জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক নেই: প্রেস সচিব

জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক নেই: প্রেস সচিব
ছবি: সংগৃহীত

‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র’ প্রকাশিত হবে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে সমুন্নত রাখতে আগামী ৩১ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই ঘোষণা পত্র প্রকাশ করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। তবে এর সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।


রোববার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনার সামনে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘এটা একটি প্রাইভেট ইনিশিয়েটিভ। আমরা এটিকে প্রাইভেট ইনিশিয়েটিভ হিসেবে দেখছি। এর সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’


‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র’ প্রসঙ্গে ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত ঘোষণা না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট নয়। ততক্ষণ পর্যন্ত আপনাদের কাছে স্পষ্টভাবে কিছু বলা আমাদের পক্ষ থেকে সম্ভব নয়।’


সচিবালয় ইস্যুতে আজাদ মজুমদার বলেন, ‘এই মুহূর্তে সচিবালয় একটি ক্রাইম সিন। সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আগুনের ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে। তদন্ত চালানোর জন্য আমরা সবার কাছ থেকে সহযোগিতা চেয়েছি। আমরা মনে করি সাংবাদিকরা আমাদের সহযোগিতা করবেন। সহযোগিতার অংশ হিসেবে একটি সাময়িক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাখ্যা দিয়ে জানিয়ে দিয়েছি, এই সিদ্ধান্ত সাময়িক। এটি একেবারেই তদন্তের প্রয়োজনে। ক্রাইমের যে লক্ষণগুলো সন্দেহ করা হচ্ছে সেগুলোকে সুরক্ষিত রাখার জন্য, বেশি মানুষ প্রবেশ করলে আলামত নষ্ট হতে পারে, এজন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশের স্বার্থে এই তদন্ত সুষ্ঠু হওয়া জরুরি। এর সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি জড়িত।’


ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর, সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহমেদ, সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

প্লট দুর্নীতি: রেহানার ৭, হাসিনার ৫, টিউলিপের ২ বছর কারাদণ্ড

প্লট দুর্নীতি: রেহানার ৭, হাসিনার ৫, টিউলিপের ২ বছর কারাদণ্ড
ছবি: সংগৃহীত



ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে শেখ রেহানার ১০ কাঠা সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের করা মামলাটিতে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ৫ বছর কারাদণ্ড, তার বোন শেখ রেহানার ৭ বছর কারাদণ্ড, মেয়ে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের ২ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।


এছাড়াও অন্য ১৪ জন অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে কারা ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার বিশেষ জজ-৪ এর বিচারক রবিউল আলম এই রায় ঘোষণা করেন।


মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, শেখ রেহানার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত ১৩ জানুয়ারি মামলাটি দায়ের করেন দুদকের উপ-পরিচালক সালাহউদ্দিন। মামলায় শেখ রেহানা, টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনকে আসামি করা হয়।


মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউক-এর সাবেক চেয়ারম্যানের পিএ মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (ইঞ্জি.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.), সাবেক পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, উপ-পরিচালক নায়েব আলী শরীফ এবং পরবর্তীতে যুক্ত হওয়া দুই আসামি-সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ও সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।


গত ৩১ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম তিন মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এই মামলায় ৩২ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।


রায় ঘোষণার পরে মামলাটির সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর মঈনুল হাসান তাৎক্ষণিকভাবে জাগো নিউজকে বলেন, আমরা সব সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষাই সরকারের বিবেচ্য বিষয়: প্রধান উপদেষ্টা

শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষাই সরকারের বিবেচ্য বিষয়: প্রধান উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হয়েছে। রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা হলে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বলেন, ‘শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষাই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এর উপরই নির্ভর করে সরকারের সফলতা।’


এই তিন দিনব্যাপী সম্মেলনে সারা দেশ থেকে ৩৫৩টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। এর মধ্যে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। এছাড়াও জনসেবা, জনদুর্ভোগ, রাস্তাঘাট নির্মাণ, আইনকানুন ও বিধিমালা সংশোধন এবং জনস্বার্থের বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।


মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অংশগ্রহণকারী ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনাররা সম্মেলনে এসব প্রস্তাব উপস্থাপন করবেন। এবারের সম্মেলনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে মোট ৩৪টি কার্য-অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অধিকাংশ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। তবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সঙ্গে কার্য-অধিবেশন এবং সমাপনী অধিবেশন সচিবালয়ের নবনির্মিত ভবনে হবে। এসব অধিবেশনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব সভাপতিত্ব করবেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টারা মাঠ পর্যায়ে কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দিক-নির্দেশনা দেবেন।


সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনারদের সৌজন্য সাক্ষাৎ হবে। এ উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এদিন খাদ্য মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হবে।


এছাড়াও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, সেতু বিভাগ, রেলপথ মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ বিভাগ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও আলোচনা হবে।


তৃতীয় দিন মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ, সুরক্ষা সেবা বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয়, আইন ও বিচার বিভাগ, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হবে।


এছাড়াও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিষয়াদি এবং মন্ত্রিপরিষদ সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করা হবে। এরপর ফিডব্যাক অধিবেশন ও সম্মেলনের মূল্যায়ন এবং সমাপনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।


মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবার রেওয়াজ থাকলেও বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ডিসিদের সৌজন্য সাক্ষাতের সুযোগ রাখা হয়নি। ফলে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনারদের সাক্ষাৎ হচ্ছে না।


উল্লেখ্য, সরকারের নীতিনির্ধারক এবং জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের মধ্যে সরাসরি মতবিনিময় এবং প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেওয়ার জন্য সাধারণত প্রতি বছর ডিসি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে এ সম্মেলন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম ডিসি সম্মেলন।


এই তিন দিনব্যাপী সম্মেলন ১৮ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

নতুন ডিবিপ্রধান হলেন মো. শফিকুল ইসলাম

নতুন ডিবিপ্রধান হলেন মো. শফিকুল ইসলাম
ছবি: সংগৃহীত



পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. শফিকুল ইসলাম। আজ বুধবার (২৭ আগস্ট) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই পদায়ন করা হয়। 


জানা গেছে, শফিকুল ইসলাম ১৮তম বিসিএস ব্যাচের একজন সদস্য। এর আগে তিনি ডিআইজি হিসেবে হাইওয়ে পুলিশে কর্মরত ছিলেন।


শফিকুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি বগুড়ার সারিয়াকান্দি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে তিনি ১৯৯৯ সালে ১৮তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে যোগ দেন। পেশাগত জীবনের শুরুতে তিনি লক্ষ্মীপুরে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) হন। ২০০২ সালে তিনি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে বদলি হয়ে প্রায় পাঁচ বছর কাজ করেন।


পরে সারদা পুলিশ একাডেমিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রেনিং) হিসেবে যোগ দেন। ২০০৭ সালের জুনে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিতে লাইবেরিয়ায় পাঠানো হয় তাকে। মিশন শেষে ২০১০ সালে চট্টগ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের দায়িত্ব পান। এরপর দ্বিতীয় দফায় লাইবেরিয়া মিশনে যান তিনি।


২০১৩ সালে শফিকুল ইসলাম পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পান এবং সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হন। এক বছর পরই আবার জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যোগ দেন আইভরি কোস্টে। দেশে ফিরে তিনি হাইওয়ে পুলিশের এসপি হন। ২০১৯ সালে তাকে নৌ পুলিশের এসপির দায়িত্ব দেওয়া হয়।


২০২১ সালে পদোন্নতি পেয়ে একই সংস্থার অতিরিক্ত ডিআইজি (অ্যাডমিন অ্যান্ড অপারেশন্স) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেয়ে হাইওয়ে পুলিশে যোগ দেন।


প্রসঙ্গত, ডিবিপ্রধানের পদটি প্রায় সাড়ে চার মাস ধরে শূন্য। গত ১২ এপ্রিল ডিবির তৎকালীন প্রধান রেজাউল করিম মল্লিককে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে তাকে ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি করা হয়। তার পর থেকে যুগ্ম কমিশনার পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা ডিবির এ ইউনিটের দায়িত্বে ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

নির্বাচনের ওপর দেশের গণতন্ত্রের গতিপথ নির্ভর করছে : সিইসি

নির্বাচনের ওপর দেশের গণতন্ত্রের গতিপথ নির্ভর করছে : সিইসি
ছবি: সংগৃহীত



নির্বাচনের ওপর দেশের গণতন্ত্রের গতিপথ নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র কোন পথে হাঁটবে, সেটি নির্ভর করছে আগামীর নির্বাচনের ওপর। এই নির্বাচনকে আমি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। গতানুগতিকভাবে এই নির্বাচন করলে হবে না।


সোমবার দুপুরে রাজধানীতে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। 


তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সহায়তা ছাড়া সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন সম্ভব নয়। যতই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োগ করি না কেন।


সিইসি বলেন, রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা ছাড়া কখনো একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব নয়। ১০ লাখ লোক নির্বাচনী কার্যক্রমে যুক্ত থাকবেন। যারা জেলে আছেন এবং প্রবাসীদের জন্যও এবার অ্যাপে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 

তিনি বলেন, ১৬ নভেম্বর আমরা পোস্টাল ব্যালটের অ্যাপ লঞ্চ করব। পোস্টাল ব্যালটে নির্বাচনি দায়িত্বে যারা থাকবেন তারা ভোট দেবেন। আপনাদের বাড়ির ঠিকানায় পোস্টাল ব্যালট পৌঁছে যাবে।


এআই ব্যবহার নিয়ে তিনি বলেন, এআই অপব্যবহার রোধে আমরা একটা সেল খুলেছি। সেখানে যোগাযোগ করে আপনারা যেকোনো ঘটনার সত্য-মিথ্যা যাচাই করতে পারবেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

বাবা সিদ্দিককে হত্যা নিয়ে তোলপাড়, দায় স্বীকার করেছে লরেন্স বিষ্ণুই গ্যাংয়ের

বাবা সিদ্দিককে হত্যা নিয়ে তোলপাড়, দায় স্বীকার করেছে  লরেন্স বিষ্ণুই গ্যাংয়ের
বাবা সিদ্দিক,


ডেস্ক রিপোর্ট:

মুম্বইয়ে নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে মহারাষ্ট্রের বিধায়ক ও সাবেক মন্ত্রী বাবা সিদ্দিককে। তার এই মৃত্যুকে ঘিরে ভারতে তোলপাড় চলছে। সব মিডিয়ায় সংবাদ শিরোনাম হয়েছে এ ঘটনা। লোকমুখে ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ সব কাহিনী। কারণ, বাবা সিদ্দিক একজন নামকরা রাজনীতিক ছিলেন। হত্যাকাণ্ডে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন হরিয়ানার গুরমাইল বলজিত সিং (২৩) এবং উত্তর প্রদেশের ধর্মরাজ কাশ্যপ (১৯)। তৃতীয় জন উত্তরপ্রদেশের শিব কুমার গৌতম হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে চতুর্থ একজন এই ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করেছেন বলে মনে করা হয়। তিনি পলাতক রয়েছেন। তবে  লরেন্স বিষ্ণুই শনিবার রাতের হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা হিসেবে মনে করা হচ্ছে। তাকে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে। বলা হচ্ছে, তিনি একটি কুখ্যাত গ্যাংয়ের সদস্য। এই গ্যাংয়ের নাম লরেন্স বিষ্ণুই। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। অভিযোগ আছে লরেন্স বিষ্ণুই পাঞ্জাবের খালিস্তানপন্থি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। এই গ্যাংয়ে অস্ত্র চালাতে দক্ষ এমন সদস্য আছে ৭০০।

কে এই লরেন্স বিষ্ণুই: লরেন্স বিষ্ণুইয়ের জন্ম ১৯৯৩ সালে ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যে। ২০১০ সাল পর্যন্ত তাঁর জীবন কেটেছে রাজ্যের আবোহার শহরে। এরপর তিনি ডিএভি কলেজে ভর্তি হতে চণ্ডিগড়ে পাড়ি জমান। ২০১১ সালে যোগ দেন পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস স্টুডেন্টস কাউন্সিলে। সেখানে তার পরিচয় হয় ‘গ্যাংস্টার’ গোল্ডি ব্রারের সঙ্গে। এরপর ধীরে ধীরে অপরাধে জড়িয়ে পড়েন তিনি। বিষ্ণুইয়ের বিরুদ্ধে দুই ডজনের বেশি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। রয়েছে হত্যা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ। যদিও এসব অভিযোগের কোনোটাই স্বীকার করেননি তিনি। গ্যাংয়ের সদস্যদের মাধ্যমে কারাগারে বসেও বাইরের অপরাধজগৎ নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি। ২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে চণ্ডিগড়ে অপরাধ কর্মকাণ্ড শুরু করেন বিষ্ণুই। ২০১৩ সাল নাগাদ তিনি ত্রাস সৃষ্টিকারী এক চরিত্রে পরিণত হন। কয়েকটি হত্যার সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে পড়ে। পরে তার গ্যাং মদ বেচাকেনা ও অস্ত্র চোরাচালানে অর্থ লগ্নি  শুরু করে। হত্যাকারীসহ ভয়ংকর সব অপরাধীদেরও আশ্রয় ও সুরক্ষা দিয়ে আসছে তারা। লরেন্স বিষ্ণুইয়ের নাম নতুন করে সামনে আসে ২০২২ সালে। সে বছরের ২৯ মে পাঞ্জাবের গায়ক সিধু মুসওয়ালাকে হত্যা করা হয়।

কারাগারে বিষ্ণুই: ২০১৪ সালে রাজস্থান পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ হয় লরেন্স বিষ্ণুইয়ের। এরপর তিনি কারাবন্দী হন। সেখান থেকেই আরও সংঘবদ্ধভাবে অপরাধজগৎ নিয়ন্ত্রণ করছেন তিনি। কারাগারে থাকাকালে জস্বিন্দর সিং ওরফে রকি নামের আরেক অপরাধীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে তার। ২০১৬ সালে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন রকি। বন্দী অবস্থায়ও লরেন্স বিষ্ণুইয়ের প্রভাব-প্রতিপত্তি বেড়েই চলেছিল। রাজস্থানের ভারতপুর জেলায় যে কারাগারে তিনি বন্দী ছিলেন, সেখানকার কর্মকর্তাদের হাত করে নানা কার্যসিদ্ধি করতেন। ২০২১ সালে তাকে সেখান থেকে দিল্লির তিহার কারাগারে সরিয়ে নেওয়া হয়। এই কারাগারের কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, আইপি কলের মাধ্যমে গ্যাংয়ের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন বিষ্ণুই। এ ছাড়া ২০২৩ সালে ভারতের ডানপন্থী নেতা সুখদেব সিং গোগামেদিকে জয়পুরে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সুখদেবের সঙ্গে অস্ত্রধারী একজন চা পান করছেন। তিনিই গুলি চালান। পরে বিষ্ণুইয়ের গ্যাংয়ের সদস্য রোহিত গোদারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে সুখদেবকে হত্যার দায় স্বীকার করেন। ২০১৮ সালে বলিউড তারকা সালমান খানকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে বিষ্ণুই গ্যাং। সে বছর মুম্বইয়ে সালমানের বাসায় হানা দেন সাম্পাথ নাথ নামে বিষ্ণুই গ্যাংয়ের এক সদস্য। তিনি দাবি করেন, কালো হরিণ শিকারের কারণে সালমানকে হত্যার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তার ওপর। বিরল প্রজাতির এই হরিণকে বিষ্ণুই সম্প্রদায়ের মানুষ অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করে। সালমান খানকে সরাসরি হত্যার হুমকিও দিয়েছিলেন লরেন্স বিষ্ণুই। ভারতের যোধপুরে আদালতে এক শুনানি চলাকালে তিনি বলেছিলেন, ‘সালমান খানকে এই যোধপুরেই হত্যা করা হবে। তারপর তিনি আমাদের সত্যিকারের পরিচয় জানতে পারবেন।’

এরপর ২০২৩ সালের ১৪ এপ্রিল মুম্বইয়ের বান্দ্রায় সালমান খানের বাসার বাইরে গুলি চালানো হয়। এই এলাকাতেই শনিবার হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বাবা সিদ্দিক। সালমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাও ছিল তার। সালমানের বাসার বাইরে গুলির পর সে সময় পুলিশ জানিয়েছিল, এ কাজের জন্য দু’জনকে ভাড়া করেছিল বিষ্ণুই গ্যাং।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

আইনজীবী হত্যার প্রতিবাদে চিন্ময়ের মুক্তি দাবি করলেন শেখ হাসিনা

আইনজীবী হত্যার প্রতিবাদে চিন্ময়ের মুক্তি দাবি করলেন শেখ হাসিনা
শেখ হাসিনার ছবি

ডেস্ক রিপোর্ট:

চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভারতে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। পাশাপাশি তিনি অবিলম্বে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি এই দাবি জানান।

অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের নাম উল্লেখ না করে বিবৃতিতে শেখ হাসিনা বলেন, “চট্টগ্রামে একজন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়েছে, এ হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত শাস্তি দিতে হবে। এই ঘটনার মাধ্যমে চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। একজন আইনজীবী তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন, এবং তাকে পিটিয়ে হত্যা করা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। যারা এটি করেছে, তারা যেই হোক না কেন, তাদের শাস্তি পেতেই হবে।”

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখলকারী’ হিসেবে উল্লেখ করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ইউনূস সরকার যদি এ সন্ত্রাসীদের শাস্তি দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে তাকেও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, এই ধরনের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ান। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।”

শেখ হাসিনা আরও বলেন, “বর্তমান ক্ষমতা দখলকারীরা সর্বক্ষেত্রেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে চলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ, মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। সাধারণ মানুষের ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এসব নির্যাতনের তীব্র নিন্দা জানাই।”

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের নাম উল্লেখ না করে শেখ হাসিনা বলেন, “সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের একজন শীর্ষ নেতাকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে, অবিলম্বে তাকে মুক্তি দিতে হবে। চট্টগ্রামে মন্দির পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে মসজিদ, মাজার, গির্জা, মঠ এবং আহমাদিয়া সম্প্রদায়ের ঘরবাড়ি আক্রমণ করে ভাঙচুর ও লুটপাট করে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সব সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।”

“আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মী, ছাত্র-জনতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হত্যা করার পরও হামলা-মামলা ও গ্রেফতারের মাধ্যমে হয়রানি চলছেই। আমি এসব নৈরাজ্যবাদী কার্যকলাপের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি,” বলে বিবৃতিতে জানান শেখ হাসিনা।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

নিহত শিশুদের নামে ভারতে আল-ফাত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পাকিস্তানের

নিহত শিশুদের নামে ভারতে আল-ফাত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পাকিস্তানের
ছবি: সংগৃহীত

‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে ভারতের চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাকিস্তানে বহু শিশু নিহত হয়। এবার সেই নিহত শিশুদের নামে ভারতে আল-ফাত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম পিটিআই এ তথ্য জানিয়েছে। 


এক এক্স পোস্টে পিটিআই জানিয়েছে, পাকিস্তানের পাল্টা আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে।


শহীদ পাকিস্তানি শিশুদের নামে পাকিস্তানের আল-ফাত ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। পাকিস্তান এই শহীদ নিষ্পাপ শিশুদের কথা ভুলে যায়নি এবং ভুলবেও না। ভারতের আগ্রাসনে এই নিষ্পাপ পাকিস্তানি শিশুরা শহীদ হয়েছে।


পোস্টে দুইটি ছবি যুক্ত করা হয়েছে যেখানে ক্ষেপণাস্ত্র বহনকারী একটি সামরিক যান দেখা যাচ্ছে।


যানটিতে লাগানো একটি পোস্টারে লেখা রয়েছে— হাওয়া বিবি, উরওয়া জুবায়ের, মোহাম্মদ বিন জুবায়ের, উওয়াইম জুবায়ের, উমর জুবায়ের, উমর মুসা, ইরতাজার ভালোবাসায়।

‘অপারেশন বুনিয়ান-উন-মারসুস’ নামের এই অপারেশনে ভারতের ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ কেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম পিটিআই। এছাড়া ভারতের উধমপুরের একটি এবং পাঠানকোটের দুইটি বিমানঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

সারাদেশে প্রায় ৮০০ আয়নাঘর আছে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

সারাদেশে প্রায় ৮০০ আয়নাঘর আছে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ছবি: সংগৃহীত




অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আয়নাঘর সারা বাংলাদেশজুড়ে বিদ্যমান। এর সঠিক সংখ্যা এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।


বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমকর্মী ও ভুক্তভোগীদের নিয়ে আয়নাঘর পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।


জানা গেছে, এর আগে তিনি প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) যৌথ জিজ্ঞাসাবাদ সেল এবং র‌্যাব-২ এর সিপিসি-৩ এর ভেতরের সেলগুলো পরিদর্শন করেছেন। এরপর তারা র‌্যাব সদর দপ্তরের টাস্কফোর্স ইন্টেলিজেন্স সেন্টারে যান।


ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘এ ধরনের ইন্টারোগেশন সেল, টর্চার সেল সারা বাংলাদেশজুড়ে ছড়িয়ে আছে; আজকে সেগুলো সম্পর্কে শুনলাম। আগে আমার ধারণা ছিল যে, এখানে আয়নাঘর বলতে কয়েকটি স্থানকেই বোঝায়। কিন্তু এখন জানলাম, আয়নাঘরের মতো স্থান সারা দেশজুড়ে বিদ্যমান। কেউ বলছে ৭০০, কেউ বলছে ৮০০। সঠিক সংখ্যা এখনও নিরূপণ করা যায়নি। কতটা জানা আছে, কতটা অজানা রয়ে গেছে।’


তিনি আরও বলেন, ‘এখানে যা ঘটেছে তা নৃশংস। প্রতিটি ঘটনা শুনে অবিশ্বাস্য মনে হয়। এটা কি আমাদেরই জগত, আমাদেরই সমাজ? আমরা কি এটা করলাম? যারা নিগৃহীত হয়েছে, যারা এটার শিকার হয়েছে তারাও আমাদের সঙ্গে আছে। তাদের মুখ থেকে শুনলাম- এটা কীভাবে হয়েছে।’


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আইয়ামে জাহেলিয়াত বলে একটা কথা আছে। গত সরকার সর্বক্ষেত্রে আইয়ামে জাহেলিয়াতকে প্রতিষ্ঠিত করে গেছে। এটা (আয়নাঘর) এর একটি নমুনা।’


এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার আয়নাঘর পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।


আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে ‘বিশেষ’ স্থানে রাখা হতো। এ নিয়ে সুইডেনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নেত্র নিউজে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে এসব স্থান ‘আয়নাঘর’ নামে প্রকাশ্যে আসে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের অনেকে শেখ হাসিনা সরকারের ক্ষমতাচ্যুতির পর আয়নাঘর থেকে ফিরে আসেন পরিবারের কাছে। তাদের বয়ানে উঠে এসেছে আয়নাঘরের ভয়াবহতা।


১৯ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে একটি বৈঠক করেছে। সে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টাকে গুমের ঘটনায় তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানানো হয়। গুম করে বন্দিদের যেখানে রাখা হতো তা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল বা আয়নাঘর নামে পরিচিত। কমিশনের সদস্যদের আহ্বানেই সেসব স্থাপনা পরিদর্শনে গেছেন অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান।


অভিযোগ রয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনকালে ২০০৯ থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬০৫ জনকে গোপনে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। অন্য আরেকটি তথ্যে বলা হয়েছে, ২০১৪ থেকে ২০১৯ সালের জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশে ৩৪৪ ব্যক্তি গুমের শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় ৪০ জনকে। আর ৬৬ জনকে সরকারি হেফাজতে গ্রেপ্তার অবস্থায় পাওয়া গেছে।


যেসব ব্যক্তি দীর্ঘদিন গুম থাকার পর ফিরে এসেছেন, তারা গুমের ব্যাপারে মৌনতা অবলম্বন করেছেন। ধারণা করা হয়, এসব মানুষদের গুম করে রাখা হয় আয়নাঘরে। অভিযোগ রয়েছে, আয়নাঘরেই বন্দি ছিলেন- অধ্যাপক মোবাশার হাসন, সাবেক রাষ্ট্রদূত মারুফ জামান, ব্যবসায়ী অনিরুদ্ধ কুমার রায়, মাইকেল চাকমা ও মীর আহমদ বিন কাসেমসহ অনেকে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

সিরিয়ায় ৭৫টি ঘাঁটিতে বিমান হা’মলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

সিরিয়ায় ৭৫টি ঘাঁটিতে বিমান হা’মলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
বিমান হামলা


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

সিরিয়ায় জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) ৭৫টি ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় রোববার (৮ ডিসেম্বর) এসব হামলা চালানো হয়। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, আইএসের শীর্ষ নেতা, সহযোগী এবং বিভিন্ন ক্যাম্প লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, বি-৫২, এফ-১৫ এবং এ-১০ সহ একাধিক মার্কিন বিমান ৭৫টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

সিরিয়ার স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর দেশটির বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র।

দেশটিতে বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অভিযানের মুখে ব্যক্তিগত বিমানে করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন বাশার আল-আসাদ। বিশ্লেষকরা বলছেন, এর মাধ্যমেই সিরিয়ায় আসাদ পরিবারের ৫৩ বছরের শাসনামলের অবসান হলো।

২০০০ সালের জুলাই মাসে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন বাশার আল-আসাদ। একই সময়ে তিনি বাথ পার্টির নেতা ও সামরিক বাহিনীর প্রধানের দায়িত্বও নেন। তবে তার শাসনের এক দশক পর অর্থাৎ ২০১১ সালে সিরিয়ার জনগণ গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলনে মাঠে নামলে তিনি কঠোর দমননীতি গ্রহণ করেন।

২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধকে ঘিরে বাশার আল-আসাদের সঙ্গে পশ্চিমাদের সম্পর্কের অবনতি হয়। তিনি ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের বিরোধিতা করেছিলেন। সম্ভবত তার আশংকা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর পরবর্তী টার্গেট সিরিয়া হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র সেসময় ইরাকে তাদের বিরোধীদের কাছে অস্ত্র চোরাচালানে সহায়তার জন্য দামেস্ককে দায়ী করছিল। ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। এরপর ২০০৫ সালে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী রফিক হারিরি বৈরুতে বিস্ফোরণে নিহত হলে এ ঘটনার জন্য অনেকে সিরিয়া ও তার সহযোগীদেরই দায়ী করে।

এদিকে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ও তার পরিবার রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে। ক্রেমলিনের সূত্র উল্লেখ করে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবরে বলা হয়েছে, মানবিক দিক বিবেচনা করে আসাদ ও তার পরিবারকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে রাশিয়া।

ক্রেমলিনের একটি সূত্র বলেছে, রাশিয়া সবসময় সিরিয়ার সংকটের একটি রাজনৈতিক সমাধানের পক্ষে ছিল। আমরা জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে আলোচনার পুনরারম্ভের জন্য জোর দিচ্ছি।

তাসের খবরে আরও বলা হয়েছে, রাশিয়ার কর্মকর্তারা সিরিয়ার সশস্ত্র বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। বিদ্রোহীরা সিরিয়ায় অবস্থিত রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটি ও কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়েছে।

এদিকে, সিরিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকের আহ্বান করেছে রাশিয়া। জাতিসংঘে দেশটির প্রথম উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি দিমিত্রি পলিয়ানস্কি জানান, সোমবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, কূটনৈতিক সূত্রগুলো বৈঠকের সময় নিশ্চিত করেছে। পলিয়ানস্কি বলেন, আসাদ সরকারের পতনের গভীরতা এবং এর প্রভাব রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের জন্য কী হতে পারে, তা এখনই বলা কঠিন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০

তফশিল ঘোষণার তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি: ইসি সচিব

তফশিল ঘোষণার তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি: ইসি সচিব
ছবি: সংগৃহীত



নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি পুরো মাত্রায় থাকলেও তফশিল ঘোষণার তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ। 


শনিবার বিকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের এক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।


অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে আগামী ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা জানানো হয়েছে। সেই অনুযায়ী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফশিল ঘোষণার পরিকল্পনা ছিল ইসির। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনও জানিয়েছিলেন, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তফশিল ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে।


এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে শনিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশনের জাতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেও উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।


আখতার আহমেদ গণমাধ্যমে বলেন, ‘সকাল সাড়ে ১১টা থেকে আমরা নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়ে আয়োজিত মিটিংয়ে ছিলাম।’


তফশিল ঘোষণার প্রসঙ্গে আখতার আহমেদ বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত তফশিল ঘোষণার দিন নির্ধারণ করতে পারে নাই।’


তবে নির্বাচন আয়োজনে ইসি পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। নির্বাচন নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি সবাইকে অনুরোধ করি, সঠিক তথ্যটা দেন...নিশ্চয়ই নির্বাচনের ব্যাপারে জোর প্রস্তুতি চলছে।’


সাংবাদিকদের নিয়ে ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (সর্বশেষ সংশোধনীসহ); সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ (সর্বশেষ সংশোধনীসহ) এবং নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১ এর পরিচিতি’ শিরোনামের কর্মশালায় বক্তব্য দেন আখতার আহমেদ। এ প্রশিক্ষণ আয়োজন করে ইউএনডিপি ও রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১১

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১২

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৩

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৫

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৬

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

১৭

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৯

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

২০