির ম্যাচ শেষের বাঁশি বেজে গেছে। কোচ ও বেঞ্চের খেলোয়াড়রা মাঠে দৌড়ে যান। শুরু হয় বার্সেলোনার শিরোপা উৎসব। তবে আল্ট্রা এস্পানিওল বা উগ্রপন্থী সমর্থকদের তোপের মুখে শিরোপা উৎসবে ক্ষান্তি দিয়ে একপ্রকার পালিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় লেভানদোভস্কিদের।
রোববার রাতে এস্পানিওলের মাঠে শিরোপার সুবাস নিয়েই মাঠে নেমেছিল বার্সেলোনা। রবার্ট লেভানদোভস্কির জোড়া গোলে এদিন ৪-২ গোলে জিতেছে জাভির শিষ্যরা। আর তাতে তিন মৌসুম পর লা লিগা শিরোপা পুনরুদ্ধার করল কাতালান ক্লাবটি। সেটিও আবার চার ম্যাচ হাতে রেখেই। এটি বার্সেলোনার ২৭তম লিগ শিরোপা। ৩৪ ম্যাচে ২৭ জয় ও ৪ ড্রয়ে তাদের পয়েন্ট ৮৫। অন্যদিকে বার্সেলোনার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ সমান ম্যাচে ৭১ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে।
মন্তব্য করুন


সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা প্রদান করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ শনিবার (২ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় তিনি এ সংবর্ধনা প্রদান করেন।
এ সময় নারী ফুটবল দলের সদস্যরা তাঁদের স্বপ্ন ও খেলোয়াড় জীবনের প্রতিদিনের সংগ্রামের কথা প্রধান উপদেষ্টার সামনে তুলে ধরেন।
প্রধান উপদেষ্টা বিজয়ী খেলোয়াড়দের বিভিন্ন দাবি ও কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং অগ্রাধিকারভিত্তিতে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।
গত ৩০ অক্টোবর কাঠমান্ডুতে সপ্তম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নেপালকে ২-১ গোলে পরাজিত করে শিরোপ জিতে নেয় বাংলাদেশ দল।
নারী ফুটবলারদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এই সাফল্যের জন্য আমি পুরো জাতির পক্ষ থেকে তোমাদেরকে অভিনন্দন জানাই। জাতি তোমাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমাদের দেশের মানুষ সাফল্য চায়, আর তোমরা সেই সাফল্য এনে দিয়েছ।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে সম্মানিত বোধ করছি।
তিনি বলেন, অনেক বাধা পেরিয়ে আমরা এই পর্যায়ে পৌঁছেছি। শুধু নারী ফুটবল দলই নয়, বাংলাদেশের নারীদের সামগ্রিকভাবে নানা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
২০০৯ সালে ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করা সাবিনা তাঁর আগের প্রজন্মের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, আগের প্রজন্ম
ফুটবলকে তাঁদের ভালবাসা হিসেবে বেছে নেওয়ার সাহস দেখিয়েছিলেন।
সাবিনা আরো বলেন, আমাদের অনেকে সাধারণ পরিবার থেকে এসেছে এবং তার পরিবারকে আর্থিকভাবে
সাহায্য করতে হয়।
তিনি বলেন, আমাদের বেতন খুব বেশি নয়। এই বেতন দিয়ে পরিবারকে তেমন কোন সাহায্য করতে পারি না।
এই তারকা স্ট্রাইকার তাঁর কয়েকজন সহযোদ্ধার সংগ্রামের গল্প, যেমন মারিয়া মান্দারের কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
ময়মনসিংহের বিখ্যাত কলসিন্দুর গ্রামের মারিয়া, যেখান থেকে সাফ বিজয়ী দলের ছয়জন খেলোয়াড় এসেছেন, ছোটবেলায় তাঁর বাবাকে হারান এবং মা তাকে বড় করেন।
উইঙ্গার কৃষ্ণা রানী সরকার ঢাকায় তাঁদের আবাসন সমস্যার কথা উল্লেখ করেন, আর মিডফিল্ডার মানিকা চাকমা খাগড়াছড়ি জেলার দূরবর্তী লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার ফুটবলার হিসেবে উঠে আসার সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন।
মিডফিল্ডার স্বপ্না রানী তাঁর নিজ জেলা দিনাজপুরের রানীশংকৈল উপজেলায় তার গ্রামের দূর্বল অবকাঠামোর কথা বলেন।
উইঙ্গার কৃষ্ণা প্রধান উপদেষ্টার কাছে অনুরোধ করেন যেন তাঁদের জন্য এশিয়ার বাইরে একটি প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়, বিশেষ করে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ বিজয়ী বার্সেলোনার সঙ্গে।
প্রধান উপদেষ্টা প্রত্যেক খেলোয়াড়কে তাদের ব্যক্তিগত আশা-আকাঙ্ক্ষা, সংগ্রাম ও তাদের বিভিন্ন দাবি আলাদাভাবে কাগজে লিখে তাঁর কার্যালয়ে জমা দেওয়ার জন্য বলেন।
অধ্যাপক ইউনুস বলেন, ‘তোমরা যা কিছু চাও তা লিখতে দ্বিধা করো না আমরা তোমাদের দাবিগুলো পূরণ করার চেষ্টা করব। যদি কিছু এখনই করা সম্ভব হয়, আমরা তা করব’।
কোচ পিটার বাটলার এবং ম্যানেজার মাহমুদা আক্তারও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া, সুপ্রদীপ চাকমা, অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার এবং নূরজাহান বেগম।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


৮৫
বছর বয়সে চলে গেলেন আর্জেন্টিনাকে ১৯৭৮ সালে প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জেতানো
ক্যারিশম্যাটিক কোচ সেজার লুইস মেনোত্তি।
এক্স
হ্যান্ডেলে মেনোত্তির মৃত্যুর খবর জানিয়ে এএফএ লিখেছে, আর্জেন্টিনা
ফুটবল ফেডারেশন অত্যন্ত শোকের সঙ্গে বর্তমান জাতীয় দলের পরিচালক ও আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপজয়ী কোচ লুইস সিজার মেনোত্তির মৃত্যুর খবর জানাচ্ছে। বিদায় প্রিয় ফ্লাকো!
স্থানীয়
গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে,
মেনোত্তিকে মার্চ মাসে গুরুতর রক্তাস্বল্পতা নিয়ে একটি
ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছিল। তিনি এপ্রিল মাসে ফ্লেবিটিসের জন্য অস্ত্রোপচার
করেছিলেন এবং পরে দেশে ফিরে আসেন বলে জানা গেছে। আর্জেন্টিনার ফুটবলে তাকে সবচেয়ে
প্রভাবশালী কোচ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মেনোত্তি
একজন রাজনৈতিক কর্মী এবং আর্জেন্টিনার কমিউনিস্ট পার্টির সহযোগী সদস্য হবার
পাশাপাশি বক্সিং অনুরাগী ছিলেন। তিনি রোজারিও সেন্ট্রাল (১৯৬০-৬৩ এবং ১৯৬৭) এর
একজন তরুণ খেলোয়াড় হিসাবে তার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন, তারপরে রেসিং
ক্লাব (১৯৬৪) এবং বোকা জুনিয়র্স (১৯৬৫-১৯৬৬)সহ একাধিক ক্লাবের হয়ে খেলেন।
মেনোত্তি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্ক জেনারেলদের হয়ে খেলেছেন (১৯৬৭), তারপরে ব্রাজিলের
সান্তোস (১৯৬৮) এবং ইতালির জুভেন্টাসের (১৯৬৯-১৯৭০) হয়েও তাকে খেলতে দেখা গেছে।
মেনোত্তি
১৯৭৪ থেকে ১৯৮৩ সালের মধ্যে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। বিশ্বকাপের
