

কুমিল্লায়
২০ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানার চকবাজার পুলিশ
ফাঁড়ি।
রবিবার
সন্ধ্যায় কোতয়ালী মডেল থানার চকবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই (নিঃ) সাইফুল ইসলাম
এবং সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি করাকালে
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৬নং জগন্নাথপুর ইউপিস্থ গাজিপুর
সাকিনের গিয়াস উদ্দিনের ভাড়াটিয়া শাহানাজ শাহারার বসত ঘরের ভিতর তল্লাশী করে ২০ কেজি
গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রিমনকে গ্রেফতার করা হয়। অপর আসামী শাহানাজ প্রকাশ সাহারা
পলাতক রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: মোঃ রিমন(২৯), পিতা-আনোয়ার হোসেন, গ্রাম- দৌলতপুর
(ফকির বাড়ী) , উপজেলা/থানা- কুমিল্লা কোতয়ালী, জেলা -কুমিল্লা । অপর এক অভিযুক্ত আসামী
শাহানাজ প্রকাশ সাহারা(৪২), পিতা-মোঃ আরব আলী, স্বামী/স্ত্রীমোঃ শহিদুল্লা, গ্রাম-
গাজীপুর, থানা- কুমিল্লা কোতয়ালী, জেলা –কুমিল্লা।
এই
সংক্রান্তে উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ,এফআইআর নং-৯৩, তারিখ-
২৫/০৯/২০২৩; ধারা-৩৬(১) সারণির ১৯(গ)/৪১ মাদকদ্রব্য
নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ তে মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল , কুমিল্লা:
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং অপরাধ প্রতিরোধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনায় আজ মোবাইল
কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার
(ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা। তাকে সহায়তা করেন চৌদ্দগ্রাম
থানা পুলিশের একটি টিম।
মোবাইল কোর্টের আওতায় মিয়া বাজার এলাকার
চারটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- গ্রামীণ রেস্তোরাঁ এন্ড সুইটস,
ঈশিতা সুইটস এন্ড কনফেকশনারি, আফতাব সুইটস এন্ড কনফেকশনারি এবং হীরা সুইটস এন্ড কনফেকশনারি।
অভিযানে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিএসটিআই লাইসেন্স,
সঠিক ওজন-পরিমাপ, মূল্য তালিকা এবং খাদ্যসামগ্রীর গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ
উল্লেখ রয়েছে কিনা তা যাচাই করা হয়।
এ সময় দেখা যায়, তিনটি প্রতিষ্ঠানে
(গ্রামীণ, ঈশিতা ও হীরা সুইটস) বিএসটিআই লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও মিষ্টি ও দই জাতীয়
খাদ্যপণ্য প্রস্তুত ও বিক্রি করা হচ্ছে।
আফতাব সুইটসে টোস্ট ও ব্রেডের জন্য
বিএসটিআই অনুমোদন থাকলেও মিষ্টিজাত পণ্যের জন্য কোনো লাইসেন্স নেই।
কোনো প্রতিষ্ঠানেই ওজন-পরিমাপ যন্ত্রের
ক্যালিব্রেশন সার্টিফিকেট নেই। মিষ্টিজাত দ্রব্যসামগ্রীর মোড়কে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের
তারিখ অনুপস্থিত।
উল্লেখিত অপরাধসমূহের প্রেক্ষিতে মোবাইল
কোর্ট আইন, ২০০৯ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী অভিযুক্ত চারটি প্রতিষ্ঠানকে
মোট ২৮,০০০ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে তা আদায় করা হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে
এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ
(৩ মার্চ) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন আমানগন্ডা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে
মোঃ আরমান (২০) এবং মোঃ রাজীব (১৯) নামক ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময়
আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী মোঃ আরমান (২০) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার আমানগন্ডা গ্রামের আশাদুল এর
ছেলে এবং মোঃ রাজীব (১৯) একই গ্রামের আব্দুল মমিন এর ছেলে।
র্যাব
জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ
করে ঢাকা, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে
বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান
পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত
থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
কুমিল্লার
মুরাদনগরে এসএসসি পরীক্ষায় নকল সরবরাহ করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে রাহাত (১৯) ও সুজন
মৃধা (২১) নামের দুই যুবককে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
রবিবার
(৪ মে) দুপুরে উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন বেগম সুফিয়া শওকত কলেজ কেন্দ্রে ভ্রাম্যমাণ
আদালতের মাধ্যমে এ শাস্তি দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট
সাকিব হাছান খান।
দণ্ডপ্রাপ্ত
রাহাত উপজেলার রঘুরামপুর গ্রামের মো. শাহিন মিয়ার ছেলে এবং সুজন মৃধা একই গ্রামের মো.
