

মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
গাজীপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত হাসনাত আবদুল্লাহর উপর হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লার দেবীদ্বারে বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা এনসিপি ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংস।
রোববার রাত ৮ টায় দেবীদ্বার নিউ মার্কেট চত্তর থেকে বিক্ষোভ মিছিল টি বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বিক্ষোভ জাতীয় নাগরিক পার্টির উপজেলা নেতা নাজমুল হাসান নাহিদ, শামীম কাউসার, ফয়সাল হোসেন, এমরান হোসেন, আবদুল্লাহ সামি, ফয়সাল মির্জা, জালাল হোসেন, জামাল হোসেন, শাহাদাত হোসেন শ্যামল, বাংলাদেশ ছাত্র সংসদের নেতা রাকিবুল হাসান হৃদয়, মোক্তাদির জারিফ সিক্ত, সাজেদুল রাফসান ও মোঃ হাসান আরও অনেকে।
বক্তারা হাসনাত আবদুল্লাহর উপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির দাবী করেন।
মন্তব্য করুন


মো:মিজানুর রহমান মিনু,কুমিল্লা
কুমিল্লায় কিছুতেই যেন কমছে না শীতের তীব্রতা। উত্তরের হিমেল বাতাস আর হার কাঁপানো ঠান্ডায় জনজীবন হয়ে পড়েছে স্থবির।
দুপুর গড়িয়ে গেলও সূর্যের দেখা মিলছে না, এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ, বয়স্ক ও শিশুরা।
এদিকে শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে শীত জনিত নানা রোগ। হাসপাতালে বাড়ছে শিশু ও বয়স্ক রোগির সংখ্যা।
আজ কুমিল্লায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে শহরের টমছম ব্রিজ
ও ইপিজেড এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা
হয়েছে।
আজ
বুধবার (৬ নভেম্বর) অভিযানে ৪টি দোকানের বিরুদ্ধে ৪টি মামলায় মোট ২০,০০০ টাকা জরিমানা
আদায় করা হয় এবং এ সময় প্রায় ৩৪ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন শপিং ব্যাগ জব্দ করা হয়।
মোবাইল
কোর্টে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ
ম্যাজিস্ট্রেট শ্রী রতন কুমার দত্ত।
প্রসিকিউশন
প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক জোবায়ের হোসেন। অভিযানে
সহযোগিতা করেন হিসাবরক্ষক তোফায়েল আহমেদ মজুমদার এবং জেলা পুলিশের সদস্যবৃন্দ।
এই
অভিযানের মাধ্যমে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহারের বিরোধিতা করে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে
লিফলেট বিতরণ করা হয়। পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে বলে জানিয়েছে
জেলা প্রশাসন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
চৌদ্দগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যসহ তিনজনকে গ্রেফতার হয়েছে। আটককৃতদের
থেকে মাদকদ্রব্য, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার শেষে অপরাধীদের স্থানীয় চৌদ্দগ্রাম থানায় সোপর্দ
করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর
২৩ বীর ক্যাম্প জানায়, ৯ মে ভোর ৪ টায় খাটরা এলাকা থেকে ২ কেজি গাঁজাসহ শাহাবুদ্দিন
বাবু (২৯) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। শাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস
মাদক ব্যবসা চাঁদাবাজিসহ বহু অভিযোগ রয়েছে স্থানীয়ভাবে।
অপর
এক অভিযানে একই দিন ভোরে গুনবতী ইউনিয়নের খাটরায় অভিযান চালিয়ে সুজন মিয়া (২৩) নামের
এক কিশোর গ্যাং সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তার বাড়ি তল্লাশি করে ১টি চাইনিজ কুড়াল,
১টি সাধারণ কুড়াল এবং ১টি দা উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, এই অস্ত্রগুলো ব্যবহার করে
সে বিভিন্ন গ্যাং-সম্পর্কিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।
তৃতীয়
অভিযানে, খাটরা এলাকা থেকে আরেক কিশোর গ্যাং সদস্য জাহিদ হাসান (২২) কে গ্রেফতার করা
হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তাকে প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করতে দেখা যায় এবং
পরে সে গুনবতী ইউনিয়নে গ্যাং কার্যক্রমে জড়িত হয়। সে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী তুয়ানের
সহযোগী ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে জড়িত বলেও জানা যায়।
চৌদ্দগ্রাম
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানান, শুক্রবার সকালে আটককৃত তিনজনকে
থানায় সোপর্দ করেছে সেনাবাহিনী। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা শেষে আদালতের মাধ্যমে
জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কর্তৃক একদিনে ২০ কেজি গাঁজা, ২৫৫ বোতল ফেন্সিডিল, একটি প্রাইভেট কার উদ্ধারসহ মোট ৪ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
আজ ২০/০৯/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লার পৃথক দুইটি অভিযানে এসআই(নিঃ)/মোঃ সাইদুর রহমান, এএসআই(নিঃ) আব্দুস সালাম ও সংগীয় ফোর্সসহ কুমিল্লা জেলার সকল থানা এলাকায় অবৈধ অস্ত্র, মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান ডিউটি করা কালে ২০/০৯/২০২৩খ্রিঃ তারিখ বেলা ১১:১৫ ঘটিকায় চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ৩নং কালকাপুর ইউপির সাফুয়া সাকিনস্থ মিরশানি টু সোনাপুর গামী রাস্তার জনৈক আবুল কাশেম এর নির্মাণাধীন বাড়ির সামনে রাস্তার উপর পৌঁছে আসামী মোঃ সোহাগ মিয়া (২৮), পিতা- মোঃ আবুল কাসেম, মাতা- ছায়েরা বেগম, গ্রাম- জগমোহনপুর (সোনা মিয়া মাস্টার বাড়ি), ০১নং ওয়ার্ড, ০৩নং কালিকাপুর ইউনিয়ন, ডাকঘর- নোয়াবাজার, উপজেলা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লাকে একটি প্লাস্টিকের বাজারের ব্যাগসহ আটক করেন। তথায় আশপাশ হতে আগত উপস্থিত সাক্ষীদের মোকাবেলায় ধৃত আসামী মোঃ সোহাগ মিয়া (২৮) এর ডান হাতে থাকা একটি প্লাস্টিকের বড় বাজারের ব্যাগের ভিতরে রক্ষিত ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) বোতল ফেনসিডিল পেয়ে উদ্ধারপূর্বক ২০/০৯/২৩খ্রিঃ তারিখ বেলা ১১:৫০ ঘটিকায় জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করেন। উক্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করলে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-, তারিখ- ২০/০৯/২০২৩; ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১৪(গ) রুজু করা হয়।
একইদিনে অপর একটি অভিযানে এসআই(নিঃ)/ মোঃ নজরুল ইসলাম, এএসআই(নিঃ)/ মোঃ ইলিয়াছ ও সংগীয় ফোর্সসহ ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামের দিক হতে আশা ঢাকা অভিমুখী একটি সিলভার রংয়ের প্রাইভেটকার গাড়ী যা ঢাকা মেট্রো-গ-১৭-৮৩৭৪ রেজি নাম্বারের গাড়িটি থামানোর জন্য সংকেত দিলে চালক উক্ত স্থানে গাড়িটি থামালে গাড়ির চালক (১) আসামী মহিবুল্লাহ শেখ(৩৩), পিতা-ইসহাক আলী শেখ, মাতা-মিনারা বেগম, সাং-সাতকাচিমা (সর্দার বাড়ী), থানা- নাজিরপুর, জেলা-পিরোজপুর, ও গাড়ীর ভিতরে চালকের পাশের সিটে বসা আসামী (২) নুরুজ্জামান নুরু(৪৩), পিতা-হান্নান ফকির, মাতা-ছকিনা বেগম, সাং-বয়সা, থানা- গৌরনদী, জেলা-বরিশালকে আটক করেন। তথায় উপস্থিত সাক্ষীদের মোকাবেলায় আসামীদ্বয়ের বহনকৃত গাড়ীটি তল্লাশী করে গাড়ীর ভিতরে পিছনের সিটের উপর হতে একটি প্লাস্টিকের বস্তার ভিতরে রক্ষিত পলিথিন দ্বারা মোড়ানো ১৬টি পোটলা, প্রতি পোটলায় ০১ কেজি করে (১৬×১)=১৬ কেজি গাঁজা এবং অপর একটি প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর রক্ষিত ১০৫ বোতল ফেনসিডিল, পেয়ে উদ্ধার করেন এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিলভার রংয়ের প্রাইভেটকার গাড়ী যাহার রেজি-নং-ঢাকা মেট্রো-গ-১৭-৮৩৭৪, ২০/০৯/২৩ খ্রিঃ তারিখ ভোর ০৫:৫০ ঘটিকায় জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করেন। উল্লেখ্য, একই দিনে হালিম শেখ নামক এক মাদকব্যবসায়ীকে ৪ কেজি গাঁজা সহ আটক করা হয়েছে।
উক্ত ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় এজাহার দায়ের করলে সদর দক্ষিণ থানার মামলা নং-২২, তারিখ- ২০/০৯/২০২৩; ধারা- ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১৯(ক)/১৯(গ)/ ১৪(গ)/৩৮ রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলায় বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকালে আলাদা ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
উপজেলার কান্দিরপাড় ইউনিয়নের ইরুয়াইন এবং পৌরসভার রাজঘাট এলাকায় ঘটনা দুটি ঘটে।
দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন লাকসাম থানার ওসি মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন খান।
লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন খান জানান, সকালে ইরুয়াইনের নাগরাপাড়া ব্রিজ সংলগ্ন নিজের মুদি দোকানের পেছনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যান সামসুর রহমান (৩৫) নামের ব্যবসায়ী। তিনি প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ দিয়ে সংযোগ খোলার সময় সামসুর রহমান বিদ্যুতায়িত হন। পরে স্থানীয় লোকজন লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সামছুর রহমান কান্দিরপাড় ইউনিয়নের ছনগাঁও পশ্চিমপাড়ার প্রয়াত মফিজুর রহমানের ছেলে।
ওসি শাহাব উদ্দিন আরও জানান, সকালে ঘরের পাশে থাকা বৈদ্যুতিক মোটরে হাত দিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় রাজঘাটের মোহাম্মদ মাহি (৩)। বেশ কিছুক্ষণ পর তার বড় বোন সায়মা (৭) এসে স্পর্শ করলে সেও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। পরে সায়মার চিৎকারে ঘরের লোকজন ছুটে এসে মাহিকে স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান। মাহি রাজঘাট উত্তরপাড়ার ছাত্তার ভান্ডারীর বাড়ির সাইফুল ইসলামের ছেলে।
মন্তব্য করুন


মোঃ বিল্লাল হোসাইন, মুরাদনগর:
কুমিল্লা জেলার মুরাদনগরে গুনজর গ্রামে দাদীর জানাজা শেষে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় নাতির মৃত্যু হয়েছে। মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় আরও একজন আহত হয়। নিহত মো. সাকিবুল হাসান (২১) উপজেলার নবীপুর (পূর্ব) ইউনিয়নের গুঞ্জর সরু মিয়া হাজী বাড়ির মো. মৃদন মিয়ার ছেলে।
বুধবার (৬ ডিসেম্বর) রাত ১০ টায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের বাখরনগর ফুলমালা ব্রিকসের সামনে ভয়াবহ এ দূর্ঘটনাটি ঘটে।
উল্লেখ্য,সে দাদীর জানাজা পড়ার জন্য চট্রগ্রামের পতেংগা (তার কর্মস্থল) থেকে গতকালই এসেছিল।
এ বিষয়ে মিরপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো: মঞ্জুরুল আবছার বলেন, মোটরসাইকেল দূর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে একজনের মৃতদেহ ও আরেকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী হলেন আরমা দত্ত (কুমিল্লা)।
দ্বাদশ
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে নিজেদের মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে আওয়ামী
লীগ।
বুধবার
(ফেব্রুয়ারি ১৪) বিকেলে গণভবনে সংরক্ষিত নারী আসনের আওয়ামী লীগের ৪৮ প্রার্থীর নাম
ঘোষণা করেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তার আগে দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতি
শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনে দলের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে
নারী আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়।
দ্বাদশ
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কেনেন ১ হাজার ৫৪৯ জন।
সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী
লীগের মনোনীত প্রার্থীরা হলেন:
১.
রেজিয়া ইসলাম (পঞ্চগড়)
২.
দ্রোপদী দেবি আগরওয়াল (ঠাকুরগাঁও)
৩.
আশিকা সুলতানা (নীলফামারী)
৪.
রোকেয়া সুলতানা (জয়পুরহাট) - আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য সম্পাদক
৫.
কোহেরী কুদ্দুস মুক্তি (নাটোর)
৬.
জারা জেবিন মাহবুব (চাপাইনবাবগঞ্জ)
৭.
রুনু রেজা (খুলনা)
৮.
ফরিদা আক্তার বানু (বাগেরহাট)
৯.
ফারজানা সুমি (বরগুনা)
১০.
খালেদা বাহার বিউটি (ভোলা)
১১.
ফরিদা ইয়াসমিন (নরসিংদী)
১২.
উম্মে ফারজানা সাত্তার (ময়মনসিংহ)
১৩.
নাদিরা বিনতে আমির (নেত্রকোনা)
১৪.
মাহফুজা সুলতানা মলি (জয়পুরহাট)
১৫.
পারভীন জামান কল্পনা (ঝিনাইদহ) - আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য
১৬.
আরমা দত্ত (কুমিল্লা)
১৭.
লায়লা পারভীন (সাতক্ষীরা)
১৮.
মুন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা) - সদ্য সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী
১৯.
বেদৌড়া আহমেদ সালাম (গোপালগঞ্জ)
২০.
শবনম জাহান (ঢাকা)
২১.
পারুল আক্তার (ঢাকা)
২২.
সাবেরা বেগম (ঢাকা)
২৩.
শাম্মী আহমেদ (বরিশাল) - আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পাদক
২৪.
নাহিদ ইজহার খান (ঢাকা)
২৫.
ঝর্ণা আহসান (ফরিদপুর)
২৬.
ফজিলাতুন নেছা (মুন্সীগঞ্জ) - সদ্য সাবেক মহিলা ও শিশু প্রতিমন্ত্রী
২৭.
সাহেদা তারেক দিপ্তী (ঢাকা)
২৮.
অনিমা মুক্তি গোমেজ (ঢাকা)
২৯.
শেখ আনার কলি পুতুল (ঢাকা)
৩০.
মাসুদা সিদ্দিক রোজি (নরসিংদী)
৩১.
তারানা হালিম (টাঙ্গাইল) - আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য
৩২.
শামসুন নাহার (টাঙ্গাইল) - আওয়ামী লীগের শিক্ষা সম্পাদক
৩৩.
মেহের আফরোজ চুমকি (গাজীপুর) - নির্বাচনে পরাজিত
৩৪.
অপরাজিতা হক (টাঙ্গাইল)
৩৫.
হাসিনা বারী চৌধুরী (ঢাকা)
৩৬.নাজমা
আক্তার (গোপালগঞ্জ)
৩৭.
ফরিদুন্নাহার লাইলী (লক্ষ্মীপুর) - আওয়ামী লীগের কৃষি সম্পাদক
৩৮.
আশরাফুন নেছা (লক্ষ্মীপুর)
৩৯.
কানন আরা বেগম (নোয়াখালী)
৪০.
শামীমা হারুন লুবনা (চট্টগ্রাম)
৪১.
ফরিদা খানম (নোয়াখালী)
৪২.
দিলারা ইউসুফ (চট্টগ্রাম)
৪৩.
ডরথি তঞ্চঙ্গা (রাঙামাটি)
৪৪.
সানজিদা খানম (ঢাকা) - আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য, নির্বাচনে পরাজিত
৪৫. নাছিমা জামান ববি (রংপুর)
৪৬.
নাজনীন নাহার রোশা (পটুয়াখালী)
৪৭.
ওয়াসিকা আয়শা খান (চট্টগ্রাম) - আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক
৪৮.
রুমা চক্রবর্তী (সিলেট)
মন্তব্য করুন


অমর একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস
ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে জেলা আইনজীবী
সমিতি ভবনের দ্বিতীয় তলায় সকাল ১১টায় ক্যাটাগরিতে আইনজীবীদের সন্তানদের চিত্রাঙ্কন
প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন, কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেলাল উদ্দিন।
কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র
সহ-সভাপতি এডভোকেট মোঃ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে রিক্রিয়েশন, কালচারাল এন্ড সোশ্যাল
ওয়েলফেয়ার সেক্রেটারি এডভোকেট কাজী আবদুল কাইয়ুম মিন্টু'র সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম, জেলা আইনজীবী সমিতির
সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ আবু তাহের। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা
জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট কাজী নাজমুস সা'দাত, আসন্ন জেলা আইনজীবী
সমিতির নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী এডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান লিটন ও এডভোকেট মোঃ
কামরুল হায়াত খান, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া ও এডভোকেট
খন্দকার মোঃ মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন পদে পদপ্রার্থী আইনজীবীরা। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন,
কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দসহ আইনজীবীদের সন্তানসন্ততিরা।
চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা শেষে প্রতিযোগিতায়
অংশগ্রহণকারীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা
ও দায়রা জজ মোঃ হেলাল উদ্দিন এবং বিশেষ অতিথি জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম
ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ আবু তাহের প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মোঃ হেলাল উদ্দিন
বলেন- এধরনের অনুষ্ঠান দেখে সত্যি আমি অভিভূত। আমি আশাবাদী এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত
থাকবে। এরফলে আইনজীবীদের সন্তানদের সুন্দর মনমানসিকতা গড়ে ওঠবে।
এদিকে, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন
করতে প্রভাত ফেরিতে সামিল হলেন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির শতাধিক আইনজীবী। এরপর
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী
সমিতি ও বিজ্ঞ আইন কর্মকর্তারাসহ অন্যান্য আইনজীবীরা। এরআগে কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে
নির্মিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যূরালে ফুলেল শুভেচছা জানান কুমিল্লার
বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেলাল উদ্দিনসহ কুমিল্লা জজশীপ ও ম্যাজিস্ট্রেসির
অন্যান্য বিজ্ঞ বিচারক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং জেলা আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞ আইনজীবীগণ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। আজ বুধবার (২৮ মে) সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলীর নেতৃত্বে বেলুন উড়িয়ে এবং আনন্দ র্যালির মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কার্যক্রম শুরু হয়।
র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিশ^বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়ক ও ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে মুক্তমঞ্চে এসে শেষ হয়। র্যালি শেষে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়ানো হয়, পরে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাইকে নিয়ে কেক কাটেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী। কেক কাটার পর বেলা ১১.৩০ ঘটিকায় মুক্ত মঞ্চে এক আলোচনায় সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মাসুদা কামাল, মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ আবদুল হাকিম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এম এম শরীফুল করীম।
সবাইকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, 'আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা মিশন নিয়ে এসেছি। আমার মিশন হচ্ছে দুর্নীতিমুক্ত রেখে সুন্দর বিশ্ববিদ্যালয় গড়তে যা দরকার তা বাস্তবায়ন করা। আমি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে এমন একটা পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই যেখানে শিক্ষকদের মধ্যে দলাদলি থাকবে না, গবেষণা হবে তাদের প্রধান মাপকাঠি। এখন পর্যন্ত আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮৩জনের মধ্যে ১০১জন শিক্ষকের প্রোফাইল ব্ল্যাঙ্ক। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের কাজ শুধু পড়াশোনা করানো নয়। তাই আমরা সকলেই পড়ানোর পাশাপাশি গবেষণা করে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রথম শ্রেণির বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার অঙ্গিকার করি।'
উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মাসুদা কামাল বলেন, ‘আজকে এখানে প্রত্যেকেই স্মৃতিচারণ করছে, আমি স্মৃতিচারণের দিকে যাব না। আমি একজন প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক হিসেবে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। দীর্ঘদিন ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসনের পর এবারের আয়োজনটা একটু ভিন্ন হয়েছে। আজকে এই দিনটি দেখার জন্য আমাদের আব্দুল কাইয়ুমের জীবন গেছে এবং আরো অনেকই আহত হয়েছেন। এখন অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি হচ্ছে তারাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ। আমাদের অতিতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।'
ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, 'এবারের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আমাদের মনে বিশেষ এক অনুভূতি সৃষ্টি করেছে। এই অনুভূতির জন্য আমাদেরকে ১৮ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। আজকের এই দিনে আসতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্যের ত্যাগকে আমি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। সেই সাথে আমি প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মকর্তা, কর্মচারীদের ত্যাগকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আজকে আমরা এই পর্যায়ে আসতে পেরেছি। আজকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে আমাদের একটাই অঙ্গীকার হোক, আমরা সকলেই একে অপরের সহিত মিলেমিশে, কোনো বিভাজন না করে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যাব। মনে রাখবেন আপনার সন্তান যদি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য প্রথম চয়েস না রাখে তাহলে আমাদের পরিশ্রম বৃথা। তাই চলুন একসাথে কাজ করি, একসাথে এগিয়ে যাই।'
প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম বলেন, 'শুরুর দিক থেকে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে আছি। এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অনেক স্মৃতি রয়েছে। তবে গত ১৫-১৬ বছর তো আমরা অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলাম, সে ইতিহাস আর কী বলব। শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে আমাদের পক্ষে মাত্র চারটি ভোট পড়তো। সবাই আমাদের নিয়ে হাসাহাসি করতো, এমনকি পত্র-পত্রিকায়ও এটা নিয়ে লেখা হতো।'
অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরুর দিকের সময় নিয়ে স্মৃতিচারণ করে বলেন, 'কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস এক ঐতিহ্যের ইতিহাস। শুরুতে আমাদের কিছুই ছিল না, বিগত ১৯ বছরে আমাদের ইতিহাস হয়েছে, গৌরব হয়েছে। আমরা পনেরোজন শিক্ষক শুরু করেছিলাম, কারো পিএইচডি ডিগ্রি ছিল না। এখন প্রতিমাসে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা পিএইচডি ডিগ্রির জন্য আবেদন করছে। বিগত ১৫-১৬ বছরে আমরা অনেক অবহেলার শিকার হয়েছি। আজকের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে প্রতিজ্ঞা করতে চাই, ২৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে একটা নতুন মাইলফলক গড়তে চাই।'
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং বিভিন্ন হলের প্রভোস্টগণ সহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা চকবাজার এলাকায় সাধারণ পোলাও
এর চালকে "চাষী ভাই সুগন্ধি চিনিগুড়া চাল" ব্রান্ডের নামে প্যাকেটে
ভরে বিক্রি করা সময় ভোক্তা অধিদপ্তরের তদারকি টিমের হাতে ধরা পড়ল।
আজ (৩০মে) কুমিল্লার চকবাজার এলাকায়
অভিযানের সময় দেখা যায়, মেসার্স এস আর রাইছ এজেন্সি নামের একটি প্রতিষ্ঠান বাজার
থেকে কেনা মদিনাসহ অন্যান্য সাধারণ চিনিগুড়া চাল স্কয়ার কোম্পানির "চাষী"
ব্রান্ডের আদলে "চাষী ভাই" নামের প্যাকেটে নিজেরাই মোড়কীকরণ করে
বিক্রয় করছে। ভোক্তাদের সাথে এমন প্রতারণা করায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৬০ হাজার টাকা
জরিমানা করা হয়। এ সময় অনুমোদনহীন নকল মোড়ক জব্দ করা হয়। উক্ত প্রতিষ্ঠানটি এমন
কাজ আর করবেন না মর্মে লিখিত অঙ্গীকার করেন।
এছাড়াও কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে
আজ চকবাজার এলাকার বিভিন্ন মসলার বাজারও তদারকি করা হয়। নানা অনিয়মের অভিযোগে
মোট তিন প্রতিষ্ঠানকে ৬৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলাম।
অভিযান পরিচালনা করার সময় চকবাজার মার্চেন্ট
এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ এবং জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন