এস আলমের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির আদেশ

এস আলমের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির আদেশ
ছবি: সংগৃহীত



এস আলম গ্রুপের মালিক মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস আলম) ও তার তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত।


বৃহস্পতিবার দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।


অপর দুই ভাই হলেন—এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ ও পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ হাসান।


দুদকের উপ-পরিচালক তাহাসিন মোনাবিল হক তাদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে অপরাধমূলক অসদাচরণ ও বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে এএম ট্রেডিং নামে একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করে জাল নথি প্রস্তুত ও ব্যবহার করেছে। ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ঋণের নামে ১০৪ কোটি ২০ লাখ ৭৭ হাজার ৭০৮ টাকা আত্মসাৎ করেছে। সাইফুল আলম দুর্নীতির মাধ্যমে এ অর্থ এস আলম সুপার এডিবল ওয়েলের স্বার্থে স্থানান্তর বা পুনর্বিন্যাস বা রূপান্তর করেছেন। যার পরিমাণ ৩৪০ কোটি টাকা। এই কর্মকাণ্ড দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর, ৪০৯, ১০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ধারা, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৪(২) ও ৪(৩)-এর আওতাভুক্ত।


এতে আরও বলা হয়, তদন্ত চলাকালীন সময়ে আসামিদের আটক করার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তারা বিদেশে পলাতক আছেন। মোহাম্মদ সাইফুল আলম, আবদুস সামাদ এবং মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাসানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলের কর্তৃক তা কার্যকর করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত প্রার্থনা করছি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

মানুষকে ভোটকেন্দ্রে আনাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: সিইসি

মানুষকে ভোটকেন্দ্রে আনাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: সিইসি
ছবি: সংগৃহীত

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে আগামী জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলেও, নির্বাচন ঘনিয়ে এলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


আজ শনিবার সকালে রংপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। 


তিনি বলেন, যখন একটি দেশে রাষ্ট্র, সরকার ও দল এক হয়ে যায়, তখন সবকিছু একসঙ্গে ধসে পড়ে। নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে, মানুষকে ভোটকেন্দ্রে আনাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।


সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তি সৃষ্টির বিষয়ে সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা মোকাবিলায় কমিশন কাজ করছে।


তিনি আরও জানান, গত নির্বাচনে যেসব প্রিজাইডিং অফিসার সমস্যার সৃষ্টি করেছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, আমরা আগামী নির্বাচনে কারও পক্ষে বা বিপক্ষে কাজ করব না, ১৮ কোটি মানুষের হয়ে কাজ করব। ভোট দেয়া যেমন নাগরিক দায়িত্ব, তেমনই ঈমানী দায়িত্বও।


তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন স্বচ্ছ ও সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

সরকারের পক্ষ থেকে কোনো অনৈতিক চাপ এলে পদত্যাগ করবো: সিইসি

সরকারের পক্ষ থেকে কোনো অনৈতিক চাপ এলে পদত্যাগ করবো: সিইসি
ছবি: সংগৃহীত



সরকারের পক্ষ থেকে কোনো অনৈতিক চাপ এলে পদত্যাগ করবেন বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।


শনিবার (২৩ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজশাহী আঞ্চলিক লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে রাজশাহী অঞ্চলের নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে জাতীয় নির্বাচন বিষয়ে মতবিনিময় সভার আগে তিনি এসব কথা বলেন।


তিনি বলেন, এখনকার নির্বাচন কমিশন কোনো পক্ষপাতিত্ব করছে না। তারা আইন অনুযায়ী নিউট্রালি কাজ করতে চায়। যেহেতু আগের সিইসি, নির্বাচন কমিশন থেকে অনেক কিছু চেয়েছে, আমাদের এখন সেরকম কোনো সমস্যা নেই। এই সরকার এখন পর্যন্ত চায়নি। আমাদের বলতে দ্বিধা নেই, যেদিন সরকার চাইবে সেদিন নাসির উদ্দিন এই চেয়ারে থাকবে না। যেদিন সরকার চাইবে তার মতো করে কাজ করতে, আমাকে এই চেয়ারে দেখবেন না। সেই গ্যারান্টি আমি দিতে পারি।


তিনি আরও বলেন, বিগত নির্বাচনে যারা অনিয়ম করেছিলেন, সেইসব নির্বাচন কর্মকর্তাদের রাখা হবে না। নির্বাচন কমিশনের অধীনে ৫৭০০ কর্মকর্তা রয়েছেন। তারা আগেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এদেরকে কোথায় পাঠাবো? তবে যারা স্বপ্রণোদিত হয়ে কাজ করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