মতিউর রহমানের ছেলে।
পাবলিক
পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইন-১৯৬০ অনুযায়ী তাদের প্রত্যেককে ২০০ টাকা করে মোট ৪০০ টাকা
অর্থদণ্ড এবং ৭ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। পরে বিকেলে পুলিশি নিরাপত্তায়
তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়।
ঘটনার
বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাছান খান জানান, “পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে
বহিরাগত দুই যুবক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে নকল সরবরাহ করছিল। ঘটনাস্থলেই তাদের আটক করে
ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”
তিনি
আরও বলেন, “পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্টকারী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এই ধরনের অপরাধ
প্রতিরোধে আমরা সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে আছি।”
স্থানীয়
প্রশাসনের এমন পদক্ষেপে সচেতন মহল সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং পরীক্ষার সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর
নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাপ্তানবাজার এলাকা হতে ১৬ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ২৯ নভেম্বর বুধবার বিকালে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাপ্তানবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ১৬ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানার দেউষ গ্রামের মোঃ রওশন আলী এর ছেলে মোঃ বাদরুদ্দোজা (৫০)।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ ৬ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।
গতকাল (৩ এপ্রিল) সকালে চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) মোঃ মশিউর আলম ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাস্থ উপ-কর কমিশনারের কার্যালয় এর সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনে কমলপুর রাস্তা থেকে ৫০ কেজি গাঁজাসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো: ১।
হায়দার আহম্মেদ উৎসব প্রকাশ উৎসব শিকদার (৩০), পিতা- মৃত মাসুদ পারভেজ, সাং- নতুন বাজার, গাবতলী (মাজদাইর গোরস্থান সংলগ্ন
তুহিন মিয়ার ভাড়াটিয়া) থানা- ফতুল্লা, জেলা-নারায়নগঞ্জ।
২। মোঃ রাকিব হাসান প্রকাশ রকি(৩৫), পিতা- মৃত হায়দার আলী প্রকাশ হাসান আলী, স্থায়ী ঠিকানা:- সাং- বাহার পাড়া, রহিম মিয়ার বাড়ি, থানা- টঙ্গীবাড়ী, জেলা- মুন্সিগঞ্জ, বর্তমান সাং—ইসদাইর (কাপুড়িয়া পট্টি গাবতলী, উকিল টিটন মিয়ার ভাড়াটিয়া) থানা- ফতুল্লা, জেলা-নারায়নগঞ্জ।
৩।
মাহফুজুর রহমান প্রকাশ মুন্না (৩০), পিতা- আলমাছ ঢালী, সাং- পশ্চিম ইসদাইর, গাবতলী (দোহার ভিলা), থানা- ফতুল্লা, জেলা- নারায়নগঞ্জ।
৪। সুফিয়ান হোসেন সজল(২৪), পিতা- আবুল খায়ের, সাং- করপাড়া (হাজী বাড়ী), থানা- রামগঞ্জ, জেলা- লক্ষীপুর, বর্তমান সাং- ই ব্লক, ০৫নং লাইন, ৪৪নং বিসমিল্লা হাউজ, মিরপুর, থানা- শাহআলী, ডিএমপি, ঢাকা।
৫। মোঃ ইব্রাহিম(২৬), পিতা- আব্দুল বাসেত মন্ডল, সাং- নোয়াপাড়া, থানা- ইসলামপুর, জেলা- জামালপুর, বর্তমান সাং- উত্তর মাসদাহর (গাবতলী), থানা- ফতুল্লা, জেলা- নারায়নগঞ্জ।
৬।
রবিউল আলম পিয়াস(২৬), পিতা- মৃত শিহাবুল আলম মিলন, সাং- কমলপুর, থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা।
গ্রেফতারকৃত
আসামীদের বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায়
এজাহার দায়ের করা হয়।
উল্লেখ্য,
গ্রেফতারকৃত ১নং আসামী মোঃ রাকিব হাসান প্রকাশ রকি (৩৫) এর বিরুদ্ধে পূর্বের
৫ টি মাদক মামলা
ও ০১ টি অন্যান্য
ধারায় মামলা।
২নং
আসামী হায়দার আহম্মেদ উৎসব প্রকাশ উৎসব শিকদার এর বিরুদ্ধে পূর্বের
৪ টি মাদক মামলা
ও ১ টি অন্যান্য
ধারায় মামলা।
৩নং আসামী মাহফুজুর রহমান প্রকাশ মুন্না (৩০) এর বিরুদ্ধে পূর্বের ১ টি মাদক মামলা ও ১ টি গনধর্ষন মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এর নির্দেশনায় কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের
উদ্যোগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নির্ধারিত নিত্যপণ্যের (আলু, পেঁয়াজ, ডিম) মূল্য
বাস্তবায়নে কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জ বাজার এলাকায় বিশেষ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা
করা হয়েছে। এ সময় ক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করা, দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন
না করা ও মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ভোক্তাকে প্রতারিত করার মতো ভোক্তা অধিকার বিরোধী
নানা কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং
অন্যদের সতর্ক করা হয়। আজ সকালে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার
সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ তদারকি অভিযানে স্যানিটারি
ইন্সপেক্টর একে আজাদ, বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং জেলা পুলিশের একটি
টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
২৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও ২০ ক্যান বিয়ারসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।
চৌদ্দগ্রাম
থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) লিটন চাকমা, সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকায়
মাদকদ্রব্য উদ্ধার ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১২ সেপ্টেম্বর বিকেলে চৌদ্দগ্রাম
থানাধীন ৩ নং কালিকাপুর ইউপিস্থ ২ নং বদরপুর সাকিনে বদরপুর কবরস্থানের পাশে পাকা রাস্তার
উপর হতে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও মোঃ হোসেন আলীকে ২৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও ২০ ক্যান বিয়ারসহ
গ্রেফতার করেন।
ঐ
সময় গ্রেফতারকৃত আসামীদের সংগীয় আসামী ৩। ছালে
আহাম্মদ মনির (৩৩), ৪। মোঃ জামাল (৪২), ৫। মোঃ ফয়সাল উদ্দিন (২৪) দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো: ১। মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রকাশ লতা জাহাঙ্গীর (৪৫), পিতা-মৃত রঙ্গু মিয়া,
সাং-পশ্চিম দূর্গাপুর, পোঃ পাতড্ডা বাজার, থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা,২। মোঃ
হোসেন আলী (৩২), পিতা-সেলু মিয়া, মাতা-ছালেমা বেগম, সাং-সোনাপুর, পোঃ ছপুয়া মাদ্রাসা,
থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করলে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-২১, তারিখ-১৩/০৯/২০২৩,
ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণি ১৪(গ)/২৪(খ)/৪১ রুজু করা হয়।
জানা
যায়, গ্রেফতারকৃত ১নং আসামী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রকাশ লতা জাহাঙ্গীর (৪৫) এর বিরুদ্ধে পূর্বের ৮টি মাদক মামলা ও ২নং
আসামী মোঃ হোসেন(৩২) এর বিরুদ্ধে পূর্বের ১টি মাদক মামলা এবং পলাতক আসামী ৩। ছালে আহাম্মদ
মনির (৩৩) এর বিরুদ্ধে ২টি মাদক মামলা, ৪। মোঃ ফয়সাল উদ্দিন (২৪) এর বিরুদ্ধে ১টি
মাদক মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু :
জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা কর্তৃক ৫২ কেজি গাঁজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
গত (১০ ফেব্রুয়ারি) শনিবার জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটি টিম কুমিল্লা জেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা চান্দিনা থানাধীন কাশিপুর সাকিনস্থ পশ্চিম পাড়া মোঃ খলিল এর বসত ঘর হতে ৫২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রনি(২৪) কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত রনি কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার কাশিমপুর পশ্চিম পাড়া খলিলের বাড়ী মাধাইয়া ইউপির মোঃ খলিল এর ছেলে।
উক্ত ঘটনায় চান্দিনা থানায় এজাহার দায়ের করলে চান্দিনা থানার মামলা নং-০৮, তারিখ- ১০/০২/২০২৪খ্রিঃ, ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬(১) এর টেবিল ১৯(গ) রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন নোয়াগাও চৌমুহনী ও পদুয়ার বাজার এলাকা হতে ০৫ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ৩১ মে ২০২৪ ইং তারিখ বিকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন নোয়াগাও চৌমুহনী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ শরীফ হোসেন (২৫), ২। মোঃ শহীদুল ইসলাম (২৬) এবং ৩। মোঃ শিপন মিয়া (২০) নামক ০৩ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদের হেফাজত হতে চাঁদাবাজির ৬,১৬০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গত ৩১ মে ২০২৪ ইং তারিখ বিকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ নাসির উদ্দিন (৪০) ও ২। মোঃ আব্দুল রহিম (৩৮) নামক ০২ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদের হেফাজত হতে চাঁদাবাজির ৩,১৬০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ শরীফ হোসেন (২৫) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার দৌলতপুর গ্রামের মোঃ নাসির উদ্দিন এর ছেলে, ২। মোঃ শহীদুল ইসলাম (২৬) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার বাগমারা গ্রামের মৃত জহির মিয়া এর ছেলে, ৩। মোঃ শিপন মিয়া (২০) কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানার লক্ষীপুর গ্রামের মোঃ খায়ের মিয়া এর ছেলে, ৪। মোঃ নাসির উদ্দিন (৪০) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত দুলা মিয়া এর ছেলে এবং ৫। মোঃ আব্দুল রহিম (৩৮) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার দুতিয়াপুর গ্রামের মৃত ইব্রাহিম এর ছেলে।
আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা সকলেই চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানা ও এর আশ-পাশের বিভিন্ন রাস্তায় অটো, সিএনজি ইত্যাদি পরিবহনের ড্রাইভার ও হেলপারদের নিকট হতে ক্ষয়ক্ষতি ও গুরুতর আঘাতের ভয়ভীতি দেখিয়ে বলপূর্বক টাকা গ্রহণ করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক না পেয়ে
দুই সন্তানের জননী নূরজাহান বেগম (৩০) নামের এক গৃহবধূর স্পর্শকাতর অঙ্গসহ শরীরের বিভিন্ন
জায়গায় গরম খুন্তির ছ্যাঁকা দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ীর লোকজন।
বুধবার (১৯ জুন) ভোরে জেলার আদর্শ সদর
উপজেলার শীমপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে নূরজাহান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের
বার্ণ ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন।
ঘটনার পর বুধবার বিকেলে স্বামী খোরশেদ
আলম (৪৫) ও তার পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগীর
বাবা জয়নাল আবেদীন।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ প্রধান আসামি
ভুক্তভোগী গৃহবধূর ভাশুর ও তার স্ত্রী এবং আরেক জা–কে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে।
অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, যৌতুকের
টাকা না পেয়ে ভোর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামী ও শ্বশুরবাড়ীর লোকজন মিলে মারধর করে দড়ি
দিয়ে বেঁধে রাখেন নূরজাহানকে। একপর্যায়ে গরম খুন্তি দিয়ে গোপনাঙ্গ ও শরীরের বিভিন্ন
অঙ্গ পুড়িয়ে দেয় তারা। সকালে গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
নিয়ে যায়।
নূরজাহানের বাবা জয়নাল আবেদীন বলেন,
শ্বশুরবাড়ীর লোকজন যৌতুকের জন্য দীর্ঘদিন ধরে আমার মেয়েকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। আমি
এর আগে কয়েকবার তাদের সাথে বসে বিষয়টি সমাধান করি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আনোয়ার
হোসেন বলেন, তিন আসামিকে একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। অপর আসামিদের ধরতে
অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী নারীর ৯ বছর বয়সী এক শিশুকন্যা ও ১২ বছরের একটি
ছেলে রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)
মো: কামরান হোসেন বলেন, হাসপাতালে গিয়ে শারীরিক নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর বক্তব্য রেকর্ড
করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তার স্বামীসহ ৬ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ৩ জনকে পুলিশ
আটক করেছে। বাকিদেরও আটকের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন