

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানিয়েছেন, সড়ক ও মহাসড়কগুলোতে ছিনতাই রোধ করতে ট্রাফিক সার্জেন্টদের ‘স্মল আর্মস’ (হালকা বা ছোট অস্ত্র) প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর উত্তরার আজমপুর কাঁচাবাজার (বিডিআর মার্কেট) এলাকায় ঢাকা মহানগরীতে কাউন্টার ও ই-টিকিটিং পদ্ধতিতে বাস চলাচলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘যাত্রীদের সেবার মানোন্নয়ন এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কাউন্টার সিস্টেম চালু করা হয়েছে। চালক-মালিকসহ যাত্রীদেরও সচেতন হতে হবে। প্রয়োজনে ট্রাফিক পুলিশের কাছে অভিযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হলো।’
এছাড়া, শর্তসাপেক্ষে চালকদের নিয়োগপত্র প্রদানের জন্য মালিকপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সাজ্জাত আলী আরও বলেন, ‘বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে ছিনতাইয়ের ঘটনা আমার নজরে এসেছে। আমাদের লোকবল সীমিত। অনেক সময় ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারেন না। এ কারণে তাদের ‘স্মল আর্মস’ বা হালকা অস্ত্র দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে ছিনতাই বেড়ে যাওয়ার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ব্যাপক ধরপাকড়ের মাধ্যমে অসংখ্য ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়েছে। ফলে গত ১৫ দিন ধরে ছিনতাইয়ের ঘটনা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কমে এসেছে। আমাদের এই কার্যক্রম কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।’
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে হামলা ও ভাঙচুরের বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেছি। গভীর রাত পর্যন্ত আমি নিজে সেখানে থেকে প্রতিবেদন সংগ্রহ করেছি।’
মন্তব্য করুন


শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার স্বার্থে সৌদি আরবের সঙ্গে শিগগিরই একটি চুক্তি স্বাক্ষর হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আজ শনিবার (২ আগস্ট) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘রেমিট্যান্সযোদ্ধা দিবস’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, “মালয়েশিয়ায় গত বছর বিমানের টিকিট এবং ভিসা থাকা সত্ত্বেও যেতে না পারা কর্মীদের পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এসংক্রান্ত বৈঠক করে যখন ঢাকায় এসে বললাম যে তাদের মালয়েশিয়া নেবে বলে আশ্বস্ত করেছে, তখন তীব্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছি।
আমাকে ফেসবুকে গালাগাল করছে–‘বর্তমানে যারা অবৈধ হয়ে আছে তাদের বৈধ করার খবর নেই, আবার নতুন করে লোক পাঠাচ্ছে।’ গালাগালের কোনো শেষ নাই। যেটা আপনাদের এত বড় দাবি সেটা করার পরও গালি খাই।”
এ সময় তিনি বলেন, ‘খুব তাড়াতাড়ি আশা করি দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে শুনবেন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রবাসী শ্রমিকদের নিয়ে চুক্তি হচ্ছে।
এই চুক্তির চেষ্টা বিগত সরকারের আমলে অনেকবার করার চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু হয়নি। ভারত কিংবা পাকিস্তানের সঙ্গে এই চুক্তি নেই, বাংলাদেশের সঙ্গে এই চুক্তি হতে যাচ্ছে। চুক্তি হলে সৌদি আরবে শ্রমিক ভাই-বোনদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’
আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমরা রিইন্টিগ্রেশনে কিছু কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। আমরা প্রক্রিয়া কিছুটা সহজ করেছি মন্ত্রণালয়ে যাতে আপনাদের ভোগান্তি ও হয়রানি কম হয়। সম্পূর্ণ ডিজিটাইজেশন করেছি, আপনারা নতুন করে বিদেশে গেলে এই সুবিধা বুঝতে পারবেন।’
প্রবাসীদের উদ্দেশে উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রবাসী ভাই-বোনরা যারা ফিরে এসেছেন, আপনারা হয়তো আবার যাবেন। কয়েকটা কথা আপনাদের বলি অন্যভাবে নিয়েন না। আপনারা বাইরে যাওয়ার আগে নিজেরা যথেষ্ট প্রস্তুতি নেবেন।
আপনাদের কি কোনো প্রতারক পাঠাচ্ছে, এটা একটু ভালো করে খোঁজখবর নেবেন। বিদেশ যেতে এত মরিয়া হয়ে যাবেন না যে খোঁজখবর নেওয়ার প্রয়োজন হয় না। বিদেশ মানেই বেহেশত মনে করবেন না। এই সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রবাসীদের জীবনযাত্রা দেখেছি, সৌদি আরবে আমি এমন অবস্থা দেখেছি, বাংলাদেশের খারাপ বস্তিতেও মানুষ এর চেয়ে ভালো থাকে। এত খারাপ জীবন আট থেকে ৯ লাখ টাকা খরচ করে যাওয়ার পরও। কাজেই ভালোমতো খোঁজখবর নিয়ে যান। আপনার কাছে যদি ১০ লাখ টাকা থাকে বিদেশ যাওয়ার জন্য, এই টাকা দিয়ে অনেক ব্যবসা দেশে করা যায়।’
তিনি আরো বলেন, ‘এ দেশে ১৮ কোটি মানুষ, কত ভোক্তা! ছোট্ট একটা দোকান দিয়ে বসলে কত লাভ হয়। আমি আপনাদের নিরুৎসাহিত করছি না, মরিয়া হয়ে বিদেশ যাবেন না।’
মন্তব্য করুন


আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন। এবারের নির্বাচনের রেকর্ডসংখ্যক ভোটারের উপস্থিতি আশা করছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, ‘আশা করছি অন্তর্বর্তী সরকার ভালো নির্বাচন উপহার দেবে। গণভোট নিয়ে ভোটারদের উৎসাহ জাগবে। সে অনুযায়ী যা যা দরকার করা হচ্ছে।’
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শফিকুল আলম বলেন, এবারের নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
তবে ঠিক কত শতাংশ ভোটার ভোট দিতে পারেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
গণভোট ঘিরে ভোটারদের সচেতনতা নিয়ে সংশয়ের জায়গা থাকলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন বলে দাবি করেন শফিকুল আলম। তার মতে, বাংলাদেশের ভোটাররা এখন আর তথ্যবিচ্ছিন্ন নন। আন্ডারএজ জনগোষ্ঠী বাদ দিলে প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন এবং নিয়মিত সংবাদ অনুসরণ করেন। ফলে গণভোটে কীভাবে ভোট দিতে হবে, কোন কোন প্রশ্নে ভোট হচ্ছে এবং এসব সিদ্ধান্তের তাৎপর্য কী এসব বিষয়ে সাধারণ মানুষের স্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, গ্রাম পর্যায়ে সরেজমিন অভিজ্ঞতায় তিনি লক্ষ্য করেছেন, মানুষ গণভোটকে একটি সামগ্রিক ‘প্যাকেজ’ হিসেবেই বিবেচনা করছেনম সংস্কারের পক্ষে না বিপক্ষে অবস্থান, ভবিষ্যৎ পথরেখা সব মিলিয়েই তারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
শফিকুল আলম আরও বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সাক্ষরতার হার প্রায় ৮০ শতাংশের কাছাকাছি। অথচ ১৯৭৭ সালে প্রথম গণভোটের সময় এই হার ছিল মাত্র ২৭ শতাংশ। এই পরিবর্তন শুধু সংখ্যার নয়, এটি ভোটারদের বিচারক্ষমতা ও গণতান্ত্রিক সক্ষমতার প্রতিফলন।
তার মতে, উচ্চ সাক্ষরতার হার গণভোটের মতো জটিল প্রক্রিয়াকে সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য করে তুলেছে, যা অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়ক হবে।
নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচার-প্রচারণার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রেস সচিব জানান, নির্বাচনের এখনো হাতে রয়েছে ৪০ দিন। এই সময়কে কাজে লাগিয়ে সরকার দেশজুড়ে সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করেছে। ‘ভোটের গাড়ি’ কর্মসূচির মাধ্যমে ৬৪টি জেলা ও প্রায় ৩০০ উপজেলায় ভোটারদের কাছে পৌঁছানো হচ্ছে। ভোটদান পদ্ধতি, গণভোটের প্রশ্ন এবং নাগরিক দায়িত্ব, সবকিছুই এই প্রচারণার মূল বিষয়।
এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন প্রেস সচিব। নিয়মিত সংবাদ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে গণভোট ও নির্বাচন বিষয়ে জনগণের বোঝাপড়া আরও গভীর হচ্ছে।
শফিকুল আলম আরও বলেন, এবারের নির্বাচন ও গণভোটের সবচেয়ে বড় নতুন সংযোজন হলো, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থা চালু হওয়া। এর ফলে বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা নিজ নিজ অবস্থান থেকেই ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন।
এখন পর্যন্ত প্রায় ৭ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি এই ব্যবস্থায় তালিকাভুক্ত হয়েছেন। এই উদ্যোগ শুধু প্রবাসীদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত করছে না বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও বাংলাদেশের এই উদ্যোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশ সরকার চায়, পোস্টাল ব্যালটের এই অভিজ্ঞতা একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে রূপ নিক, যা ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশ অনুসরণ করতে পারে।
মন্তব্য করুন


বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিতে শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, মানবিক ও ভালো মানুষ না হলে দেশের উন্নতি সম্ভব না।
আজ শনিবার মিরপুর সেনানিবাসে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে (এমআইএসটি) ‘মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড সাইন্স’ বিষয়ক তৃতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।
সেনাপ্রধান বলেন, ‘শুধু ভালো ইঞ্জিনিয়ার নয়, ভালো মানুষ হতে হবে। তাহলেই দেশের উপকার হবে।’
তিনি বলেন, ‘শৃঙ্খলা মেনে চললে দেশই লাভবান হবে। উন্নয়নের জন্য প্রকৌশল শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।’ এসময় পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পাঁচজনকে পুরস্কার দেন তিনি।
তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নবায়নযোগ্য শক্তি, উৎপাদন কৌশল, তাপ প্রকৌশল ও মহাকাশ গবেষণাসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, চীন, জাপান ও বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের খ্যাতনামা গবেষক ও পেশাজীবীরা অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


জুলাই–আগস্টের গণ-আন্দোলনে অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের ‘মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাদের দেখভালের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একটি পৃথক বিভাগ গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের দায়িত্ব নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও গুরুতর আহতদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তারেক রহমান।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া যোদ্ধারাও মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা যেমন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবন ও ত্যাগ দিয়েছেন, ঠিক একইভাবে চব্বিশে যারা লড়াই করেছেন, তারাও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্যই যুদ্ধ করেছেন।’ তিনি বলেন, ‘একাত্তরে যুদ্ধ হয়েছিল স্বাধীনতা রক্ষার জন্য, আর সেই স্বাধীনতা রক্ষাতেই আবার চব্বিশে যুদ্ধ হয়েছে।’
জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারগুলোর বিষয়ে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি জনগণের সমর্থনে সরকার গঠনের সক্ষমতা অর্জন করলে জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের কষ্ট লাঘবে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যোগ নেওয়া হবে। ‘যারা হারিয়ে গেছেন, তাদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তবে তাদের পরিবারের কষ্ট, সুযোগ-সুবিধা ও দেখভালের দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে। এ জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি নতুন বিভাগ গঠন করা হবে, যার মূল দায়িত্ব থাকবে এই মানুষগুলোর দেখভাল করা,’ বলেন তিনি।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, বিএনপি অতীতে সরকারে থাকাকালীন মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করেছিল। একই ধারাবাহিকতায় আগামীতে জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারগুলোকেও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
গণ-আন্দোলনে হতাহতদের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, জুলাই আন্দোলনে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই এক বা দুই চোখ হারিয়েছেন, কেউ কেউ স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ে যেভাবে দেড় হাজারের মতো মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, সেটিকে আমরা গণহত্যা বলতে পারি।’
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের সাহসিকতার কারণেই ফ্যাসিবাদী শক্তি শুধু ক্ষমতা থেকেই নয়, দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। তার ভাষায়, ‘২০২৪ সালের আন্দোলন কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলের নয়। এটি অধিকারহারা মানুষের গণ-আন্দোলন।’
গণ-আন্দোলনে আহতদের ক্ষতিপূরণ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দুইভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। এক—রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা। দুই—আহতদের যোগ্যতা অনুযায়ী অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, ‘হতাহতদের প্রতি রাষ্ট্রের অবশ্যই দায়িত্ব রয়েছে। জনগণের রায়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বিএনপি পর্যায়ক্রমে সেই দায়িত্ব পালন করবে।’
নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হলে শোক সমাবেশ ও শোকগাঁথাই চলতে থাকবে। তবে গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামী বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয়গাঁথা রচনা করবে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোকে রাজনীতিতে জড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, পর্যবেক্ষক সংস্থার রিপোর্ট হতে হবে স্বচ্ছ, অন্যথায় নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকালে নির্বাচন ভবনে পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপে সিইসি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য একটাই—জাতিকে সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়া। অতীত নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে চাই না, বরং সামনে এগোতে চাই। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোকে আমরা সহযোগী হিসেবে পেতে চাই। তারা ভোটের অনিয়ম তুলে ধরবেন, কিন্তু রাজনীতিতে জড়াবেন না। পর্যবেক্ষকদের চোখ দুষ্টু হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না।’
সিইসি আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে স্বচ্ছ নির্বাচন হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভোটারদের উপস্থিতি অনেক বেশি হবে।
পর্যবেক্ষক সংস্থার জন্য কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও সানাউল্লাহ বলেন, ‘অতীতকে সামনে আনা নয়, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগুতে হবে। কোনো অবস্থাতেই পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। এর ব্যত্যয় ঘটলে ভবিষ্যতে নির্বাচনে অংশগ্রহণে সমস্যা হতে পারে।’
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের কোনো অবস্থান নেই। এখানে কোনো ধরনের জঙ্গিবাদ নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ রোববার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রপ্তানি কার্গো পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের জঙ্গি ট্যাগ দেওয়া ইস্যুতে উপদেষ্টা বলেন, দেশে যে ৩ জনকে পাঠানো হয়েছে তাদের কেউ জঙ্গি নয়। এ নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি প্রেস রিলিজও দিয়েছিল। মূলত তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনজনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ার পুলিশের চিফ যে পাঁচজনকে নিয়ে কথা বলেছেন সেই পাঁচজন দেশে আসেনি। তাদের সঙ্গে আমাদের সরকারি লেভেলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা তদন্ত করে দেখব। তবে বাংলাদেশে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
মালয়েশিয়ার আইজিপি বাংলাদেশের পাঁচজনকে জঙ্গি সম্পৃক্ততার কথা বলেছেন, এটা কীভাবে দেখছেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা বলেন, সে দেশের (মালয়েশিয়ার) আইজিপি কী বলেছে আমি জানি না। আমরা অফিসিয়ালি সরকারি লেভেলে কোনো মেসেজ পাইনি। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে যে মেসেজ পেয়েছি সেটা নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রেস রিলিজ আপনাদের দেওয়া হয়েছে।
জঙ্গিবাদ নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন কেমন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনাদের (মিডিয়ার) সহযোগিতায় জঙ্গিবাদ নির্মূল করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আপনাদের ক্রেডিট অনেক বেশি। গত ১০ বছরে আপনারা জঙ্গিবাদের কোনো তথ্য দিতে পেরেছেন? যখন ছিল তখন দিয়েছেন। এখন নেই তাই দিতে পারেন না।
মন্তব্য করুন


‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র’ প্রকাশিত হবে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে সমুন্নত রাখতে আগামী ৩১ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই ঘোষণা পত্র প্রকাশ করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। তবে এর সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
রোববার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনার সামনে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘এটা একটি প্রাইভেট ইনিশিয়েটিভ। আমরা এটিকে প্রাইভেট ইনিশিয়েটিভ হিসেবে দেখছি। এর সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’
‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র’ প্রসঙ্গে ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত ঘোষণা না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট নয়। ততক্ষণ পর্যন্ত আপনাদের কাছে স্পষ্টভাবে কিছু বলা আমাদের পক্ষ থেকে সম্ভব নয়।’
সচিবালয় ইস্যুতে আজাদ মজুমদার বলেন, ‘এই মুহূর্তে সচিবালয় একটি ক্রাইম সিন। সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আগুনের ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে। তদন্ত চালানোর জন্য আমরা সবার কাছ থেকে সহযোগিতা চেয়েছি। আমরা মনে করি সাংবাদিকরা আমাদের সহযোগিতা করবেন। সহযোগিতার অংশ হিসেবে একটি সাময়িক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাখ্যা দিয়ে জানিয়ে দিয়েছি, এই সিদ্ধান্ত সাময়িক। এটি একেবারেই তদন্তের প্রয়োজনে। ক্রাইমের যে লক্ষণগুলো সন্দেহ করা হচ্ছে সেগুলোকে সুরক্ষিত রাখার জন্য, বেশি মানুষ প্রবেশ করলে আলামত নষ্ট হতে পারে, এজন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশের স্বার্থে এই তদন্ত সুষ্ঠু হওয়া জরুরি। এর সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি জড়িত।’
ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর, সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহমেদ, সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, কোনো দলের কার্যক্রম স্থগিত থাকলে তাদের প্রতীকও স্থগিত থাকবে। তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। কিন্তু প্রতীক ছাড়া স্বতন্ত্র দাঁড়াতে পারবে কিনা সেটা সময় বলে দেবে।
অর্থাৎ আওয়ামী লীগের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার না হলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসির নিবন্ধিত এ দলটি দলীয় প্রতীক নিয়ে অংশ নিতে পারবে না। আওয়ামী লীগের নাম না নিলেও স্থগিত থাকার দলের বিষয়ে ইসির অবস্থান স্পষ্ট করলেন ইসি সানাউল্লাহ।
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন নিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের সংশোধনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তালিকায় সশস্ত্র বাহিনী যুক্ত করা হয়েছে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ভোটকেন্দ্র স্থাপন করবেন। এছাড়া আদালত কর্তৃক যারা ফেরারি হবেন, তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। লাভজনক পদে যারা আছেন বলে গণ্য হবেন এবং যারা সরকারি ৫০ শতাংশ বা তার বেশি শেয়ার আছে এমন প্রতিষ্ঠানে কাজ করলে তারা অংশ নিতে পারবেন না। এছাড়া হলফনামায় তথ্য গোপন বা মিথ্যা তথ্য দিলে ইসি পরে ব্যবস্থা নিতে পারবে এবং সেই ব্যক্তি সংসদ সদস্য পদ হারাবেন। পাশাপাশি প্রার্থীর জামানত ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, একক প্রার্থী থাকলে সেই আসনে ‘না’ ভোট থাকবে ব্যালটে। জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করলেও প্রার্থীরা নিজ নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করবেন। ইভিএম সংক্রান্ত সব বিধান বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া মিডিয়ার ব্যক্তিরা ভোট গণনায় থাকতে পারবেন। পাশাপাশি নির্বাচনী পোস্টার বাতিল করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে আচরণবিধি ভঙ্গ হয় তা করা যাবে না। এছাড়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন স্থগিত থাকবে ও প্রতীক সংরক্ষিত থাকবে, ভোট শব্দ কিছু স্থানে ছিল, এগুলো নির্বাচন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ফ্যাসিস্ট-ডেভিলদের অপচেষ্টা সফল হবে না বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের দিন মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় তিনি গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদীর জন্য সবার কাছে দোয়া চান।
বাংলাদেশ টেলিভিশন, বিটিভি নিউজ ও বাংলাদেশ বেতার প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ একযোগে সম্প্রচার করছে। অন্যান্য বেসরকারি টেলিভিশনও প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ সম্প্রচার করছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, নির্বাচন কমিশন কোনো দলের পক্ষে বা বিপক্ষে দাঁড়াতে চায় না। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, ইলেকশন কমিশনের বদনামের সবচেয়ে বড় কারণ হলো রাজনীতির কাছে নির্বাচন কমিশনকে সঁপে দেওয়া।
নাসির উদ্দিন বলেন, "আমরা কমিশনে যারা আছি, আমরা কোনো রাজনীতিতে জড়াতে চাই না। আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে দাঁড়াতে চাই না। আমরা নিরপেক্ষ থাকতে চাই। আপনারা আমাদেরকে সাহায্য করবেন।"
রোববার ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) বার্ষিক সাধারণ সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সিইসি বলেন, "সব জায়গায় মতপার্থক্য থাকবে। ভিন্নমত মানেই বিপক্ষে নয়। একই বিষয়ে ভিন্নমত থাকবেই। এটা সহজ হিসাব। কিন্তু এই জিনিসটা অনেকে মানতে পারে না। তবে মানার বিষয়ে আমার অভ্যাস আছে। আমাকে নিয়ে সমালোচনা করলে ধরে নেব কোনো ঘাটতি বা সমস্যা রয়েছে, তখন নিজেকে শুধরে নেব।"
তিনি তালে তাল মেলানোর সংস্কৃতি থেকে বের হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "সবাই তালি বাজাতে বাজাতে দেশটার ১২টা বাজিয়েছে। তালি বাজানো আমাদের ভুলে যেতে হবে। সব বিষয় বাস্তবতার ভিত্তিতে দেখতে হবে। একজন একটা কথা বলল, আর আমি তালি বাজাতে থাকলাম—এটা যাতে না হয়।"
নাসির উদ্দিন আরও বলেন, "ইলেকশন কমিশনের এত বদনাম, এত গালি দেওয়া হয়, এটা কেন হলো? ১০০টা কারণ বলতে পারবেন, ২০০টা কারণ বলতে পারবেন। কিন্তু আমার কাছে এক নম্বর কারণ হলো—পলিটিক্যাল কন্ট্রোল অব দ্য ইলেকশন কমিশন। এটি আমার কাছে মনে হয়েছে সবচেয়ে বড় কারণ। রাজনীতির কাছে নির্বাচন কমিশনকে সঁপে দেওয়া, এটি হচ্ছে সবচেয়ে বড় কারণ।"
নির্বাচন কমিশনের উপর আস্থা ফেরাতে রাজনীতিবিদদের প্রভাব বিস্তার বন্ধ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন সিইসি। তিনি বলেন, "রাজনীতিবিদদের 'ইনফ্লুয়েন্স অন দ্য ইলেকশন কমিশন' যদি বন্ধ করা না যায়, আবার সেই পুরনো জিনিস রিপিট হবে বলে আমি মনে করি। এটি আমার কাছে সবচেয়ে বড় কারণ মনে হয়েছে অতীতে। এখান থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে। আমরা যথাযথ নির্বাচন করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সেজন্য আমাদের বাংলাদেশের সবার সহযোগিতা লাগবে। আমাদের একার পক্ষে এটা সম্ভব নয়—যদি না আমরা সবার সহযোগিতা পাই।"
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসি সচিব আখতার আহমেদ।
মন্তব্য করুন