

ব্রাজিল জাতীয় দলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলোত্তি আসন্ন বিশ্বকাপকে সামনে রেখে তার স্কোয়াড নির্বাচন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। ৩৩ বছর বয়সী নেইমারকে বিশ্বকাপে দেখা যাবে কি না, এ নিয়ে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল মহলসহ ভক্তদের মধ্যে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই চলছিল সরগরম আলোচনা। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আনচেলোত্তি বিষয়টি একেবারে পরিষ্কার করে দিলেন।
আনচেলোত্তি বলেন, ‘আমি জানি, আপনারা নেইমারকে নিয়ে খুবই আগ্রহী। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এখন ডিসেম্বর, বিশ্বকাপ শুরু হবে জুনে। মে মাসে যখন আমি স্কোয়াড ঘোষণা করবো, তখন যদি নেইমার যোগ্য প্রমাণিত হয়, ফিট থাকে, অন্যদের সমান বা তাদের চেয়েও ভালো থাকে, তাহলে সে বিশ্বকাপে খেলবে। বিষয়টি এতটাই সরল।’
এ মৌসুমে সান্তোসের হয়ে নেইমার এখন পর্যন্ত ১৯ ম্যাচ খেলেছেন।
করেছেন ৮ গোল ও ১টি অ্যাসিস্ট। জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও তার পারফরম্যান্স ছিলো উল্লেখযোগ্য, ৪ ম্যাচে ২ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
সারা জীবন যে ক্রিকেট খেলা চালিয়ে যেতে পারবেন না এটা তিনি ভালই জানেন। সেটা চাইছেনও না। তাই বিরাট কোহলির ইচ্ছা, ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার আগে সব কাজ শেষ করে ফেলার। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু-আরসিবির একটি পডকাস্টে এমনই কথা বলেছেন কোহলি। বেশ কিছু দিন পর ভারতের প্রাক্তন অধিনায়কের মুখে আবার অবসরের কথা শোনা গেল।
রানের প্রতি কোহলির খিদে এখনও আগের মতোই আছে। এ বারের আইপিএলে শতরান করেছেন। মোট আটটি শতরান হয়ে গিয়েছে আইপিএলে। ১৩টি ম্যাচে ৬৬১ রান করে কমলা টুপির দৌড়ে রয়েছেন।
আরসিবির একটি ভিডিওতে কোহলি বলেছেন, ‘কোনও কাজ অসমাপ্ত রেখে যেতে চাই না। আমি চাই না কোনও আক্ষেপ রাখতে। আমি নিশ্চিত যে সেটা হয়তো থাকবেও না। তবে এক বার আমার কাজ শেষ হয়ে গেলেই চলে যাব। তারপর অনেক দিন আমাকে দেখতে পাবেন না।’
কোহলির সংযোজন, ‘যতদিন খেলছি তত দিন নিজের সেরাটা দিতে চাই। এই বিষয়টাই আমাকে সর্বক্ষণ তাড়িয়ে বেড়ায়।’
২০০৮ সালে ভারতকে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতানোর পরেই কোহলিকে আইপিএল নিলামে কেনে আরসিবি। সেই থেকে একটি দলের হয়েই খেলে চলেছেন তিনি।
কোহলি বলেছেন, ‘ক্রীড়াবিদ হিসাবে আমাদের একটা মেয়াদ থাকে। আমি তাই পিছনের দিকে তাকাচ্ছি না। কোনও নির্দিষ্ট দিনে আমি কী করতে পারতাম সেটা ভাবতে ভাবতে ক্যারিয়ার শেষ করতে চাই না। কারণ সারা জীবন খেলা চালিয়ে যেতে পারব না।’
মন্তব্য করুন


ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন তামিম ইকবাল। হেলিকপ্টার করে তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার অবস্থা সংকটাপন্ন থাকায় তা সম্ভব হয়নি। তবে, ডাক্তাররা এখন জানিয়েছেন যে তার অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে।
বিসিবি পরিচালক ও মোহামেডানের শীর্ষ কর্মকর্তা মাহবুব আনাম এবং মোহামেডানের ক্রিকেট ম্যানেজার সাজ্জাদ হোসেন শিপন জাগোনিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, তামিমের অবস্থা কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে ডাক্তাররা জানিয়েছেন।
সাজ্জাদ হোসেন শিপন আরও জানান, তামিমের হার্টে একটি ব্লক শতভাগ ছিল, যেখানে রিং পরানো হয়েছে। ডাক্তাররা বলেছেন, যদি এই রিং কাজ করে, তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বর্তমানে যন্ত্রের সাহায্যে তার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রয়েছে, তবে এখনও তার জ্ঞান ফেরেনি। তাকে এখনই শিফট করার মতো অবস্থায় নেই। পরিস্থিতি উন্নতি হলে তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। আপাতত তাকে শিফট করার কোনো চিন্তা নেই।
মোহামেডান কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম টিটু জাগোনিউজকে বলেন, ‘তামিমের হার্টে রিং পরানো হয়েছে, তবে তার অবস্থা এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে। তার জ্ঞান এখনও ফেরেনি। অবস্থার উন্নতি হলে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে।’
সাভারের বিকেএসপি ৩ নম্বর মাঠে প্রিমিয়ার লিগে মোহামেডান ও শাইনপুকুরের মধ্যকার ম্যাচ চলাকালীন হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তামিম ইকবাল। টস করে এসে দলীয় ম্যানেজার ও সাবেক ক্রিকেটার সাজ্জাদ আহমেদ শিপনকে তামিম বলেন, ‘আমার খুব খারাপ লাগছে, বুকে ব্যথা করছে।’
শিপনসহ সতীর্থ ক্রিকেটার এবং কর্মকর্তারা তার অবস্থা দেখে ধারণা করেন যে হয়তো হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। কোনো বিলম্ব না করে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয় এবং তাকে স্থানীয় কেপিজে (সাবেক ফজিলাতুন্নেছা) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে তার এনজিওগ্রাম করা হয় এবং হার্টে ব্লক রয়েছে বলে নিশ্চিত হন ডাক্তাররা।
একই সঙ্গে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার জন্য হেলিকপ্টারও ডেকে আনা হয়। কিন্তু তার পরিস্থিতি স্থিতিশীল না থাকায় হেলিকপ্টারে তোলা সম্ভব হয়নি।
অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তামিমকে কেপিজে হাসপাতালের সিসিইউতে নেওয়া হয় এবং লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। হাসপাতালে বিসিবি কর্মকর্তা, সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটার এবং তামিমের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


এএফসি এশিয়ান কাপের মূল পর্বের লড়াই থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ, সম্ভাবনা নেই ভারতেরও। স্রেফ নিয়মরক্ষার হলেও আদতে এটি বাংলাদেশ-ভারত মর্যাদার লড়াই। এ কারণেই ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ১৮ নভেম্বরের ম্যাচটি ঘিরে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে আবারও উন্মাদনা শুরু হয়েছে।
সোমবার দুপুর ২টা থেকে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। ছয় ক্যাটাগরির টিকিট পাওয়ার কথা ইভেন্ট টিকেটিং প্ল্যাটফর্ম Quicket–এ। কিন্তু টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরুর ছয় মিনিটের মধ্যে সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে যায়।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কম্পিটিশন কমিটির চেয়ারম্যান ও নির্বাহী সদস্য সাবেক জাতীয় ফুটবলার গোলাম গাউস বলেছেন, ‘মাত্র ছয় মিনিটের মধ্যে সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট শেষ হয়ে যায়। এখন গ্রাহকরা পেমেন্ট করছে। অর্ধেকের বেশি পেমেন্টও হয়ে গেছে। সাধারণ গ্যালারির টিকিট অবিক্রিত নেই আর এখন শুধু রেড বক্স, হসপিটালিটি বক্সের টিকিট রয়েছে।’
সবশেষ সিঙ্গাপুর ও হংকং ম্যাচে সাধারণ গ্যালারির টিকিটের দাম ৪০০ টাকা থাকলেও ভারত ম্যাচের উন্মাদনায় বাফুফে সেটা বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করে। ক্লাব হাউস ২ ও ভিআইপি বক্স ৩-এর একেকটা টিকিটের দাম ৩ হাজার টাকা করে। ভিআইপি বক্স ২-এ বসে খেলা দেখতে চাইলে লাগবে ৪ হাজার টাকা। এ ছাড়া ক্লাব হাউস ১ ও রেড বক্সের দাম ধরা হয়েছে যথাক্রমে ৫ হাজার ও ৬ হাজার টাকা।
দাম বৃদ্ধি করলেও সমর্থকদের চাহিদা কমেনি। টিকিট ছাড়ার পরপরই সংগ্রহ করেছেন সমর্থকরা। কিন্তু মুহূ্তেই টিকিট শেষ হয়ে যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফুটবলপ্রেমীরা। Quicket–এর ওয়েবসাইটে SOLD OUT লেখা দেখে কেউ কেউ টিকিট বিক্রিতে অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ এনেছেন।
ভারত ম্যাচের আগে বাংলাদেশ ১৩ নভেম্বর নেপালের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। সেই টিকিট ছেড়েছে ফেডারেশন প্রায় এক সপ্তাহ। ওই টিকিট বিক্রি খুব ধীর। সেটাও দ্রুত শেষ হওয়ার আশা করছেন গাউস, ‘ভারত ম্যাচের সব টিকিট শেষ। হামজাও আজ আসছে। এখন নিশ্চয়ই নেপাল ম্যাচের টিকিটও সংগ্রহ করবে।’
১০ জুন বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ম্যাচ দিয়ে বাফুফে অনলাইনে টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরু করে। টিকিফাই প্লাটফর্মে টিকিট সংগ্রহে অনেক ভোগান্তি হয়েছিল। এরপর অক্টোবর উইন্ডোতে বাফুফে কুইকেটকে টিকিটিং পার্টনার করে। ৯ অক্টোবর ঢাকার ঐ ম্যাচের টিকিট ২০ মিনিটের মধ্যে বিক্রি হয়।
অক্টোবর উইন্ডোতে ফুটবলপ্রেমীরা ভোগান্তিতে না পড়ায় নভেম্বর উইন্ডোতেও কুইকেটকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়। টিকিট অনলাইনে বিক্রি হওয়ায় ডিজিটাল পেমেন্ট করছেন দর্শকরা। এরপরও বাফুফে চার মাস পেরিয়ে গেলেও সিঙ্গাপুর ম্যাচের আয়-ব্যয়ের হিসাব দিতে পারেনি।
মন্তব্য করুন


সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটে হট টপিক সাত নম্বর পজিশন। আসন্ন বিশ্বকাপ দলে কে খেলবেন এই পজিশন? এই নিয়েই যেন যতসব যত জল্পনা-কল্পনা। এই পজিশন নিয়ে এবার কথা সাকিব আল হাসানও।
সাম্প্রতিক সময়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে এই জায়গার দাবিদার বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। তাই এই সমস্যা সমাধনে মধুর সমস্যায় পড়তে হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। তাই সাকিবও বলছেন এমন পরিস্থিতিতে একজন ক্রিকেটারকে বেছে নেওয়া খুব একটা সহজ কাজ হবে না।
সোমবার ইংল্যান্ডে একটি অনুষ্ঠানে এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার বলেন, 'একটা জায়গার জন্য ৬-৭ জনের অপশন। সিদ্ধান্তটা খুবই সহজ না। আমি নিশ্চিত বিশ্বকাপের জন্য কন্ডিশন, প্রতিপক্ষ মাথায় রেখে নির্বাচক, অধিনায়ক, কোচ সঠিক সিদ্ধান্তই নেবে।'
'আমি আসলে নির্বাচক না, ডিসিশন মেকিংয়ের অংশও না। আমার জন্য বলা মুশকিল। কিন্তু দল নিয়ে আমি খুশি এবং আমি নিশ্চিত যারাই এই দলে থাকবে তারা তাদের জায়গা থেকে ১৭ কোটি মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করবে এবং বাংলাদেশের জন্য সেরাটাই দেয়ার চেষ্টা করবে।'-আরও যোগ করেন সাকিব।
মন্তব্য করুন


ব্যাট-বল হাতে আবার ফিরছেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এশিয়ান লিজেন্ডস লিগে খেলার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে তার। এই টি-টোয়েন্টি লিগে তিনি এশিয়ান স্টারসের জার্সি গায়ে মাঠে নামতে পারেন। আগামী ১০ মার্চ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে এই লিগ। টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষ তাদের ইনস্টাগ্রামে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
কিছুদিন আগে লিজেন্ডস নাইন্টি টুর্নামেন্টে দুবাই জায়ান্টসের হয়ে খেলার কথা ছিল সাকিবের। কিন্তু টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই তিনি নিজেকে সরিয়ে নেন। এবার এশিয়ান স্টারসের হয়ে খেলতে দেখা যাবে বাংলাদেশের আরেক ক্রিকেটার অলক কাপালিকেও। তার সতীর্থ হিসেবে থাকবেন ভারতের কেদার যাদব, শাহবাজ নাদিম, শ্রীলঙ্কার দিলশান মুনাবিরা, লাহিরু থিরিমান্নে, শেহান জয়াসুরিয়া এবং আফগানিস্তানের হামিদ হাসান। ভারতে অনুষ্ঠিতব্য এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশেরও একটি দল অংশ নিচ্ছে।
বাংলাদেশ টাইগার্সের হয়ে খেলবেন তামিম ইকবাল, মোহাম্মদ আশরাফুল, নাঈম ইসলাম, নাদিফ চৌধুরী, আরিফুল হক, জিয়াউর রহমান, শুভাগত হোম, তুষার ইমরান, ধীমান ঘোষ, মেহেদী মারুফ, আবুল হাসান রাজু, মুক্তার আলী, ইলিয়াস সানি, জুবায়ের হোসেন, শফিউল ইসলাম এবং মোহাম্মদ নাজিমউদ্দিন। ফলে বাংলাদেশ টাইগার্সের বিপক্ষে খেলতে দেখা যেতে পারে সাকিব আল হাসানকে। ১২ মার্চ বাংলাদেশ টাইগার্স ও এশিয়ান স্টারসের মধ্যে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া ১০ মার্চ সন্ধ্যা ৭টায় ইন্ডিয়ান রয়্যালসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ টাইগার্স। ১১ মার্চ আফগানিস্তান পাঠানস এবং ১৪ মার্চ শ্রীলঙ্কান লায়ন্সের বিপক্ষে খেলবেন তামিম ও আশরাফুলরা। দুটি এলিমিনেটর ও কোয়ালিফায়ার ম্যাচ শেষে ১৮ মার্চ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে, ২০২৪ সালে ভারত সফরে গিয়ে টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন সাকিব। মিরপুরে নিজের শেষ টেস্ট খেলার আগ্রহ প্রকাশ করলেও রাজনৈতিক কারণে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে ফেরা হয়নি তার। এমনকি কিছুদিন আগে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) খেলার জন্য দল-বদলও করেছিলেন সাকিব। লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের হয়ে খেলার কথা থাকলেও পরদিন ডিপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি।
বাংলাদেশ টাইগার্স: মোহাম্মদ আশরাফুল (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, নাঈম ইসলাম, নাদিফ চৌধুরী, আরিফুল হক, জিয়াউর রহমান, শুভাগত হোম, তুষার ইমরান, ধীমান ঘোষ, মেহেদী মারুফ, আবুল হাসান রাজু, মুক্তার আলী, ইলিয়াস সানি, জুবায়ের হোসেন, শফিউল ইসলাম এবং নাজিমউদ্দিন।
এশিয়ান স্টারস: সাকিব আল হাসান, অলক কাপালি, দিলশান মুনাবিরা, সৌরভ তিওয়ারি, মেহরান খান, লাহিরু থিরিমান্নে, কেদার যাদব, শেহান জয়াসুরিয়া, মাহবুব আলম, আয়ান খান, শাহবাজ নাদিম, সেকুগে প্রসন্ন, পারবিন্দার আওয়ানা, হাশতি গুল, হামিদ হাসান এবং অভিমন্যু মিঠুন।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
দুর্দান্ত ফর্ম থাকার পরও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পাকিস্তানের টেস্ট দলে জায়গা হয়নি শাহিন আফ্রিদির। অথচ ওয়ানডে সিরিজে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭ উইকেট শিকার করেন তিনি। পাকিস্তানের সিরিজ জয়ে তার আগুনে বোলিংয়ের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
তবু কেন পাকিস্তানের টেস্ট দলে জায়গা হলো না আফ্রিদির? পাকিস্তানের ক্রিকেটবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ক্রিকেট পাকিস্তান জানিয়েছে, মূলত নির্বাচকদের সঙ্গে বিবাদের জেরেই এমনটা হয়েছে।
ওয়ানডে সিরিজের পর নির্বাচকরা তাকে একটি চারদিনের ম্যাচে অংশ নিতে বলেছিলেন। তবে আফ্রিদি সে ‘আদেশ’ না মানার কারণেই নাকি তাকে টেস্ট দলে রাখা হয়নি। তবে একইভাবে বাবর আজমও চারদিনের ম্যাচ খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর পরও তাকে ঠিকই দলে রাখা হয়েছে।
টিম ম্যানেজমেন্ট চাইলে টেস্ট সিরিজের জন্য দলের সঙ্গে থাকতে চেয়েছিলেন আফ্রিদি। তবে এক্ষেত্রে টিম ম্যানেজমেন্ট তাকে কোনো ইতিবাচক সিগন্যাল দেয়নি।
এদিকে সেঞ্চুরিয়ন টেস্টে একজন বাঁহাতি পেসারের অভাব বোধ করছে পাকিস্তান। শাহিন আফ্রিদির পাশাপাশি আরেক বাঁহাতি পেসার মীর হামজাকেও স্কোয়াডে রাখেননি নির্বাচকরা।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
আগামী ৬ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া আফগানিস্তান সিরিজে খেলবেন সাকিব আল হাসান। আজ বুধবার শেরে বাংলায় বোর্ডের মিটিংয়ের আগে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন বিসিবির সভাপতি ফারুক আহমেদ।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরুর সময় ঘনিয়ে এলেও এখনও দল ঘোষণা করা হয়নি। সাকিব এই সিরিজে খেলবেন কিনা, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি বিসিবির পক্ষ থেকে। সেজন্য সাকিবের সম্পর্কে জানতে চাইলে বোর্ড সভাপতি বলেন, “সাকিব আল হাসানের ব্যাপারে বলতে চাই, যেহেতু আফগানিস্তানের বিপক্ষে দলের নাম এখনও দেওয়া হয়নি, তাই তার (সাকিব) বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে।”
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মিরপুরে টেস্ট খেলতে সাকিবকে বোর্ড নিষেধ করেছে, এই বিষয়ে স্পষ্টতা দিতে ফারুক বলেন, “সাকিবকে দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ টেস্ট খেলতে দেশে ফিরতে বাধা দেওয়ার ব্যাপারে বোর্ডের কোনো দায় নেই। আমরা ওই পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে জড়িত নই। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, সরকার এবং সাকিব (জড়িত) ছিল। আমরা শুধু সহায়ক ভূমিকা পালন করেছি। ব্যক্তিগতভাবে আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি যাতে সাকিব ঘরের মাঠে খেলতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “সাকিব শুধু একজন খেলোয়াড় নন, তিনি আগের সরকারের (পতিত শেখ হাসিনা সরকার) সময়ে একজন এমপি ছিলেন। সেক্ষেত্রেও কিছু বিষয় আছে। সব মিলিয়ে সরকারের চিন্তাভাবনা আর ক্রিকেট বোর্ডের ভাবনা এক ছিল না। আমি একজন প্রাক্তন খেলোয়াড় হিসেবে দেখেছি, একজন ছেলে ১৭ বছর ক্রিকেট খেলেছে। সে একজন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর, বাংলাদেশ জন্য অনেক কিছু করেছে। আমি বিশ্বাস করি, যদি সে খেলতে পারতো, তাহলে এটি ভালো হতো।”
ফারুক আহমেদ যোগ করেন, “আমাদের অন্যান্য বিষয়গুলো দেখতে হবে। সেগুলো বিবেচনা করে সে শেষ মুহূর্তে আসতে পারেনি। তবে বোর্ডের করার কিছু ছিল না। এটি সম্পূর্ণ আইনি বিষয় এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বিষয়। এটি ছিল সাকিব এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উপর নির্ভরশীল। বোর্ডের এ ব্যাপারে কিছু করার ছিল না।”
তিনি আরও বলেন, “বোর্ডের নির্দেশ অনুযায়ী যদি সাকিব আসতেন, তাহলে আমরা যথাযথ নিরাপত্তা দিতে পারতাম। যেহেতু তিনি আসেননি, তাই এ নিয়ে কথা বলার কোনো মানে নেই।”
সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হোমভেন্যু হিসেবে নিয়ে এই সিরিজ আয়োজন করবে আফগানিস্তান। ৬ নভেম্বর সিরিজের প্রথম ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৯ ও ১১ নভেম্বর সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন এবং হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা কিংবদন্তি অ্যাগনেস কেলেতি ১০৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টের একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যু খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার প্রেস কর্মকর্তা তামাস রোখ। তিনি সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কেলেতি। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি ঘটে।
এছাড়া কেলেতির ছেলে রাফায়েল বলেন, 'মায়ের জন্য আমরা প্রার্থনা করি। তার জীবনীশক্তি ছিল অসাধারণ।' হাঙ্গেরির গণমাধ্যম নেমজেতি স্পোর্টের সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৯ জানুয়ারি তাকে সমাহিত করা হবে। কারণ এই দিনটি অ্যাগনেসের জন্য বিশেষ দিন, তার জন্মদিন, বেঁচে থাকলে তিনি এ দিনটিতে ১০৪ বছর বয়সে পা রাখতেন।
এ কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদের মৃত্যুতে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, 'জাতির শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াবিদ এবং বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আমাদের গর্বিত করেছেন। তার প্রতি কৃতজ্ঞতা। তিনি শান্তিতে থাকুন।'
এদিকে অ্যাগনেস শুধু ক্রীড়াবিদ হিসেবেই বিখ্যাত নন; বরং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দুঃসময়ে হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা, তারপর অলিম্পিক গৌরব অর্জন করে জীবনে সাফল্যের এক নতুন অধ্যায় রচনা করেন। হেলসিঙ্কি (১৯৫২) এবং মেলবোর্ন (১৯৫৬) অলিম্পিকে তিনি মোট ১০টি পদক জেতেন, যার মধ্যে পাঁচটি ছিল সোনা। তবে ১৯৫৬ সালে মেলবোর্ন গেমসে চারটি স্বর্ণ জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি সর্বকালের সবচেয়ে বয়স্ক নারী জিমন্যাস্ট হিসেবে স্বর্ণ জেতার রেকর্ড গড়েন। এছাড়া বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপেও রয়েছে তার তিনটি পদক। সেই সময় তিনি 'দ্য কুইন অফ জিমনাস্টিকস' অর্থাৎ 'জিমনাস্টিকসের রানী' হিসেবেও খ্যাতি লাভ করেন। তবে খেলোয়াড়ি জীবনে তার সাফল্য যেমন অনন্য, তেমনি তার জীবনসংগ্রামও অনুপ্রেরণাদায়ক।
বুদাপেস্টের একটি ইহুদি পরিবারে ১৯২১ সালের ৯ জানুয়ারি জন্ম হয় অ্যাগনেস কেলেতির। মাত্র চার বছর বয়সে জিমন্যাস্টিকসের সঙ্গে তার শুরু হয় পথচলা। ১৬ বছর বয়সে জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হন এবং ১৯৩৯ সালে জাতীয় দলে সুযোগ পান। কিন্তু ইহুদি হওয়ার কারণে ১৯৪০ সালের পর থেকে তাকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে বাধা দেওয়া হয়। পরে ১৯৪৪ সালে হাঙ্গেরি জার্মান নাৎসি বাহিনীর দখলে চলে যায়, ঐ সময় নিজের পরিচয় লুকিয়ে খ্রিষ্টান নারীর ছদ্মবেশে বেঁচে থাকেন অ্যাগনেস। বাঁচার জন্য জাল নথি তৈরি করে একটি গ্রামে লুকিয়ে থেকে কাজ করতেন। তবে গোপনে ঠিকই অনুশীলন চালিয়ে যান। কিন্তু অ্যাগনেস বেঁচে গেলেও তার বাবা এবং পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য হলোকাস্টের নির্মমতার শিকার হন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে সব খারাপ অতীত পেছনে ফেলে ফের খেলাধুলায় ফেরেন অ্যাগনেস। তার পরের গল্পতো সবারই জানা। তার অর্জনের শুরুটা হয় ১৯৪৬ সালে হাঙ্গেরির হয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ জেতার মধ্য দিয়ে। ১৯৪৭ সালে তিনি সেন্ট্রাল ইউরোপিয়ান জিমন্যাস্টিকস শিরোপা জয় করেন। ১৯৪৮ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করলেও, গোড়ালিতে লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারেননি। ১৯৪৯ সালের ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমসে তিনি চারটি স্বর্ণ, একটি রৌপ্য এবং একটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন।
এ দিকে ১৯৫৬ সালে মেলবোর্ন অলিম্পিক শেষে হাঙ্গেরিতে না ফিরে তিনি ইসরাইলে স্থায়ী হন। সেখানে তিনি জিমন্যাস্টিকস কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেন। যদিও পরে খেলাধুলার জন্য জীবন উৎসর্গ করা কেলেতি জীবনের শেষ পর্যায়ে হাঙ্গেরিতে ফিরে আসেন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ফ্রান্সের সাবেক সাইক্লিস্ট চার্লস কন্তের নাম উঠে এসেছে, যিনি বর্তমানে ১০০ বছর বয়সী।
মন্তব্য করুন


ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো যেন সবসময়ই ছন্দময়। আরেকটি ম্যাচে আরেকটি গোল করে তিনি গড়লেন নতুন এক রেকর্ড। ইউরোপিয়ান অঞ্চলের বাছাইয়ে মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে হাঙ্গেরির বিপক্ষে ৩-২ গোলে জয় লাভ করেছে পর্তুগাল। ম্যাচে দলের দ্বিতীয় গোলটি করে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেলেন রোনালদো।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য শট নেয়ার সময় হাঙ্গেরির লোইক নিগোর হাতে বল লাগলে পেনাল্টি দেন রেফারি। স্পট কিক থেকে কোনো ভুল না করে গোল করেন পর্তুগিজ সুপারস্টার। এটি ছিল বিশ্বকাপ বাছাইয়ে তার ৩৯তম গোল। একই সংখ্যক গোল রয়েছে গুয়েতেমালার সাবেক তারকা কার্লোস রুইজের। তবে সামনে আরও ম্যাচ থাকায় রোনালদো এই রেকর্ড এককভাবে নিজের করে নেয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।
গত ফেব্রুয়ারিতে ৪০ পেরিয়ে যাওয়া রোনালদো জাতীয় দলের হয়ে টানা ৫ ম্যাচে গোল করেছেন। সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার গোলের সংখ্যা দাঁড়াল ২২৩ ম্যাচে ১৪১টি।
ম্যাচে পর্তুগাল ২১ মিনিটে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়লেও ৩৬ মিনিটে বার্নান্দো সিলভার গোলে সমতায় ফেরে তারা। এরপর রোনালদোর গোলের মাধ্যমে দ্বিতীয়ার্ধে এগিয়ে যায় পর্তুগাল। ৮৪ মিনিটে হাঙ্গেরির বার্নাবাস ভার্গা আবার গোল করে সমতা ফেরালেও দুই মিনিটের মধ্যে জোয়াও ক্যান্সেলো গোল করে পর্তুগালের জয় নিশ্চিত করেন।
২০২৬ বিশ্বকাপের ইউরোপ অঞ্চলের বাছাইয়ের ‘এফ’ গ্রুপে দুটি ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে পর্তুগাল আর সমান ম্যাচে ১ পয়েন্ট নিয়ে চার দলের মধ্যে তিনে রয়েছে হাঙ্গেরি।
মন্তব্য করুন

