

লন্ডন থেকে ঢাকায় আসছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান। বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে তাকে নিয়ে লন্ডন যাত্রা করবেন তিনি।
বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। লন্ডন থেকে জোবাইদা রহমানের সঙ্গে তারেক রহমানের মেয়ে জায়মা রহমানও ঢাকা আসছেন বলে সূত্রটি জানিয়েছে।
এদিকে সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। কাতারের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আগামীকাল শুক্রবার তিনি রওনা হতে পারেন।এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চিকিৎসকসহ তার সঙ্গে থাকবেন ১৬ জন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরের মধ্যে খালেদা জিয়ার সর্বশেষ চিকিৎসা পরিস্থিতি ও বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
‘অত্যন্ত সংকটাপন্ন’ অবস্থায় বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন খালেদা জিয়া। টানা ১২ দিন হাসপাতালটিতে আছেন তিনি। এর মধ্যে ৮ দিনই করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত। তবে চিকিৎসকদের ডাকে সাড়া দিচ্ছেন তিনি। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তার চিকিৎসা চলছে।
মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক বুধবার রাতে জানান, ফুসফুসে স্বাভাবিকভাবে বাতাস চলাচল করানোর জন্য হাসপাতালের চতুর্থ তলায় মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশন রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কিডনি কার্যক্রম সচল রাখতে এদিন বিকালেও ডায়ালাইসিস করা হয়েছে।
বুধবার রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে যান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। হাসপাতালে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন।
২৩ নভেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। ২৭ নভেম্বর থেকে তিনি হাসপাতালটির সিসিইউতে আছেন। বুধবার রাতে মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের অবস্থা অপরিবর্তিত। আগের মতোই আছেন তিনি। উন্নতি-অবনতি কোনোটাই বলা যাচ্ছে না। কিছুটা রেসপন্স করছেন। চিকিৎসক ও পরিবারের সদস্যরা ডাক দিলে কিছুটা সাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে এটিকে আশানুরূপ উন্নতি বলা যাচ্ছে না। তার স্বাস্থ্যের বিভিন্ন প্যারামিটার ওঠানামা করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো বেশ উদ্বেগজনক পর্যায়েই। বিশেষ করে তার হৃদযন্ত্র, লিভার, কিডনি ও ফুসফুসের জটিলতা কাটছে না। সমস্যাগুলোর একটির সামান্য উন্নতি হলে অন্যটির অবনতি ঘটছে, যা কয়েকদিন ধরে নানা মাত্রায় উদ্বেগজনকভাবে ওঠানামা করছে।
এদিন দুপুরে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিতে হাসপাতালে যান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। পরে তার একজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তা বলেন, উপদেষ্টার ডাকে বিএনপির চেয়ারপারসন রেসপন্স করেছেন। ইশারায় সালামের জবাব দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অনুসারে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করারও আহ্বান জানিয়েছেন।
শুক্রবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে দেয়া ব্রিফিংয়ে মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক এ তথ্য জানান।
ব্রিফিংয়ে দুজারিক জানান, ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড জাতিসংঘের নজরে এসেছে। মহাসচিব এই ঘটনার নিন্দা এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
জাতিসংঘ মহাসচিব বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে বলেন, দেশের নির্বাচন সামনে রেখে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সকল পক্ষকে সহিংসতা থেকে বিরত থাকতে হবে। তিনি সংশ্লিষ্টদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, উত্তেজনা কমাতে এবং সহিংসতা এড়াতে সকল পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করতে হবে, যাতে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিবেশ বজায় থাকে।
এর আগে ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দেয় জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন। হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে বাংলাদেশ সরকারকে দ্রুত ও নিরপেক্ষ, পুঙ্খানুপুঙ্খ ও স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বানও জানায় সংস্থাটি। এক বিবৃতিতে মানবাধিকার কমিশনার ফলকার তুর্ক দেশে শান্তি বজায় রাখা এবং দায়ীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
