

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের তদন্ত কার্যক্রম চলমান আছে। সরকার তদন্ত কার্যক্রম শেষে রিপোর্ট প্রকাশ করবে।
বৃহস্পতিবার সকালে ধানমণ্ডির রিয়া গোপ মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে ষষ্ঠ জাতীয় নারী বেসবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৫-এর উদ্বোধন শেষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, তুরস্ক থেকে আট সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞদল তদন্তকাজে সহযোগিতা করার জন্য এসেছিলেন। আজই তারা দেশে ফিরে গেছেন। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন পাওয়ার আশা করছি।
তিনি বলেন, তাদের (তার্কিশ বিশেষজ্ঞদল) প্রতিবেদন মূল নয়, আমাদেরটাই মূল প্রতিবেদন হবে। শিগগির তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, বিকল্প উপায়ে এখন আমদানি পণ্য খালাস চলছে। দ্রুতই স্বাভাবিক হবে কার্যক্রম।
মন্তব্য করুন


আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের মাধ্যমে স্মরণীয় করে রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী আগামী নির্বাচনকে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সারা দেশের উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের (ইউএনও) সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্বাচন প্রস্তুতি বিষয়ে দিকনির্দেশনা দানকালে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন। সব জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাগণ এসময় অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা ইউএনওদের উদ্দেশে বলেন, ‘ইতিহাস আমাদের নতুন করে একটি সুযোগ দিয়েছে। অন্য জেনারেশন এই সুযোগ পাবে না। এই সুযোগকে কাজে লাগাতে পারলে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারব, আর যদি না পারি তাহলে জাতি মুখ থুবড়ে পড়বে।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এর আগেও আমরা নির্বাচন দেখেছি। বিগত আমলে যে নির্বাচনগুলো হয়েছে, যেকোনো সুস্থ মানুষ বলবে—এটা নির্বাচন নয়, প্রতারণা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচন অন্যান্য দায়িত্বের মতো নয়; বরং একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব। আমরা যদি ভালোভাবে এই দায়িত্বটি পালন করতে পারি, তাহলে আগামী নির্বাচনের দিনটি জনগণের জন্যও ঐতিহাসিক হবে।’
উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনারা যদি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন তাহলেই সরকার তার দায়িত্বটি সফলভাবে পালন করতে সক্ষম হবে।’
আগামী নির্বাচন ও গণভোট দুটিই জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন আগামী পাঁচ বছরের জন্য, আর গণভোট শত বছরের জন্য ‘ গণভোট সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশটাকে স্থায়ীভাবে পাল্টে দিতে পারি। যে নতুন বাংলাদেশ আমরা তৈরি করতে চাই, তার ভিতটা এর মাধ্যমে গড়তে পারি।’
সদ্য যোগদান করা ইউএনওদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনাদের প্রধান দায়িত্ব হলো একটি শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর নির্বাচন আয়োজন করা।’ তিনি ইউএনওদের নিজ নিজ এলাকার সব পোলিং স্টেশন পরিদর্শনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ, এলাকাবাসী এবং সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেন।
গণভোট বিষয়ে ভোটারদের সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “ভোটারদের বোঝাতে হবে যে আপনারা মন ঠিক করে আসুন—‘হ্যাঁ’-তে দেবেন নাকি ‘না’-তে ভোট দেবেন—মন ঠিক করে আসুন।”
প্রধান উপদেষ্টা কর্মকর্তাদের ধাত্রীর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ‘ধাত্রী ভালো হলে জন্ম নেওয়া শিশুও ভালো হয়।’ তিনি কর্মকর্তাদের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সৃজনশীল হওয়ার পাশাপাশি অপতথ্য ও গুজব প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন।
নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নারীদের অগ্রাধিকার প্রদানের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘নারীরা যেন ঠিকভাবে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে।’
শিগগিরই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ইউএনওদের উদ্দেশে বলেন, ‘নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত কখন, কিভাবে, কোন কাজটি করবেন—তার পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি এখন থেকেই নিন।’
অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ, প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম এবং জনপ্রশাসন সচিব মো. এহছানুল হকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন নোট ছাপানোর জন্য নির্দেশনা দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নতুন নোটে জুলাই বিপ্লবের সময় সরকার পতনের দাবি সংবলিত গ্রাফিতি এবং ধর্মীয় স্থাপনার ছবি সংযুক্ত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রচলিত নোটগুলোতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
জানা গেছে, আগামী ঈদুল আজহা উপলক্ষে জুলাই বিপ্লবের গ্রাফিতিযুক্ত নোট বাজারে আসতে পারে। গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক হুসনে আরা শিখা জানিয়েছেন, ২০, ১০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোটের ডিজাইন পরিবর্তন করবে সরকার। আপাতত এই চার ধরনের নোটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি থাকবে না। পর্যায়ক্রমে সকল টাকার নোট থেকে বঙ্গবন্ধুর ছবি সরিয়ে নেওয়া হবে। নতুন নোট ছাপানোর বিষয়ে মূল সুপারিশ করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রা ও নকশা উপদেষ্টা কমিটি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরও জানান, “নতুন নোট ছাপানোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। সবকিছু ঠিক থাকলে শিগগিরই এগুলো বাজারে আসবে। বঙ্গবন্ধুর ছবি বাদ দেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গোপনীয়। তবে আমরা আশা করছি, জনসাধারণ এই পরিবর্তন ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করবে।”
বাংলাদেশে মুদ্রা ছাপানোর কাজটি পরিচালনা করে সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড, যেটি টাঁকশাল নামে পরিচিত। ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও ১৯৮৮ সালের জুনে এক টাকা ছাপানোর মধ্য দিয়ে টাঁকশালে নোট ছাপানোর কাজ শুরু হয়। নোটের নকশা অনুমোদন করে সরকার এবং চিত্রশিল্পীদের মাধ্যমে নকশা চূড়ান্ত করা হয়। এরপর আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে কাগজ, কালি ও প্লেট প্রস্তুত করা হয় এবং নকশা অনুযায়ী বিদেশ থেকে প্লেট আনা হয়, পরে টাঁকশালে ছাপার কাজ করা হয়। তবে ধাতব মুদ্রাগুলো বিদেশ থেকে আনা হয়।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ১৮ নভেম্বরের মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির সঙ্গে এ আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন।
এর আগে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসন আমলের সব হত্যা, গণহত্যা, বিচার বহির্ভূত হত্যা, পিলখানা হত্যার বর্ণনা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেন। সেই সঙ্গে শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চায় ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিম।
এ দিন বেলা ১১টার পর ট্রাইব্যুনালের বিচারের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। সদস্যরা হলেন- বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
মন্তব্য করুন


আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনীতিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকে স্বৈরশাসন ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের অভিযোগ তুলে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার দাবি জোরালো হয়েছে। এই দাবিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
শুক্রবার (৯ মে) সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের ব্যাপারে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নেতা ও সমর্থকদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিষয়ে জাতিসংঘের প্রতিবেদনও সরকার বিবেচনায় রাখছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখতে সকলকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছে সরকার।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, জনদাবীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ইতোমধ্যে প্রচলিত আইনের আওতায় সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে পরিচিত ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও হত্যা মামলার আসামি আবদুল হামিদের বিদেশ গমনের ঘটনায় জনমনে যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়েও সরকার অবগত রয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবার বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে সরকার।
মন্তব্য করুন


ফিটনেসবিহীন বাসের কারণে সড়কে দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তাকে নিতে হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএ’র প্রধান কার্যালয়ে পরিদর্শন শেষে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি জানান, গত এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় সাত হাজার মানুষ নিহত এবং ১২ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন। অনেক দুর্ঘটনার জন্য ফিটনেসবিহীন যানবাহন দায়ী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এসব ফিটনেসবিহীন যানবাহন কীভাবে সড়কে চলাচল করছে এবং কেন বিআরটিএ এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি। ভবিষ্যতে এ ধরনের যানবাহনের কারণে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফাওজুল কবির খান বলেন, “বিআরটিএকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যেন যানবাহনের ফিটনেস পরীক্ষার সময় মালিকদের নির্দিষ্ট সময়ের আগে ফোন বা মেসেজ দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়। মেসেজে লেখা থাকবে— ‘আপনার গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষার সময় হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিটনেস পরীক্ষা করুন।’ যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিটনেস পরীক্ষা না করা হয়, তাহলে সেই যানবাহনের রুট পারমিট বাতিল করা হবে।”
গণপরিবহন চালকদের প্রশিক্ষণের বিষয়ে তিনি বলেন, “চালকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি, চালকরা মাদকাসক্ত কি না তা নিয়মিত পরীক্ষা করা হবে। সড়কে দুর্ঘটনার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে, যা কমানো সম্ভব হচ্ছে না। এটি আমাদের ব্যর্থতা।”
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের আর্থিক সহায়তা দ্রুত নিশ্চিত করতে বিআরটিএকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আহত ও নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা দেওয়ার কাজ ধীরগতিতে চলছে। এটি দ্রুত করতে হবে।”
বিআরটিএতে প্রায় সাড়ে চার লাখ ড্রাইভিং লাইসেন্স আটকে থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বিআরটিএকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যেন এই লাইসেন্সগুলো দ্রুত বিতরণ করা হয়। আশা করা হচ্ছে, আগামী মার্চের মধ্যেই এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।”
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির অধিভুক্ত ৮টি ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত ব্যাংকের নিয়োগ দেওয়া হবে ৯৯৭ জন অফিসার জেনারেল। ৯ জানুয়ারি এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
পদের নাম: অফিসার (জেনারেল)।
পদসংখ্যা: ৯৯৭টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা চার বছর মেয়াদি স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি থাকতে হবে। মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট/সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম একটিতে প্রথম বিভাগ/শ্রেণি থাকতে হবে। গ্রেডিং পদ্ধতির ফলাফলের ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালা প্রযোজ্য হবে। কোনো পর্যায়েই তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণি গ্রহণযোগ্য হবে না।
বয়সসীমা: ২১–৩২ বছর।
প্রতিষ্ঠান এবং আসন সংখ্যা: সোনালী ব্যাংকে ৫৪৬টি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে ১২০টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে ৬টি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে ২৭১টি, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনে ২৫টি, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে ৫টি, কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২৩টি এবং ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশে ১টি।
বেতন: ১৬০০০–৩৮৬৪০ টাকা। এ ছাড়া ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ–সুবিধা দেওয়া হবে।
আবেদন পদ্ধতি: আগ্রহী প্রার্থীরা এ লিংকের মাধ্যমে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদন ফি: ২০০ টাকা। ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (রকেট) মাধ্যমে প্রিপেইড পেমেন্ট পদ্ধতিতে প্রার্থীকে নিজের অথবা এজেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ফি দিতে হবে।
আবেদনের শেষ সময়: ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫।
মন্তব্য করুন


বুকে অপারেশন হয়েছে, তাই ভারী কাজ করতে পারি না। এ জন্য তেমন কাজ পাই না, আর কাজ না করতে পারলে খাবার জুটে না। তবে যেদিন থেকে ভালো কাজের হোটেলের সন্ধান পেয়েছি, সেদিন থেকে কোনোদিন আর না খেয়ে থাকতে হয়নি।’
কথাগুলো বলছিলেন রাজধানীর কাওরানবাজারের পান্থকুঞ্জ পার্কে স্থাপিত 'ভালো কাজের হোটেলে’ খেতে আসা দিনমজুর রফিক মিয়া।
তিনি বলেন, ভালো কাজের হোটেলে প্রতিদিন একবার এসে খেয়ে যাই। এই একবেলা খাবারটাই দুইবেলা না খেয়ে খাওয়া হয়। প্রতিদিন এসে একটা ভালো কাজের কথা বললেই খেতে পারি। তা-নাহলে পুরোদিনই না খেয়ে থাকা লাগত।
রফিক মিয়ার মতো অসংখ্য দিনমজুর, ভিক্ষুক ও অসহায়ের ভরসার জায়গায় পরিণত হয়েছে ভালো কাজের হোটেল নামে ব্যতিক্রমী এ হোটেলটি। স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মানুষকে ভালো কাজের দিকে উৎসাহ জুগাতেই তাদের ‘ভালো কাজের হোটেলে’র কার্যক্রম। অস্থায়ী এই হোটেলে যারাই এসে খাবার খান, তারা প্রতিদিনই কোনো না কোনো একটি ভালো কাজ করে আসেন। আবার কেউ কোনো ভালো কাজ করতে না পারলেও প্রতিশ্রুতি দিলে তিনিও খাবার পান।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
ভারতের ফিল্মফেয়ার ওটিটি অ্যাওয়ার্ডসের পঞ্চম আসরে গেল রবিবার অতিথি হয়েছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন জামদানি শাড়ি পরে। তবে ধরনটি ছিল ভিন্ন। শাড়ি পরা সেই ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করে জয়া জানান, এটি তৈরিতে সময় লেগেছে ৬ মাস।