প্রাক্কালে, মেনোত্তি
১৭ বছর বয়সী ম্যারাডোনাকে স্কোয়াড থেকে বাদ দিয়েছিলেন-যে সিদ্ধান্তের জন্য
উভয়ের মধ্যে সম্পর্কের বেশ অবনতি নয়। পরবর্তীতে মেনোত্তি ১৯৯১-৯২ সালে মেক্সিকো
জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। তিনি বার্সেলোনাকেও নেতৃত্ব দেন, যেখানে তার
স্কোয়াডে ম্যারাডোনা ছিলেন। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, উরুগুয়ের পেনারোল,
ইতালির সাম্পডোরিয়া এবং মেক্সিকোর টেকোসে ছিল তার শেষ কোচিং জীবন। মেনোত্তি
সিগারেটে আসক্ত ছিলেন। কিন্তু ২০১১ সালে তার তামাক আসক্তির কারণে তিন দিনের জন্য
হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে তিনি এই অভ্যাস ছেড়ে দেন।
মেনোত্তি একজায়গায় রসিকতা করে বলেছিলেন, আমাকে না
হারানো পর্যন্ত আমি আমার চুল কাটব না। মেনোত্তির হাত ধরেই সহিংসতাপূর্ণ খেলার
কুখ্যাতি থেকে সরে এসে রোমান্টিক ধাঁচের ফুটবল খেলে সমর্থকদের মন জিতেছে
আর্জেন্টিনা।
মেনোত্তির
মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের
অধিনায়ক লিওনেল মেসি লিখেছেন,
আর্জেন্টিনার ফুটবলের অন্যতম গ্রেট আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তার পরিবার এবং
প্রিয়জনদের প্রতি সমবেদনা। শান্তিতে ঘুমান।
মন্তব্য করুন


মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে
চলমান সেলিব্রিটি ক্রিকেট লিগে শুক্রবার রাতে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতির
ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত খেলোয়াড়রা চিকিৎসা নিতে রাজধানীর একটি সরকারি হাসপাতালে যান। সঙ্গে
রয়েছে নির্মাতা দীপঙ্কর দীপনের টিমের অন্য তারকারাও।
জানা যায়, আহত হয়ে অভিনেত্রী রাজ রিপা,
চিত্রনায়ক জয় চৌধুরী, শিশির শিকদার, আতিকুর রহমান, শেখ শুভ ও শেখ জাহিদ আগারগাঁওয়ের
পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অন্য কোনো তারকা আর কোথাও চিকিৎসা নিচ্ছেন কি না
সেই তথ্য জানা যায়নি।
তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হবে নাকি প্রাথমিক
চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত জানাননি চিকিৎসকরা।
জানা যায়, সেলিব্রিটি ক্রিকেট লিগে রাত
১০টার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে নিজেদের শেষ ম্যাচে খেলতে নেমেছিল মুহাম্মদ
মোস্তফা কামাল রাজ ও দীপঙ্কর দীপনের দল। খেলা চলাকালীন মাঠের বাইরে থাকা দুই দলের সতীর্থদের
মধ্যে উত্তেজনা ছাড়িয়ে পড়ে, যা মাঠে খেলোয়াড়দের মধ্যেও হাতাহাতিতে রূপ নেয়। ম্যাচ শেষে
রাত সাড়ে ১১টার পর আবারও মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন দুই দলের খেলোয়াড়রা। এসময় নির্মাতা
মোস্তফা কামাল রাজ ও অভিনেতা শরিফুল রাজ গায়ে হাত তোলেন বলে অভিযোগ করেছেন নায়িকা রাজ
রিপা। কান্নাজড়িত কণ্ঠে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
দীপনের দলের খেলোয়াড়দের একজন অভিনেতা
মনির হোসেন শিমুল অভিযোগ করে বলেন, তারা বাইরে থেকে সন্ত্রাসী এনে আমাদের ওপর আক্রমণ
শুরু করে। এটা কোন ধরনের সিসিএল খেলা?