জেনেভা থেকে পাঠানো ওই বিবৃতিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনার বলেন, গত বছর বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের বিশিষ্ট নেতা ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। তিনি উল্লেখ করেন, গত সপ্তাহে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার সিঙ্গাপুরে চিকিৎসধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন হাদি। বিবৃতিতে তিনি বলেন, প্রতিশোধ কেবল বিভেদকে আরও গভীর করবে এবং সবার অধিকার ক্ষুণ্ন করবে।
মন্তব্য করুন


স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করলেন সিরাজগঞ্জ, পাবনা, বগুড়া, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, রাজবাড়ী ও টাঙ্গাইলের ৩১৫ জন চরমপন্থী। রোববার (২১ মে) দুপুর দেড়টায় সিরাজগঞ্জ র্যাব-১২ সদর দপ্তরে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল) লাল পাতা ও সর্বহারাসহ বেশ কয়েকটি চরমপন্থী দলের ৩১৫ সদস্য আত্মসমর্পণ করেন।
আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, আপনারা জানেন ৮০'র দশক থেকে এই এলাকার কয়েকটি জেলায় যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ থাকায় সর্বহারা ও চরমপন্থীরা ঘাঁটি তৈরি করে। পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে ‘সন্ত্রাসের জীবন ছাড়ি, আলোকিত জীবন গড়ি’ স্লোগানে চরমপন্থীরা আলোর পথে ফিরে আসে। প্রধানমন্ত্রী তখন যেমন সবাইকে পুনর্বাসন করেছিলেন, তেমনই প্রধানমন্ত্রী আজকেও আমাকে আসার আগে বলেছেন, আপনারা যারা আত্মসমর্পণ করেছেন তাদের আর্থিক সহযোগিতা থেকে শুরু করে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
তিনি বলেন, র্যাব নানাবিধ ভালো কাজ করে যাচ্ছে, আস্থা অর্জন করেছে। এ জন্যই চরমপন্থীরা আত্মসমর্পণের জন্য র্যাবের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। র্যাব আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি নানা মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
মন্তব্য করুন


গত বছরের জুলাই-আগস্টে চলমান কোটাবিরোধী আন্দোলনে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্প্রতি ফাঁস হওয়া একটি অডিও রেকর্ডিং এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
ফাঁস হওয়া রেকর্ডিংটি যাচাই করে বিবিসি জানিয়েছে, শেখ হাসিনা তার নিরাপত্তা বাহিনীগুলোকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ‘প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার’ করার অনুমতি দিয়েছেন এবং ‘তারা (এসব বাহিনীর সদস্যরা) যেখানেই তাদের (আন্দোলনকারী) পাবে, তারা গুলি করবে’।
অজ্ঞাত একজন ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে শেখ হাসিনার কথোপকথনের ফাঁস হওয়া অডিওটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ যে, তিনি সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের গুলি করার জন্য সরাসরি অনুমতি দিয়েছিলেন।
ফাঁস হওয়া অডিওটি সম্পর্কে জানেন এমন একটি সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, গত ১৮ জুলাই নিজের সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে শেখ হাসিনা ওই ফোনালাপটি করেন। রেকর্ডিংয়ের কণ্ঠের সঙ্গে শেখ হাসিনার কণ্ঠস্বরের মিল শনাক্ত করেছে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ।
বিবিসি আলাদাভাবে ইয়ারশটের অডিও ফরেনসিক এক্সপার্টদের দিয়ে এই রেকর্ডিংয়ের সত্যতা যাচাই করেছে এবং তারা এটিতে এডিট করার বা কোনো রকম পরিবর্তন করার কোনো প্রমাণ পায়নি। অডিওটি কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়েছে এমন সম্ভাবনাও খুবই কম বলে তারা জানিয়েছে।
মানবাধিকার বা পরিবেশ রক্ষার ইস্যুতে অডিও সংক্রান্ত তদন্তের কাজ করে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ইয়ারশট। তারা বলছে, ফাঁস হওয়া রেকর্ডিংটি সম্ভবত এমন একটি ঘরে ধারণ করা হয়েছিল যেখানে ফোন কলটি স্পিকারে বাজানো হয়েছিল। কারণ এতে স্বতন্ত্র টেলিফোনিক ফ্রিকোয়েন্সি এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে কিছু শব্দ ছিল।
ইয়ারশটের বিশেষজ্ঞরা রেকর্ডিংজুড়ে ইলেকট্রিক নেটওয়ার্ক ফ্রিকোয়েন্সি বা ইএনএফ শনাক্ত করেছে, যে ফ্রিকোয়েন্সি অন্য একটি ডিভাইস থেকে অডিও রেকর্ডিংয়ের ক্ষেত্রে প্রায়ই উপস্থিত থাকে।
এটি এমন এক সূচক যার মানে হলো অডিওটিতে হেরফের করা হয়নি।
তারা শেখ হাসিনার বক্তব্যে ছন্দ, স্বর এবং শ্বাসের শব্দ বিশ্লেষণ করেছে এবং ধারাবাহিক নয়েজের স্তরও শনাক্ত করেছে। অডিওতে কৃত্রিম কোনো পরিবর্তন আনার প্রমাণও খুঁজে পায়নি।
ব্রিটিশ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবী টবি ক্যাডম্যান বিবিসিকে বলেছেন, ‘রেকর্ডিংগুলো তার (শেখ হাসিনার) ভূমিকা প্রমাণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এগুলো স্পষ্ট এবং সঠিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে এবং অন্যান্য প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত।’
তিনি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন যেখানে শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা চলছে।
আওয়ামী লীগের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘বিবিসির উল্লেখ করা টেপ রেকর্ডিংটি সত্য কিনা তা আমরা নিশ্চিত করতে পারছি না’।
মন্তব্য করুন


নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির কিংস পার্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বন ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘নতুন রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক ধারার সৃষ্টি হচ্ছে। তবে শুধু নতুন দল গঠন করলেই যে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, ব্যাপারটি এমন নয়। আমাদের জাতিগতভাবে পরিবর্তন হতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাজনৈতিক দলের সমালোচনা থাকাটা স্বাভাবিক, না থাকাটাই অস্বাভাবিক। অন্তর্বর্তী সরকারের সরাসরি রাজনীতি করার আকাঙ্ক্ষা আমরা দেখি না। বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন দরকার।’
যে শক্তি দেশের জন্য ইতিবাচকভাবে কাজ করবে, তাদের সবাইকে শুভকামনা জানান সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মালাউইয়ের ভাইস-প্রেসিডেন্ট সাওলাস চিলিমাসহ ১০ জন নিহত হয়েছেন। তিনি ছাড়াও বিমানটিতে আরও ৯ জন আরোহী ছিলেন। যার মধ্যে দেশটির সাবেক ফার্স্ট লেডিও রয়েছেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান।
দেশটির সেনাবাহিনীর এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, তারা ধারণা করছেন বিমানটি চিকানগাওয়ার জঙ্গলে বিধ্বস্ত হয়েছে। কিন্তু এটি এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং বিমানটির সব আরোহী নিহত হয়েছেন।
৫১ বছর বয়সী ভাইস প্রেসিডেন্টের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে মঙ্গলবার (১১ জুন) সকালে প্রেসিডেন্ট ও মন্ত্রীসভার দপ্তর থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “দুর্ভাগ্যবশত, বিমানে যারা ছিলেন তারা সবাই নিহত হয়েছেন। সোমবার সকালে রাজধানী লিলংওয়ে থেকে সামরিক বিমানটি উড্ডয়নের পর এ দুর্ঘটনা ঘটে।”
এর আগে মালাউইয়ের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমান্ডার পল ভেলেন্তিনো ফিরি সকালে জানিয়েছিলেন, ঘন জঙ্গল এবং কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, গতকাল লিলংওয়ে ছেড়ে যাওয়ার পর মালাউই প্রতিরক্ষা বাহিনীর ওই বিমানটি ‘রাডারের বাইরে চলে যায়’। বিমানটির স্থানীয় সময় সকাল ১০টার পরে দেশের উত্তরে অবস্থিত মজুজু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা ছিল।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, খারাপ আবহাওয়ার কারণে বিমানটিকে আবারও রাজধানী লিলংওয়ের বিমানবন্দরে ফিরে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এর কিছুক্ষণ পর এটি নিখোঁজ হয়ে যায়।
সোমবার গভীর রাতে দেওয়া এক বক্তৃতায় প্রেসিডেন্ট লাজারাস চাকভেরা বলেন, ভাইস প্রেসিডেন্টকে বহনকারী বিমান নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সৈন্যরা এখনও তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন এবং বিমানটি না পাওয়া পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার জন্য আমি কঠোর নির্দেশ দিয়েছি।’
এর আগে প্রেসিডেন্ট চাকভেরা তার বাহামাস সফরে যাওয়ার ফ্লাইট বাতিল করেন। সোমবার সন্ধ্যায় ওই সফরে তার রওনা হওয়ার কথা ছিল।
গতকাল বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার কথা বলা হলেও আজ এটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জুলাই–আগস্টের গণ-আন্দোলনে অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের ‘মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাদের দেখভালের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একটি পৃথক বিভাগ গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের দায়িত্ব নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও গুরুতর আহতদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তারেক রহমান।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া যোদ্ধারাও মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা যেমন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবন ও ত্যাগ দিয়েছেন, ঠিক একইভাবে চব্বিশে যারা লড়াই করেছেন, তারাও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্যই যুদ্ধ করেছেন।’ তিনি বলেন, ‘একাত্তরে যুদ্ধ হয়েছিল স্বাধীনতা রক্ষার জন্য, আর সেই স্বাধীনতা রক্ষাতেই আবার চব্বিশে যুদ্ধ হয়েছে।’
জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারগুলোর বিষয়ে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি জনগণের সমর্থনে সরকার গঠনের সক্ষমতা অর্জন করলে জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের কষ্ট লাঘবে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যোগ নেওয়া হবে। ‘যারা হারিয়ে গেছেন, তাদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তবে তাদের পরিবারের কষ্ট, সুযোগ-সুবিধা ও দেখভালের দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে। এ জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি নতুন বিভাগ গঠন করা হবে, যার মূল দায়িত্ব থাকবে এই মানুষগুলোর দেখভাল করা,’ বলেন তিনি।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, বিএনপি অতীতে সরকারে থাকাকালীন মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করেছিল। একই ধারাবাহিকতায় আগামীতে জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারগুলোকেও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
গণ-আন্দোলনে হতাহতদের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, জুলাই আন্দোলনে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই এক বা দুই চোখ হারিয়েছেন, কেউ কেউ স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ে যেভাবে দেড় হাজারের মতো মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, সেটিকে আমরা গণহত্যা বলতে পারি।’
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের সাহসিকতার কারণেই ফ্যাসিবাদী শক্তি শুধু ক্ষমতা থেকেই নয়, দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। তার ভাষায়, ‘২০২৪ সালের আন্দোলন কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলের নয়। এটি অধিকারহারা মানুষের গণ-আন্দোলন।’
গণ-আন্দোলনে আহতদের ক্ষতিপূরণ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দুইভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। এক—রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা। দুই—আহতদের যোগ্যতা অনুযায়ী অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, ‘হতাহতদের প্রতি রাষ্ট্রের অবশ্যই দায়িত্ব রয়েছে। জনগণের রায়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বিএনপি পর্যায়ক্রমে সেই দায়িত্ব পালন করবে।’
নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হলে শোক সমাবেশ ও শোকগাঁথাই চলতে থাকবে। তবে গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামী বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয়গাঁথা রচনা করবে।
মন্তব্য করুন


‘ভালো ব্যবহার করায় মানুষ মনে করে পুলিশ সচল না’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
রোববার ঈদের ছুটি শেষে সচিবালয়ে প্রথম কার্যদিবসে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন কমিশন যে সময় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবে সে সময়ের জন্য প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশও প্রস্তুত আছে। আগের ১৫ বছরের মতো পুলিশ অন্তর্বর্তী সরকার চাচ্ছে না, সরকার চায় মানবিক পুলিশ। যে পুলিশ দুটো বাড়ি মারবে, লাথি মারবে এমন পুলিশ চাচ্ছে না সরকার। সরকার চায় মানবিক পুলিশ। এখন পুলিশ মানবিক পুলিশ। যেহেতু পুলিশ এখন ভালো ব্যবহার করে তাই মানুষ মনে করে তারা সচল না। পুলিশ এখন আগের চেয়েও বেশি একটিভ।
