বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার
ছবি: সংগৃহীত



জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।


আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পরিবহণ ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে শ্রমিক-মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানায় সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।


তিনি বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে দূরপাল্লার গাড়িতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আন্তঃজেলার প্রতি কিলোমিটারেও বাড়ানো হবে ১১ পয়সা।


নতুন এ ভাড়া আজ থেকেই কার্যকর হবে বলে জানান সড়কমন্ত্রী। সিএনজিচালিত বাসের ক্ষেত্রে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে না বলে জানিয়েছেন শেখ রবিউল আলম। 


তিনি বলেন, ডিজেলচালিত বাসের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত  কার্যকর হবে। সিএনজিচালিত বাসের ক্ষেত্রে ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচিত হবে না। জ্বালানি তেলের দাম কমে গেলে বাস ভাড়া আবার কমবে। তবে রেল ও নৌ পরিবহণের ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।


এর আগে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় যৌক্তিকভাবে ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল পরিবহণ মালিক সমিতি। 


বর্তমানে দেশের দূরপাল্লার রুটের জন্য সরকার নির্ধারিত রয়েছে বাসভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ২ টাকা ১২ পয়সা। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে বাসের বর্তমান ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ২ টাকা ৪২ পয়সা।


উল্লেখ্য, শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে ভোক্তা পর্যায়ে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়। নতুন এই দাম রোববার (১৯ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হয়েছে।


বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের নির্ধারিত নতুন দরে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা থেকে ১৫ টাকা বেড়ে ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অকটেন ১২০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ থেকে ১৯ টাকা বেড়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ থেকে ১৮ টাকা বেড়ে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ৭ প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টার

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ৭ প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টার
ছবি: সংগৃহীত



মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের জাতিগত নিধন থেকে রক্ষায় আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে ৭ দফা প্রস্তাবও দিয়েছেন।


আজ সোমবার (২৫ আগস্ট) কক্সবাজারের ‘হোটেল বে ওয়াচে’ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে শুরু হওয়া তিন দিনের অংশীজন সংলাপের মূল অধিবেশনে তিনি এসব প্রস্তাব দেন।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ২০১৭ সালে এবং তারও আগে থেকে সম্পদ এবং সামর্থ্যের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও রোহিঙ্গাদের জীবন বাঁচাতে মানবিক কারণে বাংলাদেশ তার সীমান্ত খুলে দিয়েছিল। রোহিঙ্গাদের জাতিগত নির্মূলের ভয়াবহ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন থেকে সশস্ত্র ঘাতকদের থামানো নৈতিক দায়িত্ব।


তিনি বলেন, মিয়ানমার সরকার এবং আরকান আর্মিকে নিশ্চিত করতে হবে যেন আর কোনো রোহিঙ্গা বাংলাদশে না প্রবেশ করে। 


এ সময় রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনে অবদান রাখার সংকল্প ঘোষণা করে, ন্যায়বিচার এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিতে ৭ দফা প্রস্তাব দেন ড. ইউনূস। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সমস্যা মিয়ানমারের সৃষ্টি এবং সমাধান সেখানেই আছে। 


নির্বাচন নিয়ে সরকার প্রধান বলেন, দেশ এখন স্থিতিশীল এবং নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষণ ঘোষণা করা হচ্ছে।


উলেখ্য, উখিয়ার ইনানীতে অবস্থিত ‘হোটেল বে ওয়াচে’ রোববার (২৪ আগস্ট) ‘টেক অ্যাওয়ে টু দ্যা হাই-লেভেল কনফারেন্স অন দ্য রোহিঙ্গা সিচুয়েশন’ শীর্ষক তিন দিনের এ সম্মেলন শুরু হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও রোহিঙ্গা ইস্যু বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভের দফতর যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে।


২৪ আগস্ট সম্মেলনের প্রথম দিন বিকালে বিদেশি অংশীজনদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন রোহিঙ্গা প্রতিনিধিরা। এতে যোগ দেন ৪০টি দেশের প্রতিনিধি। ছিলেন জাতিসংঘসহ রোহিঙ্গা নিয়ে কাজ করা সব অংশীজন। 


তিন দিনের এ সম্মেলন থেকে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের পথ খুঁজবেন তারা।


সম্মেলনের শেষ দিনে (২৬ আগস্ট) রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন বিদেশি অতিথিরা। তিন দিনের সম্মেলনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ছাড়াও আন্তর্জাতিক ফান্ড, গণহত্যার বিচার, খাদ্য সহায়তা ও রোহিঙ্গাদের মনোবল বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর ব্যাপারে জোর দেওয়া হবে।


এছাড়াও সম্মেলন থেকে আসা প্রস্তাব এবং বক্তব্যগুলো আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে তুলে ধরবে সরকার।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

আইনজীবী হত্যার প্রতিবাদে চিন্ময়ের মুক্তি দাবি করলেন শেখ হাসিনা

আইনজীবী হত্যার প্রতিবাদে চিন্ময়ের মুক্তি দাবি করলেন শেখ হাসিনা
শেখ হাসিনার ছবি

ডেস্ক রিপোর্ট:

চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভারতে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। পাশাপাশি তিনি অবিলম্বে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি এই দাবি জানান।

অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের নাম উল্লেখ না করে বিবৃতিতে শেখ হাসিনা বলেন, “চট্টগ্রামে একজন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়েছে, এ হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত শাস্তি দিতে হবে। এই ঘটনার মাধ্যমে চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। একজন আইনজীবী তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন, এবং তাকে পিটিয়ে হত্যা করা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। যারা এটি করেছে, তারা যেই হোক না কেন, তাদের শাস্তি পেতেই হবে।”

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখলকারী’ হিসেবে উল্লেখ করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ইউনূস সরকার যদি এ সন্ত্রাসীদের শাস্তি দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে তাকেও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, এই ধরনের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ান। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।”

শেখ হাসিনা আরও বলেন, “বর্তমান ক্ষমতা দখলকারীরা সর্বক্ষেত্রেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে চলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ, মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। সাধারণ মানুষের ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এসব নির্যাতনের তীব্র নিন্দা জানাই।”

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের নাম উল্লেখ না করে শেখ হাসিনা বলেন, “সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের একজন শীর্ষ নেতাকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে, অবিলম্বে তাকে মুক্তি দিতে হবে। চট্টগ্রামে মন্দির পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে মসজিদ, মাজার, গির্জা, মঠ এবং আহমাদিয়া সম্প্রদায়ের ঘরবাড়ি আক্রমণ করে ভাঙচুর ও লুটপাট করে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সব সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।”

“আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মী, ছাত্র-জনতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হত্যা করার পরও হামলা-মামলা ও গ্রেফতারের মাধ্যমে হয়রানি চলছেই। আমি এসব নৈরাজ্যবাদী কার্যকলাপের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি,” বলে বিবৃতিতে জানান শেখ হাসিনা।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

আরও দুই মাস বাড়ল সশস্ত্র বাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা

আরও দুই মাস বাড়ল সশস্ত্র বাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা
ছবি: সংগৃহীত



বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তার ওপরের বা সমপদমর্যাদার কমিশন্ড কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা আরও দুই মাস বাড়ানো হয়েছে। রোববার এ আদেশ জারি করে এক প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।


প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামী ১৪ জুলাই থেকে আরও ৬০ দিন পর্যন্ত সারাদেশে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর কমিশন্ড কর্মকর্তারা (কোস্টগার্ড ও বিজিবিতে প্রেষণে নিয়োজিত সমপদমর্যাদার কর্মকর্তারাসহ)।


মেয়াদ বাড়ানোর আদেশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও এর ওপরের সমপদমর্যাদার কমিশন্ড কর্মকর্তাদের (কোস্টগার্ড ও বিজিবিতে প্রেষণে নিয়োজিত সমপদমর্যাদার কর্মকর্তারাসহ) ‘দ্য কোড অব ক্রিমিন্যাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮’ এর ১২(১) ও ১৭ ধারা অনুযায়ী স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা অর্পণ করা হলো।


প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ‘ফৌজদারী কার্যবিধির, ১৮৯৮’ এর ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারার অপরাধগুলো বিবেচনায় নিতে পারবেন।


গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর সশস্ত্র বাহিনীকে (সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দেওয়া হয়। এরপর ২ মাস করে এর মেয়াদ বাড়ানো হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

‘গত ১৫ বছর পুলিশকে দলীয় বাহিনীতে পরিণত করা হয়েছিল’

‘গত ১৫ বছর পুলিশকে দলীয় বাহিনীতে পরিণত করা হয়েছিল’
ছবি: সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পুলিশ সপ্তাহ-২০২৫ এর উদ্বোধনী ভাষণে বলেন, গত ১৫ বছর পুলিশকে দলীয় বাহিনীতে পরিণত করা হয়েছিল।  


মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) সকালে প্রধান উপদেষ্টা রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে পুলিশ পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধন করেন।


পরে ভাষণে বলেন, গত ১৫ বছর পুলিশকে দলীয় বাহিনীতে পরিণত করা হয়েছিল। অবৈধ আদেশ পালন করতে গিয়ে পুলিশ বাহিনী জনরোষের শিকার হয়। মানুষের অধিকার ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে হবে পুলিশকে।


এ সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী, আইজিপিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


উদ্বোধীন অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল বাহারুল আলম বিপিএম এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।


তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে উদ্বোধনী দিনেই এবার পদকের জন্য ঘোষিত ৬২ জন কৃতি পুলিশ সদস্যকে পদক পরিয়ে দেবেন প্রধান উপদেষ্টা।


এবারের পুলিশ সপ্তাহের প্রতিপাদ্য ‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ’। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজি, সকল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলার পুলিশ সুপারসহ সব পদবীর পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড
ছবি: সংগৃহীত



জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর চানখারপুলে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় দেন। 


সর্বোচ্চ সাজার আদেশ পাওয়া বাকি দুজন হলেন- ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম।


এই মামলার আট আসামির মধ্যে রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুলকে ৬ বছরের কারাদণ্ড; শাহবাগ থানার সাবেক পুলিশ পরিদর্শক আরশাদ হোসেনকে ৪ বছরের কারাদণ্ড এবং ওই থানার তিন পুলিশ কনস্টেবল মো. সুজন, ইমাজ হোসেন ইমন ও নাসিরুল ইসলামকে ৩ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।


প্রসঙ্গত, ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ মোট আটজন আসামি রয়েছে এই মামলায়। এর মধ্যে শাহবাগ থানার তৎকালীন পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ‍ও মো. নাসিরুল ইসলাম গ্রেপ্তার রয়েছেন। তাদের ট্রাইব্যুনালে আনা হয়েছে। বাকি চারজন পলাতক রয়েছেন।


তারা হলেন, ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম ও রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের

১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের
ছবি: সংগৃহীত



মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি মামলায় হেফাজতে থাকা সাবেক ও কর্মরত ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। 


বুধবার সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ নির্দেশ দেন।


এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।


চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


এর আগে সকাল সোয়া ৭টায় বাংলাদেশ জেল প্রিজন ভ্যানে করে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে তাদের আদালতে আনা হয়।


মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা তিনটির মধ্যে দুটি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম-নির্যাতনের মাধ্যমে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনার। অন্যটি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায়। এসব মামলায় সাবেক ও বর্তমান ২৫ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৩২ জন আসামি। তাদের মধ্যে ১৫ সেনা কর্মকর্তা বর্তমানে সেনা হেফাজতে রয়েছেন।


গুম-নির্যাতনের ঘটনায় করা দুটি মামলার একটিতে আসামি ১৭ জন। তাদের মধ্যে র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (এখন অবসরকালীন ছুটিতে); র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম এখন সেনা হেফাজতে আছেন। আসামিদের মধ্যে র‍্যাবের সাবেক তিনজন মহাপরিচালকও আছেন।

 

তারা হলেন— বেনজীর আহমেদ (পরে আইজিপি হন), এম খুরশিদ হোসেন ও মো. হারুন-অর-রশিদ। তারা পলাতক রয়েছেন। এ মামলার আসামির তালিকায় থাকা শেখ হাসিনা, সাবেক প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও র‍্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মাদ খায়রুল ইসলাম পলাতক।


এ ছাড়া গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের আরেক মামলায় বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম, বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম, পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম ও সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমানকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে রেদোয়ানুল ও রাফাত এখন সেনা হেফাজতে আছেন। বাকি দুজন পলাতক।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

জাতীয় নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া সব অস্ত্র উদ্ধার করা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

জাতীয় নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া সব অস্ত্র উদ্ধার করা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত



জাতীয় নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া সব অস্ত্র উদ্ধার করা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।


আজ শনিবার সকালে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের হিমাগার ও কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।


তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের কোনো অসুবিধা নেই। সরকার এ লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণে তৎপর রয়েছে।


নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্রের বিষয়ে তিনি বলেন, জনগণ নির্বাচনমুখী, তাই নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না। নির্বাচন বানচালে যারা ষড়যন্ত্র করছে, সরকার শক্ত হাতে তাদের প্রতিহত করবে।


অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে উপদেষ্টা জানান, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। তবে নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের অভিযান আরও জোরালোভাবে পরিচালিত হবে।


এসময় তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ অনেক সচেতন এবং দেশের সীমান্তও সুরক্ষিত রয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

দেশের প্রথম মনোরেল হতে যাচ্ছে চট্টগ্রামে

দেশের প্রথম মনোরেল হতে যাচ্ছে চট্টগ্রামে
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রথম মনোরেল নির্মিত হতে যাচ্ছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। নগরীর যানজট নিরসনে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। 


রোববার (১ জুন) সকালে নগরীর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সঙ্গে জার্মানি প্রতিষ্ঠান ওরাসকম ও মিশরের প্রতিষ্ঠান আরব কন্ট্রাক্টর গ্রুপের এ সংক্রান্ত সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়। প্রতিষ্ঠান দুটি নগরীতে ফিজিবিলিটি স্টাডি করবে।


চুক্তি অনুযায়ী ওরাসকম ও আরব কন্ট্রাক্টর গ্রুপ মনোরেল নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের (ফিজিবিলিটি স্টাডি) কাজ শুরু করার কথা রয়েছে।


মনোরেল প্রকল্পের অর্থায়ন, প্রযুক্তি ও বাস্তবায়ন কাঠামো তুলে ধরেন আরব কন্ট্রাক্টরস ও ওরাসকম পেনিনসুলা কনসোর্টিয়ামের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ কাউসার আলম চৌধুরী। 


তিনি জানান, ‘চট্টগ্রাম বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী। এখানে যানজট ও পরিবহণ সংকট ক্রমবর্ধমান। মনোরেল একটি আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব সমাধান। আমরা এই প্রকল্পে পূর্ণাঙ্গ বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।’


তিনি জানায়, প্রকল্পটি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের সম্ভাব্য তিনটি রুট হচ্ছে : লাইন-১ (২৬.৫ কি.মি.) কালুরঘাট থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত (বহদ্দারহাট, চকবাজার, লালখান বাজার, দেওয়ানহাট ও পতেঙ্গা হয়ে), লাইন-২ (১৩.৫ কি.মি.): সিটি গেট থেকে শহীদ বাশিরুজ্জামান স্কয়ার (এ.কে. খান, নিমতলী, সদরঘাট ও ফিরিঙ্গি বাজার হয়ে) পর্যন্ত  লাইন-৩ (১৪.৫ কি.মি.): অক্সিজেন থেকে ফিরিঙ্গি বাজার (মুরাদপুর, পাঁচলাইশ, আন্দরকিল্লা ও কোতোয়ালি হয়ে) পর্যন্ত। 


সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মনোরেল প্রকল্প চট্টগ্রাম নগরীর গণপরিবহন খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে চলেছে উল্লেখ করে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, এই প্রকল্পের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামকে দক্ষিণ এশিয়ার গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তোলা হবে। প্রস্তাবিত মনোরেল প্রকল্পটির মোট দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৫৪ কিলোমিটার এবং এতে বিনিয়োগ হবে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা। পুরো অর্থায়ন আনবে বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান-ওরাসকম কনস্ট্রাকশন ও আরব কন্ট্রাক্টরস।


তিনি বলেন, ‘এই বিনিয়োগের জন্য চসিকের কোনো আর্থিক দায় থাকবে না। কেবল আমরা প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্ট ও ভূমি বরাদ্দ দেব। এই মনোরেল শুধু যানজট নিরসনে নয়, বরং চট্টগ্রামকে একটি পরিবেশবান্ধব, পর্যটন ও ব্যবসাবান্ধব নগরীতে রূপান্তর করার দিকেও এগিয়ে নেবে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে সংযোগের একটি আধুনিক সেতুবন্ধন তৈরি করবে। মনোরেল থেকে রাজস্ব আসবে শুধু টিকিট নয়, বরং বিজ্ঞাপন, স্টেশনে দোকানপাট, আশপাশের সম্পত্তিমূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমেও। একটি ভাল গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে ৫-৭ গুণ পর্যন্ত অর্থনৈতিক রিটার্ন পাওয়া যায়।’


অনুষ্ঠানে গ্রেটার চিটাগাং ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘চট্টগ্রামকে একটি স্মার্ট ও টেকসই নগরীতে রূপান্তরের অংশ হিসেবে মনোরেল প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও নগরবাসীকে নিয়ে একটি ইকোনমিক ফোরাম গঠন করে এই প্রকল্পকে বাস্তবায়নে কাজ করবো।’


চসিক কর্মকর্তারা জানান, মনোরেল একটি আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা, যা একক রেলপথ দিয়ে চলে। এটি সাধারণত উঁচু পিলারের ওপর স্থাপন করা হয়। মনোরেল প্রযুক্তি মেট্রোরেলের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ খরচ সাশ্রয়ী। এটি কম জায়গায় স্থাপন করা সম্ভব, ফলে ঘনবসতিপূর্ণ শহর বা স্থাপনার মধ্য দিয়েও সহজে চলাচল করতে পারে। মনোরেলের যাত্রী ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম হলেও এটি দ্রুত নির্মাণযোগ্য এবং শহরের যানজট কমাতে কার্যকর। বর্তমানে জাপান, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া ও ভারতের কিছু শহরে মনোরেল সফলভাবে চালু রয়েছে।


কর্মকর্তারা আরও জানান, এর আগে ২০২১ সাল থেকে বিদেশি আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান মনোরেল নির্মাণে চসিককে প্রস্তাব দিয়েছিল। এ বিষয়ে তারা কয়েকবার তৎকালীন সিটি মেয়রের সঙ্গে বৈঠক করেছিল। কিন্তু নানা কারণে এটি আর আলোর মুখ দেখেনি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

‘বিশ্ব ইজতেমায় ৬ হাজার পুলিশ দ্বায়িত্ব পালন করবে’

‘বিশ্ব ইজতেমায় ৬ হাজার পুলিশ দ্বায়িত্ব পালন করবে’
ছবি: সংগৃহীত

পুলিশ মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম বলেছেন, বিশ্ব ইজতেমায় মুসল্লিরা কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে থাকবেন। পুরো ময়দান সিসি ক্যামেরার আওতায় এনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দেওয়া হবে। তিন পর্বের ইজতেমা ময়দান ও আশপাশের এলাকায় ৬ হাজার পুলিশসহ বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে।


বুধবার দুপুরে ইজতেমা ময়দানের বিদেশি নিবাসের পাশে স্থাপিত জিএমপির কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।


পুলিশ মহাপরিদর্শক বলেন, এবারের ইজতেমা ভিন্ন রকমের, কারণ গত আন্দোলনে পুলিশের বিপুল পরিমাণ অস্ত্র হারিয়ে গেছে এবং দেশের বিভিন্ন জেলখানা থেকে অস্ত্র লুট হয়েছে। সেসব এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এবার পুরো ইজতেমা ময়দান ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।


তিনি আরও বলেন, পুলিশের পাশাপাশি ইজতেমা আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক ময়দানের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন।


তিনি জানান, ইজতেমা ময়দানে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ময়দানের চারপাশে পোশাকধারী, সাদা পোশাকে, ড্রোন ভিউ, সিআইডি, ডিবি, সিসিটিভি মনিটরিং, নাইটভিশন ক্যামেরা, রুফটপ পর্যবেক্ষণ, ওয়াচ টাওয়ারসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন থাকবে।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল করিম রনি, উপ-পুলিশ কমিশনার এনএম নাসিরুদ্দিন, সিটি এসবির উপ-পুলিশ কমিশনার আলমগীর হোসেন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হাফিজুল ইসলাম, সহকারি উপ-পুলিশ কমিশনার (টঙ্গী জোন) মেহেদি হাসান দিপু, ইজতেমা আয়োজক কমিটির শীর্ষ মুরব্বি মাহফুজ হান্নান, মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, সাধারণ সম্পাদক গাজী সালাহ উদ্দিন প্রমুখ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

সিরিয়ায় ৭৫টি ঘাঁটিতে বিমান হা’মলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

সিরিয়ায় ৭৫টি ঘাঁটিতে বিমান হা’মলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
বিমান হামলা


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

সিরিয়ায় জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) ৭৫টি ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় রোববার (৮ ডিসেম্বর) এসব হামলা চালানো হয়। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, আইএসের শীর্ষ নেতা, সহযোগী এবং বিভিন্ন ক্যাম্প লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, বি-৫২, এফ-১৫ এবং এ-১০ সহ একাধিক মার্কিন বিমান ৭৫টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

সিরিয়ার স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর দেশটির বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র।

দেশটিতে বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অভিযানের মুখে ব্যক্তিগত বিমানে করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন বাশার আল-আসাদ। বিশ্লেষকরা বলছেন, এর মাধ্যমেই সিরিয়ায় আসাদ পরিবারের ৫৩ বছরের শাসনামলের অবসান হলো।

২০০০ সালের জুলাই মাসে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন বাশার আল-আসাদ। একই সময়ে তিনি বাথ পার্টির নেতা ও সামরিক বাহিনীর প্রধানের দায়িত্বও নেন। তবে তার শাসনের এক দশক পর অর্থাৎ ২০১১ সালে সিরিয়ার জনগণ গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলনে মাঠে নামলে তিনি কঠোর দমননীতি গ্রহণ করেন।

২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধকে ঘিরে বাশার আল-আসাদের সঙ্গে পশ্চিমাদের সম্পর্কের অবনতি হয়। তিনি ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের বিরোধিতা করেছিলেন। সম্ভবত তার আশংকা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর পরবর্তী টার্গেট সিরিয়া হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র সেসময় ইরাকে তাদের বিরোধীদের কাছে অস্ত্র চোরাচালানে সহায়তার জন্য দামেস্ককে দায়ী করছিল। ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। এরপর ২০০৫ সালে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী রফিক হারিরি বৈরুতে বিস্ফোরণে নিহত হলে এ ঘটনার জন্য অনেকে সিরিয়া ও তার সহযোগীদেরই দায়ী করে।

এদিকে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ও তার পরিবার রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে। ক্রেমলিনের সূত্র উল্লেখ করে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবরে বলা হয়েছে, মানবিক দিক বিবেচনা করে আসাদ ও তার পরিবারকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে রাশিয়া।

ক্রেমলিনের একটি সূত্র বলেছে, রাশিয়া সবসময় সিরিয়ার সংকটের একটি রাজনৈতিক সমাধানের পক্ষে ছিল। আমরা জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে আলোচনার পুনরারম্ভের জন্য জোর দিচ্ছি।

তাসের খবরে আরও বলা হয়েছে, রাশিয়ার কর্মকর্তারা সিরিয়ার সশস্ত্র বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। বিদ্রোহীরা সিরিয়ায় অবস্থিত রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটি ও কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়েছে।

এদিকে, সিরিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকের আহ্বান করেছে রাশিয়া। জাতিসংঘে দেশটির প্রথম উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি দিমিত্রি পলিয়ানস্কি জানান, সোমবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, কূটনৈতিক সূত্রগুলো বৈঠকের সময় নিশ্চিত করেছে। পলিয়ানস্কি বলেন, আসাদ সরকারের পতনের গভীরতা এবং এর প্রভাব রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের জন্য কী হতে পারে, তা এখনই বলা কঠিন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০