নির্মাতা দীপঙ্কর দীপন ও আয়োজকদের পক্ষ
থেকে জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে অফিশিয়াল বক্তব্য ও ব্যখ্যা দেবেন তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোস্তফা কামাল রাজের
দলের পক্ষ থেকে অভিযোগটি অস্বীকার করা হয়। তারা জানান, প্রয়োজন মনে করলে পরে মন্তব্য
দেবেন।
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে উৎসাহ দিতে
৩দিনব্যাপী সেলিব্রিটি ক্রিকেট লিগের (সিসিএল) আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার ফাইনালের মধ্য
দিয়ে সমাপ্ত হবে খেলাটি।
মন্তব্য করুন


প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট ২০২৩-২৪ কুমিল্লা হাই স্কুল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। শনিবার কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাাথ দত্ত স্টেডিয়ামে কুমিল্লা মডার্ণ স্কুল ও কুমিল্লা হাই স্কুলের মধ্যে স্কুল ক্রিকেটের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
ফাইনাল খেলায় কুমিল্লা মডার্ণ স্কুলের সাথে ৭৪ রানে জয় পায় কুমিল্লা হাই স্কুল। ফাইনাল খেলায় ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হয় কুমিল্লা হাই স্কুলের খেলোয়াড় ফাইজুল হক ফাহিম ও ম্যান অব দ্যা টূর্ণামেন্ট হয় কুমিল্লা হাই স্কুলের খেলোয়াড় ইবনে ফাহিম আফিফ।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট কুমিল্লা ভেন্যুর খেলা শুরু হয়। স্কুল ক্রিকেটের আসরে কুমিল্লার ৮টি স্কুল অংশ নেয়।
শনিবার বিকেলে প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্ণামেন্টে বিজয়ী ও বিজীতদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাইম ব্যাংক কুমিল্লা শাখার এক্সিকিউটিভ অফিসার কামাল হোসেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য দেলোয়ার হোসেন জাকির, জেলা ক্রিকেট কোচ হাবিব মোবাল্লেগ জেমস, কোচ সারোয়ার জাহান ও অংশগ্রহণকারী স্কুলগুলোর ক্রীড়া শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগ পর্যন্ত বাজে ফর্মের কারণে ব্যাপক ট্রল আর সমালোচনার শিকার হয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে সেই বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়ে ধারবাহিক হওয়ায়র ইঙ্গিত দেন। এরপর শুধুই ধারবাহিকতা নয়, সেই সব ট্রল আর সমালোচনার জবাবও দিচ্ছেন ব্যাট হাতে। গতকালের ম্যাচ শেষে এই ব্যাটারের প্রশংসা শোনা গেছে বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালের কন্ঠেও।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে বড় অবদান নাজমুল হোসেন শান্তর। ৬৫.৩৩ গড়ে সিরিজের সর্বোচ্চ ১৯৬ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে। যেখানে তিনি ব্যাটিং করেছেন ১০২.৬১ স্ট্রাইকরেটে। এমন পারফরম্যান্সে সিরিজ সেরার পুরস্কার ওঠেছে তার হাতে।
শান্তর জন্য সিরিজটি প্রাপ্তিতে ভরপুর ছিল। প্রথম ম্যাচটি যদিও ছিল অপূর্ণতার। আউট হয়ে যান ৪৪ রান করে। তবে পরের ম্যাচে দলের অসাধারণ রান তাড়ায় নায়ক তিনি ৯৩ বলে ১১৭ রান করে। যেটি তাকে এনে দেয় এই সংস্করণে প্রথমবার ম্যাচ সেরা হওয়ার সম্মান। শেষ ম্যাচে ব্যাট হাতে খেলেন ক্যামিও ইনিংস আর বল হাতে স্বাদ পান প্রথম আন্তর্জাতিক উইকেটের। তাতে নিশ্চিত হয় দলের সিরিজ জয় আর নিজে পান প্রথমবার ম্যান অব দা সিরিজের স্বীকৃতি।
গত বছর পর্যন্ত ১৫ ওয়ানডে খেলে একবারও ৪০ ছুঁতে পারেননি শান্ত। এ বছর ৭ ওয়ানডেতে ১ সেঞ্চুরি ও ৩ ফিফটি হয়ে গেল। ব্যাটিংয়ে এই ধারাবাহিকতার পাশাপাশি আলাদা করে নিজেকে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি ফিল্ডিংয়ে। এই আয়ারল্যান্ড সিরিজেও অসাধারণ ফিল্ডিং করেছেন মাঠের নানা প্রান্তে। এসবের পাশাপাশি শান্তর দল অন্তপ্রাণ মানসিকতাও তুলে ধরলেন তামিম।
তিনি বলেন, 'সবশেষ ২-৩ সিরিজ ধরেই সে খুব ভালো খেলছে। নিয়মিত রান করছে। আমাদের জন্য যা দারুণ ব্যাপার। তিন নম্বর এমন একটি পজিশন, যেখানে লম্বা সময়ের জন্য কাউকে আমরা নিয়মিত পাইনি। আমার মনে হয়, তিন নম্বরে সে নিজের জায়গা পাকা করেছে।'
'সে রান করছে নিয়মিত। শুধু রানই নয়, যেভাবে সে মাঠে ফিল্ডিং করে, সব জায়গায় নিজের সেরাটা দেয়। গ্রেট টিমম্যান… ওর জন্য আমি খুবই খুশি।'-আরও যোগ করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
মন্তব্য করুন


এশিয়া কাপ দিয়ে তামিম
ইকবাল দলে ঠিকই ফিরছেন, তবে অধিনায়করূপে নয়। শুধুমাত্র ওপেনার হিসেবে দেখা যাবে তামিম
ইকবালকে।
২ দিন ধরে এ বিষয়ে
বিসিবি চেয়ারম্যান নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল তামিম
ইকবালের।আর সেখানে বড় আলোচনার বিষয় ছিল তামিমের
অধিনায়কত্ব।
বিসিবি সভাপতির বাসায়
অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তামিম ইকবাল।
তামিম ইকবাল জানান, আজকে
থেকে বাংলাদেশ দলের অধিনায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
তামিম ইকবাল
বলেন, দলের স্বার্থে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিয়েছি। এখন ভালোভাবে খেলায় মনোযোগ দেব। আমি
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। উনাকে পুরো ব্যাপারটা জানিয়েছি। তিনি আমার
ব্যাপারটা বুঝেছেন। তারপরই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের
বাসায় রাত ৮টায় শুরু হয় বৈঠক। এর আগে সন্ধ্যা ৭টা ৪৩ মিনিটে বিসিবি প্রধানের বাসায়
আসেন তামিম ইকবাল। ওয়ানডে অধিনায়কের আগে সেখানে যান ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির
চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস।এ সময় বিসিবির অন্য কর্মকর্তারাও বৈঠকে উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ভারত নারী দলকে একশর নিচে আটকে দিয়ে সিরিজে ফেরার সম্ভাবনা জাগিয়েছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। তবে ব্যাটিং ব্যর্থতায় তা আর হয়নি। এবার সিরিজের শেষ ম্যাচে আরও একবার লেটার মার্ক তুললেন বাংলাদেশের বোলাররা। ছোট লক্ষ্য তাড়ায় এবার আর ভুল করলেন না ব্যাটাররা। তাতে শেষ ম্যাচ জিতে মান বাঁচালো বাংলাদেশ।
মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ১০২ রান সংগ্রহ করেছিল ভারত। যেখানে সর্বোচ্চ ৪০ রান এসেছে হারমানপ্রীতের ব্যাট থেকে। জবাবে ১৮ ওভার ২ বলে ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশের মেয়েরা।
১০৩ রানের লক্ষ্যমাত্রায় ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ।
অধিনায়ক ফিরলেও শামিমা এক প্রান্ত আগলে রেখে ব্যাটিং করছিলেন। কিন্তু ৪২ রান করে এই ওপেনার রান আউটে কাটা পড়লে হারের শঙ্কায় পড়ে দল। তবে সুলতানা খাতুন ও নাহিদা আক্তারের ব্যাটে সেই শঙ্কার মেঘ উড়ে গেছে।
১৬ রান তুলতেই সাজঘরে ফেরেন টপ অর্ডারের দুই ব্যাটার। তবে তৃতীয় উইকেট জুটিতে নিগার সুলতানা জ্যোতিকে নিয়ে দলকে জয়ের পথে রাখেন শামিমা সুলতানা। তবে অধিনায়ক এদিন খুব বেশি দূর এগোতে পারলেন না। ১৪ রান করে জ্যোতি সাজঘরে ফিরলে ভাঙ্গে ৪৬ রানের জুটি।
এর আগে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই ফেরেন স্মৃতি মান্দানা। এরপর শেফালিও দ্রুত ফিরেছেন। তবে জেমিমা রদ্রিগেজ ও হারমানপ্রীত কৌরের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা। তবে অধিনায়ক ৪০ রান করে ফিরলে আর কেউই বলার মতো তেমন কোনো ইনিংস খেলতে পারেননি। ফলে কোনোরকমে একশ রান পার করে ভারত নারী দল।
মন্তব্য করুন


অবশেষে
ব্রাজিল দলে ফিরছেন সাবেক পিএসজি ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়র।
নেইমার জুনিয়র ২০২২ বিশ্বকাপের পর থেকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অনুপস্থিত ছিলেন।
এরপর চোটে পড়ে মাঠের বাইরেই সময় কেটেছে নেইমার জুনিয়রের।
আগামী মাসে দক্ষিণ
আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দুটি ম্যাচ খেলবে পাঁচবারের এই বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর প্রথম ম্যাচটি হবে বলিভিয়ায় এবং চারদিন পর অন্য ম্যাচটি হবে
পেরুর মাটিতে। সেলেসাওদের নতুন কোচ ফের্নান্দো দিনিজ এই দুই ম্যাচের প্রাথমিক দলে
নেইমার জুনিয়রকে রেখেছেন।
২০২৬ বিশ্বকাপ
বাছাইপর্বের দুই ম্যাচের জন্য গতকাল ২৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে ব্রাজিল। কয়েকদিন
আগেই পিএসজি ছেড়ে সৌদি আরবের ক্লাব আল হিলালে যোগ দেওয়া নেইমারের সঙ্গে ব্রাজিলের
আক্রমণভাগে থাকছেন রিয়াল মাদ্রিদের দুই তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রদ্রিগো। টটেনহাম
তারকা রিচার্লিসনও আছেন।
কাতার বিশ্বকাপের পর
আন্তর্জাতিক ফুটবলে ভুলে যাওয়ার মতোই সময় কাটছে ব্রাজিলের। এখন পর্যন্ত তিনটি
প্রীতি ম্যাচ খেলে দুটিতেই হেরে গেছে তারা। এর মধ্যে মরক্কোর কাছে ২-১ গোলে এবং
সেনেগালের কাছে তারা হেরেছে ৪-২ গোলে। জিতেছে কেবল গিনির বিপক্ষে, ৪-১ গোলে।
ব্রাজিলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের
দল:
রক্ষণভাগ: দানিলো
(জুভেন্টাস), ভানদারসন (মোনাকো), রেনান লদি (মার্শেই), কাইও হেনরিক (মোনাকো),
গাব্রিয়েল ম্যাগালহেইস (আর্সেনাল), মারকিনিওস (পিএসজি), ইবানেজ (আল আহলি), নিনো
(ফ্লুমিনেন্স)
মিডফিল্ডার: ব্রুনো
গুইমারেজ (নিউক্যাসল), আন্দ্রে (ফ্লুমিনেন্স), জোয়েলিংতন (নিউক্যাসল), কাসেমিরো
(ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), রাফায়েল ভেইগা (পালমেইরাস)
ফরোয়ার্ড: নেইমার (আল
হিলাল), গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি (আর্সেনাল), রিচার্লিসন (টটেনহাম), রদ্রিগো
(রিয়াল মাদ্রিদ), ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (রিয়াল মাদ্রিদ), অ্যান্থনি (ম্যানচেস্টার
ইউনাইটেড), ম্যাথিউস কুনহা (উলভারহ্যাম্পটন)।
গোলরক্ষক: আলিসন
(লিভারপুল), এদেরসন (ম্যানচেস্টার সিটি), বেন্তো (আতলেতিকো প্যারানায়েন্স)।
মন্তব্য করুন