তিনি আরও বলেন, পুশ ইনের ব্যাপারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতকে বলা হয়েছে, ভারতের হাইকমিশনারকেও বলা হয়েছে। আমাদের নাগরিক ভারতে থেকে থাকলে সঠিক চ্যানেলে পাঠালে নিয়ে নেবো। কিন্তু জঙ্গলের মধ্যে, নদী-লেকের ওপর ফেলে রেখে যাওয়া কোনো সভ্য দেশের উচিৎ না।
তিনি বলেন, গতকাল র্যাবের পোশাক পরে ডাকাতি করা আমাদের সর্বোচ্চ সচেতন করা। এটার সঙ্গে জড়িতদের যতো দ্রুত সম্ভব আইনের আওতায় আনা হবে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রশাসন নিরপেক্ষভাবেই কাজ করছে।’ কেউ কোনো পক্ষপাতিত্ব করছে না দাবি করে প্রার্থীদের অভিযোগ রাজনৈতিক বলেও মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল বিভাগে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক এক মতবিনিময়সভায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন। শহরের শিল্পকলা একাডেমিতে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এতে মাঠ পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নানা চ্যালেঞ্জ, সমস্যা ও তাদের চাহিদা তুলে ধরেন। সুষ্ঠু নির্বাচন বাস্তবায়নে নানা দিকনির্দেশনা দেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ভোটের পরিবেশ ভালো আছে বলে মন্তব্য করেন।
যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী প্রস্তুত আছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু করতে ১ লাখ সেনা সদস্য থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর বাড়তি সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন ২৭ জন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তারা মুক্তি লাভ করেন বলে জানিয়েছেন কারা কর্তৃপক্ষ। এসময় কারা ফটকে তাদের আত্মীয় স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সোমবার ৪০ আসামির জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন আদালত।
মুক্তি পাওদের মধ্যে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১২ জন কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-১ থেকে পাঁচজন এবং কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ থেকে ১০ জন।
কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, আসামিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গেল সোমবার কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতের (প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ) বিচারক ইব্রাহীম মিয়া বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় ৪০ জনের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় জামিন পাওয়া ৪০ জনের মধ্যে বৃহস্পতিবার সকালে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-১ থেকে পাঁচজন, পার্ট -২ থেকে ১০ জন ও হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১১ জন মুক্তি লাভ করেন। এছাড়া বুধবার এই ইউনিট থেকে আরও এক বিডিআর সদস্য জামিনে মুক্তি পান।
এর আগে হত্যা মামলায় খালাস পাওয়া ১৭৮ জন বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় জামিন পেয়েছিলেন। এ নিয়ে এ ঘটনায় মোট ২১৮ জন জামিন পেলেন। সাবেক বিডিআর সদস্য ও তার স্বজনরা জামিনে মুক্তি পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগাের জেল সুপার মোহাম্মদ আল মামুন জানান, বন্দি ২৭ সাবেক বিডিআর সদস্যের জামিনের কাগজপত্র কারাগারে আসার পর কাগজ পত্র যাচাই বাছাই করে বৃহস্পতিবার সকালে তাদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
শনিবার সকালে রাজশাহী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এড়িয়ে যান নির্বাচন সংক্রান্ত প্রশ্ন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “নির্বাচনের ব্যাপার নিয়ে কথা বলতে আমি রাজশাহীতে আসিনি।”
পরে তিনি নিজ থেকেই বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
“সারাদেশে শতাধিক টিটিসি আছে। এখানে যারা কাজ করেন, তারা দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। রাজশাহীতে মেয়েদের যে টিটিসি আছে, সেটি বাংলাদেশের মধ্যে অন্যতম।
এর আগে সকাল সোয়া ১০টার দিকে আসিফ নজরুল রাজশাহী টিটিসির বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় রাজশাহী জেলা প্রশাসকসহ টিটিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন