

ডেস্ক রিপোর্টঃ
কক্সবাজারের পেকুয়ায় আসছেন জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক মিজানুর রহমান আজহারী। তার আসার খবরে মাহফিল শুরু হওয়ার আগেই মানুষের ঢল নেমেছে।
পেকুয়ায় মরহুম মাওলানা শহিদ উল্লাহ স্মৃতি সংসদ ও সমাজ উন্নয়ন পরিষদের যৌথ উদ্যোগে এ মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে আলোচনা করার কথা রয়েছে তার।
আয়োজক কমিটি ও প্রশাসন তাফসির ময়দানস্থলে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
মিজানুর রহমান আজহারী আজ শুক্রবার রাত ৮টার দিকে হেলিকপ্টারে চড়ে পেকুয়া আসার কথা রয়েছে এবং তিনি রাত ১০টায় আলোচনা করবেন।
পেকুয়া সমাজ উন্নয়ন পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা নিয়ামত উল্লাহ নিজামী বলেন, ‘আজহারী হুজুরসহ জনপ্রিয় ইসলামী আলোচকদের আগমনে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ঢল নেমেছে। মানুষ সামাল দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে যৌথ বাহিনী আমাদের সহযোগিতা করছে। আজহারী হুজুর রাত ১০টায় আলোচনা করবেন।’
মাহফিলে আসা কয়েকজন যুবক বলেন, হুজুরকে দেখতে এসেছি। এত পরিমাণ মানুষ হয়েছে যে প্যান্ডেলে পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিরাজুল মোস্তফা বলেন, বৃহত্তর ঐতিহাসিক তাফসির মাহফিল ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এরই মধ্যে চকরিয়া-পেকুয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো.রাকিব-উর রাজা মাহফিলের স্থান পরিদর্শন করেছেন। আমাদের ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
নরসিংদীর শিবপুরে ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশার চালকসহ ৬ জন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে মনোহরদী-শিবপুর আঞ্চলিক সড়কের শিবপুর পচাঁরবাড়ির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।
নিহতদের মধ্যে অটোরিকশাচালক ছাড়া কারো পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। নিহত অটোরিকশাচালকের নাম শাহীন মিয়া (৩০)। তার বাড়ি উপজেলার চক্রধা ইউনিয়নের সাতপারা এলাকায়।
শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসেন বলেন, ‘ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশার চালকসহ ৬ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২ জন নারী রয়েছেন। আমরা এখন ঘটনাস্থলে আছি। নিহতদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।’
মন্তব্য করুন


টেকনাফে সীমান্তে আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে মোহাম্মদ হানিফ নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি আহত হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তে এই ঘটনা ঘটে। তিনি স্থানীয় লম্বাবিল এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রোববার (১১ জানুয়ারি) মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি গুলি করতে করতে বাংলাদেশের অংশে ঢুকে পড়েছিল। ফেরত যাওয়ার সময় তারা মাইন পুঁতে রেখেছিলো বাংলাদেশের অংশে। পরে সোমবার সকালে নিজের চিংড়িঘের দেখতে গেলে সেখানে মাইন বিস্ফোরণে ডান পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় হানিফের। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে পাঠায়।
এদিকে রোববার আরাকান আর্মির গুলিতে শিশু হুজাইফা গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় সোমবার সকালে মানববন্ধন করেছে স্থানীয়রা। হোয়াইক্যংয়ের তেচ্ছিব্রিজ এলাকায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেয় স্থানীয়রা। এ সময় তারা বিজিবির গাফলতির কথা তুলে ধরে সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান। গুলিবিদ্ধ হুজাইফা বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে রয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে ইলিশ শিকারের দায়ে ১৪ জেলেকে ৬ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ১ জেলেকে ২ হাজার টাকা জরিমানা ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় ৭ কিশোর জেলেকে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান সরকার।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আমির হোসেন গাজী, হারুন ঢালী, মো. জাহাঙ্গীর, রিয়াদ রাঢ়ি, রমজান ব্যাপারী,হৃদয় মোল্লা, রিপন খান, মো. ফয়সাল, জনি ব্যাপারী, আল-আমীন মোল্লা, বাদশা হাওলাদার. কিরন খান, ওমর ফাটল রাঢ়ি ও নাজমুল হাসান। ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় মো. ইব্রাহিমকে। আর মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া অপ্রাপ্ত কিশোর জেলেরা হলেন মো. সোহেল, মো. হাবীব, শামীম, কাজল, পারভেজ, ওমর ও মো. হাসিব। আটক এসব জেলেদের বাড়ি শহরের টিলাবাড়ি, বহরিয়া ও গোবিন্দিয়া গ্রামে।
সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্স সোমবার (২৮ অক্টোবর) রাত ৮টা থেকে মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা পর্যন্ত অভয়াশ্রম এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ২২ জেলেকে ইলিশ ধরা অবস্থায় হাতেনাতে আটক, ১০ হাজার মিটার কারেন্টজাল ও ৩ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়। জব্দ কারেন্টজাল কোস্টগার্ড চাঁদপুর ষ্টেশনে আগুনে পুড়িয়ে নষ্ট করা হয় এবং ইলিশ মাছ দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার তিতাসে যৌথবাহিনীর পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমানে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। জড়িত অভিযোগে একজনকে আটক করেছেন। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
যৌথবাহিনী সূত্রে জানাযায়, উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের মোহনপুর ফেরিঘাট সংলগ্ন ব্রিজের পাশে অস্ত্রের একটি চালান হাতবদলের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী অভিযান চালায়। অস্ত্র বহনকারীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যায়।
অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে ৫টি ইস্টেনগান, থানায় ব্যবহৃত ৪টি লোডার/কার্তুজ, ৩টি তাজা পিস্তলের অ্যামুনিশন, ৮টি পিস্তলের খালি অ্যামুনিশন এবং ১টি পিস্তলের ফায়ারিং পিন উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের চালানটি মেঘনা নদীপথ হয়ে তিতাস নদীতে প্রবেশ করেছে বলে ধারণা পুলিশের ।
একই রাতে দাউদকান্দি আর্মি ক্যাম্পের একটি দল তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের মানিককান্দি গ্রামে অভিযান চালিয়ে এসহাক মোল্লা জুয়েল একজনকে আটক করেছেন। জুয়েল ভিটিকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু মোল্লার ছেলে।
অভিযানকালে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, দুই রাউন্ড গুলি, একটি চাপাতি, পাঁচটি দেশীয় অস্ত্র (চাকু), তিনটি লোহার পাইপ, ছয়টি পাসপোর্ট, নগদ ২০ হাজার টাকা এবং একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সাবেক যুবলীগ নেতা জুয়েল মোল্লা ২৪ এর ৫আগষ্টের পর গা- ঢাকা দিয়েছিলেন। পরে স্থানীয় বিএনপিতে যোগদানের মাধ্যমে এলাকায় বিচরণ শুরু করেন। তার নামে এলাকায় অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও মারামারিসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।
তিতাস থানার ওসি মোঃ আরিফ হোসাইন দেশ রূপান্তরকে বলেন, যৌথবাহিনীর অভিযানে মজিদপুর ইউনিয়নের পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র উদ্ধার এবং ভিটিকান্দি ইউনিয়নের মানিককান্দি গ্রাম থেকে বিদেশী অস্ত্রসহ এসহাক মোল্লা জুয়েল নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। আর অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মাত্র ৯ টাকার একটি ওষুধ ৮০ টাকায় বিক্রির অভিযোগে কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জ বাজারে অবস্থিত ‘সাহ মেডিকেল হল’কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। রবিবার (১৩ জুলাই) সকালে পরিচালিত অভিযানে একাধিক অনিয়ম উদ্ঘাটিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে এ জরিমানা আরোপ করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া। তিনি বলেন, “সাহা মেডিকেল হলের বিক্রয়কর্মীরা নির্ধারিত খুচরা মূল্য (MRP) অমান্য করে অতিরিক্ত দামে ওষুধ বিক্রি করছিলেন। এটি সম্পূর্ণভাবে ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণা এবং আইন লঙ্ঘনের শামিল। এ ধরনের অপকর্ম কখনোই বরদাশত করা হবে না।”
অভিযান সূত্রে জানা যায়, ৯ টাকা মূল্যের একটি ওষুধের প্যাকেট একজন রোগীর কাছে ৮০ টাকায় বিক্রি করা হয়। এর বাইরে আরও কিছু ওষুধের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত দাম নেওয়ার প্রমাণ মেলে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির স্টোর পরিচালনায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, মূল্যতালিকা এবং ভোক্তার অভিযোগ জানাবার সুবিধাজনক ব্যবস্থার অভাব পাওয়া যায়।
মো. কাউছার মিয়া আরও জানান, “জনস্বার্থে এবং রোগীদের অধিকার রক্ষায় আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভোক্তার অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা নিয়মিত বাজার তদারক করে যাচ্ছি। যারা আইন মানছে না, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযানে সহায়তা করেন কুমিল্লা জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. আবুল কালাম আজাদ, অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম।
এই ঘটনার পর ভোক্তাসাধারণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই এমন কঠোর পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। স্থানীয় এক ক্রেতা বলেন, “আমরা তো গরীব মানুষ, ওষুধই যখন এভাবে দাম বাড়িয়ে দেয়, তখন কোথায় যাব? এই রকম নিয়মিত অভিযান দরকার।”
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের ওষুধখাতের স্বচ্ছতা এবং ভোক্তা সুরক্ষার জন্য নিয়মিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যাতে প্রতারিত না হয়, সে বিষয়ে সরকারকে আরও কঠোর হতে হবে।
প্রসঙ্গত, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী, কোনো পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে নির্ধারিত দামের অতিরিক্ত অর্থ আদায় করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও একাধিক মামলার আসামি মো. শামীম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুড়িচং থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে উপজেলার সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি রাত ১১টার দিকে নিশ্চিত করেছেন বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল হক।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলা, স্থানীয় এক সাংবাদিকের ওপর হামলা, চাঁদাবাজি এবং মাদক মামলাসহ একাধিক অভিযোগে বিভিন্ন মামলায় আসামি ছিলেন মো. শামীম।
পুলিশের দাবি, শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর ছাত্রলীগের অনেক নেতা কর্মী আত্মগোপনে চলে যান। সে সময় শামীমও আত্মগোপনে থাকলেও কিছুদিন পরে সাংবাদিক পরিচয়ে এলাকায় ফিরে এসে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরে তথ্যানুসন্ধানের নামে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি এই সুযোগে এলাকায় নাশকতা, আতঙ্ক সৃষ্টি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করতেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত শামীম বুড়িচং সদরের সর্দার বাড়ির মো. আমির হোসেনের ছেলে এবং দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এ বিষয়ে বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিজুল হক বলেন, “মো. শামীম নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান, তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।”
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীর ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী জাফরিন হক অনন্যা নগরীর ৭ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন দূর্গাপূজা মন্ডপ পরিদর্শন করে মন্ডপে দায়িত্বরতদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
মঙ্গলবার রাতে নগরীর ৫ নং ওয়ার্ডের রামকৃষ্ণ মিশন পূজা মন্ডপ, খলিফা বাড়ির সাথের পূজামন্ডপসহ বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির জেলা কমিটির যুগ্ম সমন্বয়ক ফারহা এমদাদ ইম্পা, যুবশক্তি কুমিল্লা জেলা কমিটির সদস্য জাহিদুল হক অনিকসহ অন্যান্যরা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই ভূঁইয়া কানুকে জুতার মালা পরিয়ে লাঞ্চিতের একটি ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ইতোমধ্যেই এ ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুছ সরকার অভিযুক্তদের গ্রেফতারে বিবৃতি দিয়েছেন। পাশাপাশি বলেছেন কানুর বিরুদ্ধে ৮-৯টি মামলা রয়েছে।
চৌদ্দগ্রাম থানা সূত্রেও জানা যায়, আব্দুল হাই কানুর বিরুদ্ধে ১টি হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল ১ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, রবিবার দুপুরে স্থানীয় বাতিসা ইউনিয়নের কুলিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মুক্তিযোদ্ধা ও কেন্দ্রীয় কৃষকলীগ নেতা আব্দুল হাই কানুকে জুতার মালা পড়ায় স্থানীয় প্রবাসী আবুল হাশেমসহ এলাকাবাসী।
এসময় স্থানীয়দের বলতে শোনা যায়, আব্দুল হাই কানুর কারণে তারা গত ১৫ বছর এলাকায় থাকতে পারেনি।
২০১৬ সালের আবু বক্কর ছিদ্দিক প্রকাশ রানা হত্যার প্রতিবাদে এবং কানু ও তার ছেলে বিপ্লবকে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবীতে স্থানীয় আ’লীগ সমাবেশ করে।
সমাবেশে উপজেলা আ’লীগের প্রচার সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন বলেন, আব্দুল হাই কানুর কারণে স্থানীয় আ’লীগ নেতাকর্মীরাও এলাকাছাড়া।
সোমবার সকালে সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে স্থানীয় জসিম উদ্দিন বলেন, আবদুল হাই কানুর সাথে আ’লীগ ব্যতিত আর কোন রাজনৈতিক দ্বন্ধ নেই।
ভাইরাল ভিডিওটি রাজনৈতিক নয়। এলাকার ভুক্তভোগীরা ঘটনা করেছে। এসময় আমিও সাথে ছিলাম। হত্যাকান্ডের শিকার রানা হত্যা মামলায় ১নং আসামী কানু। আওয়ামী লীগ নেতা শাহীন হত্যার ঘটনাও অন্যতম নির্দেশদাতা কানু মেম্বার। কুলিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধী এক প্রার্থী আবদুল হালিম মজুমদারকে লাথি মেরে পুকুরে ফেলে দেয়। ঐ নির্বাচনে আমাকেও লাঞ্চিত করে।
স্থানীয় ট্রাক্টর চালক আনোয়ার হোসেন বলেন, পারিবারিক দ্বন্ধে এ ঘটনা ঘটেছে। এর সাথে রাজনীতির সম্পৃক্ততা নাই। গত ২০১৬ সালের ৩ই সেপ্টেম্বর যুবলীগ নেতা আবু বক্কর ছিদ্দিক প্রকাশ রানাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে কানু মেম্বার। ঐদিন আমি নিজেও গুলির শব্দে ব্রীজ থেকে লাফ দিয়ে আহত হই। কানু মেম্বার আমার চাচা নুরুল ইসলাম মিনারকে রাতের আধাঁরে মারধর করে।
আবদুল হালিম মজুমদারের ভাই আবদুর রহমান (৮০) বলেন, কানু আমার ভাইকে বিদ্যালয়ের নির্বাচনের সময়ে লাথি মেরে পুকুরে ফেলে দেয়। আ’লীগ সরকারের সময়ে আমার ভাইয়ের থেকে ২৬লাখ টাকা চাঁদাবাজী করে। এমনকি আমার ঘর নির্মাণের সময় আমার থেকেও ৭ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। এসময় তিনি সাংবাদিকদের আরও বলেন, বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনের দ্বন্ধেই রবিবার দুপুরে কানুকে আটক করে এলাকাবাসী।
সাবেক ইউপি মেম্বার ও অবঃ সেনাসদস্য আবদুল হক বলেন, কানু এই এলাকায় গত ১৭ বছরে সন্ত্রাসের রাজনীতি কায়েম করেছে। একাধিক হত্যা, বাড়িঘর ভাংচুর এবং চাঁদাবাজীর সাথেও সে জড়িত। স্থানীয়রা পূর্বের ক্ষোভ থেকে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী বেলাল হোসাইন বলেন, আ’লীগ নেতা আব্দুল হাই কানু হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামী। পূর্বের বিভিন্ন বিরোধ থেকে এলাকাবাসী এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এর সাথে রাজনৈতিক কোন সম্পৃক্ততা নাই। এমনটি ভাইরাল ভিডিওকে উল্লেখিত ব্যক্তিগত জামায়াতের কোন পদ-পদবীতে নাই।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এটিএম আক্তারুজ্জামান সোমবার দুপুরে বলেন, আব্দুল হাই কানুর বিরুদ্ধে ৮-৯টি মামলার বিষয়ে পুরনো অপারেটরের মাধ্যমে জেনেছি। তবে আমার কাছে একটি হত্যা মামলা এবং একটি ভাংচুরের মামলার তথ্য রয়েছে। ভাইরাল ভিডিওতে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ বলেন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই কানুকে লাঞ্ছিতের ঘটনা অপ্রত্যাশিত। মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছি আমরা। পরিবার থেকে এখনো লিখিত কোন অভিযোগ দেয়া হয়নি। এ ঘটনায় একটা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আরাফাতুল ইসলাম বলেন, সকলের সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। তিনি যদি কোন অপরাধ করে থাকেন আইন অনুযায়ী বিচার হবে। অপরাধীকে জুতার মালা পড়ানো সম্মানহানীর কোন সুযোগ আইনে নাই।
মন্তব্য করুন


দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৮ জুন কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করে ১টি এয়ারগান এবং ৩টি ছুরিসহ শহীদ মিয়া নামের এক অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে আটক করে।
আটক হওয়া ব্যক্তি এবং উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও সরঞ্জামাদি যথাযথ প্রক্রিয়ায় লালমাই থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ছাত্রলীগের প্রতিবাদ সমাবেশকে কেন্দ্র করে দলীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১৪ মে) দুপুরে দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন বেলকুচি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন।
এর আগে শনিবার (১৩ মে) রাতে বেলকুচি পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আল আমিন সরকার বাদী হয়ে বেলকুচির পৌর মেয়র সাজ্জাদুল হক রেজাকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৩০-৪০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় একটি দায়ের করেন। মামলায় রাতেই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বেলকুচি উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়ের শ্যামগাতি গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে সোহেল রানা ও পৌর এলাকার জিধুরী গ্রামের আকছেদ আলীর ছেলে রমজান আলী।
বেলকুচি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় রাতে থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলায় পৌর মেয়রকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। আমরা রাতেই অভিযান চালিয়ে মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, শনিবার বিকেলে বেলকুচি উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সমাবেশকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুই সাংবাদিকসহ আওয়ামী
মন্তব্য করুন