

ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে যারা পালিয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং সেই টাকা উদ্ধারে সরকার পেশাদার রিকভারি ফার্ম নিয়োগ করেছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
অধিবেশনে হাসনাত আব্দুল্লাহ তার প্রশ্নে বলেন, এস আলম গ্রুপ একাই ৮০ হাজার কোটি টাকা এবং জনতা ব্যাংক থেকে বেক্সিমকো গ্রুপ ২৫ হাজার কোটি টাকা ঋণখেলাপি। এই ঋণ পুনরুদ্ধারে এই অর্থবছরে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা আছে কি না? এ ছাড়া এস আলম গ্রুপকে ঋণ পরিশোধ না করিয়ে পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে কি না বা তাদের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হয়েছে কি না?
মন্ত্রী বলেন, বিএনপির রাজনীতি ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে কারো সঙ্গে কোনো সমঝোতা করার সুযোগ নেই।
বিগত দিনে বিএনপি যতবারই সরকারে এসেছে, ফিন্যান্সিয়াল ডিসিপ্লিন (আর্থিক শৃঙ্খলা) নিয়ে কোনো প্রশ্ন আসেনি। ম্যাক্রো স্ট্র্যাটেজি বা শেয়ারবাজার লুটপাট নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠেনি। তাই আশ্বস্ত করছি, বিএনপির অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় কোনো সমঝোতার সুযোগ নেই।
ঋণখেলাপিদের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যারাই ব্যাংক থেকে টাকা নিয়েছে বা বিদেশে পালিয়ে গিয়েছে, সবার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ (পারসু) করা হচ্ছে। এই টাকা রিকভারির জন্য আমরা দেশের বাইরে পেশাদার ফার্ম নিয়োগ করেছি।
তিনি আরো জানায়, টাকা উদ্ধারে একদিকে যেমন জিটুজি (সরকার থেকে সরকার) আলোচনা চলছে, অন্যদিকে বেসরকারি রিকভারি ফার্মগুলোও কাজ করছে। ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে আমরা এই টাকা রিকভার করতে পারব।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
১৭ বছর পর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি বের হন।
আবদুস সালাম পিন্টুর কারামুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিএনপির মিডিয়া সেল।
বেলা পৌনে ১২টার দিকে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিএনপির মিডিয়া সেল জানায়, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় ১৭ বছর কারাগারে বন্দি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু।
অবশেষে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পেয়েছেন।
পোস্টে বেশ কিছু ছবিও দেয়া হয়েছে যাতে দেখা যাচ্ছে, নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন পিন্টু। এসময় ছাদ খোলা গাড়িতে মাথা বের করে শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
পৃথক দুই রাষ্ট্রদ্রোহসহ সাইবার নিরাপত্তা আইনের মামলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) ৬ জন কর্মকর্তার ৩ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা শাকিলা সুমু চৌধুরী রাজধানীর খিলক্ষেত থানায় করা পৃথক মামলায় তাদের এই রিমান্ডের আদেশ দেন।
রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মুন্সীগঞ্জের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার রাজন কুমার দাস, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া, কুমিল্লার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার দীপক কুমার সিংহ, মাগুরার শ্রীপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রাহাত, নেত্রকোনার সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মনির হোসেন ও সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর বেলাল হোসেন। এদের মধ্যে বেলাল হোসেন এক মামলার আসামি। অপর পাঁচজন আরেক মামলার আসামি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, খিলক্ষেত থানার পরিদর্শক আশিকুর রহমান দেওয়ানপ্রত্যেকের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগে খিলক্ষেত থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড খিলক্ষেত থানার পরিচালক প্রশাসন (আইন শাখার) আরশাদ হোসেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ২৮ জানুয়ারি থেকে বিভিন্ন পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির কতিপয় বিপথগামী কর্মকর্তা/ কর্মচারী একত্রিত হয়ে কেন্দ্রীয় কমিটি পরিচয়ে পরস্পর যোগসাজশে জরুরি সেবা বিদ্যুৎখাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে জড়িত হয়ে এবং বিগত সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী, এমপি ও প্রভাবশালীদের মদদে নানান অযৌক্তিক দাবি দাওয়ায় ষড়যন্ত্র করে পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্থ করছে। বিভিন্ন ধরনের ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম কাজে লিপ্ত আছে।
এতে আরও অভিযোগ করা হয়, তাদের এ ধরনের কার্যকলাপ ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে চরমভাবে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা করার শামিল। তাদের এ সব কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ পল্লীবিদ্যুতায়ন বোর্ডের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা, বোর্ডের কর্মকর্তাদদের সম্মানহানি এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থা অচল করে দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে ব্যর্থতা তথা জনমনে ঘৃণা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করার মাধ্যমে সরকারকে চরমভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলা। যা দেশদ্রোহীতার শামিল।
মন্তব্য করুন


৮ আগস্টকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে পালনের সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহল এবং বুদ্ধিজীবীদের অনেকেই এ প্রস্তাবের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সর্বস্তরের এমন জোরালো আপত্তির মুখে অবশেষে সরকার সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে।
রোববার (২৯ জুন) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ৮ আগস্ট কোনো দিবস পালিত হচ্ছে না, ৫ আগস্ট পালিত হবে গণঅভ্যুত্থান দিবস।
নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি জানায়, রোববার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।
এর আগে গত বুধবার (২৫ জুন) ৮ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ দিবস ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ দিবস ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আলাদা পরিপত্র জারি করা হয়েছিল।
পরিপত্রে দিবসটিকে প্রতি বছর যথাযথ মর্যাদায় প্রতিপালন করতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে অনুরোধ করা হয়েছিল। দিবসটি পালনের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রের ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছিল।তবে আজ সেটি বাতিল হয়ে গেল।
মন্তব্য করুন


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন নিবন্ধন ছাড়া দলগুলোই ডিসেম্বরে নির্বাচন চায় না।
তিনি বলেন, ৫২টি দল ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চেয়েছে। আর ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চায় না কারা বলি, যেসব দলের নিবন্ধন হয় নাই, যাদের জন্ম ৫ আগস্টের পর। এরা ডিসেম্বরে নির্বাচন চায় না।
ডিসেম্বর বলছে বিএনপির পক্ষ থেকে। আমি বলছি কেন ডিসেম্বর, কেন সেপ্টেম্বর, অক্টোবরে নির্বাচন নয়? কোন কাজটা বাকি আমি তো দেখতেছি না।
আজ শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারই একটি দেশের মূল শক্তি। দেশ গড়তে সবাইকে কাজ করতে হবে। ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে। বিএনপি সরকার গঠন করলে তা হবে জবাবদিহিমূলক সরকার।
নির্বাচনের সময়সীমা প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেন, গণতন্ত্রের পথ কেউ যদি রুদ্ধ করতে চায়, শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া কেউ যদি বাধাগ্রস্ত করতে চায়, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের রুখে দেওয়া হবে। ডিসেম্বরের মধ্যেই হতে হবে নির্বাচন।
প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, এর দ্বারা কী অর্থ বহন করে এমন প্রশ্ন রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।
মন্তব্য করুন


বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমরা জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও যোদ্ধাদের সঠিক মর্যাদা দিতে চাই। এই জুলাই আগস্টেই তাদেরকে সম্মান দিতে হবে।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠিতব্য আলোচনা সভা ও বিশেষ অনুষ্ঠানের ভেন্যু পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
উল্লেখ্য যে, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি পালন উপলক্ষে ১ জুলাই সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে ‘গণঅভ্যুত্থান ২০২৪ : জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও শহীদ পরিবারের সম্মানে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রিজভী বলেন, আমরা ১ জুলাইকে কেন্দ্র করে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছি। আমরা যথাযথভাবে কর্মসূচি পালন করতে চাই। যাদের সন্তানেরা গণতন্ত্র ফেরানোর জন্য দুনিয়া থেকে চলে গেছেন তাদেরকে বিশেষ সম্মান জানাতে হবে। সেই প্রত্যয় নিয়ে আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জুলাই আন্দোলনে সারাদেশের মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, আমার জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনের লক্ষ্যে প্রথম কর্মসূচি পালনের জন্য ভেন্যু পরিদর্শন করেছি। এই কমিটির উদ্যোগে ভেন্যু পরিদর্শন করলাম। যাতে অনুষ্ঠান ভাবগাম্ভীর্য সহকারে পালন করতে পারি। অতিথিরা ও শহিদ পরিবারের সদস্যরা যাতে সুন্দরভাবে বসতে পারে। অনুষ্ঠান যাতে সার্থক হয়।
রিজভী বলেন, জাতির অনেক অর্জনের মধ্যে জুলাই বিপ্লব একটি অর্জন। আমরা প্রথম বর্ষপূর্তি পালন করতে যাচ্ছি। আমরা এমন একটা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি। যে স্বপ্ন সাধারণ মানুষ দেখে। সকলে নিরাপদ জীবন আমরা প্রত্যাশা করি।
তিনি বলেন, আমাদের অর্থনীতি ও সামাজিক সংকট রয়েছে। মব কালচার আছে। এসব থেকে মুক্ত হতে হবে। গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে হবে। গত বছরেও আমাদের প্রবৃদ্ধি ছিল ৪.২। এবার সেটি হয়েছে ৩.৯। আমরা সরকারকে সেটি দেখার জন্য বলব। আমরা তো সমালোচনা করবোই। অবশ্যই যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচন দিতে হবে। আমরা প্রত্যাশা করি নির্বাচন কমিশন দ্রুত একটি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবেন।
তিনি আরও বলেন, বিগত অগণতান্ত্রিক সরকার দেশের অর্থ লোপাট করেছে। দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছে। যার অন্যতম নির্বাচন কমিশন ও মিডিয়া। তারা কখনো প্রকৃত গণতন্ত্র চায়নি। জনগণ মনে করে ড. ইউনূস দেশবাসীর মনের প্রত্যাশা মোতাবেক ব্যবস্থা নেবেন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, জুলাই বিপ্লবকে স্মরণীয় করে রাখতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছি। আমাদের দাবি ও প্রত্যাশা খুব শিগগিরই শেখ হাসিনার বিচার কাজ দৃশ্যমান হবে। জনগণের ভোটে সরকার নির্বাচিত হবে। আমরা বিশ্বাস করি এই নির্বাচনে জনগণের দল হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জয়লাভ করবে এবং জনগণের সরকারের প্রতিনিধিত্ব করবে।
তিনি বলেন , আমরা শহীদ ও আহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি এবং করছি। আমরা মনে করি একটি কমিশন বা সংস্থার মাধ্যমে শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াবো। আমাদের এ ধরনের কাজ অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নতুন উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও মানবাধিকারকর্মী চৌধুরী রফিকুল আবরার (সি. আর. আবরার)। বুধবার (৫ মার্চ) বেলা ১১টা ৬ মিনিটে রাজধানীর রাষ্ট্রপতির বাসভবন ও কার্যালয় বঙ্গভবনে তাকে উপদেষ্টা হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হয় বেলা ১১টায়। অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর কোরআন থেকে তিলাওয়াত করা হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, নবনিযুক্ত এই উপদেষ্টা শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এতদিন অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। নতুন উপদেষ্টা নিয়োগের পর তিনি শুধু পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকবেন। নতুন একজন উপদেষ্টা যুক্ত হওয়ায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে প্রধান উপদেষ্টাসহ মোট উপদেষ্টার সংখ্যা দাঁড়াল ২৩ জন।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান। ওই দিনই মন্ত্রিসভা বিলুপ্ত হয়। পরদিন ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেন। এরপর ৮ আগস্ট শপথ নেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ওই সময় ১৬ জন উপদেষ্টা নিয়োগ পান। তবে ঢাকা ও দেশের বাইরে থাকায় তিনজন উপদেষ্টা ওই দিন শপথ নিতে পারেননি। তারা পরে শপথ নেন। এরপর আরও চারজন উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারে যুক্ত হন। সর্বশেষ ১০ নভেম্বর তিনজন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, গত বছরের ২০ ডিসেম্বর বিমান ও পর্যটন এবং ভূমি উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ মারা যান। সর্বশেষ গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নতুন রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ করেন। এরপর সরকারে প্রধান উপদেষ্টাসহ মোট উপদেষ্টার সংখ্যা দাঁড়ায় ২২ জন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
মন্ত্রিসভার আবারও সম্প্রসারণ হতে যাচ্ছে বলে একাধিক মহল থেকে গুঞ্জন উঠেছে। বিভিন্ন সূত্র বলছে, দুই দফায় ৪৪ সদস্যের মন্ত্রিসভা আরও বড় হবে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী একাধিক মহলকে ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র বাংলা ইনসাইডারকে নিশ্চিত করেছে। তবে ঠিক কখন কীভাবে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ হবে সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাধিক ব্যক্তির কাছে ঈদের পর মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে বলছেন যে, মন্ত্রিসভা আরও বড় করছি। কারণ এখন সরকার বড় হয়েছে এবং কাজকর্ম বেড়েছে। মন্ত্রীদের কাজের পরিধি বাড়ায় মন্ত্রিসভাকে বড় করতে হবে। এরকম আলাপ করা একজন আওয়ামী লীগের নেতা বাংলা ইনসাইডারের কাছে স্বীকার করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেছেন যে, মন্ত্রিসভা আরও করা হতে পারে। তবে ঠিক কবে বড় করা হবে সে সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এখনও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে পূর্ণমন্ত্রী নেই। কোথাও কোথাও প্রতিমন্ত্রীরও প্রয়োজন রয়েছে। বর্তমানে যে মন্ত্রিসভা রয়েছে সেই মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে আলোচিত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে শুধুমাত্র প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। এইখানে একজন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী দেওয়া হতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। তবে এটি কখন দেওয়া হবে বা কাকে দেওয়া হবে সে সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
একইভাবে মন্ত্রিসভায় শ্রম মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া হয়েছে। বিজিএমইর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এখানে একজনকে আইন জানা এবং সিনিয়র নেতাকে মন্ত্রী করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং বিজিএমইর পক্ষ থেকে একজন এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথেও কথা বলেছেন বলে একাধিক সূত্র বাংলা ইনসাইডারকে জানিয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইর ওই নেতাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, শ্রম আইন জানা একজন ব্যক্তিকে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।
একইভাবে তথ্য মন্ত্রণালয়ের মতো একটি স্পর্শকাতর মন্ত্রণালয়ে একজন প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া হয়েছে। তবে বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে, মোহাম্মদ আলী আরাফাতকে প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণমন্ত্রীতে পদোন্নোতি দেওয়া হতে পারে এবং যেহেতু শিক্ষামন্ত্রী বয়সে তরুণ পূর্ণমন্ত্রী হয়েছেন, কাজেই মোহাম্মদ আলী আরাফাতও পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
এছাড়াও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কোন পূর্ণমন্ত্রী নেই। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের একজন পূর্ণমন্ত্রীর বিষয়টি ভাবা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একজন প্রতিমন্ত্রীর বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা হচ্ছে। এখানে একজন প্রতিমন্ত্রী দেওয়া হতে পারে বিভিন্ন সূত্র থেকে আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
এছাড়াও মন্ত্রিসভায় এখন পর্যন্ত মাত্র দুইজন টেকনোক্র্যাট সদস্য রয়েছেন। আরও অন্তত দুইজন টেকনোক্র্যাট সদস্য মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন। বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে যে, রোজার পর পর মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের একটি সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ঠিক কতজন আবার মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে যাচ্ছেন সে সম্পর্কে কোনো সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে অসমর্থিত একাধিক সূত্র বলছেন যে, আরও তিন থেকে চারজন প্রতিমন্ত্রী নতুন মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণে যুক্ত হতে পারেন।
মন্তব্য করুন


সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের অভাবের কারণে দেশ উন্নয়নের ক্ষেত্রে অনেক সময় পিছিয়ে পড়ছে বলে মনে করেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (২১ জুন) রাজধানীর বিজয় স্মরণীর সামরিক জাদুঘরে ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস ২০২৫’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, শুধু আজ নয়, শুরু থেকেই দেখা গেছে, মন্ত্রণালয়গুলো একে অন্যের সঙ্গে সমন্বয় না করে নিজেদের মতো কাজ করে যাচ্ছে। কেউ রাস্তা মেরামত করে, কিছুদিন পরই আরেক সংস্থা এসে তা কেটে ফেলে। এতে জনদুর্ভোগ বাড়ে, রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় হয়।
তিনি আরও বলেন, হাইড্রোগ্রাফি বিভাগ শুধু সামরিক ও নৌ-নিরাপত্তা নয়, বরং সমুদ্রবন্দর উন্নয়ন, মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ, তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং উপকূলীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সাখাওয়াত হোসেন হাইড্রোগ্রাফিক তথ্যকে ‘সমুদ্র সম্পদ ব্যবহারের রূপরেখা’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, বিশদ, হালনাগাদ ও নির্ভুল হাইড্রোগ্রাফিক তথ্যের কোনো বিকল্প নেই। এটা না থাকলে ব্লু ইকোনমি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।
অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা ও বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন এবং হাইড্রোগ্রাফির গুরুত্ব ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।
মন্তব্য করুন


ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি আহমদ আলীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে এমিরেটসের ইকে-৫৮২ ফ্লাইটে তার মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছে।
বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণ করতে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। এ সময় দুই মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বিমানবন্দর থেকে মরদেহ সিলেটের মৌলভীবাজারে নেওয়া হবে। সেখানে নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঢাকা থেকে সিলেট পর্যন্ত মরদেহ পরিবহনসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সমন্বয় তারা নিশ্চিত করবে।
উল্লেখ্য, আহমদ আলী দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে বসবাস করছিলেন। ইরান থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তিনি নিহত হন।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শক টবি ক্যাডম্যান আশা প্রকাশ করে বলেছেন, ভারত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, এবং গণতান্ত্রিক দেশের দাবিদার হিসেবে ভারতের উচিত হবে আইন মেনে চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর ও তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে একথা বলেন তিনি।
টবি ক্যাডম্যান বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের সংশোধিত অধ্যাদেশ আন্তর্জাতিক মানের হয়েছে, তবে কিছু বিষয়ে আরও সংশোধন প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য বিচার প্রক্রিয়ায় ট্রাইব্যুনালকে পূর্ণ সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।
তিনি আরও বলেন, তবে শেখ হাসিনাকে যদি ফেরত না দেওয়া হয়, তাহলে তার (শেখ হাসিনার) অবর্তমানেই সরকার বিচার প্রক্রিয়া (ট্রায়াল) নিয়ে বিবেচনা করবে এবং যদি প্রয়োজন হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সহযোগিতা নেওয়া যায় কি না, সে ব্যাপারে সরকার পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেবে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের যে সংশোধন করা হয়েছে, তার প্রশংসা করে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইনজীবী টবি ক্যাডম্যান বলেন, আইনের আরও কয়েকটি জায়গায় সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে। সম্মিলিতভাবে পরামর্শ করে সে বিষয়ে প্রস্তাব দেওয়া হবে।
সর্বোপরি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান বিচার যাতে আন্তর্জাতিক মহলে গ্রহণযোগ্য হয়, সে ব্যাপারে সহযোগিতা করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আইনজীবী টবি ক্যাডম্যান। এসময় উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদ, আবদুল্লাহ আল মামুন, শাইখ মাহদী এবং এস এম মইনুল করিম।
লন্ডনভিত্তিক গার্নিকা থার্টি সেভেন ল ফার্মের যুগ্ম প্রধান ব্রিটিশ আইনজীবী টবি ক্যাডম্যানকে সম্প্রতি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
মন্তব্য করুন