সিইসি বলেন, নির্বাচন হবে কি হবে না এ নিয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের বক্তব্যের ভেতর আমরা যেতে চাই না। প্রধান উপদেষ্টার চিঠি পাওয়ার পর থেকে নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে রমজানের আগে যাতে নির্বাচন হয় তার জোর প্রস্তুতি চলছে। ভোটার তালিকা হালনাগাদ হয়ে গেছে। ভোটের জন্য কেনাকাটা এগিয়ে চলছে। সীমানা নির্ধারণের খসড়াও প্রকাশ করেছি। আগামী রোববার থেকে নির্বাচনী সীমানার শুনানি শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত শুনানি চলবে।


কোন পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এ বিতর্ক নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আনুপাতিক পদ্ধতি বা পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন সংবিধানে নেই। সংবিধানের বাইরে আমরা যেতে পারি না। এটা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলছে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে। আমি এর মধ্যে ঢুকতে চাই না। যদি আইন পরিবর্তন হয় তাহলে হবে।


তিনি আরও বলেন, স্ট্রাইকিং ফোর্স নয়, সেনাবাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আমরা কাজ করছি। সেনাবাহিনী যাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত হয় সেই ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। জেলা প্রশাসক বা পুলিশ সুপার যারা এর আগে নির্বাচনের দায়িত্বে ছিল, তাদের পদায়নের চিন্তা নেই।


প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, ভোট আসতে আসতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। যারা বাক্স দখল করার স্বপ্নে বিভোর, তাদের স্বপ্নভঙ্গ হবে। যারা অস্ত্রবাজি করে ভোটে জিততে চাইবেন তাদের জন্য দুঃসংবাদ। ভোটকেন্দ্র দখলের ইতিহাস ভুলে যান। আমরা কঠোর অবস্থানে থাকবো। ভোটকেন্দ্র দখল করলে পুরো ভোট বাতিল করা হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত



আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯৫৮ জন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে গাজীপুরে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান। 


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সারা দেশের ৪২ হাজার ৭৬৬টি ভোট কেন্দ্রের প্রতিটিতে ১৩ জন করে মোট ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯৫৮ জন আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এ লক্ষ্যে গত বছরের আগস্ট মাস থেকেই আনসার ও ভিডিপি সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত প্রস্তুতি গ্রহণ করে আসছে।


তিনি বলেন, ইতোমধ্যে প্রায় ৫৬ হাজার উপজেলা-থানা কোম্পানি আনসার, ২ লাখ ৫৫ হাজার ভিডিপি  সদস্য এবং ৩ হাজারেরও অধিক আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্যকে মৌলিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের উদ্দেশে সাড়ে চার লক্ষাধিক সদস্যকে এসটিডিএমএস সফটওয়্যারের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।


বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমির ইয়াদ আলী প্যারেড গ্রাউন্ডে ৪১তম বিসিএস (আনসার) কর্মকর্তা, উপজেলা আনসার-ভিডিপি প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষিকা এবং আনসার ব্যাটালিয়ন ২৬ ও ২৭তম ব্যাচ এর মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে ১ হাজার ১৯১টি আনসার ব্যাটালিয়ন স্ট্রাইকিং ফোর্স টিম মোতায়েন থাকবে। প্রতিটি টিমে ১০ জন করে মোট ১১ হাজার ৯১০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন, যা সামগ্রিক নির্বাচনী নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত ও কার্যকর করবে। 


যেকোনো ধরনের অনৈতিক, পক্ষপাতমূলক  কর্মকাণ্ড থেকে সম্পূর্ণভাবে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে অনৈতিক, পক্ষপাতমূলক  কর্মকাণ্ড থেকে নিজেদের বিরত থাকতে আমি সুস্পষ্টভাবে নির্দেশনা প্রদান করছি। দেশের ভবিষ্যত কল্যাণে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন করার পবিত্র দায়িত্ব সকলকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পালনের অঙ্গীকার করতে হবে।


দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, দুর্নীতি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি করে না, এটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ভেতর থেকে ক্ষয় করে এবং জনগণের বিশ্বাস ভেঙে দেয়। কোনো আনসার সদস্য যদি ব্যক্তিস্বার্থ, লোভ বা রাজনৈতিক সুবিধার অংশ হয়ে কাজ করে, তবে সে শুধু আইন ভাঙ্গে না সে রাষ্ট্রের ভিত্তিকেও দুর্বল করে।


তিনি বলেন, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা কোনো রাজনৈতিক দলের বাহিনী নয়, কোনো স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর রক্ষক নয় এটি রাষ্ট্রের নিরীহ জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বেতনভুক্ত সরকারি কর্মচারী। আপনাদের কেউ যেন কখনো কোনো বেআইনি আদেশ, কোনো স্বার্থান্বেষী এজেন্ডা বা কোনো পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ডের অংশ না হন। সাহস মানে শুধু বিপদের মুখে দাঁড়ানো নয়; সাহস মানে অন্যায় আদেশকে না বলা, অন্যায়কে প্রশ্রয় না দেওয়া, জুলুমের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া, মজলুমের পক্ষে কাজ করা, দায়িত্ব পালনে ন্যায়ানুগ পন্থা অবলম্বন করা এবং নিজেকে সঠিক পথে অটল রাখা। সততা, নৈতিকতা ও বিবেকই হবে আপনাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়।


অনুষ্ঠানে সেরা নৈপুণ্য ও পেশাদারিত্বের জন্য চারজন নবীন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্যকে ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়। এসময় বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদসহ আনসার ও ভিডিপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

বদলে গেলো মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম

বদলে গেলো মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম
ছবি: সংগৃহীত

এবার থেকে বাংলা নববর্ষ বরণের অন্যতম আয়োজন ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নামটি আর থাকবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের আয়োজনে রাজধানীতে বাংলা নববর্ষের এবারের শোভাযাত্রার নাম হবে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’। এতদিন এই শোভাযাত্রা হতো ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নামে।


শুক্রবার (১১ এপ্রিল) বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন নামকরণের এ তথ্য জানানো হয়।


সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ পহেলা বৈশাখে উৎসবমুখর বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করে থাকে। এটি দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এবং গুরুত্ববহ বলে বিবেচিত হয়। প্রতি বছরের মতো এ বছরও চারুকলা অনুষদ পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ-১৪৩২ উদযাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা আয়োজনের কাজ চলছে।


এবারের শোভাযাত্রার স্লোগান হবে—‘নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান’। এ প্রতিপাদ্যের আলোকে শোভাযাত্রায় তুলে ধরা হবে বাংলার চিরায়ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতির রূপ। পাশাপাশি আয়োজকরা জানিয়েছেন, গত বছরের জুলাই-অগাস্টে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক পালাবদলের প্রেক্ষাপটে যে ‘ফ্যাসিবাদ’ বিদায় নিয়েছে, তা যেন আর কখনো ফিরে না আসে—এ বার্তাও ছড়িয়ে দেওয়া হবে শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে।


সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান, বাংলা নববর্ষ-১৪৩২ উদযাপনের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বাংলা নববর্ষ-১৪৩২ উদযাপনের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য-সচিব ও চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ, শোভাযাত্রার উপ-কমিটির সদস্য-সচিব অধ্যাপক এ এ এম কাওসার হাসান, প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদ এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটি ও উপ-কমিটিগুলো সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


১৯৮৯ সাল থেকে পহেলা বৈশাখে শোভাযাত্রা করে আসছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ। শুরুতে শোভাযাত্রার নাম ছিল ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’। তবে নব্বইয়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে অমঙ্গল দূর করে মঙ্গলের আহ্বান জানিয়ে শোভাযাত্রার নাম দেওয়া হয় ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’। এরপর থেকে গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এ নামেই শোভাযাত্রা করে আসছিল চারুকলা।


২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর মঙ্গল শোভাযাত্রাকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত করে ইউনেসকো।


গত ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত এক সভায় জানানো হয়েছিল, এবারের পহেলা বৈশাখে চাকমা, মারমা, সাঁওতাল ও গারোসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে অন্তর্ভুক্তিমূলক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।


সবশেষ গত বুধবার রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এবারের বাংলা নববর্ষে চারুকলার শোভাযাত্রায় বাঙালি ছাড়াও ২৭টি জাতিগোষ্ঠী অংশ নেবে বলে জানান সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।


তিনি জানান, চৈত্র সংক্রান্তিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কনসার্ট এবং নববর্ষের দিন ধানমন্ডি রবীন্দ্র সরোবরে সুরের ধারার অনুষ্ঠান হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে এক লাখ কর্মী নেবে জাপান

পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে এক লাখ কর্মী নেবে জাপান
ছবি: সংগৃহীত

জাপানের কর্তৃপক্ষ এবং ব্যবসায়ীরা দেশের ক্রমবর্ধমান কর্মী ঘাটতি মেটাতে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে কমপক্ষে এক লাখ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। 


বৃহস্পতিবার টোকিওতে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ সেমিনার অন হিউম্যান রিসোর্সেস’ শীর্ষক সেমিনারে এমন ঘোষণা দেওয়া হয়।


সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশিদের জন্য কাজের সুযোগ তৈরি এবং জাপানকে জানার দরজা খুলে যাওয়ার এটাই সবচেয়ে অনুপ্রেরণাদায়ক দিন হতে যাচ্ছে। সরকার এই প্রক্রিয়াকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে।’


এদিন প্রধান উপদেষ্টার উপস্থিতিতে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। একটি বাংলাদেশের জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এবং জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগ কাইকম ড্রিম স্ট্রিটের মধ্যে এবং দ্বিতীয়টি বাংলাদেশের বিএমইটি এবং জাপানের ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট কম্বাইন্ড কো-অপারেটিভস (জাপানে পরিচালিত ৬৫টিরও বেশি গ্রহণকারী কোম্পানি) এবং জেবিবিআরএ-এর (জাপান বাংলা ব্রিজ রিক্রুটিং এজেন্সি) মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি তরুণ জনগোষ্ঠীর দেশ, যার অর্ধেকের বেশি মানুষের বয়স ২৭ বছরের নিচে। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে তাদের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের দরজা খুলে দেওয়া।’


জাপানের শিজুওকা ওয়ার্কপ্লেস এনভায়রনমেন্ট ইমপ্রুভমেন্ট কো-অপারেটিভ সংস্থার প্রতিনিধি মিতসুরু মাতসুশিতা জানান, জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশি কর্মীদের বিষয়ে গভীর আগ্রহ দেখাচ্ছে এবং এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদী। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশি তরুণদের মাঝে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে এবং এই মেধাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে।’


জাপানের এনবিসিসি চেয়ারম্যান মিকিও কেসাগায়ামা স্মরণ করেন, প্রায় ১৪ বছর আগে প্রফেসর ইউনূস যখন জাপানে ক্ষুদ্রঋণের কথা বলেন, তখন থেকেই বাংলাদেশিদের দক্ষতা তাদের নজর কেড়েছে। তিনি জানান, এখন তারা বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় শ্রমবাজার হিসেবে দেখছেন।


জাপানের ওয়াতামি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মিকি ওয়াতানাবে বলেন, বাংলাদেশে তাদের পরিচালিত একটি স্কুল প্রতিবছর দেড় হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। এখন তারা এই সংখ্যা বাড়িয়ে তিন হাজার করার পরিকল্পনা নিয়েছে। তার মতে, কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশি তরুণরা জাপানে কাজের সুযোগ পেতে পারে।


জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনি অ্যান্ড স্কিলড ওয়ার্কার কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (জিটকো) চেয়ারম্যান হিরোয়াকি ইয়াগি বলেন, ‘বাংলাদেশিদের জাপানে কাজের সুযোগ থাকলেও ভাষা শিক্ষকের ঘাটতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে।’


জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিকি হিরোবুমি বলেন, ‘জাপানে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশি কর্মশক্তি দেশটির অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হতে পারে।’


সমাপনী বক্তব্যে জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত দাউদ আলী বলেন, ২০৪০ সাল নাগাদ জাপানে শ্রমিক সংকট এক কোটি ১০ লাখে পৌঁছাতে পারে। বাংলাদেশ দক্ষ কর্মী পাঠিয়ে এই সুযোগ কাজে লাগাতে প্রস্তুত রয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

এরা ডামি সরকার বলেই সামান্য ফু দিতেই উড়ে গেছে: জামায়াতের আমির

এরা ডামি সরকার বলেই সামান্য ফু দিতেই উড়ে গেছে: জামায়াতের আমির
ছবি: সংগৃহীত

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, স্বৈরশাসকরা একবার ক্ষমতা থেকে চলে গেলে আর ফিরে আসে না। আওয়ামী লীগের যুগের শেষ সময় এসে গেছে। তিনি বলেন, ‘বিশ্ব ইতিহাসে দেখা গেছে, একবার পালিয়ে যাওয়া স্বৈরশাসকরা আর ফিরে আসতে পারেনি। এরা মূলত ডামি সরকার। সামান্য ধাক্কাতেই ভেঙে পড়ে।’


সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড়মাঠে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধানের সভাপতিত্বে এই কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।


ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ ২০১৪ সালের নির্বাচনে ১৫৪টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেছিল, আর ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল কথিত ‘মিডনাইট নির্বাচন’। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনও ছিল একটি প্রহসন।


তিনি অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগ বারবার হুংকার দিচ্ছে যে তারা আবার ফিরে আসবে এবং আগের মতো ক্ষমতা দখল করবে। কিন্তু জনগণ তাদের এসব ষড়যন্ত্র বুঝে ফেলেছে।


জামায়াত আমির আরও বলেন, বিগত সময়ের শাসকরা জনগণের আমানতের প্রতি বিশ্বস্ত ছিলেন না। তারা জনগণের সম্পদ আত্মসাৎ করেছেন, চুরি-ডাকাতি ও লুটপাট করেছেন এবং সেই অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন।


প্রতিবেশী দেশ ভারতের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ভারত যেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অশান্তির কারণ না হয়। ১৯৭২ সাল থেকে শুরু করে বাংলাদেশে সংগঠিত অপরাধগুলোর তদন্তের ভিত্তিতে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবিও জানান তিনি।


তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সংখ্যালঘুদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে ইসলামপন্থীদের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছে।


ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখানে মেডিকেল কলেজ, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নেই। এটি বৈষম্যের প্রমাণ। আগামী পরিকল্পনা কমিশনে ঠাকুরগাঁওয়ের জন্য একটি বড় প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।


সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আব্দুল হালিম, শিবিরের সাবেক সভাপতি দেলাওয়ার হোসেন, জেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা আব্দুল হাকিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

১০০ আসনে হবে সংসদের উচ্চকক্ষ, পিআর পদ্ধতিতে মনোনীত হবেন সদস্যরা

১০০ আসনে হবে সংসদের উচ্চকক্ষ, পিআর পদ্ধতিতে মনোনীত হবেন সদস্যরা
ছবি: সংগৃহীত




জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ হবে ১০০ আসন বিশিষ্ট। এই সদস্যরা মনোনীত হবেন সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে (পিআর), অর্থাৎ জাতীয় নির্বাচনে দলগুলোর যে ভোট পাবে, সেই হারে দলগুলোর মধ্যে এসব আসন বণ্টন করা হবে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর কমিশন এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে।


তবে এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছে বিএনপি ও তাদের সমমনা দল ও জোটগুলো। তারা বলেছে, উচ্চকক্ষে সদস্য মনোনীত হতে হবে জাতীয় নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে।


বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কমিশনের দ্বিতীয় ধাপের ২৩তম দিনের আলোচনা চলছে। আজই আলোচনার সমাপ্তি টানতে চান বলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানিয়েছেন।


আলোচনার শুরুতে তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করব দ্রুত চূড়ান্ত সনদ প্রস্তুত করে আপনাদের হাতে তুলে দিতে। এর ভিত্তিতে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পরিকল্পনাও করা হবে।’ 


তিনি আশা প্রকাশ করেন, আজকের মধ্যেই আলোচনার পর্বের সমাপ্তি টানা সম্ভব হবে। আলোচনা শেষে যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে এবং যেসব বিষয়ে ভিন্নমত রয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা দ্রুত দলগুলোর কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।


আগের ধারাবাহিকতায় আজকেও সংসদের উচ্চকক্ষের সদস্য কীভাবে মনোনীত হবেন, তা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষে সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি চালুর প্রস্তাব করে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা দলগুলো এ প্রস্তাব সমর্থন করে। অপরদিকে বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলো সংসদ নির্বাচনে প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষে আসন বরাদ্দের দাবি জানায়।


আলোচনায় দলগুলোর ভিন্নমত থাকায় এক পর্যায়ে বিষয়টি কমিশনের ওপর ন্যস্ত করা হয়। এরপর ঐকমত্য কমিশন ভোটের সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষের সদস্য মনোনীত করার সিদ্ধান্ত জানায়।


কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চকক্ষের নিজস্ব কোনো আইন প্রণয়নের ক্ষমতা থাকবে না। তবে, অর্থবিল ব্যতীত অন্য সব বিল নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষ উভয় কক্ষে উপস্থাপন করতে হবে। উচ্চকক্ষ কোনো বিল স্থায়ীভাবে আটকে রাখতে পারবে না। এক মাসের বেশি বিল আটকে রাখলে, সেটিকে উচ্চকক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত বলে গণ্য করা হবে।


নিম্নকক্ষ কর্তৃক প্রস্তাবিত বিলগুলো পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করবে উচ্চকক্ষ এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তা অনুমোদন অথবা প্রত্যাখ্যান করতে হবে। যদি উচ্চকক্ষ কোনো বিল অনুমোদন করে, তবে উভয় কক্ষে পাস হওয়া বিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পাঠানো হবে।


আর যদি উচ্চকক্ষ কোনো বিল প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে তা সংশোধনের সুপারিশসহ নিম্নকক্ষে পুনর্বিবেচনার জন্য পাঠানো হবে। নিম্নকক্ষ সেই সব সংশোধন আংশিক বা পূর্ণভাবে গ্রহণ কিংবা প্রত্যাখ্যান করতে পারবে।


কমিশনের এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছে বিএনপি এবং তাদের মিত্র জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, ১২ দলীয় জোট, এনডিএম ও এলডিপি। তারা সংসদের নিম্নকক্ষে প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষে আসন বরাদ্দ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম উচ্চকক্ষ গঠনের বিরোধিতা করেছে। যুক্ত হিসেবে এই দলগুলো বলছে, দেশের বর্তমান সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতায় উচ্চকক্ষের কোনো প্রয়োজন নেই।


আজকের আলোচনায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলনসহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (জাতীয় ঐকমত্য কমিশন) মনির হায়দারের সঞ্চালনায় বৈঠকে উপস্থিত আছেন কমিশনের সদস্য সফর রাজ হোসেন, বিচারপতি এমদাদুল হক, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. ইফতেখারুজ্জামান, আইয়ুব মিয়া।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পার্বত্যাঞ্চলে আড়াইশ ক্যাম্প চায় সেনাবাহিনী

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পার্বত্যাঞ্চলে আড়াইশ ক্যাম্প চায় সেনাবাহিনী
ছবি: সংগৃহীত



পার্বত্য চট্টগ্রাম আবার অস্থিতিশীল করে তুলতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ভারতীয় মদতপুষ্ট সশস্ত্র সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা ইউপিডিএফ। ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানো, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে পাহাড়ে হামলা চালানো এবং চাঁদাবাজি ও অপহরণের মতো কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েছে সংগঠনটির সদস্যরা। নিরাপত্তা বাহিনীর মতে, পতিত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর ভারত আবার পাহাড়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলতে চাইছে।


এ পরিস্থিতিতে পাহাড়ে দায়িত্ব পালন করা সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পার্বত্যাঞ্চলে অন্তত আড়াইশ নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। তাদের যুক্তি, নতুন ক্যাম্প হলে প্রতিটি রুটে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানো যাবে, অস্ত্রপ্রবাহ বন্ধ হবে এবং চাঁদাবাজি ও অপহরণ বন্ধ করা সম্ভব হবে। রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প বৃদ্ধি জরুরি।


নাম প্রকাশ না করার শর্তে সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এসব তথ্য জানান।


এসব সেনা কর্মকর্তার দাবি, শান্তিচুক্তির পর ক্যাম্প কমে যাওয়ায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করেছে এবং এখন তারা প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে। পাহাড়ের সশস্ত্র গ্রুপগুলো গত এক বছরে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা চাঁদা তুলেছে। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, এর মধ্যে ইউপিডিএফ তুলেছে ১০৪ কোটি টাকা। চাঁদা নেওয়ার তালিকায় রয়েছে সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, কৃষি, যানবাহন, ঠিকাদার, কাঠ, বাঁশ ও অপহরণ। এর মধ্যে সশস্ত্র গ্রুপগুলো রাঙামাটি জেলা থেকে ২৪৪ কোটি, খাগড়াছড়ি থেকে ৮৬ কোটি এবং বান্দরবান থেকে ২০ কোটি টাকা চাঁদা তুলেছে।


শুধু চাঁদা নয়; অপহরণ ও হত্যার সঙ্গেও জড়িত ইউপিডিএফ। ২০০৯ থেকে এ পর্যন্ত ৩৩২ জনকে অপহরণ করে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি। এর মধ্যে পাহাড়িরাও ছিলেন। সর্বশেষ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীকে অপহরণ করার ঘটনা ঘটে। তাদের হাতে ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৮৯ জন হত্যার শিকার হয়েছেন, যাদের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য যেমন রয়েছেন, তেমনি সেনাবাহিনীর ১৬ সদস্যও রয়েছেন।


ইউপিডিএফ এবং তাদের সহযোগীরা ভারতের মিজোরামে স্থাপিত ক্যাম্প থেকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে এসে বাংলাদেশের ভেতরে নাশকতা চালাচ্ছে। সেনাবাহিনী মনে করে, সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ক্যাম্প স্থাপন অপরিহার্য। বর্তমানে খাগড়াছড়িতে ৯০, রাঙামাটিতে ৭০ এবং বান্দরবানে ৫০টিসহ ২১০টি ক্যাম্প থাকলেও পাহাড়ের ভৌগোলিক বাস্তবতায় তা যথেষ্ট নয়। আরো অন্তত আড়াইশ নতুন ক্যাম্প হলে সন্ত্রাসীরা আর মাথা তুলতে পারবে না।


সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রতি সদয় ছিল হাসিনার সরকার


সেনা সদর বলছে, শেখ হাসিনার আমলে সশস্ত্র গ্রুপগুলোর প্রতি নমনীয় থাকার অলিখিত নির্দেশ ছিল, যার ফলে সন্ত্রাসীরা রাজনৈতিক মদত ও প্রশাসনিক শৈথিল্য কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী হয়। কিন্তু বর্তমান নীতি হলো ‘নো কম্প্রোমাইজ’। অর্থাৎ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস বা আলোচনার জায়গা নেই, সরাসরি অ্যাকশনই একমাত্র পথ। কারণ, গোষ্ঠীগুলো কখনো সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে না; তারা পাহাড়ি ও বাঙালি- উভয় জনগোষ্ঠীকেই জিম্মি করে রেখেছে।


পাহাড়ে দায়িত্ব পালন করা একজন ব্রিগেড কমান্ডার জানান, ইউপিডিএফ ও অন্যান্য সন্ত্রাসী গ্রুপের কার্যক্রম এখন শুধু চাঁদাবাজি বা অপহরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। তারা ভারতের মিজোরাম থেকে সরাসরি প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র নিয়ে এসে পাহাড়ে হামলা চালাচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হলে অতিরিক্ত সেনা ক্যাম্প স্থাপন অপরিহার্য। আমরা মনে করি, কমপক্ষে আড়াইশ নতুন ক্যাম্প প্রয়োজন।


খাগড়াছড়ি জোনের দায়িত্বে থাকা একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল বলেন, যেভাবে মিথ্যা ধর্ষণের নাটক সাজানো হলো, সামনে আরো বড় কোনো ঘটনা ঘটানো হতে পারে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র ঠেকাতে সেনাদের দ্রুত উপস্থিতি জরুরি। কিন্তু বিস্তীর্ণ পাহাড়ি এলাকার অনেক জায়গায় সেনা ক্যাম্প নেই, ফলে সন্ত্রাসীরা ফাঁকফোকর কাজে লাগায়। তাই আমরা আড়াইশ ক্যাম্প স্থাপনের দাবি তুলেছি।


বান্দরবানে দায়িত্ব পালন করা একজন মেজর জানান, ইউপিডিএফের চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ডের তথ্য আমাদের হাতে আছে। তারা ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার প্রত্যক্ষ সহায়তায় চলছে। প্রতিটি রুট আমরা চিহ্নিত করেছি। এখন প্রয়োজন তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ। নতুন ক্যাম্পগুলো হলে আমরা এক ঘণ্টার মধ্যেই যেকোনো স্থানে অভিযান চালাতে পারব।


রাঙামাটির এক জোন কমান্ডার বলেন, আমাদের হাতে গোয়েন্দা প্রমাণ রয়েছে যে, ইউপিডিএফের অন্তত ছয়টি ক্যাম্প ভারতের মিজোরামে। তাদের লোকজন প্রশিক্ষণ নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। সীমান্ত পাহাড়ে ক্যাম্প বাড়ানো ছাড়া এ অনুপ্রবেশ ঠেকানো যাবে না। জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সেনা ক্যাম্পের সংখ্যা আড়াইশতে উন্নীত করা জরুরি।


সার্বিক বিষয়ে খাগড়াছড়িতে দায়িত্ব পালন করা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেন, নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপনের বিষয়টি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত। আমরা এখন আমাদের যা পুঁজি আছে, সেগুলো নিয়ে নজরদারি করছি। ধর্ষণের ঘটনাকে পুঁজি করে সাধারণ পাহাড়ি নারী ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সামনে দিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করছে ইউপিডিএফ। এসব কর্মসূচিতে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে দেশীয় ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করে ফায়ারিং করা হয়েছে। সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবে।


নিরাপত্তা বিশ্লেষক মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্তমানে ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসী তৎপরতা, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড নতুন মাত্রা পেয়েছে। সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার চাইলে কেন আমরা তা প্রত্যাহার করব? আমরা আমাদের কৌশলে এগিয়ে যাব।


নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শহীদুজ্জামান বলেন, ইউপিডিএফ এবং অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠী ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরা থেকে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, যা আমাদের জন্য শঙ্কার বিষয়। সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া এবং কার্যকর নজরদারি ছাড়া দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সম্ভব নয়। সে কারণে আড়াইশ নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন এখন একান্ত জরুরি। এসব ক্যাম্প স্থাপন করা হলে সেনাবাহিনী দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারবে এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম কার্যকরভাবে দমন করা সম্ভব হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

শেখ হাসিনাকে ৫০ শতাংশ ভোট ব্যালট বাক্সে ভরে রাখার পরামর্শ দেন জাবেদ পাটোয়ারী : মামুন

শেখ হাসিনাকে ৫০ শতাংশ ভোট ব্যালট বাক্সে ভরে রাখার পরামর্শ দেন জাবেদ পাটোয়ারী : মামুন
ছবি: সংগৃহীত


একাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগের রাতে ৫০ শতাংশ ভোট ব্যালট বাক্সে ভরে রাখতে শেখ হাসিনাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন তৎকালীন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারী।


আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার ১১তম দিনের সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামি থেকে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন এ তথ্য জানিয়েছেন।


উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে।


২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি বাংলাদেশ পুলিশের ২৭তম মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন জাবেদ পাটোয়ারী। পরবর্তী সময়ে ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে পুলিশ থেকে অবসর গ্রহণের পর তাকে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেয় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার।


এর আগে, চলতি বছরের ২৪ মার্চ মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন। তিনি জানান, স্বেচ্ছায় আসামি থেকে রাজসাক্ষী হয়ে সত্য উন্মোচন করতে চান তিনি।


শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনে আহত, শহীদ পরিবারের সদস্য, চিকিৎসকসহ ৩৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ মাসেই এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হওয়ার প্রত্যাশা করছে প্রসিকিউশন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মালাউইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্টসহ ১০ জনের মৃত্যু

বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মালাউইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্টসহ ১০ জনের মৃত্যু
মালাউইয়ের ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মালাউইয়ের ভাইস-প্রেসিডেন্ট সাওলাস চিলিমাসহ ১০ জন নিহত হয়েছেন। তিনি ছাড়াও বিমানটিতে আরও ৯ জন আরোহী ছিলেন। যার মধ্যে দেশটির সাবেক ফার্স্ট লেডিও রয়েছেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান।

দেশটির সেনাবাহিনীর এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, তারা ধারণা করছেন বিমানটি চিকানগাওয়ার জঙ্গলে বিধ্বস্ত হয়েছে। কিন্তু এটি এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং বিমানটির সব আরোহী নিহত হয়েছেন।

৫১ বছর বয়সী ভাইস প্রেসিডেন্টের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে মঙ্গলবার (১১ জুন) সকালে প্রেসিডেন্ট ও মন্ত্রীসভার দপ্তর থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “দুর্ভাগ্যবশত, বিমানে যারা ছিলেন তারা সবাই নিহত হয়েছেন। সোমবার সকালে রাজধানী লিলংওয়ে থেকে সামরিক বিমানটি উড্ডয়নের পর এ দুর্ঘটনা ঘটে।”

এর আগে মালাউইয়ের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমান্ডার পল ভেলেন্তিনো ফিরি সকালে জানিয়েছিলেন, ঘন জঙ্গল এবং কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, গতকাল লিলংওয়ে ছেড়ে যাওয়ার পর মালাউই প্রতিরক্ষা বাহিনীর ওই বিমানটি ‘রাডারের বাইরে চলে যায়’। বিমানটির স্থানীয় সময় সকাল ১০টার পরে দেশের উত্তরে অবস্থিত মজুজু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা ছিল।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, খারাপ আবহাওয়ার কারণে বিমানটিকে আবারও রাজধানী লিলংওয়ের বিমানবন্দরে ফিরে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এর কিছুক্ষণ পর এটি নিখোঁজ হয়ে যায়।

সোমবার গভীর রাতে দেওয়া এক বক্তৃতায় প্রেসিডেন্ট লাজারাস চাকভেরা বলেন, ভাইস প্রেসিডেন্টকে বহনকারী বিমান নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সৈন্যরা এখনও তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন এবং বিমানটি না পাওয়া পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার জন্য আমি কঠোর নির্দেশ দিয়েছি।’

এর আগে প্রেসিডেন্ট চাকভেরা তার বাহামাস সফরে যাওয়ার ফ্লাইট বাতিল করেন। সোমবার সন্ধ্যায় ওই সফরে তার রওনা হওয়ার কথা ছিল।

গতকাল বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার কথা বলা হলেও আজ এটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০