জয়ার পরা জামদানির এমন উপস্থাপন অনেকের পছন্দ হলেও কেউবা আবার জড়িয়েছেন বিতর্কে। এ নিয়ে নেটদুনিয়ায় চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। কারো কথায়, জামদানির ১২টা বাজিয়েছেন জয়া! সেটাও কানে গেছে এই অভিনেত্রীর। তবে এসব সমালোচনা মোটেও গায়ে মাখছেন না বরং ভবিষ্যতে জামদানি নিয়ে আরও বেশি বেশি ফিউশন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন জয়া আহসান।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে দুই বাংলার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি দেখেছি অনেকে এটা নিয়ে কথা বলছেন। আমরা আমাদের ঐতিহ্যবাহী খাবার যদি ফিউশন করে খেতে পারি, যেমন পিঠা বা মাছ তো আমরা ফিউশন করে খাই। তাহলে আমাদের দেশের কস্টিউম কেন ফিউশন করে পরতে পারব না? কেউ তো দাসখত দেয়নি যে, জামদানি এভাবে পরা যাবে না, ওভাবে পরা যাবে না। জামদানি যদি স্কার্ট হয়, জ্যাকেট হয়; তাহলে এভাবে পরলে সমস্যা কোথায়? আমরা যত ফিউশন করব তত বাইরের দেশের কাছে উপস্থাপন করতে পারব। এটার চাহিদা অনেক বেড়ে যাবে। এসব ভেবেই আমি জামদানির এই ফিউশন করেছি।’
জয়ার কথায়, ‘১ ডিসেম্বর আমি যখন মঞ্চের পেছনে বসেছিলাম, সবাই আমাকে দেখে প্রশংসা করেছে। “কাড়াক সিং”র সহকর্মীরা আলাদা আলাদা করে আমার হাত, চুল, গয়নার ছবি তুলছিল। এমনকি “হীরামান্ডি”র একজন অভিনেত্রীও পুরস্কার দেওয়ার জন্য অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। তিনিও বলেছিলেন, “তোমার জামদানিটা এত সুন্দর। আমি কি এটা একটু ছুঁয়ে দেখতে পারি?” উনি জামদানির টেকচার ছুঁয়ে দেখছিলেন। আমার কাঁথার জ্যাকেটটা ধরে দেখছিলেন। এসবই তো আসলে ভালোলাগার বিষয়।’
সবশেষে জয়া বলেন, ‘আমি মনে করি জামদানি, মসলিন এমনকি আমাদের গামছাকেও একবার ব্যবহার করে ঘরবন্দী করে না রেখে যত বেশি ফিউশন করে পরতে পারি, বিশ্বে ততই এর চাহিদা বাড়বে।’
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
বর্তমানে জাতি একটি ক্রান্তিলগ্নে পৌঁছেছে জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, "একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।" আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
গতকাল রবিবার শপথ গ্রহণের পর আজই প্রথমবারের মতো বৈঠক করে নতুন নির্বাচন কমিশন। বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, “নতুন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ আমরা কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি হয়েছি। এই সরকার কেন গঠিত হয়েছে, সে বিষয়টি আলোকপাত করা হয়েছে। জাতির প্রত্যাশা এবং আমাদের উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের চাওয়া খুবই সাধারণ—একটি সুষ্ঠু নির্বাচন।"
নতুন নির্বাচন কমিশন কী ধরনের চ্যালেঞ্জ অনুভব করছে, এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার বলেন, "আমরা কমিশন সমন্বিতভাবে মনে করি, চ্যালেঞ্জের চেয়েও এটি একটি সুযোগ। চ্যালেঞ্জ অবশ্যই থাকবে, তবে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করাই আমাদের কাজ।"
তিনি আরও বলেন, "আমরা এটাকে সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করছি কারণ জাতি একটি ক্রান্তিলগ্নে এসে দাঁড়িয়েছে। এখানে আমাদের আর কোনো বিকল্প নেই, কেবল একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন ছাড়া। আর আমরা সেই ব্যক্তিরা, যাদের আল্লাহ এখানে নির্ধারণ করে পাঠিয়েছেন এই প্রত্যাশা পূরণের জন্য। আমরা আত্মবিশ্বাসী, আমরা এটি পূরণ করতে সক্ষম হব। আমরা এর জন্য ওয়াদাবদ্ধ।"
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
বাংলাদেশের সংস্কার কমিশনের কার্যক্রমে পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অ্যাম্বাসেডর মাইকেল মিলার। সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজের সাথে সাক্ষাতে তিনি সমর্থনের কথা জানান।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অ্যাম্বাসেডর মাইকেল মিলার।
সাক্ষাতে সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান সংবিধান সংস্কার বিষয়ক চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অ্যাম্বাসেডরকে অবহিত করেন।
সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে সংবিধান সংস্কার কমিশন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
এসময় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অ্যাম্বাসেডর সংবিধান সংস্কার কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমান সংস্কার কার্যক্রমে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। এছাড়া তিনি সংবিধান সংস্কার বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
প্রসঙ্গত, দায়িত্ব নেওয়ার দুই মাসের মাথায় গত অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে রাষ্ট্রের ছয় খাত সংস্কারের লক্ষ্যে ছয়টি পৃথক কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর নভেম্বরে আরও আরও পাঁচ খাত সংস্কারের জন্য পাঁচটি কমিশন করা হয়। প্রত্যেক কমিশনকে সুপারিশ জমা দিতে ৯০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন