

কুমিল্লায়
১৭৬ কেজি গাঁজা ও
মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ১ টি ট্রাক
উদ্ধার করেছে চৌদ্দগ্রাম
থানা পুলিশ ।
রবিবার
(১৯/১১/২০২৩) রাত ২.৫৫
ঘটিকায় চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই (নিঃ) আব্দুল কুদ্দুস
ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য
উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল
ডিউটির সময় গোপন তথ্যের
ভিত্তিতে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ১৩নং জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের
সাতঘরিয়া সাকিনস্থ ঢাকা টু চট্টগ্রামগামী
মহাসড়ক সংলগ্ন মেসার্স ময়নামতি ফিলিং স্টেশনের সামনে চেকপোস্ট ডিউটি করাকালে ১ টি ট্রাক
গাড়ি থামানোর জন্য সংকেত দিলে
অজ্ঞাতনামা চালক ও তার
সহযোগী দুর থেকে পুলিশের
উপস্থিতি টের পায়ে ট্রাক
পেলে ২ জন দ্রুত
দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে অজ্ঞাতনামা
পলাতক আসামীদ্বয়ের ফেলে যাওয়া ট্রাকটি
তল্লাশী করে ১৭৬ কেজি
গাঁজা উদ্ধার করেন।
উক্ত
ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
ক্লুলেস শরীফ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, মূলহোতাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার এবং হত্যাকান্ডে
ব্যবহৃত মালামাল উদ্ধার করেছে বরুড়া থানা পুলিশ।
গত
২৭ মার্চ সকালে বরুড়া থানাধীন বরুড়া পৌরসভাস্থ শালুকিয়া এলাকায় শরীফ হোসেন(৩৫) এর মৃত
দেহ তার ঘরে মাটিতে পড়া অবস্থায় ছিলো।
মৃত
শরীফ হোসেন এর মা রৌশন আরা বেগম থানায় এজাহার দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করেন এসআই(নিঃ)
নাজিম উদ্দিন।
ভিকটিম
শরীফ হোসেন(৩৫) এর লাশ পাওয়ার পর হতে পুলিশ সুপার, কুমিল্লার সার্বিক দিক নির্দেশনায়
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এ,কে,এম এমরানুল হক মারুফ, সদর দক্ষিণ সার্কেল, কুমিল্লার
তত্ত্বাবধানে বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ, মোঃ রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী, এসআই(নিঃ) নাজিম
উদ্দিনসহ বরুড়া থানা পুলিশের একটি চৌকস টীম তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।
তবে
নিহতের পরিবার ও এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে হত্যাকান্ডের কোন যোগসূত্র পাওয়া যাচ্ছিল
না। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে হত্যাকান্ডে জড়িত ব্যক্তিদের
শনাক্তের জন্য বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জসহ টীম বরুড়া বারবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও
জিজ্ঞাসাবাদ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তদন্ত কার্যক্রমের একপর্যায়ে হত্যাকান্ডে জড়িত
আসামী ১। আরিফ হোসেন(২২), ২। মোঃ নাছির উদ্দিন(৪৩), ৩। মিসেস খুকী আক্তার(৩৫) কে গ্রেফতার
করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হত্যাকান্ডের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। ১নং আসামী মৃত
শরীফ হোসেন এর ছোট ভাই, ৩নং আসামী মৃত শরীফ হোসেনের বড় বোন এবং ২নং আসামী ৩নং আসামীর
স্বামী।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হত্যাকান্ডের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জানান, মৃত শরীফ হোসেন উচ্ছৃঙ্খল
জীবন যাপন করত। সে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত ছিল। এলাকার লোকজন তাকে
ভয় পেতো। মৃত শরীফ হোসেন তার মাকে প্রায় সময়ই গালিগালাজ ও মারধর করত। ছোট ভাই আরিফ
হোসেনের সাথেও তার ঝগড়াঝাটি ছিল। কিছুদিন আগে আরিফ হোসেন এর একটি অটোরিক্সা শরীফ হোসেন
জোরপূর্বক বিক্রি করে। ইহাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। তাছাড়া
মৃত শরীফ হোসেন এলাকার লোকজনের বিভিন্ন রকম ক্ষতি করায় ক্ষতিগ্রস্থ লোকজন তার বড় বোন
খুকি আক্তার এর নিকট বিচার প্রার্থী হলে বড় বোন শরীফ হোসেনকে শাসন করার জন্য বিভিন্ন
কথাবার্তা বলত। ফলে মৃত শরীফ হোসেন বোনকে শক্র মনে করত। এমনকি বোনকে বিভিন্ন রকম হুমকি
দিতো। মৃত শরীফ হোসেনের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে বড় বোন খুকি আক্তার, বোনের স্বামী মোঃ
নাছির উদ্দিন ও ছোট ভাই আরিফ হোসেন তাদের একজন প্রতিবেশীকে নিয়ে পরিকল্পনা করে যে,
শরীফ হোসেনকে মারপিট করে পঙ্গু করে ঘরে বসিয়ে খাওয়াইবে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আসামীগন
গত ২৬/০৩/২০২৪খ্রিঃ তারিখ দিবাগত রাত ১টায় ঘটিকার সময় বরুড়া থানাধীন বরুড়া পৌরসভাস্থ
শালুকিয়া সাকিনের শঙ্কু ডাক্তারের পুকুর পাড়ে নির্জনস্থানে শরীফ হোসেনকে একা পেয়ে আসামীদের
হাতে থাকা রড, দা ও টর্চ লাইট দিয়ে শরীফ হোসেনের মাথা, হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে
পিটিয়ে গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত ও ফুলা জখম করে। তারপর শরীফ হোসেনের হাত পা বেধে আসামী
নাছির উদ্দিনের বাড়ির উঠানে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর শরীফ হোসেনকে আবারও মারপিট
করে। তারপর শরীফ হোসেন দুর্বল হয়ে গেলে আসামীগন হাত পা বাঁধা অবস্থায় শরীফ হোসেনকে
তার ঘরে মাটিতে ফেলে আসে। সকালে আসামীরা জানতে পারে শরীফ হোসেন মারা গেছে। সংবাদ পেয়ে
আসামীরা শরীফ হোসেনকে দেখতে যায়।
হত্যাকান্ডে
আসামীদের ব্যবহৃত দা, রড, টর্চ লাইট উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ
জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামী ১।
আরিফ, ২। নাছির এর ১৬৪ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নাশকতা ঘটিয়ে ছাত্রজনতা হত্যা চেষ্টা সহ নাশকতা মামলার ০২ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ২০ অক্টোবর ২০২৪ ইং তারিখ সন্ধ্যায় র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন বড়পুকুরপাড় এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে কুমিল্লায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নাশকতা ঘটিয়ে ছাত্রজনতা হত্যা চেষ্টা সহ নাশকতা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামী ১। আদনান হায়দার (৪০) এবং ২। মোঃ দুলাল (৩৮) নামক ০২ জন নাশকতাকারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। আদনান হায়দার (৪০) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার সিন্দুরিয়া পাড়া গ্রামের আখলাক হায়দার এর ছেলে এবং ২। মোঃ দুলাল (৩৮) একই থানার পূর্বহুড়া গ্রামের মৃত আক্কাছ আলী এর ছেলে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে নাশকতা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৪/০৮/২০২৪ ইং তারিখ কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার অন্তর্গত নাজিরা বাজার এলাকায় ছাত্র আন্দোলনের ডাকে দিন ব্যাপী শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলছিল।
উক্ত কর্মসূচিকে প্রতিহত করার লক্ষ্যে ধৃত আসামী ১। আদনান হায়দার (৪০) ও ২। মোঃ দুলাল (৩৮) সহ তার অপরাপর সহযোগীরা তাদের হাতে থাকা ককটেল, রামদা, লোহার রোড সহ অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আন্দোলনকারী নিরীহ ছাত্র-জনতার উপর অতর্কিত হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং গুলি বর্ষণ করে। উক্ত ঘটনায় অনেক নিরীহ ছাত্র ককটেল, দেশীয় অস্ত্র ও গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। তৎপ্রেক্ষিতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানায় একটি হত্যা চেষ্টার মামলা দায়ের হয়, যার মামলা নং-০৭, তারিখ-০৭/০৯/২০২৪। মামলা দায়ের করার পর হতে র্যাব-১১, সিপিসি-২, এর আভিযানিক দল পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে ছায়া তদন্ত আরম্ভ করে। পরবর্তীতে র্যাব-১১ সিপিসি-২ এর চৌকস আভিযানিক দল গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে গত ২০ অক্টোবর ২০২৪ ইং তারিখ সন্ধ্যায় কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার বড় পুকুরপাড় এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। আদনান হায়দার (৪০) ও ২। মোঃ দুলাল (৩৮)’দ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ে
গ্রফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বুড়িচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ মামলায় অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় চৌদ্দগ্রাম থানা কর্তৃক আন্তঃজেলা সিএনজি চোরচক্রের সক্রিয়
০৩ সদস্য গ্রেফতার এবং চুরাইকৃত সিএনজি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গত ০৫/০৯/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ বিকালে মামলার বাদী দুলাল মিয়া (৫০), পিতা—লাতু
মিয়া, সাং—শালুকিয়া, থানা—চৌদ্দগ্রাম, জেলা—কুমিল্লা এর চালিত সিএনজি গাড়ী ভাড়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে
বের হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ০২নং উজিরপুর ইউপিস্থ মিয়াবাজার সাকিনে মিয়াবাজার সিএনজি
পাম্পের দক্ষিণ পূর্বে চাকার দোকানের সামনে সিএনজি গাড়ীটি নষ্ট হওয়ায় অবস্থান করে।
এখানে ইতিপূর্বে গ্রেফতার হওয়া বিবাদী কাউছারের মাধ্যমে তথ্য পেয়ে আন্তঃজেলা চোর
চক্রের সদস্যগণ অন্য একটি সিএনজি যোগে ঘটনাস্থলে চলে আসে। বিবাদী কাউছার অভিনব কায়দায়
ভাড়া ঠিক করে দেওয়ার কথা বলে বাদীর সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে এবং বাদীর মোবাইল নম্বর
নিয়ে চোর চক্রের সদস্যদেরকে দিয়ে দেয়। বিবাদী কাউছারের মধ্যস্থতায় সদর দক্ষিণ থানাধীন
সুয়াগাজী টু কুমিল্লা টাওয়ার হাসপাতালে বাদীকে ভাড়া ঠিক করে পাঠায়। সুয়াগাজী থেকে বিবাদীরা অভিনব কায়দায় তাদের একই চক্রের একজন
পুরুষ ও একজন মহিলা বাদীর চালিত সিএনজি গাড়ীতে উঠে। তারপর কুমিল্লা টাওয়ার হাসপাতালের
উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে বিকাল অনুমান ০৪.১৫ ঘটিকার সময় কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন টাওয়ার
হাসপাতালের পাশে রামঘাটলার পাড়ে পৌঁছায়। তখন চোর চক্রের একজন সদস্য বাদীকে আইসক্রিমের
মধ্যে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে বাদীকে অচেতন করে চোর চক্রের সদস্যরা সিএনজি গাড়িটি
চুরি করে নিয়ে যায়। বাদী অচেতন হয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন বাদীকে কুমিল্লা সরকারী
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। দুই দিন পর বাদীর জ্ঞান ফিরলে বাদীকে চৌদ্দগ্রাম
নিয়ে আসে। উক্ত ঘটনায় বাদীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-২৩,
তারিখ-১৩/০৯/২০২৩খ্রিঃ, ধারা- ৩২৮/৩৭৯/১০৯ পেনাল কোড রুজু করা হয়।
মামলা রুজু হওয়ার পর পরই গত-১৩/০৯/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ ঘটনার সাথে জড়িত
আসামী ০১। মোঃ কাউসার ড্রাইভার (২২), পিতা-এরশাদ মিয়া, মাতা-খোরশেদা বেগম, সাং-কমলপুর
(কাজলের বাড়ি), চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা, ০২। মোঃ আশিক
(৩০), পিতা-সেলিম, মাতা-শাহানারা, সাং-পিপুলিয়া (আজমত কেরানী বাড়ি), থানা-সদর দক্ষিণ,
জেলা-কুমিল্লাদ্বয়কে গ্রেফতার করে। উক্ত আসামীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চোর চক্রের সক্রিয়
সদস্য আমান প্রকাশ ইমন নামের একজনকে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গত ১৭/০৯/২০২৩খ্রিঃ
তারিখ রাত ১২.০৫ ঘটিকায় চোরাই সিএনজি গাড়ীটি বিক্রি করতে যাওয়ার সময় নোয়াখালী
জেলার সোনাইমুড়ী থানাধীন সোনাইমুড়ী পৌরসভা চৌরাস্তা সংলগ্ন সিএনজি ষ্টেশনের সামনে
পাকা রাস্তার উপর হতে গ্রেফতার পূর্বক সিএনজি গাড়ীটি উদ্ধার করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামী কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার অশোকতলা
এলাকায় ফিরোজ মিয়ার ভাড়া বাড়িতে বসবাসরত বাবুল মিয়ার ছেলে মোঃ আমির হোসেন প্রঃ
(ইমন) (৩৪) এর দেওয়া তথ্যমতে কুমিল্লা কোতয়ালী থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে,
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার নোয়াপাড়া এলাকার তারা মিয়ার বাড়ী মোঃ রিয়াজ
মিয়ার ছেলে মোঃ রাব্বি (২৪) এবং কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার আড়াইওড়া (উত্তর
পাড়া), ০৩ নং ওয়ার্ড ইছাপুর গ্রামের মোঃ হাবিব এর ছেলে মোঃ ফারুক (৩৬) কে গ্রেফতার
করা।
উক্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করলে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা
নং-২৩, তারিখ-১৩/০৯/২০২৩ খ্রিঃ ধারা-৩২৮/৩৭৯/১০৯ পেনাল কোড মূলে তদন্তেপ্রাপ্ত গ্রেফতারকৃত
আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে একটি হৃদয়বিদারক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ২৩ বীরের উদ্যোগ মুক্তিযোদ্ধা কর্পোরাল আবুল কাশেমের পরিবারের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছে। কর্পোরাল কাশেম, ১১ ইস্ট বেঙ্গলের গর্বিত সদস্য, সেক্টর-২-এর অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে অস্ত্র প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে বহু সেনা কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষিত করেন।
১৫ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের হামলায় কর্পোরাল কাশেমের নাতি, অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক ইয়াসিনের ছেলে ইফাত গুরুতর আহত হন। ঢাকায় অস্ত্রোপচারের পর তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। যদিও এখন তার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল।
দীর্ঘ তদন্তের পর, ঘটনার প্রায় তিন মাস পর ২০ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ রাতে
২৩ বীরের সফল অভিযানে হামলায় জড়িত তিন অপরাধী হলো-
লিটন, মারুফ ও জাহাঙ্গীর হোসেন কে আটক করে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে, মূল অভিযুক্ত মো. জাবেদ সামির এবং তার মামা এখনও গ্রেপ্তার হয়নি।
অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক ইয়াসিন, ৯ বীরের একজন সদস্য, তার পরিবারের ওপর এই আঘাতে বিচারের আবেদন জানান। ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি তার ছেলের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে কুমিল্লা সিএমএইচ কে নির্দেশনা দেন।
২৩ বীরের সাহসী পদক্ষেপ এবং তাদের সময়োচিত উদ্যোগ জাতির প্রতি সেনাবাহিনীর দায়িত্ববোধের উজ্জ্বল উদাহরণ। সেনাবাহিনীর এই তৎপরতা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের প্রতি জাতির ঋণ শোধের পথে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবীদ্বারে ব্যবসায়ী মুসা আলী হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত ০২ ঘাতককে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ তারিখ কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন নাজিরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ভিকটিম মোঃ মুসা আলী (৪০) খুন হয়। উক্ত ঘটনাটি জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমসমূহে প্রচারিত হলে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ভিকটিমের শ্বশুর বাড়ী কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানাধীন তুলাগাও এলাকায় হওয়ায় সে প্রায়ই উক্ত এলাকায় আসা-যাওয়া করতো। এরই সূত্র ধরে আসামীদের সাথে ভিকটিম মুসা আলী (৪০) এর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় ও অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে অপহরণপূর্বক ভিকটিমের স্ত্রীর নিকট ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের স্ত্রী দাবীকৃত ১০ লক্ষ টাকার পরিবর্তে বিকাশের মাধ্যমে ৩০,০০০/- টাকা আসামীদেরকে প্রদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে আসামীরা দাবীকৃত অর্থ না পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ভিকটিমের পায়ে, হাতে ও পিঠে ছুরি দিয়ে আঘাত করে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানাধীন পশ্চিম বাগুর এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন ভিকটিমকে উদ্ধার করে দেবীদ্বার থানাধীন মেডিনোভা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন এবং চিকিৎসক জানান যে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ভিকটিমের মৃত্যু হয়েছে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী রাজিয়া আক্তার (৩৮) বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের নিমিত্তে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা এর একটি আভিযানিক দল গত ০২/০২/২০২৪ ইং তারিখ রাতে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানাধীন বাসস্ট্যান্ড ও কোতয়ালী মডেল থানাধীন বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে হত্যাকারী মোঃ রফিকুল ইসলাম@ লিমন (৩০), পিতা-মোঃ আবুল হোসেন, সাং-রেইসকোর্স, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা এবং সবুজ সরকার (২৭), পিতা-মৃত আব্দুল আজিজ, সাং-বাগুর, থানা-দেবীদ্বার, জেলা-কুমিল্লা’দ্বয়কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় মাদকবিরোধী অভিযানে এক আসামিসহ বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধারকৃত ইয়াবার পরিমাণ ৪০ হাজার পিস বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৩ মে ২০২৬) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ লক্ষিপুর বিওপির একটি টহলদল মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালে সীমান্তের শূন্য লাইন থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সদর দক্ষিণ উপজেলার দূর্লভপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. আবু সাঈদ (২৪) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
আটক আবু সাঈদ সদর দক্ষিণ উপজেলার দক্ষিণ সূর্যনগর গ্রামের মৃত আবুল কালামের ছেলে।
বিজিবি জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধারকৃত ইয়াবাসহ তাকে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদক নির্মূলে বিজিবির এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
২০ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
গতকাল
(২ ডিসেম্বর) কোতয়ালী মডেল থানাধীন কান্দিরপাড় পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই (নিঃ) মফিজুল
ইসলাম খান ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন রাজমঙ্গলপুর পশ্চিম মধ্যপাড়ায়
২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সোহেল মিয়া
কে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামি হলো: মোঃ সোহেল মিয়া(২৩), পিতা-মোঃ জামাল ভূইয়া,
মাতা-মৃত-আমেনা বেগম ,স্থায়ী: গ্রাম- রাজমঙ্গলপুর (পোঃ-বিবির বাজার) , উপজেলা/থানা-
কুমিল্লা কোতয়ালী, জেলা –কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত
আসামী মোঃ সোহেল মিয়া এর বিরুদ্ধে পূর্বের ১টি মাদক মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে
।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন-১০ বিজিবির অভিযানে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী
দুই ভারতীয় নাগরিককে মাদকসহ আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২ নভেম্বর) কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির শাহাপুর
পোস্ট এর বিশেষ টহলদল এ অভিযান পরিচালনা করে শাহাপুর সীমান্ত পিলার ২০৮৪/৭-এস থেকে
২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ৪টি বিয়ার ক্যানসহ অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী ২ জন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন: ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সোনামুরা
থানার শুভাপুর গ্রামের মৃত দেলোয়ারের ছেলে
মো. রনি (২১) এবং একই এলাকার মৃত আইয়ূব আলীর ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন (১৮)। আটককৃতদের কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের কাছে
হস্তান্তর করা হয়েছে।
রবিবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে গণমাধ্যমকে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন-১০ বিজিবি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান, লেখক ও গবেষক অধ্যাপক শান্তিরঞ্জন ভৌমিক, বাংলাদেশ বেসরকারি গণগ্রন্থগার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মোঃ ইমাম হোসাইন, শ্রীকাইল সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যাপক শ্যামা প্রসাদ ভট্টাচার্য, জেলা সরকারী গ্রন্থাগারের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মোঃ নাফিস সাদিক শিশির, বাংলাদেশ গণগ্রন্থগার সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি মোঃ এনায়েত উল্লাহসহ অন্যান্যরা।
আজ রোববার সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা সরকারি গ্রন্থাগার এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
চট্টগ্রাম
বিভাগীয় কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠলো কুমিল্লা জেলা দল। ১১ মে
ফাইনালে কক্সবাজার জেলা দলের সাথে মুখোমুখি হবে কুমিল্লা।
আজ
সোমবার বিকেলে ভাষা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ
জোন ফাইনালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে ১-০ গোলে হারায় কুমিল্লা। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ
জোন ফাইনালে প্রথমার্ধের খেলা গোল শূন্য ড্র ছিলো। পরে খেলার ৭৫ মিনিটে স্বাগতিক দলের
পক্ষে মোহাম্মদ মামুন জয়সূচক গোলটি করেন। খেলায় প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ বিবেচিত হন গোলদাতা
মামুন। তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ
বড়ুয়া।
উল্লেখ্য
বিভাগের ১১ জেলা দল নিয়ে দুটি জোনে ভাগ হয়ে ২৪ এপ্রিল টুর্নামেন্টটি শুরু হয়। ১১ মে
কক্সবাজার জেলা স্টেডিয়ামে রাঙ্গামাটি জোন চ্যাম্পিয়ন কক্সবাজার জেলা দলের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
পূর্ণ ফাইনালে মুখোমুখি হবে কুমিল্লা।
মন্তব্য করুন